পবিত্র ঈদুল ফিতরে চরচান্দিয়া ইউনিয়নের সকল প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ভাইবোনদেরকে জানাই হৃদয়ের গভীর থেকে ভালোবাসা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা ঈদ মোবারক।
আল্লাহ্ আপনাদের প্রতিটি দিনকে ভরে দিক সুখ, শান্তি ও অফুরন্ত রহমতে।
আপনাদের জীবনের সব অস্থিরতা ও কষ্ট মুছে যাক, প্রতিটি মুহূর্ত হোক আনন্দ, ভালোবাসায় আর বারাকায় ভরা।
ঈদ মোবারক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৬ নং চরচান্দিয়া ইউনিয়ন, সোনাগাজী, ফেনী
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৬ নং চরচান্দিয়া ইউনিয়ন শাখার অফিসিয়াল পেইজ।
কার্যালয়: কাতার মার্কেট, ওলামা বাজার, চরচান্দিয়া, সোনাগাজী, ফেনী।
28/02/2026
ইরানের ওপরে মার্কিন-ইজরাইলী হামলা আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার ব্যর্থতার আরেকটি ঘৃণ্য দৃষ্টান্ত -ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ ইরানের ওপরে মার্কিন-ইজরাইলী যৌথ হামলার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়ে বলেছেন, মিথ্যা অজুহাত ও অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত এই হামলা আধুনিক বিশ্বব্যবস্থার ব্যর্থতার আরেকটি কলংকজনক দৃষ্টান্ত তৈরি করলো। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং অবিলম্বে ইরানের ওপরে হামলা বন্ধের আহবান জানাই।
আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার এক বিবৃতিতে দলের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহসহ বিশ্বের সকল শান্তিপ্রিয় দেশ ও জাতির প্রতি এই হামলার প্রতিবাদ জানানোর আহবান জানান। তিনি জাতিসংঘকে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ গ্রহনকরার আহবান জানান।
তিনি বিবৃতিতে ইরানের অর্ধশতাধিক শিশু শিক্ষার্থী নিহত হওয়ায় মার্কিন-ইজরাইলের প্রতি নিন্দা প্রস্তাব আনার জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানান।
অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ বাংলাদেশ সরকারের প্রতি এই অযৌক্তিক হামলার নিন্দা করার এবং যুদ্ধ বন্ধে প্রয়োজনীয় কুটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহন করার আহ্বান জানান।
বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
28/02/2026
পোষাকখাতে বকেয়া বেতন ও বোনাস নিয়ে উদ্বেগ কাটাতে হবে; কোন অজুহাতেই শ্রমিকদের ঈদ আনন্দ নষ্ট করা যাবে না
-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদে
Islami Andolan Bangladesh
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, ঈদ ঘনিয়ে আসলেই দেশের অর্থনীতির প্রাণভোমরা পোশাকখাতের হাড়ভাঙা পরিশ্রম করা শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিয়ে অস্থিরতা তৈরি হয়। দিন-রাত একাকার করে কাজ করা শ্রমিকদের বেতন-বোনাস নিয়ে নানা টালবাহানা তৈরি হয়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোড়ালো দাবী জানাচ্ছে যে, শ্রমিকদের পাওনা নিয়ে কোন ছলচাতুরী না করে সময়মতো তাদের বেতন ও বোনাস বুঝিয়ে দিতে হবে।
আজ ২৮ ফেব্রুয়ারি, শনিবার দেয়া এক বিবৃতিতে মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, পোষাকখাতে মালিকরা প্রত্যেকেই ধনকুবের বলে পরিচিত। শ্রমিকদের পরিশ্রমেই তারা সম্পদশালী হন। কিন্তু সেই শ্রমিকদের ঈদের বোনাস ও বেতন পরিশোধে তাদের মনোভাব সমর্থনযোগ্য না। ঈদ আসলেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস দেয়া নিয়ে তাদের সাথে রাষ্ট্রকে বসতে হয়। তারা নানা দাবী উত্থাপন করেন এবং অনেক ক্ষেত্রে সরকার বাধ্য হয়ে তাদের দাবী মেনেও নেন। এবারও নগদ প্রণোদনা চাইছে বিজিএমইএ। দেশের সবচেয়ে সুবিধাপ্রাপ্ত ও লাভজনক একটি খাতও শ্রমিকদের ঈদ আনন্দকে পুজি করে স্বার্থ আদায় করার এই প্রবণতা কোন শুভলক্ষণ না। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আগামী বিশ রোজার মধ্যে সকল শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস সম্পূর্ণ আদায় করে দেয়ার আহবান জানাচ্ছে।
বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
24/02/2026
ছয় সিটি কর্পোরেশনে দলীয় নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ করা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক
-গাজী আতাউর রহমান
Gazi Ataur Rahman
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলীয় মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সিটি কর্পোরেশনের মেয়ররা পালিয়ে গেলে সিটি কর্পোরেশনগুলো নেতৃত্বশূন্য হয়। আমরা তখন দাবী করেছিলাম যে, দ্রুত স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আয়োজন করা হোক। কিন্তু বিএনপির বিরোধিতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন করা যায় নাই। বরং সেখানে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছিলো। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে সিটি কর্পোরেশনগুলোতে দলীয় ব্যক্তিদের পুরস্কারস্বরুপ প্রশাসক পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এটা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক। এর মাধ্যমে দায়হীন ব্যক্তিদের কাছে দেশের সবচেয়ে বড় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে তুলে দেয়া হলো।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, যারা নির্বাচনের মাধ্যমে জিতে মেয়র হন তারা জনগনের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে জনপ্রশাসন থেকে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হলে তাদেরও প্রাতিষ্ঠানিক দায়বদ্ধতা থাকে। কিন্তু এখন যাদেরকে রাজনৈতিকভাবে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হলো তাদের দায়বদ্ধতা কার কাছে? কেবলই দলের কাছে? দলের প্রতি তাদের আনুগত্যের পুরুস্কার হিসেবে জনগণের প্রতিষ্ঠানকে কেন তাদের হাতে তুলে দেয়া হবে? আমরা জোড় দাবী করছি যে, ছয়টি সিটি কর্পোরেশনে যাদেরকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তা বাতিল করে দ্রুততার সাথে সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন আয়োজন করুন। স্থানীয় সরকারের সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানকে কোন দলের আনুগত্যের প্রাইজ পোস্ট হতে দেয়া যায় না।
09/02/2026
ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধ করা দুরভিসন্ধিমূলক, এই নির্দেশনা প্রত্যাহার করতেই হবে- পীর সাহেব চরমোনাই
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই ভোট কেন্দ্রের চারশত গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধের নির্দেশনার ব্যাপারে ক্ষোভ ও বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এই নির্দেশনা দুরভিসন্ধিমূলক। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অসৎ উদ্দেশ্য ছাড়া এর পেছনে আর কি কারণ থাকতে পারে তা আমরা বুঝতে পারি না। নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত আমাদের বিস্মিত করেছে। এই সিদ্ধান্ত অবশ্যই বাতিল করতে হবে।
আজ ৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, অপরাধ করার চিন্তা থাকলেই তথ্যের প্রবাহ বাধাগ্রস্থ করার অপচেষ্টা দেখা যায়। চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও আমরা তথ্যের প্রবাহ বাধাগ্রস্থ করার জন্য ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়েছিলো। তখন মানুষের হাতে মোবাইল থাকায় অপরাধের রেকর্ড রাখা সম্ভব হয়েছে। নির্বাচন কমিশন মোবাইল নিষিদ্ধ করে রেকর্ড রাখার রাস্তাও বন্ধ করতে চাইছে। কোন উদ্দেশ্যে এটা করা হচ্ছে তা জাতি জানতে চায়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর বলেন, ইসির এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আশংকা তৈরি হয়েছে এবং ইসির প্রতি অনাস্থার বীজ প্রস্ফুটিত হচ্ছে। আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন আয়োজনের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহবান করবো, অবিলম্বে এই নির্দেশনা বাতিল করুন। মানুষের মনে কোন সন্দেহ তৈরি করবেন না। একই সাথে আপনাদেরকে সতর্ক করে দিচ্ছি, ১২ তারিখ কোনধরণের কারসাজি করার সাহস করবেন না। জনতাকে স্বাধীনভাবে ভোট প্রদান করতে দিন। ভোটের ফলাফল যথাযথভাবে জাতির সামনে উপস্থাপন করুন। কোন ধরণের ছলচাতুরী বা কারসাজি করার অপচেষ্টা করলে চব্বিশের কথা মনে রাখার আহবান করবো।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বাংলাদেশের বহু মহিলা শরীয়াহ-র নির্দেশনা মান্য করে নেকাব করেন। ভোট কেন্দ্রে তাদের মুখ দেখানোর প্রয়োজন হলে অবশ্যই সেখানে নারী কর্মকর্তা রাখতে হবে। কোন পুরুষের সামনে পর্দানসীন নারীকে নেকাব খুলতে বাধ্য করা যাবে না।
বার্তা প্রেরক
শেখ ফজলুল করীম মারুফ
কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
Islami Andolan Bangladesh
ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কী চায়? আর লেভেল সর্বস্ব ইসলামিক ব্যাখ্যা ও পশ্চিমা স্কেচ দিয়ে ইসলাম, নারী, রাজনীতি, ইনসাফ ইত্যাদি সম্পর্কে দেওয়া তাসের ঘরের মতো ব্যাখ্যা যে ধোঁকার সেটা বুঝতে পারবেন।
শাহ ইফতেখার তারিক
Shah Iftekhar Tariq
সাংগঠনিক সম্পাদক,
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
08/02/2026
চরচান্দিয়া ৪ নং ওয়ার্ড মিয়াজি সড়কের ঘরে ঘরে ইসলামের পক্ষে হাতপাখা'র দাওয়াত চলছে
07/02/2026
ভোলা-১ এ ভেলুমিয়া ৩নং ওয়ার্ডে জামায়াতের সন্ত্রাসী কর্তৃক হাতপাখার নেতাকর্মী ও তাদের পরিবারের উপর নৃশংস হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে -অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান আজ ৭ ফেব্রুয়ারি, শনিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ভোলা-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মীদের ঔদ্ধত্য ধৈর্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনী পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তুলছে। আজকেও আমাদের কর্মীদের ওপরে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে এবং প্রশাসনের প্রতি আহবান করছে যেন, অবিলম্বে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হয়। কারণ এই ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড উৎসবমূখর নির্বাচনের পরিবেশকে কলুষিত করবে।
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে বলেন, ঘটনার সূত্রপাত দুইদিন আগে নির্বাচনী উঠান বৈঠক থেকে শুরু হয়েছে। হাতপাখার উঠান বৈঠকে নির্বাচনী প্রচারণা চলাকালে কিছু সত্য কথা জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে গেলে তারা সেখানে বাঁধা দেয়। যা হাতপাখার নেতাকর্মীরা সহনশীলতা প্রদর্শন করে সমাধান করেন। তবে স্থানীয় জামায়াত থেকে অনবরত হামলার হুমকি আসতে থাকে। বলা হয়, ‘১২তারিখের পর সবাইকে দেখে নেওয়া হবে!’
এমতবস্থায় আজ ৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে স্থানীয় বাজারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে স্থানীয় জামায়াত রোকনের নেতৃত্বে জামায়াতের কিছু নেতাকর্মী জড়ো হয়ে পীর সাহেব চরমোনাই ও হাতপাখার নামে নোংরা ও মিথ্যারোপ করতে শুরু করে। যা ইউনিয়ন যুব আন্দোলনের সভাপতি শফিকুল ইসলামের দৃষ্টিগোচর হলে তিনি বাঁধা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তারা আরো নেতাকর্মী জড়ো করে যুব আন্দোলনের সভাপতির বাড়িতে ধারালো অস্ত্রসহ হামলা চালায়। এসময়ে তার ছেলে ও ১০ বছরের মেয়েকে কোদালের আঘাত দিয়ে হাত ভেঙে ফেলাসহ আহত করা হয়। মেয়ের আর্তচিৎকারে উক্ত নেতার স্ত্রী বের হয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি হামলা করা হয়। এ সংবাদ শফিকুল ইসলামের কাছে পৌঁছলে তিনি পাশের ক্ষেতে কাজ করা রেখে দৌড়ে ছুটে আসেন এবং তিনিও হামলায় রক্তাক্ত হোন। পরবর্তীতে স্থানীয় মানুষরা ছুটে আসলে জামায়াত নেতারা উক্ত স্থান ত্যাগ করে।
অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, এই ধরণের হামলা যারা করছে তারা দেশের শান্তি ও শৃংখলার জন্য হুমকি। তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
3930
