06/01/2025
যশোর বাঘারপাড়া উপজেলার অন্তর্গত জামদিয়া ইউনিয়ন কৃষকদল আয়োজিত
কৃষক সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বিপ্লবী সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা- অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।।
20/12/2024
আগামীকাল শনিবার বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়ন কৃষকদলের কৃষক সমাবেশ চন্ডিপুর মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইঞ্জিনিয়ার টি এস আইয়ুব।
আপনারা সকলেই যথা সময়ে উপস্থিত হয়ে কৃষক সমাবেশ সফল করবেন ইনশাআল্লাহ।।
22/05/2020
আলো ছড়ানোর দু’টি উপায় আছে।
এক – নিজে মোমবাতি হয়ে জ্বলো,দুই – আয়নার মত আলোকে প্রতিফলিত করো।।
07/04/2020
চুরি করা চাউল এনে লোক দেখানো ত্রান বিতরন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এবং বর্তমান ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতা বাঘারপাড়ার প্রেমচারার গর্বিত সন্তান শাওন। https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=2780703555358544&id=617646991664222
যশোরে চার হাজার কেজি সরকারি চাল জব্দ
যশোরে অবৈধভাবে মজুদের সময় চার হাজার কেজি (৮০ বস্তা) সরকারি চাল জব্দ করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। ঘটনার সাথে জড়িত থাক...
24/03/2020
আলহামদুলিল্লাহ....!!
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া'র জামিন।
21/10/2019
একজন 'ক্ষণজন্মা' তরিকুল ইসলামের সংক্ষিপ্ত জীবনীঃ
জনাব তরিকুল ইসলাম ১৯৪৬ সালের ১৬ নভেম্বর যশোর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আলহাজ্জ্ব আব্দুল আজিজ একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। মাতা মোসাম্মৎ নূরজাহান বেগম ছিলেন একজন গৃহিণী। জনাব তরিকুল ইসলামের দুই পুত্র সন্তানের জনক। স্ত্রী নার্গিস ইসলাম তাঁর অন্যতম রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও যশোর সরকারি সিটি কলেজে বাংলা বিভাগের সাবেক উপাধ্যাক্ষ।
১৯৬১ সালে তিনি যশোর জিলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষা, ১৯৬৩ সালে যশোর মাইকেল মধুসূদন মহাবিদ্যালয় থেকে আইএ এবং ১৯৬৮ সালে একই কলেজ থেকে অর্থনীতিতে বিএ (অনার্স) পাশ করেন। ১৯৬৯ সালে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অর্থনীতিতে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন।
পেশাগতভাবে তিনি একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকে জনাব ইসলাম ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন।
১৯৬৩-৬৪ শিক্ষাবর্ষে তিনি বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের প্রার্থী হিসাবে যশোর এমএম কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। বৃহত্তর যশোর জেলা ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতিও ছিলেন তিনি। তিনি ১৯৬৩ সালে সর্বক্ষেত্রে রাষ্ট্রভাষা প্রতিষ্ঠার আন্দেলনের যুগ্ন-আহবায়ক ছিলেন। ১৯৬৪ সালে তিনি তৎকালীন মৌলিক গণতন্ত্রের নির্বাচনে পাকিস্তান মুসলিম লীগের বিপরীতে ফাতেমা জিন্নাহ-এর অনুকূলে জনমত সৃষ্টির জন্য অধ্যাপক শরীফ হোসেনের সহযোদ্ধা হিসেবে গ্রামে গ্রামে গমন করেন এবং মানুষকে সংগঠিত করেন।
বৈচিত্র্যময় রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার কারাবরণ করেন ও নির্যাতনের শিকার হন। যশোর এমএম কলেজে শহীদ মিনার তৈরির উদ্যোগ নিতে গিয়েও তিনি কারাবরণ করেন। ১৯৬৬ সালে তৎকালীন এমএনএ কর্তৃক দায়েরকৃত মিথ্যা মামলায় তরিকুল ইসলামকে বেশ কিছুদিন কারাবরণ করতে হয়। ১৯৬৮ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের জন্যে তাঁকে রাজবন্দী হিসাবে দীর্ঘ নয় মাস যশোর ও রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে কারাভোগ করতে হয়। সাবেক পাকিস্তান আমল ও পরবর্তিতে বাংলাদেশ আমলে প্রত্যেকটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। ১৯৬৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবস্থায় গণআন্দোলনে নেতৃত্বদানের জন্যে পুলিশ কর্তৃক নির্যাতিত হন এবং বেশ কিছুদিন হাজতবাস করেন।
জাতীয় রাজনীতিতে তরিকুল ইসলাম ছিলেন একজন প্রথম সারির নেতা। ১৯৭০ সালে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টিতে যোগদান করেন তিনি। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী আহুত ফারাক্কা লং মার্চে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
স্বাধীনতা যুদ্ধকালে নয়মাস ভারতে অবস্থান করেন তরিকুল ইসলাম। ১৯৭১ সালে চূড়ান্ত বিজয়ের পর তিনি দেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
১৯৭৩ সালে তরিকুল ইসলাম যশোর পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি তিন মাস কারাভোগ করেন।
১৯৭৮ সালে তিনি যশোর পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৭৮ সালে তিনি ফ্রন্টের হ্যাঁ/না নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।
মরহুম মশিউর যাদু মিয়ার নেতৃত্বে ন্যাপ (ভাসানী) বিলুপ্ত হলে তিনি ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেন।
যশোর সদর নির্বাচনী এলাকা (যশোর-৩) থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ সময়ে তিনি জাতীয়তাবাদী দলের জেলা আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮০ সালে তিনি জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮২ সালের ৫ মার্চ জনাব তরিকুল ইসলাম সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।
১৯৮২ সালে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের তরিকুল ইসলাম কারারুদ্ধ হন এবং দীর্ঘ তিন মাস অজ্ঞাত স্থানে আটক থাকেন। অতঃপর তথাকথিত এরশাদ হত্যা প্রচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি হিসাবে দীর্ঘ নয় মাস ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ থাকেন এবং নির্মম নির্যাতনের শিকার হন। জেলখানা থেকে মুক্ত হয়ে তিনি এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
১৯৮৬ সালে তাঁকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। এ সময়ে তিনি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্বও পালন করেন।
১৯৯০'র গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তরিকুল ইসলাম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর ১৯৯১ এর সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি পরাজিত হন। ১৯৯৪ সালের উপ-নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় সংসদ নির্বাচিত হন।
১৯৯১ সালে জনাব তরিকুল ইসলাম সমাজকল্যাণ ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং ১৯৯২ সালে ঐ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। এ সময়ে তিনি ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি ঐ মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি যশোর-৩ আসনের এমপি নির্বাচিত হন। বিএনপি’র মন্ত্রী পরিষদ গঠিত হলে তিনি বাংলাদেশ সরকারের খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি তথ্য মন্ত্রণালয় এবং পরে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত দলের ৫ম কাউন্সিলে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ পান। পরে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ কাউন্সিলেও তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বহাল থাকেন।
গত ৪ ষ্ঠা নভেম্বর, ২০১৮ দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ঢাকা অ্যাপোলো হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
আমরা তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ জাতীয়তাবাদী শক্তির নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। মহান আল্লাহ্ তাকে বেহেস্তের সর্বচ্চ স্থান জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন। আমীন
28/10/2018
দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছাড়া বাংলাদেশে কোন নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না।
20/01/2017
যাশোর জেলা ছাত্রদল এর সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা আমির ফয়সাল ভাইয়ের সাথে চা চক্রে আড্ডায় বন্দবিলা ইউনিয়ন ছাত্রদল """""
25/11/2016
বন্দবিলা ইউনিয়ন ছাত্রদল, বাঘারপাড়া, যশোর।
রাজপথে ছিল & থাকবে """"""