Feni Town
Feni is a district located in the South-Eastern part of Bangladesh Administrative division of Chittagong .
পৃথিবীর ৫৭ টা মুসলিম দেশের মধ্যে মাত্র ২৬ টি দেশের সরকারি ভাষা হচ্ছে আরবী।বাকি ৩১ টি মুসলিম রাষ্ট্রের মানুষ হয়তো জান্নাতে যেতে চায় না, তাই তাদের রাষ্ট্রভাষাও আরবী নয়।একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন , আরবী ভাষা হচ্ছে ইহুদীদের হিব্রু ভাষার উল্টো রূপ।এই দুটো ভাষাই প্রোটো - সেমিটিক।আরবীতে আপনি সালাম বলেন, ইহুদীরা শালোম বলে , যার উভয়ের অর্থ শান্তি। সালাম শুধু আপনি দেন না, ইহুদীরাও দেয়। টুপি শুধু মুসলমানরা পরে না ," খ্রিষ্টান , ইহুদি , শিখ ও নেপালীরাও টুপি পরে।বোরকা শুধু মুসলমানদের পোশাক নয় , এটা ইহুদীদের হেরেদী সম্প্রদায়েরও ধর্মীয় পোশাক।পর্দা প্রথা শুধু মুসলমানদের মধ্যে নয় , খ্রিস্টান ও হিন্দুদের মধ্যও প্রচলিত আছে।এই পর্দা প্রথা এসেছে আজ থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর পূর্বে মেসোপটেমিয়ার মূর্তিপূজারীদের কাছ থেকে।
বাংলাদেশের একশ্রেণীর আহম্মকদের ধারণা হচ্ছে , ' আরবী ভাষাকে জান্নাতের ভাষা প্রচার করে মাতৃভাষা বাংলার কবর দিয়ে দিলেই তারা জান্নাতে চলে যাবে! এজন্য তারা সন্তানের নাম বাংলা বাদ দিয়ে আরবীতে রাখা শুরু করে দিয়েছে।ব্যাবিলন থেকে আসা খ্রিস্টান আমালিয়ার জায়ান্টরাই সর্বপ্রথম আরবীতে কথা বলতেন। পৃথিবীতে তখনও মুসলমানদের আবির্ভাব হয়নি।অ্যাসিরীয় - ব্যাবিলনীয় ও ইথিওপিয়ার ভাষার সঙ্গেও আরবী ভাষার মিল পাওয়া যায়।আরবী ভাষায় কথা বললেই জান্নাত পাওয়া যাবে এমন দিবা স্বপ্নে মশগুল একদল আহম্মক।
যদি আরবীতে কথা বললেই জান্নাত পাওয়া যেতো তবে তুরস্কের মুসলমানরা তুর্কি ভাষায় তাদের সন্তানদের নাম রাখতো না। ইরানের মত মুসলিম রাষ্ট্র আরবী ছেড়ে ফার্সিতে কথা বলতো না।আরবী ভাষায় কথা বললেই , লিখলেই জান্নাত জেনেও পাকিস্তানিরা উর্দু ভাষা ব্যবহার করে আল্লাহর সাথে নাফরমানি করছে।কুর্দি মুসলমানরা কুর্দিতে কথা বলে আরবীর অপমান করছে। ভারতের মুসলমানরা জান্নাতের স্বপ্ন বাদ দিয়ে তবে কেন হিন্দীতে কথা বলছে? মালয়েশিয়ায় মুসলমানরা মালয় ভাষায় কেন তাদের সন্তানদের নাম রাখছে? শুধু বাংলায় সন্তানের নাম রাখলেই মুসলমান হিন্দু হয়ে যাবে! বাংলাতে কথা বললে মানুষের বেহেশত নাই হয়ে যাবে!
পৃথিবীর ৮০০ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র ৩৩ কোটি ২৫ লাখ মানুষ আরবীতে কথা বলেন।এমনকি পাকিস্তানের পশতুন প্রদেশের মানুষ এখনও পশতু ভাষা ও বেলুচিস্তানের মানুষ বেলুচ ভাষায় কথা বলে। পৃথিবীর প্রায় ৩০ কোটি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে, যার মধ্যে ২৪ কোটি ২০ লাখ মানুষের মাতৃভাষা হচ্ছে বাংলা।বাংলা ভাষার প্রতি পাকিস্তান পন্থী একদল আহম্মকের এত ঘৃণা ও আক্রোশ কেন? কেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আরবী ভাষায় পাঠদান করতে হবে? নিজের মাতৃভাষার কবর দিয়ে সন্তানের নাম কেন আরবীতে রাখতে হবে? এসব ভণ্ডামি এখনি বন্ধ হওয়া উচিত।
বাংলাদেশের একশ্রেণীর মানুষের মগজ হচ্ছে ছাগু মগজ।রাতভর পর্ন মুভি দেখে ভোর বেলা ফজরের নামাজ পড়ে জান্নাতের স্বপ্ন দেখে।ব্যাবসায়ীরা অন্যকে হালাল ও হারামের ব্যাখা দিয়ে ঠকিয়ে জান্নাতে যেতে চায়।কেউ চারটা বিয়ে করে জান্নাতের স্বপ্ন দেখে।একদল ওয়াজের নামে ধান্দাবাজি করে গরীবের পকেট কেটে নিজেদের পকেট ভরে জান্নাতে যেতে চায়।আরেকদল জামায়াতে ইসলামী ভণ্ডামির রাজনীতির নামে প্রকাশ্য জান্নাতের চাবি বিক্রি করছে।এরা গান শুনবে , নাচবে , রাতভর ইউটিউব ও ফেসবুকে নগ্ন নৃত্য দেখে সারাদিন জান্নাতের গালগল্প প্রচার করবে।গান বাজনা হারাম প্রচার করে ২,৮৬,০০০ মার্কিন ডলার তথা প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা খরচ করে লুঙ্গি ড্যান্স দিয়েছে।এই শয়তানদের দল আরবী ও উর্দুতে কথা বলে মানুষকে জান্নাতের স্বপ্ন দেখাতে ধর্মের নামে বিনা পুঁজির ধর্ম ব্যবসার দোকান খুলে বসেছে।
পৃথিবীতে খ্রিস্টান ধর্ম আসার সাথে সাথে আরবী ভাষার উৎপত্তি হয়।আরবী ভাষার উৎপত্তি হচ্ছে আজ থেকে প্রায় দুই হাজার বছর আগে তথা ইসলাম পৃথিবীতে আগমনের প্রায় পাঁচশো বছর আগে আরব ও আফ্রিকার একটা অংশের মানুষ আরবীতে কথা বলতো।মক্কার সাথে বাণিজ্যর সুত্র ধরেই আরবি ভাষা ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে।আরবী ভাষা কখনোই মুসলমানদের জন্মগত ভাষা ছিলো না।যিশু খ্রিস্টের জন্মের দুই বছর আগেও আরবী ভাষার নিদর্শন পাওয়া গেছে। ইহুদিদের হিব্রু ভাষার সাথেও আরবী ভাষার অনেক মিল। মুসলমানদের মত ইহুদীরাও বছরে দুটো ঈদ পালন করে। ইহুদীদের দুটো ঈদের নাম হলো পাসওভার ও ইয়েম কিপুর । ইহুদি , খ্রিস্টান ও হিন্দুরাও রোযা এবং উপবাস রাখে।একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন হিন্দু ও উর্দু ভাষার যেমন মিল দেখা যায় , হিব্রু ও আরবী ভাষাও অনেকটা তাই। পৃথিবীতে এমন প্রায় সাত হাজরের অধিক ভাষা আছে।তাহলে প্রায় পাঁচ হাজারের বেশি পুরনো বাংলা ভাষাকে হত্যা করতে মৌলবাদীদের এত আয়োজন কেন?
- লুসীড ড্রীম
19/03/2025
জুলাইয়ের ছবি। বৃষ্টিতে ভিজে স্লোগান দিচ্ছে আমাদের মেয়েরা। সেই সময়ে "হুজুর", "শাহবাগী" সবাই ই ছবিটা শেয়ার দিয়েছিলেন।
তখন কেন আপনারা বলেন নাই "ওড়না কই? হিজাব - নেকাব কই - গায়ের জামা এভাবে ভিজে সেটে গেছে, পর্দা করেনা কেন?"
কারণ তখন মেয়েদেরকে দরকার ছিলো, আন্দোলনে মেয়েদের অংশীদারত্বে লাভবান হচ্ছিলেন, তাই চুপ ছিলেন। তখন কেন বলেন নাই, আন্দোলন এ সংখ্যালঘুরা কেন? হিন্দুরা কেন? অথচ ,আজ হিজবুত তাহরির, আনসার আল ইসলাম দেশে খিলাফত কায়েমের জন্য উন্মুক্ত কর্মসূচি পালন করছে, পাহাড়ি আদিবাসী এথনিক মাইনোরিটিদের ঢাকার রাস্তায় পেটাচ্ছেন।
আজকে আন্দোলন শেষ। দরকার শেষ। উগ্র মৌলবাদী, চিহ্নিত জ ঙ্গি রা জেল হতে মুক্ত হয়ে জনগণের সাথে মিশে গেছে, তারা তাদের মৌলবাদী শাসন কায়েমের জন্য সরকারকে ব্যাবহার করছে, চাপ দিচ্ছে, নারী, সেক্যুলার এক্টিভিস্ট , ভিন্নমতাবলম্বী , সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে । নারী ফুটবলারদের ফুটবল ম্যাচ এর অনুষ্ঠানে হামলা করছে, ম্যাচ বাতিল করতে হচ্ছে, প্রাচীন বাঙালি ঐতিহ্য গ্রামীন মেলাগুলোকে হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি আখ্যায়িত করে সেগুলো আয়োজনে বাধা দিচ্ছে।
এখানে বলা প্রত্যেকটি ঘটনা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় এসেছে। অথচ এর বাইরে কত শত ঘটনা আড়ালে থাকছে সেটাও অকল্পনীয়।
19/03/2025
৫ই আগষ্ট নিয়ে আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের দেওয়া প্রতিবেদনের গুরত্ত্বও এর মধ্য দিয়ে শেষ হলো।
19/03/2025
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর গ্রামীণ ব্যাংকের অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রকাশ পেতে শুরু করলে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস হিলারি ক্লিনটনের সহায়তা চান। ১৭ সেপ্টেম্বর এক ইমেইলে ড. ইউনূস হিলারিকে অনুরোধ করেন শেখ হাসিনার “মন থেকে তার সম্পর্কে সব ভয়ঙ্কর চিন্তাগুলো দূর করার” এবং শান্তি স্থাপনকারীর ভূমিকা নেওয়ার জন্য।
২০১১ সালের ৯ জানুয়ারি, ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস স্টেট ডিপার্টমেন্টকে একটি ইমেইল পাঠায়, যেখানে জানানো হয় যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি কূটনীতিকদের সাথে বৈঠক করেছেন এবং নরওয়েজিয়ান টেলিভিশন ডকুমেন্টারিতে প্রকাশিত অভিযোগগুলোর তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠনের পরিকল্পনা সম্পর্কে তাদের অবহিত করেছেন।
২০১১ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি, গ্রামীণ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্স কাউন্টস হিলারির চিফ-অফ-স্টাফ মেলান ভারভিয়ারের সঙ্গে নিউ ইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করেন, যেখানে বাংলাদেশের সরকার ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিল।
২০১১ সালের ৫ মে, ড. ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে থাকার শেষ আইনি লড়াইয়ে পরাজিত হলে হিলারি ক্লিনটন তার হতাশা প্রকাশ করেন। মার্কিন দূতাবাস ও স্টেট ডিপার্টমেন্ট এ ঘটনাগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছিল।
২০১২ সালের ৬ জানুয়ারি, বাংলাদেশের মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মোজেনা স্টেট ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে হিলারিকে একটি ইমেইল পাঠান, যাতে জানানো হয় যে মেলান ভারভিয়ার ঢাকা সফর করেছেন।
২০১২ সালের ৮ মে, স্টেট ডিপার্টমেন্ট কর্মকর্তারা এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী এ এম এ মুহিত হিলারির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন, যেখানে হিলারি আশা প্রকাশ করেছিলেন যে সরকার গ্রামীণ ব্যাংকে হস্তক্ষেপ করবে না। মুহিত বলেন, সরকার কখনো ব্যাংকের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করেনি এবং ড. ইউনূসের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
২০১২ সালের ২৭ জুন, হিলারির প্রভাবে মার্কিন সিনেটর বারবারা বক্সারসহ মার্কিন সিনেটের নারীরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি লিখে অনুরোধ করেন যাতে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ স্বাধীনভাবে ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ করতে পারে।
২০১২ সালের আগস্টের শুরুতে, গ্রামীণ আমেরিকা ও গ্রামীণ রিসার্চের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ভিডার জর্গেনসেন হিলারির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন যে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূসের স্বাধীনতার জন্য মার্কিন সরকারের অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞ।
২০১২ সালের ২ আগস্ট, গ্রামীণ ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট অ্যালেক্স কাউন্টস এক ইমেইলে লেখেন যে বাংলাদেশের সরকারের পদক্ষেপগুলো “একটি পরিকল্পিত প্রতিহিংসার” ইঙ্গিত দেয়, যা ইউনূসকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে করা হয়েছে।
একই সময়ে, মেলান ভারভিয়ার জিন লুডউইগের সহায়তা চান, যিনি মার্কিন আর্থিক প্রযুক্তি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা এবং গ্রামীণ ব্যাংকের পক্ষে সহায়তা প্রদানে আগ্রহী ছিলেন।
২০১২ সালের ৪ আগস্ট, জিন লুডউইগ ইমেইলে জানান যে তিনি ইউনূসকে সহায়তা করতে একটি ফাউন্ডেশন তৈরি করেছেন, আইনজীবী নিয়োগ করেছেন এবং আইনি পরামর্শ প্রস্তুত করছেন।
হিলারি এতে সন্তুষ্ট হয়ে মেলানকে জানান, “জিনকে বলো, আমি তার প্রচেষ্টার জন্য কৃতজ্ঞ।”
একই দিনে, জিন তার ঘনিষ্ঠদের কাছে ইমেইল পাঠিয়ে জানান যে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস গুরুতর হুমকির মুখে।
এদিকে, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট “ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে” একটি মতামত প্রবন্ধ খসড়া করে, যাতে গ্রামীণ ব্যাংককে স্বাধীন রাখার আহ্বান জানানো হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানায়, বাংলাদেশের সরকার ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত পরিচালনার সময় তিনি তিনবার হিলারির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
সম্প্রতি, মার্কিন ডানপন্থী সংবাদমাধ্যম The Daily Caller একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে দাবি করা হয় যে হিলারি ক্লিনটনের নেতৃত্বাধীন মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা এবং শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে হুমকি দিয়েছিল যাতে তিনি ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারা জয়কে বারবার বলেছিলেন যে তার মাকে ইউনূসের বিরুদ্ধে তদন্ত বন্ধ করতে বলুন, নইলে তার আর্থিক লেনদেন IRS (Internal Revenue Service) দ্বারা তদন্তের মুখে পড়তে পারে।
জয় বলেন, ২০১০ ও ২০১২ সালে মার্কিন কর্মকর্তারা তাকে বারবার চাপ দিয়েছিলেন। তিনি একে “অভূতপূর্ব ও অবিশ্বাস্য” বলে মন্তব্য করেন।
২০১৭ সালে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বলেন যে হিলারি ক্লিনটন তাকে একাধিকবার ফোন করেছিলেন একই দাবিতে।
একই সময়ে, ২০১২ সালে, বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুর জন্য ১.২ বিলিয়ন ডলারের ঋণ বাতিল করে।
২০১৭ সালে, মার্কিন সিনেট কমিটি অন দ্য জুডিশিয়ারি একটি তদন্ত শুরু করে, যেখানে খতিয়ে দেখা হয় যে হিলারি ক্লিনটন কি তার রাজনৈতিক পদ ব্যবহার করে বাংলাদেশের একটি সার্বভৌম তদন্তে হস্তক্ষেপ করেছিলেন কিনা।
কমিটির চেয়ারম্যান সিনেটর চাক গ্রাসলি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনকে একটি চিঠি লেখেন, যাতে তিনি স্টেট ডিপার্টমেন্টের উপ-প্রধান জন ড্যানিলোভিচকে সাক্ষাৎকারের জন্য উপস্থিত করতে বলেন।
চিঠিতে গ্রাসলি উল্লেখ করেন যে ইমেইলগুলোতে দেখা গেছে, হিলারি ক্লিনটন এবং তার স্টাফরা গ্রামীণ ব্যাংকের তদন্ত নিয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করছিলেন এবং ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত শেখ হাসিনার সাথে বৈঠক করে তদন্ত বন্ধ করতে চাপ দিয়েছিলেন।
সজীব ওয়াজেদ জানান, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারা তাকে বলেন যে তারা শুধু “উপরমহল” থেকে আসা নির্দেশনা পালন করছেন এবং তারা দুঃখিত।
হিলারি ক্লিনটনের প্রচেষ্টা তখনও থামেনি। ২৯ আগস্ট ২০২৩, তিনি ইউনূসের পক্ষে বিশ্বব্যাপী সমর্থন চেয়ে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেন, যেখানে ১৭৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি, যার মধ্যে ১০৫ জন নোবেল বিজয়ী ছিলেন, ইউনূসের বিচারকে “নিপীড়ন” বলে আখ্যা দেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the business
Telephone
Website
Address
Feni
3900
