Nationalist Cyber Force - NCF

Nationalist Cyber Force - NCF

Share

Be Nationalist, Be Patriot, Be Proud
- সবার আগে বাংলাদেশ

09/04/2026

বুলবুলের এই অবস্থানকে মারাত্মক স্ববিরোধিতায় ঘেরা বলে আখ্যা দিয়েছেন আইসিসির একজন বর্তমান পরিচালক।

তিনি ক্রিকবাজকে বলেছেন, ‘এটা অবাক করার বিষয় যে একই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড যারা আইসিসির সঙ্গে বাধ্যতামূলক সদস্যপদ চুক্তি সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সদ্য সমাপ্ত আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার কারণ হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশকে দেখিয়েছিল এখন সেই সরকারের তদন্ত ও নির্দেশনা থেকে সুরক্ষার জন্য আইসিসি ও তার সংবিধানের আশ্রয় নিচ্ছে।

Photos from Nationalist Cyber Force - NCF's post 09/04/2026

আচ্ছা, একটা জিনিস বুঝি না যারা এতদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার দাবিতে শাহবাগ গরম রাখছিল, যমুনা ঘেরাও করে দেশ কাঁপাইতেছিল তারা আজকে কোথায়? আইন পাশ হয়ে গেছে, কাজ শেষ তাইলে এখন এই নিস্তব্ধতা কেন? এই সময় তো ঢাকায় মিছিলের জ্যাম লাগার কথা ছিল, ফেসবুকে “ঐতিহাসিক বিজয়” লিখে পোস্টের বন্যা বইয়ার কথা ছিল। অথচ চারদিকে এমন নীরবতা মনে হয় কেউ মিউট বাটনে চাপ দিয়ে দিছে!

যারা দুই রাত রাস্তায় বসে আন্দোলনের “লাইভ টেলিকাস্ট” দিত, তারা আজকে অফলাইনে কেন? বিদেশি পীরদের স্ট্যাটাস নাই, ফেসবুক যোদ্ধাদের আগুন ঝরা পোস্ট নাই সবাই হঠাৎ এত ভদ্র হয়ে গেল কেমনে? নাকি “মিশন কমপ্লিট” হইলেই স্ক্রিপ্ট শেষ, তাই এখন বিরতি?

আরেকটা জিনিস তো আরও মজার সংসদে বিল তো একদিনে পাশ হয় না। ১ম ধাপ গেল, ২য় ধাপ গেল তখন তো কারও মুখে কোনো শব্দ নাই! সব চুপচাপ। কিন্তু ৩য় ধাপে আইসা পাশ করার সময় হঠাৎ করে “সময় চাই”, “আলোচনা দরকার”! এইটা কি সংসদীয় প্রক্রিয়া, নাকি শেষ মুহূর্তের ড্রামা? আগে ঘুম, পরে হইচই এইটা কোন নতুন রাজনৈতিক তত্ত্ব?

যারা আওয়ামিলিগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের সামনে ছিল মূলত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী,এনসিপি আর তাদের মিত্র ঘরানার লোকজন তাদের তো এখন সবচেয়ে খুশি থাকার কথা। কিন্তু বাস্তবতা উল্টা মুখ গম্ভীর, কথা কম, হিসাব বেশি। এই “সাইলেন্ট মোড” কেন? ব্যাটারি শেষ, নাকি প্ল্যান আপডেট হচ্ছে?

আরেকদিকে আবার শোনা যায় “সময় লাগবে”, “আরও প্রসেস আছে”! ভাই, আন্দোলন যখন করছিলেন তখন তো এই প্রসেস মনে ছিল না! তখন ছিল শুধু স্লোগান আর ক্যামেরা। একদিনের মধ্যে নিষিদ্ধ না করলে দেশ অচল যমুনা অচল। এখন আইন হয়ে যাওয়ার পর হঠাৎ এত প্রটোকল মনে পড়তেছে কেন? রাজনীতি নাকি নাকি সিরিয়ালের নতুন এপিসোড?

সবচেয়ে বড় কনফিউশনটা এখানেই একদিকে নিষিদ্ধের দাবি, অন্যদিকে সময় চাওয়া। একদিকে আগুন, অন্যদিকে পানি। দুইটা একসাথে কেমনে চলে? এটা কি রাজনীতি, নাকি ডাবল রোল?

রাজনীতি মানে অবস্থান পরিষ্কার থাকা। আপনি যদি বলেন নিষিদ্ধ চান তাহলে শেষ পর্যন্ত সেটা নিয়েই থাকেন। আর যদি মাঝপথে “কিছু চিন্তা আছে” টাইপ কথা আসে, তাহলে মানুষ তো প্রশ্ন করবেই এই পুরো আন্দোলনটা তাহলে আসলে কী ছিল? মুনাফেকি মুনাফেকি মুনাফেকি?

আমি কোনো দল নিষিদ্ধ করার রাজনীতির পক্ষে না। সে হোক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, আওয়ামী লীগ, জামায়াত বা অন্য কেউ। কিন্তু যারা নাটক করে মাঠ গরম করে, পরে ঠান্ডা হয়ে যায় তাদের প্রশ্ন করা লাগবেই। এরা আসলে কি চায়? কেন জাতির সাথে এই মুনাফেকি?

শাহবাগ অবরোধ, যমুনা ঘেরাও এইসব কি ছিল সিরিয়াস রাজনৈতিক মুভ, নাকি “ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট”? কারণ মানুষ এখন আগের মতো না কেউ না কেউ হিসাব রাখে।

আর রাজনীতিতে একটা জিনিস খুবই সিম্পল কথা আর কাজ যদি এক না হয়,তাহলে মানুষ খুব তাড়াতাড়ি বুঝে যায় স্ক্রিপ্টটা আসলে কোথা থেকে লেখা হচ্ছে! 😎

Photos from Nationalist Cyber Force - NCF's post 07/04/2026

বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি বিষয় খুব স্পষ্ট কিছু শব্দের ব্যবহার নিজেই একটি দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে। “অতি উৎসাহী” শব্দটি সাধারণ ক্ষেত্রেও নেতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে, কিন্তু যখন এটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, তখন তা আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। এখানে শুধুমাত্র ভাষার প্রশ্ন নয়, বরং এর পেছনে কোনো ভিন্ন উদ্দেশ্য বা ন্যারেটিভ তৈরি হচ্ছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখা জরুরি।

ভোলার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া নারীকে ঘিরে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, সেখানে একটি ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান প্রয়োজন। যদি আইনগত দৃষ্টিতে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়ে থাকে, সেটি তার জায়গায় ঠিক থাকতে পারে কিন্তু একইসঙ্গে মানবিক বিবেচনাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই দ্রুত বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে তাকে মুক্তি দেওয়ার দাবি অযৌক্তিক নয়। কারণ অনেক সময় এমন পরিস্থিতিতে “মায়ের চাইতে মাসির দরদ বেশি” দেখাতে গিয়ে বাস্তবতার চেয়ে বাড়তি প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়, যা শেষ পর্যন্ত উল্টো প্রশ্নের জন্ম দেয়।

এখন আসা যাক বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি অদ্ভুত বাস্তবতা দীর্ঘদিন ধরে দেখা যাচ্ছে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে বারবার একটি দলই এসে দাঁড়ায়, আর সেটি হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় যখন অনেকেই সরাসরি ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পেত না, তখন সেই শূন্যস্থান পূরণ করা হতো বিএনপিকে দোষারোপ করে। বলা হতো বিএনপি আন্দোলন গড়ে তুলতে পারছে না, তাই পরিবর্তন আসছে না।

আবার, কোনো গণদাবিতে বিএনপি সমর্থন দিলে সেটিও উল্টোভাবে ব্যবহার করা হতো যেন বিএনপির সমর্থনই সেই দাবিকে অগ্রহণযোগ্য করে তুলছে। অর্থাৎ, সমর্থন করলেও সমস্যা, না করলেও সমস্যা একটি “নির্ধারিত টার্গেট” হিসেবে দলটিকে ব্যবহার করা হয়েছে বারবার।

পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেও সেই চিত্র খুব বেশি বদলায়নি। অন্তর্বর্তী সময়ের বিভিন্ন ঘটনায় এনসিপি নেতা, জামায়াতের আমীর কিংবা ডাকসু নেতাদের বিরুদ্ধে কটুক্তির অভিযোগে গ্রেফতার হলেও অনলাইন আলোচনায় প্রধান টার্গেট হিসেবে রয়ে গেছে বিএনপিই। যেন রাষ্ট্র পরিচালনার পুরো দায়ভার তাদের ওপরই বর্তায়।

বর্তমানেও একই প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে কটুক্তি, মিথ্যা প্রচারণা, গুজব কিংবা গালিগালাজ সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে বারবার টেনে আনা হচ্ছে বিএনপিকে। এটি শুধু রাজনৈতিক বিরোধিতা নয়, বরং একটি দীর্ঘদিনের ন্যারেটিভ যেখানে একটি দলকে সবকিছুর জন্য দায়ী করার একটি অভ্যাস তৈরি হয়েছে।

এই বাস্তবতায় একটি বিষয় স্পষ্ট বিএনপির জন্য রাজনীতি কখনোই সহজ ছিল না। বরং সবসময়ই তারা একধরনের “অসম প্রতিপক্ষ” এর মুখোমুখি হয়েছে। সমালোচনা তাদের জন্য নতুন কিছু নয়, বরং এটি তাদের রাজনৈতিক বাস্তবতার অংশ।

তবুও একটি ভিন্ন দিকও এখানে রয়েছে।

যে দলটি সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়, অনেক সময় সেই দলটিই সবচেয়ে বেশি জনআস্থার জায়গায় থাকে। কারণ মানুষ শেষ পর্যন্ত বিচার করে বাস্তবতা দিয়ে কে কতটা চাপ সহ্য করে টিকে থাকতে পারে, কে কতটা রাজনৈতিকভাবে স্থির থাকতে পারে।

এই দৃষ্টিকোণ থেকে বলা যায় বিএনপির “কপাল খারাপ” হতে পারে, কারণ তারা সবসময় সমালোচনার মুখে থাকে। কিন্তু একইসঙ্গে তাদের “ভাগ্য ভালো” কারণ দিনশেষে জনগণের একটি অংশ তাদের প্রতিই আস্থা রাখে।

রাজনীতির এই জটিল বাস্তবতাকে সহজভাবে বোঝা যায় না। এখানে প্রতিটি সমালোচনা, প্রতিটি ন্যারেটিভ এবং প্রতিটি প্রতিক্রিয়ার পেছনে থাকে বৃহত্তর রাজনৈতিক হিসাব।

আর সেই হিসাব বোঝার জন্য প্রয়োজন ঠাণ্ডা মাথায় পুরো চিত্রটা দেখা শুধু আবেগ দিয়ে নয়, বাস্তবতা দিয়ে।

05/04/2026

সাবেক ছাত্রলীগের লেতা ফরহাদ বর্তমান শিবিরের সাধারণ সম্পাদক সে। গত ১৬ বছর লীগের ছায়াতলে থাইকা নৌকা নৌকা মিছিল দিতো।এখন সে ইনসাফ কায়েমি হয়ে গেছে।
আওয়ামী লীগের মন্ত্রী কে ফুল দিয়ে বরণ করছে।
এখানে রাফে সালমান রিফাত ও আছে।

27/03/2026

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় হামলার ঘটনায় জড়িত জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান গ্রেফতার। এভাবেই এই মোনাফেক রা বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত।

26/03/2026

সুনামগঞ্জ ০১ আসনের ০২ নং দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান বিবৃতিতে জানিয়েছেন যে ; উক্ত ঘটনার সাথে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।উনাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ ছিলো।

25/03/2026

Happy Independence Day to Bangladesh!🇧🇩❤️

25/03/2026

বামপাশে যেই ১১ জনের নাম দেখা যায়, তারা দেবিদ্বারের জুলাই শহিদ। হাসনাত নাকি তাদেরকে এবার ঈদ উপহার দিয়েছে।
মজার বিষয় হলো- এই ঈদ উপহার নেয়ার জন্য শহিদরা কবর থেকে উঠে এসে নিজেরাই সাক্ষর করে ঈদ উপহার নিয়ে গেছে।
কীভাবে সাক্ষর জালিয়াতি করে হাসনাত ঈদ উপহারের টাকা তার নেতা কর্মি দিয়ে মেরে দিয়েছে এটা দেখলেই বুঝতে পারবেন।
যু্ক্তি দেখাবেন পরিবার নিয়েছে বলি পরিবার নিলে স্বাক্ষর পরিবারের পক্ষ থেকে করবে কেন মৃত মানুষ করবে?

25/03/2026

ওনি না গুম ছিলো?
ওনি তো গুম ফেরত, জেল ফেরত না?

23/03/2026
Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka