19/09/2024
মেরেই যদি ফেলবি, খাওয়াইলি ক্যান ? 😥
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from কেয়ার ফাউন্ডেশন, Kalihati, Tangail.
19/09/2024
মেরেই যদি ফেলবি, খাওয়াইলি ক্যান ? 😥
ভাই কেউ আমার ফ্যামিলি টারে বাঁ'চান😭😭
মাত্র কথা বলছি খাট পর্যন্ত পানি উঠে গেছে
আমার ছোট্ট একটা মেয়ে আছে কোথাও যাওয়ার রাস্তা নাই।
কেউ সেচ্চাসেবী কোনো কর্মীর নাম্বার থাকলে দেন একটা আমায়🙏
দ্রুত ওদের নিরাপদ স্থানে নিয়ে যেতে হবে প্লিজ কেউ হেল্প করেন আমায়😭
স্থান :- ছাগলনাইয়া উপজেলা ১০নং ঘোপাল ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ড দক্ষিণ পূর্ব ঘোপাল রাস্তার মাথায় বাড়ি।
যোগাযোগ 01616967466
01676968770
- Sarder Afroz
28/01/2023
03/10/2022
দেশে চোখ উঠা রোগের প্রাদূর্ভাব বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। আপনার আসে পাশে তাকালেই দেখতে পাবেন পরিচিত অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
এর আগে বাংলাদেশে এ রোগের প্রাদুর্ভাব থাকলেও এতো মহামারীর মত ম্যাসিভ আকারে ছড়ায় নাই কখনো । এই রোগটি খুব সাধারণ হলেও সঠিক যত্নের অভাবে আবার মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে ।
আজকে আপনাদের এই চোখ উঠা রোগের বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করবো ।
A. চোখ উঠা রোগ কি এবং কেন হয় ?
চোখ উঠা যাকে মেডিকেলের ভাষায় বলা হয় কনজাংটিভাইটিস । এটি ছোঁয়াচে বা সংক্রামক রোগ ।চোখ উঠা রোগ মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ার হার ব্যাপক । এটি সাধারণত তিনটি কারণে হতে পারে : ১. ভাইরাস ২. ব্যাকটেরিয়া ৩. আল্যার্জি।
১. ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস : বাহির থেকে যদি কোনো ভাইরাসের সংক্রমণে চোখের ইনফেকশন হয় তাহলে সেটা ভাইরাল কনজাংটিভাইটিস । এটি খুবই কমন । বর্তমানে যারা চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তাদের প্রায় সবাই ভাইরাসের কারণে আক্রান্ত হচ্ছে ।
২. ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিস: ইনফেকশন টি যদি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হয় তাহলে সেটা ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিস। সাধারণ সকল ক্ষেত্রে লক্ষণ একই । তবে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ক্ষেত্রে চোখ দিয়ে কেতুর বা পুজ সদৃশ একধরনের ডিসচার্জ হয় ।
৩. আল্যার্জিক কনজাংটিভাইটিস: কোনো কিছুতে যদি কারো এলার্জি থাকে তাহলে সেই এলার্জিক Substances er সংস্পর্শে আসলে ,শরীরের হিস্টামিন অতিরিক্ত নিঃসরণ হয়ে এধরনের কনজাংটিভাইটিস ডেভেলপ করে থাকে । ফুলের রেণু, পোকা মাকড়, ধুলা বালির কারণে এই রোগ হতে পারে।
B. লক্ষণঃ
তিনটি ক্ষেত্রেই লক্ষণ প্রায় একই , যেমন:
১. চোখ লাল বা পিঙ্ক কালার হয়ে যাওয়া।
২. চোখ দিয়ে অতিরিক্ত পানি পড়া।
৩. চোখে ব্যথা অনুভূত হওয়া।
৪. পুঁজ বা কেতুর নিঃসরণ হওয়া
৫. চোখে জ্বালাপোড়া , চুলকানি ও খচ খচ অনুভূত হওয়া।
৬. সকালে ঘুম থেকে উঠার পর চোখ খুলতে সমস্যা হওয়া ।
৭. দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া।
৮. অতিরিক্ত আলোতে চোখ খুলতে সমস্যা হওয়া।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে এসব লক্ষণের সাথে হালকা জ্বর, মাথা ব্যাথা ও নাক দিয়ে পানি পড়ার মতো লক্ষণ ও থাকতে পারে। এসব লক্ষণ যদি কারো মধ্যে থাকে তাহলে সে নিশ্চিত ভাবে ধরে নিতে পারেন চোখ উঠা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ।
C. চোখ উঠলে যা করণীয়:
১. জনসমাগম এড়িয়ে চলতে হবে।
২. ধুলো বালি ও কড়া আলো থেকে বাঁচতে অবশ্যই কালো চশমা ব্যবহার করতে হবে।
৩. চোখে ঠান্ডা পানি দেওয়া যাবে না, প্রয়োজনে কুসুম গরম পানি দিয়ে চোখ ধৌত করতে পারেন।
৪. দুই চোখের জন্য আলাদা আলাদা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে কুসুম গরম শেক নেয়া যেতে পারে
৫. চোখে হাত দেওয়া যাবে না বা ঘষা যাবে না ।
৬. আক্রান্ত চোখ স্পর্শ করে হাত পরিষ্কার না করে কোনো কিছু স্পর্শ করা যাবে না ।
৭. ব্যবহৃত বালিশের কভার, তোয়ালে , গামছা, থালা, গ্লাস, চশমা ইত্যাদি আলাদা ব্যাবহার করতে হবে এবং নিয়মিত গরম পানি দিয়ে ধৌত করতে হবে ।
৮. অতিরিক্ত টিভি দেখ বা মোবাইল দেখা যাবে না ।
৯. পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে ।
১০. সকালে চোখ খুলতে সমস্যা হলে পরিষ্কার কাপড় কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে চোখ মুছতে হবে ।
D. প্রতিরোধ করবেন কিভাবে ?
১. আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে ।
২. ছোট বাচ্চাদের বর্তমানে স্কুলে যেতে দেয়া যাবে না।
৩. পুকুর বা নদীতে গোসল করা থেকে বিরত থাকতে হবে ।
৪. অপরিষ্কার হাত চোখে দেওয়া যাবে না।
৫. যেসব জিনিস হাতের সংস্পর্শে বেশি আসে সেগুলো ধরার পর হাত স্টেরেলাইজ করতে হবে।
৬. চোখের প্রসাধনী ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
৭. অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করা যাবে না।
৮. আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত কোনো কিছুই ব্যাবহার করা যাবে না ।
E. চিকিৎসা:
সাধারণত এই রোগ ৭-১০ দিনের মধ্যে আপনা আপনি ভালো হয়ে যায় । কিন্তু চোখের ইনফেকশন এর কারণে অন্য কোনো ব্যাকটেরিয়া যেনো সেকেন্ডারি ইনফেকশন তৈরি না করতে পারে সেজন্য সিভিয়ারিটি অনুযায়ী এন্টিবায়োটিক ড্রপ ডোজ মেনে ব্যাবহার করতে হবে ।
তাছাড়া চোখের ব্যথা বা চুলকানির জন্য প্যারাসিটামল এবং এন্টিহিস্টামিন জাতীয় ওষুধ সেবন করতে হবে ।
সতর্কতা: যদি চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়, চোখ অত্যাধিক ফুলে যায় , অতিরিক্ত পানি ডিসচার্জ হতে থাকে তাহলে অবশ্যই একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে । চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ড্রপ এবং ওষুধ সেবন করলে চোখের মারাত্বক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে ।
আশা করি সকলেই চোখ উঠা রোগ সম্পর্কে একটা ধারণা পেয়েছেন। নিয়ম মেনে চলুন,চোখ উঠা প্রতিরোধ করুন।
Follow BongoMedic
Dr. Md. Al Amin
DMF (Dhaka)
BMDC Reg: D-23701
করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রণ / Omicron সম্পর্কে জানুন , নিরাপদ থাকুন
Follow this page and Subscribe YouTube channel Bongomedic
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে কিছু কথা ।
আরো ভিডিও পেতে , Subscribe এবং ফেসবুক পেইজ Follow করুন ।
Subscribe YouTube channel : BongoMedic
Like/Follow the page BongoMedic
29/05/2021
ব্ল্যাক ফাঙ্গাস প্রতিরোধে করণীয় :
১. মাত্রাতিরিক্ত ও চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত এন্টিবায়োটিক ও স্টেরয়েড ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন ।
২. অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও দীর্ঘ দিন যাবৎ যারা ক্রনিক রোগ যেমন: উচ্চ রক্তচাপ , আর্থ্রাইটিস , অ্যাজমা , হেপাটাইটিস , IHD তে আক্রান্ত তারা পর্যাপ্ত সতর্কতা অবলম্বন করুন , চিকিৎসকের ফলো আপে থাকুন ।
৩. এক সার্জিকাল মাস্ক ৬ ঘণ্টার বেশি পড়বেন না , পরিষ্কার করা যায় এমন মাস্ক ভালোভাবে পরিষ্কার না করে দ্বিতীয়বার ব্যবহার করবেন না । (গরম পানি ও উচ্চ ক্ষার জাতীয় সাবান দিয়ে পরিষ্কার করুন)
৪. করোনা থেকে সুস্থ্য হওয়া রোগীরা অযথা বাহিরে যাবেন না এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ের পার্সোনাল হাইজিন মেইনটেইন করুন ।
৫. নারীরা মাসিকের সময় সর্বোচ্চ সতর্কতার সহিত স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিন ।
৬. কোনো কিছু স্পর্শ করার পর হাত স্যানিটাইজ করুন ।
৭. আজ যে কাপড় ব্যবহার করছেন ,সেটা পরিষ্কার না করে দ্বিতীয় দিন ব্যবহার করবেন না ।
৮. সকল প্রকার ব্যক্তিগত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন ।
আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হোন, সুস্থ্য থাকুন ।
Feel free to contact me to get any medical emergency support 24 hours a day.
Mob: 01637048535
Md. Al Amin
DMF (Dhaka)
Former Honorary SACMO
Sheikh Hasina Medical College Hospital, Tangail
08/05/2021
অালহামদুলিল্লাহ্!
অাল্লাহর অসীম রহমতে, সকলের সহযোগিতায় "কেয়ার ফাউন্ডেশন" ( অরাজনৈতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন) এর পক্ষ থেকে আমরা,
★ ২৫ টি পরিবারকে ঈদ খাদ্যসামগ্রী উপহার, দিতে সক্ষম হয়েছি।
তাদের কে ধন্যবাদ না দিলেই নয়, যাদের জন্য আজকে আমাদের এই ইভেন্ট টি সফলতার মুখ দেখতে পেয়েছে। সকলের প্রতি আমরা চিরকৃতজ্ঞ। সকলের প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা রইলো।
মানবতার জয় হোক!!
★ প্রতিটি ব্যাগে রয়েছেঃ
১. এক কেজি চাউল
২. হাফ কেজি চিনি
৩. এক প্যাক সেমাই
৪. এক প্যাক দুধ
৫. এক কেজি লবণ
৬. হাফ কেজি মসুর ডাউল
৭. এক কেজি আলু
৮. হাফ কেজি পিয়াজ
Alhamdulillah!
By the grace of God, we, on behalf of the "Care Foundation" (non-political voluntary organization) in cooperation with all, I have been able to give Eid food items to 25 families.
Not without thanking those for whom we have seen the success of this event today. We are eternally grateful to everyone. There was love and respect for everyone.
May humanity win !!
★ Each bag contains:
1. One kg of rice
2. Half a kg of sugar
3. One pack semai
4. One pack of milk
5. One kg of salt
6. Half a kg of lentils
7. One kg of potatoes
8. Half a kg of onions