Rajniti Radar

Rajniti Radar

Share

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ❤️🇧🇩✊

12/04/2026

সময়ের বিবর্তনে মানুষ আজ তার অভাব অনুভব করছে। তিনি ছিলেন সাধারণের আস্থার প্রতীক।
Rajniti Radar

12/04/2026

মিথ্যা মামলা থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রথম নারী স্পিকার এডভোকেট শিরিন শারমিন চৌধুরী।
প্রথম বিজয় দিয়ে শুরু 💥

Rajniti Radar

12/04/2026

I am addicted to the forbidden love of the banned Awami League 💥💀

12/04/2026

ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড সহ এরকম আরো অনেক প্রকল্পের ব্যয় মেটাতে দুহাত ভরে ব্যাংক থেকে ঋণ নিচ্ছে সরকার। দেড় মাসেই ৪১ হাজার কোটি টাকার ঋণের বোঝা নিয়ে শঙ্কিত অর্থনীতিবিদরা।

e #জনগণেরটাকা #ব্যাংকঋণ #বাংলাদেশ_অর্থনীতি

12/04/2026

রাজশাহীতে আলু পিয়াজের নায্য মূল্য না পেয়ে হতাশ কৃষকরা

12/04/2026

সাগরে জাহাজ থেকে সরাসরি তেল পাইপলাইনে খালাস ও মজুত সক্ষমতা প্রকল্প তৈরি করেছিলো শেখ হাসিনা সরকার, প্রতিহিংসায় ১৯ মাস যাবত অলস ফেলে রেখেছিলো ইউনূস সরকার!

মহেশখালীতে নির্মিত অবকাঠামোতে বাংলাদেশের বর্তমান চাহিদার প্রায় এক মাসের ক্রুড অয়েল ও এক সপ্তাহের ডিজেলের মজুত রাখার মতো ছয়টি তেলের ট্যাংক খালি পড়ে আছে।

সিঙ্গেল পয়েন্ট ম্যুরিং বা এসপিএম প্রকল্পে অবকাঠামোর নির্মাণকাজ ২০২৪ সালে শেষ হলেও শুধু অপারেটর নিয়োগ করে সেটি এখনো চালু করা যায়নি।

তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং বাংলাদেশে মজুত সক্ষমতা নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে এ প্রকল্পটির গুরুত্ব সামনে এসেছে।

বিদেশ থেকে আমদানি করা জ্বালানি তেল সরাসরি খালাস করতে বঙ্গোপসাগরে ভাসমান বয়া, পরিবহনের জন্য ২২০ কিলামিটার পাইপলাইন ও দুই লাখ টন তেলের মজুত রাখার স্টোরেজ ট্যাংক নির্মাণ করা হয়।

এ অবকাঠামো পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারলে সাগরে তেল খালাস ও পরিবহনে বছরে ৮০০ কোটি টাকার মতো সাশ্রয় হওয়ার কথা। সমস্ত অবকাঠামো প্রস্তুত থাকলেও শুধু পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের ঠিকাদার নিয়োগ করতে না পারায় আট হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ে নির্মিত বিশাল অবকাঠামো প্রায় দুই বছর অলস পড়ে আছে।

সাগরে বড় জাহাজ থেকে সরাসরি পাইপলাইনে তেল খালাস ও পরিবহন করতে আট হাজার কোটি টাকার বেশি খরচে কক্সবাজারের মহেশখালীতে নির্মিত বিশাল অবকাঠামো দীর্ঘদিন ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ। কাজে আসছে না মজুত সক্ষমতাও।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলমান তেল সংকটে এই অবকাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারতো। পাইপলাইনে তেল খালাস করতে পারলে বর্তমান তেল সংকটে একদিকে অর্থ এবং সময়ের অপচয় যেমন হতো না, একই সাথে তেলের মজুত সক্ষমতা কাজে লাগাতে পারলে সংকটকালে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যেত।

তেল আমদানির পর গভীর সমুদ্র থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে সঞ্চালন ও মজুদ করার আধুনিক ব্যবস্থাপনা হিসেবে নেওয়া হয় এসপিএম বা সিঙ্গেল পয়েন্ট ম্যুরিং প্রকল্প।

গভীর সাগর থেকে মহেশখালীর পাম্পিং স্টেশন ও স্টোরেজ ফেসিলিটি এবং সেখান থেকে ইস্টার্ন রিফাইনারি পর্যন্ত ১১০ কিলোমিটার করে দুটি পৃথক পাইপলাইন নির্মাণ করা হয়েছে।

এছাড়া মহেসখালীতে প্রায় ১০০ একর জায়গার ওপর তেল পরিবহনের জন্য পাম্পিং স্টেশন, ডিজেল জেনারেটর এবং ছয়টি স্টোরেজ ট্যাংক নির্মাণ করা হয়েছে।

ছয়টি স্টোরেজ ট্যাংকের মধ্যে ক্রুড অয়েলের জন্য তিনটি ট্যাংকের প্রতিটি ৬০ হাজার কিলোলিটার বা ৪২ হাজার টন ক্ষমতার। আর ডিজেলের তিনটি ট্যাংক প্রতিটি ৩৬ হাজার কিলোলিটার প্রায় ২৫ হাজার টন।

সবমিলিয়ে ছয়টি স্টোরেজ ট্যাংকে দুই লাখ টন তেলের মজুত সক্ষমতা রয়েছে।

বর্তমান ব্যবস্থায় গভীর সাগরে মাদার ভেসেল বা বড় ট্যাংকার জাহাজে তেল আমদানির পর সেটি ছোট (লাইটার) ছোট জাহাজে করে কর্ণফুলী চ্যানেল দিয়ে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিবহন করা হয়।

এসপিএম ব্যবস্থায় গভীর সাগর থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল সরাসরি মহেশখালীতে এনে আবার পাম্প করে পাইপলাইনে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিবহন করা হবে।

প্রকল্প তত্ত্বাবধানকারী ইস্টার্ন রিফাইনারির তথ্য অনুযায়ী, সনাতন পদ্ধতিতে এক লাখ টন ক্রুড তেল আমাদানির পর খালাসে সময় লাগে ১১ দিন। আর পাইপলাইনে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমপরিমান তেল খালাস ও পরিবহন সম্ভব।

সবমিলিয়ে সময়ের বাঁচানো ছাড়াও তেল পরিবহনে অপচয় রোধ, পরিবেশ রক্ষা এবং অর্থেরও বড় সাশ্রয় করতে পারবে এসপিএম অবকাঠামো।

তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ জ্বালানি বিশেষ বিধান আইনেচীনের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হয়েছে। নির্মাণ শেষে এসপিএম এর অপারেশন ও মেইনটেনেন্স বা পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণের ঠিকাদার নিয়োগও বিশেষ আইনে কার্যাদেশ দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো আওয়ামী লীগ সরকার।

পরবর্তীতে ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় এসে বিশেষ আইনটি বাতিল করে দেয়, ফলে আর সেই চুক্তি হয়নি।

অন্তর্বর্তী সরকারের অদক্ষতায় পরবর্তীতে জ্বালানি তেলের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি আর চালু হয়নি। কিন্তু ভেতরের কথা হলো, উক্ত প্রকল্প চালু হলে জনগণ শেখ হাসিনা সরকারের গুণগান গাইবে, তাই এই প্রকল্প নিয়ে অনীহা ছিলো ইউনূস সরকারের।

#তেল #ডিজেল #পাইপলাইন #জাহাজ #মজুদ #প্রকল্প #শেখ #হাসিনা #সরকার #আওয়ামী #লীগ #ইউনূস #সংকট #প্রয়োজনীয় #হাজার #কোটি #টাকা

12/04/2026

হাসিনা সরকারকে সরাতে ৩২ কোটি ডলার খরচ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম

একনজরে সংবাদের মূল পয়েন্ট:

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘সিএসবি নিউজ ইউএসএ’-তে এই চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

২০২৪ সালের আগস্টে হাসিনা সরকারের পতনের নেপথ্যে ওয়াশিংটনের ৩২৫ মিলিয়ন (৩২ কোটি ৫০ লাখ) ডলার ব্যয়ের দাবি।

বিভিন্ন গ্র্যান্ট ডাটাবেজ, কংগ্রেসনাল টেস্টিমনি এবং উন্মুক্ত হওয়া নথিপত্র বিশ্লেষণ করে এই হিসাব দেওয়া হয়েছে।

নথি অনুযায়ী, অভ্যুত্থানের কয়েক মাস আগে থেকেই নির্দিষ্ট কিছু খাতে অর্থের প্রবাহ নাটকীয়ভাবে বাড়ানো হয়েছিল।

প্রতিবেদনে এই পরিবর্তনকে ‘গণতান্ত্রিক অভ্যুত্থান’ নয় বরং একটি ‘পরিকল্পিত অর্থায়িত প্রকল্প’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশত্যাগের নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'সিএসবি নিউজ ইউএসএ' (CSB News USA) তাদের এক বিশেষ প্রতিবেদনে দাবি করেছে, বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্য অর্জনে ওয়াশিংটন ৩২৫ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ ব্যয় করেছে।

‘দ্য পেপার ট্রেইল: হাউ ওয়াশিংটন স্পেন্ট ওভার ৩২৫ মিলিয়ন ডিসম্যান্টলিং বাংলাদেশ’স ইলেক্টেড গভর্নমেন্ট’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি শুক্রবার (১০ এপ্রিল) প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নথিপত্রের যে ‘কাগজে প্রমাণ’ (Paper Trail) পাওয়া গেছে, তা কোনো মিথ্যা বলে না।

নথিপত্রে যা পাওয়া গেছে
সিএসবি নিউজ দাবি করেছে, তারা বিভিন্ন মার্কিন গ্র্যান্ট ডাটাবেজ, কংগ্রেসনাল টেস্টিমনি (কংগ্রেসের সাক্ষ্য) এবং ডিক্লাসিফাইড বা উন্মুক্ত করা প্রোগ্রাম রিভিউ বিশ্লেষণ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমগুলো যখন বাংলাদেশে ২০২৪-এর আগস্টের ঘটনাপ্রবাহকে ‘গণতান্ত্রিক অভ্যুত্থান’ হিসেবে প্রচার করছিল, তখন পর্দার আড়ালে যুক্তরাষ্ট্রের গ্র্যান্ট বা অনুদানগুলো একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যপানে এগোচ্ছিল।

টাকা খরচ হয়েছে যেসব খাতে
অনুসন্ধানী ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এই বিশাল পরিমাণ অর্থের একটি বড় অংশ ব্যয় করা হয়েছে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা (এনজিও), নির্দিষ্ট কিছু নাগরিক সমাজ (সিভিল সোসাইটি) এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে বাংলাদেশে অর্থ প্রবাহের গতি অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। ডিজিটাল ক্যাম্পেইন পরিচালনা এবং সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়ানোর নামে এই অর্থ স্থানীয় বিভিন্ন গোষ্ঠীর হাতে পৌঁছানো হয়।

ভিন্ন এক আখ্যান
প্রতিবেদনে বলা হয়, "এটি কেবল একটি স্বতঃস্ফূর্ত গণআন্দোলন ছিল না। বরং এটি ছিল দীর্ঘমেয়াদী এবং সুপরিকল্পিতভাবে অর্থায়ন করা একটি প্রকল্প।" সিএসবি নিউজ দাবি করছে, নথিপত্রগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ওয়াশিংটনের এই বিনিয়োগ সরাসরি তৎকালীন নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিল।

প্রতিক্রিয়া
এই প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে। ২০২৪ সালের পরিবর্তনকে ‘জেনারেশন জেড’-এর বিপ্লব হিসেবে অভিহিত করা হলেও নতুন এই তথ্য সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। তবে এই প্রতিবেদনের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটন বা বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি এই ৩২৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের নথিপত্র সঠিক হয়, তবে তা দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির হস্তক্ষেপ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করবে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে আশ্রয় নেন। পরবর্তীতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশটিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। সেই ঘটনার প্রায় দেড় বছর পর মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনল।

11/04/2026

আওয়ামী লীগের সময়টাই যেন ছিলো স্বপ্নের মতো—
শান্তি ছিলো, উন্নয়ন ছিলো,আর ছিলো এক ধরনের ভরসা… 🇧🇩

11/04/2026

আজ যারা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-কে নিষিদ্ধ করার স্বপ্ন দেখছেন, তারা ইতিহাসকে ভুলে যাচ্ছেন।

একটি দলকে নিষিদ্ধ করে কি আদর্শ থামানো যায়?
একটি নাম মুছে ফেললেই কি মানুষের বিশ্বাস মুছে যায়?

এই দল কোনো হঠাৎ জন্ম নেওয়া সংগঠন নয় এটি সংগ্রামের ইতিহাস, এটি মানুষের অধিকার আদায়ের প্রতীক, এটি বাংলার মাটির সাথে মিশে থাকা এক আবেগ।

নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত যদি নেওয়াই হয়, তবে মনে রাখবেন
দমন-পীড়ন কখনো কোনো শক্তিকে শেষ করতে পারেনি, বরং তাকে আরও দুর্বার করে তুলেছে।
ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে, জনগণের ভালোবাসা যার সাথে থাকে, তাকে সাময়িকভাবে থামানো যায় কিন্তু চিরতরে মুছে ফেলা যায় না।

আজ যারা “নিষিদ্ধ” শব্দটা উচ্চারণ করছেন, আগামীকাল তারাই হয়তো দেখবেন
ঝড়ের মতো, টর্নেডোর মতো,
আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসছে সেই শক্তি।

বাংলাদেশের রাজনীতি জনগণের
এখানে সিদ্ধান্ত নেয় জনগণ, কোনো নিষেধাজ্ঞা নয়।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ছিল, আছে, থাকবে। 🇧🇩🔥

জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dhaka?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

Dhaka