সিটিজেন সিকিউরিটি পার্টি - সিএসপি

সিটিজেন সিকিউরিটি পার্টি - সিএসপি

Share

Citizen Security Party - CSP
Bangladesh Citizen Security Party - BCSP
সিটিজেন সিকিউরিটি পার্টি - সিএসপি

05/05/2026

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেলেকে নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন আকলিমা জাহান নামে একজন মমতাময়ী মা। মুহূর্তেই সেই পোস্ট ভাইরাল। ওই পোস্টের শেষের লাইনটা ছিল একদম অন্যরকম, আবেগে নিশ্চয় চোখ ভিজে যাওয়ার মতো! কারণ তিনি শেষ লাইনে লিখেছেন- “আহা শিবির! কিসের র/গ কাটস? হাতের-পায়ের? ঘাড়ের নাকি নফসের?”

পেশায় শিক্ষক এই নারী ছেলেকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে লিখেছেন- “উনি ছোট পুত্র আবরার বিন তাজ। মরহুম তাজ উদ্দিন তাজের কলিজার টুকরা। এবার তিনি মাইলস্টোন স্কুলের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।“

ছেলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। লিখেছেন- “তিনি ৭ম শ্রেণিতে থাকতেই শিবিরের সাথী শপথ নিয়েছেন। আজ একাই সকালে আমার ডাকাডাকি ছাড়া ইউনিফর্ম পরে নিজের রুম থেকে বের হলো! বললাম খাওয়ার টেবিলে যাও, নাস্তা দিচ্ছি। তিনি বললেন, আমি রোজা রেখেছি। আর তুমি বসো, নাস্তা করে ঔষধ খেয়ে চা খাও। টেবিলে গিয়ে দেখি- কত চমৎকার করে ফ্রাইড রাইস করেছে! ৮ মিনিটে করা ডিম সিদ্ধও আছে। ইন্ডাকশন প্যানেলের উপরে সিরামিক প্যানের লিড উঠিয়ে দেখি চিনি ছাড়া গাঢ় লিকারের লোভনীয় দুধ চা! তার এই আয়োজন দেখে আমার তো চোখছানাবড়া!”


মমতাময়ী মা ছেলে আবরারকে জিজ্ঞেস করেন-
“-রাতে ঘুমাসনি?
- না!
- কেনো?
- পড়াশোনা করেছি। রোজা রাখবো, তাই আর ঘুমাইনি।
- আমাকে বলিসনি কেনো রোজা রাখবি? আমিও রোজা রাখতাম।“


ছেলে মাকে বলেন- “তুমি অসুস্থ, এখন রোজা রাখার দরকার নাই। আর তোমাকে বললে আমার জন্য জেগে থাকবে, এই জন্য বলিনি।“
মা ছেলেকে বারণ করেন। বলেন- “আজ রবিবার, রোজার রাখার দরকার নাই। আয়, নাস্তা খেয়ে স্কুলে যা। কাল সোমবার, একসাথে রোজা রাখবো।
- না, আজ থেকেই ৪টা রোজা রাখবো।
- আজ থেকেই কেনো?”


ছেলে মাকে জানান-
“গত পরশু Hm Maharab Hossain ভাইয়ারা (রগ/কা/টা শিবিরের থানা সভাপতি) এলেন না? বলেছেন কাফফারা হিসেবে এই সাপ্তাহেই ৪টা রোজা রাখতে।
- কিসের কাফফারা?
- রিপোর্ট যে রাখি নাই, তাই।“


ছেলের কাছ থেকেই এই কথা শোনার পর মা বললেন-
“আমি চুপ হয়ে গেলাম। সাড়ে ৭টায় সে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলো। আমি দরজায় দাঁড়িয়ে দেখলাম, সে লিফ্ট কল করে দাঁড়িয়ে আছে। লিফ্টে ঢুকে গেলো। আমি মনে মনে বললাম, কাফফারা হিসেবে রোজা! একদম ঠিকাছে!”


এই মা তার ফেসবুক আইডিতে লিখেন- “বিকালে তার জন্য ইফতার আয়োজন করছিলাম। তিনি চুল কাটিয়ে এলেন। কিচেনে গিয়ে বললেন- চুল কাটা কেমন হয়েছে? বললাম, ঘুরে দেখা। হুম, চুল কাটানো ভালো হয়েছে। হ্যাঁ, বলবাইতো! বেল করা বাকি রেখেছি। আমি হেসে ফেলাম।“


গোসল করে এসে আস্তে করে ছেলে আবরার মাকে বললো- “মেহরাব ভাইয়া বলেছেন সাদাকাও করা লাগবে!
- কি সাদাকা করবি?
- টাকা বা খাবারদাবার।
- টাকা কোথায় পাবি?
- বলছে টিফিন বা পকেট মানি থেকে দিতে!”
মা ছেলেকে আশ্বস্ত করে বললেন- “আচ্ছা যা, আমিই দিবো। দাঁত বের করে একগাল প্রচ্ছন্ন হাসি হাসলো! আহা শিবির! কিসের র/গ কাটস? হাতের-পায়ের? ঘাড়ের নাকি নফসের?

Mostafizur Rahman নামে একজন মন্তব্য করেছেন- “আপনার সেই পিচ্চি আজ র/গ/কা/টা/ দলের সাথী? আলহামদুলিল্লাহ, এই দলটা নিয়ে কত অপবাদ, তারপরও কেন যেন এই দলে ভিড়া কমাতে পারছে না জালেমরা। প্রাণ ভরে দোয়া থাকলো। সাথে আপনার জন্যও। আল্লাহ যেন আপনাকে সুস্থ করে দিন। আমাদের দ্বীনি ভাই বোনদের কিছু হলে যেন আমাদের কলিজায় লাগে সেই আঘাত।“

03/05/2026

আজকে বুঝলাম, একজন চেয়ারম্যান কেন এতো বার চেয়ারম্যান হতে চায় বা কেনোই রাজনৈতিক নেতারা চেয়ারম্যান হতে চায়। ফকিন্নি কিভাবে কোটিপতি হয় তার বিশাল এক তালিকা নিচে দেওয়া হলো।
একজন চেয়ারম্যানের হাতে যেসকল বরাদ্দ সেবা থাকে ।
আসুন তা জেনে নেই-

১. বয়স্ক ভাতা
২. বিধবা ভাতা
৩. প্রতিবন্ধী ভাতা
৪. মাতৃত্বকালীন ভাতা
৫. দুস্থ মহিলা ভাতা
৬. ভিজিডি (VGD)
৭. ভিজিএফ (VGF)
৮. কর্মক্ষম দরিদ্র সহায়তা
৯. হতদরিদ্র ভাতা
১০. মুক্তিযোদ্ধা ভাতা
১১. অনগ্রসর জনগোষ্ঠী সহায়তা
১২. শিশু সহায়তা কর্মসূচি
১৩. কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য)
১৪. কাবিটা (কাজের বিনিময়ে টাকা)
১৫. ১০০ দিনের কর্মসূচি
১৬. টিআর (TR) কর্মসূচি
১৭. খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি
১৮. দরিদ্রদের কর্মসংস্থান প্রকল্প
১৯. মৌসুমি কর্মসংস্থান
২০. গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ
২১. শ্রমিক নিয়োগ প্রকল্প
২২. যুব কর্মসংস্থান সহায়তা
২৩. গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণ
২৪. রাস্তা সংস্কার
২৫. ব্রিজ নির্মাণ
২৬. কালভার্ট নির্মাণ
২৭. ড্রেন নির্মাণ
২৮. বাজার উন্নয়ন
২৯. হাট উন্নয়ন
৩০. ঘাট নির্মাণ
৩১. খাল খনন
৩২. পুকুর খনন
৩৩. বাঁধ নির্মাণ
৩৪. পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা
৩৫. গ্রামীণ বিদ্যুৎ সহায়তা
৩৬. টিউবওয়েল স্থাপন
৩৭. গভীর নলকূপ
৩৮. স্যানিটারি ল্যাট্রিন বিতরণ
৩৯. পাবলিক টয়লেট
৪০. নিরাপদ পানি প্রকল্প
৪১. পানি সংরক্ষণ
৪২. ড্রেনেজ উন্নয়ন
৪৩. স্বাস্থ্য সচেতনতা
৪৪. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
৪৫. পরিচ্ছন্নতা অভিযান
৪৬. স্কুল মেরামত
৪৭. শিক্ষা সহায়তা
৪৮. উপবৃত্তি সহযোগিতা
৪৯. বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ
৫০. নারী ক্ষমতায়ন
৫১. মাদকবিরোধী কার্যক্রম
৫২. সচেতনতা সভা
৫৩. যুব উন্নয়ন
৫৪. সাংস্কৃতিক কার্যক্রম
৫৫. ক্রীড়া উন্নয়ন
৫৬. টিকাদান কর্মসূচি
৫৭. মা ও শিশু স্বাস্থ্য
৫৮. পরিবার পরিকল্পনা
৫৯. স্বাস্থ্য ক্যাম্প
৬০. পুষ্টি কর্মসূচি
৬১. কমিউনিটি ক্লিনিক সহায়তা
৬২. স্যানিটেশন সচেতনতা
৬৩. রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম
৬৪. কৃষি প্রশিক্ষণ
৬৫. বীজ বিতরণ
৬৬. সার সহায়তা
৬৭. সেচ সুবিধা
৬৮. গাছ লাগানো
৬৯. বনায়ন
৭০. মৎস্য চাষ সহায়তা
৭১. প্রাণিসম্পদ সহায়তা
৭২. পরিবেশ সংরক্ষণ
৭৩. ত্রাণ বিতরণ
৭৪. বন্যা সহায়তা
৭৫. ঘূর্ণিঝড় সহায়তা
৭৬. আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনা
৭৭. পুনর্বাসন প্রকল্প
৭৮. দুর্যোগ প্রস্তুতি প্রশিক্ষণ
৭৯. ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার
৮০. জন্ম নিবন্ধন
৮১. মৃত্যু নিবন্ধন
৮২. নাগরিক সনদ প্রদান
৮৩. অনলাইন সেবা। অথচ এই সেবা গুলো দেওয়ার জন্য জনগনকে আজ পর্যন্ত জানতে দেয়া হলোনা। অথচ আমাদেরকে কত রংয়ের ভূগোল যে কয় তার ইয়ত্তা নাই।

আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই
এই সকল ভাতা ও উন্নয়ন প্রকল্প জনগণের অধিকার, কারো ব্যক্তিগত দান না।* তাই এখন সময় প্রতিটি তালিকা প্রকাশ করতে হবে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রকৃত উপকারভোগীদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে** চেয়ারম্যান হবেন সেবা করার জন্য।**
আজকে বুঝলাম, একজন চেয়ারম্যান কেন এতো বার চেয়ারম্যান হতে চায় বা কেনোই রাজনৈতিক নেতারা চেয়ারম্যান হতে চায়। ফকিন্নি কিভাবে কোটিপতি হয় তার বিশাল এক তালিকা নিচে দেওয়া হলো।

02/05/2026

ইতিহাস কি তবে আমাদের ভুল শেখাচ্ছে?
বাংলাদেশের আজকের অবকাঠামো কি পাকিস্তান আমলেরই দান?

‎ব্রিটিশ ২০০ বছর শাসন আমলে পূর্ব বাংলায় মাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল "ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়। সেটিরও বিরোধিতা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কলকাতার প্রভাবশালী মহল।

‎ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল।

‎বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল।

‎ পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

‎◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩)

‎◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬)

‎◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০)

‎◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮)

‎◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১)

‎▶ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

‎◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল

‎◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল

‎◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল

‎◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল

‎উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে ১ টা।

‎ ▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে

‎◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯)

‎◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯)

‎◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২)

‎◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ

‎উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে।

‎▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

‎◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭)

‎◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮)

‎◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

‎◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)

‎◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩)

‎◾স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬)

‎◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮)

‎◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)

‎উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷

‎ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।

‎▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷

‎▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

‎◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮)

‎◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩)

‎◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩)

‎◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫)

‎উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে।

‎▶ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)"

‎▶ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে....

‎◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"।

‎◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

‎◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল।

‎★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা!

‎১৯৪৭ সালের পরবর্তী ১০ বছরে পুর্ব পাকিস্তানে যদি ১০ টা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে যদি একটাও তৈরি করা না হতো, তবুও তো আমরা পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়েই থাকতাম। আসলে ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা পাকিস্তানের তুলনায় এত বেশি পিছিয়ে ছিলাম, যার ফলে এই অঞ্চল কখনোই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে উন্নয়নের দৌড়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি।

‎★ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার ছিলো মাত্র ১২%। ১৯৬১ সালের আদমশুমারিতে স্বাক্ষরতার হার দাড়ায় ২৪.৭%। অর্থাৎ মাত্র ১৩ বছরে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার দ্বীগুন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের আদমশুমারী না হওয়ায় পাকিস্তান আমলের প্রকৃত স্বাক্ষরতার হার জানা যায়নি।

‎▶শিল্প প্রতিষ্ঠান, মিল ও কল-কারখানা

‎◾ বাংলাদেশ সচিবালয় ( ১৯৭১ সালের পর এ সচিবালয়ের পুরাতন ৬ নং ভবনটি ভেঙ্গে ২০ তলা ভবন তৈরী করা হয়)

‎◾ পাকিস্তানের সেকেন্ড ক্যাপিটাল হিসাবে শেরেবাংলা নগর কে পরিকল্পিতভাবে তৈরী

‎◾ সংসদ ভবন

‎◾ বাইতুল মোকাররম মসজিদ

‎◾ বাংলা একাডেমি

‎◾ ইসলামিক একাডেমি (বর্তমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

‎◾ রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, সিলেট বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা

‎◾ কমলাপুর রেলস্টেশন (পূর্বতন রেলস্টেশন টি ছিলো গুলিস্তান-ফুলবারিয়ায়)

‎◾ মীরপুর চিড়িয়াখানা

‎◾ কুর্মিটোলা বিমানবন্দর (ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)

‎◾ যমুনা সেতু (১৯৬৬ সনে সংসদে অনুমোদিত)

‎◾ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ( ১৯৬১ সালে এর পরিকল্পনা গ্রহন করে তখনকার পূর্বপাকিস্তানের অনেক কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষনে প্রেরণ করা হয়, যারা এখন ইরান ইরাকে কর্মরত। ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়)

‎◾ শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

‎◾ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল

‎◾ গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প

‎◾ রামপুরা টেলিভিশন ভবন

‎◾ ঢাকা স্টেডিয়াম

‎◾ ঢাকা যাদুঘর (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন)

‎◾ WAPDA এবং এর অধিনে শতশত বাধ ও সেচ প্রকল্প

‎◾ ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী প্রভৃতি আবাসিক এলাকা গঠন ও নগরায়ন

‎◾ শত শত পাট ও কাপড়ের কল যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।

‎◾ শিল্পায়নের জন্য গড়ে তোলা হয় East Pakistan Industrial Development Corporation (EPIDC)

‎◾ গাজীপুর সমরাস্ত্র কারখান

‎◾ গাজীপুর মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি

‎◾ মংলা সামুদ্রিক বন্দর ( চট্টগ্রাম বন্দরটি মুঘল আমলে তৈরী)

‎◾ঢাকার নিউমার্কেট সহ বিভাগীয় শহরে একটি করে নিউমার্কেট তৈরী

‎◾তেজগাঁও শিল্প এলাকা

‎◾হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প এলাকা

‎◾খালিশপুর শিল্প এলাকা।

‎◾আদমজী জুট মিলস (নারায়ণগঞ্জ): ১৯৫১

‎◾খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস: ১৯৫৯

‎◾চিটাগং ড্রাই ডক: ১৯৬০

‎◾ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮

‎◾ঢাকা জুট মিলস লিমিটেড: ১৯৫০ এর দশক

‎◾ আমিন জুট মিলস লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৫৩

‎◾ খুলনা জুট মিলস: ১৯৫০ এর দশক

‎◾ ইস্পাহানী কটন মিলস: পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়।

‎◾ কাপ্তাই জল বিদ্যুত - ১৯৬২

‎◾ চন্দ্রঘোনা পেপার মিল - ১৯৫৩

‎◾ কর্ণফূলী রেয়ন মিল – ১৯৫৩

‎◾ প্রগতি ইন্ড্রাস্ট্রিজ – ১৯৫৩

‎◾বাংলাদেশে একটিমাত্র তেল শোধনাগার সেটিও পাকিস্তান করে দিয়েছে।

‎১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান ঘাস খেয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ একটি পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে।

‎তাদের বিমান বাহিনীর আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের কারণে দেশটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীর মধ্যে পাকিস্তান বিমান বাহিনী ১৪৩৪ টি যুদ্ধবিমান ও রনকৌশল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। যার মেরুদণ্ড হিসেবে আছে আমেরিকান এফ-১৬, জেএফ-১৭ থান্ডার এবং আধুনিক চীনা জে-১০সি।

‎তাদের কাছে আছে শাহীন-৩ (২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার), গৌরী এবং গজনভীর মতো একাধিক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে বাবর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং যা স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

‎তাদের সেনাবাহিনীর কাছে ২,৬০০টিরও বেশি প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের একটি বহর রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উন্নত খালিদ, ভিটি-৪ এবং টি-৮০ইউডি ট্যাঙ্ক।

‎দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে গিয়েছে। চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে নিজস্ব জঙ্গি বিমান বানিয়েছে। তাদের কাছে বুরাকের মতো উন্নত ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং উইং লুং ড্রোনের জন্য চীনের সাথে সহযোগিতা করে।

‎তাদের কাছে আটটি সাবমেরিন রয়েছে, উপকূলরেখা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নৌবহরে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট এবং দ্রুতগামী মিসাইল বোট রয়েছে।

‎এছাড়াও তাদের কাছে ৩,০০০টিরও বেশি কামান (টানা ও স্ব-চালিত উভয়ই) এবং একাধিক রকেট লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

‎এমনকি পাকিস্তানের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। শিক্ষার মানেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে। সবচেয়ে বড় কথা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশটি বড় খেল দেখিয়েছে ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে। তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতি তে নিজেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে কূটনীতি ও সামরিক পার্সপেক্টিভে। যারা আমেরিকা এবং ইরানকে ও এক টেবিলে বসাতে পারছে।

‎আর ১৯৭১ সালে বিজয়ী বাংলাদেশের যুদ্ধ করে দাসত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছে। তারা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দিয়ে পৃথিবীর প্রথম চেতনা বোমা বানিয়েছে। যা চীনের হাইড্রোজেন বোমার চেয়েও ভয়ংকর।

‎ এই পর্যন্ত সংসদের মতো একটা স্থানে চেতনা বড় নাকি আধুনিকতা বড়! এই নিয়ে কয়েকশ অধিবেশন চলছে।আফসোস🙂
‎ #কপিপোষ্ট

20/04/2026

যারা আর ফিরবেনা আমাদের জুলাইয়ের শহীদরা।

Revolutionary Alliance

18/04/2026

Young Prayer Team, Bangladesh

18/04/2026

Nepal Vs B***n

18/04/2026

এদিকে আমরা পড়ে আছি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি আর বিপক্ষের শক্তি নিয়ে..🥲
আরেকদিকে দুনিয়া কোথায় থেকে কোথায় চলে গেছে আমাদের বাঙ্গু বুদ্ধিজীবীদের কোন খোঁজ খবর'ই নাই।

যে জুলাই মুক্তি এনে দিয়েছে.....
যে জুলাই...
শহীদদের র/ক্তের বিনিময়ে আজকের এই সংসদ
কেউ এমপি হয়েছে কেউ মন্ত্রী হয়েছে আবার কেউ প্রধানমন্ত্রী
সেখানে জুলাই এর বিপক্ষে কথা বলা হচ্ছে জুলাই সনদকে প্রত্যাখ্যান করে স্বৈরাচারের সংবিধান কে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে দুঃখজনক ব্যাপার খুব হতাশ হই এসব দেখে
যেইনা একটু আলোর সন্ধান পেয়েছিল প্রিয় মাতৃভূমি তা আবারও অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে।

আমরা ব্যর্থ হলেও নেপাল কিন্তু সফল হয়েছে তাদের জনগণ বুঝতে পেরেছে তাই তারা সঠিক নেতৃত্ব বেছে নিয়েছে আমরা বুঝতে পারেনি তাই আমাদের ওপর অভিশাপ নেমে এসেছে সেই অভিশাপের গ্লানি আরো কতদিন বইতে হয় আল্লাহই জানে 🥲

আল্লাহ প্রিয় মাতৃভূমি ও মাতৃভূমির মানুষ গুলোকে তুমি সঠিক পথ দেখাও যাতে করে এই জাতি ও একদিন দাসত্বের রাজত্ব থেকে মুক্তি পাই।

17/04/2026

নেপাল এr মন্ত্রী পরিষদ যেন একখন্ড বিশ্ববিদ্যালয়।

17/04/2026

আন্তর্জাতিক কণ্ঠ দিবসে ভাইয়ের প্রতি শ্রদ্ধা ❤️

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Citizen Security Party Office, Dhaka/
Dhaka
1000