26/07/2025
Meta AI
You can get all Bangladeshi History within every 24Hrs. We can hope you will stay with us.
26/07/2025
Meta AI
13/07/2025
অভিনন্দন ও শুভকামনা রইল ❤️❤️
27/10/2020
# # বড় ভাইয়ের বাস্তব জীবনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম।
** কেউ মজা নিবেন না🙃।
৫বছর আগের ঘটনা তখন ছুটিতে এসছি,এ বি এর এক ছোটভাইয়ের সুন্নাতে খৎনা(মুসলমানি) হবে। আন্টি দাওয়াত দিলো। গিয়ে দেখি সে ভয়ে কাঁপতেছে। আন্টি আমাকে বললেন, ওকে একটু বুঝাও।
আমি ওর পাশে গিয়ে বললাম,
- মেহেদী ভাই আমার, ভয়ের কিছু নেই এটা কাটতেই হয়। ব্যাথা পাওয়া যায়না।
- ভাইয়া আমার নুন্টু কাটলে আমি হিসু করবো কী দিয়ে?
- আরে বোকা! নুন্টু কাটবেনা। সামান্য একটু চামড়া কেটে ফেলবে উপর থেকে।
- আপনার কাটছে?
- হ্যাঁ আমারো কাটছে।
- কই দেখান তো? কতটুকু কাটছে আমি দেখবো।
আন্টি সামনে বসে আছে। ডাক্তার সাহেবও বসে আছেন। আমি এক মুহুর্তের মধ্যে 'থ' হয়ে গিয়েছি। এটা কী করে সম্ভব!
- চুপ করো। এটা দেখানো যাবেনা। আমি বড় হয়েছি। এটা লজ্জার ব্যাপার।
- তাহলে আমি কাটবোনা। আম্মু, আমি নুন্টু কাটবোনা। ডাক্তার আংকেল আপনি চলে যান।
অনেক বুঝিয়ে-সুঝিয়েও ওকে রাজি করানো যায়নি।
আন্টি আমাকে বললেন, বাবা তুমিও তো ছেলে মানুষ আমার ছেলেটাও ছেলে মানুষ। ওকে একবার দেখাও। দেখলেই ও বুঝতে পারবে।
আন্টির কথা শুনে আমার আকাশ থেকে ভেঙে পড়ার মত অবস্থা হলো।
- কি যে বলেন আন্টি। এটা কীভাবে সম্ভব। এটা তো লজ্জার ব্যাপার। আমি এটা পারবোনা।
আন্টি আমাকে রিকোয়েস্ট করা ছাড়তেই পারলেন না। ডাক্তার সাহেবও বললেন, তুমি তো সবে মাত্র অনার্সে। এখন এত লজ্জা কিসের। ওকে একবার দেখাও। ও কোনোমতে দেখে বুঝতে পারবে যে আসলে মুসলমানি মানে পুরো নুন্টু কাটা না।
আমি বসে রইলাম। আর বারবার নিজেকে ভৎর্সনা দিতে লাগলাম 'কেনো এই দাওয়াত খেতে এলাম' বলে।
লজ্জায় আমার মাথা কাটা যাচ্ছিলো। ঘরভর্তি মানুষ। আমি কি বলি এটা দেখার জন্যে তারা সবাই আমার মুখের দিকে চেয়ে আছে।
এই লজ্জার কাজ আমি করতে পারবোনা। একটা বাচ্চা ছেলের সামনে আমার ইজ্জতভ্রষ্ট হবে তা কখনোই আমি মেনে নিতে পারবোনা। তাই অনেক ভেবে বললাম।
বিশ্বাস করো মুসলমানি করলে পুরো নুন্টু কেটে ফেলে। আমারটাও কেটে ফেলছে। কীভাবে দেখবা? নাই তো। ডাক্তার সাহেবকে জিজ্ঞেস করে দেখো। ওনারটাও নেই। এই বলে আমি চলে এলাম।
ও ভয়ে কান্না শুরু করে দিলো।
পরেরদিন ঐ বাসার পাশে যেতে দেখি ওর হাতে লুঙি উঁচু করে ধরে রাখা।
বেচারা ডাক্তার হয়তো নিজের ইজ্জত উৎসর্গ করে দিয়েছে এই মেহেদীর খৎনার জন্যে।
24/10/2020
ভারতের একটা শহরের পঞ্চম শ্রেণি প্রাথমিক স্কুলের এক শিক্ষিকা,যাঁর অভ্যাস ছিল, ক্লাস শুরু হওয়ার আগে রোজ তিনি "আই লাভ ইউ অল" বলতেন। কিন্তু তিনি জানতেন, তিনি সত্য বলছেন না। তিনি জানতেন ক্লাসের সবাই কে এক রকম ভাবে তিনি ভালবাসেন না।
রাজু নামে একটা বাচ্চা ক্লাসে যাকে তিনি মোটেও সহ্য করতে পারতেন না। রাজু ময়লা জামা-কাপড় পড়ে স্কুলে আসতো। তার চুলগুলো থাকত উষ্কো-খুষ্কো, খোলা থাকে জুতার বকলেস,শার্টের কলারে ময়লা দাগ, ক্লাসে পড়া বোঝানোর সময়ও সে থাকে খুব অন্য মনস্ক। মিস এর বকুনি খেয়ে, চমকে তাঁর দিকে তাকিয়ে থাকতো সে। কিন্তু তার শূন্য দৃষ্টি দেখে স্পষ্ট বোঝা যেত যে, রাজু শারীরিক ভাবে ক্লাসে উপস্থিত থাকলেও তার মন অন্য কোনখানে উধাও হয়ে গেছে, রাজুর প্রতি ধীরে ধীরে মিসের মনে ঘৃণার উদ্রেক হলো।
রাজু ক্লাসে ঢুকতেই, মিসের সমালোচনার শিকার হতো। সব রকম খারাপ কাজের উদাহরন রাজুর নামে হতে থাকল। বাচ্চারা তাকে দেখে আর খিলখিল করে হাসে, মিসও তাকে অপমান করে আনন্দ পান। রাজু যদিও এইসব কথার কোনও উত্তর দিতো না। মিস এর তাকে নিষ্প্রাণ পাথর বলে মনে হতো, যার মধ্যে অনুভূতি নামে কোন জিনিস ছিলো না। সমস্ত ধমক, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ আর শাস্তির জবাবে সে শুধু নিজের ভাবনায় শূন্য দৃষ্টিতে তাঁকে দেখতো, আর মাথা নীচু করে নিতো। এই ভাবে সে মিস এর অত্যন্ত বিরাগ ভাজন হয়ে উঠলো।
প্রথম সেমিস্টার শেষ হয়ে রিপোর্ট বেরোনোর সময় হলে মিস রেজাল্ট কার্ডে তার সম্পর্কে সব খারাপ কথা লিখে দিলেন l মা -বাবাকে দেখানোর আগে রিপোর্ট কার্ড হেড মিস্ট্রেসের কাছে পাঠাতে হতো। তিনি রাজুর রিপোর্ট দেখে মিসকে ডেকে পাঠালেন এবং বললেন, "মিস ! রিপোর্ট কার্ডে কিছু তো অনুপ্রেরণার কথা লেখা উচিত্ ! আপনি তো যা কিছু লিখেছেন তার থেকে রাজুর বাবা একদম নিরাশ হয়ে যাবেন।" মিস বললেন, "আমি মাফ চাইছি, কিন্তু রাজু এক খারাপ আর নিষ্কর্মা বাচ্চা, আমার মনে হয়না আমি ওর সম্পর্কে ভাল কিছু লিখতে পারবো !" মিস ঘৃণার সাথে এই কথা বলে সেখান থেকে উঠে এলেন।
হেড মিস্ট্রেস অদ্ভুত একটা ব্যাপার করলেন, তিনি চাপ রাশির হাত দিয়ে মিসের ডেস্কের ওপরে রাজুর আগের বছরের রিপোর্ট কার্ড রেখে দিলেন। পরের দিন যখন মিস ক্লাসে ঢুকলেন তখন রিপোর্টের ওপরে নজর পড়তে, উল্টে দেখেন সেটা রাজুরই রিপোর্ট কার্ড ! ভাবলেন আগের বছরও নিশ্চয়ই সে এইরকম আচরণ করেছে ! ভাবার সাথে সাথেই তৃতীয় শ্রেণীর রিপোর্টটা খোলেন, রিপোর্টের মন্তব্য পড়ে ওনার আশ্চর্যের সীমা রইলো না, রাজুর উচ্ছ্বসিত প্রশংসায় রিপোর্ট কার্ডটি ভরা, তাতে লেখা আছে, "রাজুর মতো বুদ্ধিমান বাচ্চা আমি আজ পর্যন্ত দেখিনি। অতি সংবেদনশীল বাচ্চা এবং নিজের সহপাঠী আর শিক্ষকের প্রতি সম্মান এবং সহযোগিতা করে। অন্তিম সেমিস্টারেও রাজু প্রথম স্থান আধিকার করে নেয়। অস্থির ভাবে মিস চতুর্থ শ্রেণীর রিপোর্ট খোলেন, সেখানে লেখা আছে "রাজুর লেখা পড়ার ওপর তার মায়ের অসুখের গভীর প্রভাব পড়ছে, পড়াশোনার প্রতি অমনোযোগী হয়ে উঠছে। রাজুর মা মারা গেছে এবং সঙ্গে রাজুর জীবনের যাবতীয় আশা ভরসা আর সুন্দর ভবিষ্যতের আলোও, তাকে বাঁচাতে হবে। আরও দেরী হয়ে যাওয়ার আগে, মিস এর মাথায় যেন অত্যন্ত ভারী বোঝা চেপে আছে, কাঁপা হাতে তিনি রিপোর্ট কার্ড বন্ধ করেন। তার নয়ন অশ্রুসজল হয়ে উঠলো, টপ টপ করে চোখের জল ঝরতে লাগলো।
পরের দিন যখন ক্লাসে ঢুকলেন তাঁর নিজের চির অভ্যস্ত বাক্যের পুনরাবৃত্তি করলেন, "আই লাভ ইউ অল। কিন্তু বুঝতে পারছিলেন আজও তিনি সত্যের অপলাপ করছেন। কারণ এলোমেলো চুলে এই ক্লাসে বসে থাকা বাচ্চাটা, রাজুর প্রতি যে স্নেহ তিনি হৃদয়ে অনুভব করছিলেন, তা' ক্লাসের অন্য বাচ্চাদের জন্য হওয়া সম্ভবই ছিল না। পড়া বোঝানোর সময় রোজের দিনচর্চার মতো রাজুর দিকে একটা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন, আর রাজুও রোজের মতো মাথা নীচু করে নিলো। যখন বেশ কিছুক্ষণ পর্যন্ত মিস এর ধমক বা শ্লেষাত্মক কথার কোনটাই বা সহপাঠীদের সম্মিলিত হাসির শব্দ কানে এলো না তখন সে আচমকা মাথা উঁচু করে তাঁর দিকে চেয়ে রইলো। অপ্রত্যাশিতভাবে তার মাথা আজ মুন্ডিত, কেশহীন ছিলো। তাঁর মুখে মৃদু হাসি। তিনি রাজুকে কাছে ডাকলেন এবং প্রশ্নের উত্তর বলে দিয়ে তা' আওড়াতে বললেন। রাজু তিন-চারবার চেষ্টার পর অবশেষে বলতে পারলো। তার জবাব দেওয়ার সাথে সাথে মিস খুশি হয়ে শুধু নিজে তালি দিলেন না, বরং অন্য সব বাচ্চাদের দিয়েও তালি দেওয়ালেন। তারপরে এটা প্রত্যেক দিনের দিনচর্চা হয়ে গেলো। মিস সব উত্তর নিজের থেকে দিতেন, তারপর সস্নেহে রাজুকে বাহবা দিতেন। সব ভালো কাজের উদাহরণে রাজুর নাম বলা হতে লাগলো। ধীরে ধীরে বিষণ্ণতার কবর ফুঁড়ে রাজু বেরিয়ে আসলো। এখন থেকে আর মিস কে প্রশ্নের সাথে উত্তর বলে দেওয়ার প্রয়োজন হতো না। সে রোজ সঠিক উত্তর দিয়ে সবাই কে প্রভাবিত করতো এবং নতুন নতুন প্রশ্ন করেও হয়রানও করতো।তার চুলগুলো এখন অনেকটা পরিপাটি থাকে, জামাকাপড়ও যথেষ্ট পরিষ্কার থাকে, হয়তো সে নিজেই কাচঁতে শুরু করে ছিল। দেখতে দেখতে বছর শেষ হয়ে গেল, রাজু দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ হলো।
বিদায় কালীন সমারোহে সব বাচ্চারা মিস এর জন্য সুন্দর সুন্দর উপহার নিয়ে এলো, আর মিস এর টেবিলের ওপর একের পর এক পাহাড় জমে গেলো। এত সুন্দর ভাবে প্যাক করা উপহারের মধ্যে পুরানো কাগজে অগোছালো ভাবে মোড়া একটা উপহার পড়ে ছিলো। বাচ্চারা তাই দেখে হাসতে লাগলো। কারও জানতে বাকি রইলো না যে, উপহার হিসেবে সেটা রাজুই এনেছে। মিস উপহারের এই ছোট পাহাড় থেকে সেটা বার করে আনলেন, খুলে দেখলেন তার ভিতরে মহিলাদের আতরের অর্ধেক ব্যবহার করা একটা শিশি আর এক হাতে পরার মতো বড় একটা বালা যার বেশির ভাগ মোতি ঝরে গিয়ে ছিলো। মিস চুপচাপ শিশি থেকে নিজের গায়ে আতর ছিটিয়ে দিলেন এবং বালাটা হাতে পরে নিলেন। বাচ্চারা এই দৃশ্য দেখে খুব অবাক হয়ে যায়। রাজু নিজেও, শেষ পর্যন্ত রাজু থাকতে না পেরে মিসের কাছে এসে দাঁড়িয়ে পড়লো। কিছুক্ষণ পর সে থমকে থমকে মিসকে বলল, "আজ আপনার গা' থেকে আমার মায়ের মতো গন্ধ আসছে।
সময় পাখা মেলে উড়তে লাগলো। দিন সপ্তাহে, সপ্তাহ মাসে আর মাস বছরে বদলাতে আর কোথায় সময় লাগে ? কিন্তু প্রত্যেক বছরের শেষে রাজুর কাছ থেকে একটা চিঠি নিয়মিত ভাবে আসতো, যাতে লেখা থাকে, "এই বছর অনেক নতুন টিচারের সংস্পর্শে এসেছি কিন্তু আপনার মতো কেউ ছিলো না। তারপর রাজুর স্কুল পর্ব শেষ হয়ে গেলো এবং চিঠির ধরাবাহিকতা হলো শেষ।
কয়েক বছর পর মিস এরও অবসর হয়ে গেল। একদিন তাঁর নিজের মেলে রাজুর চিঠি পেলেন যাতে লেখা ছিলো, "এই মাসের শেষে আমার বিয়ে, আপনাকে ছাড়া বিয়ের কথা ভাবতে পারি না, আরেকটা কথা, জীবনে আমি অনেক লোকের সাথে মিশেছি, আপনার মতো কেউ নেই, ডক্টর রাজু, সাথে প্লেনে যাওয়া আসার টিকিটও খামের মধ্যে দিয়েছিলো।
মিস নিজেকে কিছুতেই আটকে রাখতে পারছিলেন না। তিনি স্বামীর থেকে অনুমতি নিয়ে অন্য শহরে যাওয়ার জন্য রওনা দিলেন। বিয়ের দিনে যখন বিয়ের আসরে উপস্থিত হলেন, তখন খানিকটা দেরী হয়ে গিয়েছিলো। তাঁর মনে হয়েছিল বিয়ের অনুষ্ঠান নিশ্চয়ই শেষ হয়ে গেছে, কিন্তু এটা দেখে তাঁর আশ্চর্য হওয়ার সীমা ছিলো না, শহরের বড় বড় ডাক্তার, বিজনেসম্যান, এমন কি বিয়ে দেবেন যিনি সেই পণ্ডিতজীও ক্লান্ত হয়ে পড়ে ছিলেন, যে এখনও কার আসা বাকি আছে, কিন্তু রাজু বিয়ের অনুষ্ঠানের মণ্ডপের বদলে গেটের দিকে চোখ লাগিয়ে তাঁর আসার অপেক্ষা করছিলো। তারপর সবাই দেখে ছোটবেলার সেই টিচার গেটের ভিতরে ঢুকতেই রাজু তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হাত ধরেছে, যে হাতে তিনি এখনও সেই খারাপ হয়ে যাওয়া বালাটা পরে ছিলেন, তাঁকে সসম্মানে মঞ্চে নিয়ে যাওয়া হলো। মাইক হাতে নিয়ে সে এইরকম কিছু বললো, "বন্ধুরা ! আপনারা সবাই সব সময় আমাকে আমার মায়ের সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন? আর আমি আপনাদের সবার কাছে প্রতিজ্ঞা করতাম যে, খুব শিগগির সবাই কে তাঁর সাথে পরিচয় করিয়ে দেবো, ইনি আমার মা "
সূত্র সংগৃহিত।
17/10/2020
অনুপ্রেরণা
এইচএসসি পরীক্ষার মাসছয়েক আগে অজপাড়া গায়ের অখ্যাত কলেজের একজন শিক্ষক শহরের বিখ্যাত কলেজে গিয়ে চ্যালেঞ্জ করে আসলেন, "আপনাদের অমুক ছাত্র নাকি এবার বোর্ডে ফার্স্ট হওয়ার টার্গেট নিয়েছে? তাকে বলে দিয়েন, যদি ফার্স্ট হওয়ার ইচ্ছা থাকে, তাহলে যেন এই বছর এইচএসসি পরীক্ষা না দেয়। কারণ, এই বছর আমার কলেজের গৌরাঙ্গ বোর্ডে ফার্স্ট হবে।"
অথচ এই গৌরাঙ্গ ঢাকার নামকরা এক কলেজ থেকে পরপর দুই বছর সাইন্স বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল করেন। তৃতীয়বার গ্রামের এই কলেজে এসে কমার্স নিয়ে ভর্তি হন। এমন একজন ছাত্রকে নিয়ে বোর্ডে ফার্স্ট হওয়ার চ্যালেঞ্জ করা সত্যিই স্পর্ধার ব্যাপার। কেন সেই শিক্ষক এমন স্পর্ধা দেখালেন, সেই গল্পই আজ আমি বলব।
গৌরাঙ্গ দেবনাথের জন্ম একটি বিত্তবান পরিবারে। তার বাবার লুঙ্গির ব্যবসা ছিল, যেখানে ৩০ জন কর্মচারী কাজ করতেন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, প্রাইমারির গণ্ডি পেরুনোর আগেই তার বাবা মারা যান। ইন্টারে পড়ুয়া তার বড় ভাই শত চেষ্টা করেও বাবার ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখতে পারলেন না, শুরু হলো তাদের দুঃখ দুর্দশার দিন।
বাড়ির অভাব-অনটন দিনকেদিন বাড়তে থাকায় হাইস্কুলে ওঠার পর তার মা তাকে কক্সবাজারে মামার বাসায় পাঠানোর চিন্তা করেন। কিন্তু অন্য শহরে পরে যাওয়ার মতো একটা প্যান্টও ছিল না তার। এক বন্ধুর কাছে ১০ টাকা দিয়ে পুরোনো একটা প্যান্ট কিনে রওনা করেন। ভাগ্য সেখানেও তার সহায় হলো না। ১৯৯১ সালের সেই ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের পর ফিরে আসেন।
এরপর নিজ এলাকার এক হাইস্কুলে এসে ভর্তি হন। গণিতে তিনি এতটাই ভালো ছিলেন যে, গণিত স্যার তাকে দিয়ে বোর্ডে অংক করাতেন। এসসসিতে তার স্কুলের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৯৮ নম্বর পেয়ে তিনি ৫ স্টার গ্রেডে উত্তীর্ণ হন। ইচ্ছা ছিল, ঢাকা কলেজে ভর্তি হওয়ার৷ কিন্তু সে বছর ঢাকা কলেজে আবেদন করার জন্য ন্যূনতম ৮০০ নম্বরের প্রয়োজন ছিল। মাত্র 'দু' নম্বরের ব্যবধান বলে তিনি কলেজে গিয়ে অনুনয়-বিনয়ও করেছিলেন, কিন্তু লাভ হয়নি কোনো। পরে পুরান ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে ভর্তি হন।
সোহরাওয়ার্দী কলেজে ভর্তি হওয়ার পর তিনি বুঝতে পারলেন যে, এই কলেজ তার মতো গরীবদের জন্য নয়। এখানে ক্লাস হয় না কোনো। সবাই প্রাইভেট পড়েই কভার করে। গৌরাঙ্গ তার ভাইকে জানালেন যে, "আমাকে এখান থেকে টিসি নিয়ে গ্রামে পাঠাও, নতুবা আমাকে প্রাইভেট পড়াও।" তখন বড় ভাই তাকে বললেন যে, "তোর গ্রামে যাওয়া হবে না। এখানেই পড়বি। তোকে প্রাইভেট দিব, তবে একমাসের জন্য। এরমধ্যেই যা করার করে নিবি।"
ক্লাস না করে ও মাত্র একমাস প্রাইভেট পড়ে ইন্টার পরীক্ষা দিলেন তিনি। যা হওয়ার ছিল, তাই হলো। বিস্ময়কর বিষয় এই যে, গণিতে এত ভালো গৌরাঙ্গ গণিতেই ফেল করলেন। বাড়ি থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, তাকে আর পড়ানো হবে না। বরং কাজ করে সংসারে সাহায্য করবে। কিন্তু তিনি পড়বেন। এভাবে ছয়মাস সিদ্ধান্ত নিতেই ব্যয় হলো। দ্বিতীয়বার এইচএসসি দেওয়ার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে লাগলেন তিনি। কিন্তু বিধিবাম, পরেরবারও তিনি ফেইল করলেন।
তখনকার সময়ে নিয়ম ছিল, পরপর তিনবার ফেইল না করলে কলেজ থেকে কাগজপত্র তোলা যেত না। গৌরাঙ্গ মনঃস্থির করলেন, যেভাবেই হোক কাগজপত্র তুলে গ্রামে গিয়ে ভর্তি হবেন। কলেজের একজন কর্মচারীর কাছে পরামর্শ চাইলে তিনি বলেন, "অফিসে গেলে অনেকেই টাকা পয়সা চাইবেন, কিন্তু কাজ হবে না। তারচেয়ে বরং আপনি বোর্ড থেকে অমুকের একটা স্বাক্ষর নিয়ে আসেন, আমি কাগজ তুলে দিব।"
অফিস খোলার আধাঘণ্টা আগে সেখানে পৌঁছলেন তিনি। হাতে একটা দরখাস্ত। অফিসার সব শুনে বললেন, "এভাবে কাগজপত্র তোলার নিয়ম নেই। আর একবার পরীক্ষা দাও, পাশ করলে তো করলাই, আর না করলে তবুও কাগজপত্র তুলতে পারবা।"
শ্রাবণের আকাশ সেদিন অঝোরে কাঁদতে লাগল। অফিসারের রুম থেকে বের হয়ে বাইরেই দাঁড়িয়ে রইলেন তিনি। সকাল ১১টার দিকে একজন কর্মকর্তা তাকে দেখে অফিসে ঢুকেছিলেন, বিকেলে বের হয়েও তাকে ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলেন। সবকিছু শুনে তার মন গলল। তিনি অফিসারকে অনুরোধ করে স্বাক্ষর নিয়ে দিলেন।
গল্পের আসল টুইস্ট অপেক্ষা করছে এরপরই। গ্রামে এসে কলেজে ভর্তি হতে ছয়শত টাকা লাগবে, কিন্তু বাড়ি থেকে আর টাকা দিবেই না। এমন সময় এগিয়ে আসেন একই পাড়ার এক বিত্তবান বন্ধু। গৌরাঙ্গকে কলেজে ভর্তি হওয়ার জন্য পাঁচশত টাকা দেয় সে। এই টাকার ব্যাপারে গৌরাঙ্গ দাদা বলেছেন, "আমি আমার নিজ অবস্থান থেকে অনেকের জন্য অনেক কিছু করেছি। কিন্তু ঐ পাঁচশত টাকার ঋণ আজও শোধ করতে পারিনি। কখনোই পারব না।"
রাস্তা দিয়ে যখন তিনি হাঁটতেন, গ্রামের ছেলেমেয়েরা তাকে দেখে হাসাহাসি করত। সহপাঠীরা তাকে "আদু ভাই" বলে ডাকত। আজীবন প্রথম বেঞ্চে বসে অভ্যাস তার। কলেজেও প্রথম বেঞ্চে বসতে শুরু করেন, কিন্তু তাকে প্রথম বেঞ্চে দেখলে সহপাঠীরা ঐ বেঞ্চে আর কেউ বসত না। বাড়ি থেকে প্রায় ১৫দিন কলেজ করার পর একদিন রাতে খেতে বসেছেন, তার বড় ভাই মাকে বললেন যে, ওরে ভাত দিও না। ওরে ছাই খাইতে দাও।" তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, বাড়িতে আর থাকবেন না৷ এই কঠিন সময়েও তার এক কলেজ ফ্রেন্ড এবং এলাকার এক বড় ভাই তাকে অনুপ্রেরণা দেন। বুকে সাহস সঞ্চয় করিয়ে দিয়ে বলেন যে, তুই পারবি। শুধু লেগে থাক।
কলেজের এক স্যারকে অনুরোধ করে লজিংয়ের ব্যবস্থা করে নেন। সেসময় বাড়ির ছেলেমেয়েকে দুই বেলা পড়ানো ও কলেজে ক্লাস করা- এসব বাদ দিয়ে তিনি দিনে ১০ঘণ্টা করে পড়তেন। যতক্ষণ অব্দি ১০ঘণ্টা হয়নি, ঘুমোতে যেতেন না। কিছুদিনের মধ্যেই তিনি বুঝতে পারেন যে, এই বাড়ির আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো না। শুধু স্যারের কথা রাখতে গিয়েই তাকে লজিং রেখেছেন। তাই একসময় তিনি সেই বাসা থেকে চলে আসেন৷
এবার ওঠেন তার এক বান্ধবীর বাসায়। তাদের দোতালা বাড়ি ছিল। সেখানে একটা ঘরে থেকে পড়াশোনা করতে থাকেন। এদিকে গ্রামের মানুষ নানান কুৎসা রটাতে থাকে। ফলে সেই বাসাও ছেড়ে দিতে হয়। এবার তিনি অকূল পাথারে পড়ে যান। কলেজ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন হোস্টেলে একটা সিটের জন্য, কিন্তু হোস্টেলে কোনো সিট ফাঁকা নেই। পরে সহপাঠীদের এভাবে ম্যানেজ করে একটা সিটের বন্দোবস্ত হয় যে, আমি সারাটাদিন বাইরে থাকব, শুধু রাতে একটু থাকার জায়গা হলেই হবে।
থাকার চিন্তার ইতি ঘটল। এবার শুরু হলো খাওয়ার চিন্তা। হোস্টেলে প্রতিবেলা খেতে ১০টাকা করে লাগত। কিন্তু তার কাছে একটা কানাকড়িও ছিল না। এমনও সময় গেছে, দুইদিন-তিনদিন ধরে শুধু পানি খেয়ে ছিলেন। কলেজের অদূরেই এক জেঠাতো বোনের বাসা ছিল, দুই-তিনদিন পর তার বাসায় যেতেন। ভাই আসছে বলে বোন খেতে দিত, ওটুকু খেয়েই দিনযাপন করছিলেন।
এমন সময় এক শিক্ষকের কল্যাণে পাঁচ কিলোমিটার দূরে একটা টিউশনি পান। ছাত্রের বড় ভাই বিদেশে থাকে, মাসে ৫০০ করে টাকা দিবেন। গৌরাঙ্গ লুফে নেন এই সুযোগ। এবার তিনি হোস্টেলে একবেলা করে খেতে শুরু করেন, বাকি টাকা জমিয়ে রাখতেন, যদি কখনো টিউশনি চলে যায়, তখন যেন কিছুদিন চলতে পারেন। ছাত্রের বাসা যাওয়ার পথে একটা নদী পড়ত, সেই নদী পাড় হতে ২টাকা ভাড়ার প্রয়োজন ছিল। টিউশনিতে তিনি একটা গামছা নিয়ে যেতেন। যাওয়ার সময় নৌকা করেই নদী পাড় হতেন, কিন্তু ফেরার পথে সাঁতরে আসতেন। তার মুখেই শুনুন, "সাঁতরে এ কারণেই আসতাম যে, নৌকা না চড়লে ৩০দিনে আমার ৬০টাকা বাঁচবে। আর ৬০টাকা হলে আমি ৬বেলা খেতে পারব।"
হোস্টেলে যে সময়টা ছিলেন, একটা দিনও তিনি সকালের মিল খাননি। বন্ধুদের বলতেন, "ডাক্তার আমাকে সকালে খেতে বারণ করেছেন।" বন্ধুরা যখন খেত, তখন তিনি বাইরে বেরিয়ে যেতেন।
এত প্রতিবন্ধকতার মাঝেও তিনি কলেজে ভালো রেজাল্ট করতে থাকেন। দুর্ভাগ্যবশতঃ অন্যান্য মেধাবী ছাত্রকে কলেজ থেকে বৃত্তি প্রদান করা হলেও তাকে দেওয়া হতো না, কারণ তিনি ফেইল করা ছাত্র। এক শিক্ষকের অনুরোধে কলেজ কর্তৃপক্ষ তার প্রতি সদয় হোন। ফলে তার আর খাওয়ার চিন্তাও রইল না।
টেস্ট পরীক্ষা শেষ হলো। এরই মাঝে তার এক স্যার বাইরের কলেজে গিয়ে প্রথম প্যারার সেই ঘোষণা দিয়ে আসলেন। তারপর তাকে ডেকে বললেন, "গৌরাঙ্গ, আমি এভাবে বলে আসছি। তুই আমার মান রাখিস।" স্যারের কথা তার মনে প্রভাব ফেলল। এখন তার থাকারও চিন্তা নেই, খাওয়ারও চিন্তা নেই, টিউশনিও নেই কোনো।। দিনে ২২ঘণ্টা(!) করে পড়তে শুরু করলেন। হ্যাঁ ভাই, ঠিকই পড়েছেন, ২২ ঘণ্টা! এক থেকে দেড় ঘণ্টা ঘুমোতেন, বাকি পুরোটা সময় পড়তেন। বোর্ডিং গিয়ে খাবার আনলে যেতে-আসতে দুই-তিন মিনিট সময় নষ্ট হবে জন্য, কাজের বুয়া তার ঘরে খাবার দিয়ে যেত!
বাড়ি থেকে মাত্র ৩-৪ কি.মি. দূরে থাকা সত্ত্বেও এই দুটো বছরে তিনি বাড়ি গিয়েছিলেন মাত্র দু'বার। একবার মায়ের অসুস্থতার খবর শুনে, আরেকবার পরীক্ষার আগের দিন মায়ের সাথে দেখা করতে। এছাড়া মাঝেমাঝে পাশের বাজারে গিয়ে বাড়ির খোঁজখবর জেনে আসতেন। ইতোমধ্যে গতবছর তার ছোট ভাই এইচএসসিতে কুমিল্লা বোর্ডে সপ্তম হয়েছেন। গৌরাঙ্গের মাথায় সবসময় কাজ করত, অন্তঃত ছোট ভাইয়ের চেয়ে ভালো রেজাল্ট করতে হবে। এমতাবস্থায় পরীক্ষার আগের দিন তার মা যখন বললেন যে, "এমন রেজাল্ট করবি, যেন অমুকের মতো সাংবাদিকরা এসে ছবি তুলে নিয়ে যায়", তখন প্রথম হওয়ার সংকল্পটা আরও দৃঢ় হয়ে যায়।
তার ছোট ভাই নিজের বন্ধুবান্ধবদের কাছ হতে অনেক বই সংগ্রহ করে তাকে দিয়ে সাহায্য করেন। পরীক্ষার কিছুদিন আগের ঘটনা। স্যার তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন,
- অমুক বইয়ে ৫৫টা প্রশ্ন আছে, সবগুলো পড়েছিস তো?
- ৫৪টা পড়েছি, স্যার।
স্যার তখন রাগে তাকে দুটো থাপ্পড় মারলেন।
- স্যার, পরীক্ষায় ১০টা প্রশ্ন আসবে, উত্তর করতে হবে ৫টা। এটা সহ আসলেও তো আমার ৯টা প্রশ্ন কমন থাকবে।
স্যার তখন আরও একটা থাপ্পড় দিয়ে বললেন, "এটাও মুখস্থ করতে হবে।"
যথারীতি পরীক্ষা শুরু হলো। গৌরাঙ্গের সিট পড়ল শেষবেঞ্চে। তিনি এসে মেজিস্ট্রেটের কাছে কেঁদে কেঁদে বললেন, "স্যার, আমি সামনের বেঞ্চ ছাড়া পরীক্ষা দিতে পারি না।" মেজিস্ট্রেট সিট বদল করে দিলেন এবং প্রতিটি পরীক্ষায় এসে তার খোঁজ নিতেন। হলগার্ডকে বলে দিয়েছিলেন যে, গৌরাঙ্গকে যেন কেউ ডিস্টার্ব না করে! আপনি জেনে অবাক হবেন, যেদিন পরীক্ষার রেজাল্ট বের হয়, সেদিন মেজিস্ট্রেট নিজেই তাদের কলেজে এসেছিলেন শুধু গৌরাঙ্গের রেজাল্ট জানার জন্য।
তখনকার সময় নিয়ম ছিল, বোর্ডে যে ফার্স্ট হোবে রেজাল্টের দিনই বিটিভিতে তার সাক্ষাৎকার নেওয়া হতো। রেজাল্টের কয়েকদিন আগেই গৌরাঙ্গ ঢাকায় তার স্যারের বাসায় চলে যান। রেজাল্টের আগের রাতে তিনি একটা ভালো শার্ট আয়রন করে এনে রাখেন, যাতে সেটা পরে সাক্ষাৎকার দিতে যেতে পারেন। চিন্তা করুন একবার, কী পরিমাণ আত্মবিশ্বাস!
রেজাল্টের দিন সকালবেলা তিনি বাইরে চলে যান। বাসায় এসে স্যারের স্ত্রীর মুখে জানতে পারেন, তিনি অষ্টম হয়েছেন। মন পুরোই খারাপ হয়ে যায় তার। একটুপর স্যার ফোন করে গৌরাঙ্গকে বলেন, "তুমি আমার মান রেখেছ, তুমি ফার্স্ট হয়েছ বোর্ডে।" নিজের কানকেই যেন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তিনি। স্যারের স্ত্রী অবাক হয়ে স্যারকে বললেন, "তাহলে যে তুমি বললে যে, গৌরাঙ্গ অষ্টম হয়েছে?" স্যারের প্রত্যুত্তরটি আপনার শরীরে শিহরণ জাগাতে বাধ্য। তিনি বললেন,"আমি এটা চাইনি যে, গৌরাঙ্গ ফার্স্ট হয়েছে, এটা সে আমি ছাড়া অন্য কারও মুখ থেকে শুনুক!"
গল্পের খানিকটা এখনো বাকি আছে। এরপর মাত্র ২৫-২৬ দিনের প্রিপারেশন নিয়ে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ভর্তি হোন। এটা ২০০০ সালের ঘটনা। ম্যানেজমেন্টের একটা ম্যাথের বই ১৯৭৪ সাল হতে পড়ানো হতো, যেটার কোনো সল্যুশন বের হয়নি। তিনি দ্বিতীয় বর্ষে থাকাকালীন সেই ম্যাথের বইটার সল্যুশন বের করেন। বইটিতে ইন্টিগ্রেশন, ডিফারেন্সিয়েশন ইত্যাদি জটিল জটিল বিষয় ছিল, যা সাধারণত কমার্সের ছাত্ররা পড়ে না। কিন্তু গৌরাঙ্গের মাথায় একটা জেদ কাজ করত যে, আমি গণিতে ফেল করেছি! গণিতকে আমি দেখে নিব!
যে গৌরাঙ্গ একসময় মাত্র ২টাকা বাঁচানোর জন্য সাতরে নদী পাড় হতো, সেই গৌরাঙ্গ এরপর শুধু প্রাইভেট পড়িয়ে মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করতে শুরু করেন। তিনি ১৫০ জন ছাত্রছাত্রীকে পড়াতেন, তন্মধ্যে ৫০ জনকে ফ্রি পড়াতেন। কারণ, জীবনে টাকার ক্রাইসিসটা তিনি খুব ভালো করে অনুধাবন করেছেন। ঢাবি থেকে অনার্স-মাস্টার্স কম্পলিট করে তিনি সম্পূর্ণ নিজের টাকায় লন্ডন থেকে ডিগ্রি নিয়ে আসেন।
এরপর কর্মজীবনে যোগ দেন ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে। সেখানে কয়েকবছর শিক্ষকতা করে ভারতে গিয়ে পিএইচডি করে আসেন। বর্তমানে তিনি সেখানকার ডিপার্টমেন্টাল হেড হিসেবে কর্মরত আছেন।
এই সুদীর্ঘ লেখাটি যারা কষ্ট করে পড়লেন এতক্ষণ যাবত, তাদের প্রতি একটাই অনুরোধ থাকবে, জীবনে কখনো আশাহত হবেন না। সৃষ্টিকর্তা যা করেন, মঙ্গলের জন্যই করেন। আপনার কাজ শুধু সৎভাবে শ্রম দিয়ে যাওয়া। গৌরাঙ্গ দেবনাথ এটাই বলছিলেন যে, "আমি যদি প্রথমবারেই পাশ করতাম, তাহলে হয়তো আজকের এই অবস্থানে থাকতাম না।"
জীবনে চড়াই-উতরাই আসবেই। এসব পেরিয়ে যারা অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে, তারাই সফল হবে। ইতিহাসে তাদের নাম জ্বলজ্বল হরফে লেখা থাকবে। আর যদি আপনি হাল ছেড়ে দেন, তাহলে ব্যর্থতার চোরাবালিতে ডুবে যাবেন। জীবন আপনার, সিদ্ধান্তও আপনার। ভেবে দেখুন, ইতিহাস হবেন? নাকি হারিয়ে যাবেন অন্ধকারের অতল গহ্বরে!
সংগ্রহীত
11/10/2020
টাইমলাইনে রেখে দিন কাজে আসবে
Important Shortcut Keys for Computer-
CTRL+A. . . . . . . . . . . . . . . . . Select All
CTRL+C. . . . . . . . . . . . . . . . . Copy
CTRL+X. . . . . . . . . . . . . . . . . Cut
CTRL+V. . . . . . . . . . . . . . . . . Paste
CTRL+Z. . . . . . . . . . . . . . . . . Undo
CTRL+B. . . . . . . . . . . . . . . . . Bold
CTRL+U. . . . . . . . . . . . . . . . . Underline
CTRL+I . . . . . . . . . . . . . . . . . Italic
F1 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Help
F2 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Rename selected object
F3 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Find all files
F4 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Opens file list drop-down in dialogs
F5 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Refresh current window
F6 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Shifts focus in Windows Explorer
F10 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Activates menu bar options
ALT+TAB . . . . . . . . . . . . . . . . Cycles between open applications
ALT+F4 . . . . . . . . . . . . . . . . . Quit program, close current window
ALT+F6 . . . . . . . . . . . . . . . . . Switch between current program windows
ALT+ENTER. . . . . . . . . . . . . . Opens properties dialog
ALT+SPACE . . . . . . . . . . . . . . System menu for current window
ALT+¢ . . . . . . . . . . . . . . . . . . opens drop-down lists in dialog boxes
BACKSPACE . . . . . . . . . . . . . Switch to parent folder
CTRL+ESC . . . . . . . . . . . . . . Opens Start menu
CTRL+ALT+DEL . . . . . . . . . . Opens task manager, reboots the computer
CTRL+TAB . . . . . . . . . . . . . . Move through property tabs
CTRL+SHIFT+DRAG . . . . . . . Create shortcut (also right-click, drag)
CTRL+DRAG . . . . . . . . . . . . . Copy File
ESC . . . . . . . . . . . . . . . . . . . Cancel last function
SHIFT . . . . . . . . . . . . . . . . . . Press/hold SHIFT, insert CD-ROM to bypass auto-play
SHIFT+DRAG . . . . . . . . . . . . Move file
SHIFT+F10. . . . . . . . . . . . . . . Opens context menu (same as right-click)
SHIFT+DELETE . . . . . . . . . . . Full wipe delete (bypasses Recycle Bin)
ALT+underlined letter . . . . Opens the corresponding menu
PC Keyboard Shortcuts
Document Cursor Controls
HOME . . . . . . . . . . . . . . to beginning of line or far left of field or screen
END . . . . . . . . . . . . . . . . to end of line, or far right of field or screen
CTRL+HOME . . . . . . . . to the top
CTRL+END . . . . . . . . . . to the bottom
PAGE UP . . . . . . . . . . . . moves document or dialog box up one page
PAGE DOWN . . . . . . . . moves document or dialog down one page
ARROW KEYS . . . . . . . move focus in documents, dialogs, etc.
CTRL+ > . . . . . . . . . . . . next word
CTRL+SHIFT+ > . . . . . . selects word
Windows Explorer Tree Control
Numeric Keypad * . . . Expand all under current selection
Numeric Keypad + . . . Expands current selection
Numeric Keypad – . . . Collapses current selection
¦ . . . . . . . . . . . . . . . . . . Expand current selection or go to first child
‰ . . . . . . . . . . . . . . . . . . Collapse current selection or go to parent
Special Characters
‘ Opening single quote . . . alt 0145
’ Closing single quote . . . . alt 0146
“ Opening double quote . . . alt 0147
“ Closing double quote. . . . alt 0148
– En dash. . . . . . . . . . . . . . . alt 0150
— Em dash . . . . . . . . . . . . . . alt 0151
… Ellipsis. . . . . . . . . . . . . . . . alt 0133
• Bullet . . . . . . . . . . . . . . . . alt 0149
® Registration Mark . . . . . . . alt 0174
© Copyright . . . . . . . . . . . . . alt 0169
™ Trademark . . . . . . . . . . . . alt 0153
° Degree symbol. . . . . . . . . alt 0176
¢ Cent sign . . . . . . . . . . . . . alt 0162
1⁄4 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . alt 0188
1⁄2 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . alt 0189
3⁄4 . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . alt 0190
PC Keyboard Shortcuts
Creating unique images in a uniform world! Creating unique images in a uniform world!
é . . . . . . . . . . . . . . . alt 0233
É . . . . . . . . . . . . . . . alt 0201
ñ . . . . . . . . . . . . . . . alt 0241
÷ . . . . . . . . . . . . . . . alt 0247
File menu options in current program
Alt + E Edit options in current program
F1 Universal help (for all programs)
Ctrl + A Select all text
Ctrl + X Cut selected item
Shift + Del Cut selected item
Ctrl + C Copy selected item
Ctrl + Ins Copy selected item
Ctrl + V Paste
Shift + Ins Paste
Home Go to beginning of current line
Ctrl + Home Go to beginning of document
End Go to end of current line
Ctrl + End Go to end of document
Shift + Home Highlight from current position to beginning of line
Shift + End Highlight from current position to end of line
Ctrl + f Move one word to the left at a time
Ctrl + g Move one word to the right at a time
MICROSOFT® WINDOWS® SHORTCUT KEYS
Alt + Tab Switch between open applications
Alt +
Shift + Tab
Switch backwards between open
applications
Alt + Print
Screen
Create screen shot for current program
Ctrl + Alt + Del Reboot/Windows® task manager
Ctrl + Esc Bring up start menu
Alt + Esc Switch between applications on taskbar
F2 Rename selected icon
F3 Start find from desktop
F4 Open the drive selection when browsing
F5 Refresh contents
Alt + F4 Close current open program
Ctrl + F4 Close window in program
Ctrl + Plus
Key
Automatically adjust widths of all columns
in Windows Explorer
Alt + Enter Open properties window of selected icon
or program
Shift + F10 Simulate right-click on selected item
Shift + Del Delete programs/files permanently
Holding Shift
During Bootup
Boot safe mode or bypass system files
Holding Shift
During Bootup
When putting in an audio CD, will prevent
CD Player from playing
WINKEY SHORTCUTS
WINKEY + D Bring desktop to the top of other windows
WINKEY + M Minimize all windows
WINKEY +
SHIFT + M
Undo the minimize done by WINKEY + M
and WINKEY + D
WINKEY + E Open Microsoft Explorer
WINKEY + Tab Cycle through open programs on taskbar
WINKEY + F Display the Windows® Search/Find feature
WINKEY +
CTRL + F
Display the search for computers window
WINKEY + F1 Display the Microsoft® Windows® help
WINKEY + R Open the run window
WINKEY +
Pause /Break
Open the system properties window
WINKEY + U Open utility manager
WINKEY + L Lock the computer (Windows XP® & later)
OUTLOOK® SHORTCUT KEYS
Alt + S Send the email
Ctrl + C Copy selected text
Ctrl + X Cut selected text
Ctrl + P Open print dialog box
Ctrl + K Complete name/email typed in address bar
Ctrl + B Bold highlighted selection
Ctrl + I Italicize highlighted selection
Ctrl + U Underline highlighted selection
Ctrl + R Reply to an email
Ctrl + F Forward an email
Ctrl + N Create a new email
Ctrl + Shift + A Create a new appointment to your calendar
Ctrl + Shift + O Open the outbox
Ctrl + Shift + I Open the inbox
Ctrl + Shift + K Add a new task
Ctrl + Shift + C Create a new contact
Ctrl + Shift+ J Create a new journal entry
WORD® SHORTCUT KEYS
Ctrl + A Select all contents of the page
Ctrl + B Bold highlighted selection
Ctrl + C Copy selected text
Ctrl + X Cut selected text
Ctrl + N Open new/blank document
Ctrl + O Open options
Ctrl + P Open the print window
Ctrl + F Open find box
Ctrl + I Italicize highlighted selection
Ctrl + K Insert link
Ctrl + U Underline highlighted selection
Ctrl + V Paste
Ctrl + Y Redo the last action performed
Ctrl + Z Undo last action
Ctrl + G Find and replace options
Ctrl + H Find and replace options
Ctrl + J Justify paragraph alignment
Ctrl + L Align selected text or line to the left
Ctrl + Q Align selected paragraph to the left
Ctrl + E Align selected
31/08/2020
সন্তানের জন্য বাবার লেখা অসাধারন এক চিঠি।ভালো লাগলে আপনার সন্তানদেরও পড়তে দিন।
——————-
প্রিয় সন্তান,,
আমি তোমাকে ৩ টি কারনে এই চিঠিটি লিখছি...
১। জীবন, ভাগ্য এবং দুর্ঘটনার কোন নিশ্চয়তা নেই, কেউ জানে না সে কতদিন বাঁচবে।
২। আমি তোমার বাবা, যদি আমি তোমাকে এই কথা না বলি, অন্য কেউ বলবে না।
৩। যা লিখলাম, তা আমার নিজের ব্যক্তিগত তিক্ত অভিজ্ঞতা- এটা হয়তো তোমাকে অনেক অপ্রয়োজনীয় কষ্ট পাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
জীবনে চলার পথে এগুলো মনে রাখার চেষ্টা কোরো:
১। যারা তোমার প্রতি সদয় ছিল না, তাঁদের উপর অসন্তোষ পুষে রেখোনা। কারন, তোমার মা এবং আমি ছাড়া, তোমার প্রতি সুবিচার করা কারো দায়িত্বের মধ্যে পড়েনা। আর যারা তোমার সাথে ভালো ব্যবহার করেছে - তোমার উচিত সেটার সঠিক মূল্যায়ন করা এবং কৃতজ্ঞ থাকা। তবে তোমার সতর্ক থাকতে হবে এজন্য যে, প্রতিটি মানুষেরই প্রতি পদক্ষেপের নিজ নিজ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। একজন মানুষ আজ তোমার সাথে ভালো- তার মানে এই নয় যে সে সবসময়ই ভালো থাকবে। কাজেই খুব দ্রুত কাউকে প্রকৃত বন্ধু ভেবোনা।🌸
২। জীবনে কিছুই কিংবা কেউই "অপরিহার্য" নয়, যা তোমার পেতেই হবে। একবার যখন তুমি এ কথাটির গভীরতা অনুধাবন করবে, তখন জীবনের পথ চলা অনেক সহজ হবে - বিশেষ করে যখন বহুল প্রত্যাশিত কিছু হারাবে, কিংবা তোমার তথাকথিত আত্মীয়-স্বজনকে তোমার পাশে পাবেনা। 🌸
3. জীবন সংক্ষিপ্ত।
আজ তুমি জীবনকে অবহেলা করলে, কাল জীবন তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে। কাজেই জীবনকে তুমি যতো তাড়াতাড়ি মূল্যায়ন করতে শিখবে, ততোই বেশী উপভোগ করতে পারবে। 🌸
৪. ভালবাসা একটি ক্ষণস্থায়ী অনুভূতি ছাড়া কিছুই নয়। মানুষের মেজাজ আর সময়ের সাথে সাথে এই অনুভূতি বিবর্ণ হবে। যদি তোমার তথাকথিত কাছের মানুষ তোমাকে ছেড়ে চলে যায়, ধৈর্য ধরো, সময় তোমার সব ব্যথা-বিষন্নতা কে ধুয়ে-মুছে দেবে। কখনো প্রেম-ভালবাসার মিষ্টতা এবং সৌন্দর্যকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেনা, আবার ভালবাসা হারিয়ে বিষণ্ণতায়ও অতিরঞ্জিত হবে না।🌸
৫. অনেক সফল লোক আছেন যাদের হয়তো উচ্চশিক্ষা ছিলনা- এর অর্থ এই নয় যে তুমিও কঠোর পরিশ্রম বা শিক্ষালাভ ছাড়াই সফল হতে পারবে! তুমি যতোটুকু জ্ঞানই অর্জন করোনা কেন, তাই হলো তোমার জীবনের অস্ত্র। কেউ ছেঁড়া কাঁথা থেকে লাখ টাকার অধিকারী হতেই পারে, তবে এজন্য তাকে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে।🌸
৬. আমি আশা করি না যে, আমার বার্ধক্যে তুমি আমাকে আর্থিক সহায়তা দিবে। আবার আমিও তোমার সারাজীবন ধরে তোমাকে অর্থ সহায়তা দিয়ে যাবনা। যখনি তুমি প্রাপ্তবয়স্ক হবে, তখনি বাবা হিসেবে আমার অর্থ-সহায়তা দেবার দিন শেষ। তারপর, তোমাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে- তুমি কি পাবলিক পরিবহনে যাতায়াত করবে, নাকি নিজস্ব লিমুজিন হাঁকাবে; গরীব থাকবে নাকি ধনী হবে। 🌸
৭. তুমি তোমার কথার মর্যাদা রাখবে, কিন্তু অন্যদের কাছে তা আশা করোনা। মানুষের সাথে ভালো আচরন করবে, তবে অন্যরাও তোমার সাথে ভালো থাকবে- তা প্রত্যাশা করবেনা। যদি তুমি এটি না বুঝতে পারো, তবে শুধু অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রণাই পাবে। 🌸
৮. আমি অনেক বছর ধরে লটারি কিনেছি, কিন্তু কখনও কোন পুরষ্কার পাইনি। তার মানে হলো এই যে- যদি তুমি সমৃদ্ধি চাও তবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। বিনামূল্যে কোথাও কিছু জুটবে না। 🌸
৯. তোমার সাথে আমি কতোটা সময় থাকবো- সেটা কোন ব্যাপার না। বরং চলো আমরা আমাদের একসাথে কাটানো মুহুর্তগুলো উপভোগ করি ...মূল্যায়ন করি। 🌸
——————
ভালোবাসা সহ,
তোমার বাবা
বাবাটি হলেন একজন চাইল্ড সাইকোলজিষ্ট এবং হংকং-এর প্রখ্যাত টিভি সম্প্রচারকারী। তার কথাগুলো বয়োজ্যেষ্ঠ, বয়োকনিষ্ঠ, বৃদ্ধ কিংবা তরুন, শিশু, আমাদের সবার জন্যই প্রযোজ্য।
Collected..
26/07/2020
কে এই ভিকারুন নেসা নুন ?
ভিকারুণ নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ চিনিনা এমন কেউ নেই, কিন্তু এই ভিকারুণ নিসা নুন কে ছিলেন, কেমন ছিলেন তা অনেকেই জানিনা। ভিকারুণ নিসা নুন ছিলেন ফিরোজ খান নুনের স্ত্রী।
ফিরোজ খান নুন ছিলেন ১৯৫৭-৫৮ এর সময় পাকিস্তানের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী। এর আগে তিনি ১৯৫০ থেকে ১৯৫৩ বছর পর্যন্ত পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন। তারপর পরের তিন বছর (১৯৫৩-১৯৫৬) পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ফিরোজ খান নুন বিয়ে করেন ভিক্টোরিয়াকে (ভিকারুণ নিসার পূর্ব নাম)। জন্মগত দিক দিয়ে ভিক্টোরিয়া অস্ট্রিয়ান ছিলেন। বিয়ের পর ভিক্টোরিয়া ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে 'ভিকার-উন-নিসা' (ایک مسجد ہے) নাম পরিবর্তন করেন।
ফিরোজ খানের এর রাজনৈতিক জীবনেরও সক্রিয় সঙ্গী ছিলেন ভিকারুণ নিসা। ফিরোজ খানের সাথে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। ইন্ডিয়ার ভাইসরয়ের মন্ত্রীপরিষদ থেকে পদত্যাগ করে স্ত্রীকে নিয়ে লাহোর চলে আসেন ফিরোজ খান নুন। তারপর ফিরোজ খানের পাশাপাশি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন ভিকারুণ নিসা। পাঞ্জাবে যখন Civil Disobedience Movement চলছিল, সে সময় লেডি নুন তিনবার গ্রেফতার হওয়ার পরেও দমে যাননি। ব্রিটিশ সমর্থিত খিজরের মন্ত্রীসভার বিরুদ্ধে পুণরায় আন্দোলনকে সংগঠিত করতে সহযোগিতা করেন।
স্বামীর মৃত্যুর পরেও ভিকারুণ নিসা বিভিন্ন সামাজিক সেবা মূলক কাজে জড়িত থাকেন। পূর্ব বাংলার মেয়েদের জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এই দেশ থেকে যেন মেয়েরা অক্সফোর্ড, ক্যাম্ব্রিজ এর মতো উচ্চশিক্ষা অর্জনের জন্য যেতে পারে, সেজন্য চেষ্টা করে যান ভিকারুণ নিসা নুন।
সেই ছোট পরিসরের ভিকারুণ নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ আজ দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ। প্রত্যেকটা মহৎ কাজের পেছনে কারা ছিলেন সেসব জানার জন্যে আমাদের ইতিহাস পাঠ খুবই জরুরি। (ছবিতে ভিকারুণ নিসা নুন)
Collected