বাংলামোটরে পুলিশের বাঁধা উপেক্ষা করেই আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মিছিল।
এই প্রজন্ম হাসতে হাসতে জেলে যায়। সে প্রজন্মকে এসব জুজুরভয় দেখিয়ে লাভ নেই।,,,,।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ইতিহাস সৃষ্টি করে বিজয় আসবেই✌️✌️।
জয় বাংলা ✊✊
GAN-Z 71
Team 71
অবৈধ ইউনুস সরকারের পদত্যাগের দাবিতে রাজধানী ঢাকার ব্যস্ততম বনানী এলাকায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঢাকা মহানগর উত্তরের বিক্ষোভ মিছিল ...
তারিখ : ০২-০৯-২০২৫
এ যেন মবের মুল্লুক, মবের দেশ। দিনাজপুর জীবনমহল পার্ক এলাকায় তথাকথিত তৌহিদি জনতার হা'মলায় মসজিদে আ'গুন।
ইউনুস প্রশাসনের করা গুলিতে গুলি বিদ্ধ হয়েছেন
Mahir Faisal (AUST EEE)
আসমান জমিন কাপেনা এখন আর?
শেখ হাসিনা ভালা না, ভালা লইয়্যা থাকো
২৪ আগস্ট, ২০২৫
ঢাকার ব্যস্ততম গুলিস্তান এলাকায় শেখ হাসিনার কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল।
ব্রিগেডিয়ার সাখাওত হোসেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন কোটা আন্দোলনে নিহতদের মৃত্যুর বিষয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছিলেন। সেসময় তিনি তার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ্যে বলেছিলেন—আন্দোলনে ৭.৬২ রাইফেল ব্যবহার করা হয়েছিল, এবং এই অস্ত্র সাধারণ সিভিলিয়ানদের হাতে সরবরাহ করা হয়েছিল। এটি ছিল এক চরম অবিশ্বাস্য তথ্য। কারণ রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাইরে কোনো বেসামরিকের হাতে এ ধরনের যুদ্ধাস্ত্র থাকা সম্পূর্ণ অবৈধ, এবং এর পেছনে নিশ্চয়ই একটি সুপরিকল্পিত নাশকতার চক্রান্ত কাজ করছিল। ঠিক এই বক্তব্য দেওয়ার পরপরই তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
শুধু তাই নয়, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পরবর্তীতে তার আরেকটি বক্তব্যে বলেন (যেটি পোস্ট করা হয়েছে)—৫ই আগস্ট সর্বাধিক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে প্রফেশনাল স্নাইপার শুটার দিয়ে। অর্থাৎ প্রশিক্ষিত স্নাইপার ভাড়াটে খুনিদের ব্যবহার করে পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল।
প্রশ্ন জাগে— এই স্নাইপার দিয়ে গুলি চালাল কারা? কারা ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নিয়োগ দিয়েছিল সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি চালানোর জন্য? কারা আন্দোলনের ভিড়ে অশান্তি ছড়িয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে সংঘটিত করেছিল?
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার বক্তব্যে পরিষ্কারভাবে উঠে আসে—কোনো তৃতীয় পক্ষ পরিকল্পিতভাবে লাশ ফেলেছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা, দেশে সাংবিধানিক শূন্যতা সৃষ্টি করা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করা। এই ভয়াবহ ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে আমরা তখনও জনগণকে বারবার সতর্ক করেছিলাম।
কেউ কেউ অতি সরলভাবে বলেন—“আওয়ামী লীগ কেন ক্ষমা চায় না।” কিন্তু প্রশ্ন হলো—আওয়ামী লীগ কার কাছে ক্ষমা চাইবে? কেন চাইবে? যেখানে এখনও জনগণের সামনে উন্মোচিত হয়নি—আন্দোলনে কারা ৭.৬২ রাইফেল ব্যবহার করেছিল, কারা প্রফেশনাল স্নাইপার দিয়ে মানুষ হত্যা করেছিল, কারা রাজনৈতিক স্বার্থে সাধারণ শিক্ষার্থীদের লাশের পাহাড় তৈরি করেছিল।
প্রকৃত সত্য উদঘাটন ছাড়া ক্ষমা চাওয়ার কোনো ভিত্তিই থাকতে পারে না। বরং অন্ধকারে ঢেকে রাখা দায় কার, সেই প্রশ্নই এখানে বড় হয়ে ওঠে।
আওয়ামী লীগ সবসময়ই চেয়েছিল প্রকৃত সত্য উদঘাটন করতে, প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করতে। এজন্যই আমরা—স্বাধীন বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করেছিলাম, তদন্তে বিদেশি বিশেষজ্ঞ ও জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্তি চেয়েছিলাম, যাতে তদন্ত হয় নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য।
আমাদের লক্ষ্য ছিল একটাই—সত্য প্রকাশিত হোক, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হোক। কারণ সত্য উদঘাটন ছাড়া কখনোই ন্যায় বিচার সম্ভব নয়, ইতিহাসও তার প্রকৃত রূপে প্রকাশ পাবে না।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে, ড. ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর সেই তদন্ত কমিশন বাতিল করে দেন। ফলে যারা হত্যাযজ্ঞ ঘটিয়েছে, যারা শিক্ষার্থীদের রক্তকে রাজনীতির হাতিয়ার বানিয়েছে, তাদেরকে আড়াল করা হলো। সত্যকে গোপন রেখে কেবল রাজনৈতিক স্বার্থে একটি দলের ওপর দায় চাপানো হলো। এটি ছিল ইতিহাসের প্রতি অবিচার, শহীদদের প্রতি অবমাননা এবং ন্যায়বিচারের পথে এক ভয়ংকর অন্তরায়।
প্রকৃতপক্ষে, দায়ীদের আড়াল করে, সত্য গোপন রেখে শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বার্থে দায় চাপানো কখনোই ন্যায়বিচার হতে পারে না। বরং সত্য উদঘাটনের মাধ্যমেই ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে, জনগণ প্রকৃত দোষীদের সম্পর্কে অবহিত হবে, আর ইতিহাস তার যথার্থ রূপে প্রকাশিত হবে।
jamaat-shibir er abbu aayenge🥹
লক্ষীপুর জেলা ছাত্রলীগ✊
মাইলস্টোনে এইরকম ছাত্রলীগ পাইলেই পিডান!🫦
লাশের হিসাব দিতেই হবে,শিক্ষদের কাছে সেনাবাহিনীর ক্ষমা চাইতেই হবে,কমলমতি ফুলদের লাশ কেনো গুম করলি,,এখন আর কারো আসমান কাপে না...আমার শিক্ষার্থী ভাইয়ের উপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এটা কি?ইউনুচ জবাব দে?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
3700
