12/02/2025
LIVE: প্রতিবাদ ও বিক্ষোভে উত্তাল চট্টগ্রাম | Chattogram | Clash | Ekhon Tv #এখনটিভি : প্রতিবাদ ও বিক্ষোভে উত্তাল চট্টগ্রাম | Chattogram | Clash | Ekhon TvFirst-ever Business Televisi...
Zaker Party is a political party in Bangladesh, founded in 1989. Zaker Party is the symbol of divine peace, universal justice, and economic and moral welfare.
Zaker Party aspires to bring divine peace, enforce universal justice and equality, and foster economic and technological progression in Bangladesh. The aspirations of Zaker Party are to develop liberal humanist values in accordance with essence of true Islam – beyond the conventional trends; to develop tolerance of divergent opinions, ideas and religious beliefs; to create a tolerant, peaceful, ac
12/02/2025
LIVE: প্রতিবাদ ও বিক্ষোভে উত্তাল চট্টগ্রাম | Chattogram | Clash | Ekhon Tv #এখনটিভি : প্রতিবাদ ও বিক্ষোভে উত্তাল চট্টগ্রাম | Chattogram | Clash | Ekhon TvFirst-ever Business Televisi...
Mostafa Amir Faisal কার স্যার এতবার বলার পরও যিনারা শুনেননি তারা আজ হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে।
এখনো সময় আছে, আল্লাহ কর্তৃক অনুমোদনহীন তরী ছেড়ে নূহের তরীতে আরোহন করেন।
এটাই সর্বশেষ সুযোগ এতে কোন সন্দেহ নেই। অতি শীঘ্রই মিথ্যা দূরীভূত হবে এবং সত্যের ঝান্ডা তামাম বিশ্বে উড্ডীন হবে। জাকের পার্টি 🌹ব্যতীত অন্য কোন পার্টি এদেশ বাঁচাতে সক্ষম হবে না।
Zaker Party @ Mostofa Kamal Mostafa Notes জাকের পার্টি তালাবা ফ্রন্ট - Zaker Party Talaba Front Zaker Party Dinajpur District জাকের পার্টি মালয়েশিয়া শাখা Zaker Party Nashir Uddin
01/02/2025
তোমরা যেভাবে এবার পবিত্র উরস শরীফ উদযাপন করলে তাতে সবাই সন্তুষ্ট হয়েছে । সবাই তোমাদের ঐক্য ও একতা দেখে সন্তুষ্ট হয়েছে । এবার উরস শরীফে তোমরা দেখলে বিগত উরস শরীফের চেয়ে বহু বেশী লোক সমাগত হয়েছে । সকলেই জানেন এই উরস শরীফের খবর । হযরত পীর কেবলাজান হুজুরের দু’য়ায় আল্লাহতায়ালার ইচ্ছায় এই উরস শরীফ অতীব সূচারু রূপে সম্পন্ন হলো । আল্লাহপাক দয়া করে এই উরস শরীফ করে দিলেন ।
আমি তোমাদের আল্লাহর হাতে সপে দিচ্ছি । এ কয়দিন ওয়াজ নসিহত করা হলো । তোমরা শরীয়তের বাহিরে যেয়ো না । পানির উপর দিয়েও যদি কেঊ হেঁটে যায় আর তার শরীয়তের খেলাফ থাকে , তাকেও বিশ্বাস করা যাবে না । কারণ শয়তান মানুষকে বহুভাবে ধোকা দিতে পারে । তোমাদের একটা কেচ্ছা শোনাই –
‘ময়মনসিংহ জেলা শহরে একজন ম্যাজিসিয়ান এসেছিল । সেই ম্যাজিসিয়ান ম্যাজিক দেখবে । দশটার সময় ম্যাজিক দেখাবে – সমস্ত বড় বড় অফিসাররা এসেছেন । ডিসট্টিক ম্যাজিস্ট্রেট এসেছিলেন । দশটা বেজে গেল । সাড়ে দশটাও বাজলো কিন্তু ম্যাজিসিয়ানের কোনো খবর নেই । সাড়ে দশটাও বাজলো । অবশেষে ষ্টেজে বুটজুতা পায়ে দিয়ে সশব্দে এক লোক হাজির হলো । ম্যাজিস্ট্রেট তাকে জিজ্ঞাসা করলেন “ তুমি কে ?” সে বললো , আমি ম্যাজিসিয়ান । তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো “ কয়টার সময় তোমার আসার কথা ছিল ?” সে বললো , দশটার সময় । তাকে আবারও জিজ্ঞাসা করা হলো , এখন কটা বাজে ? ম্যাজিসিয়ান উত্তর দিল “ দশটা বাজতে এখনও পনেরো মিনিট বাকী আছে ? “ ঐ জায়গায় যত ঘড়ি ছিল সব ঘড়িতেই তখন দশটা বাজতে ১৫ মিনিট বাকী দেখা গেল । ম্যাজিস্ট্রেট অবাক হয়ে গেল ।
এ ম্যাজিসিয়ানদের চেয়েও শয়তান বড় ম্যাজিসিয়ান । সে যে কোন রকম ম্যাজিক তোমাকে দেখাবে , তোমরা বুঝতেও পারবে না যে , সে আল্লাহকে ভুলিয়ে দিচ্ছে । যদি শয়তানের হাত হতে বাঁচতে চাও , তবে পীরে কামেলই একমাত্র বাঁচার পথ । শয়তানের তরফ থেকে নাফস হলো ওজুদ রাজ্যের সিপাহ সালার । এই নফস তোমার ওজুদ রাজ্যে এক ফেরাউন । এই ফেরাউন তোমাদের নিজেদের দেহে খোদাবিরোধিতা করে ।
আল্লাহ বলেন , তুমি তোমার দেহের মধ্যে যে ফেরাউন সেই ফেরাউনের বিরুদ্ধে জেহাদ কর । এই জেহাদকেই হযরত রাসূলে করীম (সাঃ) বলেন , “ জেহাদে আকবর “ । এ যুদ্ধই সর্বশ্রেষ্ঠ জেহাদ ।
একবার এক জেহাদে বিজয় লাভ করে ছাহাবাগণ যখন হাসিঠাট্টা করছিলেন , তখন হযরত রাসূলে করীম (সাঃ) ছাহাবাদের উদ্দেশ্যে বললেন , তোমরা ছোট জেহাদ থেকে বড় জেহাদের দিকে যাও । ছাহাবাগণ বললেন , ইয়া রাসূল্লাল্লা ! এর চেয়ে বড় জেহাদ আর কোন জেহাদ ? ‘’ হযরত রাসূলে করীম (সাঃ) বললেন , “ এই জেহাদ হলো জেহাদ ছোগরা আর তোমাদের নাফসের বিরোদ্ধে যে জেহাদ সেই জেহাদই হলো সবচেয়ে বড় জেহাদ।
নাফস তোমাদের শরীরে ফেরাউন । এই ফেরাউনকে ধ্বংস করতে না পারলে সে তোমাদের আল্লাহর দিকে যেতে দেবে না । তাই দেখবে , তোমাদের দেলে সাধারনতঃ খারাপ কথা মনে আসে না । কিন্তু যখনই তুমি নামাজে দাঁড়াও , তখনই সকল খারাপ কথা মনে আসে । সবই আসে কেবল আল্লাহর কথাই মনে আসে না । অন্য সকল কথাই মনে আসে । যদিও কানে ধরে প্রতিজ্ঞা কর , আল্লাহ ছাড়া কারও সেজদা করবে না ।, কিন্তু নামাজে দাঁড়ালেই শয়তান তোমাকে আল্লাহর কথা ভুলিয়ে দেয় ।
এই অবস্থা থেকে বাঁচার অন্য কোন উপায় নেই – একমাত্র পথ যে পথ সম্পর্কে মাওলানা জালাল উদ্দিন রূমী বলেন , ‘’ তুমি যদি নাফস নামক কালসাপ হতে রক্ষা পেতে চাও , তবে নাফস – হন্তা মোরশেদে কামেলকে শক্ত করে ধর ।“
মহাকবি হাফেজ বলেন ,” হাফেজ ! তুমি যত বড়ই জ্ঞানী , গুণী , বুদ্ধিমান , সাইন্টিষ্ট বা বৈজ্ঞানিক হও না কেন , তোমার পীরের কাছে তুমি কিছুই নও । তুমি যদি দুর্বিপাকের তুফান থেকে বাঁচতে চাও তবে তোমার পীরের সংগেকে নূহের তরী মনে করে শক্ত করে ধর । “ শয়নে স্বপনে তার কথাই মনে রাখো । তার নির্দেশিত পথেই চলো । পীরের মতন দরদী আর কেহ নেই । পীরের মতন দরদী আর কেহ হবেও না ।
সত্য জেন্দা পীর হযরত এনায়েতপুরী ( কুঃছেঃআ; )) ছাহেব শুধু আমাদের চোখের বাহিরে । তিনি সমস্ত কাজ আমার জন্য করে দিচ্ছেন । তিনি আমার কাছে ওয়াদাবদ্ধ আছেন । তিনি বলে গেছেন , “ তোমার সমস্ত কাজ আমার হাতে রাখলাম ।“ এমন কোন ওলী পৃথিবীতে আসে নি , যিনি মুরীদের কাছে ওয়াদা করে যান যে মুরীদের সমস্ত কাজ পৃথিবী ছেড়ে যাবার পরও তিনি তার নিজের হাতে রাখেন । আমার দয়াল পীর কেবলাজান হুজুর নিজেই আমার সব কাজ করে দিচ্ছেন । তিনি এখনও পর্যন্ত তদীয় রুহানী তাওয়াজ্জুহ দ্বারা আমার সকল কাজ সম্পন্ন করে দিচ্ছেন । তাই এই সত্য তরিকা তামাম পৃথিবীতে একটা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে । এই সত্য তরিকা তাই – ই দিন দিন ব্যাপক প্রসার লাভ করছে । তার তাওয়াজ্জুহ চলতে থাকবে । এই তাওয়াজ্জুহ চলবে আখেরী ইমাম ছাহেব আসা পর্যন্ত । আখেরী ইমাম আসলে তোমরা তখন ভিন্ন রকম ফয়েজ পাবে ।
বর্তমানে খাজাবাবার তাওয়াজ্জুহ দ্বারা তোমাদের দেল আল্লাহর দিকে হচ্ছে , তোমরা জজবার হালতে কাঁদ । এই কান্নাটাই খাজাবাবার তরফ থেকে তোমাদের জন্য দান । তাই জালাল উদ্দিন রুমী (রঃ) ছাহেব লিখেছেন , তোমরা যে এছমে আজমের কথা শুনেছ , সেই এছমে আজম হলো তোমাদের চোখের পানি ।
তোমরা যখনই চোখের পানি ফেলে আল্লাহকে ডাকবে , সেই মুহূর্তেই আল্লাহপাক তোমাদের সমস্ত গোনাহ মাফ করে দেবেন । তোমরা যেন গোনাহর কাজে আর না যাও । জামানার মোরশেদে কামেল খুব কমই ভাগ্যে মেলে । মোরাদ ফকির দুনিয়াতে খুব কমই আসেন । যেমন আকাশের চন্দ্র । লক্ষ লক্ষ তারকার মধ্যে একটাই মাত্র চন্দ্র থাকে –তাও পূর্ণিমার পূর্ণ চন্দ্র মাত্র একদিন দেখা যায় । পনের দিন অন্ধকার । পনের দিন ছাফা । ঐ একটিই চন্দ্র সমস্ত জগতকে আলোকিত করে । সমস্ত জগত সেই আলোতে উল্লাসিত হয় । ঐ রকম মোরাদ ফকির সমস্ত জগৎবাসীর জন্য চন্দ্রস্বরূপ । তিনি তামাম দুনিয়াবাসীর আত্মাকে সত্যের আলোতে উদ্ভাসিত করেন । তার ছহব্বতে যারা থাকবে , তারা সকলেই সত্য পথে থাকবে ।
তাই আল্লাহ ফেরেশতাদের বলেন , “ তোমরা যে রহমতের সময় দুনিয়াতে গেলে তোমরা কি দেখলে ? “ফেরেশতারা আল্লাহাপাককে বললেন , “ দেখলাম , তোমার একজন বান্দা তাদের সত্য পীরের দরবারে ধূলাবালির মধ্যে কাঁদছে – তাদের বিছানাও নাই , প্ত্রও নাই খাওয়াও নাই , খাদ্যও নাই । এই শীতের রাতে তারা অঝোর নয়নে কাঁদছে । তাই দেখে এলাম । তখন আল্লাহ বলেন , রহমতের সময়ে কেঁদে তারা কি চায় ? “ফেরেশতাগ্ণ বলেন , তাদেরতো কিছুই চাইতে দেখলাম না । তারা তোমকেই চায় । তোমার মহব্বত কামনা করে । তখন আল্লাহ বলেন , তারা কি দোজখের ভয়ে কাঁদে ? ফেরেশতারা বলেন , তাওতো মনে হলো না । আল্লাহতায়ালা বলেন , তারা কি বেহেশতের জন্য কাঁদে ? ফেরেশতারা বলেন , না , তাও চায় না । তারা তোমাকেই চায় । তোমার মহব্বত কামনা করে । তখন আল্লাহ বলেন , “ আমি রহমতের ভান্ডার খুলে দিলাম – তোমরা তাদের জন্য রহমতের ভান্ডার দান কর । তাদের দেল ও সর্বশরীররের চাম নরম করে দাও । আল্লাহতায়ালার জেকেরে দেল ও চাম উভয়ই নরম হয়ে যায় । তাই তোমাদের যে শিক্ষা দিচ্ছি তোমরা তা ভুলো না । মাঝে মাঝে আপন পীরের দরবারে এসো । যতদিন ভুলে ছিলে , ছিলে - আর ভুলে থেকো না । সময় আর বেশী নেই । আমি তোমাদের আল্লাহর হাতে সপে দিলাম , তবে আমি যখন দুনিয়া ছেড়ে চলে যাব , তখন তোমরা যাতে ঐক্যবদ্ধ থাক , সত্য পথে থাক । তার ব্যবস্থা আমি রেখে যাব ।
পরবর্তী সময়ে তোমরা যাতে আল্লাহতায়ালার দ্বীন প্রচার করতে পার , আল্লাহকে দেখতে পার , এর ব্যবস্থাও আমি করে যাব । আল্লাহ বলেন , ‘’ আমিতো তোমাদের ভিতরেই আছি , তোমরা দেখ না কেন ? আল্লাহকে দেখবার যে নিয়ম পদ্ধতি তাহা পীরে কামেল শিক্ষা দিবেন । এই রকম পীর জগতে খুবই কম পাওয়া যায় । যিনি এই বিদ্যা জগৎবাসীর জন্য আল্লাহতায়ালার তরফ থেকে নিয়ে এসেছেন , তিনিই প্রকৃত মোরাদ ফকির । এই রকম মোরাদ ফকির ছিলেন খাজাবাবা এনায়েতপুরী ( কুঃছেঃআঃ ) ছহেব । আমি তোমাদের সবাইকে আল্লাহর হাতে সপে দিলাম । তোমরা চিন্তা করো না । চিন্তার কিছুই নেই , হযরত কেবলাজান বলেছেন , “ তোমরা আল্লাহকে স্বরণে রেখে বুকে টোকা দিয়ে চলো । তোমাদের কোনো ভয় নেই , ।“ পীর কেবলাজান হুজুর তোমাদের পেছনে আছেন । তিনি বলে গেছেন , তোমার কাজ আমার হাতে রাখলাম ।
সবই যে পীর কেবলাজান করে দিচ্ছেন । তাই আমার কাছে মনে হয় । আমার কাছে যেন কোন তাপও লাগে না । কোন আঁচড়ও লাগে না । এই যে উরস শরীফ করলাম তা যেন আল্লাহপাক নিজ হাতে করে দিলেন – তা যদিও তোমরা উরস শরীফ নিয়ে এতই মাতোয়ারা ছিলে যে , সেই ফয়েজে উদ্বুদ্ধ হয়ে তোমাদের দুনিয়ার খেয়াক কম ছিল – বাবা , তোমাদের সময়মতো খাওয়া দাওয়া হয় নাই – এই যে নেয়ামত তোরা লাভ করলা – এই নেয়ামত অর্থ দিয়ে পাওয়া যায় না , টাকা দিয়ে পাওয়া যায় না । পীরের দয়ার বরকতে পাওয়া যায় ।
খাজাবাবা দয়া করে তোমাদের জন্য রহমতের ডালা খুলে দিয়েছেন । এবার উরস শরীফ আদ্যোপান্ত কান্নাকাটির মধ্য দিয়া আল্লাহতায়ালার মহব্বতে চোখের পানির মধ্য দিয়া উদযাপন করা হলো । আজ ১৮ই শরীফ শেষ করা হলো । তোমাদের আজ বিদায় দিলাম “ আল্লাহ তুমি আমার মুরীদানদের রক্ষা করো , “ তোমরা রহমতের সময় ঘুমিয়ে থেকো না – সে সময় খুব ভোরে সবাই আল্লাহকে ডাকতে থাকবে । পাখীরা আল্লাহকে ডাকতে থাকে । মোড়্গগুলো উচ্চস্বরে ডাকতে থাকে । সে সময় দয়াল নবী ( সাঃ ) কে আল্লাহপাক ডেকে দিতেন , বলতেন , “ হে নবী ! আপনি ঊঠেন । এই সময় আকাশ বাতাস ঘুমায় না , পাহাড় পর্বত ঘুমায় না ।কোন সময় বলতেন , “ হে কম্বলওয়ালা ! আপনি ঊঠেন । “ এটা আদরের ডাক ।
এভাবে হুজুর কেবলাজান খাজাবাবা এনেয়েতপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেব মূরীদাঙ্কে ডাকতেন । সেই বুলিটা তিনি আমাকে দিয়ে গেছেন । তাই তোমাদের রহমতের সময়ে উঠানো হয় । এখন আমার বয়স হয়েছে , বৃদ্ধ হয়েছি তথাপী কোন রোগ ও নাই । তবে শরীরে শক্তি কমে গেছে , বয়স হয়েছে আশী বছর । তথাপী তোমাদের কাজের জন্য আল্লাহরকাছে হাজার শোকরিয়া ।
তিনি আমাকে তোমাদের মধ্যে রেখেছেন । আল্লাহ যদি আমাকে আরও কিছুদিন রাখেন আরও কিছু শিক্ষা দিয়ে যাব । সবচেয়ে বড় শিক্ষা সবচেয়ে বড় কাজ এই মসজিদটি করে দিয়ে যাব । এই মসজিদটা জাকের মঞ্জিলের মুকুট । দোতালার কাজ প্রায় শেষ , অচিরেই ছাদ হবে । ছাদ হলে পরে গম্বুজটা হবে । বাকী অন্যান্য কাজ শেষ করতে আরও অন্ততঃ পাঁচ বছর লাগবে । সবই হবে সময়ের সাথে । তোমরা সবাই –ই মসজিদের কাজে এগিয়ে এসো । আর যে কতদিন আমি আছি । আমি তোমাদের নিয়ে ধর্মকর্ম যেভাবে করে আসছি সেই ভাবে করে যাবে ।
আমাকে যে সম্পত্তি আল্লাহতায়ালা দিয়েছেন , তা যেন নখ কেটে তাল গাছ । আমি দুনিয়া প্রত্যাশী নই । আমি সমস্ত সম্পত্তি ইসলামের জন্য , মুরীদানের জন্য ট্রাষ্টি করে রেখে গেলাম । পরবর্তী সময়ে তা তোমাদের কাজে লাগবে । এইটা তোমাদের মঞ্জিল – এই জাকের মঞ্জিল তোমরা নিজেরা মাটি কেটে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তৈরী করেছ – আজ কেমন সুন্দর বৈদ্যুতিক বাতি দিয়ে সাজানো । সুন্দর রাস্তা শহরের মতো দেখা যায় । এমন একদিন ছিল যখন এখনে রাস্তা ছিল না , ঘাট ছিল না , কোন শিক্ষিত লোক ছিল না । কোন ধনী লোক ছিল না । আল্লাহতায়ালার সীমাহীন দান । এখন আটরশি একটা শহরে রূপান্তরিত হয়েছে ।
তামাম পৃথিবীর এমন কোন দেশ নাই যে আটরশির নাম না জানে । এটা তোমাদের জন্য একটা সৌভাগ্য । এই সৌভাগ্য তোমরা অক্ষুন্ন রেখো , তোমাদের ঐক্যবদ্ধ শক্তি দ্বারা । হযরত পীর কেবলাজান বলেছেন , সত্তর জন সহোদর ভাইয়ের চেয়েও শ্রেষ্ঠ পীর ভাই – তোমরা তাকে ভুলো না । তোমাদের বাড়িতে যদি কোন পীর ভাই যায় । তুমি তোমার গায়ের চাদর বিছিয়ে দিয়ে তাকে বসতে দিবে । তবে বর্তমান জামানা মুসিবতের জামানা । আবার মুরীদের ভান করে শয়তান যাবে , দাগাবাজ ধোকাবাজ যাবে । চোর যাবে , গুন্ডা যাবে । সেদিকেও লক্ষ্য রাখবে । প্রকৃত মুরীদ যে তার দেহ থেকে ফয়েজের গন্ধ পাওয়া যাবে । তাকে দেখলেই চোখে পানি আসবে ।পীরের কথা মনে হবে । মহব্বত সৃষ্টি হবে । পীরের মতো আর কেহ নয় । পীরকে হারিয়ে মুরীদ সবকিছু হারা হয়ে যায় । তার আর কোনো অস্তিত্ব থাকে না ।
আল্লাহর তরফ হতে সমস্ত সৃষ্টির উপর মোরশেদে কামেল রহমতের ছায়া । খাজাবাবা তাই ছিলেন । তাই খাজাবাবার বেছালতে আকাশ – বাতাস কাঁদে । তাই যেদিন উরস হইল সেদিন এক পশলা বৃষ্টি হইল । তোমাদের উপর আল্লাহতায়ালার রহমতের পানি বর্ষিত হলো । সেই রহমতের পানি মাথায় নিয়া তোমরা বাড়ি যাও । আশা করি , কোন রোগ –বালাই থাকবে না । এতো কষ্ট করলে , এত বৃষ্টিতে ভিজলে , কারও কোনো অসুখ হয় নাই । এত বৃষ্টিতে ভিজে কাদাপানির মধ্যে জাকেরান পড়ে রইলো তাতে কাহারও কোনো অসুখও হয় নাই । এই রহমত অক্ষুন্ন থাকুক । এই দু ‘আ করে তোমাদেরকে আল্লাহর হাতে সপে দিলাম ।
আ-মীন ।
☪︎☪︎☪︎১৯৯২ সনে অনুষ্ঠিত চারদিন ব্যাপী “ উরস শরীফ “ এর সমাপনী দিবস ছিল বাংলায় ১৮ই ফালগুণ । এই দিন হযরত শাহসূফী এনায়েতপুরী ( কুঃ) ছাহেবের বেছালত দিবস । এ দিন সকাল দশটায় বিদায়ের প্রাক্কালে মুরীদান্দের উদ্দেশ্যে হযরত খাজাবাবা ফরিদপুরী ( মাঃজিঃ আঃ) ছাহেবের দেয়া নসিহত ।☪︎☪︎☪︎
[{ তথ্যসূত্রঃ খোদা প্রাপ্তি জ্ঞানের আলোকে বিশ্বওলী খাজাবাবা ফরিদপুরী (কুঃছেঃআঃ) ছাহেবের লিখিত নসিহত শরীফের ২১ তম খন্ড "" ওজিফার গুরুত্ব ও উরসের তাৎপর্য "" নামক খন্ডের--১৩১ নং নসিহতের অংশ বিশেষ, পৃষ্ঠা নং-৫২-----৫৬}]
31/01/2025
দেশের একমাত্র পবিত্র নেতা যিনি এ দেশকে পবিত্র হাতে রক্ষা করতে পারবেন।
জাকের পার্টি মহামান্য চেয়ারম্যান পীরজাদা মোস্তফা আমির ফয়সল মুজাদ্দেদী 🌹
খুব শীঘ্রই মিথ্যা দূরীভূত হবে এবং সত্যের পতাকা বাংলার জমিনে পত পত করে উড়বে।
゚
Zaker Party Zaker Party Dinajpur District Zaker Party Fan's Club ✅ Zaker party Europe branch জাকের পার্টি ইউরোপ শাখা। ZAKER PARTY YOUTH FRONT - জাকের পার্টি যুবফ্রন্ট Collected Dr. Saim Amir Faisal Sami
Zaker Party Follow Me Saidur Rahman
゚
ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে - বিচার বিভাগের স্বাধীনতার অপরিহার্য্যতা । Farah Amir Faisal । Ekattor TV
নারীর ক্ষমতায়ন ইসলাম ধর্মে দয়াল নবী রাসুলে পাক (সাঃ) যেভাবে শিক্ষা দিয়েছেন তার পরিপূর্ণতা দেখা যায় একমাত্র জাকের পার্টিতে 🌹। বিশ্বাস না হলে জাকের পার্টির বিভাগ, মহানগর, জেলা, থানা, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ল্ড ও গ্রাম পর্যায়ের কমিটি পর্যবেক্ষণ করে দেখতে পারেন।
Zaker Party Follow Me Saidur Rahman Nashir Uddin Tipu Nashir Uddin Ayub Ali Rajib Noor Alam Shiblu Muhammad Saddam Hossain
Zaker Party Follow Me Saidur Rahman
゚
'নৈরাজ্য প্রতিরোধে রাষ্ট্র কাঠামো পুনঃপ্রতিষ্ঠা জরুরি' | DBC NEWS
Envisioning a New Bangladesh: Shared Economic Prosperity, a Thriving Democracy, and an Impartial Justice System
আদর্শিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত করতে হবে । Mostafa Amir Faisal । Ekattor TV
09/12/2023
আমার খুব কাছের ভাই তুল্য বন্ধুর বোনের জন্য জরুরী ভিত্তিতে (O +ve Positive) ও পজেটিভ রক্তের প্রয়োজন।
দিনাজপুরে যারা আছেন, আপনাদের নিজের/ পরিচিত কারো ও পজেটিভ রক্ত থাকলে জরুরী ভিত্তিতে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন।
মোবাইল নং - 01719346525
(রক্তদান সর্বক্ষেত্রেই একজনের জীবন বাঁচাতে সহায়তা সহায়তা করে)
আরটিভি'র (RTV) গোলটবিল অনুষ্ঠানে জাকের পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার । RTV