27/08/2025
Bangladesh Black Hat Hackers
OFFICIAL FANPAGE OF BD BLACK HAT TEAM. Please, subscribe to our Official YouTube Channel https:// www.youtube.com/... More
=============== =============== ========================= Power That Can't Be Imagined...... Strength That Can't Be... More
27/08/2025
অনেকেই জমি মাপার পদ্ধতি জানি না। তাই, সাধারণত জমি মাপার সময় আমরা একজন আমিন বা
সার্ভেয়া্রের শরণাপন্ন হই। এই ব্যাপারে তখন আমাদের সেই সার্ভেয়ার বা আমিনের উপর চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করতে হয়। সেক্ষেত্রে, প্রতারিত হবার কিছুটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। জমি পরিমাপের ব্যাসিক ধারণা পারে এই সমস্যা থেকে সমাধান দিতে।
এ ছাড়া জমি পরিমাপ জানা থাকলে জমি কেনার সময় জমির পরিমাণ নিজেই মেপে বের করা যায়। এই আর্টিকেলে জমি মাপার বিভিন্ন সূত্র এবং নিয়মগুলো খুব সহজ করে বর্ণনা করা হয়েছে।
সুত্র এবং নিয়ম গুলো জানা থাকলে আশা করি, জমি মাপার বিষয়টি আপনাদের কাছে খুবই স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।
জমির মাপের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন এককঃ
১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার
জমি কেনার আগে আপনাকে যা যা জানতে হবে
বিভিন্ন পরিমানে জমির হিসাবঃ
১ শতক = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ শতক = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতক ৪০.৪৬ বর্গমিটার
১ শতক = ১৯৪.৬০ বর্গহাত
১ শতক ১০০০ বর্গলিংক
১ কাঠা = ১.৭৫ শতক (৩৫ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৬৫ শতক (৩৩ এর মাপে)
১ কাঠা = ১.৫০ শতক (৩০ এর মাপে)
১ একর = ৬০.৬০ কাঠা
১ একর = ৩.০৩ বিঘা
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ একর = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৬ বর্গমিটার
১ একর = ১৯৪৬০ বর্গহাত
১ একর = ১০০০০০ বর্গলিংক।
উদাহরণঃ একটি জমির দৈর্ঘ্য উত্তর আইল ৫০ ফুট, দক্ষিণ আইল ৫৪ ফুট, প্রস্থ পশ্চিম আইল ৩০ ফুট, ভিতরে এক অংশে ৩৪ ফুট, এক অংশে ৩৮ ফুট এবং পূর্ব আইল ৪০ ফুট জমিটির পরিমাণ কত ?
জমিটির দৈর্ঘ্য ৫০+৫৪ = ১০৪ (দুই দিকের দৈর্ঘ্য যোগ করা হলে) তাই ২ দিয়ে ভাগ করলে দৈর্ঘ্য পাওয়া যায় (১০৪ ভাগ ২) = ৫২ ফুট।
জমিটি প্রস্থে অসম হওয়ায় এর ২ দিকের বাউন্ডারীর প্রস্থ ছাড়াও ভিতরের দিকে অন্তত ২াট প্রস্থ পরিমাপ এবং তা গড় করে মূল প্রস্থ বের করা যায় ৩০+৪০+৩৪+৩৮ = ১৪২ (ফুট) এর গড় (১২৪ ভাগ ৪) ৩৫.৫ ফুট।
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ = ৫২ x ৩৫.৫ = ১৮৪৬ বর্গফুট (জমিটির ক্ষেত্রফল)
সূত্র মতে ৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ।
অতএব উপরের জমিটির পরিমাণ (১৮৪৬ ভাগ ৪৩৫.৬০) = ৪.২৪ শতাংশ।
পরচা, দাখিলনামা, জমাবন্দি, দাখিলা, দাগ নাম্বার, ছুটদাগ কি?
ক্ষেত্রফল আকৃতির জমির মাপঃ
প্রথমেই সুত্রগুলো জেনে নেয়া যাক-
ক্ষেত্রফল = বাহু X বাহু
কর্ন = ১ বাহু X ১.৪১৪
পরীসিমা= ১ বাহু X ৪
এখন
🧎নামাজ, নামাজ হচ্ছে দ্বীনের খুঁটি
রবের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ..💚
পরিবার নিয়ে আমেরিকা থাকেন এক ভাইয়ের সাথে ফোনে কথা হচ্ছিলো। সেখানের সিটিজেন।
সদ্য ছেলে সন্তানের বাবা হয়েছেন। নাম রেখেছেন "ওমর।"
সোসাইটির অনেকেই না করেছে এরকম নাম রাখতে। বলেছে, আমেরিকাতে এরকম নাম রাখলে স্কুল কলেজ সোসাইটিতে বুলিংয়ের শিকার হবে। হাসপাতাল, এয়ারপোর্ট এরকম অনেক যায়গায় বৈষম্যের শিকার হবে।
কিন্তু ভাই ওমরই রেখেছেন।
ফোনে আমাকে বললেন,
ওমর রদ্বিইয়াল্ল-হু 'আনহু আল্লাহর রাসূলের (সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘনিষ্ঠ মানুষ ছিলেন। ইসলামের একজন খলীফা। অবিস্মরণীয় শাসক। বীর সেনানী।
ওমর নাম রাখাতে দুনিয়াতে যা খুশি হোক, হাশরের ময়দানে আমার আল্লাহ্ যদি আমাকে 'ওমরের বাপ' বলে একটা ডাক দেয়। আমার আর কিছু লাগবেনা।
এই কথাটাতে দেখি আমার শরীরটা একটা শিহরণ দিয়ে চোখে একটু পানি চলে আসছে।
সেদিন অপরিচিত একজনের সাথে দেখা করব। ভাবলাম কিছু হাদিয়া নিয়ে যাব। পকেট জায়নামাজ, ভালো আতর, ইসলামী বই এগুলো সুন্দর হাদিয়া।
কিন্তু ওনি মুসলিম কিনা তা আমি ধরতে পারছিলাম না।
কারণ ওনার এড্রেসে নাম দেয়া হলো 'মিথুন।'
পরে যিনি এড্রেস দিলেন তাকে জিজ্ঞেস করলাম, ওনিও দোটানায় পড়ে গেলেন। বলতে পারলেন না।
পরে বেশ কয়েকটা অপশন ট্রাই করার পর জানলাম ওনি মুসলিম।
পিতার উপর সন্তানের সর্বপ্রথম হক্ব হচ্ছে তার জন্য সুন্দর পরিচায়ক ভালো অর্থবোধক এবং তাৎপর্যপূর্ণ নাম রাখা।
হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,
"আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় নাম হচ্ছে আব্দুল্লাহ্ এবং আব্দুর রহমান।"
গত শতাব্দীতেও আবদ্ যোগ করে আল্লাহর কোন একটা গুণবাচক নাম যোগ করে প্রচুর নাম রাখা হতো। যেমন-
আব্দুলাহ্, আব্দুর রহিম, আব্দুল করিম, আব্দুল গফফার, আব্দুস সামাদ, আব্দুল ক্বুদ্দুস ইত্যাদি।
যা আমাদের বাবা চাচা দাদাদের মধ্যে দেখা যায়।
কত সুন্দর নাম। রব্বের সাথে ব্যক্তির কি সম্পর্ক সেটা তার নামের মধ্যেই চলে আসে।
কিন্তু আমাদের প্রজন্মতে এই নামগুলো এতটাই কমে যাচ্ছে যে,
হয়তো এই শতাব্দীর শেষের দিকে এই নামগুলো বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
হাশরের ময়দানে মানুষ বাঁচার জন্য যে কোন অপশন ট্রাই করবে। সাগরে ডুবতে থাকা ব্যক্তি যেমন ছোট একটা কাঠখন্ড পেলেও সেটাকে আঁকড়ে ধরে, তেমনি হাশরের ময়দানে মানুষ কোথাও একটু সুযোগ পেলেই সেটাকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চাইবে।
সেদিন যদি কারো নাম হয় আব্দুর রহিম, আর তার যদি জাহান্নামের ফয়সালা হয়; আর সে রব্বকে বলে, আমি তো আব্দুর রহিম!
পরম দয়ালুর বান্দা। আমাকে দয়া করুন।
আমি তো আব্দুল গাফফার!
ক্ষমাশীলের বান্দা। আমাকে কেন ক্ষমা করা হবেনা?
স্বপ্ন পদ্মা সেতু!
নামগুলো প্রধানমন্ত্রীর পছন্দ হয়ে যাওয়ায় যদি সোনার চেইন পাওয়া যায়, তাহলে কোন নাম আল্লাহর পছন্দ হলে তাকে আল্লাহ্ পাক কি পরিমাণ দিতে পারে, ভাবনায় আছে কারো?
নাম রাখার ক্ষেত্রে সর্বাগ্রে আসে
আল্লাহর প্রিয় নাম আব্দুল্লাহ্ আর আব্দুর রহমান।
তারপর 'আবদ' যোগ করে আল্লাহর কোন গুণবাচক নাম যোগ করে নাম রাখা।
যেমন আব্দুর রহিম, আব্দুর রাযযাক আব্দুল ক্বাদির ইত্যাদি।
তারপর নবী রাসূলগণের নামে নাম রাখা। কারণ তারা দুনিয়াতে আল্লাহর মনোনীত ব্যক্তিবর্গ।
তারপর পূণ্যবাণ ব্যক্তিবর্গের নামে নাম রাখা। এক্ষেত্রে সবার আগে আসে আল্লাহর রাসূলের সঙ্গী যারা ছিলেন তারা। সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিইয়াল্ল-হু 'আনহুম।
সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম!
তারপর প্রত্যেক ভালো এবং সুন্দর অর্থবোধক নাম।
আজকাল আমাদের সমাজে নাম রাখার ক্ষেত্রে এগুলো ফলোই করা হয়না।
মন্টু, মিন্টু, শান্ত, জয়, রবিন, মিথুন, আরিয়ান, আকাশ, প্রিন্স, বাদশা, কোকো, নীল, সবুজ, রাজন, স্বপ্ন, বৃষ্টি, মিষ্টি, নদী, জনি, কাব্য, কবিতা, ইলা, মিলা, মিতু, ইতি, পুতুল, স্বপ্না, পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, সেতু আরও কত কি।
মুসলিমদের যেকোনো চেতনায় চেতে যাওয়া ঠিকনা। কারণ দুনিয়ার চেতনা ক্ষণিক পর নেতিয়ে যাবে।
চেতনা হবে আখিরাত কেন্দ্রীক।যেটা চিরস্থায়ী।
নাম ব্যক্তির অনেক কিছুর উপর প্রভাব ফেলে।
মন্দ, অসুন্দর, কটু নাম দেখলেই
রাসূলুল্লাহ্ সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাৎক্ষণাত নাম পরিবর্তন করে দিতেন।
আজ রাসূলুল্লাহ্ থাকলে কি হতো?
আমাদের প্রত্যেকের নাম নিয়ে ভাবা দরকার।
যদি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) থাকতেন তাহলে আমি এই নাম নিয়ে ওনার কাছে গেলে ওনি কতটা পছন্দ করতেন?
পরিচয়পর্বে আমরা কি স্বাচ্ছন্দ্যে সাবলীলভাবে নামটা বলতে পারতাম কিনা?
সংগৃহীত একজনের লি
04/04/2022
ইসলাম টিপ/তিলক কে কেনো স্বীকৃতি দেয়না?
★★প্রথমতঃ যখন ইব্রাহীম (আঃ) কে আগুনের নিক্ষেপ করার জন্য অগ্নিকুন্ডলী তৈরি করা হলো তখন আগুনের তাপ এতোই তীব্র ছিলো যে এর আশেপাশে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিলো না। তখন ইব্রাহীম (আঃ)কে আগুনে নিক্ষেপের জন্য চরকি তৈরি করা হলো কিন্তু চরকির একপাশে ফেরেশতারা অবস্থান নেয়ায় ইব্রাহিম (আঃ)কে আগুনে নিক্ষেপ করা যাচ্ছিলো না আর সেই সময় শয়তান নমরুদের কানে কানে বলেছিলো একটা কাজ করুন তা হলো আপনি পতিতালয় থেকে কিছু পতিতা এনে উলঙ্গ অবস্থায় আগুনের চারদিকে দাড় করিয়ে দেন তাহলে আর ফেরেশতারা আসতে পারবেনা। তখন নমরুদ তাই করলো এবং ফেরেশতারা লজ্জায় সে স্থান ত্যাগ করলো এবং ইব্রাহীম আঃ কে আগুনে তারা নিক্ষেপ করতে সক্ষম হলো।আর এই কারণে নমরুদ সেই উলঙ্গ পতিতাদের কপালে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা হিসেবে রাজতিলক অঙ্কন করে দিলো যা পরবর্তীতে টিপ হিসেবে তারা কপালে লাগাতে থাকে।
সূত্র : তাফসীরে মা-রেফুল কোরআন, হযরত ইব্রাহিম (আ.) মূলগ্রন্থ। তাবারী, তারীখ, ১খ, ১২৩-১২৪; ছালাবী আদি গ্রন্থ, কাসাসুল আম্বিয়া, পৃষ্ঠাঃ ৮১, আদি ইসলামী ইতিহাস, ইবনে কাসীর।
★★দ্বিতীয়তঃ অন্যধর্ম অনুসারীদের ধর্মীয় রীতিনীতি অনুসরণ করা হারাম। অন্যধর্মের রীতিনীতি অনুসরণ করলে সে ঐ ধর্মের হিসেবে গণ্য হবে। হাদিস আবু দাউদ শরীফের দ্বিতীয় খন্ডে আসছে.. "যার সাথে যার মোহাব্বত তার সাথে তার কেয়ামত", হাসর নাসর তাদের সাথেই হবে।
★★তৃতীয়তঃ টিপ একটা ধর্মগুষ্ঠির নারীর চিহ্ন বা প্রথা। এককথায় হিন্দুয়ানী সাজগোজের অন্যতম প্রথা সেহেতু তা মুসলমানদের কোনভাবেই বৈধ হতে পারে না।
যেসব মুসলিম নারীরা টিপ পরে, তারা এই ঘটনা জানেনা। জেনেও যদি কেউ পরে তাহলে সেটা তার দুর্ভাগ্য। হিন্দুরা টিপ পরে, এটা তাদের ধর্মীয় সংস্কৃতির অংশ।
পবিত্র রমজান মাস আল্লাহ আমাদের এসব পথভ্রষ্ট নর-নারীদের থেকে হেফাজত করুন আমীন।
30/03/2022
মাস্টার্স পাশ করা ২৬, ২৭ বছর বয়সী একজন যুবক-যুবতীকে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা বেতনে চাকরিতে যোগদান করতে হয়। আর পড়ালেখা না জানা ১০, ১২ বছর বয়সী একজন বাস হেল্পার এর দৈনিক হাজিরা প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, যা মাস শেষে ১৪, ১৫ হাজার টাকা হয়।
কেউ কোন ফ্যাক্টরীতে ২০ বছর কাজ করলে তার বেতন হয় লক্ষ টাকা, আর ২০ বছর পড়ালেখা করে যখন চাকরির জন্য যায়, তখন তার বেতন হয় ১০ হাজার টাকা। তাহলে আমরা কোথায় যাবো? স্কুলে না ফ্যাক্টরীতে?
হাজার হাজার - লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে পড়ালেখা করে আজ শিক্ষিত মানুষগুলো পরিবারের, সমাজের এবং সবার কাছে অবহেলিত। রাষ্ট্র পড়ালেখা করার জন্য টাকা নিতে পারে। কিন্তু পড়ালেখা শেষ করার পর টাকা ফিরিয়ে দিতে পারেনা?
অনেকেই বলবে ভাল করে পড়ালেখা করলে, ভাল রেজাল্ট করলে ভাল চাকুরী পাওয়া যায়। আসলেই কি পাওয়া যায়? নাকি মোটা অংকের Donation দিতে হয়?
ভাল রেজাল্ট না করলে পাশ দেওয়া হয় কেন? রাষ্ট্র যদি শিক্ষিত মানুষের চাকুরী দিতে না পারে তাহলে রাষ্ট্রের উচিত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ব বিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে দেয়া। তাহলে সন্তানদের পড়ালেখার জন্য বাবা মায়ের এতো কষ্ট করতে হতো না।
টাকা গুলো সঞ্চয় হতো।
চাকরির অভাবে পরিপক্ক হওয়া ছেলেটা ২৮ বছরেও বিয়ে করতে পারে না।
অন্যদিকে বয়স বাড়তে থাকা অবিবাহিত মেয়েটাও মুখ ফুটে কিছু বলতে পারে না।
না পারছে তারা উপযুক্ত ছেলেকে বিয়ে করতে, না পারছে পাড়া-পড়শির খোটা সহ্য করতে।
শুধু এক বুক নিঃশ্বাস ফেলে আফসোস করছে- এ আর কিছু করার নাই !!
13/11/2020
গত ১০ বছর ধরে বিছানাবন্দী থাকার পরেও হার না মানা দক্ষ এবং জনপ্রিয় এই ফ্রিল্যান্সার "ফাহিম উল করিম" কিছুক্ষণ আগে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। (ইন্না-লিল্লাহ.....)
বাংলাদেশের সকল তরুণ ফ্রিল্যান্সারদের আইকন ছিলেন এই ফাহিম। তার মৃত্যুতে আমরা "সাইবার ৭১" পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।
04/01/2020
গত ২ জানুয়ারী ছিল বাংলাদেশের ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারস এর জন্মদিন, দেখতে দেখতে ৮ বছর চলে গেলো !!!
ফেলানী হত্যার প্রতিবাদের মাধ্যমে ভারতীয় সাইবার স্পেসে বিশ্ব জুড়ে আলোচিত সাইবার হামলার মাধ্যমে এই গ্রুপটির জন্ম !!! গ্রুপটি নেতৃত্ব দেয় বাংলাদেশ বনাম ভারত সাইবার যুদ্ধে !!!
সময়ের সাথে সাথে হ্যাকিং একটিভিটি কমে গেলেও হ্যাকিং স্কিল কিন্তু বাড়ছেই!! আবার যখন প্রয়োজন হবে , সবাই একসাথে হবে আবার !! কিন্তু আমরা হারিয়ে যাই নি!!
আমরা সব সময় ই প্রস্তুত ন্যায়ের পক্ষে আবারো যুদ্ধে নামতে!!
BBHH সব সময় ই এদেশের মানুষের এক ভালোবাসার নাম!! এদেশের মানুষের ভালোবাসা ই আমাদের সম্বল , এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা !! সম্পূর্ণ নন প্রফিট এই অর্গানাইজেশন একমাত্র ভালোবাসার জোরেই টিকে আছে , থাকবে !!
We do not forget,
We do not forgive,
Long live Bangladesh Black Hat Hackers .
ছবি : হাসান শাহরিয়ার
সকল শহিদের প্রতি দোয়া ও ভালোবাসা রইলো❤
শুভ বিজয়ের শুভেচ্ছা♥️
Click here to claim your Sponsored Listing.
