__ছেলেটি আজও বাথরুমে সাবান দেখলেই কাদে 😓
__কারন মেয়েটির নাম ছিল কেয়া 🐸🐸
৩ নং দলদলী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ
Interested Person All Time Welcome
23/09/2021
জননেত্রী আপনি ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে এমপিদের হাতে কোন চাকুরী দেওয়ার ক্ষমতা রাখেননি এটা সাধারণ মানুষকে বুঝাবার জন্য জেলায় জেলায় জনবল নিয়োগ দেন।।
একটা সময় যখন পরিবারের বোঝা হয়ে দাঁড়ায় ছাত্রলীগ, তখন আসেপাশে লোকজন বলা শুরু করে দলের জন্য জীবন বাজি রেখে এতো পরিমাণে দৌঁড়ালে দলের লোকজন (এমপি)কে বলে একটা চাকরি নিতে পারলে না।
অনেকে আবার বিদ্রুপ করে বলে দলের পিছনে ছুটে জীবনটাকে নষ্ট(বেকার) করলে ।
আমি ক্লান্ত আর পারছিনা মানুষের এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে।
জননেত্রী এমন একটা সময় আসবে গ্রাম পর্যায়ে আওয়ামিলীগের রাজনীতি করার জন্য শিক্ষিত কোন লোক খুজে পাবেন না।
সময়টা বেশি দুরে নাই।
30/08/2021
দেশের বিদ্যুৎ জ্বালানির ইতিহাসে এক যুগ অনন্য সাফল্য বয়ে এনেছে। বিদ্যুৎখাত উন্নয়ন সূচকের ১১ খাতের সবগুলোতেই ধারাবাহিক উন্নতি এই সাফল্য বয়ে এনেছে। এক যুগে প্রধান চার সূচক-কেন্দ্র নির্মাণ ৪৪০ ভাগ, উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ৩৫৪ ভাগ, নীট উৎপাদন ২৩৫ ভাগ বৃদ্ধির সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগের সংখ্যা বেড়েছে ২৭৬ ভাগ।
এখন সরকারি পরিসংখ্যানে বিদ্যুৎ খাতকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। একটি ১৯৭২ থেকে ২০০৯ অন্যটি ২০০৯ থেকে ২০২১ এই এক যুগ। মোটা দাগে দেখা যাচ্ছে ২০০৯ সালে দেশে মাত্র ২৭টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র ছিল। এই ২৭টি বিদ্যুৎ কেন্দ্রর মধ্যে বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্বাধীনতার আগে নির্মাণ করা হয়েছিল। কেন্দ্রগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও জোড়াতালি দিয়ে তা চালিয়ে নেওয়া হচ্ছিলো। পরবর্তীতে এসব কেন্দ্রর জায়গাতে নতুন কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। ৩৭ বছরের প্রচেষ্টায় দেশের মাত্র ৪৭ শতাংশ অর্থাৎ অর্ধেকেরও কম মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়া সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী এক যুগে বিদ্যুৎ পাচ্ছে দেশের সকল মানুষ।
স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎখাতের উন্নয়ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ১৯৯৬ সাল অবধি দেশের বিদ্যুৎখাতে বেসরকারি কোন অংশগ্রহণ ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৬ সালে দায়িত্ব নেয়ার পর আইপিপি নীতিমালা করে উৎপাদনখাতে বেসরকারি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। পরবর্তী সময়ে বিএনপি জামায়াত জোট ক্ষমতা গ্রহণ করে পাঁচ বছরে মাত্র একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করে। টঙ্গির এই ৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণেও ঘুষ গ্রহণের মামলা রয়েছে তারেক রহমান এবং তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে। পাঁচ বছরে মাত্র একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হওয়াতে ভয়ংকর বিদ্যুৎ ঘাটতির সৃষ্টি হয়। খোদ ঢাকায় লোডশেডিং হতো দিনে রাতে ১২ ঘন্টা। ওই সময়ে দেশের বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কাজও বন্ধ করে দিতে হয়েছিল।
কেন এই সংকট সৃষ্টি হয়েছিল এবং কিভাবে এই পরিস্থিতি থেকে সরকার বেরিয়ে এসেছে জানতে চাইলে বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, আগে বিদ্যুৎ খাতের বিনিয়োগের জন্য সাধারণত বিশ্বব্যাংক, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংকসহ সল্প সুদের ঋণের দিতে তাকিয়ে থাকা হতো। এরা সব সময় প্রকল্পগুলোকে দীর্ঘ সময় জন্য ঝুলিয়ে দিতো। বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের আগে নকশা প্রণয়ন, দরপত্র আর অর্থায়নে পাঁচ বছর সময় চলে যেত। তখন আমরা মনেই করতাম ওইসব দাতা সংস্থার টাকা ছাড়া বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা যাবে না।
অন্যদিকে দেশের ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের দীর্ঘ মেয়াদি ঋণ দিতে আগ্রহ দেখতো না। কিন্তু ২০০৯ সালের পর এই ধারণা একেবারেই বদলে যায়। উদ্যোক্তারা দেশের ব্যাংক থেকেই ঋণ নিয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ শুরু করে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎখাতের উন্নয়নে শুধুমাত্র দাতা সংস্থার দিকে তাকিয়ে না থেকে বিদেশি বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ নেওয়া শুরু করা হয়। ফলে বিদ্যুৎখাত ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। আর একবার যখন উৎপাদন বৃদ্ধির পর দেশের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি বাড়তে থাকে তখন বিনিয়োগকারীদের লক্ষ্য হয়েওঠে বাংলাদেশ।
জানতে চাইলে বিদ্যুৎ জ্বালানি খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, মাঝখানে বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের সময় আমরা অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু এখন আবার সেটি আমরা ঠিক করে এনেছি। তিনি বলেন, এসব খাতের ধারাবাহিক অগ্রগতি প্রয়োজন আমরা সে বিষয় মাথায় রেখেই কাজটি করছি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে দেশের বিদ্যুৎ খাত। ফেলে এখন অর্থায়ন আমাদের জন্য কোন সমস্যাই নয়।
24/04/2021
বন্ধু আমার পানের দোকানদার
বউয়ের মালিক শহীদুল,
হেফাজত করে মামুনুল!!
- জয় বাংলা।
30/11/2020
শপথের অপেক্ষায়
দলদলী ইউনিয়ন পরিষদের নবাগত চেয়ারম্যান ।
26/01/2020
প্রেস বিজ্ঞপ্তি ।
17/01/2020
পরিশ্রম কখনো বিফলে যায়না ।
15/01/2020
সম্মেলন সফল হোক,সার্থক হোক।
15/01/2020
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ,ভোলাহাট উপজেলা শাখার উদ্দ্যোগে আগামী কাল রোজ শনিবার ১১-০১-২০২০ ইং তারিখ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্য সকাল :৯ টার সময় উপজেলা চত্ত্বরে বিশাল আনন্দ র্যালীর আয়োজন করা হয়েছে।
উক্ত আনন্দ র্যালীতে সকল স্তরের নেতাকর্মীকে যথাসময়ে ও স্হানে উপস্হিত হওয়ার জন্য বিনীত ভাবে অনুরোধ করছি।
আহব্বানে-
সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক,
ভোলাহাট উপজেলা ছাত্রলীগ শাখা।
19/11/2019
"শুভকামনা" ভাই
মুজিব আদর্শের অকুতোভয় সৈনিক,রাজপথ কাঁপানো স্লোগান মাস্টার। নবগঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ,ভোলাহাট উপজেলা শাখা পূর্নাঙ্গ কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক
আগামীর পথচলা সফল,স্বার্থক ও গতিশীল হোক
Click here to claim your Sponsored Listing.
