Bongobondhu Smrity Songsod, Ghoraghat, Dinajpur

Bongobondhu Smrity Songsod, Ghoraghat, Dinajpur

Share

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমা?

28/04/2026

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন—বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক।
এই স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবায়নের পেছনে যার দূরদর্শী নেতৃত্ব, সাহসী সিদ্ধান্ত ও অদম্য প্রচেষ্টা—তিনি দেশরত্ন শেখ হাসিনা। তাঁর প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক অভিনন্দন।
আজ যখন দেশ এগিয়ে যাচ্ছে আলোর পথে, তখন স্পষ্ট হয়—শেখ হাসিনার চিন্তা, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দর্শনই বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি হয়তো আজ রাষ্ট্রক্ষমতায় নেই, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া উন্নয়নের ধারা, তাঁর সাহসী পদক্ষেপ ও স্বপ্নগুলো এখনো আমাদের পথ দেখাচ্ছে।
রূপপুর শুধু একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নয়—এটি আত্মনির্ভর বাংলাদেশের প্রতীক, এটি একটি আলোকিত ভবিষ্যতের অঙ্গীকার।
আসুন, আমরা সবাই এই অর্জনকে সম্মান করি এবং উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখার প্রত্যয়ে একসাথে কাজ করি।
#রূপপুর #বাংলাদেশের_উন্নয়ন #শেখ_হাসিনা

07/04/2026

বাংলাদেশের সাবেক এবং প্রথম নারী স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীর গ্রেফতার একটি পরিকল্পিত প্রহসন ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ন্যাক্কারজনক বহিঃপ্রকাশ

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সাবেক এবং প্রথম নারী স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেফতারের ঘটনা একটি পূর্বপরিকল্পিত রাজনৈতিক প্রহসন ও প্রতিহিংসামূলক অপতৎপরতা, এর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও কঠোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
তাঁর সততা, পেশাদারিত্ব ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা সর্বজনস্বীকৃত। এমন একজন মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে এ ধরনের আচরণ কেবল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতই নয়, বরং গভীরভাবে নিন্দনীয়।

শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের যে লক্ষণ তাঁর চেহারায়ই ফুটে উঠেছে, তা একটি সভ্য রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য লজ্জাজনক ও অগ্রহণযোগ্য।

৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ক্ষমতাসীন দখলদার গোষ্ঠী নিজেদের অবৈধ অবস্থান টিকিয়ে রাখতে এবং সাংবিধানিক বাস্তবতা আড়াল করতে তাঁকে দীর্ঘদিন আড়ালে রেখে আজ ‘গ্রেফতার’ দেখানোর যে নাটক মঞ্চস্থ করেছে, তা রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের এক ভয়াবহ উদাহরণ। এটি ব্যক্তি নয় রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত।

এই ধরনের অপমান, নির্যাতন ও প্রহসনের রাজনীতি বন্ধ হোক। ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী কে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হোক।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু

29/03/2026

নির্বাচন শেষ হলো। দুর হলো না উৎবেগ-উৎকন্ঠা।
দুঃখজনক বাস্তবতা হচ্ছে, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিলে এখনো জেল। তাহলে জয়বাংলা কি কোন নিষিদ্ধ শব্দ? বঙ্গবন্ধুর নাম নিলে তার উপড় হামলে পড়ছে হায়েনার দল, ট্যাগ দেয়া হচ্ছে আওয়ামী লীগ; তাহলে বঙ্গবন্ধু কি শুধু আওয়ামী লীগের?

একটা গোষ্ঠী ২৪ দিয়ে একাত্তরের অপকর্ম আড়াল করতে বিভ্রান্তি তৈরি করতে ব্যস্ত। এই অপতৎপরতা প্রতিরোধ করতে হলে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ- দুই দলকেই একসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দাঁড়াতে হবে। তাদের পারস্পরিক লড়াই যদিও ক্ষমতার লড়াই; কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের সঙ্গে এই লড়াই কোনোভাবেই ক্ষমতার নয়- এটি বাংলাদেশের অস্তিত্বের প্রশ্ন।

স্বাধীনতার প্রশ্নে কোনো আপস নয়- এটাই হোক আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার।

25/03/2026

জননীর নাভিমূল ছিঁড়ে উলঙ্গ শিশুর মত
বেরিয়ে এসেছো পথে,
স্বাধীনতা, তুমি দীর্ঘজীবী হও।
তোমার পরমায়ু বৃদ্ধি পাক আমার অস্তিত্বে, স্বপ্নে,
প্রাত্যহিক বাহুর পেশীতে, জীবনের রাজপথে,
মিছিলে মিছিলে; তুমি বেঁচে থাকো, তুমি দীর্ঘজীবী হও।

24/03/2026

২৫ মার্চ কালরাত্রি স্মরণে
শ্রদ্ধাঞ্জলি

16/03/2026

শুভ জন্মদিন
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা জাতির পিতা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

26/03/2025

বিনম্র শ্রদ্ধা

03/10/2024

বাংগালীর মৌল চেতনার অন্যতম অনুসঙ্গ: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

03/10/2024

ইউনুসের চরম নির্লজ্জ মিথ্যাচার

03/10/2024

প্রিয় দেশবাসী,
আসসালামুআলাইকুম। সবাই শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা নিবেন।

জানি আপনারা ভালো নেই। দেশের সার্বিক অবস্থা চারদিকে সবার মাঝে এক সংকটময় অরাজক পরিস্থিতি তৈরী করেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং দলের সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা যে কোন পরিস্থিতিতে আপনাদের পাশে আছেন এবং থাকবে ইনশাল্লাহ। আপনারা সবাই মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে দেশ ও দেশের জনগনের জন্য দোয়া করবেন।

প্রিয় দেশবাসী,
আপনারা সবই জানেন, সবই দেখেছেন। এখন হয়তো সবকিছু অনুধাবন করতে পারছেন, কি পরিস্থিতিতে দেশরত্ন শেখ হাসিনা দেশ ছেড়েছিলেন। ষড়যন্ত্রকারীরা আরও লাশ চেয়েছিলো। তিনি চাননি আর কোন বাবা-মায়ের বুক খালি হোক। তাই সময়ের প্রয়োজনে এই সাময়িক পদক্ষেপ নিয়েছেন। আপনারা দেখেছেন, মহামান্য আদালতের রায় শিক্ষার্থীদের সব দাবীর পক্ষেই গিয়েছে। দেশরত্ন শেখ হাসিনা ও আমাদের সরকার তাদের সকল দাবী মেনে নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে সুষ্ঠু বিচারের নিশ্চয়তা দিয়েছিলো। নিহত সকল পরিবারের পাশে দাড়িয়েছিলো, আহতদের বিনা খরচে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছিলো। তারপরও কেন এই অরাজকতা, এতো হত্যা, এতো ধ্বংসযজ্ঞ করা হলো? কারণ, এর পিছনে ছিলো ক্ষমতা দখলের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক এক ষড়যন্ত্র। আপনারা দেখেছেন ১৬ জুলাই থেকেই ছাত্রদের আন্দোলনকে হাইজ্যাক করে কিভাবে দেশের রাজনৈতিক অপশক্তি ও বিদেশী এজেন্টরা কিভাবে হত্যা ও অগ্নিসংযোগ শুরু করে। এমনকি ছাত্রদের উপর ৭.৬২ রাইফেল ব্যবহার করে গুলি চালিয়ে পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে তোলা হয়। কিভাবে ঢাকা শহরে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় স্থাপনাগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। কিভাবে মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, বৌদ্ধ মঠে হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়েছে। কত নিষ্ঠুরভাবে পুলিশ ও সাংবাদিক হত্যা এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, শিক্ষক, সাংস্কৃতিক কর্মীদের লাঞ্ছিত করা হয়েছে। পাঁচই আগষ্ট কিভাবে বাঙালি জাতির মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সুতিকাগার, জাতীর পিতার স্মৃতি বিজড়িত বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর ধ্বংস করা হয়েছে।

বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্যতম নিদর্শন জাতীয় সংসদ ভবন ভাংচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। এছাড়া প্রধান বিচারপতির বাসভবন, নির্বাচন কমিশনসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরত্বপূর্ন ব্যাক্তিবর্গের সরকারি, বেসরকারি অফিস আদালত বাসভবন পোড়ানো ও লুটপাট করা হয়েছে। আপনারাই ভেবে দেখুন, এইসব সহিংসতা ও ধ্বংসযজ্ঞের সাথে কোটা আন্দোলনের কি সম্পর্ক ছিলো। যে পুলিশ বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে ভূমিকা রাখে, পরিকল্পিতভাবে কিভাবে তাদেরকে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং ৪৫০টি থানা ও অস্ত্রাগার লুট করা হয়েছে। নিষ্ঠুরভাবে একজন অন্তঃসত্ত্বা মহিলা পুলিশ অফিসারকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। কতজন পুলিশকে হত্যা করা হয়েছে এই সংখ্যাও জাতির সামনে এখনো সরকার প্রকাশ করছে না। এরসবই ছিলো ক্ষমতাদখলের একটি ষড়যন্ত্র। তখন সরকার আরও কঠোর হলে হয়তো আরও লাশ পরতো, আরও অনেক বাবা-মায়ের বুক খালি হতো। তাই মানুষের জানমাল রক্ষায় দেশরত্ন শেখ হাসিনা এই পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

প্রিয় দেশবাসী,
আপনারা ইতিমধ্যেই শুনেছেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের একটি অনুষ্ঠানে এই অবৈধ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনুস বলেছেন, এই আন্দোলন একদিনে সৃষ্টি হয়নি। এর পিছনে দীর্ঘ পরিকল্পনা ছিলো এবং এর মাষ্টারমাইন্ড হিসাবেও একজনকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, অনেকদিনের পরিকল্পনার ফসল নাকি তার এই সরকার। এ থেকে স্পষ্টই বুঝা যাচ্ছে এটা ছাত্রদের কোটার আন্দোলন ছিলোনা। তাই সকল দাবী মেনে নেয়ার পরও তারা পরিকল্পিতভাবে সারাদেশে অরাজকতা চালিয়েছে। দেশের বিরাজমান পরিস্থিতি দেখে আপনারাও নিশ্চয় এখন অনুধাবন করতে পারছেন। আপনারা বুঝতে পারছেন, কেন সেন্টমার্টিন দ্বীপকে সংরক্ষিত করে কার্যত জনগনের যাতায়াতের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। কেন পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিকল্পিতভাবে একের পর এক সহিংসতা তৈরী করা হচ্ছে! বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আপনাদের আশ্বস্ত করছে, আমাদের বুকে এক বিন্দু রক্ত থাকতে বাংলাদেশের মাটিতে অন্য কোন দেশের ঘাঁটি হবেনা। এই দেশ ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্ত ও আড়াই লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে কেনা। এই দেশ বাঙালির ২৪ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামের ফসল। অন্য কোন দেশের পতাকা এই মাটিতে উড়তে দেয়া হবেনা। প্রয়োজনে আরেকটি যুদ্ধ হবে, স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধ।

প্রিয় দেশবাসী,
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড। একটি শিক্ষিত জাতি গড়ে তুলতে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। আপনারা দেখেছেন, সারাদেশে কিভাবে শিক্ষক সমাজকে অপমান করা হয়েছে। এমনকি শিক্ষদেরকে জুতার মালা পরিয়ে প্রহার করার মত ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হয়েছে। শিক্ষকদেরকে শপথ বাক্য পাঠ করাচ্ছেন ছাত্ররা, শিক্ষকদের চেয়ার দখল করে সেখানে শিক্ষার্থীরা বসে আছে। এটা কি আমাদের সংস্কৃতি? শিক্ষকদের শ্রদ্ধা করার যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই সংস্কৃতি কেন নষ্ট করা হয়েছে? কাদের স্বার্থে নষ্ট করা হয়েছে? অভিভাবকদের কাছে অনুরোধ, আপনারা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচান। শিক্ষার্থীরা এখন থাকবে ক্লাশ ও শিক্ষাঙ্গণমুখী । কিন্তু এখনই তাদেরকে সচিবালয় এবং ক্ষমতামূখী করে পরিকল্পিতভাবে কেন ধ্বংস করা হচ্ছে? জাতি ধ্বংসের এই পরিস্থিতি চলতে দেয়া যায়না।

আপনারা দেখেছেন, আল্লাহর পবিত্র ঘর মসজিদও ভাংচুর ও লুটপাটের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। খোদ রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনকে পর্যন্ত লাঞ্ছিত করা হয়েছে। এমনকি জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জুমার নামাজে খুতবারত অবস্থায় কিভাবে ভাংচুর, হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই সবই করা হচ্ছে পরিকল্পিতভাবে। দেশে একটা অরাজক পরিস্থিতি তৈরী করে, স্থিতিশীলতা রক্ষার নামে বাইরের কোন দেশকে বাংলাদেশে ঘাঁটি তৈরীর সুযোগ করে দেয়া।

প্রিয় দেশবাসী,
পাঁচই আগষ্টের পর দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর যেভাবে নির্মম হত্যাকান্ড, অত্যাচার ও নির্যাতন চালানো হয়েছে তা খুবই ন্যাক্কারজনক ও নিন্দনীয় ঘটনা। নির্বিচারে তাদের উপাসনালয়, ঘর বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে। আমরা ধন্যবাদ জানাই, সনাতন ধর্মাবলম্বীদেরকে, তারা প্রতিবাদ করেছেন। ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়িয়েছেন। আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকুন। আপনারা দেখেছেন, শান্তির ধর্ম ইসলাম যারা এই দেশে প্রচার ও প্রসার করেছেন, সেই পীর-আউলিয়াদের মাজার কিভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। আহমদিয়া সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালানো হয়েছে, তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করা হয়েছে। এইসব কিসের লক্ষণ? এই সবকিছুর সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের বিচার অবশ্যই করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের উপর্যুক্ত ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। নতুবা উদ্ভুত পরিস্থিতির দায় এই অবৈধ ইউনুস সরকারকেই বহন করতে হবে। আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরকে বলবো, দেশে এ পর্যন্ত সংঘঠিত সকল হত্যাকান্ড, লুটতরাজ, ভাংচুর, আগুন সন্ত্রাস, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, অবৈধ দখলের সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে, সর্বোচ্চ পেশাদারীত্ব দিয়ে দোষীদের বিচার নিশ্চিত করুন। নতুবা আপনারাও এর দায় থেকে মুক্তি পাবেন না।

প্রিয় দেশবাসী,
আপনারা দেখেছেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনার সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ এবং দ্রব্যমূল্য জনসাধারণের নাগালের মধ্যে রাখার জন্য কত কঠোর পরিশ্রম করেছে। তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ থেকে প্রায় পঁচিশ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতে উন্নীত করেছিলো। শুধু সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে আজ দেশের মানুষ বিদ্যুতের অভাবে কষ্ট করছে। এই কয়দিনেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। অথচ, সেই দিকে কোন নজর নেই, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে অবৈধ ইউনুস সরকার আওয়ামী লীগ নিধনেই বেশি ব্যস্ত।

আপনারা দেখছেন, প্রশাসনে কিভাবে পরিকল্পিতভাবে অসন্তোষ তৈরী করা হচ্ছে। ন্যায্য দাবী নিয়ে আন্দোলন করায় কতজন আনসার সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে তা কোন মিডিয়াও প্রকাশ করতে সাহস পাচ্ছে না।
বেতন ভাতা নিয়ে গার্মেন্টস শ্রমিকরা আন্দোলন করায় ইতিমধ্যে দুজন শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছে। অসংখ্য শ্রমিকের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। সোস্যাল মিডিয়া খুললেই আপনারা দেখবেন, আমাদের মা বোনদেরকে পথে ঘাটে কিভাবে অপমান, অপদস্ত করা হচ্ছে। নারী শিশু কেউই রেহাই পাচ্ছেন না। দিন দুপুরে ডাকাতি, চাঁদাবাজি ছিনতাই এখন নিত্য নৈমেত্তিক ব্যাপার। এর কোন প্রতিকার নেই। এর কোন কিছুই মিডিয়াতেও প্রচার করতে দেয়া হচ্ছে না। এই সরকার মিডিয়া অফিস দখলে ইতিমধ্যে বিশ্ব রেকর্ড করেছে। এই পর্যন্ত সারাদেশে দেড় শতাধিক সাংবাদিকের নামে হত্যা মামলা দিয়েছে। তিন শতাধিক সাংবাদিককে চাকুরীচ্যুত করেছে। এরাই আবার মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বড় বড় কথা বলে।

প্রিয় দেশবাসী,
সম্প্রতি ড. ইউনুস বাংলাদেশের ইতিহাসে রিসেট বাটন দিয়ে দেশের ইতিহাস মুছে ফেলার কথা বলছেন। যা খুবই আপত্তিজনক এবং নিন্দনীয়। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাস মুছে ফেলার জন্য যতই রিসেট দেন না কেন, দেশের মৌলিক ও অস্তিত্বের ইতিহাসগুলো মুছার ক্ষমতা ওনার নাই। মুছতে পারলেতো বাংলাদেশই থাকবে না। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, ত্রিশ লক্ষ শহীদ, জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা, জাতির পিতা হচ্ছে বাংলাদেশের মৌলিক ভিত্তি, আমাদের জাতিগত অস্তিত্বের জায়গা। দেশকে তিনি শাসন শোষণ যাই করুন, এসব গৌরবময় অধ্যায় মেনে নিয়েই করতে হবে।

প্রিয় দেশবাসী,
আপনারা দেখেছেন পাঁচ আগষ্টের পর সারাদেশে সহস্রাধিক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কিভাবে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। চাঁদাবাজি, বসতভিটা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল ও নির্যাতন করা হচ্ছে। সবই হচ্ছে প্রশাসনের নাকের ডগায়। সাধারণ মানুষও চাঁদাবাজি ও নির্যাতন থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। হ্যা, কেউ যদি অপরাধী হয়, দেশের আইন অনুযায়ী এর বিচার হোক। আমাদের সরকারও দলীয় অনেক অপরাধীকে বিচারের আওতায় এনেছিলো। সন্ত্রাসের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স দেখিয়ে সারাদেশে একটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আমরা তৈরী করেছিলাম। অপরদিকে, এই অবৈধ সরকার ক্ষমতা দখলের পরপরই দেশের সকল শীর্ষ সন্ত্রাসী ও আন্তর্জাতিকভাবে চিহ্নিত সকল জঙ্গিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রহরায় মুক্তি দিয়ে আরও বেশি অরাজক পরিস্থিতি তৈরী করেছে। কারণ সন্ত্রাসীরা বুঝে গেছে, অপকর্ম করলে তাদের কোন শাস্তি হবেনা। আমরা হুশিয়ার করে বলতে চাই, সাধারণ মানুষসহ আমাদের নেতাকর্মীদের হত্যা বন্ধ ও হত্যাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে বিচার করতে হবে এবং এখনই এই নারকীয় অত্যাচার, নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। কেউ যদি মনে করেন অত্যাচার, নির্যাতন করে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করে দিবেন তাহলে তারা বোকার স্বর্গে বাস করেন। আওয়ামী লীগের শিকড় অনেক গভীরে, এই দেশের জন্মের সাথে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক। দেশের ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগ এর স্বমহিমায় ফিরে আসবে, দেশের অসমাপ্ত উন্নয়নের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাবে। বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে একটি উন্নত জাতি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
ইনশাল্লাহ!

জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু।

15/08/2024

দল উপদলীয় হানাহানি আর হিংসাত্মক রাজনীতির বিপরীতে জাতি হিসেবে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ করে দেয় একটিই নাম, শেখ মুজিবুর রহমান।

শেখ মুজিব যতটুকু আমার, ঠিক ততটুকু আপনারও। শেখ মুজিব হার না মানা বাঙালির চিরায়ত রুখে দাঁড়ানোর সাহসের নাম।

ঐক্যবদ্ধ জনতার প্রতীক, জনতার মুজিবই আমাদের জাতীয় সম্ভাবনার পথ নির্দেশক।

Want your business to be the top-listed Government Service in Dinajpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Satpara, Hatshamgonj, Ghoraghat
Dinajpur