26/07/2025
নির্বাচন না হলে জনগনের প্রতিনিধি আসবে কোথা থেকে? সংসদে যাবে কি ভাবে? সংসদে না গেলে জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে কিভাবে?
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
২৬ জুলাই ২০২৫
কট্টরপন্থী বিএনপিদের পেইজ
26/07/2025
নির্বাচন না হলে জনগনের প্রতিনিধি আসবে কোথা থেকে? সংসদে যাবে কি ভাবে? সংসদে না গেলে জনগণের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে কিভাবে?
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
২৬ জুলাই ২০২৫
26/07/2025
একজন দক্ষ শিবির যেভাবে তৈরি হয় !
26/07/2025
দেশত্যাগ করা জামাত নেতাগো তালিকা, উনারা কিন্তু পালিয়ে যায় নি। 😁
১. গোলাম আযম।
১৯৭১- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানে অবস্থান।
১৯৭২- বাংলাদেশ সরকার তার নাগরিকত্ব বাতিল করে।
১৯৭৮- জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বাংলাদেশে ফিরে আসেন (১৫ আগস্ট ১৯৭৮)।
১৯৯১- বাংলাদেশে নাগরিকত্ব ফিরে পান এবং জামাতের রাজনীতি পুনরায় শুরু করেন।
২০১৩- যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত (৯০ বছরের কারাদণ্ড)।
২৩ অক্টোবর ২০১৪- ঢাকা মেডিকেল কলেজে মৃত্যু।
২. আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ।
১৯৭১- পাকিস্তানে অবস্থান এবং আলবদর বাহিনীর নেতৃত্বে সক্রিয় ছিলেন।
১৯৭২-১৯৭৮- পাকিস্তানে ছিলেন, পরে সৌদি আরব যান।
প্রায় ১৯৮০- বাংলাদেশে ফিরে এসে জামাতে সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িত হন।
২০১৫- যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত ও ২২ নভেম্বর ২০১৫-তে ফাঁসি কার্যকর।
৩. মতিউর রহমান নিজামী।
১৯৭১- আলবদর বাহিনীর প্রধান সংগঠক।
১৯৭২-১৯৭৭- পাকিস্তানে অবস্থান করেন।
১৯৭৮- বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
২০১৬- ১১ মে যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত হয়ে ফাঁসি কার্যকর।
৪. মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী।
১৯৭১-১৯৭৭- যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে সৌদি আরবে থাকেন।
প্রায় ১৯৭৮-৭৯: বাংলাদেশে ফিরে এসে রাজনীতিতে যুক্ত হন।
৫. চৌধুরী মুঈনউদ্দিন।
ডিসেম্বর ১৯৭১- বুদ্ধিজীবী হত্যার পরপরই দেশত্যাগ করে পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাজ্যে পালান।
১৯৯৫ থেকে ব্রিটেনে বসবাস করছেন, জামাতপন্থী আন্তর্জাতিক সংগঠনে যুক্ত।
২০১৩- বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে পলাতক হিসেবে।
আজও পলাতক, ফিরে আসেননি।
৬. আশরাফুজ্জামান খান।
১৯৭১- বুদ্ধিজীবী হত্যার অন্যতম অভিযুক্ত।
১৯৭২- যুক্তরাষ্ট্রে পালান।
২০১৩- বাংলাদেশের ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
আজও পলাতক, ফিরে আসেননি।
৭. ঘসিয়াতুল হক মজনু।
১৯৭১ আলবদর বাহিনীর সাথে যুক্ত ছিলেন।
১৯৭২-১৯৮০ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানে ছিলেন।
১৯৮০ এর পর বাংলাদেশে ফিরে এসে জামাত রাজনীতিতে যুক্ত হন।
26/07/2025
মুনাফেক জামাতকে ম্যাক্স প্রো
26/07/2025
সংবিধানে 'আল্লাহর উপর অবিচল আস্থা' এটার বিরোধিতা করে এনসিপি আর জামাতের মুনাফেকগুলো।
বাংলার মুসলমানরাও মুনাফেক জামাতকে বয়কট করবে অচিরেই।
26/07/2025
জামাতে পাকিস্তানের বাংলাদেশ শাখা ধর্মকে ফাদ হিসেবে ব্যবহার করলো আর বোকা মুসলিম ছেলে গুলা ফাদে পরে ধ্বংস হয়ে গেল।
24/04/2025
এপ্রিল ২০২৫
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি'র প্রেস ব্রিফিং
অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী
সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব-বিএনপি
সুপ্রিয় সাংবাদিক বন্ধুরা
আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে জানাচ্ছি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।
দীর্ঘ রক্তঝরা আন্দোলনের অব্যবহিত পর থেকে গঠিত অন্তবর্তীকালীন সরকারের কাছে দেশের গণতান্ত্রিক শক্তির প্রত্যাশার প্রতিফলণ খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। হয়ত কিছু কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি থাকলেও গণতন্ত্রকে মজবুত কাঠামো তৈরির প্রস্তুতির অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। পতিত স্বৈরাচারের দোসর, খুনের আসামীরা, প্রকাশ্যে আদালতে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়া, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিচার চেয়ে বক্তব্য রাখে। হাসিনার গনহত্যাকারী বাহিনীর নেতারা দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের ভয়াবহ অপশাসনের জন্য ক্ষমা চাওয়া তো দূরে থাক, উল্লো আদালতে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। হাজারো শহিদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আরও বড় ফ্যাসিস্ট হয়ে ফিরে আসার হুমকি দিচ্ছে।
বন্ধুরা,
ভারতে পলাতক হাসিনা একের পর এক হুংকার দিচ্ছে। জুলাই-আগস্টের শাজাহান খান গংরা আদালতে এসে সরকারকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। আদালতকে ভেংচি কাটছে, পুলিশকে থোড়াই কেয়ার করছে। হাসিনার দোসররা আসামি হয়েও আদালতে যে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করছে তা মূলত অন্তর্র্বতী সরকারকে ‘অকার্যকর’ প্রমাণের এক গভীর চক্রান্ত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ প্রশাসন নীরবতায় তারা এমন আচরণ করছে। গত ১৫ বছর বিভিন্ন পাতানো মামলায় বিএনপির অনেক সিনিয়র নেতা ও আলেম-ওলামাকে ডান্ডাবেড়ি-পরিয়ে আদালতে তোলা হয়েছিল আর এখন কারাগারে ভয়াবহ অপরাধী আওয়ামী নেতাদের জামাই আদরে আদালতে হাজির করা হচ্ছে। পুলিশ প্রশাসন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হাসিনার অলিগার্করা ‘সর্ষের ভিতর ভূত’ হয়ে থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
এছাড়াও পাড়া-মহল্লা, পথে-ঘাটে, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের কোন কমতি নেই। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে পলাতক কর্তৃত্ববাদী ফ্যাসিস্টদের গলার স্বর শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। দেশের জনগণের পাচার করা টাকা পতিত স্বৈরাচারের ‘টনিক’ হিসেবে কাজ করছে। শেখ হাসিনার একটি ভরসা হচ্ছে পাচার করা টাকা, সেই টাকার জোরে দেশে নানা ঘটনা ঘটিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাচ্ছে। একটি প্রবাদ আছে “টাকায় কথা কয়”-শেখ হাসিনা এই প্রবাদটি কাজে লাগাতে চাচ্ছে। মাফিয়া অর্থনীতির জোরে শেখ হাসিনা দেশের যে সম্পদ পাচার করেছেন, সেই সম্পদের মুনাফা
দিয়ে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চান। পতিত ফ্যাসিবাদের বড় বড় দোসররা অনেকেই প্রশাসনের হেফাজতে ছিল, কিন্ত তারা কিভাবে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে? নিশ্চয়ই এখনও প্রশাসনের মধ্যে অনেকেই ঘাপটি মেরে আছেন, ফ্যাসিবাদের খুনি দোসরদের সহযোগীরা।
সেজন্য ছাত্র-জনতার নজিরবিহীন গণ-অভ্যুত্থানে হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে থাকা পতিত ফ্যাসিস্টদের সহযোগীরা ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করছে। তারা কোথাও কোথাও গণহত্যাকারীদের সঙ্গে আতাত করে প্রকাশ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। প্রশাসনের কতিপয় ব্যক্তির সহযোগিতায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে ঝটিকা মিছিল করার দুঃসাহস দেখাচ্ছে, আঘাত করছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের, ঘর-বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হচ্ছে, শিল্পী-কুশলী, রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ অনেকের বাড়ি-ঘর যেমন-ভাস্কর মানবেন্দ্র ঘোষের মানিকগঞ্জের বাড়ি আগুন দিয়ে ভষ্মিভূত করা হয়েছে। কোন কোন পক্ষ আছেন যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চান, তাদেরও নেপথ্য ইন্ধন না থাকলে ফ্যাসিস্টের অনুচররা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দুঃসাহস দেখাতো না।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুরা,
সেই মাফিয়া অর্থনীতির সৃষ্টিকারীদের হোতারা আজও কেন ধরা-ছোঁয়ার বাইরে? যে সমস্ত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে প্রকাশ্য সমর্থন দিয়ে ফ্যাসিবাদকে প্রলম্বিতকরার ঘোষণা দিয়ে কাজ করেছেন, তারা আজ বহাল তবিয়তে তাদের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছেন। আওয়ামী দুঃশাসনের ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচারের সাথে যুক্তরা আজও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।
সুতরাং, হাট-বাজার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সেক্টরে ফ্যাসিস্টদের সিন্ডিকেট তৎপরতা বহাল তবিয়তে কাজ করে যাচ্ছে, এরাই দেশের মালিক সমিতি হিসেবে গন্য। যে কারণে-চালের দাম হু-হু করে বাড়ছে, অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসও সাধারণ মানুষের নাগালের বাহিরে চলে যাচ্ছে। প্রশাসনের সর্বস্তরে এখনও দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিবাদের দোসররা বিদ্যমান আছে, কারণ-তারাই সরকারের দু-একজনকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে নাকি স্ব-পদে বহাল রয়েছেন। এ ধরনের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রায়ই প্রকাশিত হচ্ছে।
সবাইকে ধন্যবাদ ।
আল্লাহ হাফেজ।
20/04/2025
প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটি ছাত্রদল নেতা জাহিদুল ইসলাম পারভেজ হত্যায় জড়িত খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও বিচার চাই।
ছেলেটার নাম পারভেজ, যাকে ছুরিকাঘাতে মেরে ফেলে হয়েছে। প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ছিলো সে। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার ওপর কয়েকজন মিলে হামলে পড়ে এবং এমনভাবেই ছুরিকাঘাত করে যে তার বেঁচে থাকার রাস্তা শেষ হয়ে যায়।
পারভেজের আরেকটা পরিচয় আছে, সে ছাত্রদল করতো। জাস্ট চিন্তা করেন ঘটনা যদি উল্টো হতো, মানে ছাত্রদলের ট্যাগ আছে এমন কারা দ্বারা যদি অন্যকেউ এভাবে মারা পড়তো, তাহলে অনলাইনে সবাই কীভাবে রিয়েক্ট করতো? মুহূর্তের ভেতর এটার প্রতিবাদে ফ্লাডেড হয়ে যেতো চারপাশ। তাহলে এটার ক্ষেত্রে কেন এমনটা হলো না? আবার প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি না হয়ে ছেলেটা যদি অন্য কোন জায়গার ( জাস্ট উদাহরণস্বরূপ বলছি ঢাবি বা বুয়েট) স্টুডেন্ট হতো, তাহলে যেরকম রিয়েকশন হতো, সেটা কি এখন হচ্ছে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সবাই জানেন, তাই নতুনকরে বললাম না। জাস্ট ঠাণ্ডা মাথায় একটু চিন্তা করে দেখেন নিজেরাই।
পারভেজকে যারা এইভাবে নির্মমভাবে মেরে ফেললো, তাদেরকে ইমিডিয়েটলি আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে, তাদের রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় যেটাই হোক না কেন। কোন অবস্থাতেই এটা মেনে নেওয়ার মত ঘটনা না। পারভেজ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার চাই।