08/05/2026
১৫ বছরের একটা ছেলেকে মারতে কয়টা গুলি লাগে, স্যার? এতটুকুতেই শেষ? না। সেইদিন ১৮ জুলাই প্রথমে ছাত্র-জনতা গুলিবিদ্ধ তাহমিদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিতে গেলে পুলিশ পথ আটকে দেয়। ছাত্র-জনতা অনেক লড়াই করে হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তাহমিদকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
তখন তাহমিদের লাশ নিয়ে হাসপাতালে অবস্থান করা আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের উপর আবারও গুলি চালায় পুলিশ। হাসপাতালেই আহত হয় তাহমিদের অনেক বন্ধুরা। একটা দেশের পুলিশ কতটা নির্মম হতে পারে? যে লাশ নিতে আসা বন্ধু-স্বজনদেরও গুলি করে আহত করে দেয়!
এরপর তৃতীয়বার, তাহমিদের লাশ নিয়ে সবাই স্কুল মাঠে পৌঁছায়। সেখানেও ছাত্র-জনতা ও তাহমিদের বন্ধুদের উপর নির্বিচারে গুলি শুরু করে পুলিশ। আবারও আহত হয় তাহমিদের অনেক বন্ধু।
আজ শহীদ তাহমিদ ভূঁইয়ার জন্মদিন। তাহমিদ বেঁচে থাকলে আজ বয়সটা হতো সতেরো। আঠারো না এখনো সতেরো।