Cyber Crime DB DMP

Cyber Crime DB DMP

Share

Cyber Crime DB DMP is working against cyber crime.If you are VICTIM related with cyber crime you can get help from us and feel free to contact with us.

Photos 20/10/2015

পিডিবির সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী খিজির খান হত্যা রহস্য উদঘাটন : গ্রেফতার ২

গত ১৪/১০/২০১৫ বুধবার ডিএমপি’র গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ অভিযান চালিয়ে প্রকৌশলী খিজির খান হত্যার ২ আসামীকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতরা হল তরিকুল ইসলাম ওরফে তারেক ওরফে মিঠু ও মোঃ আলেক বেপারী। এর মধ্যে হত্যাকারী দলের নেতা মোঃ তরিকুল ইসলামকে টাঙ্গাইল জেলা থেকে এবং আলেক বেপারীকে রাজধানীর মিরপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত হতে হত্যাকান্ডের সময় লুণ্ঠিত ২টি ল্যাপটপ ও ২টি ক্যামেরা উদ্ধার করা হয়।উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত মোঃ তরিকুল ইসলাম তারেক ওরফে মিঠু জেএমবি’র অন্যতম সংগঠক। ২০০৫ সালে দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলা মামলায় চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার হয়ে ৫ বছর কারাভোগ করে। আলেক বেপারী পেশায় ড্রাইভার ও র্দূবৃত্ত দলের সহযোগী।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা হত্যাকান্ডের সাথে তাদের সম্পৃক্ততা স্বীকার করে। তারা আরও জানায়, মতাদর্শগত কারণে তার এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে।

গত ০৫/১১/২০১৫ খ্রিঃ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ০৭.০০ টায় একদল দুস্কৃতিকারী প্রকৌশলী খিজির খান এর মধ্যবাড্ডা গুদারাঘাটস্থ জ-১০/১ নং হোল্ডিং এর ৬ তলা বাসার ৩য় তলায় কলিং বেল এর মাধ্যমে খিজির খানকে ডাকে। তিনি তাদেরকে বাসার ২য় তলায় নকশেবন্দিয়া মোজাদ্দেদীয়া তরীকতের “রহমতিয়া খানকা শরীফ” এ বসতে বলেন। র্দুবৃত্তদল দুই ভাগে ভাগ হয়ে এক ভাগ ২য় তলায় নেমে আসে, অপর দলটি ৩য় তলায় ঢুকে অস্ত্রের মুখে বাসায় উপস্থিত সকলের হাত ও চোখ বেধে বাসার মুল্যবান জিনিসপত্র লুট করে। লুট শেষে ২য় তলায় উপস্থিত দলটির সাথে একত্রিত হয়ে খিজির খানের হাত ও চোখ বেঁধে গলা কেটে হত্যা করে। এ সংক্রান্তে নিহতের ছেলে বাড্ডা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ডিবির সংশ্লিষ্ট টিমসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগন উপস্থিত হন এবং হত্যার ধরন, প্রকৃতি, ক্রাইমসিন, ইত্যাদি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষন করতঃ মামলাটির ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধের ধরন, প্রকৃতি, প্রযুক্তি ব্যবহার ও বিশ্বস্ত গুপ্তচরের মাধ্যমে হত্যাকারী ও তাদের সহযোগীদের সনাক্ত করতে সমর্থ হয় এবং আসামীদের গ্রেফতার করে।

ডিসি ডিবি (উত্তর) শেখ নাজমুল আলম, বিপিএম, পিপিএম (বার) এর নির্দেশনায় এডিসি মোঃ মাহফুজুল ইসলাম পিপিএম এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এডিসি মোহাম্মদ শাহজাহান এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

Photos 20/10/2015

পিএসসির উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ভুয়া পরিক্ষার্থী চক্রের ৭ সদস্য গ্রেফতার

গত ১২/০৯/২০১৫ তারিখ ও ১৩/০৯/২০১৫ তারিখ মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ রাজধানীর শেরেবাংলা নগর, কল্যাণপুর, বাংলামোটর ও শেওড়াপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সাথে জড়িত ৭ জনকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃতরা হল মোঃ নিয়ামুল হাসান ওরফে সৈকত, মোঃ হারুন অর রশিদ, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ রমজান আলী, মোঃ রুবেল আহম্মেদ, মোঃ জসিম সিকদার ওরফে রানা ও মোঃ আকবার হোসেন। এ সময় তাদের নিকট থেকে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) পরীক্ষার হুবহু প্রশ্নপত্র, উত্তরপত্র, পরীক্ষার প্রবেশপত্র ও নগদ ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে ৩ ভূয়া পরিক্ষার্থী মোঃ নিয়ামুল হাসান ওরফে সৈকত, মোঃ হারুন অর রশিদ,মোঃ দেলোয়ার হোসেনকে গোয়েন্দা পুলিশ ১২/০৯/২০১৫ তারিখ দুপুর ০২.০০টায় শেরেবাংলা নগর বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে গ্রেফতার করে। তাদের দেয়া তথ্যমতে প্রকৃত পরিক্ষার্থী মোঃ রুবেল আহম্মেদ ও প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত সহযোগী মোঃ রমজান আলীকে বিকেল ০৫.০০ টায় কল্যাণপুরের ওয়েস্ট পয়েন্ট হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছে পরীক্ষার হুবহু প্রশ্নপত্র, উত্তরপত্র ও পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাওয়া যায়। পরবর্তী সময়ে রমজান আলী’র তথ্যমতে প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত আরও একজন সহযোগী মোঃ জসিম সিকদার ওরফে রানাকে বাংলামোটর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। সহযোগী রানা প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত মূল হোতা মোঃ আকবর হোসেন এর অবস্থান নিশ্চিত করে। উল্লেখ্য আকবর হোসেন পিএসসির এমএলএসএস পদে কর্মরত। ১৩/০৯/২০১৫ তারিখ বিকেল ০৫.০০ টায় তাকে পিএসসি এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় এবং তার দেয়া তথ্যমতে তার বাসা থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁসে প্রাপ্ত ৫০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে জড়িতরা জানায় তাদের সাথে আরও কয়েক জনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। উল্লেখ্য যে, মূল হোতা আকবরের আরও একজন সহযোগী মোঃ বিল্লাল হোসেন পলাতক রয়েছে। সে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পিএসসির এমএলএসএস হিসেবে কর্মরত।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ (উত্তর), ডিএমপি, ঢাকার ডিসি শেখ নাজমুল আলম বিপিএম, পিপিএম-বার এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে, এডিসি মোঃ শাহজাহানের নির্দেশনায়, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ নাজমুল ইসলাম এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

Photos 20/10/2015

রাজধানীর খিলক্ষেত থেকে নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহ্রীর এর ৭ সদস্য গ্রেফতার

গত ১২/০৯/১৫ তারিখ শনিবার রাত ১০.৫০ টায় রাজধানীর খিলক্ষেত থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হিযবুত তাহ্রীর এর ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি’র গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ।

গ্রেফতারকৃতদের নাম একরামুল খায়ের ওরফে অপু, মোঃ আব্দুল কাইয়ুম ওরফে কাইয়ুম, মোঃ নাজমুল হাসান ওরফে নিপন, মোঃ ইব্রাহীম শেখ ও মোঃ রাশেদুল ইসলাম শেখ।

এ সময় তাদের হেফাজত হতে বিভিন্ন ধরনের লিফলেট, জিহাদী বই ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, তারা রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমের মাধ্যমে খিলাফাহ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছিল।

উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃত একরামুল খায়ের ওরফে অপু, মোঃ আব্দুল কাইয়ুম ওরফে কাইয়ুম, মোঃ ইব্রাহীম শেখ ও মোঃ রাশেদুল ইসলাম শেখ ইতোপূর্বে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার হয়ে হাজত বাস করেছে।

অন্যদিকে একই দিনে খিলক্ষেত এলাকা থেকে হিজবুত তাহরীর এর আরও ২ সদস্যকে সন্ধ্যা ০৬.৩০ টায় গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের নাম মোঃ আরিফুল ইসলাম ও এ এস এম তারেক আমিন।

উল্লেখ্য আরিফ ও তারেক তাদের দাবীকৃত Enlighted Thinker ও Asm Tareq Amin নামে ফেসবুক একাউন্ট থেকে হিজবুত তাহরীর এর বিভিন্ন লিফলেট পোস্ট দেয়া, অনলাইনে হিজবুত তাহরীর এর রাজনৈতিক সম্মেলন আটকাতে প্রতিরক্ষা বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ করাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রবিরোধী স্ট্যাটাস ও পোস্ট দিয়ে রাষ্ট্রীয় ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন করেছে। আসামীদের পোস্টকৃত অবৈধ স্ট্যাটাসগুলোর স্ক্রীনশটের প্রিন্ট কপি জব্দ করা হয়েছে। আসামীদের বিরুদ্ধে খিলক্ষেত থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ (উত্তর) এর উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ নাজমুল আলম বিপিএম, পিপিএম(বার) এর নির্দেশনায় অতি: উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহজাহান এর তত্ত্বাবধানে সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ নাজমুল ইসলাম এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

Photos 20/10/2015

রাজধানীতে ফেসবুক এর মাধ্যমে পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও উত্তরপত্র জালিয়াতি প্রতারক চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার

গত ১৫/০৭/২০১৫ তারিখ রাতে রাজধানীর ডেমরা থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ফেসবুক এর মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস, উত্তরপত্র জালিয়াতি ও প্রতারক চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি’র গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ।

গ্রেফতারকৃতরা হলো-১। রায়হান চৌধুরী ওরফে ড্যান ব্রাউন ২। রাহুল মিয়া ৩। রায়হান মিয়া ৪। আরেফিন রাব্বি ৫। অভি আব্দুল্লাহ ও গোলাম মোস্তফা মডেল কলেজ, ডেমরা এর ম্যানেজিং কমিটির অন্যতম সদস্য এবং পরিচালনা বোর্ডের সহকারী পরিচালক ৬। আব্দুল মজিদ। ডিএমপি ডিবি’র সাইবার অপরাধ টিম বেশ কয়েক দিন ধরে পরিচালিত সাইবার (অনলাইন ইন্টারনেট) গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে উক্ত চক্রের সন্ধান পায় ও উক্ত চক্রকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

এ সময় তাদের হেফাজত হতে ইন্টারনেট (ওয়েবসাইট ও ফেসবুক) পরিচালনা করার কাজে ব্যবহৃত ২ টি সিপিইউ, ১ টি লেনোভো ট্যাব, ১ টি লেনোভো ল্যাপটপ, ৯ টি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোবাইল সেট, পরীক্ষার উত্তরপত্র, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও বিকাশ অ্যাকাউন্ট এর হিসেব রাখার জন্য ৪ টি ডায়েরি/ রেজিস্টার/ খাতা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, গত এইচএসসি/২০১৫ পরীক্ষায় উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ এর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকরা গনিত (৩১/০৫/২০১৫,০২/০৬/২০১৫), রসায়ন (২০/০৫/২০১৫, ২৪/০৫/২০১৫) পরীক্ষার দিন ভল্ট থেকে প্রশ্নপত্র খুলে সকাল ০৭.০০ টা থেকে ০৮.০০ টা পর্যন্ত উক্ত কলেজের পরীক্ষায় অংশ গ্রহণকারীদের হলরুমে একত্রিত করে প্রশ্নপত্রের সমাধান করতেন। তখন মোঃ আব্দুল মজিদ প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মাস্টার মাইন্ড রায়হান চৌধুরীকে সরবরাহ করত। রায়হান চৌধুরী তাৎক্ষণিকভাবে তা ফেসবুকের ইনবক্সে দিত। আগ্রহী প্রার্থীরা যোগাযোগ করে বিকাশের মাধ্যমে তাদের টাকা দিত। পরে তারা তাদেরকে প্রশ্নপত্র বিলি করত। উক্ত টাকা পরবর্তী সময়ে সবার মাঝে ভাগ করা হত।

উল্লেখ্য, তারা উত্তরপত্র টেম্পারিং করার কথা বলেও ফেসবুকের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের আকৃষ্ট করত ও মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিত।
আসামীদের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ও পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইনে ডেমরা থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগের ডিসি শেখ নাজমুল আলম বিপিএম, পিপিএম (বার) এর নির্দেশনায় এডিসি মোঃ শাহাজাহান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে সাইবার ক্রাইম টীমের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ নাজমুল ইসলাম এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

Photos 20/10/2015

বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ ও অনলাইন পত্রিকায় মুসলমান ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার চেষ্টাকারী গ্রেফতার

গত ১৬/০৬/২০১৫খ্রি. মঙ্গলবার রাজধানীর ৮৫/১-এ, পুরানা পল্টন এলাকা হতে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুসলমান ও বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভিন্ন মিথ্যা ও বানোয়াট খবর প্রচার কাজে নিয়োজিতএক জনকে গ্রেফতার করেছে ডিএমপি’র গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ । গ্রেফতারকৃতের নাম সাখাওয়াত হুসাইন (৩৮)। এ সময় তার কাছ হতে ১টি এইচপি মিনি ল্যাপটপ, সিপিইউ ১টি ও ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামী জানায়, সে Online পত্রিকা Islamicnews24.net এর সম্পাদক। তার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার কোর্টচাঁদপুর থানার পোস্ট অফিস পাড়া এলাকায়। Online-এ ব্যবহৃত তার বর্তমান বাসার ঠিকানা হলো বাসা নং-১৯, ৫ম তলা, এল ব্লক, দক্ষিণ বনশ্রী, দশ তলার সামনে, থানা-খিলগাঁও।

সে আরো জানায়, বেশ কিছুদিন Online পত্রিকা Islamicnews24.net এবং ফেসবুক পেইজ [email protected] তে বিভিন্ন লেখা ও পোস্টের মাধ্যমে মিথ্যা প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন যে, মায়ানমারে বৌদ্ধরা রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্মমভাবে অত্যাচার করছে এবং এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে বাংলাদেশসহ বিশ্ব মুসলমানদের রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিরুদ্ধে মুসলমানদের রুখে দাঁড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের মুসলমান সম্প্রদায় এবং বৌদ্ধদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি হয়। সে মায়ানমারে মুসলিম গণহত্যার নির্মম ইতিহাস (ভিডিও সহ) প্রচার করে, যা মুসলমানদেরকে বৌদ্ধদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে উস্কানি স্বরুপ।
উল্লেখ্য, তার পোস্টকৃত স্থিরচিত্র সমূহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির প্রয়াসে পোস্ট করা হয়েছে বলে সে জানায়। এছাড়াও ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে মিথ্যা ছবি ও তথ্য দিয়ে দেশের শান্তিপ্রিয় মুসলমানদের মধ্যে উস্কানিমূলক বিভ্রান্তি সৃষ্টি তথা চরমপন্থিতার দিকে ধাবিত করে আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটানও তার অন্যতম লক্ষ্য। যা রাষ্ট্র ও দেশের জনগনের শান্তি বিনষ্ট করবে।
আজ ১৭/০৬/২০১৫ তারিখ বুধবার ১১.০০ টায় মিডিয়া সেন্টারের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গোয়েন্দা ও অপরাধ তথ্য বিভাগ এর জয়েন্ট কমিশনার জনাব মনিরুল ইসলাম বলেন, সে একটি অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক। সে মিয়ানমার মুসলমানদের উপর বৌদ্ধদের নির্মম অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির লক্ষ্যে তার অনলাইন পত্রিকায় বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা সংবাদ, ছবি ও ভিডিও প্রচার করেন। সে একটি মুভির ধারণকৃত অংশ কাটপিস করে ভিডিও টি তার অনলাইন পত্রিকায় পোস্ট করেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ের সংঘর্ষের ছবি এডিট করে পত্রিকায় পোস্ট করেন। এবং সে এই সব ঘটনাকে মিয়ানমারের মুসলমানদের উপর বৌদ্ধদের নির্মম অত্যাচারের দৃশ্য বা ঘটনা বলে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেন। যাতে মুসলমান ও বৌদ্ধদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সৃষ্টি হয়। সে কোন মহলের হয়ে এই অপরাধ মূলক কাজ করে থাকেন কিনা এবং তার অথের্র যোগানদাতা হিসেবে কোন ব্যক্তি বা অন্য কোন রাষ্ট্র জড়িত আছে কিনা তা আরো জিজ্ঞাসাবাদে জানা যাবে।
তার বিরুদ্ধে পল্টন থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন/২০০৬ এ একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।
গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগের উপ- পুলিশ কমিশনার শেখ নাজমুল আলম বিপিএম, পিপিএম(বার) এর সার্বিক নির্দেশনায় অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ শাহাজাহান এর তত্ত্বাবধানে, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার জনাব মাহফুজুল আলম রাসেল এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

Photos 20/10/2015

রাজধানীতে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন ISIS এর ০১ সদস্য গ্রেফতার

ডিএমপি’র গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ গত ০৭/০৬/২০১৫ খ্রিঃ রবিবার রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন ISIS এর ০১ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে । গ্রেফতারকৃতের নাম ফিদা মুনতাসির সাকের । এসময় তার হেফাজত হতে CPU- Mercury পুরাতন একটি, ৩টি ল্যাপটপ, ৩টি মোবাইল সেট, হার্ডডিস্ক ২টি, মাউস ৩টি. ল্যাপটপ চার্জার ২টি, পাসপোর্ট ১টি, বিভিন্ন ধরণের ২১টি বই, ৩টি লিফলেট, নোট বই ১টি, ফেসবুকের ভৎরবহফ ষরংঃ এর ¯ক্রীন শট (১ থেকে ৮২ পাতা), ই মেইল আইডিতে সংরক্ষিত জিহাদ এবং ISIS সম্পর্কিত বিভিন্ন পুস্তকের front page এর স্ক্রীন শট।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত মুনতাসির আল সাকের জানায় যে ,সে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ISIS এর বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসাবে তার নিজ বাসায় বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান হতে কর্মী সংগ্রহ ও লোকদের আশ্রয় প্রদান করে ও প্রশিক্ষন দিয়ে থাকে।

সে আরও জানায়, তার সহযোগী ১০/১২ জন অজ্ঞাত নাম আনসারউল্লাহ বাংলাটিমের সদস্যদের সাথে গোপন বৈঠক মিলিত হয়ে মধ্য প্রাচ্যের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন ওঝওঝ এর সদস্য সংগ্রহ এবং কর্মপরিকল্পনা নির্ধারন করার জন্য বৈঠক করছিল । উল্লেখ্য যে, সে আনসার উল্লাহ বাংলাটিমের সক্রিয় সদস্য বলে জানায়। ইতিপূর্বে সে হিজবুত তাহরীরের সদস্য ছিল, বর্তমানে আনসার উল্লাহ বাংলাটিমের সক্রিয় সদস্য ও জুনুদ আল তাওহীদ খিলাফাহ নামে ISIS এর আদলে বাংলাদেশে খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য জিহাদী সংগঠন গড়ে তুলেছে।

সে জানায়, বর্তমান দেশের গনতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থাকে উৎখাতের মাধ্যমে SIS কর্তৃক নির্দেশিত খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সে তার সহযোগীদের নিয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রচার করে থাকে । এছাড়াও গোপনে অথর্, অস্ত্র, ও কর্মী সংগ্রহ করে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনার মাধ্যমে দেশের আইন শৃঙ্খলার অবনতি দেশের গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের টার্গেট করে হত্যা ইত্যাদির মাধ্যমে এর আদলে খিলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সক্রিয় ভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। তাদের সংগঠনের অনেক সদস্য বর্তমানে ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তৎপর রয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।
আজ ০৮-০৬-১৫ তারিখ সোমবার ১১.৩০ টায় ডিএমপি’র মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে গোয়েন্দা অপরাধ তথ্য বিভাগ এর ভারপ্রাপ্ত জয়েন্ট কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় এই তথ্য প্রদান করেন।

ডিএমপির গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ ডিসি শেখ নাজমুল আলম পিপিএম বার এর নির্দেশনায় এডিসি মোঃ শাহজাহান এর সার্বিক তত্বাবধানে এবং সিনিঃ সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ জামাল পাশা সাহেবের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

Photos 20/10/2015

আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন ISIS এর ০১ সদস্য গ্রেফতার

ডিএমপি’র গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ ৩০/০৫/২০১৫ খ্রি. শনিবার রাতে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন ISIS এর ১ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতের নাম আব্দুল্লাহ আল গালিব। এ সময় তার হেফাজত থেকে ১টি র্পাসপোর্ট, ৪ টি হার্ডডিক্স, ২টি পোর্টেবল হার্ডডিক্স, ১০ টি সিডি, ১০টি সিডির কভার, ক্রিম কালারের মেইড ইন পাকিস্তান লেখা ১টি টুপি, ১টি সিপিইউ, বিভিন্ন লেখকের ৪৩ টি ইসলামী জিহাদী বই ও মইনুল ইসলামের মাসিক ৩টি পত্রিকা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আব্দুল্লাহ আল গালিব জানায় যে, সে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় ISIS এর বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসাবে তার নিজ বাসায় বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান হতে ও ISIS এর কর্মী সংগ্রহ ও লোকদের আশ্রয় প্রদান করে ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। তার সহযোগী ১০/১২ জন অজ্ঞাতনামা আনসার উল্লাহ বাংলা টিমের সদস্যদের সাথে গোপন বৈঠকে মিলিত হয়ে মধ্যপ্রাচ্যের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন ওঝওঝ এর সদস্য সংগ্রহ এবং কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করার জন্য বৈঠক করছিল।
উল্লেখ্য সে আনসার উল্লাহ বাংলা টিমের সহ-সমন্বয়ক বলেও জানায়। ইতোপূর্বে সে হিজবুত তাহরীরের সদস্য ছিল। বর্তমানে আনসার উল্লাহ বাংলা টিমের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে “জুনুদ আল তাওহীদ ওয়াল খিলাফাহ” নামে ISIS এর আদলে বাংলাদেশে খিলাফাত প্রতিষ্ঠার জন্য একটি সশস্ত্র জিহাদি সংগঠন গড়ে তুলেছে। বর্তমানে দেশের গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থাকে উৎখাতের মাধ্যমে ওঝওঝ কর্তৃক নির্দেশিত খিলাফত এবং জুনুদ আল তাওহীদ ওয়াল খিলাফাহ প্রতিষ্ঠার জন্য সে তার সহযোগীদের নিয়ে বিভিন্ন তথ্য প্রচার করে থাকে। এছড়াও গোপনে অর্থ ও কর্মী সংগ্রহ করে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনার মাধ্যমে দেশের আইন শৃঙ্খলার অবনতি দেশের গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের টার্গেট করে হত্যা ইত্যাদির মাধ্যমে খিলাফত প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে সহ-সমন্বয়ক দায়িত্ব পালন করে আসছে। তাদের সংগঠনের অনেক সদস্য বর্তমানে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তৎপর রয়েছে।
আজ ৩১-০৫-২০১৫ খ্রি. ডিএমপি’র মিডিয়া সেন্টারে এক প্রেস ব্রিফিং এ মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য (উত্তর) বিভাগের ডিসি শেখ নাজমুল আলম পিপিএম-বার এ তথ্য জানান ।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য (উত্তর) বিভাগের ডিসি শেখ নাজমুল আলম পিপিএম-বার এর নির্দেশনায়, এডিসি মোঃ শাহাজাহান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং এসি মাহফুজুল আলম রাসেল এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

Photos 20/10/2015

আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন আইএসআইএস এর ০২ সদস্য গ্রেফতার

গত ২৪/০৫/২০১৫ খ্রি. রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম মডেল থানার সেক্টর ১৪, রোড ১১ থেকে এবং মোহাম্মদপুর থানাধীন লালমাটিয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ০২ জনকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ। গ্রেফতারকৃতরা হলো বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন “জামাতুল মোজাহিদীন বাংলাদেশ” (জেএমবি) এর আঞ্চলিক সমন্বয়ক ১। মোঃ আমিনুল ইসলাম বেগ এবং (জেএমবি) সদস্য ২। সাকিব বিন কামাল। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে ০১টি ল্যাপটপ, ০১টি ল্যাপটপ চার্জার, ০৩টি দামী মোবাইল সেট, বিভিন্ন লেখকের ০৭ টি ইসলামী জিহাদী বই ও ডায়েরী উদ্ধার করা হয়।

বর্তমানে দেশের গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থাকে উৎখাতের মাধ্যমে ISIS কর্তৃক নির্দেশিত খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য তারা বিভিন্নভাবে প্রচারের মাধ্যমে গোপনে অর্থ ও কর্মী সংগ্রহ, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনার মাধ্যমে দেশের আইন শৃংখলার অবনতি, দেশের গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের টার্গেট করে হত্যা ইত্যাদির মাধ্যমে খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য আন্তর্জাতিক সংগঠন ISIS এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি হিসাবে ও সমন্বয়ক হিসাবে কাজ করে আসছিল। ISIS এর নিকট হতে অর্থ ও মারাত্মক অস্ত্র সংগ্রহ করে এবং বিষ্ফোরক দ্রব্যের মাধ্যমে বিষ্ফোরণ ঘটিয়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করে ক্ষতিসাধন, হুমকি সৃষ্টি ও খেলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য। তারা বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত জেএমবির সদস্য হলেও বর্তমানে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠন ISIS এর সাথে গোপন যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশে তাদের সংগঠন তৈরী, সদস্য সংগ্রহ ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে বলে স্বীকার করে। তাদের সংগঠনের অনেক সদস্য বর্তমানে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তৎপর রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য (উত্তর) বিভাগের ডিসি শেখ নাজমুল আলম এর নির্দেশনায়, এডিসি মোঃ শাহাজাহান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং এসি মাহফুজুল আলম রাসেল এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

Photos 20/10/2015

বাঁশেরকেল্লার এ্যাডমিন ও শিবিরের মিডিয়া উইং এর প্রধান গ্রেফতার

ডিএমপি’র গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ ১২/০৩/২০১৫ তারিখ বিকাল সাড়ে ৪ টায় কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজের শিক্ষকদের আবাসিক এলাকা থেকে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্রচার বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক এবং বাঁশেরকেল্লাসহ অর্ধশতাধিক ফেসবুক পেজের এ্যাডিটরিয়াল এ্যাডমিন কে এম জিয়া উদ্দিন ফাহাদ কে গ্রেফতার করেছে। এ সময় তার হেফাজত হতে ১ টি ল্যাপটপ, ২টি নোকিয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।এ বিষয়ে ১৩/৩/১৫ সকাল সাড়ে ১১টায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবির যুগ্ন কমিশনার মো: মনিরুল ইসলাম বলেন, ফাহাদ এসব আইডি দিয়ে বিচার বিভাগ, পুলিশ, লেখক এবং সাহিত্যিকদের বিদ্রুপকর ব্যঙ্গচিত্র ও হত্যার হুমকি প্রদান করে থাকে। তাকে জামায়াত-শিবিরের আইটি বিষয়ক সমন্বয়ক করা হয়। ফাহাদ বাঁশখালির এক ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের ছেলে। তার বোনের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, দুটি ছদ্ম নামে অর্থাৎ বিপ্লব দহন ও ট্রুথ ফাইন্ডার নামে পেজগুলো চালাতো। ফাহাদ এসব আইডি দিয়ে বিচার বিভাগ, পুলিশ, লেখক এবং সাহিত্যিকদের বিদ্রুপকর ব্যঙ্গচিত্র ও হত্যার হুমকি প্রদান করে থাকে। তাকে জামায়াত-শিবিরের আইটি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক করা হয়।
তিনি বলেন,এই পেইজের সাথে আরো যারা রয়েছে তাদের আমরা গ্রেফতারের চেষ্টা চালাবো।

যুগ্ন কমিশনার বলেন, ফাহাদ বাঁশেরকেল্লা (মেইন বাঁশেরকেল্লা), তিতুমীরের বাঁশেরকেল্লা, আওয়ামী ট্রাইবুনাল, বাকশাল নিপাত যাক, আই এ্যাম বাংলাদেশী, ডিজিটাল রুপে বাকশাল, বিএএন বাঁশখালী নিউজ-২৪, ইসলামী অনলাইন এক্টিভিস্ট, তরুন প্রজন্ম, বাঁশেরকেল্লা ইউএসএ, ভিশন ২০২১, ইত্যাদি অর্ধশতাধিক ফেসবুক পেজের এ্যাডিটরিয়াল এ্যাডমিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল।

গ্রেফতারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, সে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্রচার বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে বর্তমানে নিয়োজিত এবং সে নিজ নামে ও ছদ্ম নামে অর্ধশতাধিক ফেসবুক আইডি ও ই-মেইল আইডি খুলে বাঁশের কেল্লা এবং বাঁশের কেল্লা ইউএসএ ফেসবুক পেজ এর এ্যাডিটরিয়াল এ্যাডমিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছে। এ ছাড়াও ট্রুথ ফাইটার ফেসবুক আইডি এর মাধ্যমে আরও অর্ধশতাধিক পেইজ পরিচালনা করেন।

উল্লেখিত ফেসবুক আইডি ও ই-মেইল আইডি সমূহ ব্যবহার করে ফাহাদ সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে ভিভিআইপি, দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, পুলিশ, সেনা বাহিনী, বডার গার্ড বাংলাদেশ ও র‌্যাব’সহ বিভিন্ন আইন শৃংখলা বাহিনীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন উস্কানিমূলক ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য গ্রাফিকসহ অন্যান্য সফট্ওয়ার ব্যবহার করে তার উপরে ডিজাইন করে পোস্ট করত। তার এ পোস্টসমূহ ছাত্র শিবিরের প্রচার বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত অন্যান্য সহযোগীদের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার করত। ইসলামী ছাত্র শিবিরের প্রতি সহানুভূতি তৈরী এবং সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তৈরীতে এ প্রচারনা চালাত বলে সে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে।

ডিবি সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মোঃ শাহজাহান এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


36/minto Road, Ramna
Dhaka
1000