BNCF - Dhaka North
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from BNCF - Dhaka North, Political organisation, Dhaka.
06/05/2026
বিএনপির চেয়ারম্যান এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের হাতকে আরো শক্তিশালি করতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের আগামীর কমিটিতে জনাব ইয়াছিন আলী ভাইকে সভাপতি হিসেবে কেন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন—তা নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর আলোকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা যায়:
🔷 দূরদর্শী ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব:-
একটি কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক পদ শুধু সম্মানের নয়, এটি অত্যন্ত দায়িত্বশীলও। এই পদে এমন একজন নেতার প্রয়োজন, যিনি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং সংগঠনকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে সক্ষম। ইয়াছিন আলী ভাই তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা দিয়ে বারবার প্রমাণ করেছেন যে, তিনি নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতায় অনন্য।
🔷 তৃণমূলের সাথে গভীর সংযোগ:-
তিনি সবসময় মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত থেকেছেন। ফলে সংগঠনের বাস্তব সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রয়োজন সম্পর্কে তার সুস্পষ্ট ধারণা রয়েছে। এই সংযোগই তাকে করে তুলেছে একজন বাস্তবমুখী ও কার্যকর নেতা।
🔷 দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা:-
ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি সংগঠনের প্রতিটি স্তর সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করেছেন। এই অভিজ্ঞতা তাকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও পরিণত ও বিচক্ষণ করে তুলেছে।
🔷 পরিচ্ছন্ন ও গ্রহণযোগ্য ভাবমূর্তি:-
সততা, স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার দিক থেকে তিনি একজন গ্রহণযোগ্য নেতা। তার এই ইতিবাচক ভাবমূর্তি সংগঠনের ভেতরে ও বাইরে আস্থা তৈরি করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
🔷 সংকট মোকাবিলায় দক্ষতা:-
রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে তিনি নিজেকে দৃঢ় ও সাহসী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কঠিন সময়ে সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রেখে এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা তার রয়েছে।
🔷 ঐক্য ও সমন্বয়ের প্রতীক:-
দলীয় ঐক্য ধরে রাখা এবং সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের একসাথে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। তিনি বিভেদ নয়, ঐক্যের রাজনীতিতে বিশ্বাসী।
🔖 পরিশেষে :-
উপরোক্ত গুণাবলি বিবেচনায় স্পষ্ট যে, জনাব ইয়াছিন আলী ভাই শুধু একজন যোগ্য প্রার্থীই নন, বরং সময়ের দাবি অনুযায়ী স্বেচ্ছাসেবক দলের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত নেতৃত্ব। তার হাতে নেতৃত্ব অর্পণ করা হলে সংগঠন আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত এবং গতিশীল হয়ে উঠবে—ইনশাআল্লাহ।
03/05/2026
বর্তমান বাংলাদেশের মেধাবী ও বুদ্ধিবৃত্তিক রাজনীতির জন্য মেধাবী ও প্রকৃত জাতীয়তাবাদী নেতার প্রয়োজন।
ছাত্রদলের সোনালি ফসল, আন্দোলন সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা, তৃনমুলের প্রানের স্পন্দন জনাব ইয়াছিন আলী ভাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হিসেবে সেরা পছন্দ।
20/04/2026
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার ফোর্স ঢাকা মহানগর উত্তর এর পক্ষ থেকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
19/04/2026
17/04/2026
ব্যাক্তিগত চরিত্র হরণ কখনোই স্বাধীনতার সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা যায় না। রাষ্ট্র তার প্রত্যেক নাগরিকের ব্যাক্তি স্বাধীনতা ও সম্মান রক্ষায় ব্যার্থ হলে রাষ্ট্র ও সংবিধানের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তাই সরকারের উচিৎ রাষ্ট্রের নাগরিকের মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট হওয়া। যেখানে আমরা একটি আইনের শাসনভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যাবস্থা নির্মানে সচেষ্ট আছি সেখানে সংসদীয় বিরোধী দল ও তাদের শরিক দলগুলো অনাবরত বাংলাদেশকে ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিচিত করতে তৎপর।
মুলত,
রাশের প্রধানের মুখ থেকে শব্দটি উচ্চারিত হলেও এটা বাংলাদেশ বিরোধী জামাত শিবিরেরই বক্তব্য। জামাত ৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বাধীন হওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য ৩০ লক্ষ বাংলাদেশীকে হত্যা ও ২ লক্ষ নারীর ইজ্জতভ্রষ্ট করে এবং বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকরেও যখন সফলতা পায় নাই তখনও আজকের দিনের মতই সারা পৃথিবীর কাছে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালিয়েছে।
যেহেতু তাদের ঝুলিতে ৭১ এর পরাজয়ের গ্লানি রয়েছে তাই এবার তারা আর সেই ভুল করছে না। জামাত সরাসরি মাঠে না নেমে,
২৪ এর আন্দোলনে আওয়ামীলীগ যেমন তাদের কুত্তালীগ গং দের রাস্তায় নামিয়েছিল সেই রকম ভাবে জামাত তাদের শরিক কুত্তাবাহিনীকে রাস্তায় নামিয়েছে যাতে সময়ানুযায়ী তাদেরকে অস্বীকার করা যায়। কারন
৭৪ এর খুনের সাজাপ্রাপ্ত আসামীর ছেলে রাশেদ প্রধান, ভোলার সওদা সুমির মতন কেউ না যে তাকে বাচাতে জামাত সংবিধান রক্ষার সপথ নিয়েও আইনসভায় দাড়িয়ে সংবিধান ভঙের মতন কোন কাজ করবে দলগত ভাবে।
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন " আওয়ামী লীগ তার অপকর্মের মাধ্যমে পচতে শুরু করেছে। আমাদেরকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। যে দিন আওয়ামী লীগ পচে দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে যাবে সে দিন বাংলাদেশের জনগন তাদেত আস্থাকুড়ে ছুড়ে ফেলে দেবে। "
আজ বাংলাদেশ আছে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও বাংলাদেশই আছেন, বাংলাদেশের গনমানূষের দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলও আছে শুধু নাই দুর্গন্ধযুক্ত আওয়ামী লীগ ও তার পচাগলা রাজনীতি।
সুতরাং তেমনই ভাবে এই বাংলাদেশে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী কোন রাজনৈতিক শক্তিও থাকবে না। বাংলাদেশের মানুষ তাদেরকে বাংলাদেশে থাকতে দেবে না।ইনশাআল্লাহ।
17/04/2026
ব্যাক্তিগত চরিত্র হরণ কখনোই স্বাধীনতার সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা যায় না। রাষ্ট্র তার প্রত্যেক নাগরিকের ব্যাক্তি স্বাধীনতা ও সম্মান রক্ষায় ব্যার্থ হলে রাষ্ট্র ও সংবিধানের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। তাই সরকারের উচিৎ রাষ্ট্রের নাগরিকের মর্যাদা রক্ষায় সচেষ্ট হওয়া। যেখানে আমরা একটি আইনের শাসনভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যাবস্থা নির্মানে সচেষ্ট আছি সেখানে সংসদীয় বিরোধী দল ও তাদের শরিক দলগুলো অনাবরত বাংলাদেশকে ব্যার্থ রাষ্ট্রে পরিচিত করতে তৎপর।
মুলত,
রাশের প্রধানের মুখ থেকে শব্দটি উচ্চারিত হলেও এটা বাংলাদেশ বিরোধী জামাত শিবিরেরই বক্তব্য। জামাত ৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বাধীন হওয়া থেকে বিরত রাখার জন্য ৩০ লক্ষ বাংলাদেশীকে হত্যা ও ২ লক্ষ নারীর ইজ্জতভ্রষ্ট করে এবং বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকরেও যখন সফলতা পায় নাই তখনও আজকের দিনের মতই সারা পৃথিবীর কাছে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেয়ার জন্য আন্তর্জাতিক প্রচারণা চালিয়েছে।
যেহেতু তাদের ঝুলিতে ৭১ এর পরাজয়ের গ্লানি রয়েছে তাই এবার তারা আর সেই ভুল করছে না। জামাত সরাসরি মাঠে না নেমে,
২৪ এর আন্দোলনে আওয়ামীলীগ যেমন তাদের কুত্তালীগ গং দের রাস্তায় নামিয়েছিল সেই রকম ভাবে জামাত তাদের শরিক কুত্তাবাহিনীকে রাস্তায় নামিয়েছে যাতে সময়ানুযায়ী তাদেরকে অস্বীকার করা যায়। কারন
৭৪ এর খুনের সাজাপ্রাপ্ত আসামীর ছেলে রাশেদ প্রধান, ভোলার সওদা সুমির মতন কেউ না যে তাকে বাচাতে জামাত সংবিধান রক্ষার সপথ নিয়েও আইনসভায় দাড়িয়ে সংবিধান ভঙের মতন কোন কাজ করবে দলগত ভাবে।
16/04/2026
১৯৭৪ সালে ঢাকা ইউনিভার্সিটির ৭ খুন ( সেভেন মার্ডার) মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামী শফিউল আলম প্রধান এর ছেলে রাশেদ প্রধান।
সাজাপ্রাপ্ত ছাত্রলীগের বহিষ্কার হওয়া নেতার ছেলে, রাজনৈতিক সকল শিষ্টাচার ভুলে গিয়ে, দেশ এবং দেশের স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করতে, আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তি করছে।
এই উন্মাদকে আইনের আওতায় আনা হউক।
Bangladesh Nationalist Cyber Force- BNCF
10/04/2026
আমার দাদা মরহুম মোহাম্মদ নুরুল হক মোল্লা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। আমার বাবা মরহুম মোঃ আব্দুল্লাহ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তারা উভয়ই কোনদিন প্রয়োজন বোধ করেননি একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সরকারি কোন খাতায় নাম উঠানোর জন্য। বাংলাদেশের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা যারা আছেন তারা মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশকে জন্ম দিয়েছেন। জন্মের পরে বাবার যেমন স্বীকৃতির প্রয়োজন হয় না ঠিক তেমনি ভাবে যে সকল মুক্তিযোদ্ধারা রণাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন তাদের মধ্যে অনেকেই এমনইভাবে স্বীকৃতির প্রয়োজন বোধ করেননি। আমি আমার দাদা এবং আমার বাবার মুখে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের গল্প শুনেছি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে আমার দাদার বয়স ছিল ৩৯ বছর এবং আমার বাবার বয়স ১৯ বছর। তাদের মুখে মুক্তিযুদ্ধের অনেক স্মৃতির কথা শুনেছি। সেটা না হয় অন্যদিন বলবো।
কিন্তু আজ মুক্তিযুদ্ধের গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের সংবিধানের মধ্য থেকে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা থেকে স্বাধীনতা বিরোধী হিসেবে জামাতে ইসলাম, নেজামি ইসলাম ও মুসলিম লীগ কে বাদ দেওয়ার দূঃসাহসিক প্রস্তাব বর্তমান বাংলাদেশের বিরোধী দল জামাত করেছে।
বাংলাদেশের বর্তমান সরকারি দলকে বলবো, আপনারা যদি জামাতের এই দুঃসাহসিক প্রস্তাবের বিরুদ্ধে কোন নিন্দা প্রস্তাব না আনেন তাহলে আমরা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী প্রজন্ম মনে করব আপনারা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে আপনাদের মৌন অবস্থান গ্রহণ করেছেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
1216
