হাটহাজারীতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৌহিদি জনতার নামে উগ্রতা ছড়ানোর বক্তব্যে তিনি হাটহাজারী মডেল থানা ভেঙে চুর্মার করার কথা বলছেন। তিনি কে?
প্রতিবার তাদের আক্রমণ হাটহাজারী মডেল থানা
কিংবা সরকারি প্রতিষ্ঠান কেন?
তাদের উদ্দেশ্য কি?
প্রশাসনের উচিত যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া।
Sheikh Hasina's Men
শেখ হাসিনার লোক
নীলফামারী উত্তরা ইপিজেডে সেনাবাহিনীর গুলিতে একজন শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছে। শ্রমিকের নাম মো. হাবিব(৩৫)।
উত্তরা ইপিজেডে অবস্থিত এভারগ্রীন কোম্পানিতে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে গত দুইদিন ধরে আন্দোলন করে আসছিল শ্রমিকরা। গতকাল রাতে কর্তৃপক্ষ হঠাৎ কোম্পানি বন্ধের নোটিশ দিলে এ ঘটনায় হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ শ্রমিক আজ সকালে ইপিজেডের মূল দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়।
এই রাষ্ট্র শ্রমিককে দেখে না। সেনাবাহিনী আর পুলিশ এরা শুধুই মালিকপক্ষের দালাল। মালিকের যা ইচ্ছা তা করতে পারবে কিন্তু শ্রমিক আন্দোলন করতে পারবে না। শ্রমিক আন্দোলন করলে তার কপালে জুটবে গুলি। এর দায়ও কেউ নিবে না। অবৈধ সরকারের কেউও সেই শ্রমিকের বাসায় ছুটে যাবে না। কারণ সাধারণ মানুষের জীবন তাদের কাছে তুচ্ছহীন-খেলনা।
02/09/2025
এগুলো এক একটা ছোট খাটো ইনিংস খেলা হচ্ছে।
দাবানল আসছে...🔥
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গায়েবানা জানাযায় শরিক হয়েছেন চুয়েটের সাথে চট্টলার সাধারণ জনতা।।।
----------------
15/08/2025
❝বিনম্র শ্রদ্ধা❞
যে রাতে শেখ মুজিবকে সপরিবারে হত্যা করা হয় সে রাতের প্রথমার্ধে ৮টার সময় স্থানীয় টিপটপ টেইলার্স এর মালিক এজাহার খলিফার দ্বারা ৮ হাত দৈর্ঘ্য ৬ হাত প্রস্থ একখানা কালো পতাকা সেলাই করে শাহানশাহ্ হক ভাণ্ডারী (ক.) ভোর রাতে তাঁর হুজরার উপরে একটা লম্বা বাঁশ দিয়ে উত্তোলন করেন। তাঁর সাক্ষাতে আগত হাজার হাজার লোক তা দেখেছেন। সে পতাকা ৪০ দিন পর্যন্ত উত্তোলিত ছিল। ইসলাম ধর্মের বিধান মতে শোকের সর্বোচ্চ সময়সীমা এটাই। ভয়ে কেউ শোক পালন করার কথা চিন্তাও করে নাই তখন আল্লাহর এই মহান অলি সমগ্র জাতির পক্ষ হতে সে দায়িত্ব পালন করেন। মুজিবের প্রিয় স্বাধীন মাতৃভূমিতে এবং সমগ্র বিশ্বে তাঁর স্মরণে সেদিন সম্ভবতঃ এটাই ছিল একমাত্র শোক চিহ্ন।
৭ জুলাই ১৯৮৪ সাল শনিবার সকালে শহরে আসবার জন্য বিদায় নিতে গেলে শাহানশাহ্ বাবাজান অন্যদের বিদায় দিয়ে আমাকে হুজরা শরীফের ভিতরে ঢুকে বসতে আদেশ দেন। নিজেই কথা আরম্ভ করে বলেন,
❝বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী আবদুর রাজ্জাক সাহেব দরবার শরীফ খুঁজে শহরে গিয়ে আমার সাথে দেখা করেন।❞
আমি অনুচ্চস্বরে বললাম, রাজ্জাক সাহেবতো নতুন দল বাকশাল গঠন করেছেন। উত্তর দিলেন,
❝বাকশাল টাকশাল কিসের কথা। কাজের লোক কি কাজ ছাড়া থাকতে পারে?❞
আমার দিকে চেয়ে বলেন, জাপানেও বহু মুসলমান আছে। বললাম, হ্যাঁ, অতঃপর বলেন,
❝মাওলানা ভাসানী বড় নেতা ছিলেন।❞
আমি মাথা নুইয়ে সম্মতি জানালাম। পরিশেষে জলদ গম্ভীর কণ্ঠে বলেন,
❝জাতির জনক টনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব।❞
১৯৮৪ সালে ৬ অক্টোবর মাইজভাণ্ডার শরীফ গিয়ে দেখি শাহানশাহ্ বাবাজানের বিছানায় একখানা সাপ্তাহিক খবর পত্রিকা পড়ে আছে। চার ভাঁজ করা পত্রিকায় যে অংশটুকু পড়া যাচ্ছিল তাতে দেখা যায় 'বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের' অদৃশ্য অংশে সম্ভবতঃ বিচারের কথা লিখা থাকবে। প্রথম পৃষ্ঠার উপরের বামদিকে বঙ্গবন্ধুর প্রাণ খোলা হাসি বিধৃত একখানা ছবিও ছাপা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে পত্রিকাখানা সেখানেই ছিল।
শাহানশাহ্ বাবাজানের একজন খাদেমের নাম তৌহিদ ফকির। সে বঙ্গবন্ধুর নামে পাগল । স্বভাবে সে অতি সরল সোজা। পঁচাশি সালের শুরুতে এই খাদেম বঙ্গবন্ধুর ছবিওয়ালা একখানা ক্যালেন্ডার কিনে দরবারের বেড়ার অফিস ঘরে টাঙ্গিয়ে দেয়; উক্ত সালের রমজান মাসে একটা কাগজের মালা হুজরা থেকে এনে বাবাজান সে ছবির গলায় পরিয়ে দেন। ফলে ফকিরের আনন্দ ধরে না। হাত ধরে টেনে নিয়ে আমাকে মালাপরা ছবিখানা দেখায়।
এসব রহস্যপূর্ণ ঘটনায় জাতির জনক হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্বীকৃতি ছিল অবধারিত। ‘টনক’ শব্দের উল্লেখে বুঝা যায় বাঙালি জাতির দুর্যোগ দুর্দিনে ‘বঙ্গবন্ধু' চেতনার উৎস হিসেবে পরিগণিত হবেন। আল্লাহর প্রিয় বন্ধুর হাতে মালা পরাতে তাঁর প্রতি জাতির শ্রদ্ধা ভালবাসা বৃদ্ধি পেয়ে স্থায়ী হবে।
১৯৮৭ সালে এই জীবনী গ্রন্থের দ্বিতীয় সংস্করণে প্রকাশিত উপরোক্ত মন্তব্য ১৯৯৭ সালে বাস্তবে রূপলাভ করেছে।
জ্যেষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনার সরকারই (১৯৯৬ ২০০১) জতির জনক হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে সরকারী স্বীকৃতি দিয়েছেন।
১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর, ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ সাল তারিখের জঘন্য হত্যা মামলার ঐতিহাসিক রায় ঘোষিত হয়েছে। ১৯ জন আসামীর ১৫ জনকে প্রকাশ্য গুলি করে মৃত্যুদন্ড এবং ৪ জনকে নির্দোষ হিসেবে খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার রায়ের বিরুদ্ধে আসামী সরকার উভয়পক্ষ হাইকোর্টে আপিল করেছে। হত্যাকারী ও হত্যাকান্ডের সুবিধাভোগীদের সকল ষড়যন্ত্র পরাজিত ও পর্যুদস্ত; সত্যের জয় রোখা যায় না, এটা প্রমাণিত হল।
বর্ণকঃ শাহানশাহ্ সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী [ক.]’র
জীবনী লেখক হযরত মোঃ জামাল আহমদ সিকদার রহঃ
(সংগৃহীত)
১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে আজকে বাংলাদেশে দেখেছে নতুন এক বঙ্গবন্ধুকে, বঙ্গবন্ধুর যে শক্তি তা আজ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে বাংলাদেশবিরোধী অপশক্তি।
আজকে যারা ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে গিয়েছেন, অত্যাচার - অবিচারের শিকার হয়েছেন, আমি তাদের প্রতি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ধন্যবাদ ও একই সাথে সমবেদনা জানাচ্ছি।
আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ, সাহিত্যিক, কবি, সাংবাদিক, শিল্পী সমাজ, শ্রমজীবী মানুষ, অনলাইন একটিভিস্ট ও রাজনৈতিক দলের কর্মীদের। আপনাদের একেকটি ফেসবুক পোস্ট যেন ঘাতকের বুকে বিঁধেছে বুলেটের মতো।
বঙ্গবন্ধু কোন দলের নয়, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের, বঙ্গবন্ধু সবার।
বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানাতে কাউকে আওয়ামী লীগ করতে হয় না - বাংলাদেশের প্রতিটি মুক্তিকামী, মানবিক মানুষের নেতা আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু - এটাই আজকে আবার প্রমাণিত।
আমরা আজ প্রতিজ্ঞা করি, বাংলাদেশকে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও দেশবিরোধী শক্তির হাত থেকে মুক্ত করবোই। সবাই একসাথে, সকল ভেদাভেদ ভুলে আমাদের দেশকে আমরাই রক্ষা করবো।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু..
Sajeeb Wazed
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Dhaka
