স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা

Share

You are my Dream giral

16/09/2024

১. তুমি যাকেই বিয়ে করো না কেন, তার খুঁত থাকবেই। নিখুঁত কোনো মানুষ মানব ইতিহাসে জন্মায়নি। দাম্পত্যসাথীর খুঁতের দিকে তাকিয়ে থাকলে, তার যোগ্যতাকে তুমি দেখতে পাবে না কোনোদিনই।

তোমার এই বদভ্যাস থেকে থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

২. প্রত্যেক মানুষেরই অতীত-গল্প আছে। ভালোমন্দ মিলিয়েই তার অতীতের ইতিহাস। দাম্পত্যসাথীর অতীত নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করলে, দাম্পত্যের বর্তমানকে হারিয়ে ফেলবে তুমি।

তোমার এই বদভ্যাস থেকে থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

৩. প্রত্যেক দাম্পত্যই বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হবে রোজই। দাম্পত্য ফুলবাগানও নয়, যুদ্ধক্ষেত্রও নয়। লাভ-ম্যারেজ বা সেটেল্ড, যে-প্রক্রিয়াতেই সংসারটি তৈরি হোক না কেন, নির্দিষ্ট কিছু সমস্যা থাকবেই। প্রক্রিয়ার দোষ নয় এটি, দাম্পত্যজীবনই এরকম। এই সমস্যাগুলোকে দু'জনে মিলে সমাধানে এগিয়ে যাওয়াটাই দাম্পত্যপ্রেম। দাম্পত্য-সমস্যায় পরস্পরকে দোষারোপ দাম্পত্যের অপমান।

দাম্পত্য-সমস্যায় সংসারসাথীকে দোষারোপ করার বদভ্যাস থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

৪. প্রত্যেক দাম্পত্যই আলাদা। নিজের সংসারের সাথে অন্য সংসারের তুলনা কোরো না। কোনো সংসারই ব্যর্থ নয়, প্রত্যেক সংসারই নিজের যোগ্যতার নিরিখে সফল। অন্যের সংসারের জৌলসকে সুখ ভেবে নিয়ে, নিজের সংসারকে অসুখের আখড়ায় পরিণত কোরো না।

পরিশ্রমহীন এই পরশ্রীকাতরতার বদভ্যাস থেকে থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

৫. সংসার করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার অর্থ হলো─ তুমি তোমার জীবন থেকে সংসার-বিরুদ্ধ ভাবনা ও অভ্যাসগুলি চিরতরে বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছ। উল্লিখিত সংসার-বিরুদ্ধ অভ্যাসগুলি─
ক. মূর্খতা,
খ. উচ্ছৃঙ্খলতা,
গ. শৃঙ্খলাহীনতা,
ঘ. পরচর্চা,
ঙ. পরশ্রীকাতরতা,
চ. তৃতীয় পক্ষের কথায় বিশ্বাস,
ছ. আলস্য,
জ. অশ্রদ্ধা,
ঝ. প্রেমহীনতা,
ঞ. ভাষার বাজে ব্যবহার,
ট. বিশ্বাসের সাথে প্রতারণা,
ঠ. পারস্পরিক আলাপে অনীহা।

উল্লিখিত বদভ্যাসগুলো পরিত্যাগ করতে না-পারলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

৬. নিখুঁত দাম্পত্যজীবন বলে কিছু নেই। রেডিমেড সংসার বলে কিছু নেই। শর্টকাট দাম্পত্যসুখ বলে কিছু নেই। সংসার অর্থ─ দু'টি মানুষের একইমাত্রার পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, বিশ্বাস, প্রেম, এবং উভয়ের সর্বোচ্চ শ্রমের সমষ্টি। দাম্পত্যজীবন হলো সেই চারাটি, যাকে নিয়মিত পরিচর্যা করলে একটি মহীরুহে পরিণত হবে একসময়; পরিচর্যা না-করলে, ধুঁকতে-ধুঁকতে, দ্রুতই মরে যাবে।

তুমি যদি পরিচর্যার মানসিকতাহীন একজন খামখেয়ালি ব্যক্তি হয়ে থাকো, সংসার তোমার জন্য নয়।

৭. সংসার ও আর্থিক সক্ষমতা পরস্পরের পরিপূরক। সংসার রক্ষা করার জন্য, সংসার শুরু করার আগেই তোমাকে উপার্জনের ব্যবস্থা করতে হবে। উপার্জন ছাড়া সংসার করার ভাবনাটিই তামাশা। এ অপরাধ। আর, উপার্জনের ব্যবস্থা নিশ্চিত থাকলে, তবে, সংসার শুরু করার আগে, কখনোই উদ্বিগ্ন হয়ো না─ এই উপার্জনে সংসার আমি রক্ষা করতে পারবো কিনা! নিজের যোগ্যতার চেয়ে বেশি যোগ্য, নিজের অবস্থানের চেয়ে বেশি উচ্চ অবস্থানের, কারও সাথে দাম্পত্য করতে যেয়ো না; কাছাকাছি সামাজিক অবস্থানের ও মানসিকতার দু'জন মানুষের দাম্পত্যে আর্থিক চাহিদা সমস্যা ঘটায় না। সংসার মানেই আর্থিক বিবেচনা, এবং সংসার মানেই ঝুঁকি নেওয়ার চ্যালেঞ্জ।

এই ঝুঁকি নেওয়ার সাহস না-থাকলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

৮. প্রেমভালোবাসাহীন সংসার একটি অভ্যাসমাত্র। এই অভ্যাস একসময় পরিণত হয় দাসত্ব ও মালিকানায়। এই পরিস্থিতির নামই─ চুক্তি। এই চুক্তির, বাজারে পরিণত হতে বেশি সময় লাগে না। বাজারেই থাকে গণিকালয়। অর্থাৎ, প্রেমভালোবাসাহীন সংসার চুক্তিভিত্তিক গণিকাবৃত্তি মাত্র। এসব সংসারে, ডিভোর্স না-হওয়া মানে এই নয় যে─ এরা সুখী; কারণ─ ডিভোর্স সবসময় কাগজেকলমে হয় না, ডিভোর্স মূলত আরম্ভ হয় মনে, এবং চিরকাল মনের ভিতরেই এই ডিভোর্স ঘৃণার সাথে রয়ে যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই।

তুমি যদি প্রেমহীন হয়ে থাকো, সংসার তোমার জন্য নয়।

৯. সংসার আরম্ভ করার আগেই, অতীতের তৃতীয় কারও প্রেমকে, বান্ধবকে, হারানো প্রেমস্মৃতিকে, চিরতরে অতীতেই ফেলে আসতে হবে। বর্তমান দাম্পত্যসাথীর সাথে প্রতারণার আরেক নাম─ প্রাক্তন প্রেমসাথীকে মনের ভিতরে জিইয়ে রাখা।

এ বদভ্যাস পরিত্যাগ করতে না-পারলে, সংসার তোমার জন্য নয়।

১০. সংসার করো। সংসারই পরিপূর্ণতা। কিন্তু, সংসার তখনই কোরো, যখন তুমি সংসার করার যোগ্য হয়ে উঠবে। অন্যথায়, আরেকটি মানুষের সুন্দর জীবনটিকে নষ্ট করে দিয়ো না।

মানুষকে ভালোবাসো, সংসার না-করে হলেও।

27/08/2024
16/06/2024

আত্মত্যাগের মহিমায় উৎজিবীত হোক সকল প্রাণ ❤️

ঈদ বয়ে নিয়ে আনুক অনাবিল আনন্দ, সবগুলো অপরিপূর্ণতা পূর্ণতা পাক। সকলের হৃদয়ের নেক ইচ্ছা গুলো পূর্ণ হোক।

বহুক্রোশ দূরে পরিবার ছেড়ে পরিবারের জন্য যারা আত্মপ্রাণ, ওই সবগুলো সুন্দর হৃদয়ের মানুষদের জানাই শ্রদ্ধা আর সালাম ❤️

ইদ মোবারক ❤️

16/06/2024

আপনার জীবনের রিযিক হিসেবে এমন একটা ভালো জীবনসঙ্গী হোক!💞💙🫶
Alhamdulillah

15/06/2024
13/06/2024

একটি সংসার অসুখী হবার পেছনে
অনেক কারণ থাকতে পারে! 💔

কিন্তু সুখী হবার পেছনে একটাই কারণ আর তা হলো স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে ইনসাফপূর্ণ বোঝাপড়া।🌸❤️

দুইজনের মধ্যে বোঝাপড়াটা তখনই কাজ করবে যখন সেখানে ইনসাফ বা সুবিচার থাকবে।যখন সেই বিচার ব্যবস্থাপনাটা একতরফা হয়ে যায় তখনই বিরাট গন্ডগোল বাধে! সাধারণত আমাদের সমাজের পরিবার গুলোতে এই সুবিচারের খুব অভাব দেখা যায়।

নিরানব্বই ভাগ ছেলেই মায়ের দিকে বেশি ঝুঁকে যায় যিনি তার স্ত্রীর শাশুড়ি হন। এটা খুব স্বাভাবিক যেহেতু রক্তের সম্পর্ক।কিন্তু এটাও মনে রাখা জরুরি যে একতরফা কথা না বলে দুইজনের মধ্যে (স্ত্রী এবং মা)
ব্যালেন্স রেখে চললে ব্যাপারটা অনেক সহজ হয়।

মাকে কষ্ট দেয়া যাবে না আবার স্ত্রীর সম্মানহানী হবে এমন কথা কিংবা কাজ করা যাবে না, এটা মাথায় রেখে চললেই সংসার জীবন সুন্দর হয়।
যখন কোন মেয়ে একটি নতুন সংসারে আসে স্বভাবগতো ভাবেই সেখানে সে নিজেকে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। ব্যতিক্রম হয়তো আছে, ব্যতিক্রমের কথা বলছি না।

অনেক চাকরীজীবী, শিক্ষিত মেয়েকেও দেখেছি মানিয়ে নিয়ে সহ্য করে যেতে। এই মানিয়ে নিতে নিতে এবং একতরফা আচরণ পেতে পেতে একসময় সে
মেন্টালি সিক হয়ে পড়ে!
একটা বেলুনে বাতাস ভরতে থাকলে একসময় সে আর নিতে পারে না, ফেটে যায়।এবং এই ফেটে যাওয়াটা নিঃশব্দে হয় না। যথেষ্ট শব্দ করেই ফেটে যায়!

মেয়েটির বেলাতেও তাই হয়, তার মেনে নেয়ার লিমিট ক্রস করে যায় এবং তখন সে তার সম্পর্কে আর কোন নেগেটিভ কথা সহ্য করতে পারে না। এবং যখন সে তার বিপরীতে বলা এসব কথার প্রতিবাদ করে তখন ঐ লোকগুলি যারা মেয়েটিকে কথা শোনাতে অভ্যস্ত ছিল বলে তোমাকে তো কিছুই বলা যায় না, তুমি রিয়্যাক্ট করো।

যে কোন মানুষের ব্রেইনের একটা নির্দিষ্ট ধারণ ক্ষমতা আছে, এর বাইরে সে নিতে পারে না। যখন তাকে অতিরিক্ত দেয়া হয় তখন সে ফেইল করে,তার কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে আর তখনই তাকে বলা
হয় মানসিক রোগী!

ইসলাম নারীদের দায়িত্ব পুরুষদের উপর দিয়েছে। কিভাবে মা এবং স্ত্রীর সাথে আচরণ করতে হবে সেটাও বলে দিয়েছে।

মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের জান্নাত. তাএকজন সন্তানের কিভাবে তাপালন করতে হবে সেটি ইসলাম বলেদিয়েছে.. 🍁 অপর দিকে ইসলামে এটিও এসেছে যে রাসুল (সা.) বলেছেন যে তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই উত্তম যেতার স্ত্রীর কাছে উত্তম 🌷🌸🌹🌼🥀

12/06/2024

প্রেম আর বিবাহীত জীবন এক না। কয়েক বছর প্রেম করে প্রিয় মানুষকে বিয়ে করাটাই সাক্সেস না। একজনকে ভালোবসলাম তাকে যেকোন উপায়ে পেয়ে গেলাম মানেই আমার ভালোবাসা ধন্য হয়ে গেল, আমার জীবন পূর্ণতা পেয়ে গেল এরকমটা ভাবা বোকামি। আসল জীবনটা শুরু হয় বিয়ের পর থেকে, আর বিয়ের পরের জীবনটা একসঙ্গে ভালোবেসে মৃত্যু অব্দি থাকতে পারাটাই সাক্সেস।

পাঁচ বছর প্রেমের পর বিবাহ করে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে নিজেকে সাক্সেস ভাবা বহু লোকের সম্পর্ক পাঁচ মাস পার না হতেই আমি ডিভোর্স হয়ে যেতে দেখেছি। বিয়ের আগেকার শতভাগ ভালোবাসা নেমে আসতে দেখেছি অংকের শূন্যের কোটায়।

সারাদিন ফোনে কথা বলে, মেসেজ দিয়ে, সাপ্তাহ একদিন দেখা করে, গিফট দিয়ে গিভ এন্ড টেক একটা সম্পর্ক যে কেউ এগিয়ে নিতে পারে। কিন্তু বিয়ের পর দায়িত্ব নিয়ে, যত্ন নিয়ে, জীবনের শেষ অবদি সম্পর্কে এগিয়ে নেয়া মোটেও সহজ কাজ না।

বিয়ের পর যখন আবেগ কমে, ফ্যান্টাসির জগৎ ছেড়ে যখন আমরা বাস্তবিক জগতে নেমে আসি, ধীরে ধীরে যখন সৌন্দর্য হারায়, শারীরিক চাহিদা যখন কমে আসে, শ'ত দায়িত্ব যখন ঘাড়ে চেপে বসে, ঠিক তখন সম্পর্কটাকে বোঝা মনে করে পালিয়ে না গিয়ে, থেকে গিয়ে ভালোবাসতে পারা সত্যিকারের পূূর্ণতা।

তাই জীবনসঙ্গী হিসাবে তাকেই বেছে নাও যাকে তুমি ভালোবাসো, এবং যে সকল পরিস্থিতিতে মৃত্যু অবদি ভালোবেসে যেতে পারার আত্মবিশ্বাস ও সাহস রাখে।❤️

09/06/2024

💓♥️

08/06/2024

আপনার পার্টনারের গুরুত্ব বুঝলে তবেইতো
বাকি জীবনটা একসাথে হাতে হাত রেখে চলতে পারবেন...!!
🔹🔹🔸🔸🔹🔹🔸🔸🔹🔹🔸🔸🔹🔹🔸🔸

কখনও পার্টনারকে "little less than you" ফিল করাবেন না। সবার সামনে বা পিছনে অসম্মান করবেননা।

হতেই পারে আপনার থেকে তার যোগ্যতা কম। তাই বলে সে আপনার কম্পিটিটর না, আপনিও তার কম্পিটিটর না। জগতের সবার যোগ্যতা সমান হবে না এটাই স্বাভাবিক । তাকে নিয়ে অপরের সাথে তুলনার অর্থ তাকে কোথাও ছোট করা।

পার্টনার মানেই একটু বিচিত্র মানে দুই এক-এ এক। আপনিই সে, সে-ই আপনি। অনেকটা হর পার্বতির মতন। বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় রাখুন। দেখবেন বিশ্বাস করুন আপনাদের সম্পর্ক আরও ভালো হয়ে উঠবে।

দুজনে একসাথে গ্রো করবেন। একে অপরকে জিতিয়ে দেবেন। একে অপরের প্রশংসা করবেন। দেখবেন শান্তি বজায় থাকবে। আরও মধুর হবে সম্পর্কের বাঁধন।

যে কোনো সমস্যায় একে অপরের সাথে আলোচনায় বসবেন..কারো কথায় তাকে বিচার কখনোই করবেননা নিজের কথায় করুন। নাহলে কোনোদিন কোনো সম্পর্ক ভালো হবেনা। দুজনের মধ্যে তিক্ততা বাড়বে।

তার যথেষ্ট খেয়াল রাখবেন। তার উন্নতিতে এগিয়ে যাবেন। তৃতীয় কোনো ব্যক্তিকে নিজেদের সম্পর্কে স্থান দেবেননা।

চেষ্টা করবেন নিজের প্ৰিয় মানুষটার জন্য খারাপকে পরিবর্তন করার। তাকেই প্রতি মহুর্তে অপরাধী করবেননা। আসতে আসতে এইগুলো তার মনে খতের সৃষ্টি করবে।

প্রকৃত ভালোবাসার মানুষের চাহিদা খুবই কম। বেশিরভাগটাই ভালোবাসা ও সম্মান কেন্দ্রিক। তাকে সেইটুকুই দেওয়ার চেষ্টা করুন তাহলেই হবে।

হতে পারে তারও অনেক সমস্যা আছে সেগুলো আপনাকেও বুঝতে হবে। নাহলে শুধু একদিকের মানুষের যত্ন থাকলে পুরো সম্পর্ক হেরে যায়। সম্পর্ক টেকাতে উভয় মানুষকে সবসময় চেষ্টা চালিয়ে যেতে হয়। নাহলে ছোট ছোট অভিমান গুলোই একসময়ে বড়ো রূপ নেয়।

সম্পর্কে একে অপরকে বুঝুন। তাকে সময় দিন। এজন্যই আপনারা পার্টনার। কখনো স্বামী-স্ত্রী আবার কখনো প্রেমিক-প্রেমিকা। এই জন্যই ঈশ্বর আপনাদের দুজনকে কাছে এনেছেন।

এই সম্পর্কগুলো উদার হতে হয়। নাহলে ঠিক জমে না...! আপনার পার্টনারের গুরুত্ব বুঝলে তবেইতো বাকি জীবনটা একসাথে হাতে হাত রেখে চলতে পারবেন.....তাইনা ...?? ❤️💙❤️


আফসোস! পোস্টটা হয়ত একেক জনের কাছে একেক রকম লাগবে। কিন্তু শিক্ষামূলক পোস্ট হিসেবে সবার পড়া এবং শেয়ার করার দরকার আছে।

©️ Mohammad Juwel 🖤

07/06/2024

ভালোবাসলে ছোট ছোট ভুলগুলো ক্ষমা করে দেওয়া দরকার, কারণ ভুলটা আমার হোক বা তোমার,, সম্পর্কটা তো আমাদের..! ♥️💓🙂

07/06/2024

আমার মা একজন ৩৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন গৃহিনী এবং আমাদের বাসার সেকেন্ড হায়েস্ট ইকোনমিক কন্ট্রিবিউটর। গৃহিনীরা আবার কীভাবে ইকোনমিক কন্ট্রিবিউশন করে এইটা অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, তাই একটা এক্সামপল দিয়ে এক্সপ্লেইন করি।

আমি যে পরিমাণ ভাত প্রতিবেলায় খাই, সেটার জন্য প্রায় ১৫০ গ্রাম মত চাল লাগে। আমরা যে চালের ভাত খাই সেটার ১৫০ গ্রামের দাম প্রায় ১৪ টাকা। আমরা দ্বিমুখী চুলার গ্যাস বিল দিই ১০৮০ টাকা, এর মানে এক চুলার জন্য মাসে ৫৪০ টাকা, দিনে ১৮ টাকা, ঘন্টায় ৭৫ পয়সা। ভাত রান্না করতে ২০ মিনিট লাগলে গ্যাস যাচ্ছে ২৫ পয়সার। এর সাথে ধরেন আরও ২৫ পয়সার পানি। তাহলে, ১৪+০.২৫+০.২৫=১৪.৫ টাকা, এর সাথে আম্মুর এফোর্ট যোগ হয়ে যে ভাত তৈরি হচ্ছে, সেই কোয়ালিটির ভাত রেস্টুরেন্টে খেতে আমার লাগতো মিনিমাম ৫০ টাকা। তার মানে, ৫০-১৪.৫=৩৫.৫ টাকা এইটা হচ্ছে প্রতিবেলায় শুধু আমার ভাতের জন্য আম্মুর এফোর্টের মূল্য। আমরা বাসায় চারজন লোক, চারজনের জন্য দুইবেলা করে ভাত রান্না করলে দিনেই বাঁচাচ্ছেন ২৮৪ টাকা, মাসে ৮৫২০ টাকা। 'বাঁচাচ্ছেন' মানে কিন্তু উল্টো করে এটাও বলা যায় উনি এই টাকাটা বাসায় কন্ট্রিবিউট করছেন।

এ তো গেলো শুধু ভাতের হিসাব। এই ছাড়া ভাতের সাথে আমরা যে তরকারি খাই, সকালে-সন্ধ্যায় নাস্তা খাই, চা খাই, ঘরে আম্মু যে কাজগুলো করেন, সব মিলিয়ে উনার কন্ট্রিবিউশন মাসে ৬৮ থেকে ৭৫ হাজার টাকার মত।

এবং, আমার আম্মুর মত লাখ লাখ আম্মুরা মিলে শুধু বাংলাদেশের ইকোনমিতে যে কন্ট্রিবিউশন করছেন, তার ভ্যালু প্রায় ৭ থেকে ১০ লক্ষ কোটি টাকা মাত্র। (সোর্স কমেন্টে)

এই যে হিসাবটা আপনাদের দিলাম, এই হিসাবের সিমিলার কিছু ছোটবেলা থেকে কোনো পাঠ্যবইয়ে পেয়েছেন? আমি পাই নি, বরং আমি উল্টোটাই দেখেছি। ইন্ডাস্ট্রিতে লেবার সেল করা নারীদের 'ওয়ার্কিং উমেন' হিসেবে প্রমোট করে বিপরীতে গৃহিণীদের কাজকে ছোট করে দেখার মানসিকতা স্লো পয়জনের মত পুশ করা হয়েছে। ছেলেকে বুঝানো হয়েছে তোমার মা যে কাজ করে সেটার তেমন কোনো ভ্যালু নাই, মেয়েকে শিখানো হয়েছে তোমার মায়ের মত হলে তোমারও সম্মান থাকবে না। এটার এন্ড টার্গেট যে আসলে কী, সেটা আশা করি বলে দিতে হবে না।

এই যে গৃহিণীদের কাজকে এতো ছোট করে দেখানো হলো, এটার পেছনের কারণটা কী? এই ব্যাপারে আমার অবজারভেশন হলো, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশনে লেবার সাপ্লাই বাড়ানো। আর সাপ্লাই বাড়লে দাম কমে যাবে, এই কোরিলেশন কারও অজানা থাকার কথা নয়। একটু বুঝিয়ে বলি। ধরেন একটা অফিসে একই পজিশনে দুইটা পোস্ট ফাঁকা আছে, কোম্পানির রিক্রুটমেন্ট বাজেট ২০০ টাকা। এখন, ক্যান্ডিডেট দুইজন হলে কোম্পানি দুইজনকেই ২০০ টাকা দিয়ে নিতে বাধ্য। কিন্তু, ক্যান্টিডেট যদি ৪ জন হয়, তখন কোম্পানি ৫০টাকা করে ৪ জনকে অনবোর্ড করবে, নাকি 'আরও ক্যান্ডিডেট আছে' বলে সবার সাথেই নেগোশিয়েট করে কম স্যালারিতে এমপ্লয়ি অনবোর্ড করার চেষ্টা করবে? এর মধ্যে কেউ হয়তো প্রয়োজনের চাপে কম স্যালারিতেই রাজি হয়ে যাবে। একটু মনে করে দেখেন, ৩০-৪০ বছর আগেও একজনের ইনকামে ১০ জনের একটা ফ্যামিলি অনায়াসে চলতে পেরেছে, টুকটাক সেভিংসও করতে পেরেছে, যেতা এখন প্রায় অসম্ভব। 'চলছে না' বলে স্বামী-স্ত্রী দুইজনেই শ্রমবাজারে নিজেদের বিক্রির জন্য তুলে দিচ্ছেন, লেবার এক্সপ্লয়েটেশনে নিজেদের ক্রমাগত সঁপে দিয়ে আরও বেশি লেবার এক্সপ্লয়েটেশনের সুযোগ করে দিচ্ছেন।

এ তো গেলো শুধু ইকোনমির হিসাব। এর সাথে, সময়ের অভাবের কারণে বিভিন্ন অ্যাপ্লায়েন্সের পিছনে লিভিং কস্ট বাড়া, প্রসেসড ফুড খেতে বাধ্য হওয়া এবং এর কারণে বাড়া মেডিকেল কস্টের হিসাব করলে যে কারোরই মাথা ঘুরবে, আমারও ঘুরেছিলো। আর ইমোশনাল লস তো টাকায় হিসাব করা যায় না, সেইটার ভ্যালু যার যার উপরেই ছেড়ে দিলাম।

লাস্ট দুইটা কথা বলি।

এক, গৃহিণী নারীরা পুরুষের উপর 'নির্ভরশীল', এই প্রোপাগান্ডাকে ডিনাই করতে শিখুন। নির্ভরশীলতা হতো যদি সহযোগিতাটা একপাক্ষিক হতো। পরিবারে আর্নিং পার্সন, হাউজহোল্ড ওয়ার্কিং পার্সনের ভূমিকাটা মিথোজিনিক, একজন আরেকজনকে সাপোর্ট দিচ্ছে, এখানে কোনো 'নির্ভরশীলতা' নেই।

দুই, একাডেমিয়াকে হোলি প্লেস ভাবা বন্ধ করুন। একাডেমিয়ার লক্ষ্য 'আলোকিত মানুষ করা' এটা সর্বৈব মিথ্যা, বরং একাডেমিয়ার ডিজাইনটা হচ্ছে 'দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত ডগম্যাটিক স্লেভারি' ট্রেনিং দেয়া। আপনাকে, আমাকে যেই মানসিকতায় বড় করলে আমাদের শাসক, শোষকদের সুবিধা হয়, একাডেমিয়া সেভাবেই চেঞ্জ হয়। 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' এই কথাটাকে বিশ্বাস করুন, নিজের ব্যক্তিগত পড়াশুনা, জ্ঞান চর্চা, চিন্তাভাবনা বাড়ান।

(কালেক্টেড)

06/06/2024

ছোট একটি মোনাজাত
ইয়া রহমান, ইয়া রহিম, ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম,"ইয়া গাফফার" ইয়া সাত্তার, "ইয়া জব্বার "ইয়া ওয়াদুদ" ইয়া আজিজু "ইয়া আজিম "ইয়া হান্নানু "ইয়া মান্নানু, হে আমার রব,"হে আমার সৃষ্টি কর্তা।

আপনার পবিত্র নামগুলোর উছিলায়, আপনার তাওহীদের সাক্ষী " লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু" এর উছিলায়, আপনার বন্ধু ও হাবীব হযরত মুহম্মদ (সঃ) এর উম্মত হিসেবে আমাদের সকলের মনের নেক ইচ্ছা গুলো পূরণ করে দেন।
অভাব,ঋণ দূর করে দিন। যারা যারা বিপদে আছে তাদের সকল কে আপনি বিপদ থেকে মুক্ত করে দিন।
আমাদের মানসিক কষ্ট দুঃখ দূর করে দিন।আমাদের রিযিকে বরকত দান করুন।বাবা মা পরিবারের সকলকে নেক হায়াত দান করুন।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Dhaka