FaridpurOnline.com

FaridpurOnline.com

Share

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে থাকা ফরিদপুরবাসীর কাছে বৃহত্তর ফরিদপুরকে উপস্থাপন

কার্যাবলী :
১) বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচটি জেলার সকল উপজেলার প্রতিদিনের তাজা খবর প্রদান
২) বৃহত্তর ফরিদপুরের ঐতিহাসিক স্থান ও পর্যটন কেন্দ্রগুলোর প্রচার
৩) বৃহত্তর ফরিদপুরের বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের পরিচিতি, কর্ম ও জীবনী বর্ণনা
৪) বৃহত্তর ফরিদপুরের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংবাদ প্রচার
৫) বৃহত্তর ফরিদপুরের প্রতিদিনের ইভেন্টগুলো প্রচার
৬) বৃহত্তর ফরিদপুরের শিক্ষামূলক ইভেন্ট আয়োজন
৭) বৃহত্তর ফরিদপুরের

26/05/2020
28/01/2020

করোনা ভাইরাসের লক্ষন ও প্রতিরোধ!

www.police.gov.bd 21/12/2017

পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টি,আর,সি) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি/২০১৮।

ছবিটি পরিস্কার ভাবে দেখতে ডাউনলোড করে নিন।

www.police.gov.bd

Photos 11/06/2017

Plan your Eid Holidays with Geo Connect Travels. Book your plan soon.
Facilities we provide:
Accommodation, Everyday Buffet Breakfast & Dinner, Luxury Ac bus transport for Airport-Hotel-Airport.

Terms & Conditions:
Minimum Two pax required.
Price without Visa and Air Ticket. Package cost may vary depending on room availability & on travel date.

We accept Visa & Mastercard & EBL Zip facility (Travel now pay later).

Address:
Geo Connect Travels
Corporate Office: House 20 (6th floor), Lake Drive Road, Sector-7, Uttara, Dhaka
Phone:
+8801847270653
+8801847270654
+8801847270656

Branch Office:
M. M Tower (6th Floor), Beside Sanmar Ocean City, CDA Avenue, East Nasirarabad, Chittagong,
Phone: +8801711588789

Email: [email protected], [email protected], [email protected]

Juboti radhe 29/11/2016

খুবই সুন্দর একটা লৌকিক গান, না শুনলে চরম মিস করবেন।

Juboti radhe This a bangla sweet folk song.

05/07/2015

বোয়ালমারীতে দুই ডাকাতকে পিঠিয়ে মেরে ফেলেছে এলাকাবাসী।
পুলিশ লাশ নিয়ে গেছে।
আমাদের সেই সুন্দর ফরিদপুর ফেরত চাই

06/03/2015

আসছে আমাদের নতুন ওয়েবসাইট।
কে কে আমাদের সাথে কাজ করতে চান।
ইনবক্স করেন।

14/08/2014

আমাদের ফরিদপুর জেলা সম্পর্কে কিছু
তথ্য:
উপজেলা সমূহ:-
১.ফরিদপুর সদর উপজেলা
২.বোয়ালমারী উপজেলা
৩.আলফাডাঙা উপজেলা
৪.মধুখালী উপজেলা
৫.ভাঙ্গা উপজেলা
৬.নগরকান্দা উপজেলা
৭.চর ভদ্রাসন উপজেলা
৮.সদরপুর উপজেলা
৯.সালথা উপজেলা
ইতিহাস
১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলা গঠন
করা হয়।
ফরিদপুরের নামকরণ
করা হয়েছে এখানকার প্রখ্যাত
সুফি সাধক শাহ শেখ ফরিদুদ্দিনের
নামানুসারে।
এই
এলাকার প্রাচীন মসজিদগুলোর
মধ্যে রয়েছে গারোদা মসজিদ (১০১৩
হিজরি),
পাথরাইল মসজিদ ও দিঘী *১৪৯৩-১৫১৯
খ্রিস্টাব্দ),
সাতৈর মসজিদ (১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ)।
এলাকার অন্য
উল্লেখযোগ্য
স্থাপনা হলো ফতেহাবাদ টাঁকশাল
(১৫১৯-৩২ খ্রিস্টাব্দ), মথুরাপুরের দেয়াল,
জেলা জজ
কোর্ট ভবন (১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দ),
এবং ভাঙ্গা মুন্সেফ
কোর্ট ভবন (১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দ), বসুদেব
মন্দির ও জগবন্ধু।
ফরিদপুর থেকে হাজি শরীয়তুল্লাহ
ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন।
শরীয়তুল্লাহের পুত্র দুদু
মিয়া র নেতৃত্বে এখানে নীল কর
বিরোধী আন্দোলন হয়। জেলার প্রধান
নীল
কুঠিটি ছিলো আলফাডাঙা উপজেলা র
মীরগঞ্জে,
যার ম্যানেজার ছিলেন এসি ডানলপ।
গড়াই,
মধুমতি ও বরশিয়া নদীর তীরে নীল চাষ
হতো।
প্রত্নসম্পদ
মথুরাপুর দেউল
পাতরাইল মসজিদ
সাতৈর মসজিদ
শ্রী অঙ্গন
শিব মন্দির
দোলমঞ্চ
নারায়ণ মন্দির
পঞ্চরত্ন সমাধি
নব-রত্ন সমাধি
দুর্গা মন্দির
কাচারি বাড়ি
শিকদার বাড়ি
গেরদা ফলক
এই এলাকার অর্থনীতি এবং প্রধান শষ্য:
ফরিদপুর
পাট এর জন্য বিখ্যাত । ফরিদপুর
বাংলাদেশ এর অন্যতম
বড় নদী বন্দর। এখান থেকে পাট
এবং কৃষি পণ্য
নদী পথে সারা দেশে চলে যায়
এছাড়া পিয়াজ,ধান,গম, খেজুরের গুড়
প্রচুর পরিমাণে উৎপাদিত হয়ে থাকে
আর পদ্মা নদীর মাছের
খ্যাতি পুরো দেশ জুড়ে।
চিত্তাকর্ষক স্থান
ফরিদপুর জেলার চিত্তাকর্ষক
স্থানগুলার
মদ্ধে উল্ল্যেখযোগ্য হচ্ছে,
পদ্বার চরে সূযাস্ত,
নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট,
সুইচ গেট,
ধলার মোড় (পদ্মার পাড়),
রাজেন্দ্র কলেজ ( রাজেন্দ্র
বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ),
পদ্মা বাধ,
পল্লী কবি জসীম উদ্দিন এর বাসভবন।
বাইশরশি জমিদার বাড়ি উল্লেখযোগ্য।
এছাড়াও রয়েছে বিখ্যাত আওলিয়া
বিশ্ব জাকের মন্জিল আটরশি পাক
দরবার শরীফ,
এবং চন্দ্রপাড়া পাক দরবার শরীফ
জনসংখ্যা
মোট জনসংখ্যা: ১৭,১৪,৪৯৬
পুরুষ: ৫০.৫৫%
মহিলা: ৪৯.৪৫%
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪২৪,
এই জেলায়
শিক্ষার হার ৩৭.৪৪ %
বিশ্ববিদ্যালয়: ১
কলেজ: ৪৮
মাধ্যমিক বিদ্যালয়: ২৩৪
মেডিকাল কলেজ : ১
মাদ্রাসা: ১৪১
কৃতী ব্যক্তিত্ব
মুন্সি আব্দুর রউফ , বীরশ্রেষ্ঠ।
শেখ মুজিবুর রহমান , বাংলাদেশ
প্রতিষ্ঠার
পুরোধা এবং বাংলাদেশের জাতির
জনক
আলাওল , মধ্যযুগের কবি
কাজী মোতাহার হোসেন ,
শিক্ষাবিদ,
পরিসংখ্যানবিন, সাহিত্যিক
জসীম উদ্দিন , পল্লীকবি
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় , ঔপন্যাসিক, কবি
মীর মশাররফ হোসেন , ঔপন্যাসিক
হাবিবুল বাশার , ক্রিকেটার
হুমায়ুন কবির , শিক্ষাবিদ
মৃণাল সেন, ভারতীয় বাঙালি চলচ্চিত্র
পরিচালক,
চিত্রনাট্যকার ও লেখক।
অমল বোস, অভিনেতা
রোজিনা ,
অঞ্জু ঘোষ , চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
রিয়াজ, চলচ্চিত্র অভিনেতা (তাঁর জন্ম
ফরিদপুর
হলেও পৈতৃক বাসস্থান যশোর জেলায়)
ফকির আলমগীর,
সংগীত শিল্পী
ফজলুর রহমান বাবু , অভিনেতা, গায়ক
তারেক মাসুদ , চলচ্চিত্রকার
শাহ আবু জাফর, বীর মুক্তিযোদ্ধা,
রাজনীতিবিদ
ড. এটিএম শামসুল হুদা , সাবেক সফল
প্রধান নির্বাচন
কমিশনার
স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু , ফরিদপুর
জেলা স্কুলের
কৃতি ছাত্র, বিশিষ্ট বৈজ্ঞানিক
(সংগৃহীত)

Photos 18/04/2014

সেন্ট মার্টিনের ঘটনা নিয়ে মিডিয়ার যত মিথ্যাচার ।।
আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় জন ছাত্রের করুন মৃত্যু নিয়ে জাওদাত রহমান ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন। তিনি ওই ৩৪ জনের দলে ছিলেন, এবং মৃত্যুমুখ থেকে বেচে এসেছেন। তার লেখায় মিডিয়ায় বিভিন্ন রকমের ভুল প্রচারের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে। পাঠকদেরকে সঠিক তথ্য পরিবেশনার জন্য ওই পোষ্টটি এখানে হুবহু প্রকাশ করা হলো।

অনেক পেপারে, খবরের চ্যানেলে অনেক সংবাদ দেয়ার পরও আমার কথা প্রকাশ করা হয় নি! সত্যটাকে বার বার ঘোলাটে করা হচ্ছে। ধিক্কার বাংলাদেশের সংবাদ পত্র, টিভি চ্যানেল , পুরো মিডিয়া আর সেই সকল মানুষ কে যারা না জেনেই নিজের মতামত দিয়ে ফেইসবুকে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছেন!

প্রথমেই বলে নেই যেই ছবি টা শেয়ার করে সবাই মৃত্যুর ফাদ সনাক্ত করছেন এখানে লাল মার্ক করা জায়গার আশে পাশেও আমরা ছিলাম না! এর অনেক বামে উত্তর বীচের নীল চিহ্নিত অংশেই আমাদের সবাই ছিল! (উপরের ছবিটি দেখুন)

বিপদজনক সম্পূর্ণ জায়গাটুকু শেয়ার করলেই তবে আরেকটা জীবন বাচতে পারবেন। শেয়ার করার আগে একটু জেনে পড়ে শেয়ার করুন।

তখনও আমি বন্ধুর দেহগুলো জীবিত কি মৃত এটাও সিউর হতে পারিনি আমাকে একুশে টিভি থেকে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করল “ঘটনা কি একটু খুলে বলুন”, হাতে বন্ধুর লাশটাকে মাত্র স্পিড বোর্ড থেকে নামালাম। মানবতাকর্মী ফোনে জিজ্ঞেস করল “কেমন লাগছে আপনার”? এই ছিল বাংলাদেশ এর মানবতা কর্মী এবং সাংবাদিকদের মানবতার অবস্থা! যাই হোক মেনে নিলাম তারা তাদের কাজ করছিল এটা করার জন্যই তাদের পারিশ্রমিক দেয়া হয়। তবে প্রশ্ন করারও একটা গাইড বুক থাকা উচিৎ তাই না? তাহলে যেই কাজটার জন্য আপনাদের রাখা হয়েছে ওই কাজটা তো আপনারা ঠিক মত করবেন! মানুষদের সঠিক তথ্য দেয়া তো আপনাদের কর্তব্য তাই না! ফেসবুক/সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ভুল খবর প্রচারিত হতেই পারে; কারণ এই খবরটি দেয়া তার পেশা নয়! এই খবর মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য তাদের রাখা হয় নি! আপনারা কেন মিথ্যা সংবাদ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন!

সংবাদ পত্র এবং মানুষের ছড়ানো কিছু মিথ্যা সংবাদগুলোর কিছুটা বললাম। কারণ সংখ্যায় এতই বেশি ছিল যে এর সব গুলো বলাও সম্ভব না! প্রথমে ইন্ডিপেনডেন্ট টিভিতে বলা হয়, কোস্ট গার্ড বার বার মানা করার পরেও, সঙ্কেত দেয়ার পরও ছেলেরা পানিতে লাফালাফি করছিল এবং অনেক দুরে চলে যায়।

যেখানে ওই সময় সেখানে কোন কোস্ট গার্ডই ছিলনা।

একজন কোস্ট গার্ডও ঘটনা স্থলে অথবা ঘটনা ঘটার ১০-১৫ মিনিট এর সময় ব্যাবধানে থাকলেও আমাদের একটি প্রাণও যেত না।

এটিএন বাংলা-তে বলা হয়েছে, ঘটনা স্থলে লাল পতাকা দেয়া ছিল ছেলেরা তা খেয়াল করে নি।

কিন্তু সত্য হল লাল পতাকা দেয়া হয়েছে আমাদের ২ জন এর মৃত দেহ পাওয়ার পর এবং ৪ জন নিখোঁজ হয়ার পর আমাদেরই চাপে, আমাদেরই বলাবলির পর, পরের দিন রোজ ১৫ এপ্রিল সকাল ৮ ঘটিকায় (নিশ্চিত করতে স্থানীয়দের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন)।

জনৈক বুদ্ধিজীবী প্রশ্ন তুলেছেন “শিক্ষা সফরে শিক্ষক নেই কেন?”

এটা কোন শিক্ষা সফর ছিল না। আমরা গত ৯ এপ্রিল আমাদের ভার্সিটি জীবনের অধ্যায় শেষ করি আমাদের শেষ পরীক্ষা দেয়ার মাধ্যমে। আগেই প্ল্যান ছিল সবাই মিলে ঘুরতে যাব সেন্ট মার্টিন। ২৩-২৪ বছরের ভার্সিটি পাশ ছেলেদের এই ঘুরতে আসায় শিক্ষক বা গার্জিয়ানদের টেনে এনে কেন আসল ব্যাপারটা ঘোলাটে করা হচ্ছে? আঙ্গুল তুলতেই যদি হয় আসল খবরে আঙ্গুল তুলুন!

মাত্রই তীরে ভিড়ানো ফারহান শোভন আর আশিফ মজতুবা তখন মাটিতে শুয়ে আছে তখন তাদের ছবি তুলে ছাপানো হল এরা মারা গেছে!

এই হচ্ছে আমাদের দেশের সংবাদপত্র আর সাংবাদিকতার নমুনা? মানুষের মৃত্যু নিয়ে অন্ততঃ একটু গুরুত্বের সাথে লিখুন।

লাশ সনাক্ত করার জন্য আমাদের ছবি দেয়া হল; আমরা তখনও লাশ সনাক্ত করে বলিও নাই; এর আগেই সকল খবরের চ্যানেল বলে দিল এটা সাব্বির হাসান-এর লাশ।

লাশ টা ছিল শাহরিয়ার নোমান এর। না জেনে এভাবে সকল খবরের চ্যানেল কিভাবে একটা ভুল সংবাদ প্রচার করতে পারে! কিভাবে ? আমি নিজে মাছরাঙ্গা সহ আরও কিছু টিভি চ্যানেল এ নিশ্চিত করেছিলাম যে দয়া করে সত্য নাম ছাপান বিভ্রান্ত করার সংবাদ দিবেন না। এর পরও ঘন্টা দেড়েক পরে দেখি মাছরাঙ্গাও বাকি সব চ্যানেল এর মত মৃত দেহের নাম দেখাচ্ছে সাব্বির।

এত ভয়ঙ্কর একটা এলাকা, স্থানীয়রা পরে আমাদের বলল এই একই এলাকায় প্রতি বছর লোক মারা যায়, বছর খানেক আগে ফ্ল্যাগও নাকি ছিল তাহলে কথায় গেল সেই লাল ফ্ল্যাগ?

বাইরের মানুষ কিভাবে জানবে এইখানে একটা খাদ আছে? প্রসাশন থেকে কোন প্রকার সতর্কতা দেয়া হয়নি। হোটেল (sand shore) আমাদের সতর্ক করেনি। কেন হোটেল থেকে জানানো হল না, কেন এই রকম জায়গায় একটা সাইনবোর্ড নেই? কেন কোন প্রকার রেস্কিউ টিম নাই,হয়ত ১০ মিনিট পরও একটা রেস্কিউ টিম পেলেও মানুষ গুলি বেচে যেত।

লোকাল মানুষ ৬ জনকে না বাচালে তারাও মারা যেত। অন্তত ১২ জন মানুষ আমরা মারা যেতাম ওখানে।

তীরে কোন টিউব ছিল না। রেস্কিউ টিউব নেই, কেন তীরের আশে পাশে কোন টিউব থাকবে না এত বড় পর্যটন স্থানে? বলে নেয়া ভাল আমরা এমন কোন তীরে যাই নি যেখানে আমরা একা ছিলাম কিংবা যেখানে সচরাচর মানুষ যায় না। উত্তর বিচ বলে ওই জায়গাটাতেই সেন্ট মার্টিনে সবাই বিচে নামে। ঘাটির প্রান্তে কেউ নামে না। যারা সেন্ট মার্টিন যান, তারা সবাই জানেন তীরে কোন দিকে মানুষ সাতার কাটতে নামে।

বন্ধুদের দেহ ভ্যান এ তুলে সেন্ট মার্টিনে কোন চিকিৎসক বা হাসপাতাল পেলাম না! নুন্যতম প্রাথমিক চিকিৎসা করার মতও কোন সাহায্য পেলাম না। হয়তো ওই প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু পেলেও কিছু জীবন বাঁচে। কেন থাকবে না কোন চিকিৎসা ব্যবস্থা?

আসল সংবাদ না ছাপিয়ে, মানুষ গুলোর নামও ঠিক মত না ছাপিয়ে ভুল সংবাদ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার আর আমাদের পরিবার আর শিক্ষকদের লাঞ্ছনা দেয়ার অধিকার মিডিয়াকে কে দিয়েছে?

আমাদের দুর্বলতা, আমাদের শিক্ষক, বাবা-মা নিয়ে সবাই কথা বলছে অথচ কেউ প্রসাশনের চরম দুর্বলতা, অবহেলা আর দায়িত্বহীনতা নিয়ে নিউজ দিল না । কেউ না।

গত কয়েক বছরে এই একই জায়গায় ১৪ জন ( আমাদের সহ) ছেলে মারা গেল। আর কতটা মায়ের বুক খালি হলে আর কতটা স্বজন হারালে প্রসাশন ব্যাপারটা কে গুরুত্বের সাথে নিবে?

যেই খবর গুলো ছাপালে ভবিষ্যতে মানুষের জীবন বাঁচবে, আর হারাবোনা ছেলে, মেয়ে, সন্তান, ভাই বা বন্ধুকে সেগুলো আগে ছাপান। এরপর না হয় আমাদের দোষ, দুর্বলতা, কান্ডজ্ঞ্যানহীনতা নিয়ে কথা বলবেন।

আমাদের দোষ তো ছিলই! অবশ্যই আমারা ঘুরা পাগল ছেলেরা সব সময় বাংলাদেশ এর সৌন্দর্যই দেখতে যেতাম, চেতাম! বাংলাদেশ যে ঘুরার জন্য নয়! বাংলাদেশ এ যে কোন পর্যটন নেই এটা সবার জানা উচিৎ ছিল আমাদের। তাহলেই আর হারাতাম না বাপ্পি, সাব্বির, অঙ্কুর, নোমান, ইভান আর উদায়কে।

ফেসবুক: https://www.facebook.com/jaodat13

Photos 17/04/2014

দেখে নিন সেন্টমার্টিন এর ভয়ংকর সেই মৃত্যুফাঁদ ( সচেতন হোন ) |

সেন্টমার্টিন নেমে প্রথম বীচে হাটা শুরু করলেই কয়েক মিনিট পরেই ওত পেতে থাকে অর্থাৎ অনেক কাছেই।ওখানকার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হতে হতে কিছু বুঝে উঠার আগেই হয়ত ভুলবশত আপনিও পা দিতে পারেন এই জায়গাটিতে!! কারন নীল পানির আচ্ছাদনে আলাদা করে বোঝার কোণ উপায় ই নেই।
প্রথমে জাহাজে করে সবাইকে সেন্টমার্টিন ফেরীলাইনে নামিয়ে দেয়া হয়। আর সেখান থেকে পায়ে হেটে ব্রীজটা পার হয়ে এসে নামতে হয় সেন্টমার্টীন দ্বীপে।এখানে নামলেই হাতের ডানদিকে যে বীচ টা দেখতে পাই প্রায় বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই আমরা সবাই এই বীচ ধরে হাটি এবং ব্রীজের গোড়ার দিক থেকে পানিতে নামি আর কিনারা ঘেষে ডান দিকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকি।।

পানিতে একবার নেমে পড়োলে আমরা আর কেউই কিন্তু বালিতে উঠে আসিনা সামনে এগুতে থাকি পানি ধরেই। ঠিক সোজা সামনের দিকে এগিয়ে গেলে এবার দ্বীপটা হাতের বা দিকে টার্ন নেয়। ঐ জায়গাকে বলা হয় “জিনজিরা উত্তরপাড়া” স্থানীয়রা বলেন উত্তর বীচ।।

দুইদিকের পানির স্রোত এবং ঐ ত্রিকোনাকৃতির মধ্যস্রোত এই জায়গাটিতে মিলিত হয়েছে এবং ত্রিমুখি স্রোতের কারনে পানির চাপ খুব বেশী ওখানটায় এবং চাপটা নিন্মমুখি।স্থানটা দেখতে অনেকটা লম্ভাটে খালের মত, আর এই ত্রিমুখি স্রোতের কারনে অনেক জায়গাজুড়ে বড়সড়ো গর্ত তৈরী হয়েছে। জানিনা এবং কোন নির্দেশনা নেই বলেই আমরা সাতার কাটতে কাটতে এই টার্ন দিয়েই বা পাশের বীচের দিকে এগুতে থাকি, আর তখনি কিছু বুঝে উঠার আগেই সমুদ্রের অতলে হারিয়ে যায় অনেকেই|
প্লিইজ সবার কাছে অনুরোধ রইলো এই স্থানটা সম্পর্কে আপনার কাছের সবাইকে সচেতন করে দিন।

Want your business to be the top-listed Government Service in Faridpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Raffles Inn
Faridpur
7800

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00