জ্ঞানের জগৎ

জ্ঞানের জগৎ

Share

পড় তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।

22/03/2026

ক্যান্টনমেন্টে নতুন ব্রিগেড কমান্ডার এসেছেন। যোগ দেয়ার পরদিন থেকে তিনি লক্ষ্য করলেন মাঠের পাশের একটা বেঞ্চে দুই পাশে দুই সৈনিক রোজ দাঁড়িয়ে থেকে পাহারা দেয়। বেঞ্চটি মাঠের পাশের বাকি বেঞ্চগুলোর মতোই, কিন্তু বাকিগুলোতে পাহারা নেই, এই বেঞ্চটায় পাহারা। কয়েকদিন দেখার পরে তিনি সেখানকার সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে ডেকে বললেন- এই বেঞ্চটা প্রতিদিন পাহারা দেয়া হচ্ছে কেন?🤔
সেকেন্ড-ইন-কমান্ড- “স্যার, এটাই রেওয়াজ, আমি গত দশবছর ধরে এমনটাই দেখে আসছি।”
ব্রিগেডিয়ার সাহেব অবাক হয়ে তাঁর আগের দায়িত্বরত ব্রিগেডিয়ারকে ফোন দিলেন। আগের ব্রিগেডিয়ার সাহেবও বললেন; “হ্যাঁ, হ্যাঁ, এটাই নিয়ম। বেঞ্চের দুই পাশে দুইজন সেন্ট্রি দাঁড়িয়ে পাহারা দেবে।”
কিন্তু কী কারণে পাহারা দেবে, সেটা সেই ব্রিগেডিয়ারও বলতে পারলেন না।
এভাবে খোঁজ নিতে নিতে জানা গেল, ২০ বছর আগে একজন ব্রিগেডিয়ার এই নিয়ম করে গেছেন। তো নতুন ব্রিগেডিয়ার সাহেবের খুব কৌতূহল হলো। তিনি ভালোভাবে খোঁজ নিয়ে জানলেন, ২০ বছর আগের তৎকালীন ব্রিগেডিয়ার সাহেব যদিও বহু আগে রিটায়ার করেছেন, তবু এখনও বেঁচে আছেন। তো কৌতূহল চাপতে না পেরে তিনি সেই বৃদ্ধ সিনিয়র অফিসারকে ফোন করে বললেন- “স্যার, আপনি কেন দুইজন সৈনিককে দিয়ে বেঞ্চ পাহারা দেয়ার নিয়মটা চালু করেছিলেন?”
সেই বৃদ্ধ অফিসার অবাক হয়ে বললেন- “বলো কী! আমি যখন বলেছিলাম, তখন বেঞ্চটা নতুন রঙ করা হয়েছিল। তাই একজনকে ডেকে বলেছিলাম, এখানে দুইজন সেন্ট্রি দাঁড় করিয়ে দাও, যাতে কেউ বেঞ্চে বসে প্যান্টে রঙ না লাগিয়ে ফেলে! এখনও সেই বেঞ্চ পাহারা দিয়ে চলছে নাকি”⁉️🤪😁😀😂😂🤣🤣
কালেক্ট—

08/03/2026
21/01/2026

৪০ বছর ধরে আমেরিকাবাসীকে বোকা বানিয়েছিল এই লোক!
১৯৪৮ সালের কথা। আমেরিকার ফ্লোরিডার সমুদ্রসৈকতে রাতের অন্ধকারে হেঁটে বেড়াতেন এক ব্যক্তি। তার নাম টনি সিগনোরিনি। তবে তিনি সাধারণভাবে হাঁটতেন না। তিনি পায়ে দিতেন তিন আঙুলওয়ালা বিশেষ সিসার জুতা। সেই জুতার ওজন ছিল প্রায় সাড়ে ১৩ কেজি।

রাতের বালুতে পড়ে থাকত অদ্ভুত বড় বড় পায়ের ছাপ। ছাপগুলো দেখে অনেকের মনে ভয় আর বিস্ময় দুটোই জমে উঠেছিল। লোকজন ভাবতে শুরু করে, এগুলো কোনো বিশাল প্রাণীর পায়ের ছাপ। কেউ কেউ এমনও বিশ্বাস করেছিল, এগুলো নাকি প্রায় ১৫ ফুট লম্বা এক পেঙ্গুইনের পায়ের ছাপ! সেই পেঙ্গুইনকে আবার অনেকে মনে করত বিলুপ্ত।

এই রহস্য ছড়িয়ে পড়তে থাকে দ্রুত। মানুষ গল্প করতে থাকে, কৌতূহল বাড়তে থাকে। সৈকতের রাত যেন ধীরে ধীরে একটা গুজব আর উত্তেজনার জায়গা হয়ে ওঠে।

কিন্তু সত্যিটা ছিল ভিন্ন। এটা কোনো দৈত্যাকৃতির পেঙ্গুইনের কাজ ছিল না। এটা ছিল টনি সিগনোরিনির একটা প্র্যাঙ্ক। তিনি টানা দশ বছর ধরে এই কাণ্ড চালিয়ে গেছেন।

এরপর কেটে গেল অনেক দিন; প্রায় ৪০ বছর পর তিনি স্বীকার করেন সত্যিটা। তখন সবাই বুঝতে পারে, যে রহস্য নিয়ে এত আলোচনা, তা আসলে ছিল এক লম্বা সময় ধরে চলা প্র্যাঙ্ক!

18/09/2025

হায় আল্লাহ, খালেদ আমার ছাগল কোথায়?

ছাগলকাণ্ডের শেষ কোথায়?
আইন উপদেষ্টার ছাগল নিয়ে রাতভর পার্টি, ক্ষুব্ধ উপদেষ্টা......

গত ডিসেম্বর আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের বাংলো থেকে দুটি ছাগল উধাও হয়।

ঘটনাটির নেপথ্যে ছিলেন এনসিপি নেতা নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারী ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা রিফাত রশিদ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মজার ছলে দেয়াল টপকে ছাগল নেওয়ার পর একটিকে রাতেই জ/বা/ই করে পার্টি করে খেয়ে ফেলেন তারা, আরেকটিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে—‘চপ্পুর পদত্যাগ চাই।’

এই ব্যাপারে বাংলা আউটলুকের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে রিফাত রশীদ বলেন, ‘হ্যাঁ, কাজটা আমরাই করেছি।’

এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উপদেষ্টা আসিফ নজরুল উপদেষ্টা পরিষদে অভিযোগ করেন। তরুণ উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বিব্রত হয়ে নতুন ছাগল কিনে দিলেও তিনি তা ফেরত দেন।

ঘটনার রাতের বর্ণনা দিতে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সেদিন ছাত্রনেতারা আলোচনায় ডুবে ছিলেন। হঠাৎ দুষ্টুমির আইডিয়ায় নাসীর আর রিফাত দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে ছাগল দুটি নিয়ে যান। বাইরে আগে থেকেই রিসিভিং টিম প্রস্তুত ছিল।

এরপর এক ছাগলকে রাতেই জ/বাই করা হয়। কাওরান বাজার থেকে ক/সাই এনে মহা আয়োজনে রান্না করে রাতভর চলে মাংসের পার্টি।

অন্য ছাগলটি অবশ্য ফিরিয়ে দেওয়া হয় প্রতিবাদী লুকে। গলায় ঝোলানো ছিল প্ল্যাকার্ড—‘চপ্পুর পদত্যাগ চাই।’

ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আইন উপদেষ্টা ক্ষুব্ধ হন। ফুটেজে দেখা যায় নাসীর আর রিফাত ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে ভেংচি কাটছেন।

পরে আইন উপদেষ্টা বিষয়টি নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদে অভিযোগ করেন। তরুণ উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বিব্রত হয়ে নতুন ছাগল কিনে দিলেও তিনি তা ফেরত দেন।

ঘটনার ব্যাপারে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে বারবার ফোন ও মেসেজ পাঠানো হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনসিপির মুখপাত্র সালেহ উদ্দিন সিফাত জানান, তিনি পাটওয়ারীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।

এদিকে রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক বাংলা আউটলুককে বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এমন কোনো ছাগল কেস পাইনি।’

সোর্স: বাংলা আউটলুক

16/09/2025

সৈয়দ মুজতবা আলী দোকানে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন ডায়মন্ড বলপেন আছে?

সেলসম্যান মুখের উপর বলে দিল, "নেই"

তিনি চলে যাচ্ছিলেন আবার ফিরলেন তারপর জিজ্ঞেস করলেন, ''অন্য কি বলপেন আছে?''
সেলসম্যান বললো অনেক আছে, পাওয়ার, সুলেখা, ব্রাইট ইত্যাদি।

সেলসম্যানশীপ কী সৈয়দ মুজতবা আলী তাদের বুঝালেন। যখন তিনি ডায়মন্ড বলপেন আছে কি তা জিজ্ঞেস করলেন তখন তাদের বলা উচিৎ ছিল যে নেই তবে পাওয়ার, সুলেখা, ব্রাইট ইত্যাদি আছে।
ক্রেতাকে বিকল্প না দেখিয়ে বিদায় করাটা ঠিক না।

সেলসম্যানরা লজ্জিত হলো কিন্তু শিখলো।
কিছুক্ষণ পর সাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায় এসেছেন, জিজ্ঞেস করলেন টয়লেট পেপার আছে?

সৈয়দ মুজতবা আলীর দীক্ষিত সেলসম্যান উত্তরে বললেন, টয়লেট পেপার একটু আগে শেষ হয়ে গেছে। তবে শিরিষকাগজ আছে। দেবো?

31/08/2025

জাপানীদের জীবন ধারণ খুবই অদ্ভুত। অনেক বেশি পরিশ্রম করে তারা। ভবিষ্যতে গাড়ি-বাড়ি ফ্ল্যাট করতে হবে এমন চিন্তা তাদের মধ্যে নেই। বর্তমান সময়টাকে ওরা প্রাধান্য দেয়, তাই বলে এমন না যে তারা বিলাসিতায় গা ভাসায়। প্রয়োজন ছাড়া তারা একটা পয়সাও কোথাও নষ্ট করে না। যা ইনকাম করে তা খাওয়ার পিছনেই ব্যয় করে।

অনেকেই একই কাপড় বেশিরভাগ সময় পড়ে থাকে। এক জোড়া জুতা যতোক্ষন না নষ্ট হয় ততোক্ষন ওইটাই পরে। অপচয় করাকে তারা অপছন্দ করে। বিনা প্রয়োজনে ঘরের লাইটটা পর্যন্ত ওরা জ্বালিয়ে রাখে না।

আমাদের মতো তাদের গাড়ির বিলাসিতা নেই। জাপানীরা ছোট ছোট গাড়ি ইউজ করে, তাদের কাছে ব্র্যান্ড ভ্যালু নাই। যে গাড়ি চালাতে সুবিধা, ট্যাক্স কম, তেল কম যাবে, বাড়িতে কম জায়গায় রাখা যাবে সেই গাড়ি ইউজ করে।

কারো বাসায় যাওয়ার আগে কমপক্ষে ১ সপ্তাহ আগে ফোন করে জিজ্ঞেস করে ওইদিন যেতে চাই, সমস্যা আছে কিনা। যদিও এরা খুব কমই একজন আরেকজনের বাসায় যায়। যদিও যায় সেখানে খুবই সামান্য পরিমানে জিনিস নেয়। যেমন কিছু আপেল কিংবা আঙ্গুর অথবা যার বাসায় যাবে তার পছন্দের কেক বা মিষ্টি। অনেক আইটেম বা অনেক বেশি করে নেয় না। আবার যার বাসায় যায় সেও শুধুমাত্র চা বা রেডি বিস্কুট বা যেকোনো ফল দিয়ে আপ্যায়ন সারে।

বৃদ্ধ বয়সে তারা কারো ওর নির্ভরশীল হয় না। সন্তান থাকলেও বাবা মা যেমন নিজে একা থাকতে পছন্দ করে তেমনি সন্তানদের পরিবারেও ঝামেলার কারন হতে চায় না।

৬৫ বছরের পর সরকার থেকে দেওয়া দেওয়া ট্যাক্স থেকেই ১০ গুন করে ওনাদের দেয়া হয়। সেগুলো দিয়ে জাপানিরা চললেও তারা নিজেরাও কাজ করে যতোদিন পর্যন্ত করতে পারে।

প্রয়োজনের অতিরিক্ত কিছুই পছন্দ করে না। বাড়ি থাকলে কেউ আরেকটা বাড়ি কিনতে চায় না। তাদের একমাত্র চাহিদাই হচ্ছে খাওয়া। যে কোন উৎসবের দিন তাদের চাহিদাই হচ্ছে একটু ভালো খাওয়া দাওয়া।

বেশি বেশি চাহিদা আমাদের জীবনটাকে অনেক বেশি কঠিন করে তোলে। জাপানিরা পরিশ্রম করে শরীরকে ঠিক রাখার জন্য প্রচুর টাকার জন্য নয়। ওদের কাছে মনে হয় যে অলস বসে থাকলে শরীর তাড়াতাড়ি খারাপ হয়।

26/08/2025

মুসলিম বন্ধুর জানাজার পিছনে বসে কাদঁতে থাকা সেই সুধীর বাবু মারা গেছেন।

আহা, প্রকৃত বন্ধুত্ব এমনই হয় বুঝি!
মুসলিম বন্ধুর শোক বেশি দিন সইতে হয়নি সুধীর বাবুকে।

কুমিল্লার গুনবতী বাজারের ব্যবসায়ী মরহুম আমীর হোসেন সওদাগরের জানাজা হচ্ছে।
জানাজাতে উপস্থিত মুসল্লীদের পিছনে বিমর্ষ হয়ে বসে থাকা এই ব্যক্তির নাম সুধীর বাবু।

মৃত আমীর সওদাগর এবং সুধীর বাবু ছোট বেলার বন্ধু। গুনবতী বাজারে দীর্ঘ বছর একসাথে ব্যবসা- বানিজ্য করে আসছেন উনারা।

আজ সেই বন্ধুর মৃত্যুর পর সুধীর বাবু জানাজার পিছনে উপস্থিত হয়ে অশ্রু ঝরাচ্ছেন।
সত্যিকারের বন্ধুত্ব তো এমনই হয়।

-সংগৃহীত

22/08/2025

🧪 বিভিন্ন রাশি পরিমাপক যন্ত্র ও তাদের কাজ 📏⚙️

23/07/2025

"শিক্ষার কোন বয়স নেই" এই মহান আদর্শে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল উজ্জীবিত।

কবি বলেছেন,
বিশ্ব জোড়া পাঠশালা মোর
সবার আমি ছাত্র।
নানা ভাবে নানান জিনিস
শিখছি দিবা রাত্র।
এই পৃথিবীর বিরাট খাতায়
পাঠ্য যেসব পাতায় পাতায়
শিখছি সেসব কৌতুহলে
নেই দ্বিধা লেশ মাত্র।

30/06/2025

শিশুকে কোন চ্যানেল দেখতে দিচ্ছেন,🤷‍♀️
❌ ৭টি ক্ষতিকর ইউটিউব চ্যানেল (শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ)

চ্যানেল নাম ক্ষতিকর দিক উদাহরণ

১. ChuChu TV ❌
অতিরিক্ত রঙ, শব্দ ও দ্রুতগতির ফুটেজ 👉
শিশুদের অস্থির করে তোলে, মনোযোগের সমস্যা তৈরি করে শিশু ঘুমানোর সময় বারবার এই কার্টুন দেখতে চায়, মনোযোগ কমে।

২. Cocomelon❌
অত্যধিক repetitive ও overstimulating; 👉
শব্দ ও সংগীতের মাধ্যমে “screen addiction” হয়ে যয়, বাচ্চা রেগে যায় যদি Cocomelon বন্ধ করা হয়।

৩. Diana and Roma ❌
বাস্তব জীবনের বিলাসীতা, খেলনা, ঘোরাফেরা দেখিয়ে শিশুদের ভোগবাদী মানসিকতা শেখায়👉
শিশু খেলনার জন্য জেদ করে কারণ "Diana" সেটাই করছে

৪. Vlad and Niki❌
নাটকীয়, চিৎকার ও অস্বাভাবিক আচরণ শেখায় 👉
যা শিশুরা অনুকরণ করে শিশু ঘর ভাঙচুর করে বলে “Vlad does it!”

৫. Little Baby Bum ❌
গান ও কার্টুনের মধ্যে বাস্তবতা ও কল্পনার বিভাজন দুর্বল করে, শিশুর চিন্তাশক্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে👉
শিশু সবসময় গানেই চিন্তা করে, বাস্তব কথা শুনতে চায় না

৬. Morphle❌
হিংসাত্মক ও অপ্রাসঙ্গিক রূপান্তর ও আচরণ শিশুদের মধ্যে হিংসা ও অলীক চিন্তা তৈরি করে👉
Morphle হয়ে মানুষকে ‘হারিয়ে দেওয়া’ মজার মনে করে

৭. Elsa and Spiderman Parody Videos ❌
সেক্সুয়াল সাবটেক্সট, হিংসাত্মক কনটেন্ট – এগুলো শিশুর চোখে ঝাঁকুনির মতো👉
Elsa-Spiderman ভিডিওতে অশালীন পোশাক ও সংলাপ থাকে

✅ ৭টি শিক্ষনীয় ও মেধা বিকাশমূলক ইউটিউব চ্যানেল (নিরাপদ ও উপকারী)

চ্যানেল নাম -ভালো দিক -উদাহরণ

১. Peep and the Big Wide World- বৈজ্ঞানিক চিন্তা ও অনুসন্ধান শেখায় 👉
শিশু পিপের মতো প্রশ্ন করে: “পানি কেন শুকায়?”

২. Blippi -রঙিন হলেও বাস্তব অভিজ্ঞতা শেখায় (যেমন: মিউজিয়াম, গাড়ি, কাজ) 👉
“Construction Vehicle” দেখিয়ে শেখায় কাজের প্রতি আগ্রহ

৩. Sesame Street -নৈতিক শিক্ষা, গঠনমূলক ভাষা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ শেখায় 👉
“Elmo says: Sharing is caring” শিশু মনে রাখে

৪. Ms. Rachel (Songs for Littles) -
স্পিচ থেরাপি ও ভাষা শেখাতে সহায়ক, খোলামেলা ও আসল মানব মুখ ব্যবহার করে 👉
দেরিতে কথা বলা শিশুরা Ms. Rachel দেখে শব্দ শেখে

৫. Super Simple Songs -
স্লো, ক্লিয়ার এবং নির্দিষ্ট বয়স উপযোগী গান – শিশুর শব্দভাণ্ডার বাড়ে👉
“If You’re Happy and You Know It” গান শেখায় শরীরচর্চা ও শব্দ

৬. National Geographic Kids প্রাণীজগত, প্রকৃতি, পৃথিবী সম্পর্কে শেখায় “How bees make honey” দেখে শিশুর জিজ্ঞাসা বেড়ে যায়
৭. SciShow Kids বিজ্ঞানভিত্তিক সহজ ব্যাখ্যা ও পর্যবেক্ষণ শেখায় “Why do leaves change color?” দেখে শিশু জানতে চায় প্রকৃতি নিয়ে

🔍 সচেতনতা ও পরামর্শ:

YouTube Kids অ্যাপে Parent Control ব্যবহার করুন

প্রতি ভিডিওর বিষয়বস্তু আগে দেখে দিন

সময় সীমা দিন — দিনে সর্বোচ্চ ২০ মিনিট (২-৫ বছর বয়সে) প্রতিদিনেম ৬০ মিনিট।

শিশুর পাশে বসে ভিডিও দেখুন ও আলাপ করুন
এই পোস্টের প্রতিটা চ্যানেলের কার্টুন আমি ৫-৮মিনিট করে দেখে দেখে এই চ্যানেলগুলো সিলেক্ট করেছি। তাই বলছি, কি দেখতে দিচ্ছেন তা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

দয়া করে সচেতন হবেন।

11/06/2025

ছবি থেকে কি শিক্ষা !!
মাত্র ২৬ বছর আগেও একটি ঘড়ি এতো দামী ছিল যে, রীতিমতো লোহার বাক্স বানিয়ে তার নিরাপত্তা দিতে হতো।
অথচ এখন এই লোহা ভাঙারির দোকানে কেজি দরে বিক্রি করলে ও এমন দুই - তিনটি ঘড়ি কেনা যাবে।

#শিক্ষা : যুগের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেকে পরিবর্তন করতে হয়। মিথ্যা বংশ গৌরব আর আদি মনমানসিকতা আমাদের কালের স্রোতে বিলীন করতে পারে।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address

Dhaka