Hazi Kamal Mahmud। হাজী কামাল মাহমুদ

Hazi Kamal Mahmud। হাজী কামাল মাহমুদ

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Hazi Kamal Mahmud। হাজী কামাল মাহমুদ, Political Party, 1000, Dhaka.

Photos from Hazi Kamal Mahmud। হাজী কামাল মাহমুদ's post 12/03/2026

12=3=2026=হঠাৎ মনে পড়লো 30=বসৎরের আগের কথা
প্রায় 30=বৎসরের পরিবর্তন
আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি
আলহামদুলিল্লাহ

Photos from Hazi Kamal Mahmud। হাজী কামাল মাহমুদ's post 07/03/2026

রমজানের সেই বিজয়দিন: বদরের যুদ্ধ

রমজানের ইতিহাসে এমন একটি দিন আছে, যেদিন মরুভূমির বুকে সংঘটিত একটি যুদ্ধ শুধু একটি যুদ্ধই ছিল না এটি ছিল সত্য ও মিথ্যার এক স্পষ্ট ফয়সালা। সেই দিনটি ১৭ রমজান, ২ হিজরি। দিনটি ছিল শুক্রবার। ইতিহাস একে চেনে বদরের যুদ্ধ নামে যা ইসলামের প্রথম বড় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ।

মদিনা থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে বদর নামের উপত্যকায় মুখোমুখি হয়েছিল দুটি বাহিনী। একদিকে ছোট একটি মুসলিম দল মাত্র ৩১৩ জন সাহাবি। অন্যদিকে মক্কার কুরাইশদের শক্তিশালী বাহিনী প্রায় ১০০০ সৈন্য।

সংখ্যা, অস্ত্র ও বাহনের দিক থেকে তুলনা করলে ফলাফল যেন আগেই অনুমান করা যায়। কিন্তু বদরের ময়দানে নির্ধারণ হয়েছিল শুধু বাহ্যিক শক্তি দিয়ে নয় ঈমান, দোয়া এবং আল্লাহর সাহায্যে।

- আল-আকানকালে কুরাইশের অবস্থান

কুরাইশ বাহিনী বদরে এসে প্রথমে অবস্থান নেয় একটি উঁচু পাহাড়ে যাকে বলা হয় আল-আকানকাল (Udwatul Quswa)। আগের দিন বৃষ্টি হয়েছিল। ফলে ঘোড়া ও উট নিয়ে পাহাড়ে উঠতে তাদের কষ্ট হচ্ছিল। পরে তারা পাহাড় থেকে নেমে উপত্যকার ভেতরে শিবির স্থাপন করে।

রাসুলুল্লাহ ﷺ যখন তাদের পাহাড় থেকে নেমে আসতে দেখলেন, তখন তিনি আল্লাহর কাছে দোয়া করলেন,

“হে আল্লাহ! এরা কুরাইশ অহংকার ও গর্ব নিয়ে এসেছে, তোমার সাথে বিরোধ করতে এবং তোমার রাসুলকে মিথ্যাবাদী বলতে। হে আল্লাহ! তুমি আমাকে যে বিজয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছ, তা দান কর।”

- কুরআনের প্রতিশ্রুতি

কুরাইশরা মুসলিমদের অবস্থা জানার জন্য উমাইর ইবনে ওয়াহব নামে একজনকে পাঠায়। তিনি মুসলিম বাহিনী দেখে ফিরে এসে বললেন, সংখ্যায় তারা খুবই কম, বাইরে থেকে কোনো সহায়তার চিহ্নও নেই। কিন্তু তিনি এটাও সতর্ক করে দেন যদি যুদ্ধ শুরু হয়, কুরাইশদের বড় ক্ষতি হতে পারে। এতে তাদের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়। কিন্তু আবু জাহল অহংকার উসকে দিয়ে যুদ্ধের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করে।

পরদিন সকালে রাসুলুল্লাহ ﷺ সাহাবিদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি নিজের হাতে ছোট সেই বাহিনীকে সারিবদ্ধ করলেন একটি তীর হাতে ধরে দাঁড়িয়ে কাতার ঠিক করে দিলেন।

অন্যদিকে আবু জাহলও প্রার্থনা করেছিল,
“হে আমাদের রব! দুই দলের মধ্যে যে আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করেছে এবং অজানা কিছু এনেছে তাকে ধ্বংস কর।”

এই প্রার্থনার জবাবেই কুরআনে বলা হয়েছে,

“যদি তোমরা বিজয় কামনা করে থাক, তাহলে তো তোমাদের নিকট বিজয় এসে গিয়েছে। আর যদি তোমরা বিরত হও, তাহলে সেটি তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর যদি তোমরা পুনরায় কর, তাহলে আমিও পুনরায় করব এবং তোমাদের দল কখনো তোমাদের কোন উপকারে আসবে না যদিও তা অধিক হয়। আর নিশ্চয় আল্লাহ মুমিনদের সাথে আছেন।”
~ সূরা আনফাল (৮:১৯)

- যুদ্ধের সূচনা

যুদ্ধ শুরুর আগে কুরাইশদের কয়েকজন সৈন্য বদরের কূপ থেকে পানি নিতে এগিয়ে আসে। মুসলিমরা তাদের লক্ষ্য করে আক্রমণ করে। তাদের প্রায় সবাই নিহত হয়। শুধু একজন বেঁচে যান,হাকিম ইবনে হিজাম।পরে তিনিও ইসলাম গ্রহণ করেন।

এরপর যুদ্ধের সূচনা করে কুরাইশদের এক উগ্র যোদ্ধা, আল-আসওয়াদ ইবনে আবদুল আসাদ দ্বারা। তিনি শপথ করেছিলেন মুসলিমদের পানির পাত্র ধ্বংস করতে বা সেই পথে মারা যেতে। কিন্তু হামজা (রা.) তার মোকাবিলা করেন এবং তাকে হত্যা করেন।

- একক দ্বন্দ্বের গল্প

এরপর যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে আরবদের প্রচলিত রীতি অনুযায়ী প্রথমে কয়েকজন যোদ্ধা একক দ্বন্দ্বে লড়াই করতে এগিয়ে আসে।

কুরাইশদের পক্ষ থেকে সামনে আসে তিনজন যোদ্ধা উতবা ইবনে রাবিয়া, তার ভাই শায়বা এবং তার ছেলে ওয়ালিদ। তারা মুসলিমদের চ্যালেঞ্জ জানায়।

প্রথমে আনসারদের কয়েকজন এগিয়ে এলেও কুরাইশরা বলে,
“আমরা আমাদের সমকক্ষ কুরাইশদের সাথেই লড়তে চাই।”

তখন সামনে এগিয়ে আসেন তিনজন সাহসী সাহাবি:
হামজা (রা.), আলী (রা.) এবং উবাইদা ইবনে হারিস (রা.)।

হামজা (রা.) শায়বার মোকাবিলা করেন, আলী (রা.) ওয়ালিদের সামনে দাঁড়ান, আর উবাইদা (রা.) লড়াই করেন উতবার সঙ্গে। হামজা ও আলী দ্রুত তাদের প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেন। উবাইদা (রা.) ও উতবার দ্বন্দ্বে দুজনেই আহত হন। পরে হামজা ও আলী এসে উতবাকে পরাজিত করেন এবং আহত উবাইদা (রা.)-কে নিজেদের শিবিরে ফিরিয়ে আনেন। পরে তিনি শহীদ হন।

- পূর্ণ শক্তিতে যুদ্ধ শুরু

এরপর আর অপেক্ষা রইল না পূর্ণ শক্তিতে শুরু হয়ে গেল বদরের যুদ্ধ। কুরাইশরা আক্রমণ শুরু করল। কিন্তু মুসলিমরা ভীত হয়নি। মরুভূমির বুকে ধ্বনিত হতে লাগল,

“আহাদ! আহাদ!”
এক আল্লাহর ঘোষণা।

এদিকে রাসুলুল্লাহ ﷺ তখন আল্লাহর দরবারে গভীর দোয়ায় মগ্ন। তাঁর দোয়া ছিল এমন আন্তরিক যে চাদর কাঁধ থেকে পড়ে যাচ্ছিল। তিনি আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছিলেন।

আল্লাহ সেই দোয়ার জবাব দিলেন। মুসলিমদের সাহায্যে এক হাজার ফেরেশতা পাঠানো হলো।

রাসুল ﷺ তখন আবু বকর (রা.)-কে বললেন,

“সুসংবাদ গ্রহণ করো, আবু বকর! আল্লাহর সাহায্য এসে গেছে। এ যে জিবরাইল তিনি ঘোড়ার লাগাম হাতে নিয়ে এগিয়ে আসছেন।”

এরপর রাসুল ﷺ সামনে এগিয়ে এলেন। এক মুঠো ধুলা তুলে কুরাইশদের দিকে নিক্ষেপ করলেন এবং বললেন,

“মুখগুলো বিকৃত হয়ে যাক।”

পরে কুরআনে এই ঘটনার কথা উল্লেখ করে বলা হয়,

“সুতরাং তোমরা তাদেরকে হত্যা করনি বরং আল্লাহই তাদেরকে হত্যা করেছেন। আর তুমি নিক্ষেপ করনি যখন তুমি নিক্ষেপ করেছিলে; বরং আল্লাহই নিক্ষেপ করেছেন* এবং যাতে তিনি তাঁর পক্ষ থেকে মুমিনদেরকে পরীক্ষা করেন উত্তম পরীক্ষা। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।”
~ সূরা আনফাল (৮:১৭)

তারপর রাসুল ﷺ সাহাবিদের বললেন,
“উঠে দাঁড়াও!”

- বদরের বিজয়

ছোট সেই বাহিনী আল্লাহর ভরসায় এগিয়ে গেল। তিনগুণ বড় বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হলো। অদৃশ্য ফেরেশতাদের সাহায্যে যুদ্ধের দৃশ্য দ্রুত বদলে যেতে লাগল। কুরাইশদের সারি ভেঙে পড়ল, একসময় তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালাতে শুরু করল।

ইতিহাসে উল্লেখ আছে সেদিন শয়তানও সুরাকা ইবনে মালিকের রূপ ধরে কুরাইশদের পাশে ছিল। কিন্তু ফেরেশতাদের উপস্থিতি দেখে সে ভয়ে সরে পড়ে।

মরুভূমির সেই সকাল শেষ হয়েছিল এমন এক বিজয়ে যা মানুষের শক্তি দিয়ে নয়, আল্লাহর সাহায্যে লেখা হয়েছিল।

এইদিনে সাজদায় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কান্নার বিনিময়ে বাহ্যত দূর্বল ও নিরস্ত্র মুসলিম বাহিনীকে অস্ত্রে শস্ত্রে সজ্জিত বিরাট কাফের বাহিনীর বিরুদ্ধে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন অবিস্মরণীয় বিজয় দান করেছিলেন।

আমাদের রব চিরঞ্জীব। সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। ছোট-বড়, সহজ-কঠিন, সম্ভব-অসম্ভব ও ধারণাতীত সকল কাজের একচ্ছত্র ক্ষমতা তারই। তিনি মুস্তাজাবুদ দাওয়াত, আমাদের ডাকে সাড়া দানকারী। ডাকলেই শুনেন।

তাই বদরের ইতিহাস শুধু অতীতের গল্প নয়। এটি একটি শিক্ষা।

- সংক্ষিপ্ত স্মরণ

▪ ৩১৩ জন মুসলিম সেনার বিরুদ্ধে ১০০০ কাফির সেনা।
▪ মুসলিমদের ৮টি তলোয়ারের বিরুদ্ধে ৬০০ বিভিন্ন অস্ত্র।
▪ মুসলিমদের ৭০টি উটের বিরুদ্ধে কাফিরদের ৭০০টি উট।
▪ মুসলিমদের ২টি ঘোড়ার বিরুদ্ধে কাফিরদের ৩০০টি ঘোড়া।
▪ ১৪ জন শহীদের বিনিময়ে ৭০টি কাফিরের লাশ ও ৭০ জন বন্দি কাফির।

সুতরাং নিশ্চিত বিজয় আমাদেরই। এখন অপেক্ষা শুধু সেই সাজদা, সেই কান্নার।

👉 শেয়ার করে দিন, যেন সবাই জানতে পারে—বিজয় আসে আল্লাহর সাহায্যে।

25/02/2026

25=2=2026= প্রায় ২০ বসৎর পর
আমারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করছি
আলহামদুলিল্লাহ
।।।
বিএনপির কিছু নেতা কর্মীদের বলছি
আপনারা ভেবে দেখুন একটু চিন্তা করুন
বিগত ১৫-থেকে ১৭-বসৎর
বিএনপির নেতা কর্মীদের উপর যেই নির্যাতন হয়েছে সব কিছু এতো সহজে ভুলে গেছেন
।।।
দালালদের বলছি দালালি করে
দলের ভবিষ্যৎ অন্ধকার
করবেন না ভালো হয়ে যান
আল্লাহ কে ভয় করুন ভালো থাকবেন
।।।
কিছু বিএনপির নেতা কর্মীদের বলছি
বিভিন্ন দলের নতুন লোকদের
দলের ভিতরে না ঢুকিয়ে
।।।
বিএনপির দুঃসময়ের ত্যাগী নেতা কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কাজ করুন
বিএনপির সংগঠন শক্তি শালী হবে
।।।।
এবং নেতা না হয়ে জনগণের জন্য কাজ করুন
মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করুন
একটি কথা মনে রাখবেন জনগণ ছাড়া নেতা হওয়া যায় না
কথা কিন্তু কিলিয়ার।।

25/02/2026

🗣️বানরে রূপান্তরিত সেই জাতিঃ-হযরত দাউদ (আ.)-এর সময়ের এক অলৌকিক সতর্কবার্তা"

​১.🌺নিষিদ্ধ শনিবারের পরীক্ষা
​লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত 'আইলা' নামক একটি জনপদে বনী ইসরাঈলরা বসবাস করত। আল্লাহ তাআলা তাদের ইবাদতের জন্য শনিবার দিনটি নির্ধারিত করে দিয়েছিলেন। ওইদিন মাছ ধরা বা কোনো বৈষয়িক কাজ করা তাদের জন্য সম্পূর্ণ হারাম ছিল।
​কিন্তু আল্লাহর পরীক্ষা ছিল অত্যন্ত সূক্ষ্ম। সপ্তাহের অন্য দিনগুলোতে সাগরে তেমন মাছ পাওয়া যেত না, অথচ শনিবার এলেই সাগরের পানি মাছে ভরে যেত। মনে হতো মাছগুলো যেন খেলা করছে।
​২.🌺লোভ ও ধূর্ততার ফাঁদ
​মাছের এই বিশাল সমারোহ দেখে একদল মানুষের মনে লোভ জাগল। তারা সরাসরি মাছ না ধরে আল্লাহর আইনের সাথে এক অদ্ভুত 'চাতুর্য' শুরু করল। তারা সাগরের তীরে বড় বড় গর্ত খুঁড়ল এবং নালা দিয়ে সাগরের সাথে যুক্ত করে দিল।
​শনিবার: তারা নালার মুখ খুলে রাখত, ফলে জোয়ারের সাথে আসা মাছগুলো গর্তে আটকা পড়ত।
​রবিবার: তারা সেই আটকে পড়া মাছগুলো ধরত এবং দাবি করত, "আমরা তো আর শনিবারে মাছ ধরিনি!"
​৩.🌺সমাজের তিনটি পক্ষ
​এই অবাধ্যতা দেখে আইলা শহরের মানুষ তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে গেল:
​সীমালঙ্ঘনকারী: যারা ফন্দি করে মাছ ধরত।
​সতর্ককারী: যারা ঈমানদার ছিলেন এবং পাপাচারীদের বারবার আল্লাহর শাস্তির ভয় দেখাতেন।
​নিরব দর্শক: যারা নিজেরা পাপ করত না, আবার পাপীদের নিষেধও করত না। তারা সতর্ককারীদের বলত, "এদের নসিহত করে কী লাভ? এদের তো আল্লাহ ধ্বংস করবেনই।"
​সতর্ককারীরা জবাবে বলতেন, "আমরা আল্লাহর কাছে দায়মুক্ত হওয়ার জন্য এবং তাদের সংশোধনের আশায় দাওয়াত দিয়ে যাচ্ছি।"
​৪.🌺 চূড়ান্ত ফয়সালা ও রূপান্তর
​হযরত দাউদ (আ.) তাদের বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা শোনেনি। এক পর্যায়ে তিনি তাদের ওপর লানত বা অভিশাপ দিলেন। একদিন সকালে শহরবাসী এক ভয়াবহ দৃশ্য দেখল।
​পাপাচারী দলটির ঘরের দরজা আর খুলছে না। প্রতিবেশীরা দেয়াল টপকে ভেতরে ঢুকে দেখল, মানুষগুলো সব কদাকার বানরে পরিণত হয়েছে! তারা মানুষের মতো বুদ্ধি রাখলেও কথা বলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছিল। তারা নিজেদের আত্মীয়দের চিনে তাদের পায়ে লুটিয়ে কাঁদছিল, কিন্তু কিছুই করার ছিল না।
​৫.🌺পরিণাম
​পবিত্র কুরআনের বর্ণনা অনুযায়ী:
​মুক্তি পেল যারা: যারা মন্দ কাজ থেকে মানুষকে নিষেধ করত, আল্লাহ তাদের রক্ষা করলেন।
​ধ্বংস হলো যারা: যারা সরাসরি পাপ করেছিল এবং যারা নিরব থেকে পাপ সমর্থন করেছিল, তারা লাঞ্ছিত ও ধ্বংস হয়ে গেল।
​"অতঃপর যখন তারা সেই কাজ ছেড়ে দিতে অস্বীকার করল যা তাদের নিষেধ করা হয়েছিল, তখন আমি তাদের বললাম— তোমরা ঘৃণিত বানরে পরিণত হও।" (সূরা আল-আ’রাফ: ১৬৬)
​গল্পের শিক্ষা:
​আল্লাহর বিধানকে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করা চরম বোকামি।
​সমাজে কোনো ভুল কাজ হতে দেখলে সামর্থ্য অনুযায়ী তার প্রতিবাদ করা জরুরি, কারণ নিরব থাকাটাও পরোক্ষভাবে পাপকে সমর্থন করার শামিল।💝💙💖

24/02/2026

এক দিন কারাগারে ইমাম হুসাইন (আঃ)এর ছোট্ট মেয়ে সকিনা (আঃ) তার ভাই ইমাম যায়নুল আবেদীন(আঃ) কে একটি প্রশ্ন করেন--

ভাই আপনি তো এখন এই যুগের ইমাম আর ইমাম তো সব বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান রাখেন। তাই আপনাকে একটা প্রশ্ন করছি, পিপাসার কত গুলো স্তর হয় ? (পিপাসা কত ধরনের হয় ?)😭

সকিনা(আঃ)-এর এই কথা শুনে হযরত যায়নাব (আঃ) কেঁদে অস্থির হয়ে সকিনা (আঃ) কে কোলে তুলে নিলেন আর বলেন তুমি কেন এমন প্রশ্ন করছো আমার ছোট্ট আদরের ভাতিজি ?😭

ইমাম যায়নুল আবেদীন (আঃ) নিজ ফুপিকে বলেন, সকিনা তার নিজের যুগের ইমামের কাছে প্রশ্ন করেছে। তাই তার প্রশ্নের উত্তর দেয়া আমার উপর জরুরি হয়ে পরেছে।😭

তার পর ইমাম বলেন, সকিনা! #পিপাসার_চার_স্তর_হয়ে_থাকে।
(৪ ধরনের)-

১. পিপাসার ১ম স্তর হলো মানুষ এত বেশি পিপাসায় কাতর হয় যে তার চোখে সব কিছু ধোঁয়া ধোঁয়া দেখতে পায় আর আকাশ ও জমিনের পার্থক্য অনুভব করতে পারে না।😭

বিবি সকিনা(আঃ) বলেন, হ্যাঁ আমি ভাই কাসিম(আঃ)-কে আমার বাবার নিকট বলতে শুনেছিলাম চাচা আমি এত বেশি পিপাসায় কাতর যে আমি চোখে শুধু ধোঁয়া ধোঁয়া দেখতে পাচ্ছি।😭

২. ইমাম বলেন পিপাসার ২য় স্তর হলো যখন মানুষের জিহবা তার মুখের তালুতে গিয়ে চিপকে থাকে।😭

বিবি সকিনা(আঃ)আবার বলেন, হ্যাঁ ভাই আকবার(আঃ) যখন বাবা হুসাইন(আঃ)এর মুখে নিজের জিহবা রেখে বের করে ছিলেন তখন বলেছিলেন বাবা আপনিতো আমার চাইতে অধিক তৃষ্ণার্ত আছেন। মনে হয় তখন বাবা হুসাইন(আঃ) পিপাসার ২য় স্তরে ছিলেন।😭

৩. ইমাম আবার বলেন, পিপাসার ৩য় স্তর হলো যখন কোন মাছ কে পানি হতে বের করে মাটিতে রেখে দেওয়া হয়। আর মাছটি এত বেশি তৃষ্ণার্ত হয় যে, সে নিস্তেজ হয়ে পরে। শুধু একবার মুখ খোলে আর একবার মুখ বন্ধ করে।😭

বিবি সকিনা(আঃ) বলেন, হ্যাঁ আমার ৬ মাসের ছোট্ট ভাই কে যখন বাবা হুসাইন মাটিতে রেখে দিয়েছিলেন তখন সেও নিস্তেজ হয়ে পরেছিল, আর একবার মুখ খুলছিলো আর একবার বন্ধ করছিলো। মনে হয় আলী আসগর(আঃ) তখন পিপাসার ৩ স্তরে ছিল।😭

৪. ইমাম আবার বলেন, পিপাসার ৪র্থ স্তর হলো যখন মানুষ এত বেশি তৃষ্ণার্ত হয় যে তার দেহের আদ্রতা সম্পূর্ণ রূপে নিঃশেষ হয়ে যায়। আর তার দেহের মাংস তার হাড় (হাড্ডি) হতে আলাদা হতে শুরু করে। আর মানুষ মৃত্যু মুখে পতিত হয়।😭

-এত টুকু শুনে বিবি সকিনা(আঃ) তার হাত ভাই এর নিকট প্রসারিত করে বলেন, ভাই! আমি মনে হয় পিপাসার শেষতম স্তরে আছি। দেখ আমার দেহের মাংস আমার হাড় হতে আলাদা হয়ে পরছে। আর আমি নিশ্চয়ই অতিদ্রুত আমার বাবা হুসাইন(আঃ) এর কাছে চলে যাবো।😭

সকিনার(আঃ) এই কথা শুনে কারাগারের সবাই কান্না করতে শুরু করলেন।😭😭

🏴 ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন।🏴


💚 আল্লাহুম্মা সল্লে আলা মুহাম্মদ ওয়া আলে মুহাম্মদ ওয়া আজ্জিল ফারাজাহুম। 💚
#সূফীতত্ত্বে

24/02/2026

🔥 অহংকারের দহন ও লাঞ্ছিত মৃত্যু: আবু লাহাবের করুণ পরিণতির গল্প ✨
মক্কার কুরাইশ বংশের এক প্রতাপশালী পুরুষ, যার গায়ের উজ্জ্বল লালচে আভার জন্য সবাই তাকে ডাকত 'আবু লাহাব' বা অগ্নিশিখার পিতা। সে ছিল নবীজি ﷺ-এর আপন চাচা। কিন্তু রক্তের সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও সে হয়ে উঠেছিল ইসলামের পথের সবচেয়ে বড় কাঁটা।

১. আত্মীয়তা থেকে শত্রুতায় রূপান্তর
ইসলামের দাওয়াত আসার আগে আবু লাহাব নবীজি ﷺ-এর সাথে আত্মীয়তার গর্ব করত। এমনকি নবীজির দুই কন্যা হযরত রুকাইয়া (রা.) ও হযরত উম্মে কুলসুম (রা.)-এর সাথে তার দুই ছেলের বিয়েও হয়েছিল। কিন্তু যখনই নবীজি ﷺ তাওহীদের ডাক দিলেন, আবু লাহাবের ভেতরের অহংকার জেগে উঠল। সে তার ছেলেদের নির্দেশ দিল নবীজির কন্যাদের তালাক দিতে। শুরু হলো চরম নির্যাতন আর উপহাসের এক কালো অধ্যায়।

২. বদরের পরাজয় ও মানসিক যাতনা
ঐতিহাসিক বদরের যুদ্ধে আবু লাহাব নিজে না গেলেও তার মন ছিল কুরাইশ বাহিনীর জয়ে। সে ভাবতেও পারেনি যে, সামান্য কিছু সম্বলহীন মুসলিমদের কাছে মক্কার বাঘা বাঘা যোদ্ধারা পরাজিত হবে। আবু সুফিয়ান যখন পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে মক্কায় ফিরল, আবু লাহাবের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল। এই পরাজয় সে সহ্য করতে পারল না। তার ভেতরে প্রতিশোধের আগুন ধিকিধিকি জ্বলতে লাগল।

৩. অভিশপ্ত ব্যাধি ও একাকীত্ব
বদর যুদ্ধের সাত দিন পর আবু লাহাব এক ভয়ংকর সংক্রামক ব্যাধিতে (প্লেগ সদৃশ) আক্রান্ত হলো। তার সারা শরীরে এমন পচন ধরল এবং এমন উৎকট দুর্গন্ধ বের হতে লাগল যে, তার আপন স্ত্রী ও সন্তানরা পর্যন্ত তার থেকে দূরে সরে গেল। যে আবু লাহাব নবীজি ﷺ-কে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পেত, আজ সে নিজের ঘরেই একাকী যন্ত্রণায় কাতরাতে লাগল। কেউ তাকে এক ফোঁটা পানি দেওয়ার জন্যও এগিয়ে এল না।

৪. লাঞ্ছিত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া
অবশেষে চরম যন্ত্রণার মধ্যে ইসলামের এই ঘোর শত্রুর মৃত্যু হলো। কিন্তু মরার পরেও তার লাঞ্ছনা শেষ হলো না। সংক্রমণের ভয়ে তিন দিন তার লাশ ওভাবেই পড়ে রইল। পচে গলে দুর্গন্ধ যখন পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ল, তখন নিরুপায় হয়ে তার ছেলেরা কিছু হাবশী মজদুর ভাড়া করল।

বলা হয়, তার দুর্গন্ধ এতই তীব্র ছিল যে মজদুররা কাছে যেতে পারছিল না। তারা দূর থেকে লম্বা লাঠি দিয়ে ঠেলে তাকে একটি গর্তে ফেলল এবং দূর থেকে পাথর ও মাটি ছুড়ে ছুড়ে তাকে চাপা দিল। যে 'অগ্নিশিখা' বা আবু লাহাব অহংকারে ধরাকে সরা জ্ঞান করত, তার শেষ বিদায় হলো পশুর চেয়েও অধম অবস্থায়।

গল্পের শিক্ষা:
রক্তের সম্পর্ক বনাম ইমান: ইমান ছাড়া রক্তের সম্পর্ক কোনো কাজে আসে না। আবু লাহাব আপন চাচা হয়েও কেবল অবাধ্যতার কারণে অভিশপ্ত হয়েছে।

অহংকারের পতন: আল্লাহ তায়ালা অহংকারীকে দুনিয়াতেই লাঞ্ছিত করেন। আবু লাহাবের মৃত্যু বিশ্ববাসীর জন্য এক বড় শিক্ষা।

চূড়ান্ত বিচার: সূরা লাহাব কিয়ামত পর্যন্ত সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, যারা সত্যের পথ রোধ করতে চায়, তাদের পরিণতি এমনই ভয়াবহ হয়।

19/02/2026

মুসলমানদের বিজয় রক্তের বিনিময়ে আস্তে আস্তে অর্জন হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
।।।
মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিশাল এক যুদ্ধের নেতৃত্ব দেন এই যুবক।
এবং সফলভাবে বিজয় অর্জন করেন।

ভারতীয় উপমহাদেশে কোন মুসলিম শাসক আসবে এটা ছিলো অত্যাচারী গো মূত্র খোর শাসকদের চিন্তার ও বাহিরে।
রাজা দাহির ছিলেন বর্তমান নেতানিয়াহুর মতো শোষক।

৭০৭ সালে শ্রীলঙ্কা থেকে হজ্জ্ব পালনের উদ্দেশ্যে ৭টি জাহাজ রওয়ানা হোন পথিমধ্যে ভারতের সিন্ধু উপকূলে তারা আক্রান্ত হোন রাজা দাহির ও তার সন্ত্রাসী জলদস্যু বাহিনী দ্বারা।
তারা আজকের আব্বাস বাহিনীর মতোই দুধর্ষ ছিলো।

ইতিহাস অনেক দীর্ঘ।সংক্ষেপে বলতে গেলে সে যাত্রায় দস্যুরা জাহাজের সমস্ত মালামাল লুটপাট করে তো নিলোই
সাথে নির্মম জলদস্যুরা কয়েকজন নারী ও শিশুকে অবধি বন্দী করে নিয়ে গেল।

ভয়ে চীৎকার করে উঠলো এক নারী ইতিহাস বলে সে ছিলো বনিক আবুলের কন্যা,–বাঁচাও আমাদের, বাঁচাও হাজ্জায! তুমি কি শুনতে পাচ্ছো না ।

কিছু নারী যুবায়ের নামক এক ঘোরা সওয়ারির কাছে লিখিত কিছু চিঠি দিল হাজ্জাজের কাছে পৌছাতে।

অনেক বাধা পেরিয়ে চিঠি পৌঁছে গেল রাজদরবারে।

হাজ্জাজ ফুসে উঠলো
আমরা বেচে থাকতে কোন নারীর ইজ্জতে হাত দিবে এমন বুকের পাঠা কোন অমানুষের?

কিন্তু হাজ্জাজের সকল সেনা অফিসার কোন না কোন যুদ্ধে লিপ্ত আছে।সেনা ক্যাম্পে তখন দায়িত্ব পালনের উপযুক্ত সেনা নেই একজন ও
পাশে ছিলো মুহাম্মাদ বিন কাসিম।মাত্র ১৬ বছর বয়স হলেও সে অনেক প্রজ্ঞাবান।

এই যুবকের কাছে চিঠি দিয়ে বসরায় পাঠালেন সেনাবাহিনীর চেয়ে।কিন্তু সেখানেও সেনা ক্যাম্পে সেনা নেই।অবশেষে নিজ হাতেই এই যুদ্ধের ভার তুলে নেন মুহাম্মাদ বিন কাসিম।

৫০০০ দক্ষ সেনা নিয়ে প্রতি রাস্তার মোরে মোরে ঘোষনা দিলেন অসহায় নারীদেরকে উদ্ধার করতে প্রস্তুত আছেন কে
দেখতে দেখতে ১২ হাজার সৈনিক যুক্ত হয়ে গেলো।
এবং প্রয়োজনীয় রসদ নিয়ে রওয়ানা দিলেন কাসিম।

এই অঞ্চলে এর আগে দু দুবার যুদ্ধ করে ব্যার্থ হয়েছিলেন হাজ্জাজ।কিন্তু এবার আর তা হলো না।।

মোহাম্মদ-বিন-কাসেম ধীরে ধীরে দেবলে ঢুকে শহরের চারদিক ঘেরাও করে ফেললেন।দেবলের সেনারা মন্দিরে আশ্রয় নিল তাদের বিশ্বাস ছিলো মন্দিরের রক্ষাকবচ মূর্তিরা তাদের রক্ষা করবে।।
কিন্তু কাসিম সকল মন্দিরের চূড়ায় কামান ছুড়লেন।

তিন দিন তুমুল যুদ্ধের পর দাহিরের সৈন্যরা পরাজয় স্বীকার করলো। এতো দিনে দেবল এলো মুসলমানদের অধীনে। দেবলের দীর্ঘদিনের অত্যাচার অনাচার গর্ব খর্ব হলো।

কিন্তু বিজয় পেয়েও সাধারণ মানুষের কিংবা মন্দিরের পুরোহিতদের নিরস্ত্র জনতার উপর অস্ত্র তুলে নেন নি।

এমনকি তাদের বাধ্য ও করেন নি ইসলামকে মেনে নিতে।
শহরের হিন্দু শাসনকর্তাও কাজে বহাল রইলেন।

দেবল ছেড়ে যাবার আগে ওই শহরে মুসলমানদের বাসের জন্য পথক একটা অঞ্চল তৈরী করে দিলেন। সে অঞ্চলে একটা
মসজিদ নির্মান করলেন ওটাই ছিলো ভারতের বুকে প্রথম মসজিদ।

এরপর সেই রাজা দাহির যে ছিল সিন্ধুর শাসক। সেই অঞ্চলে এগিয়ে চললেন।এবং এভাবেই একে একে বিজয় করেন এই উপমহাদেশ।
এবং বিস্ময়কর ব্যাপার হলো দেবল বাদে বাকি সকল অঞ্চল গুলি এক প্রকার বিনা রক্তপাতেই কৌশলে আয়ত্বে নেন কাসীম।

[এই ইতিহাস অনেক দীর্ঘ এবং অনেক সুন্দর। বই থেকে অনলাইন ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
(ছবিটি শিল্পীর রঙতুলিতে আকা)]

----------------

পরিশেষে একটাই কথা বয়স কিংবা সম্পদের অভাব বা মানুষের অভাব কখনো কোন লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে বাধা হতে পারেনা।
যদি কেউ সাথে না আসে আপনি একাই শুরু করে দিলে ১০০ জনের কাজ করে ফেলতে পারবেন।

তবে যারা নিজেকেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনা তারা অন্যজে নিয়ন্ত্রণ করবে কিভাবে?তাই নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করুন।নিজের লক্ষ্যপানে নিজেই ছুটে চলুন।

18/02/2026

19=2=2026= Romadan Kareem Alhamdulila
আজ থেকে রোজা শুরু
আলহামদুলিল্লাহ
রোজা রাখার তৌফিক দান করুন আমীন

15/02/2026

15=2=2026=ঘুম ছাড়া মূত্য কতোটা কাছাকাছি
।।।
ভাবতেও গা শিউরে ওঠে! আপনি কি জানেন, খাবার ছাড়া মানুষ কয়েক সপ্তাহ বাঁচতে পারলেও, ঘুম ছাড়া মানুষের মৃত্যু অবধারিত
‎।।।
১৯৬৪ সালে আমেরিকায় করা একটি ভয়ংকর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বা এক্সপেরিমেন্ট থেকে বেরিয়ে এসেছিল এক শিউরে ওঠার মতো সত্য। আজকের এই লেখাটি পড়ার পর আপনি হয়তো আর কোনোদিন রাতের ঘুম হেলায় হারাবেন না
‎।।।
মৃত্যুর সাথে ১১ দিনের পাঞ্জা ঘটনাটি ১৯৬৪ সালের। মাত্র ১৭ বছরের এক কিশোরকে বেছে নেওয়া হয়েছিল এই পরীক্ষার জন্য। তাকে রাখা হয়েছিল এমন এক বদ্ধ ঘরে, যেখানে দিনের আলো ঢোকার কোনো পথ ছিল না। উদ্দেশ্য একটাই দেখা, মানুষ ঘুম ছাড়া কতদিন টিকতে পারে
‎।।‌।
শুরুটা ছিল স্বাভাবিক (১-২ দিন):
।।।
‎প্রথম দুদিন পর্যন্ত কিশোরটি বেশ স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু আসল নাটক শুরু হলো তৃতীয় দিন থেকে।
‎।।।
তৃতীয় দিন: ছায়া যখন কথা বলে হ্যালুসিনেশন
।।।
‎তিন দিন পার হতেই সে একা একা কথা বলতে শুরু করে। সে দাবি করতে থাকে যে সে চারপাশে ভূত দেখছে এবং দেওয়ালে ছায়াদের কথা বলতে শুনছে। মস্তিষ্ক তার নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে।
‎।।
পঞ্চম দিন: চরম অবিশ্বাস (প্যারানয়া):
।।‌।
‎সে খাওয়া-দাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। তার মনে হতে থাকে তাকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলা হবে। ডাক্তারদের সে তার পরম শত্রু ভাবতে শুরু করে
‎।।।
সপ্তম দিন: অজানা ভাষা ও অদ্ভুত সংকেত:
।।।
‎সাত দিনের মাথায় সে ঘরের দেওয়ালে অদ্ভুত সব চিহ্ন আর এমন ভাষায় কিছু লিখতে থাকে, যে ভাষার অস্তিত্ব এই পৃথিবীতে নেই। সে যেন অন্য কোনো জগতের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছিল
‎।।।
নবম দিন: জেগে থেকেও মৃত (মাইক্রো-স্লিপ):
।।।
‎মস্তিষ্ক তখন নিজেকে বাঁচাতে এক অদ্ভুত পথ বেছে নেয়। একে বলা হয় ‘মাইক্রো-স্লিপ’। কিশোরটির চোখ খোলা ছিল, কিন্তু তার ব্রেইন ২০-৩০ সেকেন্ডের জন্য বারবার শাটডাউন হয়ে যাচ্ছিল। সে তাকিয়ে ছিল ঠিকই, কিন্তু আসলে সে তখন পৃথিবীতে নেই।
‎।।।
দশম দিন: আর্তনাদ ও হাহাকার:
।।‌।
‎পুরো ঘর কাঁপিয়ে তার কান্না আর চিৎকারে ডাক্তাররাও ঘাবড়ে যান। তার মানসিক অবস্থা তখন সম্পূর্ণ ভেঙে চুরমার।
‎।।‌।
একাদশ দিন: সেই ভয়ংকর শেষ মুহূর্ত:
।।।
‎১১তম দিনে সে হঠাৎ একদম শান্ত হয়ে যায়। টানা ৬ ঘণ্টা পলক না ফেলে সে ক্যামেরার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। কোনো নড়াচড়া নেই, কোনো শব্দ নেই। হঠাৎ সে মাটিতে আছড়ে পড়ে যায়। ডাক্তাররা যখন ভাবলেন সে মারা গেছে এবং কাছে দৌড়ে গেলেন তখনই সে হঠাৎ সোজা হয়ে উঠে দাঁড়িয়ে এক পৈশাচিক হাসি হাসতে শুরু করল।
‎।।।
‎সেই মুহূর্তেই পরীক্ষাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ পরিষ্কার ছিল এর এক মিনিট পরেই তার মস্তিষ্ক চিরতরে অকেজো হয়ে যেত
‎।।।
‎এই এক্সপেরিমেন্ট থেকে প্রমাণিত হয় যে, একজন মানুষ ঘুম ছাড়া সর্বোচ্চ ১১ দিন টিকে থাকতে পারে। কিন্তু মাত্র ৩ দিন ঘুম না হলেই মানুষের মস্তিষ্ক বিকল হতে শুরু করে এবং স্থায়ী মানসিক রোগ দানা বাঁধতে পারে
‎।।।
‎আজকের বাস্তবতা:

‎আমরা রাত জেগে মোবাইল স্ক্রল করছি, শর্টস বা রিলস দেখছি। আমরা ভাবছি এটা বিনোদন, কিন্তু আসলে আমরা আমাদের মস্তিষ্ককে সেই ভয়ংকর '১১ দিনের' দিকে ঠেলে দিচ্ছি। অতিরিক্ত রাত জাগা আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, মেজাজ খিটখিটে করে এবং আপনার আয়ু কেড়ে নেয়।
‎।।।
মনে রাখবেন

‎ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি আপনার বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেনের মতোই প্রয়োজন। আজ রাত থেকে নিজের শরীর ও মনকে বিশ্রাম দিন।
‎।।‌।
‎আপনার কি রাত জাগার অভ্যাস আছে? তবে আজই সাবধান হোন। এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি শেয়ার কমেন্ট লাইক করে আপনার প্রিয়জন কে সচেতন করুন ।।

(সংগ্ৰহকৃত)।

06/02/2026

🏛️ রাজপ্রাসাদের অন্ধকার ও জান্নাতের আলো: বিবি আছিয়ার অমর ঈমান ✨

মিশরের রাজপ্রাসাদ ছিল ঐশ্বর্যের শিখরে। দাস-দাসীদের ভিড় আর ক্ষমতার দাপটে সবাই যখন অন্ধ, তখন সেই প্রাসাদের সম্রাজ্ঞী বিবি আছিয়া (আ.)-এর হৃদয়ে ছিল এক জান্নাতি নূর। তিনি ছিলেন সময়ের সবচেয়ে বড় জালেম ও নিজেকে ‘রব’ দাবি করা ফেরাউনের স্ত্রী, কিন্তু তাঁর আত্মা ছিল আল্লাহর অনুগত।

১. নীল নদের সেই উপহার
একদিন প্রাসাদের ঘাটে একটি ছোট সিন্দুক ভেসে এল। সিন্দুকটি খুলতেই বিবি আছিয়া দেখলেন এক অপূর্ব জ্যোতির্ময় শিশু। ফেরাউনের সৈন্যরা শিশুটিকে নীল নদে ভাসিয়ে দিতে বা হত্যা করতে চাইলেও আছিয়ার মাতৃত্ব জেগে উঠল। তিনি ফেরাউনকে শান্ত করে বললেন:

“এই শিশু আমার ও তোমার নয়নমণি। একে হত্যা করো না। হতে পারে সে আমাদের উপকারে আসবে অথবা আমরা তাকে পুত্র হিসেবে গ্রহণ করব।” এভাবেই বিবি আছিয়া হয়েছিলেন শিশু মুসা (আ.)-এর বেঁচে থাকার প্রধান উসিলা।

২. ঈমানের গোপন অগ্নিপরীক্ষা
হযরত মুসা (আ.) যখন বড় হয়ে এক আল্লাহর দাওয়াত দিতে শুরু করলেন, বিবি আছিয়া সবার আগে সেই সত্য গ্রহণ করলেন। কিন্তু তিনি তাঁর ঈমান গোপন রেখেছিলেন। একদিন যখন ফেরাউন জানতে পারল যে তাঁর আপন স্ত্রীই তাঁর উপাসনা ছেড়ে মুসার রবের ইবাদত করেন, তখন সে উন্মাদ হয়ে উঠল। সে আছিয়াকে প্রাসাদের সব সুখ থেকে বঞ্চিত করে মরুভূমির তপ্ত বালুতে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিল।

৩. তপ্ত বালি আর পাথরের নিচে অটল বিশ্বাস
ফেরাউনের সৈন্যরা আছিয়াকে উত্তপ্ত সূর্যের নিচে হাত-পা বেঁধে ফেলে রাখল। চারপাশ থেকে লোকজন জড়ো হলো। ফেরাউন দাম্ভিকতার সাথে বলল, “হয় তুমি আমাকে রব মানো, নয়তো এই পাথর তোমার জীবন কেড়ে নেবে।” কিন্তু আছিয়া (আ.) পাথুরে হৃদয়ের ফেরাউনের কাছে নতি স্বীকার করলেন না। অসহ্য যন্ত্রণার মাঝেও তিনি আকাশের দিকে তাকিয়ে এক শান্ত স্বরে প্রার্থনা করলেন:

“হে আমার রব! আপনার কাছে জান্নাতে আমার জন্য একটি গৃহ নির্মাণ করুন আর আমাকে ফেরাউন ও তার দুষ্কর্ম থেকে উদ্ধার করুন।”

৪. রুহের মুক্তি ও জান্নাতের দৃশ্য
আল্লাহ তাআলা তাঁর দোয়া কবুল করলেন। ফেরাউনের সৈন্যরা যখন তাঁর পিঠে বিশাল পাথরখন্ডটি রাখার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখনই বিবি আছিয়া (আ.)-এর সামনে জান্নাতের পর্দা খুলে দেওয়া হলো। তিনি নিজের চোখে জান্নাতে তাঁর জন্য নির্মিত হীরা-জহরত খচিত ঘরটি দেখতে পেলেন। সেই অপূর্ব সৌন্দর্য দেখে তিনি মুচকি হাসলেন এবং তাঁর পবিত্র আত্মা আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে গেল। সৈন্যরা যখন পাথরটি নিক্ষেপ করল, তখন তা পড়ল প্রাণহীন এক নিথর দেহের ওপর। আছিয়া (আ.) ততক্ষণে চিরস্থায়ী শান্তিতে পৌঁছে গেছেন।

গল্পের শিক্ষা:
ঈমানি শক্তি: সত্যের ওপর অটল থাকলে কোনো পার্থিব ভয় বা প্রলোভন মানুষকে বিচ্যুত করতে পারে না।

বিলাসিতার চেয়েও সত্য বড়: রাজপ্রাসাদের আরাম-আয়েশের চেয়ে বিবি আছিয়া আল্লাহর সান্নিধ্যকে বেশি মূল্যবান মনে করেছিলেন।

দোয়ার কবুলিয়াত: আল্লাহ তাঁর নেক বান্দাদের কষ্ট লাঘব করেন এবং তাদের জন্য জান্নাতে বিশেষ স্থান নির্ধারণ করে রাখেন।

06/02/2026

ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি সাহেব এর সালাম নিন ধানের শীষে ভোট দিন

06/02/2026

আল্লাহ আপনি মহান দয়ালু রাহমানির রাহিম।।।
উম্মে আইমান (রাঃ)-এর কাহিনি… সেই নারী, যিনি কখনোই রাসূলুল্লাহ ﷺ থেকে পিছিয়ে যাননি
উম্মে আইমান—বরকাহ আল-হাবাশিয়া (রাঃ)—বাহ্যিকভাবে ছিলেন এক সাধারণ নারী, কিন্তু বাস্তবে ছিলেন অত্যন্ত মহান। তিনি নবী ﷺ–এর ঘরেই শৈশব থেকে বসবাস করেছেন এবং তাঁর মধ্যে এমন এক নূর দেখতেন, যা কারো সঙ্গে তুলনীয় নয়। তিনি তাঁকে সন্তানের মতো ভালোবাসতেন, আর নবী ﷺ তাঁকে মায়ের মতো ভালোবাসতেন। তিনি বলতেন:

“তিনি আমার মায়ের পর আমার মা।”

একদিন নবী ﷺ সফরে বের হলেন। প্রচণ্ড গরম, লোকজন যেখানে পানি পেত, সেখানেই পান করছিল। কিন্তু উম্মে আইমান (রাঃ) রোজা রেখেছিলেন এবং কাফেলার পেছনে পেছনে হেঁটে চলছিলেন—কোনো অভিযোগ নেই, কোনো থামা নেই।

নবী ﷺ তাঁকে প্রচণ্ড গরমে কষ্ট করতে দেখে স্নেহভরে বললেন:

“হে উম্মে আইমান, পানি পান কর।”

তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বললেন:

“হে আল্লাহর রাসূল, আমি রোজাদার।”

তিনি চলতেই থাকলেন; এমনকি গরমে তাঁর পা যেন জ্বলে যাচ্ছিল, তবু তিনি রোজা ভাঙেননি।

পথের মাঝখানে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে বসলে নবী ﷺ তাঁর কাছে এসে বললেন:

“হে উম্মে আইমান, নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মকারীর প্রতিদান নষ্ট করেন না।”

তিনি হাসলেন, উঠে দাঁড়ালেন, আর আবার পথ চলা শুরু করলেন—যেন সেই কথাগুলোই তাঁকে নতুন শক্তি দিল।

হিজরতের দিন তিনি একাই মক্কা থেকে মদিনার উদ্দেশ্যে বের হলেন—কোনো বাহন নেই, কোনো পাথেয় নেই, কোনো সঙ্গী নেই। তিনি বলতেন:

“আমি রাসূলুল্লাহকে মদিনায় একা রেখে যেতে পারি না।”

তিনি শত শত কিলোমিটার হেঁটে চললেন; কখনো হোঁচট খেলেন, কিন্তু প্রতিবারই উঠে দাঁড়ালেন—অবশেষে ক্লান্ত শরীরে মদিনায় পৌঁছালেন। নবী ﷺ তাঁকে আনন্দের সঙ্গে অভ্যর্থনা জানিয়ে বললেন:

“হে উম্মে আইমান, তুমি জান্নাতের অধিবাসীদের একজন।”

তিনি এমন এক নারী ছিলেন, যিনি তলোয়ার বহন করেননি, প্রথম কাতারে দাঁড়াননি; কিন্তু তিনি বহন করেছিলেন এমন ভালোবাসা ও আনুগত্য—যা অনেক পুরুষও ধারণ করতে পারে না।

এক নারী—যিনি মক্কায়ও তাঁর থেকে পিছিয়ে যাননি, হিজরতেও না, মদিনাতেও না, এমনকি তাঁর ইন্তেকালের পরেও না।

এক নারী—যিনি প্রমাণ করেছেন, বীরত্ব সবসময় যুদ্ধক্ষেত্রেই নয়… বরং দৃঢ়তার মধ্যেও।

“হে আমার ভাই/বোনেরা, আমরা উপকারী জ্ঞান পৌঁছে দিতে আপ্রাণ চেষ্টা করছি—তাই অনুগ্রহ করে আপনারা প্রতিক্রিয়া দিন ও পোস্টটি শেয়ার করুন। আপনারা যদি গাছটিতে পানি না দেন, তবে তা ফল দেবে কীভাবে?”

পড়া শেষ করলে একটি সওয়াবের কাজ করে যান—তাসবীহ পড়ুন, ইস্তিগফার করুন, নবী ﷺ–এর ওপর দরূদ পাঠান।

বিশ্বাস করুন, লাইক চাপলে বা একটি অক্ষর লিখে মন্তব্য করলেও আপনার কোনো ক্ষতি নেই। বরং এতে আমার আনন্দ হয়, কারণ আপনি উপকারী দীনী বিষয়বস্তু ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করছেন। সব কৃতজ্ঞতা সেই আন্তরিক ও বিশ্বস্ত অনুসারীদের, যারা সবসময় প্রতিক্রিয়া জানান।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

1000
Dhaka