বাংলাদেশের সকল নাগরিক দেশের অভ্যন্তর থেকে ১৬৪৪৫ এবং প্রবাস/বিদেশ থেকে ০৯৬৬৬৭১৬৪৪৫ নম্বরে কল করে পাসপোর্ট সংক্রান্ত তথ্য ও পরামর্শ পেতে পারবেন। এছাড়াও বিদেশী নাগরিকগণ একই নম্বরে কল করে ভিসা সংক্রান্ত তথ্য ও পরামর্শ পাবেন।
Department of Immigration and Passports
This is the official page of Department of Immigration & Passport.You can post here your valuable comments regarding how we can develop the service quality
26/07/2023
কোন পরিশ্রম বৃথা যাই না। আমরা রাত দিন পরিশ্রম করছি ধীরে ধীরে সফলতাও পাচ্ছি।আরো উন্নতি করতে হলে সকলের সহযোগীতা প্রয়োজন।
গত ১৭ বছর ধরে ১৯৯ টি দেশের শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচক প্রকাশ করে আসছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হ্যানলি অ্যান্ড পার্টনার্স। গতবার বাংলাদেশ অবস্থান ছিল ১০৮তম।সম্প্রতি প্রকাশিত শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে ১০৩তম অবস্থানে রয়েছে লিবিয়া ও কসোভো।
শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে লাভ কি ?
শক্তিশালী পাসপোর্ট সুচকে প্রতিবেশী দেশ ভারত ৮৩তম অবস্থানে আছে।তাই ভারতীয় পাসপোর্ট দিয়ে বিশ্বের ৬০টি দেশে ভিসা ছাড়া বা ‘অন অ্যারাইভাল ভিসা’য় ভ্রমণ করা যায়, আর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ৪০টি দেশে এ সুযোগ আছে।অর্থাৎ যার পাসপোর্ট যত বেশী শক্তিশালী সে দেশ তত বেশী দেশে ভিসা ছাড়া অথবা এনভিআর দিয়ে ভ্রমন করতে পারবে।
কিসের উপর ভিত্তি করে শক্তিশালী পাসপোর্ট এর মান নির্ধারন করা হয়?
কোন দেশের পাসপোর্ট দিয়ে আগাম ভিসা ছাড়াই কতটি দেশে যাওয়া যায়, মূলত তার ওপর ভিত্তি করে শক্তিশালী পাসপোর্টের এ সূচক তৈরি করা হয়।পাশাপাশি কূটনৈতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক অবস্হা এবং পাসপোর্টের বিশ্বাসযোগ্যতা/ সিকিউরিটি ফিচার এর উপরও কিছুটা নির্ভর করে।
তাই ঘনঘন তথ্য পরিবর্তন থেকে বিরত থেকে বিভিন্ন দেশে পাসপোর্ট এর বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে সাহায্য করুন।সঠিক তথ্যে পাসপোর্ট করুন তাতে করে বহিঃবিশ্বে পাসপোর্ট এর credibility বাড়বে এবং ভবিষৎতে অনেক দেশে ভিসা ছাড়া ভ্রমন করতে পারবেন।
19/10/2022
আলহামদুলিল্লাহ আজ ই-ভিসা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ-আরব আমিরাতের সমঝোতা স্মারক সই ই-ভিসা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. আবদুল্লাহ আল মাসুদ চৌধুরী এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লা আল মৌদি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এ সমঝোতা স্বাক্ষর করেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয়। আরো উপস্হিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর ও UAE এর নীতি নির্ধারক কর্মকর্তাগণ।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান জাতীয় লক্ষ্য হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ যা অর্জিত হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে। বাংলাদেশি ই-ভিসা বাস্তবায়নও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি। বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। সুরক্ষা সেবা বিভাগ ইদানিং অনলাইন সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স সিস্টেম সহজেই বিভিন্ন বিষয়ে সেবা প্রদান করছে। বাংলাদেশ ই-ভিসা বাস্তবায়ন হলো সুরক্ষা সেবা বিভাগের প্রয়াস যার মাধ্যমে অনলাইন ভিসা সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে।
ই-ভিসা চালু বাংলাদেশের পর্যটনের জন্যও সুফল বয়ে আনবে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, যে সকল বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশ ভ্রমণে ইচ্ছুক তারা সহজেই ই-ভিসা সিস্টেমের মাধ্যমে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারবেন। আমরা বিশ্বাস করি এটি বিদেশি বিনিয়োগ এবং পর্যটনখাতে অনেক সুযোগ সৃষ্টি করবে।
14/06/2021
Notice
বর্তমানে ই-পাসপোর্টের জরুরী (Super Express) সেবাটি শুধুমাত্র এম আর পি (MRP) পাসপোর্টের রি-ইস্যুর আবেদন করে ই-পাসপোর্ট প্রাপ্তির ক্ষেত্রে চালু আছে। নতুন ই-পাসপোর্টের আবেদনে সেবাটি এখনও চালু হয়নি। উক্ত সেবাটির আবেদন সকল অফিসে করা গেলেও পাসপোর্ট বুকলেট টি আগারগওঁ অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
From tomorrow below listed offices will start e-Passport activities :
1. Gopalganj
2. Manikganj
3. Narsingdi
4. Noakhali
5. Feni
6. Cumilla
7. Chandgaon
Total : 17 Offices started e-Passport activities
NB : Plz see our previous post for 10 other Offices name.
ই-পাসপোর্টের সচরাচর জিজ্ঞাস্য প্রশ্নসমুহ
Apply Your e-Passport Application Here
ই-পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে ফেললে তা আর সংশোধন করা যায় না। তবে সামান্য কিছু ভুল হলে তা পাসপোর্ট অফিসে এনরলমেন্ট এর সময় সংশোধন করা যায়। আপনার ভুলের বিষয় টি এনরলমেন্ট অফিসার কে উল্লেখ করুন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করুন। আপনার ডেলিভারি স্লিপ টি চেক কুরুন এবং এক কপি ডেলিভারি স্লিপ সাইন করে অফিসে জমা দিন।
ই-পাসপোর্ট আবেদন জমা দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১। আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি
২। এপয়েন্টমেন্ট শিডিউলের প্রিন্ট কপি
৩। মূল জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্মনিবন্ধন সনদ এবং তার ফটোকপি (২০ বছর বয়স থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামুলক)
৪। পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এবং পাসপোর্ট এর ডাটা পেইজ এর ফটোকপি (যদি থাকে)
৫। তথ্য সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (যদি থাকে)।
MRP পাসপোর্টের অব্যবহৃত ফি ই-পাসপোর্ট এ ব্যবহার করা যাবে এবং ই-পাসপোর্ট এর অব্যবহৃত ফি MRP পাসপোর্টে ব্যবহার করা যাবে। উভয় ক্ষেত্রে: আবেদনকারী অতিরিক্ত ফি প্রাপ্য হলে তা ফেরতযোগ্য নয়। তবে কম হলে ব্যাংক হতে সমন্বয় করতে হবে।
এমআরপি (MRP) পাসপোর্ট এর মেয়াদ থাকলেও তা দিয়ে ই-পাসপোর্ট করা যাবে অথবা না থাকলেও করা যাবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Opening Hours
| Friday | 09:00 - 17:00 |
| Saturday | 09:00 - 17:00 |
