05/06/2026
পর্যটন একটি বহুমুখী ও দ্রুত পরিবর্তনশীল একক বৃহত্তম শিল্প। #শিক্ষায় পর্যটন, #স্বাস্থ্যে পর্যটন, #অর্থনীতিতে পর্যটন, #দারিদ্র্য বিমোচনে পর্যটন, #বাণিজ্যে পর্যটন, #সংস্কৃতিতে পর্যটন, #পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণে পর্যটন, #খাদ্যে পর্যটন, #বিনোদনে পর্যটন, #ঐতিহ্যে পর্যটন, #প্রত্নতত্ত্বে পর্যটন, #ধর্মে পর্যটন ইত্যাদি নানা ধরণের পর্যটন উদ্ভাবিত হয়েছে যার প্রভাব মানুষের জীবনে প্রবল। আজকের পৃথিবীতে পর্যটন শুধু বিশ্রাম ও বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না। বরং এর রূপমাধুর্য ও জৌলুস এমন এক জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে যে বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, পৃথিবীর পুঞ্জিভূত সংকট মোকাবেলায় আগামী দিনে আমাদেরকে পর্যটনের কাছে আশ্রয় নিতে হবে।
ল্যাটিন শব্দ Tornare এবং গ্রীক শব্দ Tornos থেকে Tour শব্দের উৎপত্তি ও ১৮ শতকের শেষের দিকে ইংরেজি সাহিত্যে Tourist শব্দটি প্রথম ব্যবহার করা হয়। ১৯৪৯ সালে জাতিসংঘ বিশ্ব ism (activities) যুক্ত করে Tourism বা পর্যটন শব্দটি রূপলাভ করেছে।
অক্সফোর্ড অভিধান সংস্থা (UNWTO) প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে 'পর্যটন' শব্দটি ব্যবহার করে। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ বিশ্ব পর্যটন সংস্থা পর্যটনের একটি কারিগরি সংজ্ঞা প্রদান করে। তাদের সংজ্ঞা অনুযায়ী, মানুষের কতিপয় কর্মকাণ্ড যা তারা নিজ বাসস্থান বা কর্মক্ষেত্রের বাইরে গিয়ে বিশ্রাম, বিনোদন, ব্যবসা বা অন্য কোনো কাজ সম্পাদন করার জন্য অন্যূন ২৪ ঘন্টা এবং অনধিক ৩৬৫ দিন অবস্থান করে। উল্লেখ্য, চাকরির জন্য গেলে বিবেচিত হবে না।
অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে পর্যটনকে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, এটি পৃথিবীর ৩য় বৃহত্তম অর্থনৈতিক খাত। জাতিসঙ্ঘ বিশ্ব পর্যটন সংস্থার মতে, ২০১৭ সালে বিশ্ব জিডিপির প্রায় ১০% আসে পর্যটন থেকে, পর্যটন ১টি কাজ সৃষ্টি করে প্রতি ১০টি কাজের মধ্যে এবং মোট রপ্তানির ৭% রপ্তানি সংঘটিত হয় পর্যটন দ্বারা। তারা আরও বলছে, ২০৩০ সালে বিশ্বে মোট পর্যটকদের সংখ্যা দাঁড়াবে ২.৮ বিলিয়নে। এ থেকে সহজেই অনুমিত হয় যে, আগামীতে পর্যটনের অবয়ব কতটা বড় হবে এবং কর্মকাণ্ড কতটা বিস্তৃত হবে।
পর্যটনকে বলা হয় পৃথিবীর প্রথম শান্তির শিল্প এবং প্রত্যেক পর্যটকই একজন সম্ভাব্য শান্তির দূত। এই সত্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য D'Amore 'পর্যটনের মাধ্যমে শান্তি' বিষয়টিকে বিশ্বব্যাপী গত ৩ দশক ধরে প্রচার করে চলেছেন। ফলে পর্যটনের মাধ্যমে শান্তি স্থাপন এখন স্বীকৃত সত্যে পরিণত হয়েছে। পর্যটন সমাজে ও জাতিতে জাতিতে শান্তি আনয়ন করে।
04/06/2026
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি এই দায়িত্বে এক বছর থাকবেন।
04/06/2026
নেতানিয়াহু তাঁর বৃহত্তর পরিকল্পনার কিছু অংশ প্রকাশ্যেও বলেছেন। ইরান আমেরিকা ইসরাইল যুদ্ধ শুরুর কয়েক দিন আগে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, তিনি মধ্যপ্রাচ্যকে ঘিরে বা তার ভেতরে একটি ‘ষড়ভুজ জোট’ তৈরি করতে চান, যেখানে থাকবে ভারত, আরব দেশগুলো, আফ্রিকার দেশগুলো, ভূমধ্যসাগরীয় দেশ (যেমন গ্রিস ও সাইপ্রাস) এবং জোটের কেন্দ্রবিন্দু হবে ইসরায়েল।
ইসরায়েল শুধু আঞ্চলিক শক্তিই গঠন করবে না, বরং সীমান্তের সকল কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করবে। তাদের পুরো অঞ্চলকে নিয়ন্ত্রণকারী আঞ্চলিক ব্যবস্থা গড়ে তুলবে এবং এই স্বার্থই প্রধান হবে।
সাম্প্রতিক বক্তৃতায় নেতানিয়াহু ‘আঞ্চলিক পরাশক্তি' নয়, বিশ্বশক্তি বলেও উল্লেখ করেছেন নিজেদের। তিনি চান, যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি জোটকে ব্যবহার করে শিয়া অক্ষ’, সুন্নি অক্ষ এবং ‘উদীয়মান শক্তির বিরুদ্ধে জয়লাভ করতে।
এবং এই কাজগুলো করতে ভারত সর্বাজ্ঞে সহযোগিতা করবে কারণ ভারতকে কিছুটা স্বার্থ দেবে যতক্ষণ না এশিয়া মহাদেশের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে না পারে।
03/06/2026
শুভেন্দু অধিকারীর ডিটেক্ট ডিলিট ডিপোর্ট বাংলাদেশও অব্যাহত রাখুক।হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা!
03/06/2026
ঘুষ দিয়ে সুদের চাকরি নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছে "আলহামদুলিল্লাহ"
03/06/2026
তোফায়েল আহমেদ সোয়িল সাইন্সে রেয়ার থার্ড ক্লাসে বিএসসি এমএসসি পাস করেছিলেন!কোন স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ানোর যোগ্যতা ছিল না এই ডিগ্রি দিয়ে। উনি সেটি করেনও নাই কিন্তু তবুও উনি ধানমন্ডিতে কিভাবে বাড়ি করলেন,গাড়ি করলেন, নামিদামি ব্র্যান্ডের স্যুট পায়জামা ঘড়ি টাই পড়লেন প্রশ্ন করে জানতে পারেন??
এদেশের নষ্ট কথিত বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদরা কিভাবে অর্থ উপার্জন করে আমাকে একটু বুঝিয়ে বলুন আপনারা।
মরহুম শেখ মুজিবের বাবাও ছিলেন একজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী। উনার ছেলে শেখ মুজিবও কিভাবে এরকম হাজার হাজার কোটি টাকার জন্ম দিলেন এবং ছেলে মেয়েকে বিদেশে পড়ালেন একটু প্রশ্ন করে জানাতে পারেন, বুঝিয়ে দিতে পারেন আমাকে।
১৯৯৬ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনার ইনকাম সোর্স নিয়ে একটু ভাবুন, কিভাবে ওই সময়ে হাজার হাজার কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছিলেন তারা!!
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমচা সিঙ্গারা খেয়ে এরা(শেখ মুজিব শেখ হাসিনা তোফায়েল আহমেদ ও অন্যান্যরা) কিভাবে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক বনে গেলেন বাড়ি গাড়ি নারী সব কিছু অর্জন করলেন সেটাও আমাকে একটু কেউ বুঝিয়ে দিন।
বিপ্লবকে হারানো হয়েছে এবং হারানো হচ্ছে নানা গুজবে মিথ্যায় অপতথ্যে আর আমলাতান্ত্রিক কূটকৌশলে, শুধুমাত্র পুরোনো আমলাতান্ত্রিক সিস্টেমকে কন্টিনিউয়েশনে রাখার জন্য।
এটা একটি রাজনৈতিক পোস্ট বলতে পারেন কিন্তু এর অন্তর্নিহিত তথ্য আপনাকে ভাবিয়ে তুলবে যদি আপনার সত্যিকারের বিবেকটা ভিতরে থেকে থাকে।