Taltola Govt. Officer's Quarter

Taltola Govt. Officer's Quarter

Share

D-1 Type (Grade: 7 to 9 Officer)
Taltola Govt. Officers Quarter, Dhaka-1207, Building Number:15-24

15/03/2024

#পেট্রোবাংলার_খুটিনাটি
#পোস্ট_নং_০২
২০২২ সাল গ্যাস সেক্টরের একটি কোম্পানিতে যোগদানের পূর্বে পুরো সেক্টর নিয়ে কিছুটা আইডিয়া নিয়েছিলাম। তার উপর ভিত্তি করে আজকের এই আলোচনা।

#কোম্পানি_ও_ধরণ
পেট্রোবাংলা এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠান ১৩ টি যা নিম্নলিখিতভাবে ভাগ করা যায়।

(ক) গ্যাস জেনারেশন
(১) বাপেক্স
(২) বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড
(৩) সিলেট গ্যাস ফিল্ড
উল্লেখ্য যে বাপেক্স গ্যাস জেনারেশন এর পাশাপাশি গ্যাস অনুসন্ধান এর দায়িত্বপ্রাপ্ত একমাত্র দেশীয় প্রতিষ্ঠান

(খ) গ্যাস ট্রান্সমিশন
(১) জিটিসিএল

(গ) গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন
(১) তিতাস গ্যাস
(২) বাখরাবাদ গ্যাস
(৩) কর্ণফুলী গ্যাস
(৪) জালালাবাদ গ্যাস
(৫) পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস
(৬) সুন্দরবন গ্যাস

(ঘ) মাইনিং ও এলএনজি
(১) বড়পুকুরিয়া
(২) মধ্যপাড়া
(৩) রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস

উল্লেখ্য যে কোম্পানিগুলোর পুরো নাম এবং শর্ট নাম ভালোভাবে জেনে নিবেন। ভাইভাতে প্রায়ই এর প্রশ্ন করা হয়। ভাইভাতে কোম্পানির নাম ভুল করা মারাত্মক অপরাধ।

যেমন বাখরাবাদ এর পরীক্ষার সময় অনেকে বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড বলেন যা ভুল। বাখরাবাদ কোন গ্যাস ফিল্ড না। ভাইভাতে পেট্রোবাংলা এর আওতাধীন কোম্পানি কয়টি ও কি কি প্রশ্ন করলে উপরের বিভাজন অনুসারে উত্তর করবেন। ইনশাআল্লাহ বোর্ড খুশি হবে।

#এলাকাভিত্তিক_বিভাজন
এখানে পোস্টিং হবার বেশি সম্ভাবনা বিবেচনায় বিভাজন দেয়া আছে। উল্লেখ্য যে এর বাইরেও পোস্টিং হতে পারে।

(১) পেট্রোবাংলা (কারওয়ান বাজার, ঢাকা)
(২) বাপেক্স (কারওয়ান বাজার, ঢাকা)
(৩) বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড (বি. বাড়িয়া)
(৪) সিলেট গ্যাস ফিল্ড (হরিপুর, সিলেট)
(৫) তিতাস (ঢাকা ও এর আশে পাশে)
(৬) বাখরাবাদ (কুমিল্লা)
(৭) কর্ণফুলী (ষোলোশহর, চট্রগ্রাম)
(৮) জালালাবাদ (মেন্দিবাগ, সিলেট)
(৯) পশ্চিমাঞ্চল (নলকা, সিরাজগঞ্জ)
(১০) সুন্দরবন (সোনাডাঙ্গা, খুলনা)
(১১) বড়পুকুরিয়া (পার্বতীপুর, দিনাজপুর)
(১২) মধ্যপাড়া গ্রানাইট (মধ্যপাড়া, দিনাজপুর)
(১৩) রূপান্তরিত (খিলক্ষেত, ঢাকা। কক্সবাজার)
(১৪) জিটিসিএল (আগারগাও, ঢাকা)

#ঢাকায়_পোস্টিং
ঢাকায় পোস্টিং পেতে চাইলে চয়েজে রাখতে পারেন পেট্রোবাংলা, তিতাস, বাপেক্স, জিটিসিএল, রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস এই ৫ প্রতিষ্ঠানকে।

উল্লেখ্য যে পেট্রোবাংলা এর বিল্ডিং এ সকল কোম্পানির লিয়াজো অফিস আছে বাট এগুলায় ১-৫ জনের বেশি লোক লাগে না বিধায় পোস্টিং পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

#পেনশন
আলোচিত কোম্পানিগুলোর মধ্যে পেনশন সুবিধা চালু আছে (১) পেট্রোবাংলা (২) তিতাস (৩) বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড (৪) সিলেট গ্যাস ফিল্ড (৫) বাপেক্স

নিচে আমরা গ্যাস সেক্টরের ৩ টি মূল আকর্ষণ আলোচনা করবো যা (১) ইনসেন্টিভ বোনাস (২) এক্স গ্রেসিয়া (৩) প্রফিট শেয়ার।
উল্লেখ্য যে পোশাক ভাতার নীতিমালা একেক কোম্পানিতে একেক ধরণের হওয়ায় আলোচনার বাইরে রাখা হলো।

#ইনসেন্টিভ_বা_এপিএ_বোনাস
প্রতিটি কোম্পানি প্রতি বছর মন্ত্রনালয় এর সাথে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে চুক্তি করে যা এপিএ বা এনুয়াল পারফরমেন্স এগ্রিমেন্ট বলা হয়। উদাহরণ হিসেবে ধরেন তিতাস এগ্রিমেন্ট করলো যে সিস্টেম লস ৮% এ নামিয়ে আনবে। এমন আরো অনেক ক্যাটাগরি থাকে। মোট মার্কিং হয় ১০০ এর উপর। ১০০ তে কোম্পানিগুলা যা অর্জন করে তার উপর বেজ করে ইনসেন্টিভ বা এপিএ বোনাস দেয়া হয়।

প্রাপ্ত স্কোরের উপর বেইজ করে এটা বেসিকের ০.৫/.০৭৫/১/১.২৫/১.৫/২ হতে পারে। মানে এটা নির্দিষ্ট না। যেই কোম্পানি স্কোর বেশি করবে সে বেশি পাবে। এটা সর্বোচ্চ ২ বেসিক হয় (বেশি হয় কিনা আমার জানা নেই)।

ইনসেন্টিভ বোনাস যে দিতেই হবে এমন কোনো কথা নেই। কোম্পানি চাইলে যেকোন সময় এটা না দিতে বা বন্ধ করে দিতে পারে।

#এক্সগ্রেসিয়া
সবাই ইনসেন্টিভ আর এক্স গ্রেসিয়াকে একই ভাবে যা আমিও এই সেক্টরে আসার আগে মনে করতাম। বাট দুটো একদমি আলাদা জিনিস।

ইনসেন্টিভ এপিএ স্কোরের উপর ভিত্তি করে দেয়া হয় আর এক্স গ্রেসিয়া দেয়া হয় প্রকল্প বা কোনো কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন করার জন্য প্রণোদনা হিসেবে।

ইনসেন্টিভ কয়টা হবে তা স্কোরের ভিত্তিতে মন্ত্রনালয় থেকে ঘোষিত হয়। এক্স গ্রেসিয়া পুরোপুরি কোম্পানির বোর্ডের উপর নির্ভর করে (মন্ত্রনালয় এর ছাড়পত্র নেয়া লাগে কিনা তা আমার জানা নেই)। এক্স গ্রেসিয়া বেসিকের উপর ১-৪ গুন বা তারো বেশি হতে পারে। উদাহরণ হিসেবে ধরেন কর্ণফুলী গ্যাস এর এজিএম সফল ভাবে আয়োজিত হওয়ায় সকল এমপ্লয়িদের ২ বেসিক এর সমান এক্স গ্রেসিয়া দেয়া হলো।

উল্লেখ্য যে এক্স গ্রেসিয়া ফিক্সড কোনো বেনিফিট না। কোম্পানি চাইলে এটা না দিতে পারে বা একদম বন্ধ করে দিতে পারে।

#প্রফিট_শেয়ার
গ্যাস সেক্টরের মূল আকর্ষণ এটা। মূলত এটা বেসিকের উপর ভিত্তি করেনা বলে সবাই সমান এমাউন্ট পায়। মানে প্রতিষ্ঠানের এমডি যদি ১০ টাকা পায় তাহলে পিয়নও ১০ টাকাই পাবে। প্রফিট শেয়ার কেবল স্থায়ী এমপ্লয়িদের দেয়া হয়। আউটসোর্সিং করে যে লোক নেয়া হয় তারা এর আওতায় আসেনা।

আপনাকে অনেকে অনেক কথা বলতে পারে বাট আজকে আপনাকে ক্যালকুলেশন দেখিয়ে দিবো যেনো কাউকে আস্ক বা ট্রাস্ট করতে না হয় এই বিষয়ে।

কোম্পানির আয়ের (খুব সম্ভবত অপারেটিং ইনকাম) ৫% সকল ইমপ্লয়ির মধ্যে সমানভাগে দেয়া হয় প্রফিট শেয়ার হিসেবে। পার পারসন কতো পাবে তা জানার জন্য আপনি কোম্পানির এনুয়াল রিপোর্ট এ যাবেন। ইনকাম স্টেটমেন্টে WPPF (Workers Profit Participation Fund) এর ফিগার নিবেন। সেটার ৮০% করে প্রাপ্ত রেজাল্ট কে নাম্বার অফ ইমপ্লয়ি (স্থায়ী লোকসংখ্যা ধরবেন। আউটসোর্সিং বিবেচনা হবেন) দিয়ে ভাগ করলে প্রত্যেকে কতো করে পেয়েছে তা জানতে পারবেন।

উদাহরণ হিসেবে ধরেন WPPF এ ১০০ টাকা আছে আর ঐ বছরে ৮ জন স্থায়ী লোক আর ৫ জন আউটসোর্সিং করা লোক কোম্পানিতে কর্মরত ছিলো। তাহলে প্রত্যেকে পেয়েছিলো
(১০০*৮০%)/৮= ১০ টাকা করে।

মনে রাখতে হবে যে প্রফিট শেয়ার কোনো ফিক্সড সুবিধা নয়। এটা সাধারণত প্রতি বছরেই কমতে থাকে (কারণ প্রতি বছর নাম্বার অফ ইমপ্লয়ি বাড়ে আবার অপারেটিং কষ্ট বাড়ায় অপারেটিং প্রফিট কমে)।

আবার কোম্পানি যদি লসে থাকে (অপারেটিং লস) তাহলে প্রফিট শেয়ার পাবেন না। নাম্বার অফ ইমপ্লয়ি যদি বাড়ে অথবা গ্রস প্রফিট যদি কমে তাহলে প্রফিট শেয়ার কমতে থাকে। এইজন্য নতুন লোক নেয়া হলে তা পুরাতন লোকেরদের জন্য খারাপ খবর হয় কারণ পার পারসন প্রফিট শেয়ার কমতে থাকে।

প্রফিট শেয়ার বেশি দেয় এমন ৩ টা কোম্পানি হচ্ছে
(১) সুন্দরবন গ্যাস
(২) কর্ণফুলী গ্যাস
(৩) পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস

এদের মধ্যে সুন্দরবন গ্যাসের টাকা বেশি হবার কারণ হচ্ছে তাদের আউটসোর্সিং করা জনবল বেশি। কর্ণফুলীর প্রফিট শেয়ার কমছে কারণ লাস্ট ব্যাচে প্রায় ১০০+ নেয়া হয়েছে। আর তাদের ১০০+ স্টাফ নিয়োগ পেন্ডিং আছে।

বর্তমানে তিতাসের প্রফিট শেয়ার অনেক কমে গেছে। যার কারণ তিতাসের বড় এমপ্লয়ি বেইজ।

যদি কোনো প্রতিষ্ঠানে প্রফিট শেয়ার বেশি হয় আর আউটসোর্সিং করা লোক কম হয় তাহলে বুঝে নিবেন যে সেখানে কাজের চাপ বেশি হবে কারণ কম লোক দিয়ে চালানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে লোকমুখে শোনা যায় যে বড়পুকুরিয়া সবথেকে বেশি প্রফিট শেয়ার করে। বড়পুকুরিয়া এর এনুয়াল রিপোর্ট পাওয়া না যাওয়ায় উক্ত তথ্য ভেরিফাই করা সম্ভব হয়নি।

পরিশেষে কিছু #ব্যক্তিগত_মতামত
(১) গ্যাস সেক্টরের প্রফিট শেয়ার, এক্স গ্রেসিয়া, ইনসেন্টিভ এসব ফিক্সড বেনিফিট না। সবসময় পাবেন বা সমান পাবেন এমন আশা করা উচিত না।

(২) কোম্পানিগুলো পাওয়ার সেক্টরের মতো স্বতন্ত্র পে স্কেলে যাওয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু সকল প্রতিষ্ঠানের মধ্য সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। মূলত আগের ইমপ্লয়িরা স্বতন্ত্র চায় না। ফলে এটা হবে কিনা বা কবে হবে তা পুরো আন্সারটেইন।

গ্যাস সেক্টরের তুলনায় পাওয়ার সেক্টরের এডভান্টেজ এইখানে। কারণ অন্য সুবিধা বন্ধ করা গেলেও বেতন আর ভাতা বন্ধ বা কমানো যায় না।

(৩) স্বতন্ত্র স্কেলে গেলে পেনশন সুবিধা চলে যাবে (এইজন্য অনেকে চায় না স্বতন্ত্র স্কেল হোক)। এক্স গ্রেসিয়াসহ অন্যান্য অনেক সুবিধা পরিবর্তন বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

(৪) ব্যক্তিগত ভাবে আমি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলোতে জব করার জন্য বলবো।

(৫) গ্যাস শেষ হয়ে গেলে কি হবে? এই প্রশ্নের বিভিন্ন উত্তর হতে পারে (পজিটিভ আর নেগেটিভ দুটোই) তাই এটা বিবেচনা করার প্রয়োজন আপাতত নেই। ইনশাআল্লাহ আমরা সাগর থেকে সামনে গ্যাস পাবো। তবে রিস্ক ফ্রি চাইলে জেনারেশন কোম্পানি গুলো পছন্দের শেষে রাখতে পারেন।

(৬) বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড আর সিলেট গ্যাস ফিল্ডের ওয়ার্ক ইনভারমেন্ট ভালো বলে শুনেছি।

(৭) যদি সামনে এলএনজি এর উপর ফোকাস বাড়ানো হয় তাহলে রূপান্তরিত গ্যাস ভালো করবে।

(৮) স্পেসিফিক কোনো কোম্পানির ব্যাপারে জানার জন্য উক্ত কোম্পানিতে জব করে এমন কাউকে আস্ক করা উচিত। তাহলে একদম পরিপূর্ণ আইডিয়া পাবেন।

(৯) যারা সুদভিত্তিক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে দূরে থাকতে চান তাদের জন্য গ্যাস সেক্টর খুব ভালো জায়গা হবে ইনশাআল্লাহ।

(১০) সাব্জেক্টিভ প্রস্তুতির জন্য শর্টকাট না খুজে বেসিক বইগুলো থেকে নিজের বেসিক ডেভেলপ করুন। এইসব জব পাওয়ার জন্য আলাদাভাবে কোচিং করা বা পেইড ব্যাচে পরীক্ষা দেয়ার কোনো প্রয়োজন হয়না।

কোচিং বা পরীক্ষা দেয়া ব্যতীত নিজেই প্রবলেম সলভ করা বা পড়াশুনা করার চেস্টা করুন। খোজ নিয়ে দেখুন যারা জব করে তাদের কয়জন কোচিং করে বা পেইড ব্যাচে পরীক্ষা দিয়ে জব পেয়েছে। সংখ্যাটা কম হওয়াই উচিত।

এক্সামের পড়াশুনাকে জব লাইফের সাথে কম্পেয়ার করুন। জবের ভেতরেও অনেক কাজ বা প্রব্লেম সলুশন নিজ থেকেই করা লাগবে। সেগুলোর জন্য কোচিং তো আর করতে পারবেন না। তাই আগে থেকেই স্ব-উদ্যোগি হবার চেষ্টা করুন।

(১১) জেনারেল অংশের জন্য বাজার থেকে যেকোনো বই কিনে পড়তে পারেন (২-৩ টা দেখে যেটা ভালো লাগবে কিনবেন)

(১২) কোনো সাজেশন ফলো না করাই ভালো। সাজেশন ফলো করার মানে নিজেকে একটা নির্দিষ্ট সার্কেলের ভেতর আবদ্ধ করে ফেলা।

জব এক্সামের কোনো সিলেবাস বা নির্দিষ্ট প্যাটার্ন হয়না তাই সাজেশন ফলো না করে ডিটেইল প্রস্তুতি নিন। যতো জানবেন ততো এগিয়ে থাকবেন। ২-৩ মাস ভালো করে নিজের মতোন করে পড়লে ইনশাআল্লাহ বেশ ভালো ফাউন্ডেশন হবে।

পরিশেষে বলবো উপরের সম্পূর্ণ আলোচনা আমার ব্যক্তিগত। ভুল থাকতেই পারে তাই আলোচনার উপর বিশ্বাস না করাই উচিত বা করলে নিজে যাচাই করে করবেন। পোস্ট ভালো না লাগলে বা দ্বিমত থাকলে তর্ক না করে এভয়েড করবেন।

কোন প্রশ্ন থাকলে করতে পারেন। আমার নলেজে থাকলে জানানোর চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। সবার জন্য দোয়া আর শুভকামনা রইলো।

Md. Hafizur Rahman
AM, WZPDCL
EX-AM, KGDCL
EX-AM, RPGCL
Gold Medalist, IBB
EX-FA, RBL
EX-MTO, SO, OBL

17/03/2023

"বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডার : চাকরিজীবন"
==============================
√ ১ম ৩ বছর: সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, জেলা প্রশাসন।

√ পরবর্তী ২ বছর: সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা ভূমি অফিস।

√ ৫ম বছরে: সিনিয়র সহকারী সচিব (গ্রেড- ৬)
[চাকরির বয়স ৪ বছর পূর্ণ হলে 'সিনিয়র স্কেল পদোন্নতি পরীক্ষা' দিতে হয়। ঐ পরীক্ষায় পাশ করলেই কেবল পদোন্নতি হয়। প্রায় সবাইই পাশ করে।]

√ ৬ষ্ঠ বছরে: উপজেলা নির্বাহী অফিসার (গ্রেড- ৬)

√ ৯ম/১০ম বছরে: অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (ADC)

√ ১২তম বছরে: উপসচিব (গ্রেড- ৫)

√ ১৩/১৪তম বছরে: জেলা প্রশাসক (DC)

√ ১৯তম বছরে: যুগ্মসচিব (গ্রেড- ৩)

√ ২৫তম বছরে: অতিরিক্ত সচিব (গ্রেড- ২)

√ ৩০/৩১তম বছরে: সচিব (গ্রেড- ১)

√ ৩১/৩২তম বছরে: সিনিয়র সচিব (সুপার গ্রেড)/ ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে: মন্ত্রীপরিষদ সচিব/প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব (স্পেশাল গ্রেড)
[বিসিএস ক্যাডারদের মধ্যে শুধু প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদেরই স্পেশাল গ্রেডে যাওয়ার সুযোগ আছে।]

অর্থাৎ আপনি যদি কম বয়সে (২৫/২৬ বছর) চাকরিতে যোগদান করেন + রিপোর্ট ভালো থাকে তাহলে অনায়াসেই সচিব/সিনিয়র সচিব হতে পারবেন।

বি.দ্র: পদোন্নতির ক্ষেত্রে সময়কাল একটু আগে পিছে হতে পারে। রাজনৈতিক কারন, বিভাগীয় মামলা, দুর্নীতি কিংবা অন্যকোন খারাপ রেকর্ড থাকলে পদোন্নতিতে জটিলতা দেখা দিতে পারে।

13/10/2022

জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়িত বিচারিক কর্মকর্তাগণ (প্রশাসন ক্যাডারের) যুগ্ম সচিব সমমানের। যদিও জেলা জজ পদটি (প্রশাসন ক্যাডারের) উপ-সচিব (সিনিয়র গ্রেড প্রাপ্ত) পদমর্যাদার সমতুল্য। তবে, *সাধারণত* জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়িত বিচারিক কর্মকর্তাগণ জেলা জজ পদবীতে বিচার বিভাগের স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের ১ম-গ্রেডে (বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারক হিসেবে) ৫ বছরের অধিক সময় অতিক্রান্ত করেন। ফলে তাঁরা ইতোমধ্যেই সিনিয়র জেলা জজ হয়ে যান এবং বিচার বিভাগের স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের (১ম-গ্রেডের একধাপ উপরের) বিশেষ-গ্রেডে উন্নিত হন।

তুলনা করতে গেলে বিচার বিভাগ বনাম প্রশাসন ক্যাডারের পারষ্পরিক অবস্থান নিম্নোক্তভাবে দেখা যায়—

* সিনিয়র জেলা জজ ≈ যুগ্ম সচিব,

১) জেলা জজ ≈ উপ-সচিব (সিনিয়র গ্রেড),

২) অতিরিক্ত জেলা জজ ≈ উপ-সচিব,

৩) যুগ্ম জেলা জজ ≈ সিনিয়র সহকারী সচিব (জেলা প্রশাসনের ADC, কিংবা পররাষ্ট্র ক্যাডার/দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি সমতুল্য ধরা যায়),

৪) সিনিয়র সহকারী জজ ≈ সিনিয়র সহকারী সচিব,

৫) সহকারী জেলা জজ (৪বছরের অধিক চাকরিকাল) ≈ সহকারী সচিব,

৬) সহকারী জেলা জজ ≈ সহকারী সচিব।

যখন কোনো বিচার বিভাগের (BJS) কর্মকর্তা সচিবালয় কিংবা অন্য কোনো সরকারি দপ্তরে পদায়ন পান, তখন তাঁরা উপরোল্লিখিত পদমর্যাদা[গুলো]তেই নিযুক্তি পান। অর্থাৎ, কোনো অতিরিক্ত জেলা জজ এবং/অথবা সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত জেলা জজ পদবীর কর্মকর্তার সচিবালয়ে বদলি/পদায়ন হলে তিনি উপ-সচিব হিসেবে নিযুক্তি পান।

বিচার বিভাগের যে কর্মকর্তা জেলা জজ হিসেবে ৫+ বছর চাকরি করেছেন (অর্থাৎ সিনিয়র জেলা জজ পদবীর কর্মকর্তা), তিনি সচিবালয়ে বদলি হলে যুগ্ম সচিব হিসেবে যোগদান ও দায়িত্ব পালন করেন।

সচিবালয়ে পদায়ন পাওয়া বিচার বিভাগের কর্মকর্তাগণ অনেক সময় আত্মিকৃত হয়ে সচিবালয়েই তাঁদের পরবর্তী পদোন্নতি[সমূহ] পেয়ে থাকেন, পেতে পারেন। অর্থাৎ, উপ-সচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব, সিনিয়র সচিব ইত্যাদি।

এই প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই Warrant of Precedence এর প্রসঙ্গ/ উদাহরণ আনবেন হয়তো। কিন্তু, ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স স্রেফ আনুষ্ঠানিকতা ও প্রটোকল সংক্রান্ত একটি বিষয়, যেটির শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় কোনো অনুষ্ঠানে বসার ক্রম নির্ধারণ করা ছাড়া আর তেমন কোনো বাস্তবিক প্রয়োগ নেই। পারিবারিক/ সামাজিক পর্যায়ে আমাদের মুরুব্বীগণের নিজস্ব অবস্থান ও অর্জন নিয়ে না ভেবে আমরা তাঁদের স্রেফ গুরুজন হিসেবে সম্মান করে থাকি, বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অফ প্রিসিডেন্স ব্যাপারটিও আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে খানিকটা তেমনই।

বিচার বিভাগেরই একান্ত ও নিজস্ব অভিপ্রায়, উদ্যোগ ও নির্দেশনায় সম্পাদিত বর্তমানের Warrant of Precedenceএ অতিরিক্ত জেলা জজ পদবীর কর্মকর্তাকে বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব সমমানের প্রক্ষেপণ রয়েছে, অথচ তাঁরা যখন বিচার বিভাগের বাইরে প্রেষণ কার্যে নিযুক্ত/ পদায়িত হন, তখন স্রেফ উপ-সচিব (/সমমান) পদবীতে দায়িত্ব পালন করেন। এমনকি জেলা জজ পদবীর কর্মকর্তাও (এই পদে ৫বছরের কম চাকরি হলে) উপ-সচিব (/সমমান) পদবীতে দায়িত্ব পালন করেন।

আরেকটি ব্যাপার হয়তো প্রাসঙ্গিক হেতু উল্লেখ করা যায়— জেলা ও দায়রা জজ এবং জেলা জজ কিন্তু এক জিনিস নয়। জেলা ও দায়রা জজ হচ্ছে একটি পদায়ন/ নিযুক্তি (appointment), পক্ষান্তরে জেলা জজ হচ্ছে পদবী (rank)র নাম। জেলা জজ পদবীর একজন কর্মকর্তা নানাবিধ বিচারিক এবং/কিংবা প্রশাসনিক নিযুক্তিতে পদায়ন পেতে পারেন। সিনিয়র, অতিরিক্ত কিংবা যুগ্ম জেলা জজ —এগুলোও বিচার বিভাগের বিভিন্ন পদবী (rank) এবং তাঁরাও নানাবিধ বিচারিক এবং/ কিংবা প্রশাসনিক নিযুক্তিতে পদায়ন পেতে পারেন, পেয়ে থাকেন।

যদিও প্রশ্নের সাথে হয়তো প্রাসঙ্গিক নয়, তবে নেহাৎ আমার ব্যাক্তিগত অভিমত হচ্ছে— বিচার বিভাগের কর্মকর্তাগণের সম্মান ও পদমর্যাদা বৃদ্ধির *বাস্তবিক* ও যথাযথ উপায় হবে তাঁদের পদবী[সমূহে]র পদমর্যাদা বৃদ্ধি করা। যেমন— জেলা জজ পদবীর কর্মকর্তাগণকে যুগ্ম সচিব হিসেবে, সিনিয়র জেলা জজ পদবীর কর্মকর্তাগণকে অতিরিক্ত সচিব এবং (সিনিয়র জেলা জজ হিসেবে নির্দিষ্ট সময়কাল, ধরা যাক ১০বছর চাকরি এবং/কিংবা) জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়িত কর্মকর্তাগণকে সচিব °পদমর্যাদায়° উন্নিত/ ঘোষণা করা। Warrant of Precedence এর মতো বায়বীয় কিছু দিয়ে বিচার বিভাগের সম্মান প্রকৃত প্রস্তাবে তেমন কিছুই বৃদ্ধি পায়নি, পায় না।

Join BAF : How to Apply for Airmen Post at Bangladesh Air Force 02/09/2022

বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সাইফার এসিস্টেন্ট পদ সম্পর্কে সকল তথ্য
===========================================
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী তে সাইফার এসিস্ট্যান্ট ও শিক্ষা প্রশিক্ষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২০ প্রকাশিত হয়েছে। অনেকেই এই পদ'টির নাম নতুন শুনছেন এবং পদ সম্পর্কে কিছুই জানেন না, তাই আপনাদের জন্য সাইফার এসিস্ট্যান্ট -এর জব প্রোফাইল ও এই পদটি কেমন মর্যাদাসম্পন্ন তা তথ্য নিম্ন দেয়া হলো

♦♦এই পদের গুরুত্ব বা পদমর্যাদা !
BAF এর “জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার”-এর ‘ওয়ারেন্ট অফিসার’-এর সমমান। সেই হিসাবে BAF এর ২য় সম্মানের জব বলা যেতে পারে। তবে পদ টা অনেক গুরুত্বপূর্ন। আরো সহজ ভাবে বলতে গেলে পুলিশের OC -এর সমমান।

♦♦এই পদের কাজ কী?
এই পদের প্রধান কাজ প্রতিষ্ঠানের কমিউনিকেশন সাইডে। এই পদের জন্য আপনি একটি বিশেষ প্রশিক্ষন পাবেন, যেটা অন্য কেউ পাবে না। আর সেটা হলো সাইফার কোড বিষয়ক। এই পদের প্রধান কাজ হলো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্তদের থেকে বিশেষ নোটিশ/খবর কোড এ রূপান্তর করে সেটা কাঙ্খিত জায়গার সেইফলি পৌছে দেওয়া (অফলাইন/অনলাইন) এবং ডিকোড করে কাঙ্খিত ব্যক্তিকে উক্ত নোটিশ/খবর জাননো। তবে এ কাজগুলো একজন করবে না, এই পদের ৩/৪ জন প্রসেসটা সম্পন্ন করবে। আর এই কাজটি যেহেতু সিক্রট ব্যাপার তাই এই পদের বেশ ডিমান্ড রয়েছে প্রতিষ্ঠানে। এককথায় গোপনীয় এবং কমিউনিকেশন কাজের সাথে সম্পৃক্ত এই পদটি।

♦♦নিয়োগ (পরীক্ষা) পদ্ধতিঃ
লিখিত (mcq) > ব্যবহারিক (বিশেষত কম্পিউটার এবং বেসিক কমিউনিকেশন)
স্বাস্থ্যপরীক্ষা
ভাইবা (গোয়েন্দা রিপোর্ট)
ফাইনাল মেডিলেল টেস্ট
ফাইনাল সিলেকশন।

♦♦লিখিত পরীক্ষা কখন শুরু হবে?
নির্ধারিত দিন সকাল ৮ টায়। পর্যায়ক্রমে চলতে সারাদিন থাকবে।

♦♦লিখিত পরীক্ষার মানবন্টন ও সময়ঃ
IQ – ১০০ (১ ঘন্টা)
English- ৫০ (৩০ মিনিট)
GK- ৫০ (৩০ মিনিট)

♦♦পোষ্টিং কোথায় হবে?
দেশের বিভিন্ন বিমান ঘাঁটিতে এবং বিদেশের বিভিন্ন বাংলাদেশ দূতাবাসে। তবে চাকরির শুরুতে দেশের কোনো বিমান ঘাটিতে পোষ্টং হবে।

♦♦সুযোগ-সুবিধা কী কী আছে?
-শান্তিরক্ষা মিশনে ভালো পোষ্টে যেতে পারবেন।
-বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসে চাকরির সুযোগ পাবেন।
-প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের কিছু কাজে আপনাকে লাগতে পারে।
-রেশন পাবেন
-২টি সন্তানের জন্য মোটামুটি সকল চিকিৎসা পড়াশোনা সুবিধা পাবেন
-ভাতা পাবেন ভালোই পরিমানে।
সাথে বাহিনীর চলতি সকল সুযোগ সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।

♦♦এটার কাজ কী অফিসে?
হ্যাঁ, অফিসে। তবে মাঝে মাঝে এখান-সেখান যাওয়া লাগতে পারে, যেমন- বিভিন্ন দেশে, দেশের বিভিন্ন জায়গায়।

♦♦এ চাকরির রিস্ক কেমন?
আগেই বলেছি এটা গোপনীয় কাজের সাথে সম্পৃক্ত, সুতরাং রিস্ক তো একটু বেশি থাকবেই। আপনাকে খুবই সাবধানতার সহিত কাজ করতে হবে। আপনার যেকোনো ছোট ভূলের জন্যেও দেশ হুমকির মুখে পড়তে পারে। যেমনটা ২য় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির সাথে হয়েছিল।

♦♦নিয়োগ কত দিন পরপর হয়?
প্রায় প্রতিবছরই এই পদের নিয়োগ হয়ে থাকে। তবে মাঝে মাঝে প্রতিবছর না হতেও পারে।

Join BAF : How to Apply for Airmen Post at Bangladesh Air Force বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত – বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।আগামী ৩০শে জুলাই থেকে ২০শে আগষ্ট পর্যন্ত, অনলাইনের মাধ্যমে, বাংল...

01/08/2022

সরকারি চাকুরীর পেনশনের হার

চাকুরির বয়স ৫ বছর হলে, মূলবেতনের ২১%
চাকুরির বয়স ৬ বছর হলে, মূলবেতনের ২৪%
চাকুরির বয়স ৭ বছর হলে, মূলবেতনের ২৭%
চাকুরির বয়স ৮ বছর হলে, মূলবেতনের ৩০%
চাকুরির বয়স ৯ বছর হলে, মূলবেতনের ৩৩%
চাকুরির বয়স ১০ বছর হলে, মূলবেতনের ৩৬%
চাকুরির বয়স ১১ বছর হলে, মূলবেতনের ৩৯%
চাকুরির বয়স ১২ বছর হলে, মূলবেতনের ৪৩%
চাকুরির বয়স ১৩ বছর হলে, মূলবেতনের ৪৭%
চাকুরির বয়স ১৪ বছর হলে, মূলবেতনের ৫১%
চাকুরির বয়স ১৫ বছর হলে, মূলবেতনের ৫৪%
চাকুরির বয়স ১৬ বছর হলে, মূলবেতনের ৫৭%
চাকুরির বয়স ১৭ বছর হলে, মূলবেতনের ৬৩%
চাকুরির বয়স ১৮ বছর হলে, মূলবেতনের ৬৫%
চাকুরির বয়স ১৯ বছর হলে, মূলবেতনের ৬৯%
চাকুরির বয়স ২০ বছর হলে, মূলবেতনের ৭২%
চাকুরির বয়স ২১ বছর হলে, মূলবেতনের ৭৫%
চাকুরির বয়স ২২ বছর হলে, মূলবেতনের ৭৯%
চাকুরির বয়স ২৩ বছর হলে, মূলবেতনের ৮৩%
চাকুরির বয়স ২৪ বছর হলে, মূলবেতনের ৮৭%
চাকুরির বয়স ২৫ বছর হলে, মূলবেতনের ৯০%

চাকুরির বয়স ২৫ বছর এবং তদোর্ধ্ব হলে, মূলবেতনের ৯০% পেনশন পাবেন।

মাসিক পেনশন= (বেসিক×শতকরা হার)÷২+ চিকিৎসা ভাতা

পেনশনযোগ্য চাকুরিকাল-

চাকুরির বয়স পাঁচ(৫) বছরের কম হলে, পেনশনযোগ্য হবে না।

পাঁচ(৫) বা ততোধিক কিন্ত ১০(দশ) বছরের কম হলে,
আনুতোষিক এর হার ১(এক) টাকার বিপরীতে ২৬৫ টাকা পাবেন।

দশ(১০) বছরের অধিক কিন্ত ১৫(পনেরো) বছরের কম হলে, আনুতোষিক এর হার ১(এক) টাকার বিপরীতে ২৬০ টাকা পাবেন।

পনেরো(১৫) বছরে অধিক কিন্ত ২০(বিশ) বছরের কম হলে, আনুতোষিক এর হার ১(এক) টাকার বিপরীতে ২৪৫ টাকা পাবেন।

বিশ(২০) বছরের অধিক কিন্ত ২৫(পঁচিশ) বছরের কম হলে, আনুতোষিক এর হার ১(এক) টাকার বিপরীতে ২৪০ টাকা পাবেন।

পঁচিশ(২৫) বছর বা ততোধিক হলে, আনুতোষিক এর হার ১(এক) টাকার বিপরীতে ২৩০ টাকা পাবেন।

বাংলাদেশ গেজেটঃ ২০২০

শেয়ার করে নিজের ওয়ালে রেখে দিন। অনেক কাজে লাগবে।

28/06/2022

জুন ২০২২ থেকে জুন ২০২৮ নাগাদ উদ্বোধনের অপেক্ষায় যেসব উন্নয়ন প্রকল্পঃ
পদ্মা সেতু (উদ্বোধন হয়েছে) - ২৫ জুন ২০২২
খুলনা রেল সেতু - জুন ২০২২
বেকুটিয়া সেতু - জুন ২০২২
মিরপুর -কালশী ফ্লাইওভার - জুন ২০২২
কালনা সেতু - জুন ২০২২
৩য় শীতলক্ষ্যা সেতু - জুন২০২২
ঢাকা - টাঙ্গাইল ৪ লেন - জুন ২০২২
বনানী - এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেসওয়ে - জুন ২০২২
ভাঙা মাওয়া রেল - জুন ২০২২
লোহালিয়া সেতু - জুলাই ২০২২
গোমা সেতু - আগস্ট ২০২২
নড়াইল - খুলনা সেতু -ডিসেম্বর ২০২২
চট্টগ্রাম - কক্সবাজার রেল -ডিসেম্বর ২০২২
কুলাউড়া - শাহবাজপুর রেল - ডিসেম্বর ২০২২
মেট্রোরেল - আগারগাঁও - উত্তরা - ডিসেম্বর ২০২২
বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক ( সিলেট,রাজশাহী) - ডিসেম্বর ২০২২
খুলনা - মংলা রেল ওয়ে - ডিসেম্বর ২০২২
জয়দেবপুর - ঢাকা ডাবল রেললাইন - ডিসেম্বর ২০২২
বিআরটি -৩ - জানুয়ারি ২০২৩
পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে - মার্চ ২০২৩
কর্ণফুলী টানেল - মার্চ ২০২৩
রামপাল বিদ্যুৎ - এপ্রিল ২০২৩
যমুনা রেল সেতু - জুন ২০২৩
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ - ডিসেম্বর ২০২৩
রূপপুর পারমাণবিক -১ - ডিসেম্বর ২০২৩
ঢাকা -মাওয়া রেল - ডিসেম্বর ২০২৩
ঢাকা - রংপুর ৪ লেন - জানুয়ারি ২০২৪
যশোর - ঝিনাইদহ ৪ লেন - জানুয়ারী ২০২৪
কমলাপুর - আগারগাঁও মেট্রোরেল - জানুয়ারি ২০২৪
পায়রা বন্দর ড্রেজিং - জুন ২০২৪
মংলা বন্দর ড্রেজিং - জুন ২০২৪
রূপপুর পারমাণবিক ২ - ডিসেম্বর ২০২৪
আমিনবাজার ৮ লেন সেতু - ডিসেম্বর ২০২৪
রংপুর -লালমনিরহাট ৪ লেন - ডিসেম্বর ২০২৪
ভাঙা - যশোর রেল - ডিসেম্বর ২০২৪
কক্সবাজার বিমানবন্দর - ডিসেম্বর ২০২৪
খুলনা বিদ্যুৎ কেন্দ্র - ডিসেম্বর ২০২৪
ঢাকা - ইস্ট ওয়েস্ট এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে - জুন ২০২৫
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -২ - জুন ২০২৫
ঢাকা বাইপাস - জুন ২০২৫
মাগুরা ফরিদপুর রেল - জুন ২০২৫
রংপুর পঞ্চগড় ৪ লেন - জুন ২০২৫
পতেঙা বে টার্মিনাল - জুন ২০২৫
বঙ্গবন্ধু শিল্প অঞ্চল - জুন ২০২৫
মাতারবাড়ি সমুদ্র বন্দর - জুন ২০২৫
কুতুবখালী - বনানী এক্সপ্রেসওয়ে - জুন ২০২৫
পানগুচি সেতু - জুন ২০২৫
ঢাকা আরিচা ৪ লেন - জুন ২০২৫
৩য় মেঘনা সেতু - জুন ২০২৫
পায়রা - ভাঙা ৪ লেন - জুন ২০২৬
বেনাপোল - ভাঙা ৪ লেন - জুন ২০২৬
নলুয়া - বহেরচর সেতু - জুন ২০২৬
শেখ হাসিনা স্টেডিয়াম - জুন ২০২৬
ঢাকা - আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে - জুন ২০২৬
চাঁদপুর শরীয়তপুর টানেল - জুন ২০২৬
চট্টগ্রাম মেট্রোরেল - জুন ২০২৭
যমুনা টানেল - জুন ২০২৭
চাঁদপুর - শরীয়তপুর সেতু - জুন ২০২৭
ভোলা -বরিশাল সেতু - জুন ২০২৭
ঢাকা সিলেট ৪ লেন - জুন ২০২৭
তিস্তা ব্যারেজ - জুন ২০২৭
চট্টগ্রাম - ঢাকা বুলেট ট্রেন - জুন ২০২৮
ভাঙা - পায়রা রেল - জুন ২০২৮
ঢাকা সাবওয়ে রেল ( ১,২,৩,৪) - জুন ২০২৮
বঙ্গবন্ধু ট্রাই টাওয়ার - জুন ২০২৮
শেখ হাসিনা সাবমেরিন ঘাটি - জুন ২০২৮
সাবরাং টুরিজম পার্ক - জুন ২০২৮
নাফ টুরিজম পার্ক -জুন ২০২৮
সোনাদিয়া টুরিজম পার্ক - জুন ২০২৮

আরো প্রায় চার শতাধিক উন্নয়ন প্রকল্প চলমান।

17/06/2022

বিসিএস থেকে নন-ক্যাডারে চাকরি

৩৮তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কিন্তু ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত নন, এমন প্রার্থীদের নন-ক্যাডার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে আবেদনের জন্য সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন। বিগত ৩টি বিসিএস থেকে সুপারিশ করা হয়েছে এমন কিছু নন-ক্যাডার চাকরির দপ্তর, পদায়ন ও পদসোপান, কাজের ধরন ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আলোচনা করছেন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা রবিউল আলম লুইপা

বিসিএসে যাঁরা ক্যাডার সার্ভিসের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হচ্ছেন না, তাঁদের অনেকেই নন-ক্যাডার হিসেবে চাকরির সুযোগ পাচ্ছেন।

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) দুই ধরনের নিয়োগ প্রদান করে থাকে—১. বিসিএস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ক্যাডার সার্ভিসের চাকরি (মোট ১৫০০ নম্বরের পরীক্ষা), ২. অন্যান্য বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নন-ক্যাডারে নিয়োগ (মোট ৪০০ নম্বরের পরীক্ষা)।

বিসিএস উত্তীর্ণ কিন্তু ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত নন, এমন প্রার্থীদের নন-ক্যাডার নিয়োগ বিধিমালা-২০১০ ও সংশোধিত বিধিমালা (২০১৪) অনুযায়ী নন-ক্যাডারে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরিতে সুপারিশ করা হচ্ছে। এতে বিসিএস উত্তীর্ণ মেধাবীরা ক্যাডার না পেলেও নন-ক্যাডারের চাকরিতে নিয়োগ পাচ্ছেন।
বিসিএস উত্তীর্ণ কিন্তু ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত নন, এমন প্রার্থীদের দুই ধরনের নন-ক্যাডারে চাকরি দেওয়া হয়।
১. জেনারেল (এই চাকরিগুলোতে সব ডিসিপ্লিনের প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়)।

২. টেকনিক্যাল (চাকরির পদসংশ্লিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়)।

জেনারেল কোরের ১০টি প্রথম শ্রেণির

নন-ক্যাডারের চাকরির তথ্য



১) পাসপোর্ট অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেবা সুরক্ষা বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর—বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর। পাসপোর্ট বর্তমানে একটি প্রয়োজনীয় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অধিদপ্তর স্বাধীনতার পর থেকেই রাষ্ট্রের সব পাসপোর্ট ও ভিসা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজের দায়িত্ব পালন করে আসছে। ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত সদর দপ্তরসহ প্রতিটি জেলায় অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে। অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পদসোপান হলো—সহকারীপরিচালক>উপপরিচালক>পরিচালক> অতিরিক্ত মহাপরিচালক>মহাপরিচালক। বেশির ভাগ জেলার দপ্তরপ্রধান হিসেবে সহকারী পরিচালক (গ্রেড-৯) পদের কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করে থাকেন। সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদানের পর কর্মকর্তাদের পিএটিসি অথবা এর সহযোগী যেকোনো প্রশিক্ষণ একাডেমিতে বিশেষ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণসহ দেশের ভেতরে ও বাইরে দায়িত্বসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিতে হয়। জেলার নতুন পাসপোর্ট ভবনগুলোতে অফিস সংযুক্ত এয়ারমার্ক আবাসনব্যবস্থা থাকতে পারে। দপ্তরগুলোতে জনবল এখনো পর্যাপ্ত না থাকায় কাজের চাপ অনেকটাই বেশি। নিজ জেলায় পোস্টিং সুবিধা নেই।

২) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সেবা সুরক্ষা বিভাগের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। ১৯৯০ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নের সঙ্গে সঙ্গে নারকোটিকস অ্যান্ড লিকার পরিদপ্তরকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। দেশে অবৈধ মাদকের প্রবাহ রোধ, ওষুধ ও অন্যান্য শিল্পে ব্যবহার্য বৈধ মাদকের শুল্ক আদায় সাপেক্ষে আমদানি, পরিবহন ও ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিতকরণ, মাদকদ্রব্যের কুফল সম্পর্কে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টিসহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা অধিদপ্তরের প্রধান দায়িত্ব। এ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অধিদপ্তরের পাশাপাশি জেলা দপ্তরে পদায়িত হতে পারেন। অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পদসোপান হলো—সহকারী পরিচালক>উপপরিচালক> অতিরিক্ত পরিচালক>পরিচালক>অতিরিক্ত মহাপরিচালক>মহাপরিচালক। সহকারী পরিচালক (গ্রেড-৯) বেশির ভাগ জেলার দপ্তরপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। চাকরিতে যোগদানের পর কর্মকর্তাদের বিশেষ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণসহ দেশের ভেতরে ও বাইরে দায়িত্বসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হয়। দপ্তরগুলোতে অর্পিত দায়িত্ব পালন ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে অনেক ব্যস্ত থাকতে হতে পারে।

৩) নিবন্ধন অধিদপ্তরের সাবরেজিস্ট্রার : রেজিস্ট্রেশন বিভাগ এই উপমহাদেশের প্রাচীনতম একটি বিভাগ। বর্তমানে আইন ও বিচার বিভাগের অধীন নিবন্ধন অধিদপ্তর দেশের ভেতরে বিভিন্ন দলিল নিবন্ধন ও সম্পাদনের মাধ্যমে জনসাধারণকে সেবা প্রদানের পাশাপাশি রেজিস্ট্রেশন বিভাগ সরকার ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে রাজস্ব ও কর আহরণ করে থাকে। অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পদসোপান হলো—সাব-রেজিস্ট্রার>জেলা রেজিস্ট্রার>বিভাগীয় পরিদর্শক> অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক নিবন্ধন>মহাপরিদর্শক নিবন্ধন। অধিদপ্তরের উপজেলার দপ্তরপ্রধান হিসেবে সাবরেজিস্ট্রার (গ্রেড-৯) এবং জেলার দপ্তরপ্রধান হিসেবে জেলা রেজিস্ট্রার (গ্রেড-৬) দায়িত্ব পালন করে থাকেন। চাকরিতে যোগদানের পর সাবরেজিস্ট্রারদের পিএটিসিতে দুই মাসের বিশেষ বুনিয়াদি প্রশিক্ষণসহ দেশের ভেতরে দায়িত্বসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হয়। উপজেলা অনুযায়ী কাজের চাপ একেক রকম হতে পারে।

৪) ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক : ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর মাধ্যমে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর একটি আধাবিচারিক সরকারি সংস্থা, যা পণ্য ও পরিষেবার ওপর ভোক্তাদের অভিযোগ গ্রহণ এবং তা নিষ্পত্তি ও ভোক্তাদের অধিকার সংরক্ষণ করার অভিলক্ষ্যে কাজ করে থাকে। এর প্রধান সদর দপ্তর ঢাকায় এবং প্রতিটি বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে স্থানীয় দপ্তর রয়েছে। অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পদসোপান হলো—সহকারী পরিচালক>উপপরিচালক>পরিচালক> মহাপরিচালক। অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের দপ্তরপ্রধান সহকারী পরিচালক (গ্রেড-৯) হিসেবে যোগদানের পর দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিতে হতে পারে। অধিদপ্তরের মাঠ প্রশাসনে ভোক্তাদের অভিযোগ গ্রহণ ও অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে একজন সহকারী পরিচালককে অনেক ব্যস্ত থাকতে হয়।

৫) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উপজেলা নির্বাচন অফিসার : বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। নির্বাচন কমিশন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পাশাপাশি জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করে আসছে। এর সদর দপ্তর ঢাকায় এবং প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় স্থানীয় দপ্তর রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের পদসোপান হলো—উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা/সহকারী সচিব>জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা/সিনিয়র সহকারী সচিব>জ্যেষ্ঠ্য জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা/উপসচিব> আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা/যুগ্ম সচিব>অতিরিক্ত সচিব> নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব। অধিদপ্তরের উপজেলা অফিসপ্রধান হিসেবে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (গ্রেড-৯) এবং জেলার অফিসপ্রধান হিসেবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা (গ্রেড-৬) দায়িত্ব পালন করে থাকেন। সীমিত জনবল নিয়ে দপ্তরগুলোতে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং নির্বাচনসংক্রান্ত কাজ করতে গিয়ে ব্যস্ত থাকতে হতে পারে।

৬) সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা : সমাজসেবা অধিদপ্তর সরকারের জাতি গঠনমূলক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর দেশের দুস্থ, অবহেলিত, পশ্চাৎপদ, দরিদ্র, এতিম, অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী এবং সমাজের অনগ্রসর মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক ও বহুমুখী কর্মসূচি নিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সুদৃঢ়করণের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর প্রধান সদর দপ্তর ঢাকায় এবং প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় স্থানীয় দপ্তর রয়েছে। এর বাইরেও একজন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ একাডেমি, জেলার শিশু পরিবার, আদালত, হাসপাতালসহ অধিদপ্তরের যেকোনো প্রতিষ্ঠানে পদায়ন করা হতে পারে। অধিদপ্তর ও মাঠ দপ্তরের কর্মকর্তাদের পদসোপান হলো—উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা/উপ-তত্ত্বাবধায়ক/প্রবেশন অফিসার>সহকারী পরিচালক> উপপরিচালক>অতিরিক্ত পরিচালক>পরিচালক> মহাপরিচালক। অধিদপ্তরের উপজেলার অফিসপ্রধান উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা একজন গ্রেড-৯-এর কর্মকর্তা। যোগদানের পর সমাজসেবা প্রশিক্ষণ একাডেমি থেকে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হয়।

৭) পিএসসির সহকারী পরিচালক : সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) একটি সাংবিধানিক সংস্থা, যা সংবিধানের ১৩৭ নম্বর অনুচ্ছেদবলে গঠিত হয়েছে। এ কমিশন বাংলাদেশের জনপ্রশাসনে জনবল নিয়োগ ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে তাদের চাকরিকালে স্থায়ীকরণ, প্রমোশনসহ বিভিন্ন পরীক্ষা ও সুপারিশকাজ পরিচালনা করে থাকে।
পিএসসির সহকারী পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মূল কার্যালয় বা যেকোনো আঞ্চলিক কার্যালয়ে পদায়ন করা হতে পারে। পিএসসি কর্মকর্তাদের পদসোপান হলো—সহকারী পরিচালক>উপপরিচালক>পরিচালক। সচিব, পিএসসি সচিবালয় প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসনিক প্রধানের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

৮) কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক : শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়াধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর বিধান অনুযায়ী শ্রমিকদের কল্যাণ, পেশাগত স্বাস্থ্য ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থাগুলো বাস্তবায়নসহ শ্রম ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা সমুন্নত রেখে মালিক, শ্রমিক, সরকার ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ের কাজ করে যাচ্ছে। গ্রেড-৯-এর সহকারী মহাপরিদর্শক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তার পদায়ন হতে পারে অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় বা ২৩টি জেলা পর্যায়ের দপ্তরগুলোতে। অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পদসোপান হলো—সহকারী মহাপরিদর্শক> উপমহাপরিদর্শক>যুগ্ম মহাপরিদর্শক>অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক>মহাপরিদর্শক। সহকারী মহাপরিদর্শক হিসেবে যোগদানের পর বুনিয়াদি প্রশিক্ষণসহ দেশের ভেতরে ও বাইরে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করতে হতে পারে। অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (গ্রেড-৬) অধিদপ্তরের জেলা দপ্তরপ্রধানের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

৯) যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক : যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর হলো যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই অধিদপ্তর দেশের অসংগঠিত ও কর্মপ্রত্যাশী যুবগোষ্ঠীকে সুসংগঠিত, সুশৃঙ্খল এবং উৎপাদনমুখী শক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর সদর দপ্তর ঢাকায় এবং প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় স্থানীয় দপ্তর রয়েছে। অধিদপ্তর ও মাঠ দপ্তরের কর্মকর্তাদের পদসোপান হলো—সহকারী পরিচালক>উপপরিচালক> পরিচালক>মহাপরিচালক। অধিদপ্তরের জেলার অফিসপ্রধান হিসেবে উপপরিচালক (গ্রেড-৬) দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

১০) জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক : ১৯৭২ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে জাতীয় সঞ্চয় পরিদপ্তর প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং ২০১৪ সালে অধিদপ্তরে উন্নীত হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তর বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয় জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের মাধ্যমে আহরণ করে জনগণকে সঞ্চয়ী হতে উদ্বুদ্ধ করা, জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের মাধ্যমে দেশের বিশেষ বিশেষ জনগোষ্ঠী যেমন—মহিলা, অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক, প্রবাসী বাংলাদেশি এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় আনয়নসহ বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হিসেবে আপনার পদায়ন হতে পারে ঢাকায় অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় বা জেলা কার্যালয়ে। অধিদপ্তর ও জেলা দপ্তরের কর্মকর্তাদের পদসোপান হলো—সহকারী পরিচালক>উপপরিচালক> পরিচালক>মহাপরিচালক। অধিদপ্তরের জেলার অফিসপ্রধান হিসেবে সহকারী পরিচালক পদের গ্রেড-৯-এর কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

ওপরে বর্ণিত পদগুলো ছাড়াও নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণির চাকরিতে আপনাকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর সহকারী পরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক, গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের জেলা লাইব্রেরিয়ান, মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের প্রগ্রাম অফিসার/উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা, বাংলাদেশ টেলিভিশনের সহকারী পরিচালক/প্রকৌশলী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রভাষক (টেকনিক্যাল ও নন-টেকনিক্যাল), বিভিন্ন অধিদপ্তরের সহকারী প্রগ্রামার/মেডিক্যাল অফিসার/ সহকারী পরিচালক/হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা/লাইব্রেরিয়ানসহ নন-ক্যাডার যেকোনো জেনারেল ও টেকনিক্যাল (প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বিধিমালা ও আপনার একাডেমিক পড়াশোনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ) পদে পিএসসি সুপারিশ করতে পারে।


বেশিরভাগ নন-ক্যাডারের চাকরির ক্ষেত্রে দেখা যায়—

দু-একটি প্রমোশনের পর প্রমোশন প্রক্রিয়া সীমিত হয়ে যায়।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Officer's Quarter Road Extended
Dhaka
1207