02/03/2026
নিয়মিত ফিজিওথেরাপি সেবা কার্যক্রম।
হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ – যশোর শাখার তত্ত্বাবধানে হিমোফিলিয়া রোগীদের জন্য ধারাবাহিক ফিজিওথেরাপি সেবা প্রদান করা হচ্ছে।
হিমোফিলিয়াজনিত বারংবার জয়েন্টে রক্তক্ষরণ দীর্ঘমেয়াদে আর্থ্রোপ্যাথি ও স্থায়ী অক্ষমতার ঝুঁকি বাড়ায়। পরিকল্পিত ও নিয়মিত ফিজিওথেরাপি জয়েন্ট সুরক্ষা, পেশিশক্তি সংরক্ষণ এবং কার্যকর পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
📅 সেবা প্রদানের দিন: শনিবার – বুধবার
⏰ সময়: সকাল ০৯:৩০ – দুপুর ০১:৩০
এই কার্যক্রমে ফিজিওথেরাপিস্ট মোঃ রুবাইয়্যাত হোসেন রোগীর অবস্থা মূল্যায়নপূর্বক প্রয়োজনভিত্তিক থেরাপি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছেন।
📞 যোগাযোগ: +880 1792-630636
আমাদের অঙ্গীকার— সেবার মান, পেশাগত শৃঙ্খলা এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন নিশ্চিতকরণ।
21/02/2026
হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ – যশোর শাখা সর্বদা রোগীদের পাশে।
আজ শার্শা, যশোরের ফ্যাক্টর-৯ ঘাটতি জনিত হিমোফিলিয়া রোগী ও একনিষ্ঠ সেচ্ছাসেবী মো: নাজমুল হোসেন গুরুতর হিপ জয়েন্টে রক্তক্ষরণ নিয়ে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে (হিমোফিলিয়ার জন্য বরাদ্দকৃত বেডে) ভর্তি হলে তার চিকিৎসা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ, যশোর শাখা সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করছে। যশোর শাখার কোষাধ্যক্ষ জনাব অমরেশ শাখারী সশরীরে হাসপাতালে উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও সহায়তা করেন।
এছাড়াও রুবাইয়্যাত হোসেন ও অভি শাখারী সার্বিকভাবে তার সহযোগিতায় অংশ নেন তাদেরকেও যশোর শাখার পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
খুলনা বিভাগের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে যশোরের অবস্থান এবং এখানে হিমোফিলিয়া রোগীদের সহায়তায় প্রশিক্ষিত ও সক্রিয় স্বেচ্ছাসেবক দলের উপস্থিতির কারণে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জেলা থেকে রোগীরা যশোর HTC তে - চিকিৎসা ও পরামর্শ গ্রহণের জন্য আসেন। সমন্বিত সেবা, দ্রুত যোগাযোগ এবং দায়িত্বশীল তত্ত্বাবধানের কারণে যশোর HTC খুলনা বিভাগের হিমোফিলিয়া রোগীদের জন্য একটি নির্ভরযোগ্য কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
আমরা বিশ্বাস করি—সমন্বিত উদ্যোগ ও মানবিক সহায়তার মাধ্যমেই হিমোফিলিয়া রোগীরা নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা সেবা পেতে পারেন।
হিমোফিলিয়া বিষয়ে সচেতনতা ও সহায়তার জন্য যশোর শাখার সাথে যোগাযোগ করুন।
একসাথে আমরা শক্তিশালী।
21/02/2026
হিমোফিলিয়া রোগী আবদুল্লাহ আল মামুন (২৮), বাড়ি নড়াইল।
তিনি হাটুতে রক্তক্ষরণ নিয়ে হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ যশোর শাখার সাথে যোগাযোগ করেন এবং আজ তিনি আহাদ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যশোর - এ আসেন প্লাজমা দেওয়ার জন্য, তার পাশে থেকে তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেন হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ যশোর শাখার নির্বাহী সদস্য মোঃ আবু নাহিদ।
আবদুল্লাহ আল মামুন এখনও হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ এর সদস্য হননি, তাকে মেম্বার করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, ইনশাআল্লাহ খুব শীঘ্রই যশোর শাখার সহযোগিতায় তিনি হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ এর সদস্য হবেন।
একই দিনে কুষ্টিয়ার জুবায়ের হোসেন হিপ জয়েন্টে ব্লিডিং নিয়ে আহাদ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যশোর - এ প্লাজমা দিতে আসে, তাকেও সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন মোঃ আবু নাহিদ।
সকল হিমোফিলিয়া রোগীদের পাশে থেকে এভাবেই কাজ করে যেতে চাই হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ ও যশোর শাখা।
17/02/2026
আলহামদুলিল্লাহ, মাগুরা জেলার হিমোফিলিয়া ‘বি’ (ফ্যাক্টর–৯ ঘাটতি) আক্রান্ত রোগী ইলিয়াস আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি সুস্থ হয়ে নিজ বাসায় ফিরেছেন।
তিনি গুরুতর পেটের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ নিয়ে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি হন। ভর্তি হওয়ার সময় তার অবস্থা ছিল ঝুঁকিপূর্ণ এবং তাৎক্ষণিক সমন্বিত চিকিৎসা সহায়তা প্রয়োজন ছিল।
রোগীর ভর্তি থেকে শুরু করে চিকিৎসার প্রতিটি ধাপে হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ, যশোর শাখা সর্বাত্মক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল সমন্বয় প্রদান করে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক দল ও সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করা হয়।
উল্লেখ্য, যশোর খুলনা বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা কেন্দ্র হওয়ায় বিভিন্ন জেলা থেকে হিমোফিলিয়া রোগীরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। সে সকল রোগীর চিকিৎসা সমন্বয়, জরুরি সহায়তা ও সার্বিক সহযোগিতায় হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ, যশোর শাখা নিয়মিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
রোগীর সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরা আমাদের জন্য স্বস্তির এবং অনুপ্রেরণার। ভবিষ্যতেও হিমোফিলিয়া আক্রান্তদের পাশে থেকে দায়িত্বশীল ও মানবিক সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে—ইনশাআল্লাহ।
হিমোফিলিয়া রোগীর যেকোনো সহযোগিতায় যোগাযোগ করুন।
এই পুরো প্রক্রিয়ায় বিশেষভাবে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার জন্য
>নাজমুল হোসেন শুভ (01919000925)
>শোয়েব আলী (01912-484941)
>আবু নাহিদ (0 1781-689420)
>পারভেজ শেখ (01916-966412)
>তুহিন হাসান (0 1949-786829)
>অভি শাখারী (0 1757-956257)
>রুবায়েত হাসান (01792-630636)
এর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হচ্ছে।
16/02/2026
হিমোফিলিয়া রোগীদের ফিজিওথেরাপি সেবা গ্রহণের জন্য যোগাযোগ করুন। অফিসে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকবেন মো: রুবাইয়্যাত হোসেন, যিনি ফিজিওথেরাপি বিষয়ে অভিজ্ঞ এবং হিমোফিলিয়া রোগীদের জয়েন্ট কেয়ারের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করবেন।
কার্যদিবস : শনিবার থেকে বুধবার
সময় : সকাল ০৯:৩০ থেকে দুপুর ০১:৩০ পর্যন্ত
হিমোফিলিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তক্ষরণজনিত রোগ। বারবার জয়েন্টে রক্তক্ষরণের ফলে ব্যথা, ফোলা ও স্থায়ী জয়েন্ট ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়। এ ধরনের জটিলতা প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পিত ও নিয়মিত ফিজিওথেরাপি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে।
ফিজিওথেরাপি সেবার মাধ্যমে—
▪️ জয়েন্টের গতিশীলতা ও কার্যক্ষমতা বজায় থাকে
▪️ পেশীর শক্তি ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায়
▪️ ব্যথা ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে
▪️ দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতার ঝুঁকি কমায়
▪️ রোগীর স্বাভাবিক ও স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবনযাপন নিশ্চিত করতে সহায়ক হয়
সমন্বিত চিকিৎসা ও পুনর্বাসন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে এই সেবা প্রদান করছে হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ - যশোর শাখা।
যশোর শাখার অফিসের ঠিকানা গুগল ম্যাপে : https://surl.li/lqamna
📞 পরামর্শ ও যোগাযোগের জন্য:
মো: রুবাইয়্যাত হোসেন : +880 1792-630636
মো: নাজমুল হোসাইন শুভ : +8801919-000925
মো: সোয়েব আলী : +8801912-484941
অভি শাখারী : +8801757-956257
আমাদের অঙ্গীকার— হিমোফিলিয়া রোগীদের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও টেকসই পুনর্বাসন সেবা নিশ্চিত করা।
15/02/2026
আজ হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ – যশোর শাখার তত্ত্বাবধানে একাধিক হিমোফিলিয়া রোগীর জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
মাগুরা থেকে আগত ফ্যাক্টর–৯ রোগী ইলিয়াস হোসেন তীব্র পেটের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ নিয়ে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এ ভর্তি হন। তাকে হাসপাতালের পুরুষ মেডিসিন ওয়ার্ডে হিমোফিলিয়া রোগীদের জন্য বরাদ্দকৃত বেডে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হয়েছে। দ্রুত প্লাজমা সরবরাহ, চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয় এবং সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তার চিকিৎসা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
যশোরের ৯ বছর বয়সী সোহানা (ফ্যাক্টর–৮) ঠোঁট কেটে গুরুতর রক্তক্ষরণ নিয়ে আহাদ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি যশোর এ আসেন। তাৎক্ষণিক সাড়া দিয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে তার নিরাপদ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়।
অপরদিকে, সুন্নতে খৎনার পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও শারীরিক জটিলতা দেখা দিলে নিরব (ফ্যাক্টর–৮) একই হাসপাতালে ভর্তি হন। তিনি বর্তমানে সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন আছেন এবং তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
উপরোক্ত তিনজন রোগীর চিকিৎসা সেবা, প্লাজমা সংগ্রহ ও সরবরাহ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় এবং সার্বিক তদারকিতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন অভি শাখারী, রুবাইয়াত হোসেন ও নাজমুল হোসেন। তাদের আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক উদ্যোগের জন্য যশোর শাখার পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।
যশোর শাখা সবসময় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের হিমোফিলিয়া রোগীদের জন্য একটি নির্ভরতার কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে আসছে। জরুরি মুহূর্তে দ্রুত সাড়া, চিকিৎসা সমন্বয় এবং রোগী–পরিবারের পাশে মানবিক উপস্থিতিই আমাদের অঙ্গীকার।
সার্বিক যোগাযোগের জন্য,
১. নাজমুল হোসাইন শুভ
০১৯১৯০০০৯২৫
২. সোহেব আলী
০১৯১২৪৮৪৯৪১
৩. অভি শাখারি
০১৭৫৭৯৫৬২৫৭
04/02/2026
জেনেভায় WHO (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা)-র Executive Board একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
হিমোফিলিয়া ও অন্যান্য রক্তক্ষরণজনিত রোগে আক্রান্ত মানুষের জন্য Health Equity (সমান স্বাস্থ্যসেবা) নিশ্চিত করার একটি বৈশ্বিক প্রস্তাব ২০২৬ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত ৭৯তম World Health Assembly-তে অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তটি হিমোফিলিয়া রোগীদের জন্য একটি বড় আশার আলো—
ভবিষ্যতে ফ্যাক্টর, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবায় সমান অধিকার নিশ্চিত হওয়ার পথে এক বিশাল পদক্ষেপ।
World Federation of Hemophilia (WFH) এই উদ্যোগে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আর্মেনিয়া সরকারসহ বহু দেশ ও ৮০টির বেশি রোগী ও চিকিৎসা সংগঠনকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।
আমরা আশাবাদী, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশের হিমোফিলিয়া রোগীরা আরও ভালো ও ন্যায্য চিকিৎসা সুবিধা পাবে।
✊ Health Equity is not a privilege, it’s a right.
💙 Hemophilia patients deserve equal care.
30/01/2026
বৃহস্পতিবার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ত্বত্তাবধায়ক হুসাইন শাফায়াতের নিকট হিমোফিলিয়া রোগীদের চিকিৎসার জন্য ফ্যাক্টর ইনজেকশন কেনার জন্য হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ যশোর শাখা এর পক্ষ থেকে আবেদনপত্র প্রদান করা হয়।
কৃতজ্ঞতা " গ্রামের কাগজ " এর প্রতি।
29/01/2026
অদ্য ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ, যশোর শাখার পক্ষ থেকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল, যশোর এর তত্ত্বাবধায়ক মহোদয় জনাব ডাঃ মোঃ হোসাইন শাফায়েত এর নিকট যশোর অঞ্চলের প্রায় পাঁচ শতাধিক হিমোফিলিয়া রোগীদের জীবন রক্ষাকারী ও চিকিৎসার একমাত্র প্রধান ঔষধ মূল্যবান ফ্যাক্টর ইনজেকশন কেনার জন্য একটি আবেদনপত্র প্রদান করা হয়।
এই ফ্যাক্টর ইনজেকশন খুবই মূল্যবান বিধায় গরিব হিমোফিলিয়া রোগীরা তাদের চিকিৎসার জন্য এই ইনজেকশন কিনতে পারে না। তত্ত্বাবধায়ক মহোদয় যশোর জেলার হিমোফিলিয়া রোগীদের জন্য সীমিত পরিসরে হলেও হিমোফিলিয়া রোগীদের মূল্যবান ফ্যাক্টর ইনজেকশন কেনার ব্যাপারে আশ্বাস ব্যক্ত করেন। তিনি হাসপাতালের বর্তমান বাজেটে সম্ভব হলে অল্প পরিসরে কিছু ফ্যাক্টর কেনার ব্যাপারেও রোগীদের আশ্বস্ত করেন।
আবেদনপত্র প্রদানকালে হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জনাব মোঃ নাসের মোস্তাফিজ উপস্থিত থেকে রোগীদের পক্ষে তত্ত্বাবধায়ক মহোদয়কে আবেদনপত্র হস্তান্তর করেন এবং রোগীদের বর্তমান শারীরিক অবস্থা আলোচনা করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী পরিচালক ডাঃ বজলুর রশিদ সহ অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী ও প্রায় ৩০ জন হিমোফিলিয়া রোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ।
এই ফ্যাক্টর ইনজেকশনের অভাবে গত বছর বেশ কয়েকজন রোগী অকালে মৃত্যুবরণ করেছেন। ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে এই মূল্যবান ফ্যাক্টর ইনজেকশন কেনা হলে তা যশোর অঞ্চলের হিমোফিলিয়া রোগীদের জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে রোগীরা মনে করেন।
22/01/2026
https://www.facebook.com/share/1CCTXSvGWE/
হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ এর রোগী সদস্যদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে হিমোফিলিয়া রোগীদের জন্য হুইলচেয়ার প্রদান করা হবে বলে জানানো হয়েছে, চেয়ার পেতে আগ্রহী রোগীগণকে জরুরী ভিত্তিতে সোসাইটির অফিস কর্মী জনাব হাবিবের নিকট নাম ঠিকানা মোবাইল নাম্বার জমা দেয়ার পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে!
22/01/2026
যশোরের খাজুরা এলাকার নতুন শনাক্ত হওয়া হিমোফিলিয়া ‘এ’ রোগী ওমর ফারুক (বয়স: ৮ বছর) প্রায় ২০ দিন ধরে হিপ জয়েন্টে গুরুতর রক্তক্ষরণে ভুগছিল। হিমোফিলিয়া রোগ সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান ও সচেতনতার অভাবে প্রাথমিকভাবে সমস্যাটির সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব হয়নি। ফলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সময়মতো শুরু না হওয়ায় তার শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে জটিল হয়ে ওঠে।
বিষয়টি অবগত হওয়ার পর জনাব অভি শাখারী তাৎক্ষণিকভাবে নিবেদিত প্রাণ সেচ্ছাসেবী জনাব নাজমুল হোসেন-কে সঙ্গে নিয়ে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা ওমর ফারুকের কাছে উপস্থিত হন। সেখানে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে রোগীর চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হয়।
রোগীর শারীরিক অবস্থা সাময়িকভাবে স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে তাৎক্ষণিকভাবে ফ্রেশ ব্লাড ও ফ্রেশ ফ্রোজেন প্লাজমা (FFP) প্রদান করা হয়, যাতে রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় এবং পরবর্তী চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় সময় পাওয়া যায়।
নতুন শনাক্ত রোগী হওয়ায়, ওমর ফারুককে হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ (HSB)-এর আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে সে নিয়মিত চিকিৎসা, ফ্যাক্টর সাপোর্ট এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ সুশৃঙ্খলভাবে পেতে পারে।
দুঃখজনকভাবে, দেরিতে শনাক্তকরণ ও প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে রোগীর জয়েন্টগুলো ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনা হিমোফিলিয়া রোগের সময়মতো শনাক্তকরণ, সঠিক চিকিৎসা ও সচেতনতার গুরুত্বকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ — যশোর শাখা রোগী শনাক্তকরণ, জরুরি চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, হাসপাতাল সমন্বয় এবং রোগী ও অভিভাবকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষায় সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
যশোর শাখার মূল লক্ষ্য হলো—যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া প্রদান এবং হিমোফিলিয়া রোগীদের সময়মতো সঠিক চিকিৎসার আওতায় আনা, যাতে ভবিষ্যতে অপ্রয়োজনীয় জটিলতা ও স্থায়ী ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়।
হিমোফিলিয়া সংক্রান্ত যেকোনো জরুরি প্রয়োজন, পরামর্শ বা সহযোগিতার জন্য যশোর শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিদের সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো—
📞 জনাব চন্দন দেবনাথ
+880 1914-148399
📞 জনাব মাসুদুজ্জামান জনি
+880 1711-955366
📞 জনাব শুভ রহমান
01919-000925
হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ,যশোর শাখা।
রোগীদের পাশে, প্রয়োজনের মুহূর্তে।
19/01/2026
আজ যশোরের শার্শা উপজেলার হিমোফিলিয়া বি আক্রান্ত রোগী মো: হাসান (বয়স ৯) একটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। মাদ্রাসায় পড়াশোনার সময় সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে তার বাম হাত ভেঙে যায়। বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ (HSB), যশোর শাখার একজন নির্বাহী সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
জরুরি অবস্থার গুরুত্ব বিবেচনায় শিশুটিকে দ্রুত যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ, যশোর শাখার পক্ষ থেকে অভি শাখারী ও রুবাইয়াত হোসেন সার্বক্ষণিকভাবে পাশে থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করেন। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে শিশুটির ভাঙা হাতে সঠিকভাবে প্লাস্টার করা হয় এবং হিমোফিলিয়া বি রোগীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর–৯ ইনজেকশন সময়মতো প্রদান করা হয়।
হিমোফিলিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে সামান্য আঘাতও গুরুতর জটিলতার কারণ হতে পারে। তাই দ্রুত সিদ্ধান্ত, সমন্বিত উদ্যোগ এবং সচেতন চিকিৎসাই পারে বড় ঝুঁকি থেকে রোগীকে রক্ষা করতে। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ, যশোর শাখার সকল স্বেচ্ছাসেবক ও সদস্যদের আন্তরিক সহযোগিতায় একটি শিশুর নিরাপদ চিকিৎসা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
হিমোফিলিয়া রোগীদের জন্য সচেতনতা, দ্রুত চিকিৎসা ও পারস্পরিক সহযোগিতাই আমাদের প্রধান শক্তি।
হিমোফিলিয়া সোসাইটি অব বাংলাদেশ, যশোর শাখা
হিমোফিলিয়া রোগীদের পাশে—সবসময়, সব পরিস্থিতিতে।
সচেতনতা • সহযোগিতা • মানবিকতা 💙