BNP Network, Dhaka-10

BNP Network, Dhaka-10 "সবার আগে বাংলাদেশ"
ধানের শীষে ভোট দিন 🌾
ধানমন্ডি,নিউমার্কেট,কলাবাগান
হাজারীবাগ,কামরাঙ্গীচর।

সমগ্র মানবজাতির জন্য রাসুল (সা.)-এর জীবনই পূর্ণাঙ্গ আদর্শ: শেখ রবিউল আলম  রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ...
29/09/2026

সমগ্র মানবজাতির জন্য রাসুল (সা.)-এর জীবনই পূর্ণাঙ্গ আদর্শ: শেখ রবিউল আলম

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনকে সমগ্র মানবজাতির জন্য পূর্ণাঙ্গ ও অনুকরণীয় আদর্শ হিসেবে উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, সিরাত শুধু রাসুলের জীবনী নয়, বরং আল্লাহর পছন্দকৃত এমন একটি জীবনব্যবস্থা- যা অনুসরণ করলে মানুষ আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভ করতে পারে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ধানমন্ডি ক্রিকেট মাঠে ‘রুহামা ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’র উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ পুরস্কার বিতরণী ও সীরাত কনফারেন্স অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, সিরাতের আভিধানিক অর্থ জীবনী। সিরাতুন্নবী অর্থ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনী। তবে সিরাতকে শুধু জীবনী হিসেবে দেখলে এর ব্যাপকতা বোঝা যাবে না। সিরাত হচ্ছে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের পছন্দকৃত এবং সমগ্র মানবজাতির জন্য অনুকরণীয় জীবন।

তিনি বলেন, যে জীবন আল্লাহর নির্দেশ অনুসরণ করা, তাঁর নৈকট্য ও আনুগত্য লাভ এবং তাঁর দাসত্বের জন্য নিবেদিত থাকে, সেই জীবনই সিরাত। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মানুষের কী করা উচিত এবং কী করা উচিত নয়, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যাপিত জীবনে তার পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা রয়েছে।

রাসুলের বহুমুখী ভূমিকার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন- তিনি ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা ছিলেন, রাষ্ট্রনায়ক ছিলেন, রাষ্ট্রের প্রধান ছিলেন, বিচারক ছিলেন, সেনানায়ক ছিলেন এবং ইমাম ছিলেন। যুদ্ধের সময় তিনি শুধু নেতৃত্বই দেননি, যুদ্ধের কৌশলও নির্ধারণ করেছেন। আবার সন্ধির সময় কূটনীতিক হিসেবেও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।

হুদায়বিয়ার সন্ধির প্রসঙ্গ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ওই সন্ধির শর্ত অনেক সাহাবির কাছে মুসলমানদের বিপক্ষে যাচ্ছে বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মধ্যেই বিজয় দেখতে পেয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে রক্তপাত ছাড়াই বিজয় অর্জিত হয়। এর মাধ্যমে তাঁর কূটনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় পাওয়া যায়।

সিরাত কনফারেন্সে শিশুদের অংশগ্রহণের প্রশংসা করে শেখ রবিউল আলম জানান, তিনি কয়েকজন শিশুর উপস্থাপনা শুনেছেন। কেউ বাংলায়, কেউ আরবিতে এবং কেউ ইংরেজিতে বক্তব্য দিয়েছে। ছোট শিশুদের বাচনভঙ্গি, চাহনি ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

তবে শিশুদের উপস্থাপনার ধরন নিয়ে নিজের একটি পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইসলামী স্কলারদের প্রচলিত উপস্থাপনার ধরন শিশুরা অনুসরণ করছে। এর পরিবর্তে দেশের সমাজ, সংস্কৃতি ও পারিবারিক পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের উপস্থাপনা আরও সহজ ও জনবান্ধব হওয়া প্রয়োজন।

মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, শিশুদের উপস্থাপনায় সমাজ ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও বেশি সম্পৃক্ততা থাকলে তা মানুষের কাছে বেশি হৃদয়গ্রাহী হবে এবং মানুষের মননে প্রভাব ফেলবে। এতে সিরাতের শিক্ষা অনুসরণে মানুষ আরও উৎসাহিত হবে।

মন্ত্রী বলেন, ইসলামী বক্তব্য ও ওয়াজের ক্ষেত্রে একটি গতানুগতিক উপস্থাপনার ধারা রয়েছে। কোমলমতি শিশুরা যেন আধুনিক ও বিদ্যমান সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সহজ ও স্বাভাবিকভাবে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে, সেদিকে গুরুত্ব দিতে হবে।

তিনি বলেন, উপস্থাপনা সহজ, সমাজবান্ধব ও পরিবারবান্ধব না হলে অনেক ভালো জানা ও ভালো বক্তব্যও মূলধারার মানুষের কাছে আকর্ষণ তৈরি করতে পারে না। এতে একটি প্রজন্ম নির্দিষ্ট একটি কমিউনিটির মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ইসলামী স্কলারদের উদ্দেশে শেখ রবিউল আলম বলেন, শিশুদের জন্য তারা যদি আরও উদার ও নমনীয়ভাবে বিষয়গুলো উপস্থাপন করেন, তাহলে তা শিশুদের জন্য আরও শিক্ষাবান্ধব ও ক্যারিয়ারবান্ধব হবে।

বক্তব্যে আফগানিস্তানের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। আফগানিস্তান ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশটির দীর্ঘ ইতিহাসে উপনিবেশিক আধিপত্য, সাম্রাজ্যবাদী ও পুঁজিবাদী শাসনের পাশাপাশি সমাজতান্ত্রিক শাসনের প্রভাবও ছিল। এসব পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে তারা নিজেদের মতো করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, আফগানিস্তানে এখনো ৫০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার মধ্যে বসবাস করছে এবং প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। দেশটির মাথাপিছু আয় এখনো ৭০০ ডলারের বেশি এবং জিডিপির প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৪ শতাংশ। ফলে দেশটি এখনো নিম্ন আয়ের দেশের মধ্যে রয়েছে। তবে নিজেদের পায়ে দাঁড়িয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে তারা।

কোরআন ও সিরাতের শিক্ষা অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি এবং জান্নাত লাভ করতে হলে কোরআনের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। ব্যক্তি, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে একজন সাচ্চা মুসলিম হিসেবে জীবনযাপন করতে হবে।

তিনি বলেন, আপনি আল্লাহর বিধান বিশ্বাস করেন, অনুসরণ করেন- আপনি সাচ্চা মুসলিম। আবার আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠা করার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত থাকলে আপনি মুমিন।

নতুন প্রজন্মকে শুধু সিরাত পড়া ও জানার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে তা জীবনে অনুশীলনের আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, কোরআন পড়তে হবে, সিরাত জানতে হবে। একই সঙ্গে সেই শিক্ষা আত্মস্থ ও অনুশীলন করতে হবে।

শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সত্যবাদিতা ও নৈতিক চরিত্র গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, শৈশব থেকেই যদি জীবন সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সেই জীবন সত্যের পথেই থাকবে। কিন্তু মিথ্যার ওপর নির্ভরশীল জীবন থেকে বের হয়ে আসা কঠিন।

নতুন প্রজন্ম যেন শুধু মর্যাদা, অর্থ ও বস্তুগত সাফল্যের পেছনে না ছুটে আল্লাহর পছন্দের বান্দা হওয়ার জন্য জীবন গড়ে তোলে, এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে শেখ রবিউল আলম বলেন, আগের প্রজন্ম জীবনে অনেক ভুল করে থাকতে পারে, আমলে ঘাটতিও থাকতে পারে। তবে প্রত্যাশা হলো, নতুন প্রজন্ম যেন সাচ্চা মুসলিমের যাপিত জীবন এবং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবন অনুসরণ করে।

সবশেষে শিশুদের উদ্দেশে মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, সমাজের সঙ্গে আরও বেশি সম্পৃক্ততা রেখে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনকে জানতে ও উপস্থাপন করতে হবে। তা হলে সিরাতের শিক্ষা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাবে এবং নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।

29/09/2026

বাংলাদেশের ইসলামি স্কলারদের অঙ্গভঙ্গি শিশুরা অনুসরণ করে : শেখ রবিউল আলম, এমপি
মাননীয় মন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

29/09/2026

জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সিরাত অনুসরণ করবেন - শেখ রবিউল আলম, এমপি

মাননীয় মন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

28/09/2026

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

- শেখ রবিউল আলম, এমপি
মাননীয় মন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ , নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

28/09/2026

আমি আর ব্যর্থতা চাইছি না - শেখ রবিউল আলম, এমপি

মাননীয় মন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

28/09/2026

'ঢাকা শহরের অভ্যন্তরীণ বাস ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরাজীর্ণ' | শেখ রবিউল আলম, এমপি

মাননীয় মন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়

মেরিটাইম খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতা প্রদানে সরকার আন্তরিক: শেখ রবিউল আলমসিঙ্গাপুর ও সাইপ্রাসভিত্তিক বিভিন্ন শিপ...
28/09/2026

মেরিটাইম খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতা প্রদানে সরকার আন্তরিক: শেখ রবিউল আলম

সিঙ্গাপুর ও সাইপ্রাসভিত্তিক বিভিন্ন শিপিং কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নৌপরিবহন, সড়ক ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের নৌ ও সামুদ্রিক পরিবহন খাতের সম্ভাবনা, বিনিয়োগের সুযোগ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সিঙ্গাপুর ও সাইপ্রাসভিত্তিক শিপিং কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের মেরিটাইম খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রী বিনিয়োগকারীদের এ আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মেরিটাইম খাতে বিনিয়োগের জন্য বিপুল সম্ভাবনা ও সুযোগ রয়েছে। সরকার এ খাতের আধুনিকায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো ও সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানে সরকার আন্তরিক।

বৈঠকে বাংলাদেশের মেরিটাইম খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে ভবিষ্যতে সিঙ্গাপুর ও সাইপ্রাসভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট শিপিং কোম্পানির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

28/09/2026

চালকদের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ মালিকদের ব্যবসা ছাড়ার পরামর্শ : যোগাযোগ মন্ত্রী

সেবার মান না বাড়ালে বাস কোম্পানির রুট পারমিট বাতিল: যোগাযোগ মন্ত্রী ঢাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ও যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত কর...
28/09/2026

সেবার মান না বাড়ালে বাস কোম্পানির রুট পারমিট বাতিল: যোগাযোগ মন্ত্রী

ঢাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ও যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করতে বাস কোম্পানিগুলোকে সেবার মান উন্নয়নে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিতে চান সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌ ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ওই সময়ের মধ্যে না পারলে সংশ্লিষ্ট রুটে নতুন কোম্পানি গঠন করা হবে। তাতেও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা না গেলে প্রয়োজনে রুট বাতিল করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় বাস পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তেজগাঁও সড়ক ভবনের অডিটরিয়ামে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) আয়োজিত বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রমের আওতায় বাসমালিকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বাসমালিকদের উদ্দেশে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাসের মান, যাত্রীসেবা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কোম্পানির। কোনো মালিক বাস যথাযথভাবে সংস্কার না করলে কিংবা চালক-কর্মচারীরা নিয়ম না মানলে তার দায় কোম্পানিকে নিতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি কোনো বাসমালিক চিনব না, কোম্পানি চিনব। বাসটি আপনার কোম্পানির অধীনে চলে। মালিক মানসম্মতভাবে বাস সংস্কার না করলে, যাত্রীর সুবিধা নিশ্চিত না হলে, চালক কথা না শুনলে এবং কর্মচারীরা শৃঙ্খলা না মানলে সেই বাসের দায় আপনাদের নিতে হবে। তা নিশ্চিত করতে না পারলে ওই মালিকের বাস কোম্পানিতে রাখবেন না।’

মন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করে, ব্যবস্থাপনাকে চ্যালেঞ্জ করে ব্যবসা করার সুযোগ কারও নেই। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এসব পরিবর্তন চাইব। তা না হলে প্রয়োজনে নতুন কোম্পানি গঠন করব। তাতেও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা না গেলে রুট বাতিল করে সরকারি পর্যায় থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব।’

বাসমালিকদের লোকসানের যুক্তির বিষয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, আগে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে। এরপর ভাড়া সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতে পারলে প্রয়োজন অনুযায়ী ভাড়া সমন্বয়ে সরকার আলোচনা করবে।

তিনি বলেন, ‘আপনারা মানসম্মত যাত্রী পরিবহন নিশ্চিত করুন। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করুন। বাসে চড়তে মানুষকে আগ্রহী করার মতো পরিবেশ তৈরি করুন। প্রয়োজনে আমরা বসব। আপনাদের লোকসান হলে আমরা দেখব। উদ্যোক্তাদের টিকিয়ে রাখতে হবে, তাঁদের নির্দিষ্ট মাত্রার লাভেরও প্রয়োজন আছে।’

সেবার মান না বাড়িয়ে শুধু ভাড়া বাড়ানোর দাবি গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কোনো ব্যবসায় প্রত্যাশা অনুযায়ী লাভ না হলে সেই ব্যবসা চালিয়ে যেতেই হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। যাত্রীদের ওপর চাপ তৈরি করে ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘আপনি সেবা বিক্রি করছেন, তার জন্য যুক্তিসংগত লাভ করবেন। কিন্তু সেবার মান উন্নত না করে যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া চাইবেন, এটা হতে পারে না।’

ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চার্জিং অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট এলাকা ও নিয়মের মধ্যে এসব যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকায় তাদের চলাচল নিয়ন্ত্রিত হতে পারে। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপযুক্ত চালকদের দ্রুত ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান শেখ রবিউল আলম। বাস কোম্পানিগুলোকে দক্ষ, প্রশিক্ষিত ও শারীরিক-মানসিকভাবে সক্ষম চালক চিহ্নিত করে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কাছে পাঠাতে হবে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা উপযুক্ত চালক চিহ্নিত করে পাঠান। তিনি গাড়ি চালাতে জানেন, নিয়ম জানেন এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট, তা নিশ্চিত করুন। আমরা পরীক্ষা নিয়ে লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা করব।’

ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বাসস্টপেজ চিহ্নিত করা এবং সেগুলোর মান উন্নয়নে ডিটিসিএকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, রুটভিত্তিক বাস কোম্পানিগুলোকে সঙ্গে নিয়ে বাসস্টপেজ চিহ্নিত করতে হবে। পরে সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে সেগুলো যাত্রীবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বাসের সেবার মান উন্নত করতে কোম্পানির ব্যয় ও মালিকদের কাছ থেকে নেওয়া বিভিন্ন অর্থের পরিমাণ কমানোর পরামর্শ দেন শেখ রবিউল আলম। নতুন বা ভালো বাস যুক্ত করতে মালিকদের কাছ থেকে নেওয়া ফি এবং অন্যান্য খরচ কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে বলে জানান তিনি।

শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘আপনারা হয়তো তিন-চার মাস আগের মতো আয় করতে পারবেন না। কিন্তু অনৈতিকভাবে কালেকশন করা হলে সেটা কমিয়ে দেন। মালিকের কাছ থেকে গাড়ি বুকিং ফি বেশি নেওয়া হলে, ট্রিপপ্রতি বেশি টাকা নেওয়া হলে, সেটা কমিয়ে দেন। বাসের সেবার মান বাড়ান।’

পরিবহনের মালিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, বাসের সেবার মান উন্নত করা এবং শ্রমিকদের জীবনমান পরিবর্তনে উদ্যোক্তা হিসেবে তাঁদের দায়িত্ব রয়েছে। সরকার পরিবহনের মালিকদের সঙ্গে নিয়েই পরিবর্তন আনতে চায়। তবে অনিয়ম, গাফিলতি ও অসহযোগিতা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।

তিনি বলেন, এক দিনে বা এক মাসে সব পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে এ উদ্যোগ থেকে সরে আসবে না সরকার। মালিকদের বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে, কিন্তু অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা মেনে নেওয়া হবে না।

নীতি থেকে বাস্তবায়নে— নিরাপদ, সবুজ ও বিশ্বমানের সামুদ্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার শেখ রবিউল আলমের “নীতি থেকে বাস্তব প্রয়ো...
27/09/2026

নীতি থেকে বাস্তবায়নে— নিরাপদ, সবুজ ও বিশ্বমানের সামুদ্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার শেখ রবিউল আলমের

“নীতি থেকে বাস্তব প্রয়োগ: নৌ খাতে উৎকর্ষতা অর্জন” (From Policy to Practice: Powering Maritime Excellence)— এ প্রতিপাদ্যকে উপজীব্য করে বাংলাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব নৌ দিবস–২০২৬ উদ্‌যাপিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, নীতি, পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করে সেগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। শুধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন অনুসমর্থন বা আইন প্রণয়নই যথেষ্ট নয়, নিরাপদ জাহাজ, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক বন্দর, দক্ষ নাবিক, শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা এবং টেকসই নৌবাণিজ্যের মাধ্যমে এর বাস্তব সুফল নিশ্চিত করতে হবে।

মন্ত্রী বাংলাদেশের বন্দরগুলোর আধুনিকায়ন, অটোমেশন, সক্ষমতা সম্প্রসারণ এবং পণ্য খালাসের সময় কমিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি নৌপরিবহন অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ ও পরিদর্শন সক্ষমতা বৃদ্ধি, ফ্ল্যাগ স্টেট ও পোর্ট স্টেট কন্ট্রোল কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ এবং নিরাপত্তা ও পরিবেশগত মানের কার্যকর প্রতিপালন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের নাবিকরা বাংলাদেশের সবচেয়ে মূল্যবান সামুদ্রিক সম্পদ এবং বহির্বিশ্বে দেশের শক্তিশালী প্রতিনিধি। তাঁদের কল্যাণ, প্রশিক্ষণ, সনদায়ন ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে ধারাবাহিক বিনিয়োগ অব্যাহত রাখা হবে। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নৌপথ ও উপকূলীয় নৌপরিবহনের টেকসই উন্নয়ন, নদীদূষণ প্রতিরোধ এবং নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নৌপরিবহন অধিদপ্তর আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের সামুদ্রিক খাতকে নিরাপদ, আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, পরিবেশবান্ধব এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতাসক্ষম করে গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল খন্দকার মেসবাহ-উল-আজিম। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকারিয়া, নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমডোর মো. শফিউল বারীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি, জাহাজমালিক, শিপিং কোম্পানি, জাহাজ ব্যবস্থাপনা ও জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, মেরিটাইম শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান, নাবিক, সামুদ্রিক পেশাজীবী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক পৃথক বাণী প্রদান করেছেন। তাঁরা বাংলাদেশের সমুদ্র, নদী ও নৌসম্পদের বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দক্ষ মানবসম্পদ, আধুনিক বন্দর, কার্যকর নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা, নৌনিরাপত্তা, পরিবেশ সুরক্ষা, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বিধিবিধানের বাস্তবায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বন্দর বর্তমানে বছরে প্রায় ৩৪ লাখ টিইইউ কনটেইনার পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতে প্রায় ৪০ লাখ টিইইউ অতিরিক্ত সক্ষমতার চাহিদা মোকাবিলায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ২০২৯ সালে কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলা এ বন্দর প্রায় ২৩০ মিটার দীর্ঘ এবং আট থেকে দশ হাজার টিইইউ ধারণক্ষমতাসম্পন্ন মাদার ভেসেল সরাসরি গ্রহণ করতে পারবে। এর ফলে পরিবহন সময় ও লজিস্টিক ব্যয় কমবে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

বাংলাদেশের প্রায় ছয় হাজার কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ নৌপথকে দেশের অর্থনীতি ও যোগাযোগব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করে নিরাপদ, পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর নৌপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সমুদ্রবন্দর, উপকূলীয় নৌপথ এবং অভ্যন্তরীণ নৌপথের মধ্যে কার্যকর সংযোগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি সমন্বিত মাল্টিমোডাল পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।

জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরে জানানো হয়, Hong Kong International Convention কার্যকর হওয়ার পর দেশের ২৪টি জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ইয়ার্ড ইতোমধ্যে কমপ্লায়েন্স অর্জন করেছে এবং আরও ২০টি ইয়ার্ড সনদায়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে। নিরাপত্তা, শ্রমিককল্যাণ ও পরিবেশগত মান নিশ্চিত করে এ শিল্পকে আধুনিক, দায়িত্বশীল এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, তেল ও বাংকার দূষণজনিত ক্ষতিপূরণ এবং জাহাজের ধ্বংসাবশেষ অপসারণসংক্রান্ত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক কনভেনশনে বাংলাদেশের যোগদান আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা প্রতিপালনে দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন। পাশাপাশি জাতীয় আইন, বিধিমালা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা আধুনিকায়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থার GreenVoyage2050 কর্মসূচির সহায়তায় জাহাজ চলাচল থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাসে বাংলাদেশ জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কম-কার্বন জ্বালানি, জ্বালানি দক্ষতা, বন্দর কার্যক্রমের বিদ্যুতায়ন এবং পরিবেশসম্মত জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে সবুজ নৌপরিবহনে উত্তরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

দেশের সামুদ্রিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের অগ্রগতি তুলে ধরে বলা হয়, বর্তমানে ১৫টি মেরিটাইম একাডেমি ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং একটি মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় দক্ষ নাবিক, মেরিন প্রকৌশলী ও বন্দর ব্যবস্থাপনা পেশাজীবী তৈরিতে কাজ করছে। ২০১৪ সাল থেকে ১৩৮ জনের বেশি নারী ক্যাডেট দেশের মেরিটাইম একাডেমিগুলো থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ৫০ জন নারী ক্যাডেট প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করছেন।

সামুদ্রিক দুর্ঘটনায় দ্রুত সাড়া প্রদান, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম, জাহাজ শনাক্তকরণ এবং সমন্বিত যোগাযোগ নিশ্চিত করতে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের Joint Rescue and Coordination Centre—JRCC-এর সক্ষমতা আরও সম্প্রসারণের কথা জানানো হয়। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ নৌযানগুলোকে পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল নিবন্ধন ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ তুলে ধরা হয়।

বিশ্ব নৌ দিবস–২০২৬-এর মূল আহ্বান হিসেবে বলা হয়— নীতি হতে হবে কার্যক্রমে রূপান্তরিত, অঙ্গীকার হতে হবে পরিমাপযোগ্য অর্জন এবং সামুদ্রিক সম্ভাবনাকে পরিণত করতে হবে দৃশ্যমান জাতীয় সুফলে।

নিরাপদ, সবুজ, স্মার্ট, সুরক্ষিত এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতাসক্ষম সামুদ্রিক বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

Address

60 Road 7/A
Dhaka
1209

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BNP Network, Dhaka-10 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share