18/12/2021
"অতন্ত্র প্রহরী" আমাদের গ্রামের পাহারাদার,তিনি নিত্যান্তই নির্ভেজাল সাদা মনের মানুষ। সেই 1990 সাল থেকে বাজারের দোকানপাট ও গ্রামের মানুষের নিরাপত্তায় রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ভবাণীপুর - হৃদয়ের মাঝে, Public Service, .
18/12/2021
"অতন্ত্র প্রহরী" আমাদের গ্রামের পাহারাদার,তিনি নিত্যান্তই নির্ভেজাল সাদা মনের মানুষ। সেই 1990 সাল থেকে বাজারের দোকানপাট ও গ্রামের মানুষের নিরাপত্তায় রাত জেগে পাহারা দিচ্ছেন।
15/05/2021
বজ্রপাতে পানের বরজে আগুন, দেখার পর কৃষকের মৃত্যু
বজ্রপাতে পানের বরজে আগুন, দেখার পর কৃষকের মৃত্যু বজ্রপাতে পানের বরজে আগুন ধরতে দেখে ভয়ে ও আতঙ্কে ছমির কাজী জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। মুমূর্ষু অবস্থায় আলমডাঙ্গা উপজেলা ...
#ভবানীপুর_বাজার
18/06/2020
আসিতেছে ৩১শে জুলাই আপনারা সকলেই প্রস্তুত হন।
16/05/2020
কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার হিজলাবট গ্রামে এই লাল তেঁতুল পাওয়া যায়।
27/12/2019
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা
আহ্ছানউল্লা, খানবাহাদুর (১৮৭৩-১৯৬৫) শিক্ষাবিদ, শিক্ষাসংস্কারক, সাহিত্যিক, ধর্মবেত্তা, সুফি, সমাজসেবক। ১৮৭৩ সালের ২৭ ডিসেম্বর সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার নলতা গ্রামে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতা মুনশী মোহাম্মদ মুফিজউদ্দীন এবং মাতা আমেনা খাতুন। গ্রামের পাঠশালায় প্রাথমিক শিক্ষা শেষে তিনি নলতা মধ্য ইংরেজি বিদ্যালয় ও টাকি গভর্নমেন্ট হাইস্কুলে পড়াশুনা করেন। তিনি কলকাতার এলএমএস ইনস্টিটিউশন (লন্ডন মিশনারি স্কুল) থেকে ১৮৯০ সালে এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন এবং বৃত্তি লাভ করেন। তিনি হুগলি কলেজ থেকে ১৮৯২ সালে এফএ, কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ১৮৯৪ সালে বিএ এবং ১৮৯৫ সালে দর্শনশাস্ত্রে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। এ সময় তিনি কলকাতার রিপন কলেজে আইনশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন।
১৮৯৬ সালে আহ্ছানউল্লা তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের সুপারনিউমারারি শিক্ষক হিসেবে। এখানে কয়েক মাস চাকরির পর তিনি ফরিদপুরের অতিরিক্ত ডেপুটি ইন্সপেক্টর অব স্কুল পদে নিয়োগ লাভ করেন। ১৮৯৮ সালে তিনি ডেপুটি ইন্সপেক্টরের স্থায়ী পদে নিযুক্ত হন। ১৯০৪ সালে তিনি রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত হন। ১৯০৭ সালে তিনি ডিভিশনাল ইন্সপেক্টর পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বে নিয়োজিত হন। এরপর ১৯১২ সালে প্রেসিডেন্সি বিভাগের অতিরিক্ত ইন্সপেক্টর নিযুক্ত হলে তিনি চট্টগ্রাম থেকে কলকাতা চলে যান। তবে চট্টগ্রামে চাকরিকালে তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার মুসলমানদের মধ্যে তিনিই সর্বপ্রথম ইন্ডিয়ান এডুকেশন সার্ভিসের (IES) অর্ন্তভুক্ত হন। অতঃপর তিনি শিক্ষাবিভাগের সহকারি ডিরেক্টর নিযুক্ত হন। তিনি কিছুদিন অবিভক্ত বাংলার শিক্ষা বিভাগের সর্বোচ্চ পদ ডিরেক্টর হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। তিনি ১৯২৯ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেন।
আহ্ছানউল্লা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটর এবং প্রায় দশ বছর সিন্ডিকেট সদস্য ছিলেন। শিক্ষাক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য অবদান এবং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ১৯১১ সালে ‘খানবাহাদুর’ উপাধিতে ভূষিত করে। ওই বছর ২৮ জুন শিক্ষার প্রসারে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য লন্ডনের ‘রয়্যাল সোসাইটি ফর দি এনকারেজমেন্ট অব আর্টস, ম্যানুফ্যাকচার্স অ্যান্ড কমার্স’-এর সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় তিনি এম.আর.এস.এ উপাধি লাভ করেন এবং ‘হুজ হু ইন ইন্ডয়া’ গ্রন্থে তাঁর জীবনী প্রকাশিত হয়।
সুদীর্ঘ তেত্রিশ বছরের চাকরিজীবনে আহ্ছানউল্লা একদিকে ছিলেন আদর্শবাদী ও কর্তব্যনিষ্ঠ, অন্যদিকে ছিলেন অবহেলিত ও পশ্চাৎপদ মুসলমানদের শিক্ষা সম্প্রসারণে অত্যন্ত তৎপর। তিনি মুসলমানদের শিক্ষার উন্নয়নে নানাবিধ কল্যাণমুখী ও সুদূরপ্রসারী সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নেন। তিনিই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাদ্রাসার শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচির মানোন্নয়ন করে মাদ্রাসা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষালাভের পথ উন্মুক্ত করেন। তিনি স্কুল ও কলেজে হিন্দু পন্ডিতের সমতুল্য মৌলবিপদ সৃষ্টি ও টেকস্টবুক কমিটিতে মুসলিম সদস্যপদ রাখার ব্যাপারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তাছাড়া তিনি মক্তবের জন্য পৃথক পাঠ্যসূচি প্রণয়ন, মুসলিম ছাত্রদের জন্য মুসলিম গ্রন্থকারদের পাঠ্যপুস্তক নির্বাচন ও বৃত্তির পরিমাণ বৃদ্ধি, শিক্ষা বিভাগে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে মুসলমানদের বিশেষ সুবিধা প্রদান এবং শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলমানদের অগ্রগতির জন্য নানা বাস্তবমুখী প্রচেষ্টা গ্রহণ করেন। নিউ স্কিম মাদ্রাসা সৃষ্টির ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান অসামান্য।
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা তাঁর সমগ্র জীবনকালে যেমন নানা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন, তেমনি কলকাতার বিখ্যাত বেকার হোস্টেলসহ কলকাতা ও কলকাতার বাইরে অনেক ছাত্র-হোস্টেল স্থাপনেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তিনি বিশেষভাবে সক্রিয় ছিলেন। ১৯১৯ সালের নভেম্বর মাসে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটে উত্থাপিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিল পর্যালোচনার জন্য গঠিত স্পেশাল কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন আহ্ছানউল্লা।
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা ছিলেন একজন সুফি ও নিবেদিতপ্রাণ মুসলমান। তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়িক এবং একটি উদার মুসলিম জীবনবাদী দর্শনের প্রবক্তা। তিনি ১৯১১ সালে কলকাতায় ‘মখদুমী লাইব্রেরী’ নামে একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। এ লাইব্রেরি থেকেই বাংলা ভাষায় মুসলিম লেখক রচিত উপন্যাস বিষাদ-সিন্ধু, আনোয়ারা ও মনোয়ারা প্রকাশিত হয়। ‘সষ্ট্রার এবাদত সৃষ্টির সেবা’ তথা সমগ্র মানব সমাজের জাগতিক ও আধ্যাত্মিক সেবার মহান ব্রত নিয়ে তিনি ১৯৩৫ সালের ১৫ মার্চ স্বীয় গ্রাম নলতায় প্রতিষ্ঠা করেন আহ্ছানিয়া মিশন। পরবর্তী সময়ে ঢাকা (১৯৫৮), চট্টগ্রাম (১৯৫৯) ও হবিগঞ্জে (১৯৬১) আহ্ছানিয়া মিশনের কার্যক্রম বিস্তৃত হয়। বর্তমানে দেশে-বিদেশে আহ্ছানিয়া মিশনের তিন শতাধিক রাখা রয়েছে।
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, আত্মজীবনী, ধর্ম ও সৃষ্টিতত্ত্ব, রাসুলের (স.) জীবনী এবং পাঠ্যপুস্তকসহ ৭৯টি গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁর রচিত আমার জীবনধারা (১৯৪৬) বাংলা ভাষায় আত্মজৈবনিক রচনাসমূহের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। তাঁর ভাষা প্রাঞ্জল ও হূদয়গ্রাহী। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলি হলো: পদার্থ বিদ্যা (১৯০৫), বঙ্গভাষা ও মুসলমান সাহিত্য (১৯১৮), ইসলাম ও আদর্শ মহাপুরুষ (১৯২৬), হেজাজ ভ্রমণ (১৯২৯), হজরত মোহাম্মদ (স.) (১৯৩১), শিক্ষাক্ষেত্রে বঙ্গীয় মোছলমান (১৯৩১), History of the Muslim World (১৯৩১), ইছলামের ইতিবৃত্ত (১৯৩৪), মোস্তফা কামাল (১৯৩৪), ভক্তের পত্র (১৯৩৬), তরিকত শিক্ষা (১৯৪০), বাঙ্গালা সাহিত্য (১৯৪৮), ভারতের ইতিহাস (ইংল্যান্ডের ইতিহাস সম্বলিত) (১৯৪৯), ইসলামের মহতী শিক্ষা (১৯৪৯), ইছলামের দান (১৯৫৮) ইত্যাদি। রায়সাহেব শ্রী অচ্যুতনাথ অধিকারী সহযোগে রচিত তাঁর Teachers Manual (১৯১৫) শিক্ষাদান পদ্ধতির এক আকরগ্রন্থ।
খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা সমাজসেবা, মানবকল্যাণ ও ইসলাম ধর্ম প্রসারের জন্য এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের জন্য যেমন প্রভূত অবদান রেখেছেন, তেমনি তৎকালীন সাহিত্য আন্দোলনের সঙ্গেও নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছেন। তিনি একই সময়ে বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি এবং বাংলা সাহিত্য সমিতির ১৯১৭-১৮ সালের নির্বাহী পরিষদের সহসভাপতি ছিলেন। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৬০ সালে তিনি বাংলা একাডেমীর ফেলো মনোনীত হন। তাঁর নামে ঢাকাসহ দেশের নানা স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশেষায়িত হাসপাতাল। ১৯৬৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি সাতক্ষীরা জেলার নলতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন বাংলাদেশের একটি বেসরকারি সংস্থা এনজিও। ‘স্রষ্টার এবাদত ও সৃষ্টির সেবা’ লক্ষ্য নিয়ে ১৯৫৮ সালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা এটি প্রতিষ্ঠা করেন। মিশনটি এখন দেশের বৃহৎ উন্নয়ন সংস্থাগুলির মধ্যে একটিতে পরিণত হয়েছে। এটি সমাজকল্যাণ পরিদফতরে একটি স্বেচ্ছাসেবামূলক সংস্থা হিসেবে নিবন্ধনকৃত।
আহ্ছানিয়া মিশন ৪টি বিভাগে উন্নয়নের জন্য কাজ করছে- শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবিকা ও মানবাধিকার এবং সামাজিক ন্যায়বিচার। গত তিন দশকে আহ্ছানিয়া মিশন যেসব ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করেছে তাহলো- অপ্রাতিষ্ঠানিক মৌলিক ও অব্যাহত শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, লিঙ্গ উন্নয়ন, পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ, শিশু অধিকার এবং শিশুশ্রম রোধ, ধূমপান ও মাদকাসক্ত এবং এইচআইভি/এইডস প্রতিরোধ, দারিদ্র বিমোচন, নিরাজদ পানি ও স্যানিটেশন, শিশু ও নারী পাচার রোধ, প্রশিক্ষণ, গবেষণা ইত্যাদি। ইতোমধ্যে মিশন জাতিসংঘের ইকোসোক (UN Economic and Social Council, ECOSOC) এর Consultative Status এবং ইউনোস্কের Operational Relations গ্রহণ করেছে।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন সাক্ষরতা ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের অধীনে প্রায় ৩.২ মিলিয়ন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা প্রদান করে। মিশন বর্তমানে অব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় সারা দেশে ১১৭০টি গণকেন্দ্র (কমিউনিটি ভিত্তিক শিক্ষা ও উন্নয়ন কেন্দ্র) পরিচালনা করছে। প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় মিশন এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারসহ দেশে কর্মরত বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার ১,০১,১৮৬ জনকে সাক্ষরতা ও উন্নয়ন কর্মবিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। শিক্ষা উপকরণ উন্নয়নে আহ্ছানিয়া মিশন দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি সংস্থা। মিশন এপর্যন্ত ২৭টি বিষয়ের ওপর গণশিক্ষা ও অব্যাহত শিক্ষা ক্ষেত্রে ২৬৩টি তথ্য, শিক্ষা ও যোগাযোগ সম্পর্কিত উপকরণ প্রণয়ন করেছে। বাংলাদেশের অধিকাংশ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান পরিচালিত কার্যক্রমে এসকল উপকরণ ব্যবহূত হচ্ছে।
মিশন দরিদ্র মহিলাদের দারিদ্র্য-বিমোচনে এবং সার্বিকভাবে নারী উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং এ পর্যন্ত ১.৯ মিলিয়ন মহিলার শিক্ষা ও আর্থিক উন্নয়নে সরাসরি অংশ গ্রহণ করেছে। মিশন পানি ও স্যানিটেশন কার্যক্রমের আওতায় ৮টি উপকূলীয় জেলার ২৮টি উপজেলার ৩০০টি ইউনিয়নে ৭.৫ মিলিয়ন লোকের জন্য একটি বৃহদাকারের সেনিটেশন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে এবং আর্সেনিক মোকাবিলায় পানি পরীক্ষণে কাজ করে যাচ্ছে। অন্যদিকে পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে মিশন দেশের ৪৯টি জেলার ১০৭টি থানায় কাজ করছে। মিশন দেশে ক্যান্সার নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য ঢাকার মিরপুরে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার নির্ণয় ও চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করেছে। সরকার, করপোরেট শাখা ও জনসাধারণের অর্থায়নে মিশন ঢাকার উল্টরায় ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট আর্ন্তজাতিক মানের ক্যান্সার ও সর্বজনীন হাসপাতাল নির্মাণের কাজ করছে।
মিশন বেসরকারি পর্যায়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভিত্তিক দেশে আহ্ছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, বেসরকারি খাতে প্রথম খানবাহাদুর আহ্ছানউল্লা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ স্থাপন, কর্মজীবী শিশু-কিশোরদের জন্য বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ও আহ্ছানউল্লা ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি এবং আহ্ছানিয়া মিশন কলেজ স্থাপন করে। মিশন সুফিবাদ চর্চার জন্য আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজম নামে একটি প্রতিষ্ঠানও স্থাপন করে। মাদক দ্রব্যের মরণ নেশা থেকে দেশের যুবসমাজকে বাঁচানোর জন্য মিশন সারা দেশে তামাক ও তামাক জাতীয় দ্রব্যের কুফল ও এইচআইভি/এইডস সম্পর্কে জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির কাজ করে যাচ্ছে। তাছাড়া এটি ধাত্রী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং তাদের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
বর্তমানে মিশন মাদকাসক্ত যুবকদের উন্নয়নের মূলধারায় পুনর্বাসনের জন্য ঢাকা, ময়মনসিংহ ও যশোরে ৪ টি মাদকের চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিচালনা করছে। নারী ও শিশু পাচার রোধে কাজ করছে। দেশের সীমান্তবর্তী ৬ টি জেলার ১৭ টি উপজেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত। পাচার হতে উদ্ধারকৃত নারী ও শিশুদেরকে আশ্রয় এবং পুনর্বাসনের লক্ষ্যে মিশন যশোরে একটি ৪০ শয্যা বিশিষ্ট আশ্রয়গৃহ স্থাপন করেছে।
মিশন সামাজিক ব্যবসা হিসেবে হজ্জ্ব ফাইন্যান্স কোম্পানি, আহ্ছানিয়া মিশন বুক ডিস্ট্রিবিউশন হাউস (বইবাজার), বুটিক ফ্যাশন হাউস নাগরদোলা এবং আহ্ছানিয়া-মালয়েশিয়া হজ্জ্ব মিশন চালু করেছে।
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন ‘সবার জন্য শিক্ষা’সহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছে। মিশন এ পর্যন্ত ৬৫টি আন্তর্জাতিক কর্মশালার মাধ্যমে এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেশের ৬৮০ জনশিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দিতে সক্ষম হয়েছে।
দেশে-বিদেশে আহ্ছানিয়া মিশনের গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ মিশন জাতিসংঘ এসক্যাপ-এর হিউম্যান রিসোর্স ডেভলোপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড (১৯৯৪), ইউনেস্কোর এশিয়া প্যাসিফিক কালচারাল সেন্টার-জাপান (The Asia-Pacific Cultural Centre for UNESCO, ACCU) গ্রান্ড প্রাইজ (১৯৯৬), ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা অ্যাওয়ার্ড (২০০৩), গ্লোবাল ডেভলোপমেন্ট নেটওয়ার্ক অ্যাওয়ার্ড (২০০৩) এবং আরব গল্ফ ফান্ড ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ (২০০৪) লাভ করে। জাতীয় পর্যায়ে মিশন বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক স্বাধীনতা পদক (২০০২) এবং ড. মুহম্মদ ইব্রাহিম স্মৃতি স্বর্ণ পদক (২০০৬) অর্জন করে।
এছাড়া মিশন নব্যসাক্ষরদের জন্য আমাদের পত্রিকা নামে একটি মাসিক দেয়াল ম্যাগাজিন, আলাপ নামে একটি মাসিক ম্যাগাজিন এবং মিশনবার্তা নামে একটি ত্রৈমাসিক পত্রিকা প্রকাশ করে।
20/09/2019