11/02/2026
আমার প্রিয় 🇧🇩দেশবাসী..
ব্যালট বক্সে কেউ অন্যায় ভাবে হাত দিতে গেলে
আমার এবং আমার সহযোদ্ধাদের লাশের উপর দিয়ে যেতে হবে, ইনশাআল্লাহ।
১২ তারিখ আপনার জীবনে বার বার আসবে না
সারা বাংলাদেশ আজ জেগে উঠেছে,
ন্যায়-ইনসাফের পক্ষের লড়াই শুরু হয়ে গেছে।
মৃত্যুই যদি হয় চুড়ান্ত ভবিষ্যত, তাহলে কিসের এতো ভয়?
বিবেককে প্রশ্ন করুন, জেগে উঠুন, যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচন করুন।
ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সোচ্চার হোন 🇧🇩❤️
28/01/2026
দীর্ঘদিন ICU-তে থাকার পর মারা গেল নবম পে-স্কেল।🤣
21/01/2026
নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পেশ
ঢাকা, ২১ জানুয়ারি ২০২৬: নবম জাতীয় বেতন কমিশন নির্ধারিত সময়ের তিন সপ্তাহ আগেই আজ বুধবার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের প্রতিবেদন পেশ করেছে। ২৩ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন কমিশন প্রধান জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করে।
এ সময় অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী, অর্থ সচিব খায়রুজ্জামান মজুমদারসহ কমিশনের সকল পূর্ণকালীন ও খণ্ডকালীন সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৭ জুলাই ২০২৫ তারিখে সরকার ২৩ সদস্যবিশিষ্ট নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে এবং ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা নির্ধারণ করে। ২০১৩ সালে অষ্টম বেতন কমিশন গঠনের পর দীর্ঘ ১২ বছর পর এই কমিশন গঠিত হয়। কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলের নির্ধারিত শেষ তারিখ ছিল ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
কমিশন তাদের জন্য নির্ধারিত বাজেটের মাত্র ১৮ শতাংশ ব্যয়ে প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।
প্রধান উপদেষ্টা প্রতিবেদন গ্রহণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং কমিশনের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। এ সময় তিনি বলেন, 'এটি একটি মস্ত বড় কাজ। মানুষ বহুদিন ধরে এর জন্য অপেক্ষা করছে। আউটলাইন দেখে বুঝলাম, এটি খুবই সৃজনশীল কাজ হয়েছে।'
এ সময় কমিশনপ্রধান বলেন, গত এক দশকে বৈশ্বিক ও জাতীয় পর্যায়ে অর্থনীতির প্রায় সকল সূচকে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। সময়োপযোগী ও যথাযথ বেতন কাঠামো নির্ধারণ না হওয়ায় সরকারি কর্মচারীদের জন্য জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সুস্পষ্ট কার্যপরিধি (Terms of Reference) নির্ধারণপূর্বক বিদ্যমান বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে কমিশন কাজ করে।
নির্ধারিত কার্যপরিধি অনুসরণ করে সময়োপযোগী ও বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কমিশন বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে অনলাইন ও অফলাইনে ১৮৪টি সভা করে এবং ২৫৫২ জনের মতামত ও প্রস্তাব গ্রহণ করে। পাশাপাশি বিভিন্ন সমিতি ও অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা সভার আয়োজন করে ব্যাপক মতবিনিময় করা হয়।
কমিশনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আর্থিক সংস্থান নির্ধারণ এবং এর বাস্তবায়নযোগ্যতা পর্যালোচনা করা।
প্রতিবেদন দাখিলকালে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এই প্রস্তাব বাস্তবায়নই এখন পরবর্তী কাজ। এ লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হবে, যে কমিটি বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে কাজ করবে।
কমিশন সরকারি কর্মচারীদের জন্য ২০টি স্কেলে বেতন সুপারিশ করে। সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে এবং সর্বোচ্চ বেতন স্কেল ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
কমিশনপ্রধান জানান, প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। বর্তমানে ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী এবং ৯ লাখ পেনশনভোগীর জন্য সরকারের ব্যয় হচ্ছে এক লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা।
কমিশনের প্রতিবেদনে নতুন নতুন প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে— সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা প্রবর্তন, পেনশন ব্যবস্থার সংস্কার, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড পুনর্গঠন, সার্ভিস কমিশন গঠন, বেতন গ্রেড ও স্কেলের যৌক্তিক পুনর্বিন্যাস, সরকারি দপ্তরসমূহে ভাতাসমূহ পর্যালোচনার জন্য কমিটি গঠন এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে মানবসম্পদ উন্নয়ন।
প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে, কোনো কর্মচারীর প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে, বেতন কমিশন সংশ্লিষ্ট মাসিক ২,০০০ (দুই হাজার) টাকা ভাতা প্রদানের সুপারিশ করেছে, শর্ত থাকে যে, সকল ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ দু’জন সন্তান এই সুবিধা পাবে।
এতে আরও বলা হয়েছে, টিফিন ভাতার বর্তমানে প্রচলিত বিধানাবলি অব্যাহত থাকলে, তবে কমিশন ভাতার হার বৃদ্ধির সুপারিশ করেছে। ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বর্তমানে প্রচলিত মাসিক টিফিন ভাতা ২০০ টাকার স্থলে ১,০০০ (এক হাজার) টাকা করা যেতে পারে।
11/01/2026
সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম কে স্বেচ্ছায় বিদায় দিয়ে দিলাম।
( ৮ জুলাই ২০১২ থেকে ১৭ নভম্বর ২০২৫)
কখনো ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় কোন ছবিই আমি আপলোড করিনি। অনেকেই হয়তো বুঝতেও পারেনি যে, আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন সদস্য ছিলাম। কিন্তু শেষবারের মতো আজকে ইউনিফর্ম পরিহিত ছবি শেয়ার করতে ইচ্ছে করলো, পরে নাহয় আরো কিছু জানাবো।
আসলে সেনাবাহিনীর ডিসিপ্লিন মেইনটেইন এর জন্যই এখনো সবার কাছে সেনাবাহিনী সুশৃঙ্খল ও সম্মানিত এবং যেকোন ধরনের কঠিন পরিস্থিতি সহজেই মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়ে থাকে। সেনাবাহিনী বাংলাদেশের গৌরব, অহংকার।
প্রতিমাসে পকেট ভর্তি বেতন, বস্তা ভর্তি রেশন, ফ্রি চিকিৎসা, আরো অনেক অনেক সুযোগ সুবিধা পেয়েও কেনো জবটা স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিলাম সেটাই ভাবছেনতো?
কারন আমি ডিসিপ্লিন জিনিসটাই বুঝিনা..!
আমি বড্ড বেমানান, বড্ড উন্মাদ...!
আমার ব্যাক্তি স্বাধীনতাকে উপভোগ করতে অনেক ইচ্ছে করে..!
প্রতিদিন একপ্লেট চিকন চালের নরম ভাত খেতে ইচ্ছে করে..!
পকেটভর্তি বেতন নয়, পরিবার চালানো ও ভবিষ্যৎ সঞ্চয়ের জন্য যতটুকু লাগে সে পরিমান টাকা উপার্জন করতে ইচ্ছে করে...!
পরিবার, সমাজ, গ্রামের বা আত্নীয় কেউ মারা গেলে তাদের শেষ জানাযায় যেতে ইচ্ছে করে...!
পরিবারের কেউ দেখা করতে আসলে তাদের সুন্দর সাবলীল একটা গেস্টরুমে রাখতে ইচ্ছে করে....!
পারিবারিক বড় কোনো সম্মিলিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে ইচ্ছে করে...!
ছোটবেলার বন্ধুদের আয়োজিত ইভেন্টগুলোতে যেতে ইচ্ছে করে....!
প্রতিরাতে পরিবারের প্রিয়জনদের বুকে আগলে রেখে নরম বিছানার ঘুমোতে ইচ্ছে করে...!
মনে চাইলেই পরিবার নিয়ে দূরে কোথাও ঘুরতে যেতে ইচ্ছে করে...!
চরম ভেদাভেদ বিহীন জীবন যাপন করতে ইচ্ছে করে...!
অন্যের অধীনে থেকে কটুকথা না শুনে নিজের মতো করে কাজ করতে ইচ্ছে করে...!
নিজে যে কাজটা খুব পছন্দ করি সেটা নিয়েই ভাল কিছু করতে ইচ্ছে করে.....!
আরো ১০ টা ছেলের উপার্জনের পথ তৈরী করতে ইচ্ছে করে....!
ধরাবাধা সময়ের বাইরে গিয়ে কিছু করতে ইচ্ছে করে....!
নিজের যোগ্যতার প্রাপ্য সম্মান পেতে খুবই ইচ্ছে করে...!
দেশের দর্শনীয় জায়গাগুলো ঘুরে বেড়াতে ইচ্ছে করে....!
এমন অনেক ইচ্ছে আছে যেগুলো শুনলে আপনাদের কাছে পাগলামী ছাড়া আর কিছুই মনে হবে না।
কিন্তু আমি নিজের ইচ্ছেগুলোকে সম্পুর্নভাবে না পারি, ছোট ছোট করে পূর্নতা দিতেই সম্মানের ইউনিফর্ম খুলে ফেলেছি আমার এই স্বপ্নবাজ শরীর থেকে। অনেক আগে থেকেই চেষ্টা করছিলাম কিন্তু শেষটা ১ যুগ পরে হলো।
এটাও ভালো হয়েছে, আরেকজন স্বপ্নবাজ তরুন ইউনিফর্ম টা গায়ে জড়িয়ে দেশ সেবার সুযোগ পেয়ে যাবে আমার জায়গায়।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ থাকবো সারাজীবন। তোমাতে না থাকলে হয়তো জীবনের মানেটাই বুঝতে পারতাম না। শৃঙ্খলা, সম্মান, সহযোগিতা ও সহমর্মিতা সবদিকেই তুমি সবার শীর্ষে।
এতোদিন দেশ নিয়ে ভাবতে ভাবতে, আমি বড্ড ক্লান্ত, বড্ড উন্মাদ। এখন নিজেকে ও পরিবারকে নিয়ে ভাববো, নিজেকে ভালো রাখবো, সাথে আরো ১০ জনকে নিয়ে ভাবতে পারবো, তারপর সুন্দর দেশ ও দেশের মানুষকে নিয়ে ভাববো।
সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন, আরো কিছু জানাবো পরবর্তীতে।
সংরক্ষিত
02/12/2025
ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে অবৈধ ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়,
যেখানে ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যরা সাহসিকতার সাথে অংশ নেন। 💪
অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য ধ্বংস করা হয়েছে।
👉 মানুষের সুস্বাস্থ্য ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় এই অভিযান অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।
👉 সচেতন নাগরিক হই, নিরাপদ খাদ্য ব্যবহার করি।
শেয়ার করে সবাইকে সচেতন হতে সহয়তা করুন
17/11/2025
আলহামদুলিল্লাহ,
প্রজাতন্ত্রের সেবায় সপ্তম বছরে পদার্পণ 🇧🇩❤️
14/11/2025
সৈনিকের গ্রেড ১৭, বেসিক বেতন ৯০০০/-
প্রাইমারী শিক্ষকের গ্রেড ১৩, বেসিক ১১০০০/-
শিক্ষকের ডিউটি সপ্তাহে ৫ দিন, দিনে ৭ ঘন্টা। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি ছুটির দিনে তো বন্ধ আছেই।ঈদ, পুজা বিভিন্ন দিবস,সব সময়ই ছুটি থাকে।
সৈনিকের ডিউটি সপ্তাহে ৭দিনই, দিন রাত মিলিয়ে ৮-১২ ঘন্টা, সেই সাথে পিটি,প্যারেড,ওয়ার্কিং,গেইম তো আছেই।
আর সরকারি ছুটির দিনগুলোতে ডিউটির চাপ আরো বেশি বেড়ে যায়। এছাড়া শত্রুর বুলেটের ভয় তো সর্বক্ষন আছেই। দুই মাসের আগে ছুটিও নাই।
অথচ আগে শিক্ষক এবং সৈনিক একি গ্রেডে বেতন পেতো। এখন বলবেন সৈনিকে ঢুকতে তো ssc পাসই যথেষ্ট, কিন্তু এখন ৯০% সৈনিকই অর্নাস/ডিগ্রি কমপ্লিট করা,কেউ অধ্যয়নরত।
শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেড পেয়েও এখন ১০ম গ্রেড চাচ্ছে! আর সৈনিকরা ১৭তম গ্রেডেই সারাজীবন সেবা দিয়ে গেলো!!
আমরা শিক্ষকদের ১০গ্রেড পাওয়ার বিপক্ষে না।
আমরা যাস্ট ইনসাফ চাই,কেউ দিন দিন উপরে উঠেও আরো উপরে উঠতে চাইবে,আর কেউ একি জায়গায় সারাজীবন সার্ভিস দিয়ে যাবে অধিক পরিশ্রম করেও,এটা হয় না।
শিক্ষক যদি হয় মানুষ গড়ার কারিগর, সৈনিক তাহলে দেশ রক্ষার কারিগর।
11/11/2025
১ কেজি আলু এখন ১৮ টাকা, একটা সিঙারা ১০ টাকা।
একসময় এই সিঙারা পাওয়া যেত মাত্র ৫ টাকায়। তখন যুক্তি ছিল “আলুর দাম বেড়েছে!” তাই সিঙারার দাম দ্বিগুণ করা হলো।
একইভাবে, “ময়দার দাম বেড়েছে” এই অজুহাতে ৫ টাকার পরোটা ১০ টাকায় উঠলো।
কিন্তু আজ যখন আলু ও ময়দার দাম আগের চেয়ে অনেক কম, তখন সেই যুক্তি আর দেখা যায় না! বরং সিঙারা,পরোটার আকার ছোট হয়েছে, গুণগত মানও কমেছে — তবু দাম কমেনি এক টাকাও।
মজার ব্যাপার হলো, বাংলাদেশে কোনো কিছুর দাম একবার বাড়লে তা আর কখনো নিচে নামে না।
এটাই আমাদের অর্থনীতির বাস্তবতা আর ভোক্তাদের নীরব আফসোস🥹
11/11/2025
সৈনিকের গ্রেড ১৭, বেসিক বেতন ৯০০০/-
প্রাইমারী শিক্ষকের গ্রেড ১৩, বেসিক ১১০০০/-
শিক্ষকের ডিউটি সপ্তাহে ৫ দিন, দিনে ৭ ঘন্টা। এছাড়া বিভিন্ন সরকারি ছুটির দিনে তো বন্ধ আছেই।ঈদ, পুজা বিভিন্ন দিবস,সব সময়ই ছুটি থাকে।
সৈনিকের ডিউটি সপ্তাহে ৭দিনই, দিন রাত মিলিয়ে ৮-১২ ঘন্টা, সেই সাথে পিটি,প্যারেড,ওয়ার্কিং,গেইম তো আছেই।
আর সরকারি ছুটির দিনগুলোতে ডিউটির চাপ আরো বেশি বেড়ে যায়। এছাড়া শত্রুর বুলেটের ভয় তো সর্বক্ষন আছেই। দুই মাসের আগে ছুটিও নাই।
অথচ আগে শিক্ষক এবং সৈনিক একি গ্রেডে বেতন পেতো। এখন বলবেন সৈনিকে ঢুকতে তো ssc পাসই যথেষ্ট, কিন্তু এখন ৯০% সৈনিকই অর্নাস/ডিগ্রি কমপ্লিট করা,কেউ অধ্যয়নরত।
শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেড পেয়েও এখন ১০ম গ্রেড চাচ্ছে! আর সৈনিকরা ১৭তম গ্রেডেই সারাজীবন সেবা দিয়ে গেলো!!
আমরা শিক্ষকদের ১০গ্রেড পাওয়ার বিপক্ষে না।
আমরা যাস্ট ইনসাফ চাই,কেউ দিন দিন উপরে উঠেও আরো উপরে উঠতে চাইবে,আর কেউ একি জায়গায় সারাজীবন সার্ভিস দিয়ে যাবে অধিক পরিশ্রম করেও,এটা হয় না।
শিক্ষক যদি হয় মানুষ গড়ার কারিগর, সৈনিক তাহলে দেশ রক্ষার কারিগর।