03/06/2025
Dream Abroad Education Scam in Bangladesh পূর্বের নাম Dream Abroad with Scholarship 🚫❌🇧🇩🇨🇳
প্রতারক চক্রের নাম ও তথ্যঃ
প্রতারক ১ঃ
নামঃ আনিসুজ্জামান নাহিদ (Polytechnic Notice, বন্ধুমহল ব্লাড ডোনার সোসাইটি)
পিতাঃ এস এম নুরুজ্জামান
মাতাঃ নুরুন নাহার
ঢাকা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
অটোমোবাইল ইন্জিনিয়ারিং
পাশ সনঃ ২০১৯
সিজিপিএঃ ২.৭৮
ঠিকানাঃ চ-৪২/২, উত্তর বাড্ডা
প্রতারক ২ঃ আদিবা রহমান
স্বামীঃ মোঃ হাবিবুর রহমান
মাতাঃ মর্জিনা বেগম
পিতাঃ মোঃ আজিজুর হক
ঠিকানাঃ ১৮৯, চন্ডিপুর, রাজশাহী
প্রতারক ৩ঃ মোঃ হাবিবুর রহমান
স্ত্রীঃ আদিবা রহমান
পিতাঃ মোঃ আব্দুর রশিদ
মাতাঃ মোছাঃ লালবানু বিবি
ঠিকানাঃ বিলমাললী, গোবিন্দপাড়া, বাগামারা, রাজশাহী
প্রতারক ৪ঃ মঈনুল
পিতাঃ শাহানুর আলম
মাতাঃ মোছাঃ মর্জিনা বেগম
ঠিকানাঃ দক্ষিণ পাড়া, শাজাহানপুর, রাজশাহী
বিস্তারিতঃ
চায়নায় উচ্চশিক্ষার নামে ভুয়া স্কলারশিপ, অরিজিনাল ডকুমেন্টস জব্দ করে টাকা দাবী সহ রাজশাহী, বগুড়া, দিনাজপুর, ঢাকা কেন্দ্রীক বিশাল একটি প্রতারক চক্র বাংলাদেশে প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে কাজ করছে।
প্রতিটি মানুষ স্বপ্ন দেখে আর চেষ্টা করে সেটা পূরণ করার। আর এই মানুষের স্বপ্ন পূরণ করতে অনেকে পাশে দাঁড়ায়। আবার এটি একটি বিজনেস মডেল ও। এই স্বপ্ন পূরণ নিয়ে ২ জন ব্যক্তি, ১০ জন পরিচালনা প্রধান, ১০ টিরও বেশী ৫০ হাজার+ সদস্য ভিত্তিক গ্রুপ, ৩০ জনেরও বেশী সোস্যাল টিম, ১০ টিরও বেশী ফেসবুক পেইজ, WhatsApp গ্রুপ এ চলছে প্রতিনিয়ত এডুকেশন স্ক্যাম।
প্রতিবছর চায়না তে হাজার হাজার শিক্ষার্থী এডমিশন নিয়ে থাকে। কারণ স্কলারশিপ সুযোগ সুবিধা ও খরচ নিজ দেশ বা অন্য দেশের তুলনায় অনেক কম। এই স্কলারশিপ নিয়ে চলছে এই বিশাল চক্রের এডুকেশন স্ক্যাম।
কিভাবে প্রচারণা করে?
১) ফেসবুকে বিভিন্ন গ্রুপ এরা পরিচালনা করে। যার একেকটার ৫০ হাজারেরও বেশী সদস্য রয়েছে। এসকল গ্রুপে পোস্ট, রিয়েক্ট, কমেন্ট করার জন্য রয়েছে তাদের ৩০ থকে ৫০ সদস্য সোস্যাল টিম যা Messenger এবং WhatsApp থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়।
২) পলিটেকনিক ভিত্তি বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ, ব্লাড ডোনট গ্রুপ এরা সরাসরি পরিচালনা করে শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে।
৩) এছাড়াও বিভিন্ন ফেসবুকের এডমিনদের সাথে যারা সরাসরি ডিল করে রেখেছে যাতে তাদের প্রচারণায় সকল সহযোগিতা পায় আর বিরোধিতা করলে তাদেরকে ব্যান করে দেয়।
কিভাবে শিক্ষার্থীদের প্রলোভন দেখায়?
১) এরা বিভিন্ন ফ্রী কোর্স চালু করে। যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে সরাসরি WhatsApp গ্রুপে এদের যুক্ত করে ক্লাস নেয়া হয়।
২) ফ্রী কোর্সের মধ্যে রয়েছে ইংরেজী, কম্পিউটার, চায়নিজ।
৩) চায়নায় অবস্থানরত যেসকল শিক্ষার্থী তাদের হয়ে কাজ করছে তারা প্রতিনিয়ত খাবার খরচ, বাজার, ক্যাম্পাস, হোস্টেল সুবিধা নিয়ে পোস্ট করে। এসকল পোস্টে মূল সত্যতা গোপন রাখা হয়। যেমন প্রচার করা হয় প্রতিমাসে ৫ বা ৬ হাজার টাকায় খাবার খরচ হয়ে যায়, চাকরীর সুযোগ সুবিধা আছে ইত্যাদি
আশা করি এই স্ক্যাম নিয়ে দুদক, চ্যানেল ও প্রিন্ট মিডিয়া থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা পাওয়া যাবে। এতে করে আমাদের শিক্ষার্থীগণ নিরাপদদ থাকবে এবং চায়নাতে বাংলাদেশের সুনাম বজায় থাকবে।
নিচে প্রতারকদের ছবি দেওয়া হল। এদেরকে পুলিশে ধরিয়ে দিন। ইতিমধ্যে নেশ কয়েকজন ৫ কোটিরও বেশী টাকা নিয়ে দেশত্যাগ করেছে। বাকিরাও প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তাদের অপরাধের সকল প্রমাণ ড্রাইভ লিংকঃ https://drive.google.com/drive/folders/1F1QeflAJ8_LH07SLCMgyrP9PoGhVCvbs
