Awami Nabin Oikya Parishad - ANOP

Awami Nabin Oikya Parishad - ANOP

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Awami Nabin Oikya Parishad - ANOP, Political Party, ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, Dhaka.

❤️Official page❤️

আগের পেজ রাজাকারের বাচ্চারা নষ্ট করে দেওয়াতে
"আওয়ামী নবীন ঐক্য পরিষদ" এর নতুন অফিসিয়াল পেজ।

যোগাযোগ:- [email protected]

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

05/06/2026

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রাম, গণতন্ত্র আর উন্নয়নের একটিই নাম - বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

04/06/2026
04/06/2026

সংগ্রামী সহযোদ্ধাগণ,
আজ রাত আটটায় কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে ভার্চুয়াল মিটিং এর আয়োজন করা হয়েছে।
আলোচ্য বিষয়:
1. আগামী ২৩শে জুন ২০২৬ইং তারিখ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী নবীন ঐক্য পরিষদ সংগঠন থেকে কি ধরনের কার্যক্রম করা যায় সে ব্যাপারে সকলের মতামত গ্রহণ।
2. উপদেষ্টা বর্ধিতকরণের মতামত।
3. সংগঠন পরিচালনার জন্য অর্থ যোগান তথা ফান্ড গঠণের ব্যাপারে আলোচনা ইত্যাদি।

উক্ত মিটিং সংগঠনের উন্নতি করনের জন্য করা হবে। অতএব মিটিং এ সকলের উপস্থিতি অতীব জরুরী।
মিটিং চলাকালীন অবস্থায় যতটুকু সম্ভব সময় দিবেন।
যিনি মিটিংয়ে উপস্থিত থাকতে পারবেন না তিনি মিটিং শুরুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত কেন্দ্রের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গের নিকট কারণ ব্যাখ্যা করে অবহিত করবেন।
আর যিনি মিটিংয়ে উপস্থিত থাকবেন না এবং না থাকার কারণ অবহিত করবেন না তা‌কে শোকজ নোটিশ প্রদান করা হবে।

ধন্যবাদ।

03/06/2026

অভিনন্দন

Photos from Awami Nabin Oikya Parishad - ANOP's post 03/06/2026

মিছিল গুলো আর কখনো থামবে না।

রাস্ট্র সমস্ত শক্তি দিয়ে চাইলেও এই মিছিল গুলো থামাতে পারবে না। মিছিল গুলো দিন দিন বড় হবে, অপ্রতিরোধ্য হবে, দীর্ঘ হবে, মিছিলের শুরু থাকবে শেষ হতে অনন্তকাল সময় নিবে। কেন জানেন?

মিছিল গুলো এখন আর সাধারণ মিছিলে নেই, এগুলো ১৮ কোটি জনগণের মুক্তির মিছিলে রুপ নিচ্ছে প্রতিদিন। দেশের জনগণ এখন অপেক্ষা করে কখন মিছিল বের হবে, তরুণ প্রজন্ম ফেইসবুকে সারাদিন স্ক্রোল করে কখন মিছিলের ভিডিও চোখে পড়বে।
যারা মিছিল করছে তারা জানে, যারা মিছিলে বাধা দিচ্ছে তারাও জানে এই মিছিল এখন জনগণের মিছিল, জনসমর্থনের মিছিল, গণ মানুষের মিছিল, নিপিড়ীত মানুষের মিছিল, দেশ রক্ষার মিছিল, বেঁচে থাকার মিছিল।

তাই চাইলেও এই মিছিল আর থামানো সম্ভব না। এই মিছিল অচিরেই ভয়ংকর রুপ নিবে, সুনামির রুপ নিবে, মিছিলে মিছিলে একদিন বাংলার মানচিত্র দখলে নিবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কে ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত এই মিছিল কখনো থামবে না।

প্রচারে আওয়ামী নবীন ঐক্য পরিষদ

03/06/2026

আজকে হারিয়ে গেল ঢাকার আওয়ামী লীগের রাজনীতির স্তম্ভ।
ঢাকা-১১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা একে এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
আমরা আওয়ামী নবীন ঐক্য পরিষদ পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

প্রচারে আওয়ামী নবীন ঐক্য পরিষদ

02/06/2026

তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে
--------------------------

জননেতা তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর পর শিবিরের বটবাহিনী উঠে পড়ে লেগেছে তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনীকে ঘিরে গুজব ছড়াতে। প্রথম কথা রক্ষীবাহিনীর সঙ্গে তোফায়েল আহমেদের সরাসরি কোনো যোগযোগ ছিল না। তোফায়েল সাহেব ছিলেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব। যা মন্ত্রীর পদমর্যাদার ছিল। রক্ষীবাহিনীর প্রধান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের ৩ নম্বর সেক্টর কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার এ.এন.এম. নূরুজ্জামান বীর উত্তম। সেটি পরিচালিত হত একটি বোর্ডের মাধ্যমে। সেখানে ১০ জন সদস্যের একজন ছিলেন তোফায়েল আহমেদ।

প্রচার করা হচ্ছে এই রক্ষীবাহিনীর হাতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল। কেউ লিখছে ৩০ হাজার, কেউ ৩৭ হাজার, কেউ সাহস করে লাখ লিখে ফেলছে। কথা হলো এই সংখ্যার উৎস কী? ধরুন ২৪-এর জঙ্গি উত্থানের পর ১৪০০ সংখ্যাটা তো কোনো একটা উৎস থেকে আমরা জেনেছি। পরে অবশ্য সরকার তা সাড়ে ৮ শতে নামিয়ে আনে। সেখানে ভেজাল নিহত বেরিয়ে এসে তা ৬০০-র ঘরে চলে এসেছে। মোট কথা কোন একটা সোর্স লাগবে। বাংলাদেশের মূল ধারার কোন মিডিয়ার সূত্রে এই সংখ্যা দিচ্ছে বট বাহিনী?

প্রথমে স্পষ্ট হতে হবে কোন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে রক্ষীবাহিনী প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ১৯৭১-এর সুমহান মুক্তিযুদ্ধের পর পুলিশ বাহিনী ছিল হতোদ্যম। কারণ বাহিনীর একটা বড়ো অংশ যুদ্ধ চলাকালে সংসারের তাগিদে পাকিস্তান বাহিনীর অধীনে চাকরি করেছে। তারা নৈতিকভাবে ছিল দুর্বল। যুদ্ধফেরত তরুণদের একটা অংশ অস্ত্র ফেরত দেয়নি। তারা পুলিশের চেয়ে উন্নত অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ছিল। তখন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আয়তনও ছিল বেশ ছোট। কারণ পাকিস্তানে আমলে সেনাবাহিনীতে পাঠান পাঞ্জাব আর বেলুচদের আধিক্য ছিল।

এসব বিবেচনা করে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে কেন্দ্রীয় মিলিশিয়া বাহিনী গঠনের জন্য একটি বোর্ড ঘোষণা করা হয়। তার ১ নম্বর সদস্য কে ছিলেন, জানেন- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। অবশ্য রাজনৈতিক কারণে তিনিই পরে এই বাহিনীর সবচেয়ে বড়ো সমালোচক হয়ে ওঠেন। ১০ জনের বোর্ডে ৪ জন ছিল বিরোধীদলের। আরও মজার ব্যাপার তখনও কিন্তু বঙ্গবন্ধু দেশেই ফিরে আসেননি। পাকিস্তানের কারাগারে। এই মিলিশিয়া বাহিনী পরে রক্ষীবাহিনী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। কীভাবে রক্ষীবাহিনী আওয়ামীলীগের নিজস্ব বাহিনী হলো?

রক্ষীবাহিনী একটি নিয়মিত সরকারি বাহিনী ছিল। এর শীর্ষ কর্মকর্তা ছিলেন সেনাবাহিনী থেকে আসা। এমনকি জুনিয়র কমিশনড কিছু অফিসারও এখানে পদায়িত হয়েছিলেন। এই বাহিনীর নিজে থেকে কোনো অপারেশন করার ক্ষমতা ছিল না। পুলিশ বা সিভিল প্রশাসন সাহায্য চাইলেই কেবল তারা এগিয়ে আসত। তারা ম্যাজিস্ট্রেটের লিখিত অনুমতি ছাড়া কোনো অপারেশন করতে পারত না। অনেকটা আজকের র‌্যাবের মত। অবশ্য আইনগতভাবে র‌্যাব রক্ষীবাহিনী থেকে অধিক স্বাধীন। র‌্যাব যদি কোনো দলের বাহিনী না হয়ে থাকে, রক্ষীবাহিনী কী করে হয়?

অথচ এ বাহিনীকে উপস্থাপন করা হয়েছে একটি দলীয় বাহিনী হিসেবে। ১৯৭৫ সালে এ বাহিনী বিলুপ্ত হওয়ার আগ পর‌্যন্ত এই বাহিনীর মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ১২ হাজার। ১২ হাজার সদস্যের একটি বাহিনী কি কোনো দল বা ব্যক্তির নিজস্ব বাহিনী হতে পারে?

রক্ষীবাহিনীর প্রথম দলটি সংক্ষিপ্ত প্রশিক্ষণ শেষে মাঠে নামলে তাদের প্রথম কাজ ছিল গাড়ির কাগজপত্র দেখা আর ট্রেনের টিকেট চেক করা। কারণ তখন ঢাকায় অস্ত্রধারীরা যুবকরা খুব গাড়ি ছিনতাই শুরু করেছিল। কেউ ট্রেনের টিকেট কাটতে চাইত না। রক্ষীবাহিনীর প্রথম দুর্বলতা ছিল তাদের অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ। আজকে পুলিশের একজন কনস্ট্রেবল ৬ মাসের প্রশিক্ষণ পায়। সেখানে রক্ষীবাহিনীর অফিসাররাও ২ মাসেরও প্রশিক্ষণ পায়নি। জরুরি পরিস্থিতিতে এ ছাড়া কিছু করার ছিল না।

প্রধান শিল্পাঞ্চল টঙ্গি, নারায়ণগঞ্জ ও খুলনায় নিয়মিত শ্রমিক সংঘর্ষ হত। কিছুদিন পর পর পাটের গুদামে আগুন লাগানো হত। থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি ছিল সন্ত্রাসীদের প্রধান লক্ষ্যবস্তু। ১৯৭২ ও ১৯৭৩ সালে ৫৪ টি থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি আক্রান্ত হয়। যেখানে পুলিশই নিরাপদ নয়, সেখানে জননিরাপত্তা কী দেবে একবার ভেবে নিন। ডাকাতি খুন রাহাজানি নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়ায়। ১৯৭৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য মতে, ১৯৭৩ সালে ১৮৯৬ টি খুন হয়।

১৯৭২ সালের ৬ জুন সাংসদ আবদুল গফুর দুইজন সঙ্গীসহ খুন হন। ১৯৭৩ সালের ৩ জানুয়ারি নিহত হন সাংসদ সওগাতুল আলম, ১৯৭৩ সালের ৩ মে সাংসদ নুরুল হক , ১৯৭৪ সালের ১০ জানুয়ারি নিহত হন সাংসদ মোতাহার উদ্দিন আহমদ, ১৯৭৪ সালের ১৬ মার্চ নিহত হন সাংসদ গাজী ফজলুর রহমান, ১ আগস্ট ১৯৭৪ সাংসদ অ্যাডভোকেট ইমান আলী। ২৭ ডিসেম্বর ১৯৭৪ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ঈদের নামাজ পড়ার সময় নিহত হন সাংসদ গোলাম কিবরিয়া। ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোণার সাংসদ আবদুল খালেক নিহত হন। ১৯৭২ সালে ২৯ জন, ১৯৭৩ সালে ৭৭ জন, ১৯৭৪ সালে ৫২ জন এবং ১৯৭৫ সালের জুলাই পর্যন্ত ৪৪ জন জনপ্রতিনিধি, ছাত্রনেতা, শ্রমিকনেতা, মুক্তিযোদ্ধা, পুলিশ ও রক্ষীবাহিনীর সদস্যকে হত্যা করা হয়।

কারা এই খুনগুলো করেছিল?

মুক্তিযুদ্ধের আগে থেকে চীনপন্থী কমিউনিস্ট দলগুলো ৬ দফার বিরোধিতা করত। তারা বলে বেড়াতো সিআইএর এজেন্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু ২৫ মার্চের গণহত্যার পর চায়নাপন্থী কমিউনিস্টদের কেউ কেউ সশস্ত্র সংগ্রামে অংশ নেয়। তবে একে তারা মুক্তিযুদ্ধ মানতে রাজি ছিল না। তারা পাক হানাদার বাহিনীর পাশাপাশি মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে যুদ্ধ করত। তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল অস্ত্র সংগ্রহ। পরবর্তীতে এই অস্ত্র দিয়ে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সফল করা।

দেশ স্বাধীনের পর দক্ষিণাঞ্চলে সিরাজ শিকদারের নেতৃত্বে সর্বহারা পার্টি আর দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে আব্দুল হকের নেতৃত্বে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে। দেশ স্বাধীনের ৬ মাস যেতে না যেতে বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা নিয়ে সিরাজ আলম খান তার অনুসারীদের নিয়ে মূল ছাত্রলীগ থেকে বেরিয়ে এসে আরকেটি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করে। এরাই পরবর্তীতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের জন্ম দেয়। প্রথমে এরা নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালালেও পরে তারাও সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে। কিছু দিন আগে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নেয়া ভারী অস্ত্র সজ্জিত এই তরুণদের সঙ্গে পুলিশ পেরে ওঠার কথা নয়। তাই বাধ্য হয়ে দেশপ্রমী মুক্তিযোদ্ধা তরুণদের নিয়ে রক্ষীবাহিনী গঠন করেন।

১৯৭৩ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর দেড়শত থানায় রক্ষীবাহিনী মোতায়েন করা হয় থানার নিরাপত্তা প্রদানের জন্য। ৩ অক্টোবর পাবনার শাহজাদপুরে দুর্বৃত্তের সঙ্গে রক্ষীবাহিনীর ভয়াবহ বন্দুক যুদ্ধ হয়। এতে ৮ সন্ত্রাসী (তথাকথিত বিপ্লবী) নিহত হয়। এর পর থেকে দেশের আইন শৃঙ্খলা অনেকটা ঘুরে দাঁড়ায়। ১৯৭৫-এর প্রথমার্ধে দেশ নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

অবশ্য একই বছর রক্ষীবাহিনীর চেয়ে বড়ো অভিযান চালায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ১৯৭৩-এর মাঝামাঝি পর্যন্ত বর্তমানে জামায়েতে ইসলামীর নিজস্ব আসন বলে পরিচিত সাতকানিয়া রীতিমতো রাজাকার ও আলবদরদের দখলে ছিল। ৭ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনী অভিযান চালিয়ে ৬০ জন রাজাকার ও আলবদরকে হত্যা করে সাতকানিয়া রাজাকারমুক্ত করে। এর আগে ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি দুইদিনের রক্ষক্ষয়ী যুদ্ধে মিরপুরকে শত্রু মুক্ত করে সেনাবাহিনী। এতে সেনাবাহিনীর ৪১ জন বীর সদস্য নিহত হন।

রক্ষীবাহিনী ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত একটি নির্ভেজাল বাহিনী। এরা সবাই ছিল জাতীয়তাবাদী। এদের লক্ষ্যবস্তু ছিল যে উগ্র বামপন্থীরা। এই উগ্রপন্থীরাই পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যায়। ক্ষমতায় গিয়ে এরা বিভিন্ন বয়ান প্রস্তুত করে এই বাহিনীকে বিতর্কিত করেছে। যেমন আলমগীর কবির, তরিকুল ইসলামের নাম লেখা যায়। এরা দুজনেই ছিল শীর্ষ সন্ত্রাসী। এরাই পরবর্তীতে বিএনপির মন্ত্রী হয়েছেন।

তখন একটি গুজব ছড়িয়ে দেয়া হয় রক্ষীবাহিনীর পোশাকে ভারতীয় সেনাবাহিনী দেশে হত্যা নিপীড়ন চালাচ্ছে। অনেকে তা বিশ্বাসও করত। কারণ রক্ষীবাহিনীর পোশাক প্রথমে সবুজ ছিল। পরে পাল্টে ফেলা হয়। এমনকি মওলানা ভাসানী তা বিশ্বাস করেছিলেন।

এ প্রসঙ্গে কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) আনোয়ার উল আলম রচিত রক্ষীবাহিনীর সত্য-মিথ্যা বই থেকে একটি গল্প তুলে ধরছি-
‌‌‘৩ সেপ্টেম্বর (১৯৭২) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী একটি ভূখামিছিল নিয়ে রমনা পার্কের পাশে তৎকালীন গণভবনে যান। সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও তাজউদ্দীন আহমদ সেখানে মওলানা ভাসানীর জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। এ সময় গণভবনের সামনে পুলিশের সঙ্গে রক্ষীবাহিনীর একদল রক্ষীও মোতায়েন ছিল। আমি নিজেও তখন সেখানে ছিলাম। ভূখামিছিল গণভবনের কাছে পৌঁছালে মওলানা ভাসানী, কাজী জাফর আহমদ, রাশেদ খান মেনন ও হায়দার আকবর খান রনোকে ভেতরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ ছিল আমাদের ওপর। সেখানে নিয়োজিত রক্ষীবাহিনীর একটি দলকে আমি নির্দেশ দিয়ে রেখেছিলাম, মওলানা ভাসানীকে স্বাগত জানানোর সময় তাঁকে যেন সামরিক কায়দায় সালাম জানানো হয়। গণভবনের গেটে তাঁকে সালাম জানানোর ফলে মওলানা ভাসানী খুব খুশি হন এবং সবার খোঁজখবর নিতে থাকেন। রক্ষীবাহিনীর প্রায় প্রত্যেক সদস্যকে তিনি জিজ্ঞেস করেন, তোমার বাড়ি কোন জেলায়, কোন গ্রামে, ইত্যাদি। রক্ষীবাহিনীর সদস্যরাও জবাব দিতে থাকেন। কিছুক্ষণ পর মওলানা ভাসানী তাঁর পাশে থাকা কাজী জাফর আহমদ, রাশেদ খান মেননকে বলেন, 'তোমরা না কও রক্ষীবাহিনীর সবাই ভারতীয়। আমি তো দ্যাখতাছি এরা আমাগো পোলা।' কাজী জাফর, রাশেদ খান মেনন কোনো কথা না বলে চুপ থাকেন।‘

বিভিন্ন জায়গায় সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের অভিযোগ করতে শোনা যায়, রক্ষীবাহিনীকে নাকি সেনাবাহিনী থেকে বেশি সুযোগ সুবিধা দিত বঙ্গবন্ধু সরকার। সেনাবাহিনীর পোশাক ও অস্ত্রের সংকট ছিল। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশে সবক্ষেত্রেই সংকট থাকে। আমি পেলাম না বলে, অন্য কেউ পেয়ে গেছে এটা ভ্রান্ত ধারণা। ১৯৭৩-৭৪ অর্থ বছরে রক্ষীবাহিনীর জন্য বাজেট ছিল ৯ কোটি টাকা। সেখানে সেনাবাহিনীর জন্য ছিল ৯২ কোটি টাকা। যা পরে ১১২ কোটি টাকায় উত্তীর্ণ করা হয়।

একটা দেশে কোনো নিয়মিত বাহিনী কোনো হত্যাকাণ্ড চালালে সরকার হাজার চেষ্টা করলেও তা লুকাতে পারে না। ধরুন তর্কের খাতিরে মেনে নিলাম, বঙ্গবন্ধু সরকার রক্ষীবাহিনীর অপকর্ম আড়াল করেছিল। বঙ্গবন্ধু সরকার উৎখাতের পর ২১ বছর বিরোধীরা ক্ষমতায় ছিল। তারা কি রক্ষীবাহিনীর হাতে নিহতের একটি তালিকা তুলে ধরতে পেরেছে? গুজব কল্পকাহিনী বলা সহজ। প্রমাণ করা কঠিন।

একটা দেশকে স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ রাখা তো একা সরকারের দায়িত্ব নয়। দেশের জনগণ দেশের আইনকানুন মেনে চলবে, রাজনৈতিক দলগুলো দায়িত্বশীল আচরণ করবে- তবেই তা একটা দেশ সুখে শান্তিতে ভরে উঠবে।

৯ মাসের যুদ্ধে বিধ্বস্ত একটি দেশ গড়ে তোলার ন্যূনতম সময় না দিয়ে তিনটি দল যদি প্রকাশ্যে সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে, এই দেশকে টিকিয়ে রাখা যায় কীভাবে? এই কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল বঙ্গবন্ধু।

০২.০৬.২৬

20260602

02/06/2026

বাংলাদেশের কিংবদন্তি ভালো থাকবেন!

Photos from Awami Nabin Oikya Parishad - ANOP's post 02/06/2026

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের সাহসী নেতা এবং বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর তোফায়েল আহমেদ আমাদের মধ্যে আর নেই। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।আমরা আওয়ামী নবীন ঐক্য পরিষদ গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি মহান আল্লাহ তার প্রতি রহমত বর্ষণ করুন এবং তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।

প্রচারে আওয়ামী নবীন ঐক্য পরিষদ

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ
Dhaka