19/05/2021
ইসরায়েলের পন্য চিনবার সহজ উপায়!
বারকোড এ-র শুরুতে 729, দেখে নিশ্চিত হন
ও তা বর্জন করুন!! আসুন তাদের অর্থনিতির চাকায় হামলা করি এতে ফিলিস্তিনের ভাই দের এক প্রকার সাহায্য করা হবে ইনশাআল্লাহ!
মেধাবীদের প্রিয় সংগঠন ইশা ছাত্র আন্?
19/05/2021
ইসরায়েলের পন্য চিনবার সহজ উপায়!
বারকোড এ-র শুরুতে 729, দেখে নিশ্চিত হন
ও তা বর্জন করুন!! আসুন তাদের অর্থনিতির চাকায় হামলা করি এতে ফিলিস্তিনের ভাই দের এক প্রকার সাহায্য করা হবে ইনশাআল্লাহ!
31/03/2021
08/03/2021
আমাদের দাবি সমূহ।
08/01/2021
# হিসাবগুলো জেনে রাখুন, জীবন চলার পথে কাজে লাগবে ।
1 ফুট = 12 ইঞ্চি
1 গজ = 3 ফুট
1 মাইল = ১৭৬০ গজ
1 মাইল ≈ 1.61 কিলোমিটার
1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার
1 ফুট = 0.3048 মিটার
1 মিটার = 1,000 মিলিমিটার
1 মিটার = 100 সেন্টিমিটার
1 কিলোমিটার = 1,000 মিটার
1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল
# ক্ষেত্রঃ
1 বর্গ ফুট = 144 বর্গ ইঞ্চি
1 বর্গ গজ = 9 বর্গ ফুট
1 একর = 43560 বর্গ ফুট
# আয়তনঃ
1 লিটার ≈ 0.264 গ্যালন
1 ঘন ফুট = 1.728 ঘন ইঞ্চি
1 ঘন গজ = 27 ঘন ফুট
# ওজনঃ
1 আউন্স ≈ 28.350 গ্রাম
1 cvDÛ= 16 আউন্স
1 cvDÛ ≈ 453.592 গ্রাম
1 এক গ্রামের এর্কসহস্রাংশ = 0.001
গ্রাম
1 কিলোগ্রাম = 1,000 গ্রাম
1 কিলোগ্রাম ≈ 2.2 পাউন্ড
1 টন = 2,200 পাউন্ডের
===========================
# যারা মিলিয়ন, বিলিয়ন, ট্রিলিয়ন হিসাব জানেন না।:-
১ মিলিয়ন=১০ লক্ষ
১০ মিলিয়ন=১ কোটি
১০০ মিলিয়ন=১০ কোটি
১,০০০ মিলিয়ন=১০০ কোটি
আবার,
১,০০০ মিলিয়ন= ১ বিলিয়ন
১ বিলিয়ন=১০০ কোটি
১০ বিলিয়ন=১,০০০ কোটি
১০০ বিলিয়ন=১০,০০০ কোটি
১,০০০ বিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি
আবার,
১,০০০ বিলিয়ন=১ ট্রিলিয়ন
১ ট্রিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি
১০ ট্রিলিয়ন=১০ লক্ষ কোটি
১০০ ট্রিলিয়ন=১০০ লক্ষ কোটি
১,০০০ ট্রিলিয়ন=১,০০০ লক্ষ কোটি।
===========================
১ কুড়ি = ২০টি
১ রিম = ২০ দিস্তা = ৫০০ তা
১ ভরি = ১৬ আনা ;
১ আনা = ৬ রতি
১ গজ = ৩ ফুট = ২ হাত
১ কেজি = ১০০০ গ্রাম
১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি ১ লিটার = ১০০০ সিসি
১ মণ = ৪০ সের
১ বিঘা = ২০ কাঠা( ৩৩ শতাংশ) ;
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (৮০ বর্গ গজ) 1 মিলিয়ন = 10 লক্ষ
1 মাইল = 1.61 কি.মি ;
1 কি.মি. = 0..62
1 ইঞ্চি = 2.54 সে..মি ;
1 মিটার = 39.37 ইঞ্চি
1 কে.জি = 2.20 পাউন্ড ;
1 সের = 0.93 কিলোগ্রাম
1 মে. টন = 1000 কিলোগ্রাম ;
1 পাউন্ড = 16 আউন্স
1 গজ= 3 ফুট ;
1 একর = 100 শতক
1 বর্গ কি.মি.= 247 একর
===========================
★ # সুত্র-১)সমান্তর ধারার ক্রমিক সংখ্যার যোগফল-
(যখন সংখ্যাটি1 থেকে শুরু)
1+2+3+4+......+n হলে এরূপ ধারার সমষ্টি= [n(n+1)/2]
n=শেষ সংখ্যা বা পদ সংখ্যা
s=যোগফল
# প্রশ্নঃ 1+2+3+4+…………+100 =?
# সমাধানঃ[n(n+1)/2] = [100(100+1)/2] = 5050
★ # সুত্রঃ2)সমান্তর ধারার বর্গ যোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে,-
প্রথম n পদের বর্গের সমষ্টি
S= [n(n+1)2n+1)/6]
(যখন 1² + 2²+ 3² + 4²........ +n²)
# প্রশ্নঃ(1² + 3²+ 5² + ....... +31²) সমান কত?
# সমাধানঃS=[n(n+1)2n+1)/6]
= [31(31+1)2x31+1)/6] (এখানে n=শেষ সংখ্যা,31)
★ # সুত্রঃ3)সমান্তর ধারার ঘনযোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে-
প্রথম n পদের ঘনের সমষ্টি
S= [n(n+1)/2]2
(যখন 1³+2³+3³+.............+n³)
# প্রশ্নঃ1³+2³+3³+4³+…………+10³=?
# সমাধানঃ [n(n+1)/2]2 = [10(10+1)/2]2 = 3025(উঃ)
★ # সুত্রঃ4)পদ সংখ্যা ও পদ সংখ্যার সমষ্টি নির্নয়ের ক্ষেত্রেঃ
পদ সংখ্যা N= [(শেষ পদ – প্রথম পদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি] +১
# প্রশ্নঃ5+10+15+…………+50=?
# সমাধানঃ পদসংখ্যা = [(শেষ পদ – প্রথমপদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি]+ ১
= [(50 – 5)/5] + 1 =10
সুতরাং পদ সংখ্যার সমষ্টি = [(5 + 50)/2] x 10 = 275(উঃ)
★ # সুত্রঃ৫)n তম পদ=a + (n-1)d
এখানে, n =পদসংখ্যা, a = ১ম পদ, d= সাধারণ অন্তর
# প্রশ্নঃ 5+8+11+14+.......ধারাটির কোন পদ 302?
# সমাধানঃধরি, n তম পদ =302
বা, a + (n-1)d=302
বা, 5+(n-1)3 =302
বা, 3n=300
বা, n=100(উঃ)
★ # সুত্রঃ6)সমান্তর ধারার ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল-S=M² এখানে,M=মধ্যেমা=(১ম সংখ্যা+শেষ সংখ্যা)/2
# প্রশ্নঃ1+3+5+.......+19=কত?
# সমাধানঃS=M²={(1+19)/2}²=(20/2)²=100(উঃ)
===========================
ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে ভাগ করার একটি effective টেকনিক!
❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 5 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
(০১) 13/5= 2.6 (ক্যালকুলেটর ছাড়া মাত্র ৩ সেকেন্ডে এটি সমাধান করা যায়)
টেকনিকঃ 5 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 2 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 1 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 13*2=26, তারপর থেকে 1 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 2.6 ।
(০২) 213/5=42.6 (213*2=426)
0.03/5= 0.006 (0.03*2=0.06 যার একঘর আগে দশমিক বসালে হয় 0.006) 333,333,333/5= 66,666,666.6 (এই গুলা করতে আবার ক্যালকুলেটর লাগে না কি!)
(০৩) 12,121,212/5= 2,424,242.4
এবার নিজে ইচ্ছেমত 5 দিয়ে যে কোন সংখ্যাকে ভাগ করে দেখুন, ৩.৫ সেকেন্ডের বেশি লাগবে না!!
❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 25 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
০১. 13/25=0.52 (ক্যালকুলেটর ছাড়া মাত্র ৩ সেকেন্ডে এটিও সমাধান করা যায়)
টেকনিকঃ 25 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 4 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 2 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 13*4=52, তারপর থেকে 2 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 0.52 ।
০২. 210/25 = 8.40
০৩. 0.03/25 = 0.0012
০৪. 222,222/25 = 8,888.88
০৫. 13,121,312/25 = 524,852.48
❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 125 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
০১. 7/125 = 0.056
টেকনিকঃ 125 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 8 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 3 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 7*8=56, তারপর থেকে 3 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 0.056 ।
০২. 111/125 = 0.888
০৩. 600/125 = 4.800
===========================
আসুন সহজে করি ...
টপিকঃ ১০ সেকেন্ডে বর্গমূল নির্ণয়।
বিঃদ্রঃ যে সংখ্যাগুলোর বর্গমূল ১ থেকে ৯৯ এর মধ্যে এই পদ্বতিতে তাদের বের করা যাবে খুব সহজেই। প্রশ্নে অবশ্যই পূর্ণবর্গ সংখ্যা থাকা লাগবে। অর্থাৎ উত্তর যদি দশমিক ভগ্নাংশ আসে তবে এই পদ্বতি কাজে আসবেনা।
** অনেক বড় পোস্ট। অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে এবং প্র্যাকটিস করতে হবে। নয়ত ৫ মিনিটের মাথায় ভুলে যাবেন।
তবে আসুন শুরু করা যাক। শুরুতে ১ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যার বর্গ মুখস্থ করে নিই। আশা করি এগুলো সবাই জানেন। সুবিধার জন্যে আমি নিচে লিখে দিচ্ছি-
1 square = 1
2 square = 4
3 square = 9
4 square = 16
5 square = 25
6 square = 36
7 square = 49
8 square = 64
9 square = 81
এখানে প্রত্যেকটা বর্গ সংখ্যার দিকে খেয়াল করলে দেখবেন, সবার শেষের অংকটির ক্ষেত্রে -
*১ আর ৯ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে (1, 81);
*২ আর ৮ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে(4, 64);
*৩ আর ৭ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে (9, 49);
*৪ আর ৬ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে(16, 36);
এবং ৫ একা frown emoticon
এদ্দুর পর্যন্ত বুঝতে যদি কোন সমস্যা থাকে তবে আবার পড়ে নিন।
উদাহরণ ১ঃ 576 এর বর্গমূল নির্ণয় করুন।
১ম ধাপঃ যে সংখ্যার বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে তার এককের ঘরের অংকটি দেখবেন। এক্ষেত্রে তা হচ্ছে '6' ।
২য় ধাপঃ উপরের লিস্ট থেকে সে সংখ্যার বর্গের শেষ অংক 6 তাদের নিবেন। এক্ষেত্রে 4 এবং 6 । আবার বলি, খেয়াল করুন- 4 এবং 6 এর বর্গ যথাক্রমে 16 এবং 36; যাদের এককের ঘরের অংক কিনা '6' । বুঝতে পেরেছেন? না বুঝলে আবার পড়ে দেখুন।
৩য় ধাপঃ 4 / 6 লিখে রাখুন খাতায়। (আমরা উত্তরের এককের ঘরের অংক পেয়ে গেছি, যা হচ্ছে 4 অথবা 6; কিন্তু কোনটা? এর উত্তর পাবেন ৮ম ধাপে, পড়তে থাকুন ...)
৪র্থ ধাপঃ প্রশ্নের একক আর দশকের অংক বাদ দিয়ে বাকি অংকের দিকে তাকান। এক্ষেত্রে এটি হচ্ছে 5 ।
৫ম ধাপঃ উপরের লিস্ট থেকে 5 এর কাছাকাছি যে বর্গ সংখ্যাটি আছে তার বর্গমূলটা নিন। এক্ষেত্রে 4, যা কিনা 2 এর বর্গ। (আমরা উত্তরের দশকের ঘরের অংক পেয়ে গেছি, যা হচ্ছে 2 )
৬ষ্ঠ ধাপঃ 2 এর সাথে তার পরের সংখ্যা গুন করুন। অর্থাৎ 2*3=6
৭ম ধাপঃ চতুর্থ ধাপে পাওয়া সংখ্যাটা (5) ষষ্ঠ ধাপে পাওয়া সংখ্যার (6) চেয়ে ছোট নাকি বড় দেখুন। ছোট হলে ৩য় ধাপে পাওয়া সংখ্যার ছোটটি নেব, বড় হলে বড়টি। (বুঝতে পেরেছেন? নয়ত আবার পড়ুন)
৮ম ধাপঃ আমাদের উদাহরণের ক্ষেত্রে 5 হচ্ছে 6 এর ছোট, তাই আমরা 4 / ৬ মধ্যে ছোট সংখ্যা অর্থাৎ 4 নেব।
৯ম ধাপঃ মনে আছে, ৫ম ধাপে দশকের ঘরের অংক পেয়েছিলাম 2? এবার পেয়েছি এককের ঘরের অংক 4 । তাই উত্তর হবে 24 !
কঠিন মনে হচ্ছে? একদমই না, কয়েকটা প্র্যাকটিস করে দেখুন। আমার মতে ১০ সেকেন্ডের বেশি লাগার কথা না।
উদাহরণ ২ঃ 4225 এর বর্গমূল বের করুন।
মনে আছে 5 যে একা ছিল? সে একা থাকায় আপনার কাজ কিন্তু অনেক সোজা হয়ে গেছে। দেখুন কেন -
- প্রশ্নের শেষ অংক 5 হওয়ায় উত্তরের এককের ঘরের অংক হবে অবশ্যই 5 ।
- প্রশ্নের একক ও দশকের ঘরের অংক বাদ দিয়ে দিলে বাকি থাকে 42 ।
- 42 এর সবচেয়ে কাছের পূর্ণবর্গ সংখ্যা হচ্ছে 36, যার বর্গমূল হচ্ছে 6 ।
- তাই উত্তর হচ্ছে 65 !
===========================
১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ২৫ টিঃ
২,৩,৫,৭,১১,১৩,১৭,১৯,২৩,২৯,৩১,৩
৭,৪১,৪৩,৪৭,৫৩,৫
৯,৬১,৬৭,৭১,৭৩,৭৯,৮৩,৮৯, এবং ৯৭।
১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার যোগফল
১০৬০।
১-১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ৪ টি।
এভাবে ১-১০,১১-২০...... ১০০ পর্যন্ত
মৌলিক
সংখ্যা হল ৪,৪,২,২,৩,২,২,৩,২,১
-
প্রশ্নঃ ১ কিমি সমান কত মাইল ?
উত্তরঃ ০.৬২ মাইল।
প্রশ্নঃ ১ নেটিক্যাল মাইলে কত মিটার ?
উত্তরঃ ১৮৫৩.২৮ মিটার।
প্রশ্নঃ সমুদ্রের পানির গভীরতা মাপার
একক ?
উত্তরঃ ফ্যাদম।
প্রশ্নঃ ১.৫ ইঞ্চি ১ ফুটের কত অংশ?
উত্তরঃ ১/৮ অংশ।
১মাইল =১৭৬০ গজ।]
প্রশ্নঃ এক বর্গ কিলোমিটার কত একর?
উত্তরঃ ২৪৭ একর।
প্রশ্নঃ একটি জমির পরিমান ৫ কাঠা হলে,
তা কত বর্গফুট হবে?
উত্তরঃ ৩৬০০ বর্গফুট।
প্রশ্নঃ এক বর্গ ইঞ্চিতে কত বর্গ
সেন্টিমিটার?
উত্তরঃ ৬.৪৫ সেন্টিমিটার।
প্রশ্নঃ ১ ঘন মিটার = কত লিটার?
উত্তরঃ ১০০০ লিটার।
প্রশ্নঃ এক গ্যালনে কয় লিটার?
উত্তরঃ ৪.৫৫ লিটার।
প্রশ্নঃ ১ সের সমান কত কেজি?
উত্তরঃ ০.৯৩ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ মণে কত কেজি?
উত্তরঃ ৩৭.৩২ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ টনে কত কেজি?
উত্তরঃ ১০০০ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ কেজিতে কত পাউন্ড??
উত্তরঃ ২.২০৪ পাউন্ড।
প্রশ্নঃ ১ কুইন্টালে কত কেজি?
উত্তরঃ ১০০কেজি।
British & U.S British U.S
1 gallons = 4.5434 litres = 4.404
litres
2 gallons = 1 peck = 9.8070 litres
= 8.810 litres
ক্যারেট কি?
উত্তরঃ মূল্যবান পাথর ও ধাতুসামগ্রী
পরিমাপের একক ক্যারেট ।
1 ক্যারেট = 2 গ্রাম
বেল কি?
উত্তরঃ পাট বা তুলা পরিমাপের সময় ‘বেল’
একক হিসাবে ব্যবহৃত হয় ।
1 বেল = 3.5 মণ (প্রায়) ।
=
সূক্ষ্ণকোণ : এক সমকোণ (৯০º) অপেক্ষা ছোট
কোণকে সূক্ষ্ণকোণ বলে।
০৩. স্থুলকোণ : ৯০º অপেক্ষা বড় কিন্তু
১৮০º
অপেক্ষা ছোট কোণকে স্থুলকোণ বলে।
০৪. সমকোণ : একটি রেখা অপর একটি রেখার
উপর লম্ব হলে সমকোণ সৃষ্টি হয়।
০৫. সরলকোণ : যে কোণের পরিমাণ ১৮০º
কোণের সমান তাকে সরল কোণ বলে।
০৬. পূরক কোণ : দুটি কোণের সমষ্টি ৯০º
এর
সমান হয় তবে একটি কোণকে অপর কোণের
পূরক কোণ বলে।
০৭. সম্পূরক কোণ : দুটি কোণের সমষ্টি
১৮০º
এর সমান হলে, একটি কোণকে অপর কোণের
সম্পূরক কোণ বলে।
০৮. পৃবৃদ্ধ কোণ : দুই সমকোণ (১৮০º)
অপেক্ষা
বড় কিন্তু চার সমকোণ (৩৬০º) অপেক্ষা
ছোট
কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে।
===========================
বৃত্ত সম্পর্কিত তথ্য:-
1. পূর্ণ বক্ররেখার দৈর্ঘ্য কে বলা হয়? =
পরিধি
2. পরিধির যেকোন অংশকে বলা হয় = চাপ
3. পরিধির যেকোন দুই বিন্দুর সংযোগ
সরলরেখাকে বলা হয় = জ্যা ( বৃত্তের ব্যাস
হচ্ছে বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা)
4. বৃত্তের কেন্দ্রগামী সকল জ্যা-ই = ব্যাস
5. কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে
বলা
হয় = ব্যাসার্ধ
বৃত্ত সম্পর্কিত কিছু সূত্র:
1. বৃত্তের ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = πr²
( যেখানে r বৃত্তের ব্যাসার্ধ)
2. বৃত্তের পরিধির সূত্র = 2πr
3. গোলকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = 4πr²
4. গোলকের আয়তন = 4πr³÷3
===========================
ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল:-
সাধারণ ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ১/২
ভূমিXউচ্চতা
সমকোণী ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ১/২
সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের গুণফল
সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = a/4√
(4b2-
a2) যেখানে, a= ভূমি; b= অপর বাহু
সমবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = √(3/4)a2
যেখানে, a = যে কোন বাহুর দৈর্ঘ্য
চতুর্ভূজের ক্ষেত্রফল
===========================
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (বাহু)২
সামন্তরিক ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ভূমি x
উচ্চতা
অন্যান্য সূত্রাবলী
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ (দৈর্ঘ্য +
প্রস্থ)
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 x এক বাহুর
পরিমাণ
===========================
সহজভাবে মনে রাখার কিছু সুত্রঃ
১) জোড় সংখ্যা + জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৪ + ৮ = ১২
২) জোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৪ + ৭ = ১১
৩) বিজোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
জোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৫ + ৭ = ১২
৪) জোড় সংখ্যা × জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৮ × ৪ = ৩২
৫) জোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৮ × ৩ = ২৪
৬) বিজোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৫ × ৭ = ৩৫
03/01/2021
দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২০২১-২২ সেশনের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা।
মজলিসে সাদারাত
* মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)
* অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী
* মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম (শায়খে চরমোনাই)
* মাওলানা নুরুল হুদা ফয়েজী
* মাওলানা আব্দুল আউয়াল
* মাওলানা আব্দুল হক আজাদ
* অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ
* অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন
* মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদী
* অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
আমীর
মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)।
নায়েবে আমীর
* মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম (শায়খে চরমোনাই)
* মাওলানা আব্দুল আউয়াল
* মাওলানা আব্দুল হক আজাদ
#উপদেষ্টা পরিষদ
মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ
মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী
ডা: জহুরুল হক
এয়ার কমোডর অব. শফিউল্লাহ
মাওলানা মোমতাজুল করিম মোশতাক
এডভোকেট আআতিয়ার রহমান
এডভোকেট আব্দুল মতিন
এডভোকেট এরফান খান
আলহাজ্ব সৈয়দ আলী মোস্তফা
মহাসচিব
অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।
যুগ্ম মহাসচিব
* মাওলানা গাজী আতাউর রহমান
* আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম
* ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম
সহকারী মহাসচিব
* মাওলানা আব্দুল কাদের
* মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ
* মাওলানা ইমতিয়াজ আলম
সাংগঠনিক সম্পাদক
কে এম আতিকুর রহমান
সহ সাংগঠনিক সম্পাদক
* অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন
* মাওলানা খলিলুর রহমান
* বরকতুল্লাহ লতিফ
* জি এম রুহুল আমিন
* মাওলানা শোয়াইব আহমাদ
* মাওলানা সিরাজুল ইসলাম
* এডভোকেট মাহমুদুল হাসান
দফতর সম্পাদক
* মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী
প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
* মাওলানা আহমাদ আব্দুল কাইয়ুম
প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
* হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলুল করিম মারুফ
অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক
* আলহাজ্ব হারুনুর রশিদ
সহকারী অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক
* আলহাজ্ব মনির হোসেন
ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক
* মুফতি সৈয়দ এছহাক মুহাম্মদ আবুল খায়ের
শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক
* মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দিন
আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক
* এডভোকেট লুৎফর রহমান
সহকারী আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক
* এডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক
* ইঞ্জিনিয়ার শরীফুল ইসলাম তালুকদার
কৃষি ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক
* আলহাজ্ব আব্দুর রহমান
শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক
আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম
স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক
* প্রফেসর ডা: মোয়াজ্জেম হোসেন
তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক
* মাওলানা কেফায়েতুল্লাহ কাশফী
সংখ্যালঘু বিষয়ক সম্পাদক
* মাওলানা মকবুল হোসেন
সদস্য
* আলহাজ্ব সেলিম মাহমুদ
22/12/2020
হানুকা—
#ইহুদী_প্রতীকের_ব্যাকগ্রাউন্ড।
সতর্ক হোন! সতর্ক করুন!!
আমাদের অনেক ভাই না বুঝে ফেসবুকে ইহুদীদের জাতীয় ও ধর্মীয় প্রতীক সমৃদ্ধ ব্যাকগ্রাউন্ড ব্যবহার করছেন। মূলত এগুলো আমাদের অবহেলা এবং অসতর্কতা। ১০ ডিসেম্বর থেকে ইহুদীদের ধর্মীয় উৎসব হানুকা (Hanukkah) শুরু হয়েছে। ১৮ই ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে। এ উপলক্ষে ফেসবুক ইহুদী ধর্মীয় লোগো সমৃদ্ধ বিভিন্ন ফ্রি ব্যাকগ্রাউন্ড নেটে ছেড়েছে। ভারতীয়দের ক্ষেত্রে যেমন দীপাবলি, ইহুদিদের সংস্কৃতির সঙ্গে হানুকা'ও ঠিক সেভাবেই জুড়ে আছে।
হানুকার পেছনে রহস্য—
ঐতিহাসিকভাবে অবশ্য আনুমানিক ১৬৫ খৃষ্টপূর্বাব্দে গ্রীকদের বিরুদ্ধে ইহুদি জাতির বেশ কিছু যুদ্ধ জয়কে স্মরণ করে শুরু হয়েছিল এই উৎসব৷ কারণ, সেই সমস্ত যুদ্ধ জায়গা বা সম্পদ নিয়ে ছিলনা৷ যুদ্ধ হয়েছিল মূলত ধর্মচর্চা আর ইহুদি ধর্মবিশ্বাস পালনের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য। আজ ইসরায়েল হোক বা অ্যামেরিকা হোক, ইহুদি সম্প্রদায়ের সকল মানুষ এই উৎসব উদযাপন করে থাকে৷ মোমবাতি জ্বালিয়ে, টেবিলে মজার মজার খাবার নিয়ে বৈঠকে আলোচনা চলে বর্তমান বিশ্বে কীভাবে নিজস্ব সংস্কৃতি রক্ষা করার পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহকে হেনস্তা করা।
হানুকা পালনের সময়—
‘হানুকা’ শব্দটি হিব্রু শব্দ থেকে এসেছে। এর অর্থ নিজেকে উৎসর্গ করা। ইহুদি ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ অলৌকিক ঘটনাগুলির একটিকে স্মরণ করার উদ্দেশ্যে এ উৎসবের আয়োজন করা হয়। হিব্রু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসের কোনো একসময়ে আট দিনব্যাপী এই উৎসব পালিত হয়। এবছর এ উৎসবটি ডিসেম্বরের১০ তারিখ থেকে১৮ ডিসেম্বর এই আট দিন পালিত হবে।
ইহুদী-ঘরানার উৎসব—
হানুকা ইহুদীদের উৎসব। ছয়কোণ বিশিষ্ট তারা ও ৭/৯ক্যোন্ডেলের বাতি ইয়াহুদিদের প্রতীক। ডিসেম্বর মাসে যেমন বড়দিন বা Jesus christ এর জন্মদিন পালন করা হয় ঠিক তেমনই এই ডিসেম্বরেও 'হানুকা' পালিত হয়। এটি ইহুদিদের উৎসব। 'হানুকা' হিব্রু শব্দ, যার অর্থ নিজেকে উৎসর্গ করা। কোনো মুমিনের পক্ষে এগুলো ব্যবহার শোভনীয় নয়। কারণ, এর ব্যবহার এগুলোর প্রতি অনুরাগ প্রকাশ করে, তার সাদৃশ্যতা প্রকাশ করে এবং ইয়াহুদীবাদের প্রচার করে। যদিও এগুলো ইয়াহুদীদের উৎসবে ইয়াহুদীদের জন্য বাজারে ছেড়েছে; কিন্তু ওরা চায় এটা সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে যাক।
প্রকাশ থাকে যে— ছয়কোণ বিশিষ্ট তারকা ইয়াহুদীদের প্রতীক। মুসলিমদের ব্যবহৃত প্রতীকের তারকা পাঁচকোণ বিশিষ্ট।
[নিচের ছবিতে ২০১৮/১৯ শেষ হয়ে ২০২১ ও ২০২২ সালের হানুকার তারিখও তারা তুলে ধরেছেন]।
পৌরাণিক ইতিহাস অনুসারে—
১৭১ খ্রীষ্ট পুর্বাব্দে সিরিয়া দেশে Antiochus IV Epiphanes নামে এক রাজা রাজত্ব করতেন। রাজাকে ওই সময় অ্যান্টিওকাস এপিফ্যানেস অর্থাৎ দৃশ্যমান ঈশ্বর নামেও ডাকা হতো। তিনি গ্রীক ধর্ম পছন্দ করতেন, তাই তাঁর রাজ্যে গ্রীক ধর্ম প্রচলন করতে চেয়েছিলেন। গ্রীকদের অনেক দেবদেবীর মুর্তি থাকা সত্ত্বেও বারোজন প্রধান দেবতা ছিলেন, এঁরা হলেন- জিউস, হেরা, পোসেইডন, ডিমেটর, এথেনা, অ্যাপোলো, আর্টেমিস, এরিস, অ্যাফ্রোদিতি, হেপাস্টাস, হারমিস, হেস্টিয়া।
বাতিদান কর্মযজ্ঞ—
ইহুদিধর্ম গ্রীক ধর্মের থেকে একেবারেই আলাদা একটি ধর্ম। ইহুদীরা বিশ্বাস করেন যিহোভাহ অর্থাৎ ঈশ্বর এক নিরাকার। ঈশ্বর পৃথিবীতে তাঁর দূত বা নবীদের পাঠান তাঁর বাণী প্রচার করতে। এইরকম একজন হলেন মোজেস। ইহুদীরা মনে করেন তিনি ছিলেন মালাশী অর্থাৎ সর্বশেষ নবী। ইহুদী মতে যেহেতু ঈশ্বরকে দেখা যায় না তাই এঁদের মন্দিরে কোনো মূর্তি থাকে না। শুধু ঈশ্বরের প্রতীক হিসাবে বিশেষ এক ধরনের বাতিদানে বাতি জ্বালানো হয়। এই বাতিদানকে menorah বলে।
রাজা Antiochus-এর কথা—
রাজা Antiochus IV Epiphanes এক যুদ্ধে হেরে গিয়ে পালিয়ে জেরুজালেম শহরে আসেন। শহরটি তখন সিরিয়ার অন্তর্গত ছিলো। বর্তমানে ইজরায়েল দেশের অংশ। যুদ্ধ হেরে যাওয়ার জন্য তিনি বেশ রেগে ছিলেন। জেরুজালেমের মত একটি সাজানো ইহুদি শহর দেখে তাঁর রাগ দ্বিগুণ হলো। তখন তিনি সেনাদের আদেশ দিলেন, জেরুজালেম থেকে ইহুদিধর্ম মুছে গ্রীক ধর্মে অনুসারী হোক সবাই। স্যাবাথ নিষিদ্ধ করা হল। দলে দলে ইহুদিদের জোর করে গ্রীক করা হতে লাগল। যারা রাজী হল না তাদের হয় মেরে ফেলা হলো, না হলে ক্রীতদাস করা হলো। মেনেলাউস হলেন ইহুদিদের প্রধান পুরোহিত, সে ইহুদি কম আর গ্রীক বেশি ছিলো। জেরুজালেমকে গ্রীক জীবনযাত্রা, গ্রীক ভাষা এবং গ্রীক নামে ভরিয়ে দেওয়া হল। ইহুদি ধর্মপালন নিষিদ্ধ করে দেওয়া হল। ইহুদি মন্দিরে গ্রীক প্রধান দেবতা জিউসের বিরাট মূর্তি বসানো হলো। মূর্তি জিউসের হলেও, মূর্তির মুখটি রাজা অ্যান্টিওকাসের মতো ছিল। জিউসের মূর্তির সামনে উৎসর্গ হিসেবে শুয়োর বলি দেওয়ার আদেশ দেওয়া হলো। শুয়োর বলি দেওয়ার ফলে ফলে ইহুদিদের মন্দিরটি অপবিত্র হয়ে গেলো।
ম্যাকাবির বিদ্রোহ—
জেরুজালেমের কাছেই এক গ্রামে ম্যাটাথিয়াস নামে এক ইহুদি ধর্মপ্রাণ পুরোহিত বসবাস করতেন। তিনি জিউসের মূর্তির সামনে শুয়োর বলি দিতে প্রথম অস্বীকার করেন। বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একজন সিরিয় সৈনিককে মেরেও ফেলেন। তবে তিনি বৃদ্ধ ছিলেন এবং এই ঘটনার কিছুদিনের মধ্যেই মারা যান। তাঁর পাঁচ ছেলে ছিলো। যোহান, সিমন, এলাজার, জোনাথন এবং জুডা। এই পাঁচজন তখন রাজা অ্যান্টিওকাস এবং গ্রীকধর্মের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন। বিদ্রোহের মূল নেতা ছিলেন ছোটভাই জুডা। তাঁর ডাকনাম ছিল ম্যাকাবি, যার অর্থ হাতুড়ি। তিন বছর ধরে তাঁরা লুকিয়ে চুরিয়ে গ্রীকদের আক্রমণ করতে থাকেন। প্রতিদিনই কিছু ইহুদি লুকিয়ে এসে তাঁর দলে যোগ দিতে লাগল। তিন বছর পর সামনাসামনি যুদ্ধ হলে গ্রীকরা শোচনীয় ভাবে পরাজিত হন। ইহুদিরা সবার আগে জিউসের মন্দির দখল করে সেটিকে আবার ইহুদি মন্দির বানান। মন্দিরে ঢুকে তাঁরা অবাক হয়ে দেখেন যে মার্বেলের মেঝে ফেটে গেছে, ধনরত্ন যা ছিলো সবই চুরি হয়ে গেছে। মন্দিরটি ইহুদি মতানুসারে শুদ্ধ করা হয়।
বানোয়াট ইতিহাস—
মন্দিরটি পরিষ্কার করে ইহুদি বিশ্বাসে প্রতি রাতে একটি করে বাতি জ্বালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাতি জ্বালাতে ব্যবহার করা যেতো একমাত্র বিশুদ্ধ জলপাইয়ের তেল, যা প্রধান পুরোহিতের অনুমোদিত। একমাত্র সেই তেলেই Menorah জ্বালানোর অনুমতি ছিলো। কিন্তু যুদ্ধের পর অনেক খুঁজেও এক বোতলের বেশি এই তেল পাওয়া গেলো না। এই তেল মাত্র এক রাতের জন্য ছিলো। কিন্তু সবাইকে অবাক করে আটরাত আটদিন ধরে menorah জ্বলেছিলো। সেই সময়ের মধ্যে ইহুদিরা আরো অনেক তেল বানিয়ে নিতে পেরেছিলেন। এই আশ্চর্য ঘটনাকে মনে রেখেই আট রাত ধরে হানুকা পালন করা হয়। হানুকার জন্য আলাদাভাবে তৈরি বিশেষ মেনোরার নাম হল হানুকিয়া, অর্থাৎ হিব্রু ভাষায় আটদিন। প্রতি বাতিদানে একটি করে অতিরিক্ত বাতি বা মোমবাতির জায়গা থাকে। তার নাম শামাশ। ইহুদি ধর্মগ্রন্থ Talmud অনুসারে প্রতি রাতে একটি করে বাতি জ্বালানো হয়। তবে অনেকে একসাথে আটটি বাতিই রোজ রাতে জ্বালান। Christmas এর রঙ বলতে আমরা যেমন লাল আর সবুজ বুঝি, তেমনই হানুকার রঙ হল নীল আর সাদা বা রুপোলী।
তাই আসুন—
কোনো কিছু প্রচারের আগে আমরা তার সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত হই! চমকদার এবং সুন্দর কারুকার্য দেখে কোনো কিছুর উপর ঝাঁপিয়ে না পড়ি। ঝলমলে দৃশ্যের প্রতি বে-তাহকীক মুগ্ধ না হই! এক কথায় হানুকার মতো ইহুদী ব্যাকগ্রাউন্ড প্রচারে নিজেদের নিয়েজিত না করি! জীবনের বাঁকে বাঁকে সর্বাত্মক সতর্কতা অবলম্বন করি! সাথে সাথে নিচের ব্যাকগ্রাউন্ডযুক্ত ছবিগুলো চিনে রাখুন!
লেখক— মিযানুর রহমান জামীল
25/05/2020
পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা 💝ঈদ মোবারক। 💝
আহলে হাদীস এবং বিভিন্ন ফেৎনার মূল কারণ তুলে ধরলেন-
দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার সহকারী সম্পাদক-
মাওলানা:ওবায়দুর রহমান নদভী।তথ্যভিত্তিক আলোচনাটি সবাইকে সম্পূর্ণ দেখার অনুরোধ করা হলো। তোমার, তোমার বাবার, দাদার, নারীদের, আলেমদের নামাজ হয়না। নতুন করে নামাজ পড়তে হবে-এটাই হলো আহলে হাদীস ফেৎনা।
রমজান নিয়ে অসাধারণ একটি ইসলামিক গজল।
10/04/2020
অসাধারণ একটি ভিডিও।
জানাযা নিয়ে হৃদয়স্পর্শী নতুন গজল । Janaza । জানাযা । Abu Rayhan Kalarab Song : Janaza Singer : Abu Rayhan Lyric : Abdul Kadir Hawladar Tune : Nazrul Islam Record Label : Holy Tune Studio .............................................
শবে বরাত নিয়ে যতসব বিভ্রান্তি ও তার নিরসন।
দেখে নিন এই ভিডিওতে শবেবরাত কোরআন হাদিস অনুযায়ী কিনা।
08/04/2020
✓✓✓ শবেবরাত তথা শাবান মাস ✓✓✓
মহানবী (সা.) শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখতেন
মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ
শাবান আরবি বর্ষপঞ্জির অষ্টম মাস। শাবানের পরবর্তী মাস রমজান। রমজান মাসে রোজা আল্লাহ তাআলা ফরজ করে দিয়েছেন। রমজানের ব্যাপারে মুসলিমরা যাতে সতর্ক থাকে ও যথাযথ প্রস্তুতি নেয়, তাই দুই মাস আগে থেকে প্রিয় নবী (সা.) দোয়া করতে শিখিয়েছেন।
শাবান মাসকে রাসুল (সা.) বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। এ মাসের বেশির ভাগ দিন তিনি রোজা রাখতেন। উসামা বিন জায়েদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি রাসুল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেছি, হে আল্লাহর রাসুল, শাবান মাসে আপনি যেভাবে রোজা রাখেন, সেভাবে অন্য কোনো মাসে রোজা রাখতে আমি আপনাকে দেখিনি। রাসুল (সা.) বলেন, রমজান ও রজবের মধ্যবর্তী এ মাসের ব্যাপারে মানুষ উদাসীন থাকে। এটা এমন এক মাস, যে মাসে বান্দার আমলকে বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়। আমি চাই, আল্লাহর কাছে আমার আমল এমন অবস্থায় পেশ করা হোক, যখন আমি রোজাদার।’ (নাসাঈ)
এ হাদিস থেকে তিনটি বিষয় জানা যায়—
এক. শাবান মাসের বেশির ভাগ দিন রাসুল (সা.) রোজা রাখতেন।
দুই. এ মাসের ব্যাপারে সাধারণত মানুষ উদাসীন ও নির্লিপ্ত থাকে।
তিন. এ মাসে বান্দার আমল আল্লাহর কাছে উপস্থাপন করা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ এই তিনটি বিষয় নিম্নে সংক্ষিপ্তাকারে আলোচনা করা হলো—
প্রথমত, এ মাসের বেশির ভাগ দিন রাসুল (সা.) রোজা রাখতেন। এ প্রসঙ্গে বিভিন্ন হাদিস বর্ণিত হয়েছে। আবু সালামা (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে আয়েশা (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) শাবান মাসের চেয়ে অধিক রোজা অন্য কোনো মাসে রাখতেন না।’ (বুখারি)
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত অন্য একটি হাদিসে এসেছে, ‘রাসুল (সা.) কখনো কখনো ধারাবাহিকভাবে রোজা রাখতেন। আমরা বলতাম, তিনি মনে হয় আর কখনো রোজা ছাড়বেন না। আবার কখনো এভাবে রোজা রাখা ছেড়ে দিতেন যে আমরা বলাবলি করতাম, তিনি মনে হয় আর কখনো রোজা রাখবেন না। রমজান ছাড়া অন্য কোনো মাসে আমি রাসুল (সা.)-কে পুরো মাস রোজা রাখতে দেখিনি। শাবান মাসের মতো অন্য কোনো মাসে এত অধিক রোজা রাখতে আমি রাসুল (সা.)-কে দেখিনি।’ (মুসলিম)
দ্বিতীয়ত, এ মাসের ব্যাপারে মানুষের অবহেলা ও উদাসীনতা। শুধুু শাবান মাস নয়, আমরা স্বয়ং সর্বশ্রেষ্ঠ ও মহৎ রমজান মাসেই উদাসীন থাকি। নফল ও মুস্তাহাবের প্রতি তো গুরুত্ব দেওয়া হয় না, উপরন্তু অনেক সময় ফরজও ত্যাগ করা হয়। এসব ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত নিন্দনীয়।
তৃতীয়ত, এ মাসে বান্দার আমল আল্লাহর দরবারে পেশ করা হয়। আলেমদের বক্তব্য অনুযায়ী, বান্দার আমল আল্লাহর কাছে তিন স্তরে উপস্থাপন করা হয়। দৈনিক, সাপ্তাহিক ও বার্ষিক। দৈনিক বলতে প্রতিদিন ফজরের নামাজের সময় ও আসরের নামাজের সময় আল্লাহর কাছে বান্দার আমল পেশ করা হয়। বুখারি ও মুসলিম শরিফের একটি হাদিস থেকে জানা যায়, ফেরেশতারা রাতে ও দিনে পালাক্রমে মানুষের কাছে আসেন। রাত্রিবেলা যে ফেরেশতারা থাকেন, তাঁরা ফজরের সময় চলে যান। তখন দিনের ফেরেশতারা আসেন। তাঁরা আসরের সময় চলে যান। ফলে তখন আবার রাতের ফেরেশতারা আসেন। ফেরেশতারা যাওয়ার পর আল্লাহ তাআলা অধিক জ্ঞাত হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের জিজ্ঞেস করেন, তোমরা আমার বান্দাদের কোন অবস্থায় রেখে এসেছ? তাঁরা জবাব দেন, আমরা যখন তাদের কাছে পৌঁছি, তখন তারা নামাজরত ছিল। আর যখন তাদের কাছ থেকে ফিরে আসি, তখনো তারা নামাজরত ছিল।
সাপ্তাহিক বলতে প্রতি বৃহস্পতিবার আল্লাহর কাছে বান্দার আমল পেশ করা হয়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, প্রতি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বনি আদমের আমল আল্লাহর কাছে পেশ করা হয়। কিন্তু আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করেছে এমন ব্যক্তির আমল কবুল হয় না।’ (মুসনাদে আহমদ)
আর বার্ষিক বলতে শাবান মাসে আল্লাহর কাছে বান্দার আমল পেশ করা হয়। এ কারণে পূর্ববর্তী আলেমরা এ মাসকে খুব গুরুত্ব দিতেন। আল্লামা ইবনে রজব (রহ.) বলেন, শাবান মাস হলো রমজান মাসের ভূমিকাস্বরূপ। রমজান মাসে যেভাবে রোজা রাখা এবং কোরআন তিলাওয়াতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে, তদ্রুপ এ মাসেও রোজা রাখা ও কোরআন তিলাওয়াতের বিশেষ গুরুত্ব আছে, যাতে রমজান মাসের জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়।
আল্লাহ তাআলা আমাদের শাবান মাসকে গুরুত্ব দেওয়ার ও আমল করার তাওফিক দান করুন।
মহানবী (সা.) শাবান মাসে বেশি বেশি রোজা রাখতেন | কালের কণ্ঠ শাবান আরবি বর্ষপঞ্জির অষ্টম মাস। শাবানের পরবর্তী মাস রমজান। রমজান মাসে রোজা আল্লাহ তাআলা ফরজ করে দিয়েছেন।