Defence Lens

Defence Lens সমরে আমরা শান্তিতে আমরা সর্বত্র আমরা দেশের তরে

গৃহযুদ্ধের ঝুঁকিতে ইসরায়েল: সিআইএ ।গভীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনের কারণে ইসরায়েল গৃহযুদ্ধ কিংবা রাষ্ট্রীয়...
06/10/2026

গৃহযুদ্ধের ঝুঁকিতে ইসরায়েল: সিআইএ ।

গভীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনের কারণে ইসরায়েল গৃহযুদ্ধ কিংবা রাষ্ট্রীয় ধসের চরম ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-এর এক গোপন মূল্যায়নে সতর্ক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ড্রপ সাইট নিউজের বরাতে আনাদোলু এজেন্সি এই খবর জানিয়েছে।

‘ফ্র্যাকচার ফ্রম উইদিন’ বা ‘ভিতর থেকে ভাঙন’ শীর্ষক এই গোপনীয় মূল্যায়নে বলা হয়েছে যে আগামী ২৭ অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনকে ঘিরে দেশটি এক চরম অস্থিরতার মুখোমুখি। সিআইএ-এর রেড সেল নামের একটি বিশেষ ইউনিট গত আগস্টে প্রতিবেদনটি তৈরি করে। ড্রপ সাইট নিউজ এই বিষয়ে সিআইএ-এর বক্তব্য চাইলেও সংস্থাটি কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

মূল্যায়নে দেখা যায়, অর্থনৈতিক চাপ, ক্রমাগত সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি, চরম অর্থোডক্স ইহুদিদের সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতির কারণে সাধারণ জনগণের ক্ষোভ এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে দখলদারদের সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি সংঘাতকে আরও উসকে দিচ্ছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ক্ষমতায় টিকে থাকার লড়াই দেশটিতে আরও গভীর রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক সংকট তৈরি করছে।

গাজা, লেবানন ও ইরানে বছরের পর বছর চলা যুদ্ধের কারণে দীর্ঘ সামরিক ডিউটি শেষে ফেরা সেনাদের মধ্যে মারাত্মক মানসিক আঘাত পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা অভ্যন্তরীণ বিভাজনকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বারবার রিজার্ভ বাহিনীকে যুদ্ধে তলব করায় ক্ষোভ বাড়লেও অর্থোডক্সদের সেনাসেবা এড়ানোর সুযোগ সামাজিক অস্থিরতার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে সমর্থন হ্রাসসহ বৈশ্বিক অঙ্গনে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান একঘরে হয়ে পড়াও এই অস্থিরতা আরও তীব্র করতে পারে বলে সিআইএ মনে করে।

#ডিফেন্সলেন্স

নিরাপত্তা হুমকির’ ঝুঁকিতে যুক্তরাজ্য থেকে বিমান ঘাঁটি সরানোর কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প ।যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্স...
06/10/2026

নিরাপত্তা হুমকির’ ঝুঁকিতে যুক্তরাজ্য থেকে বিমান ঘাঁটি সরানোর কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প ।

যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের (আরএএফ) ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটি থেকে মার্কিন বোমারু বিমান সরিয়ে নেওয়ার কারণ হিসেবে সুনির্দিষ্ট ‘নিরাপত্তা হুমকির’ কথা নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

সোমবার (৫ অক্টোবর) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করেন, আকস্মিকভাবে নয়, বরং ঘাঁটিতে হামলার তথ্য পেয়েই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে রবিবার পেন্টাগনের নির্দেশনায় ঘাঁটিটি থেকে অন্তত এক ডজন বি-১বি কৌশলগত বোমারু বিমান ফের যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে উড়াল দেয়।

বিমান প্রত্যাহারের কারণ জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, আমার ধারণা আমরা এটা বলতে পারি। সেগুলো তো আর এমনি এমনি উড়ে যায়নি। কিছু সুনির্দিষ্ট হুমকি ছিল। শত্রুকে সুযোগ বা আনন্দ না দিয়ে আমরা বরং তাদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেব। কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় বিমানগুলো ফেলে রাখার কোনো যৌক্তিকতা ছিল না। সে কারণেই সেগুলোকে সাময়িকভাবে কিছুটা নিরাপদ দূরত্বে সরানো হয়েছে।’

তিনি আরও দাবি করেন, হুমকির পেছনে কারা জড়িত তা ওয়াশিংটন জানে, যদিও এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো নাম বা পরিচয় তিনি প্রকাশ করেননি।

লন্ডন থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত এই ফেয়ারফোর্ড ঘাঁটিটি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই মার্কিন দূরপাল্লার বোমারু বিমান অভিযানের প্রধান ইউরোপীয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। সম্প্রতি ঘাঁটিটিকে ঘিরে ইরানের মদদপুষ্ট হামলার পরিকল্পনার আশঙ্কা দেখা দেয়।

গত ২৭ সেপ্টেম্বর বিমানঘাঁটির আশপাশে বিস্ফোরক পুঁতে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছিল ব্রিটিশ পুলিশ। পরবর্তীতে তাদের গাড়িতে পেট্রোল পাওয়া গেলেও বিস্ফোরক না মেলায় অভিযোগ ছাড়াই তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়; ইরানও এসব অভিযোগ নাকচ করে। তবে এর কয়েক দিন পরই গত বৃহস্পতিবার লন্ডনে ২৫ বছর বয়সী এক ব্রিটিশ-ইরানি দ্বৈত নাগরিককে বিমানঘাঁটিতে হামলার ছক তৈরির অভিযোগে সরাসরি গ্রেপ্তার করে সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ। ওই ঘটনার পরই নিরাপত্তা বিবেচনায় বোমারু বিমানগুলো সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় পেন্টাগন।

#ডিফেন্সলেন্স

ইসরায়েলি নৃশংসতায় তিন বছরে ৮০০ ফিলিস্তিনি শিক্ষক নিহত ।গাজায় ইসরায়েলের চলমান নৃশংসতায় ৮ শতাধিক ফিলিস্তিনি শিক্ষক নিহত...
06/10/2026

ইসরায়েলি নৃশংসতায় তিন বছরে ৮০০ ফিলিস্তিনি শিক্ষক নিহত ।

গাজায় ইসরায়েলের চলমান নৃশংসতায় ৮ শতাধিক ফিলিস্তিনি শিক্ষক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো ৩ হাজারের বেশি শিক্ষক বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এদিকে পুরো ভূখণ্ডই আমাদের, পশ্চিম তীর দখলের ডাক ইসরায়েলি মন্ত্রীর।

৫ অক্টোবর পালিত বিশ্ব শিক্ষক দিবসের আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিনের শিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গত তিন বছরে ৮০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি শিক্ষক নিহত এবং ৩৩০০ এর বেশি আহত হয়েছেন। আগ্রাসন ও পদ্ধতিগত লক্ষ্যবস্তুকরণের সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি শিক্ষকরা শিক্ষার অধিকার রক্ষায় প্রকৃত সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। মন্ত্রণালয় জানায়, ১৭০ জনের বেশি শিক্ষক এখনো কঠোর পরিস্থিতিতে আটক রয়েছেন। এছাড়া ফিলিস্তিনিদের ক্লিয়ারেন্স রাজস্ব ইসরায়েল অব্যাহতভাবে আটকে রাখায় গুরুতর অর্থনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে, যা শিক্ষকদের আর্থিক ও মানসিক সুস্থতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলেও জানায় মন্ত্রণালয়। বোমা হামলা ও বাস্তুচ্যুতি সত্ত্বেও শিক্ষাদান চালিয়ে যাওয়ায় গাজার শিক্ষকদের প্রশংসা করেছে মন্ত্রণালয়। তারা বলেছে, শিক্ষকরা তাঁবু ও বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয়কেন্দ্রকে শ্রেণিকক্ষে পরিণত করেছেন। ফলে, দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা শিক্ষার অধিকার রক্ষার পাশাপাশি নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যও লড়াই করছেন।

২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলা শুরুর পর থেকে গাজা ও পশ্চিম তীরের শিক্ষা খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ওপর নিয়মিত হামলা ও নানা ধরনের নির্যাতন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে মন্ত্রণালয়। আটক থাকা শিক্ষকরা কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এছাড়া, পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় শত শত তল্লাশিচৌকিতে চলাচলে বাধা ও হয়রানির কারণে শিক্ষকদের দুর্ভোগ আরো বেড়েছে। বিশেষ করে, হেবরনের দক্ষিণের মাসাফের ইয়াত্তা, মধ্য পশ্চিম তীরের আল-মুঘাইয়ির গ্রাম, জর্ডান উপত্যকা এবং ‘এরিয়া সি' হিসেবে পরিচিত এলাকাগুলোতে এ সমস্যা বেশি।

বিজ্ঞাপন ১৯৯৫ সালের অসলো-২ চুক্তির আওতায় পশ্চিম তীরকে এ, বি ও সি এই তিন এলাকায় ভাগ করা হয়। এরিয়া এ ফিলিস্তিনি বেসামরিক ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরিয়া বি ফিলিস্তিনি বেসামরিক প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও নিরাপত্তার দায়িত্ব ইসরায়েলের হাতে। আর পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা নিয়ে গঠিত এরিয়া সি পুরোপুরি ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফিলিস্তিনি শিক্ষকদের ওপর নির্যাতনের পাশাপাশি তাদের আর্থিক সংকটও বেড়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইসরায়েল ফিলিস্তিনের করের অর্থ আটকে রাখায়
শিক্ষকদের আর্থিক ও মানসিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে দাবি করেছে তারা। 'ক্লিয়ারেন্স রেভিনিউ' নামে পরিচিত এই অর্থ আমদানি করা পণ্যের ওপর ফিলিস্তিনের হয়ে ইসরায়েল কর হিসেবে আদায় করে। ১৯৯৪ সালের প্যারিস প্রটোকল অনুযায়ী, ইসরায়েল এই অর্থ ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করে। ফিলিস্তিনি সরকারের মোট রাজস্বের প্রায় ৫৬ শতাংশ আসে এই ক্লিয়ারেন্স রেভিনিউ থেকে। ফলে, এ অর্থ আটকে থাকায় সরকারি কর্মীদের বেতন দেওয়া, জনসেবা চালু রাখা এবং সরকারের বিভিন্ন দায় মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরের ‘পুরো ভূখণ্ডই ইসরায়েলের' বলে দাবি করেছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন গভীর। প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে বিলুপ্ত করা এবং ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কট্টর ডানপন্থি এই মন্ত্ৰী জানান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী হলে তিনি পশ্চিম তীর ও গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের চলে যেতে চাপ দেবেন। তার দাবি, ৬০ শতাংশ ফিলিস্তিনি ‘দেশত্যাগ’ করতে চায়। তিনি বলেন, আমি এতে সময় দেব এবং নিয়মিত বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করব। প্রতি সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করব। এ, বি ও সি এলাকার মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। পুরো ভূখণ্ডই আমাদের। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে একাধিকবার বিতর্কিত বক্তব্য দেওয়া বেন গভীর অধিকৃত এলাকায় ইসরায়েলি সেনা পাঠানোর কৌশল প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি খুব সহজ: আপনি সেনাদের যত বেশি গুলি চালানো ও বলপ্রয়োগের অনুমতি দেবেন, তত কম জনবলের প্রয়োজন হবে। আমি আমাদের সেনাদের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেব। পরিকল্পিতভাবে ফিলিস্তিনিদের বিতাড়িত করার নীতিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ‘যথেষ্ট ইচ্ছা ছিল না' বলেও সমালোচনা করেন বেন গভীর।

আগামী ২৭ অক্টোবরের নেসেট নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি এসব মন্তব্য করলেন। ইহুদিদের সুকোট উৎসব চলাকালে জেরুজালেম ও হেব্রনের মুসলিম পবিত্র স্থানগুলোতে ইসরায়েলিদের প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। গত ২৯ সেপ্টেম্বর অন্তত ৯৬৬ জন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ধর্মীয় আচার পালন করে। এতে বেন গভীর নিজেও অংশ নেন।

এর আগে আল-আকসার নিচের সুড়ঙ্গ পরিদর্শন করে নেতানিয়াহু বলেন, আমরা এখানে আছি এবং সবসময় এখানেই থাকব। ১৯৯৫ সালের ওসলো চুক্তি অনুযায়ী পশ্চিম তীর বিভিন্ন অঞ্চলে বিভক্ত হলেও জাতিসংঘ একে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য করে এবং ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকে বেআইনি বলে মনে করে।

#ডিফেন্সলেন্স

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জমিতে বন্দিশিবির ও সামরিক ঘাঁটি বানাচ্ছে আরাকান আর্মি ।মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ২০২৪ স...
06/10/2026

রাখাইনে রোহিঙ্গাদের জমিতে বন্দিশিবির ও সামরিক ঘাঁটি বানাচ্ছে আরাকান আর্মি ।

মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মি ২০২৪ সালে রাখাইনের রাজ্যের বিশাল অংশের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এর পর আরাকান আর্মি রোহিঙ্গাদের গ্রাম ধ্বংস করে, তাদের জমির ওপর বন্দিশিবির, সামরিক ঘাঁটি ও বসতি গড়ে তুলেছে।

সম্প্রতি এসব তথ্য উঠে এসেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক অনুসন্ধানে।

স্যাটেলাইট ছবি, জাতিসংঘের গবেষণা এবং বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে করা এই অনুসন্ধানে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন বুথিডং টাউনশিপের হ্নগেট থায় এলাকায় একটি ধানখেতের তথ্য উঠে এসেছে। ২০২৪ সাল পর্যন্ত ওই জমিতে রোহিঙ্গারা চাষাবাদ করতেন। কিন্তু ২০২৬ সালে সেখানে ১২০টি ধূসর রঙের ভবন দেখা যায়। এগুলো আরাকান আর্মি পরিচালিত বন্দিশিবিরের স্থাপনা। সেখানে আশপাশের এলাকা থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে রাখা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া তারা ওই শিবিরে ঢুকতে বা বের হতে পারেন না।

আরাকান আর্মি উত্তর রাখাইন রাজ্যের বেশির ভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে এ ধরনের অন্তত ১০টি শিবির তৈরি করেছে।

রাখাইনে মিয়ানমার শাসনকারী জান্তাবাহিনী এবং বৌদ্ধ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের পর থেকে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশ বসবাস করছেন। রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে থাকা ১৮ বছর বয়সি মুহাম্মদ আরেস বলেন, ‘আরাকান আর্মি প্রথম যখন আসে, তখন আমাদের এলাকায় তীব্র লড়াই শুরু হয়। এসব সংঘর্ষের সময় অনেক বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারান।’

তিনি বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আরাকান আর্মি আমাদের পুরো গ্রাম পুড়িয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়…তারা সব বাস্তুচ্যুত মানুষকে একত্র করে জোর করে শিবিরে নিয়ে যায়।’ আরেস বলেন, ‘তারা মূলত আমাদের মাতৃভূমিকে জোরপূর্বক শ্রমের শিবির ও সামরিক ঘাঁটির একটি নেটওয়ার্কে পরিণত করেছে। তারা আমাদের জমিতে বাড়ি বানিয়েছে’

মায়ু নদীর তীরবর্তী গ্রামগুলোর একটি সারি রয়েছে ওয়েত নিয়ো তাউং এলাকায়। বন্দিশিবিরটি সেখান থেকে প্রায় তিন মাইল দূরে। ২০২৪ সালের এপ্রিলে ওই এলাকা পুড়িয়ে দেওয়ার সময় রোহিঙ্গা কৃষক ও নৌকার মাঝিরা তাদের বাড়ি, কৃষিজমি ও ফলের বাগান হারান। ২৬ বছর বয়সি মোহাম্মদ সাদিক বলেন, ‘তারা সব বড় গাছ ও ফলের বাগান কেটে ফেলেছে এবং পুরো জমি পরিষ্কার করে দিয়েছে। তারা গ্রামের ভৌত কাঠামো পুরোপুরি মুছে দিয়েছে। তারা আমাদের জমিতে বাড়ি বানিয়েছে।’

বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিরা জানান, তাদের নিজেদের বাড়ি ভেঙে ফেলতে বাধ্য করা হয়েছিল এবং সেই বাড়ির উপকরণ ব্যবহার করে বিদ্রোহীদের জন্য নতুন স্থাপনা তৈরি করতে বলা হয়েছিল। এর মধ্যে ওয়েত নিয়ো তাউং এলাকায় ‘এপি ব্যাটালিয়ন’ নামে পরিচিত সামরিক ব্যারাকও ছিল। তরুণ রোহিঙ্গারা জানান, সেখানে তাদের জোর করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

সাদিক বলেন, ‘তারা আমাদের রাস্তা পরিষ্কার করতে, পরিখা খুঁড়তে এবং তাদের শিবিরের ভেতরে কায়িক শ্রম করতে বাধ্য করত। কেউ ক্লান্তিতে পড়ে গেলে তাকে রোদের মধ্যে ফেলে রাখা হতো।’

জাতিসংঘের এক অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সাল থেকে ২৩টি রোহিঙ্গা গ্রামের অন্তত ৮০০ হেক্টর জমি দখল করে সেখানে শিবির, অন্য সম্প্রদায়ের জন্য বসতি অথবা সামরিক অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। জাতিসংঘের গবেষণায় ওই সময়ে আরাকান আর্মির রোহিঙ্গাদের জমি দখল বা রোহিঙ্গাদের বাস্তুচ্যুত করার অন্তত ২৯টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

২০২৪ সাল থেকে এক লাখ ৫৫ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে। ২০১৭ সালের সামরিক অভিযানের পর মিয়ানমারে থেকে যাওয়া আনুমানিক ৬ লাখ রোহিঙ্গার প্রায় এক-চতুর্থাংশ এই সময়ে দেশ ছেড়েছে। বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে বর্তমানে ১২ লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করছে।

মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘের এক বিশেষজ্ঞ দ্য গার্ডিয়ানকে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘উত্তর রাখাইনে রোহিঙ্গাদের উপস্থিতির শেষ এখানেই, এ নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই।’

তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গারা যতদিন এই ভয়াবহ পরিস্থিতি সহ্য করতে পারবে, ততদিন কারাগারের মতো শিবিরগুলোতে থাকতে পারে। কিন্তু তাদের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।’

দ্য গার্ডিয়ানের সংগ্রহ করা সাক্ষ্য এবং জাতিসংঘের প্রতিবেদনে প্রতিফলিত তথ্য অনুযায়ী, আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে নির্যাতন, যৌন সহিংসতা, নির্বিচারে গ্রেফতার, জোরপূর্বক শ্রম, জোর করে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ এবং ‘কর’ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব কৌশল এর আগে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীও ব্যবহার করেছে।

৩২ বছর বয়সি একজন জানান, তাকে জোর করে সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং এক মাস আটক থাকার সময় বারবার মারধর করা হয়। আরেকজন জানান, আরাকান আর্মির সদস্যরা তার ২২ বছর বয়সি মেয়েকে ধরে নিয়ে যায়। তাকে শারীরিক ও যৌন নির্যাতন করা হয় এবং সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে বাধ্য করা হয়। হ্নগেট থায় বন্দিশিবিরে থাকা অনেকেই ২০২৪ সালের ২ মে হোইয়ার সিরিতে সংঘটিত গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষ।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তালিকায় সেখানে নিহত বা নিখোঁজ হওয়া ১৭০ জনের বেশি গ্রামবাসীর তথ্য রয়েছে। তাদের মধ্যে প্রায় ৯০ শিশু। আরাকান আর্মি যুদ্ধাপরাধ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, তারা শুধু সামরিক বাহিনীর সদস্য এবং রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করেছিল।

মিয়ানমার বিষয়ে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত ব্যবস্থা ইন্ডিপেনডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমারের প্রধান নিকোলাস কুমজিয়ান বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর হামলার পরিকল্পনাকারীদের লক্ষ্য ছিল ‘মাঠপর্যায়ে বাস্তবতা তৈরি করা’। তবে রোহিঙ্গাদের জমি ধ্বংসের জন্য আরাকান আর্মিই দায়ী, এমন কোনো তথ্য জাতিসংঘের ওই তদন্ত ব্যবস্থা এখনো নিশ্চিত করেনি বলে জানান তিনি।

কুমজিয়ান বলেন, ‘মিয়ানমারের ভেতরে এখনো থাকা রোহিঙ্গাদের চলমান সংঘাতের সব পক্ষই লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইনের অধ্যাপক টম ড্যানেনবাম বলেন, রোহিঙ্গাদের ওপর জবরদস্তি এবং তাদের নিজ এলাকা থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার এই সমন্বিত কর্মকাণ্ড ‘জনসংখ্যা স্থানান্তর’-এর যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

মিয়ানমারের নির্বাসিত জাতীয় ঐক্য সরকারের সম্প্রতি পর্যন্ত একমাত্র রোহিঙ্গা সদস্য অং কিয়াও মো বলেন, ‘মূল বিষয়টি এখন আর এটা নয় যে, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে টিকে থাকতে পারবে কিনা। বরং প্রশ্ন হলো, এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে কিনা, যা তাদের স্থায়ীভাবে বাস্তুচ্যুত করা এবং তাদের ভৌত, রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক উপস্থিতি মুছে ফেলার বিষয়টিকে অপরিবর্তনীয় করে দেবে।’

জানুয়ারিতে রোহিঙ্গা গণহত্যার মামলার শুনানি শুরু করা আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) এর আগে ‘পরিকল্পিতভাবে মানুষকে উচ্ছেদ করা এবং তাদের বাড়িঘর ধ্বংস করাকে’ গণহত্যার একটি উপাদান হিসেবে বিবেচনা করেছে। চলতি মাসেই আইসিজে রায় দেওয়ার কথা রয়েছে, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গারা গণহত্যার শিকার হয়েছিল কিনা।

#ডিফেন্সলেন্স

রাশিয়ার হামলায় আহত ভারতীয় নাবিক, কঠোর জবাব দিল্লির ।কৃষ্ণসাগরে রুমানিয়ার জলসীমার বাইরে একটি তুর্কি মালিকানাধীন বেসাম...
06/10/2026

রাশিয়ার হামলায় আহত ভারতীয় নাবিক, কঠোর জবাব দিল্লির ।

কৃষ্ণসাগরে রুমানিয়ার জলসীমার বাইরে একটি তুর্কি মালিকানাধীন বেসামরিক পণ্যবাহী জাহাজে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় অন্তত দুইজন নাবিক নিহত এবং এক ভারতীয়সহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

বেসামরিক জাহাজে এই ধরনের আক্রমণকে ‘একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়’ বলে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া (পিটিআই) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে এই খবর জানিয়েছে এনডিটিভি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে রুমানিয়ায় ভারতীয় দূতাবাস জানায়, 'এমভি রিয়াদ মামাদোভ' নামের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় আগুন ধরে যায়। ওই জাহাজে থাকা তিন ভারতীয় নাবিকের মধ্যে একজন আহত হয়ে রুমানিয়ার কনস্টান্টা কাউন্টি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। রুমানিয়ায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত মনোজ মহাপাত্র নাবিকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের শারীরিক অবস্থা ভালো থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এই ঘটনার কঠোর নিন্দা জানিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, ‘কৃষ্ণসাগর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চল পর্যন্ত বেসামরিক জাহাজে আক্রমণ একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা বিশ্বাস করি আলোচনা ও কূটনীতিই রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত সমাধানের একমাত্র পথ।’

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাশিয়ার ড্রোন হামলায় জাহাজের ক্যাপ্টেন নিহত হয়েছেন এবং আরেকজনের পরিণতি এখনো অজানা রয়েছে। ১১ জন ক্রুকে উদ্ধার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ভারতীয় ও আজারবাইজানের নাগরিকরা ছিলেন। এছাড়া গত রোববার ইউক্রেনের সুমিতে ভারতীয় মালিকানাধীন একটি ওষুধ গুদামে রাশিয়ার হামলায় ৫২ বছর বয়সী এক কর্মী নিহত হন।

#ডিফেন্সলেন্স

যুক্তরাজ্যে চরম আইনি ঝুঁকিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীরা ।উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমিয়ে সামাজিক যোগা...
06/10/2026

যুক্তরাজ্যে চরম আইনি ঝুঁকিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও কর্মীরা ।

উন্নত জীবনের প্রত্যাশায় যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কম বয়সী তরুণীদের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে গুরুতর আইনি ফাঁদে পড়ছেন বাংলাদেশি স্টুডেন্ট ও কেয়ার কর্মীদের কেউ কেউ। ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে বয়স ও পরিচয় গোপন করে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে অন্তরঙ্গ বা যৌন কথোপকথন এবং পরবর্তীতে সরাসরি সাক্ষাৎ করতে গিয়ে গ্রেপ্তারের শিকার হচ্ছেন অনেকে। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একাধিক গ্রেপ্তারের ভিডিও প্রবাসীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও সতর্কবার্তা তৈরি করেছে।

gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
প্রকাশ্যে আসা বিভিন্ন ঘটনায় দেখা গেছে, অনলাইনে চ্যাটিংয়ের পর অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করতে গিয়ে তাদের অভিভাবকদের হাতে ধরা পড়ছেন সংশ্লিষ্টরা। অভিভাবকরা তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আটকে রেখে স্থানীয় পুলিশের হাতে সোপর্দ করছেন এবং এসব ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে।

যুক্তরাজ্যের যৌন অপরাধসংক্রান্ত আইন অত্যন্ত কঠোর ও আপসহীন। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে যৌন সম্মতির সাধারণ বয়স ১৬ বছর নির্ধারণ করা থাকলেও এর অর্থ এই নয় যে, ১৬ বছরের কম বয়সীদের সঙ্গে যেকোনো যৌন যোগাযোগ বা যৌন উদ্দেশ্যে সম্পর্ক স্থাপন আইনত বৈধ। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পরিচয় গোপন রেখে শিশু-কিশোরদের সঙ্গে যোগাযোগের ঘটনায় দেশটিতে কঠোর শাস্তির একাধিক নজির রয়েছে।

ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিসের (সিপিএস) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে রুহেল মিয়া নামের ৪৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তি স্ন্যাপচ্যাটে ১৫ বছর বয়সী কিশোর সেজে তিন কিশোরীর সঙ্গে যোগাযোগ করার দায়ে আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন এবং তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই ধরনের অপরাধে গ্রেটার ম্যানচেস্টারে কিরখান নামের এক ব্যক্তি ভুয়া পরিচয়ে ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী তরুণীদের সঙ্গে যোগাযোগের ঘটনায় ৩০টি অপরাধে দোষী প্রমাণিত হয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।

যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) এবং ন্যাশনাল পুলিশ চিফ কাউন্সিলের (এনপিসিসি) দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৫ সালে দেশটিতে অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত অভিযোগের সংখ্যা প্রায় এক লাখে পৌঁছেছে। এই ধরনের অপরাধ দমনে যুক্তরাজ্য পুলিশ প্রতি মাসে প্রায় এক হাজার সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করছে এবং প্রায় ১ হাজার ২০০ শিশুকে সুরক্ষামূলক হেফাজতে নিচ্ছে।

সিপিএসের নির্দেশনা অনুসারে, ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী কোনো ব্যক্তি ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুর সঙ্গে যৌন প্রকৃতির যোগাযোগ স্থাপন করলে তা সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়। সেক্সুয়াল অফেন্স অ্যাক্ট ২০০৩-এর সেকশন ১৫(এ)-তেও এ ধরনের আচরণকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে স্পষ্ট করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কেবল সরাসরি শারীরিক সম্পর্কই অপরাধ নয়; ‘শুধু চ্যাট করেছি’, ‘শুধু ছবি আদান-প্রদান হয়েছে’ কিংবা ‘কেবল দেখা করার কথা হয়েছিল’—এমন অজুহাত আইনের চোখে কোনো ছাড় দেয় না। অনলাইনে আলাপের পর অপ্রাপ্তবয়স্ক কারও সঙ্গে যৌন উদ্দেশ্যে দেখা করার পরিকল্পনা করাও গুরুতর অপরাধ।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলে তা কেবল আদালতের কারাদণ্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে অভিবাসন মর্যাদায় বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনে। অপরাধের মাত্রা ও সাজার কারণে যুক্তরাজ্যে থাকার ভিসা বা কাজের অনুমতি বাতিলসহ স্থায়ীভাবে প্রবেশ নিষিদ্ধ হতে পারে।

বিপুল অর্থ ও শ্রম ব্যয় করে বিদেশে নতুন ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে আসা অনেক তরুণের জন্য অনলাইনের একটি অসতর্ক ভুল সিদ্ধান্ত আজীবনের ট্র্যাজেডিতে রূপ নিচ্ছে। একটিমাত্র অভিযোগের কারণে ফৌজদারি মামলা, গ্রেপ্তার, চাকরি হারানো ও মানসিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি স্থায়ীভাবে দেশত্যাগের ঝুঁকিতে পড়ছে তাদের পুরো প্রবাসজীবন।

#ডিফেন্সলেন্স

নাইজেরিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, ৩২ আরোহীর সবাই নিহত ।নাইজেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩২ আরোহীর ...
06/10/2026

নাইজেরিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, ৩২ আরোহীর সবাই নিহত ।

নাইজেরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩২ আরোহীর সবাই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২৫ জন যাত্রী ও সাতজন ক্রু সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলা টিনুবু।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দেশটির অর্থনৈতিক কেন্দ্র লাগোসে একটি রুটিন মিশনে যাওয়ার সময় বিমানটি অনডো প্রদেশের ইগবোকোডা এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।

নাইজেরিয়ার এভিয়েশন বিষয়ক মন্ত্রী ফেসটাস কেয়ামো জানান, স্থানীয় সময় সকাল ৯টার দিকে উড্ডয়নের পর বিমানটির সঙ্গে রাডারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে এডো প্রদেশ থেকে লাগোস যাওয়ার পথে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানা যায়।

একটি নৌঘাঁটির কাছে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে। দুর্ঘটনার পরপরই অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে দেশটির বিমানবাহিনী।

বিমানবাহিনী জানিয়েছে, দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি ছিল এটিআর-৪২ মডেলের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা নৌকায় করে দুর্ঘটনাস্থলে অভিযান চালাচ্ছেন। এ সময় ঘটনাস্থলের আশপাশে উৎসুক মানুষের ভিড়ও দেখা যায়।

স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার সময় কয়েকটি গাছ ভেঙে পড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে কয়েকজনের দেহাবশেষ, পোশাক ও জুতা পাওয়া গেছে।

#ডিফেন্সলেন্স

সৌদি আরবে সেনা মোতায়েন করছে তুরস্ক ও পাকিস্তান ।ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ক্রমাগত আগ্রাসন ও হামলার মুখে সৌদি আরবের সুরক্...
06/10/2026

সৌদি আরবে সেনা মোতায়েন করছে তুরস্ক ও পাকিস্তান ।

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ক্রমাগত আগ্রাসন ও হামলার মুখে সৌদি আরবের সুরক্ষায় ‘দ্রুত সেনা মোতায়েন’ (র‌্যাপিড ডেপ্লয়মেন্ট) করতে যাচ্ছে তুরস্ক ও পাকিস্তান। নতুন স্বাক্ষরিত ত্রিদেশীয় পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সোমবার (৫ অক্টোবর) তিন দেশের পক্ষ থেকে যৌথভাবে ঘোষণা করা হয়। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গত আগস্টে দেশ তিনটি ঐতিহাসিকভাবে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। এই চুক্তির মূল শর্ত ছিল—মিত্র তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে বাকি দেশগুলো তাৎক্ষণিকভাবে তার সাহায্যে এগিয়ে আসবে। সামরিক শক্তির বিচারে এটি এক অভূতপূর্ব অক্ষ তৈরি করেছে; যেখানে ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম শক্তিশালী সেনাবাহিনী তুরস্ক, মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পাকিস্তান এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের শীর্ষ প্রভাবশালী শক্তি সৌদি আরব এক পতাকাতলে আবদ্ধ হয়েছে।

পরিস্থিতির আকস্মিক অবনতি হওয়ায় সোমবার রিয়াদে তিন দেশের শীর্ষ প্রতিনিধিরা এক জরুরি বৈঠকে বসেন। বৈঠকে সৌদি ভূখণ্ডে, বিশেষ করে পবিত্র মক্কা ও মদিনা নগরীকে লক্ষ্য করে চালানো সাম্প্রতিক আক্রমণগুলোর তীব্র নিন্দা জানানো হয়। যদিও আনুষ্ঠানিক আলোচনায় ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবে সৌদি আরবের নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর যেকোনো ধরনের হুমকি বা আঘাতকে তিন পক্ষই দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে প্রত্যাখ্যান করেছে।

বৈঠক শেষে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, পারস্পরিক যৌথ প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রয়োগ ঘটাতে তিন দেশই অবিলম্বে মাঠে নামার বিষয়ে একমত হয়েছে। চুক্তিতে সম্মত হওয়া সামরিক বাহিনী ও সক্ষমতা সরবরাহ করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সৌদি আরবের মাটিতে তাদের অতি দ্রুত সেনা মোতায়েন নিশ্চিত করা হবে। তবে সৌদি আরবে পৌঁছানোর পর তুর্কি ও পাকিস্তানি বাহিনী ঠিক কী ধরনের সামরিক দায়িত্ব পালন করবে—তা যৌথ বিবৃতিতে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি।

চলতি বছরের জুলাই মাসে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ নতুন করে তীব্র আকার ধারণ করার পর থেকেই সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর, তেল অবকাঠামো ও পণ্যবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে ক্রমাগত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে হুতিরা। পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নেয় সেপ্টেম্বরে, যখন হুতিদের আকস্মিক বড় অভিযানে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর হাত থেকে বিশাল এলাকা হাতছাড়া হয়ে যায়। সেই ধারাবাহিকতায় হারানো সব ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে রিয়াদের সরাসরি বিমান সহায়তায় সোমবার থেকেই দেশব্যাপী বড় ধরনের পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী; যার মধ্যে এমন কিছু অঞ্চলও রয়েছে যা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে হুতিদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল।

#ডিফেন্সলেন্স

তাইজে তুমুল লড়াই, ২৪ ঘণ্টায় ১,৫৪০ হুতি সেনা হতাহতের দাবি ইয়েমেন সেনাবাহিনীর ।ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে...
05/10/2026

তাইজে তুমুল লড়াই, ২৪ ঘণ্টায় ১,৫৪০ হুতি সেনা হতাহতের দাবি ইয়েমেন সেনাবাহিনীর ।

ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে ইরান–সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের তুমুল লড়াই চলছে। ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ১ হাজার ৫৪০ হুতি যোদ্ধা নিহত বা আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে দেশটির সরকার।
ইয়েমেন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিভিন্ন রণক্ষেত্রে হুতিদের অবস্থান, রসদপত্র, নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র ও সামরিক সক্ষমতা লক্ষ্য করে ৪৭৪টি অভিযান চালানো হয়েছে। এর মধ্যে তাইজ প্রদেশেই সবচেয়ে বেশি হুতি যোদ্ধা হতাহত হয়েছেন।
ইয়েমেনের সামরিক মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি বলেন, এসব অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট লঞ্চার ব্যবহার করা হয়েছে।
রিয়াদের পাশে তেলের অবকাঠামোয় হামলার দাবি হুতিদের
৩ ঘণ্টা আগে
রিয়াদের পাশে তেলের অবকাঠামোয় হামলার দাবি হুতিদের
ইয়েমেনে নতুন করে শুরু হওয়া এ সংঘাতের অন্যতম প্রধান যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে তাইজ।
সরকারি বাহিনীর বরাতে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহে এ প্রদেশের বানি বাকারু, মাকবানাহ, আল-আকরুদ, তাইজ শহরের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রবেশপথসহ বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
সরকারি বাহিনীর বরাতে জানা গেছে, গত কয়েক সপ্তাহে তাইজ প্রদেশের বানি বাকারু, মাকবানাহ, আল-আকরুদ, তাইজ শহরের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলীয় প্রবেশপথসহ বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এমন পরিস্থিতিতে গতকাল শনিবার আল-হুবান ক্রসিং বন্ধ করে দেয় ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়ক হুতি-নিয়ন্ত্রিত আল-হুবানের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা তাইজ শহরকে যুক্ত করেছে।
ইয়েমেন সেনাবাহিনীর দাবি, হুতিদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা, সড়কের কাছাকাছি হামলা এবং সেখানে তাদের সামরিক শক্তি বাড়ানোর কারণে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকিতে ক্রসিংটি বন্ধ করা হয়েছে।
আল–জাজিরার প্রতিবেদনে ইয়েমেনের সামরিক মুখপাত্রের বরাতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ৯ বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৪ সালে ‘মানবিক কারণে’ বেসামরিক নাগরিকদের জন্য ক্রসিংটি খুলে দেওয়া হয়েছিল।
লোহিত সাগর উপকূলজুড়ে হুতিদের অগ্রযাত্রায় আনন্দ প্রকাশ করে সশস্ত্র গোষ্ঠীটির সমর্থকদের মিছিল। সানা, ইয়েমেন, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লোহিত সাগর উপকূলজুড়ে হুতিদের অগ্রযাত্রায় আনন্দ প্রকাশ করে সশস্ত্র গোষ্ঠীটির সমর্থকদের মিছিল। সানা, ইয়েমেন, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ছবি: রয়টার্স
তবে নতুন করে এ ক্রসিং বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুপক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলের মধ্যকার যোগাযোগের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ আবার বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল।
তাইজের কৌশলগত সড়ক ও উঁচু পাহাড়ি অবস্থানগুলোর দিকে হুতিদের অগ্রসর হওয়া ঠেকানোর চেষ্টার অংশ হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর এমনটাই দাবি।
চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে ইয়েমেনি সামরিক বাহিনী তাইজে হুতি বাহিনীর বিরুদ্ধে ৭১টি অভিযান চালানোর কথা ঘোষণা করেছিল।
ইয়েমেনের পাহাড়ি অঞ্চল ও লোহিত সাগর উপকূলের মাঝামাঝি অবস্থানের কারণে তাইজ প্রদেশটি শুরু থেকেই কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এর আগে ২০২২ সালের এপ্রিলে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়েছিল। ফলে দীর্ঘদিন সেখানে একধরনের শান্ত পরিস্থিতি বজায় ছিল। তবে গত জুলাইয়ে সেই যুদ্ধবিরতির পরিস্থিতি ভেঙে যাওয়ার পরই নতুন করে এ উত্তেজনা শুরু হয়েছে।

#ডিফেন্সলেন্স

ইসরায়েলে অতিরিক্ত সেনা-যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ।মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সংঘাত বাড়ার আশঙ্কায় ইসরায়েলে অতিরিক্ত ...
05/10/2026

ইসরায়েলে অতিরিক্ত সেনা-যুদ্ধবিমান পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ।

মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য সংঘাত বাড়ার আশঙ্কায় ইসরায়েলে অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (৫ অক্টোবর) ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়ালার বরাতে এক প্রতিবেদনের এক খবর জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।

বেনামী নিরাপত্তা সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদমাধ্যম ওয়ালা জানিয়েছে, বর্তমানে ইসরায়েল জুড়ে প্রায় ৩ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। তারা বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা, পাইলট, সহায়তা দল, রসদ এবং সামরিক সদর দপ্তরে বিভিন্ন দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। ওই এলাকায় নিয়মিত সেনা আবর্তনের অংশ হিসেবে আগামীতে বাড়তি সেনা ও যুদ্ধবিমান পৌঁছাবে।

ইসরায়েলের একজন জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানান, প্রতিপক্ষরা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছে এবং সংঘাত না বাড়িয়ে কীভাবে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা যায় তা মূল্যায়ন করছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘তারা বোঝে যে এবার ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত আক্রমণাত্মক হবে।’
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বা পরিস্থিতি দ্রুত অবনতির আশঙ্কায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেনটকম) সঙ্গে ইসরায়েল সামরিক সমন্বয় অব্যাহত রেখেছে। এর আগে সেপ্টেম্বর শেষে কাতারের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি খোলার বিষয়ে ইরান যেসব সাতটি শর্ত দিয়েছিল, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তা প্রত্যাখ্যান করেন। তবে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তাদের দেশ কূটনৈতিক পথে ন্যায়সংগত সমাধানে পৌঁছাতে প্রস্তুত।

এদিকে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাত আঞ্চলিক জোটে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তারা। বিশেষ করে সেপ্টেম্বর মাসে হুথিরা আল হুদাইদাহ, তাইজ ও বাব আল-মান্দেব প্রণালীর কাছে গুরুত্বপূর্ণ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার যৌথ পদক্ষেপের গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।

#ডিফেন্সলেন্স

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Defence Lens posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category