ভালোবাসার ঢাকা

ভালোবাসার ঢাকা

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ভালোবাসার ঢাকা, Social service, Plot-229, Zaman Tower, Azampur Road, Uttar Khan, Uttara, Dhaka.

ঢাকায় পানিবন্দী মানুষের পাশে গুলশান সোসাইটি, খাবার বিতরণ 15/07/2026

Omar Sadat
মানুষ মানুষের জন্য
জীবন জীবনের জন্য
একটু সহানুভূতি কি
মানুষ পেতে পারে না?

ঢাকায় পানিবন্দী মানুষের পাশে গুলশান সোসাইটি, খাবার বিতরণ ঢাকায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দী অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে গুলশান সোসাইটি।

Photos from ভালোবাসার ঢাকা's post 15/07/2026

Omar Sadat
আজ গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে পানিবন্দী বন্যার্ত মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

এই মানবিক উদ্যোগে যাঁরা সময়, শ্রম, অর্থ ও সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকের প্রতি জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও অসংখ্য ধন্যবাদ।

মানুষ মানুষের জন্য। এই দুর্যোগে আমরা সবাই মিলে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারলেই আমাদের এই প্রচেষ্টা সার্থক হবে।

08/07/2026

Omar Sadat
ঢাকাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য
গুলশান সোসাইটির সভাপতির

05/07/2026

Omar Sadat
গুলশান অঞ্চলের যত পয়ঃবর্জ্য আছে, তার ৯০ ভাগ গিয়ে পড়ছে এই লেকের মধ্যে
ভিডিও লিঙ্ক: https://www.youtube.com/watch?v=ClXG9DuA__s

05/07/2026

Omar Sadat
দূষণমুক্ত করতে ডিএনসিসি'র সাথে সমন্বিত উদ্যোগ নেবে রাজউক

Photos from ভালোবাসার ঢাকা's post 05/07/2026

Omar Sadat
আমেরিকার ২৫০তম জন্মবার্ষিকী ও সিভিক রেস্পন্সিবিলিটির মূলমন্ত্র

গতকাল ভোর চারটা থেকে বিকেল সাতটা পর্যন্ত দিনটি কেটে গেল আমেরিকার ২৫০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের নানা আয়োজনে। ভোরবেলা গুলশান ২ নম্বর সার্কেলের চারপাশে ভেসে উঠল মার্কিন পতাকার ছবি। গুলশান সোসাইটির সভাপতি হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। সকাল ১১টায় বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে গুলশান সোসাইটি ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ অনুষ্ঠান। সেখানে ছিল আমেরিকার স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে ফাউন্ডারস মিউজিয়াম, আমেরিকান মিলিটারি ব্যান্ডের মনোমুগ্ধকর সংগীত, এবং কাউন্টি ফেয়ার। বিকেলে জাতীয় সংসদের সাউথ প্লাজায় ছিল ফ্রিডম ২৫০ ব্যান্ড পার্টি, যেখানে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি।

এভাবেই সারাদিন কেটে গেল নানা অনুষ্ঠান, সৌজন্য, আনুষ্ঠানিকতা ও উদযাপনের মধ্যে। প্রচণ্ড গরমে স্যুট টাই পরে ঘামতে ঘামতে বসে বসে ভাবছিলাম, জাতি হিসেবে আমেরিকার উত্থানের মূলমন্ত্র কী?

আমার দৃষ্টিতে এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো সিভিক রেস্পন্সিবিলিটি, অর্থাৎ নাগরিক দায়িত্ববোধ। নাগরিকরা নিজের দেশ, সমাজ, শহর ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন হয়েছে। তারা বুঝেছে, রাষ্ট্র কেবল সরকারের একার বিষয় নয়; রাষ্ট্র গড়ে ওঠে নাগরিকের শৃঙ্খলা ও অংশগ্রহণ, নিয়মিত ট্যাক্স দেওয়া, আইন মানা, স্বেচ্ছাসেবা এবং জনপরিসরের প্রতি সম্মান থেকে।

একটি দেশ সামনে এগিয়ে যায় তখনই, যখন তার নাগরিকরা শুধু অধিকার দাবি করে না, দায়িত্বও পালন করে। রাস্তা পরিষ্কার রাখা, ট্রাফিক আইন মানা, কর প্রদান করা, প্রতিবেশীর পাশে দাঁড়ানো, ভোট দেওয়া, স্থানীয় কমিউনিটির কাজে অংশ নেওয়া, পার্ক ও পাবলিক স্পেস রক্ষা করা, আইনকে নিজের সুবিধামতো নয় বরং সবার জন্য সমানভাবে মানা। এসবই সিভিক রেস্পন্সিবিলিটির অংশ।

আমেরিকার শক্তি শুধু তার সামরিক ক্ষমতা, অর্থনীতি বা প্রযুক্তিতে নয়; তার বড় শক্তি হলো নাগরিক উদ্যোগের সংস্কৃতি। সেখানে মানুষ শুধু সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকে না। স্কুল, লাইব্রেরি, পার্ক, হাসপাতাল, গবেষণা, দাতব্য কাজ, পরিবেশ রক্ষা, দুর্যোগে সহায়তা, এই প্রতিটি ক্ষেত্রে নাগরিকরা এগিয়ে আসে। এই অংশগ্রহণেই রাষ্ট্র এগিয়ে যায়।

আমাদের বাংলাদেশেও উন্নয়নের প্রকৃত ভিত্তি হতে হবে এই নাগরিক দায়িত্ববোধ। আমরা যদি প্রত্যেকে নিজের এলাকা, নিজের রাস্তা, নিজের পার্ক, নিজের শহরের প্রতি দায়িত্বশীল হই, তাহলে পরিবর্তন শুধু সরকারের ফাইলে আটকে থাকবে না। পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে মানুষের জীবনে। গুলশান, ঢাকা কিংবা বাংলাদেশ, সব জায়গায় নাগরিক অংশগ্রহণই হতে পারে সুন্দর সমাজ গঠনের প্রধান চালিকা শক্তি।

আমেরিকার ২৫০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপনের দিনে আমার কাছে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো একটা জাতি গড়তে শুধু স্বাধীনতা যথেষ্ট নয়। স্বাধীনতার সঙ্গে নাগরিক দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা, অংশগ্রহণ এবং জনকল্যাণের চেতনা থাকতে হয়।

বাংলাদেশের আগামী দিনের পথচলায় এই শিক্ষাটিই আমাদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।

দুর্গন্ধ-ময়লামুক্ত করতে গুলশান লেকে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু 04/07/2026

Omar Sadat
ঢাকার নগরায়ন নয় "নরকায়ন" হয়েছে:

"গুলশান সোসাইটির সভাপতি ওমর সাদাত অভিযোগ করেন, গত দুই দশকে পরিকল্পিত নগরায়ণের বদলে ‘নরকায়ন’ হয়েছে। অধিকাংশ এলাকার পয়োনিষ্কাশন লাইন সরাসরি লেকে গিয়ে পড়ছে। গুলশানকে মডেল এলাকা হিসেবে গড়তে সবার সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।" ফুট স্টেপস বাংলাদেশ এর উদ্যোগে কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনের সহযোগিতা গুলশান লেক পরিছন্নতা কার্যক্রমে আমার বক্তব্য প্রথম আলোতে প্রকাশিত।

দুর্গন্ধ-ময়লামুক্ত করতে গুলশান লেকে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু আয়োজকেরা জানান, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। এতে ৫০০-এর বেশি স্বেচ্ছাসেবী অংশ নিচ.....

Photos from ভালোবাসার ঢাকা's post 28/06/2026

Omar Sadat
আনন্দের নানা রকম আর ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো:

কেউ গান গেয়ে আনন্দ পায়, কেউ গান শুনে। কেউ ঘুরে বেড়িয়ে, কেউ অন্যকে ঘুরিয়ে। কেউ প্রেমে পড়ে, কেউ প্রেমে ফেলে সুখ খুঁজে পায়। কেউ খেয়ে তৃপ্ত হয়, আর কেউ খাইয়েই তৃপ্তি খুঁজে পায়। আমার আনন্দ মানুষকে খাইয়ে। আমার পরিচিতরা সকলেই জানেন যে আমার চারপাশে সব সময় চলছে খাওয়া দাওয়া।

গতকাল গুলশান সোসাইটির উদ্যোগে আমরা আয়োজন করেছিলাম ফল উৎসব। সুবিধাবঞ্চিত মানুষ, রাস্তা পরিচ্ছন্নতা কর্মী, লেক ক্লিনার, কমিউনিটি পুলিশ, রিকশাচালক এবং পথশিশুদের জন্য ছিল কাঁঠাল, আম, আনারস, কলাসহ নানা মৌসুমী ফল। প্রায় এক হাজার মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এই ভালোবাসার উপহার।

সবচেয়ে দারুন ব্যাপার হলো, এই ফলগুলো কোনো প্রতিষ্ঠান দেয়নি। দিয়েছেন গুলশানের বাসিন্দারা। কেউ দশটা কাঁঠাল, কেউ এক ঝুড়ি আম, কেউ আনারস, কেউ আবার নীরবে কিছু অর্থ। ক্লাস সিক্সে পড়া এক কিশোরী তার নিজের ভাগের কিছু আম নিয়ে এসে হাজির। এরকম অনেক ছোট ছোট অবদান মিলেই তৈরি হয়েছে বড় একটি আনন্দের দিন। এই ছোট ছোট মুখের হাসি দেখে বারবার মনে হচ্ছিল, ইস এরকম যদি আরো করতে পারতাম।

আমরা যারা ফলের মৌসুমে ইচ্ছেমতো ফল খাই, তাদের অনেকেই জানি না যে আমাদের আশপাশেই এমন মানুষ আছেন, যাদের সারা বছরে একবারও ফল খাওয়ার সুযোগ হয় না। ফল খাওয়া এই প্রান্তিক মানুষগুলোর জন্য একটি বিরাট বিলাসিতা।

আমাদের ধর্ম একটি অসাধারণ শিক্ষা দিয়েছে। অভাবগ্রস্ত মানুষের প্রাপ্যকে দান বলা হয় না। সেটি তার অধিকার। হাদিসে বলা আছে যে “সে মুমিন নয়, যে নিজে পেট ভরে খায় অথচ তার পাশের প্রতিবেশী ক্ষুধার্ত থাকে।” তাই মানুষের পাশে দাঁড়ানো কোনো অনুগ্রহ নয়। বরং এটি আমাদের নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব।

গতকালের ফল উৎসব তারই একটি ছোট্ট উদাহরণ। অনেক মানুষের ছোট ছোট অবদান মিলেই শত শত মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে।

আমার সবার কাছে একটি ছোট্ট অনুরোধ। বড় কিছু করার অপেক্ষায় না থেকে একটা কাঁঠাল, কয়েকটি আম, এক ডজন কলা আর একটা আনারস আমাদের আশেপাশের অনেকেরই একটি দিনকে উৎসবে পরিণত করতে পারে।

পৃথিবীতে আমাদের সময় খুবই অল্প। কিন্তু মানুষের মুখে যে হাসি রেখে যাওয়া যায়, সেটিই হয়তো আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। আর সেই অর্জনের প্রতিদান শুধু এই পৃথিবীতেই নয়, পরকালেও আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে, ইনশাআল্লাহ।

সকল প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়। লিংকগুলো নিচে দেওয়া হল

https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/dxgq2saznr

https://youtu.be/IImdk_Ma2GM?si=lj2JmqZKG8erJ1Ap

https://www.facebook.com/share/v/1EQBqKWKwH/

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address

Plot-229, Zaman Tower, Azampur Road, Uttar Khan, Uttara
Dhaka
1230