16/12/2025
আমার দেশ💕
ফানল্যান্ড, এখন দৌলতপুরে বাবুদের ইনডোর প্লেগ্রাউন্ড।শিশুদের জন্য বিভিন্ন বিনোদন ও খেলার উপাদান।
16/12/2025
আমার দেশ💕
16/12/2025
আপনারা সবাই বিজয়ের আনন্দে মেতে উঠুন কচ্চি কাচাদের সাথে নিয়ে ফানল্যান্ডে এই কামনাই করি 🎁
সকল কে বিজয়ের শুভেচ্ছা💕
06/11/2025
বাচ্চার লেখাপড়া নিয়ে লোকদেখানো বিলাসিতা বাদ দিন! বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি করানোর সময় অনেক বাবা-মা ভাবনায় পড়েন— “কোন স্কুলে দিলে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে?” চিন্তা একদমই ভুল নয়, কিন্তু সমস্যা হয় যখন কম্পারিজন চলে আসে—
“অমুক আত্মীয় স্কলাস্টিকায় দিয়েছে, তমুক বন্ধু ISD-তে দিয়েছে, আমার বাচ্চাও সেখানে পড়ুক!” প্রশ্ন হচ্ছে— আপনার আয়ের রেঞ্জ যদি তাদের মতো না হয়, তাহলে আপনি কিভাবে সেই জীবনধারা মেইনটেইন করবেন?
ISD, AISD বা স্কলাস্টিকার মত স্কুলগুলোতে শুধু ভর্তি ফি নয়, মাসিক খরচই এমন যে, কোটিপতি না হলে টিকে থাকা কঠিন! আর সেখানে ভর্তি করিয়ে যদি আপনার সন্তান দেখে— সহপাঠীরা টিফিনে কন্টিনেন্টাল ফুড আনে, কোটি টাকার গাড়িতে বাড়ি ফেরে, গ্রীষ্মের ছুটিতে বিদেশ ঘুরে আসে— তখন ওর মনে হীনমন্যতা তৈরি হবে না?
মনে রাখবেন, পড়াশোনা বিলাসিতা নয়— এটা একটি বেসিক নিড। সন্তানকে ভালো শিক্ষা দিন, কিন্তু নিজের সামর্থ্যের মধ্যে থেকে।আপনার সন্তান যদি শেখার আগ্রহ রাখে, তাহলে ওর স্কুলের নাম বা টিউশন ফি নয়— ওর অধ্যবসায়ই একদিন ওকে বড় করবে। বুয়েট, মেডিকেল বা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে তাকিয়ে দেখুন—বেশিরভাগই কিন্তু গ্রাম-মফস্বল থেকে উঠে আসা পরিশ্রমী সন্তান।
কারণ পড়াশোনা কোনো প্রতিযোগিতা নয়— এটা এক যাত্রা। আর সেই যাত্রায় বাবা-মায়ের সামর্থ্য ও সন্তানের মানসিক স্বাচ্ছন্দ্য— দুটোই সমান গুরুত্বপূর্ণ ❤️
29/10/2025
🎀💞
23/09/2025
আমি সবসময় বলি, বাচ্চাদের বাউন্ডারি দিতে হবে, হেলদি বাউন্ডারি সেট করতে হবে। কিন্তু আসলে এই হেলদি বাউন্ডারি বলতে কী বোঝায়? সেটা বুঝতে গেলে ৪ টা জিনিস আসে: সম্মান, স্পষ্টতা, ধারাবাহিকতা এবং নিরাপত্তা।
Definition: A healthy boundary is a clear and respectful limit you set for yourself or others that protects your well-being, values, and personal space, while still respecting the other person’s needs and feelings.
এবার বলি ওপরের চারটা জিনিস কেন দরকারি এবং বাউন্ডারি সেটিং এ কীভাবে হেল্প করে?
১. সম্মান (Respect): আমি যে বলি শাসন না করে বাউন্ডারি সেট করুন, এর মূল কারণ হল শাসন শব্দটা এদেশের প্যারেন্টিং এ হয় ফিজিক্যাল নাহয় মেন্টাল এবিউজ, যার সাথে সম্মান শব্দটার বিপরীতার্থক সম্পর্ক। আমরা শিশুকে সম্মান করতে জানিনা, সেজন্য "শাসন" এ বিশ্বাসী। হেলদি বাউন্ডারি সেট করতে আপনাকে শিখতে হবে কীভাবে রেস্পেক্টফুলি শান্তভাবে কিছু নিষেধ করা যায় এবং সেটা শাসনের চাইতে অনেক ভালো কাজ করে।
২. স্পষ্টতা (Clarity): বাউন্ডারির ব্যাপারে ক্লিয়ার কাট কথা বলতে হবে। শুধু নিষেধ করলে বা নেগেটিভ ইন্সট্রাকশন দিলে শিশু কনফিউজড থাকে যে তাহলে কী করবে? একদম ছোট (১-২ বছর) বয়সী শিশুরা "না" কন্সেপ্টটাই ঠিকমতো বোঝে না। সেজন্য পজিটিভ ইন্সট্রাকটশন দিতে হবে। এটার জন্য আমার যে কন্টেন্টটা দেখলে ভালো বুঝবেন তার লিংক কমেন্টে। (১)
৩. ধারাবাহিকতা (consistency): যা নিষেধ করছেন তাতে অটল থাকতে হবে, একেকদিন একেক নিয়ম নয়, একই নিয়ম দেয়ার চেষ্টা করুন। যেমন: খাওয়ার সময় কোন স্ক্রিনটাইম না মানে না, বাসায় দেন না, কোথাও বেড়াতে গেলে দিলেন - এমনটা করা যাবে না। আবার মা কোন কিছু নিষেধ করলো, আবার বাবা সেটা দিয়ে দিল - এটাও করা যাবে না। এগুলো শিশুকে শেখায় আপনার বাউন্ডারি উইক, তখন সে সেটা ভাঙার নানা উপায় বের করবে, কাঁদেব, জেদ করবে ইত্যাদি।
৪. নিরাপত্তা: হেলদি বাউন্ডারি সেটিং এর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। শিশুকে ভয় দেখালে, শাস্তি দিলে সে সেইফ ফিল করবে না, এবং অনিরাপদ জায়গায় কেউ থাকতে চায় না। সে বাউন্ডারি না শিখে বরং শাস্তি থেকে বাঁচার বা পালানোর সুযোগ খুঁজবে।
তাহলে হেলদি বাউন্ডারি সেট করার নিয়ম হল-
- স্পষ্ট এবং শান্তভাবে পজিটিভ ইন্সট্রাকশন দিন। যেমন: "দৌঁড়াবে না!" না বলে বলা যায় "আমরা এখানে দৌঁড়াবো না বাবা। বাইরে গিয়ে দৌঁড়াবো।"
- শিশুর চোখের লেভেলে নেমে কথা বলুন, এতে ওরা ভয় না পেয়ে ভরসা পায়, কানেকশন বাড়ে।
- নিষেধ করার সাথে একটা বিকল্প কাজও অফার করুন। যেমন : দেয়ালে না এঁকে চল আমাদের হোয়াইট বোর্ডে আঁকি।
- ইয়া লম্বা ইন্সট্রাকশন/লেকচার দেবেন না, শিশুরা কনফিউজড হয়ে যায়, এতো ধৈর্যও ওদের নেই। চেষ্টা করুন যত অল্প কথায় বোঝানো যায়।
- চেষ্টা করুন নিয়ম না বদলানোর। যেমন: আগে ভাত খাবো, তারপর চক্লেট/ফল। কন্সিস্টেন্সি বজায় রাখুন।
- নিজের ইমোশন রেগুলেট করুন। এবং সেটা শুধু শিশুকে বোঝানোর সময় না, আপনার সারাদিনের প্র্যাক্টিসে আনুন। শিশুর সাথে ভালো ব্যবহার করে পার্টনার বা পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে চেঁচামেচি করলে ইমোশনাল রেগুলেশন প্র্যাক্টিস হবে না।
- শিশু যখন আপনার কথা মানে, বা বাউন্ডারি মানা শুরু করে, তার প্রশংসা করুন। প্রশংসা শিশুর উৎসাহ বাড়ায়।
**কখন প্রয়োজন হেলদি বাউন্ডারি?
- যখন নিষেধ সত্ত্বেও শিশু কথা শোনে না বা মানতে চায় না। কিছু উদাহরণ কমেন্টে দেয়া হল। (২)
Fariha Rashid
Parenting Page: The Cycle Breaker Mom
02/08/2025
💞
ভাই-বোন | প্রথম বন্ধু, প্রথম ঝগড়া… Lifelong Friend 💛 👫🏻 #siblinglove #friendship #familyfirst
💚💙💜ধন্যবাদ মেহরিশ বেবী 💥
16/06/2025
সন্তান কে 💚
১. অপমান নয়
শিশুর সামনে কাউকে অপমানজনক বা গালিভরা ভাষায় কিছু বলবেন না। এতে শিশু শিখে যায় রূঢ়ভাবে কথা বলাটাই স্বাভাবিক। সে নিজেও পরবর্তীতে সেই রকম ভাষা ব্যবহার করতে পারে।
২. তর্ক নয়
পরিবারের কোনো দ্বন্দ্ব বা ঝগড়া শিশুর সামনে করা উচিত নয়। শিশুর মনে এতে অস্থিরতা ও ভয় ঢুকে পড়ে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং সম্পর্ক নিয়ে নেতিবাচক ধারণা গড়ে তোলে।
৩. সত্য বলুন
শিশুদের সামনে মিথ্যা বললে তারা মনে করে মিথ্যা বলা স্বাভাবিক। ফলে তাদের চারিত্রিক গঠনে সততার অভাব দেখা দিতে পারে। সত্য বলা শিখিয়ে দিন ছোটবেলা থেকেই।
৪. সমালোচনা নয়
অন্যের দোষ বা খারাপ দিকগুলো শিশুদের সামনে বেশি বলা উচিত নয়। এতে শিশুদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব গড়ে ওঠে এবং তারা অন্যকে মূল্যায়নের বদলে দোষ ধরতে শেখে।
৫. ভয় দেখাবেন না
শিশুদের ভুল করলে ভয় দেখিয়ে নয়, বরং ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে বলা উচিত। ভয় দেখালে তারা আত্মবিশ্বাস হারায় এবং নিজের ভুল স্বীকার করতে ভয় পায়।
৬. অর্থকথা নয়
পরিবারের অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ে শিশুর সামনে আলোচনা না করাই ভালো। এতে তাদের মনে দুশ্চিন্তা বা অনিরাপত্তার অনুভব তৈরি হয়, যা মনঃসংযোগ ও বিকাশে বাধা দেয়।
৭. তুলনা নয়
শিশুকে অন্য কারো সঙ্গে তুলনা করা তাদের আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসে আঘাত করে। প্রত্যেক শিশু আলাদা, তাদের নিজের মতো গড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া উচিত।
৮. গঠনমূলক প্রশংসা
শিশুকে প্রশংসা করুন, তবে সেটা হোক গঠনমূলক ও উৎসাহমূলক। অকারণে বাড়াবাড়ি প্রশংসা করলে তা তাদের বাস্তববোধ কমিয়ে দিতে পারে।
৯. ব্যক্তিগত কথা নয়
দাম্পত্য কলহ বা ব্যক্তিগত গোপন কোনো বিষয় শিশুর সামনে আলোচনা করা ঠিক নয়। এতে তারা মানসিকভাবে চাপ অনুভব করে এবং অপ্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে বিভ্রান্ত হয়।
১০. ভদ্র ভাষা ব্যবহার করুন
আপনার ব্যবহৃত ভাষা যেন সবসময় ভদ্র ও পরিশীলিত হয়। শিশুরা যা শুনে, তাই শেখে। তাই অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করলে তারাও তা অনুসরণ করতে পারে।
১১. ধর্ম নিয়ে নেতিবাচকতা নয়
শিশুর মনে সব ধর্মের প্রতি সম্মানবোধ গড়ে তুলুন। কোনো ধর্ম নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করলে তারা অসহিষ্ণু হয়ে উঠতে পারে।
১২. নেগেটিভ খবর নয়
খুন, ধর্ষণ বা ভয়ংকর কোনো ঘটনা শিশুকে বলা উচিত নয়। এতে তারা আতঙ্কিত হয় ও রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
১৩. রূপ নিয়ে কটুক্তি নয়
কাউকে কালো, মোটা বা অন্য কোনো বাহ্যিক বিষয় নিয়ে উপহাস করবেন না। এতে শিশুর মনেও একই ধরণের বিচারবোধ জন্মায়, যা পরবর্তীতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
১৪. ভুলে রাগ নয়
শিশু ভুল করলে তার ওপর চিৎকার বা শাস্তি না দিয়ে ধৈর্য ধরে বোঝান। এতে তারা নিজের ভুল বুঝতে ও সংশোধন করতে শেখে।
১৫. নিন্দা নয়
অন্য কারো পেছনে সমালোচনা বা নিন্দা করবেন না। শিশুরা মনে করে এটি স্বাভাবিক আচরণ এবং তারা অন্যদের সম্মান করতে শেখে না।
১৬. উপেক্ষা নয়
শিশুর কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। এতে তারা বুঝতে পারে যে তাদের কথা মূল্যবান, যা আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
১৭. ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ নয়
শিশুকে শাসনের পরিবর্তে যুক্তি দিয়ে বোঝান। ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ করলে তারা শুধু সাময়িকভাবে কথা শুনবে, মনের ভেতর বিদ্রোহ জমবে।
১৮. উপহাস নয়
শিশুর কাজ বা কথা নিয়ে হাসাহাসি করা উচিত নয়। এতে তারা আত্মমর্যাদা হারায় ও নিজেদের প্রকাশে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।
১৯. সম্মান শেখান
শিশুকে শেখান, সব শ্রেণি-পেশার মানুষই সম্মানের যোগ্য। গৃহকর্মী, রিকশাওয়ালা বা অন্য যেকোনো মানুষকে সম্মান করলে শিশুর মূল্যবোধ উন্নত হয়।
২০. ভালোবাসা থাকুক
আপনার প্রতিটি কথায় যেন মমতা ও সহানুভূতি থাকে। শিশুরা ভালোবাসা থেকেই শেখে এবং মানবিক গুণাবলি অর্জন করে।
শিশুদের সামনে কথাবার্তায় সচেতনতা শুধু একটি অভ্যাস নয়, এটি একটি দায়িত্ব। তারা আমাদের প্রতিচ্ছবি। তাদের সামনে সদাচরণ মানেই আগামী প্রজন্মকে ইতিবাচক ও মানবিক করে গড়ে তোলা। আপনার প্রতিটি ভালো কথা, কোমল আচরণই শিশুর ভবিষ্যতের ভিত্তি মজবুত করে।
Collected
06/04/2025
দশ বছর হওয়ার আগেই শিশুকে শেখান!
প্রযুক্তি আমাদের জীবনযাপন সহজ করে দিচ্ছে। শিশুরাও খুব ছোট বয়সে নানা ধরনের গ্যাজেট চালাতে শিখে যায়। কিন্তু এসবই শিশু করছে মা–বাবার ছায়াতলে থেকে। কোনো কারণে যদি সে বিপদে পড়ে বা তাকে হঠাৎ করেই একা পথ চলতে হয়; তখন সে কী করবে? তাই আপনার শিশুর বয়স ১০ বছর হওয়ার আগেই তাকে শিখিয়ে রাখুন কিছু জীবনদক্ষতা। জীবনচলার পথ তো শিশুর জন্য প্রস্তুত করে রাখা যায় না, তার চেয়ে বরং শিশুকেই প্রস্তুত করতে হবে।
এসব দক্ষতা তার জীবনকে যেমন সহজ করবে, তেমনি আপনাকেও করবে নিশ্চিন্ত। এসব শিক্ষা সাধারণত প্রথাগত কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয় না। তাই এ ক্ষেত্রে শিশুর জীবনমুখী শিক্ষার শিক্ষক হয়ে উঠতে হবে মা-বাবাকেই।
•
আত্মরক্ষার প্রথম পাঠ:
আত্মরক্ষার কৌশল শেখানোর আগে শিশুকে আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে হবে। শিশুকে জানাতে হবে, কোনো পরিস্থিতিতেই মনোবল হারানো চলবে না, নিজের প্রতি বিশ্বাস হারানো যাবে না। শারীরিকভাবেও সুস্থ থাকা এবং দৌড়ের অভ্যাস জরুরি। আত্মরক্ষার প্রাথমিক পাঠ হলো কোথায় আঘাত করতে হবে, সেটা জানা। শিশুর জন্য সহজ হলো আক্রমণকারীর হাঁটুতে আঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া। এ ছাড়া আক্রমণকারীর ঘাড়, চোখ, কান ও নাকও সহজ লক্ষ্যবস্তু হতে পারে; যেখানে আঘাত করলে সহজেই কিছু সময়ের জন্য হামলাকারীকে বিভ্রান্ত করা যায় ও ব্যস্ত রাখা যায়।
•
মানচিত্র শেখানো এবং দিক চেনানো:
এটা বেশ ছোট বয়স থেকেই শেখানো যায়। শিশুর হাতে একটি গ্লোব দিয়ে দিন কিংবা ঘরের দেয়ালে টানিয়ে দিন বড় একটি বিশ্বের মানচিত্র। শিশু নিজেই অনেক কিছু শিখে যাবে। ছুটির দিনে বা সময় পেলে তাকে নিয়ে বসে দিক চেনান, বাড়ির আশপাশের এলাকাগুলো চিনিয়ে রাখুন। এতে কোনো দিন পথ হারালে বা ভুল করেও যদি কখনো বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে সে নিজেই বাড়ি চিনে ফিরে আসতে পারবে।
•
বাড়ির ঠিকানা ও টেলিফোন নম্বর শেখানো:
যখনই শিশু কথা বলতে শিখবে, তাকে বাড়ির ঠিকানা ও মা–বাবার টেলিফোন নম্বর শিখিয়ে ফেলুন। যেন কখনো বিপদে পড়লে সে মা–বাবার নাম, ঠিকানা বা টেলিফোন নম্বর বলতে পারে।
•
বিপদের বন্ধু চেনান:
শিশুকে চেনান বিপদে কে বন্ধু হতে পারে। পুলিশের পোশাক, র্যাব বা সেনাবাহিনীর পোশাক চেনান। কখনো ভিড়ের মধ্যে আপনাকে খুঁজে না পেলে যেন সে পোশাক দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের কাছে যেতে পারে এবং তাকে বিপদের কথা বুঝিয়ে বলতে পারে।
•
‘না’ বলতে শেখান:
আপনার শিশুকে ‘না’ বলতে শেখান। যেন মনের বিরুদ্ধে গিয়ে কেবল সমাজের চাপে তাকে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে না হয়। ছোটবেলা থেকেই এই অভ্যাস গড়ে তুললে বড় হয়েও সে স্বাধীনভাবে নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।
•
প্রাথমিক চিকিৎসা:
খেলতে গিয়ে কেটে-ছিঁড়ে গেলে কিংবা বন্ধুর হাত-পা কেটে গেলে শিশু যেন আতঙ্কিত না হয়ে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু দিতে পারে, তাকে সে জ্ঞান দিন। স্যাভলন বা অ্যান্টিসেপটিক দিয়ে ক্ষতস্থান পরিষ্কার, ব্যান্ডেজ বাঁধার মতো সহজ কাজগুলো শিখিয়ে দিন। তাকে শেখান হাত কেটে গেলে তা ব্যান্ডেজ করে যেন ওপরের দিকে তুলে রাখে। আর ঠিক কতটুকু কেটে গেলে দ্রুত বড়দের সাহায্য নিতে হবে, তা–ও বুঝিয়ে বলুন।
•
অর্থ ব্যবস্থাপনা:
শিশুকে অর্থের মূল্য শেখান। তার হাতখরচ বা ঈদের সালামি যেন সে কোনো ভালো কাজে ব্যয় করতে পারে, সেটা শেখান। অযথা খেলনা বা খাবারে অর্থ খরচ না করে কীভাবে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার করা যায়, টাকা জমিয়ে শখের জিনিস বা প্রয়োজনীয় জিনিস কেনা যায়, সে শিক্ষা তাকে দিন।
•
রান্নাঘরের ছোটখাটো কাজ:
আজকাল বাজারে শিশুদের ব্যবহারের জন্য প্লাস্টিকের ছুরি পাওয়া যায়। সেসব ব্যবহার করে টুকটাক সবজি কাটা, স্যান্ডউইচ বানানো, সাত বছর বয়সের পর মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার শেখান। কোনো দিন মা–বাবা বাড়িতে না থাকলে সে যেন ফ্রিজ থেকে খাবার বের করে গরম করে খেতে পারে বা নিজেই বড় পাত্র থেকে ছোট পাত্রে খাবার নিয়ে খেতে পারে, সেটুকু তাকে শিখিয়ে দিন।
তা ছাড়া বাড়িতে যখন আপনারা রান্না করবেন, তাঁকে সহায়তা করতে উৎসাহ দিন। ছোটখাটো কাজ, যেমন পেঁয়াজ-রসুনের খোসা ছাড়ানো, ফ্রিজ থেকে সবজি বের করে আনা, সিংক থেকে প্লেট-চামচ নিয়ে যথাস্থানে রাখা, খাবার টেবিলে প্রত্যেকের গ্লাসে পানি ঢেলে দেওয়ার মতো কাজের দায়িত্ব শিশুকে দিন।
•
এভাবে ছোটখাটো কাজের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলে আপনার শিশু যেমন আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে, তেমনি ভবিষ্যৎ জীবনের জন্যও তৈরি হতে শুরু করবে। বাড়ি থেকে কখনো দূরে পড়তে গেলে বা নতুন পরিবেশে গেলে খুব সহজেই সে মানিয়ে নিতে পারবে, নিজের যত্ন নিতে পারবে।
15/03/2025
শিশুদের খেলার সাথে ঘুমের একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানেও শিশুদের খেলার কথা বলা আছে। যেহেতু বর্তমানে শিশুদের বাইরে খেলার সুযোগ নেই এজন্য ইনডোর প্লেগ্রাউন্ডে শিশুরা খুব ভালো খেলাধুলা করে সময় কাটাতে পারে। শিশুরা খেলাধুলা করলে তাদের শারীরিক পরিশ্রম এবং শক্তি ব্যয় হয়, এতে ঘুম ভালো হয়। খেলার সময় শারীরিক পরিশ্রম এবং শক্তি ব্যয় শিশুদের জন্য ভালো ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গতিশীল এক্টিভিটি, আরোহণ এবং লাফ দেওয়া থেকে জাম্পিং,ব্লকিং নিশ্চিত করে যে বাচ্চারা এমন একটি শারীরিক পরিশ্রম অনুভব করে যা আরও দক্ষ এবং বিশ্রামের ঘুমের জন্য অবদান রাখে। খেলার সময় নিঃসৃত এন্ডোরফিনগুলি সুস্থতার অনুভূতিতে আরও অবদান রাখে, মানসিক চাপ কমাতে এবং মানসম্পন্ন ঘুমের জন্য অনুকূল একটি শান্ত অবস্থার প্রচার করতে সহায়তা করে।
সক্রিয় খেলাকে উৎসাহিত করে এমন একটি পরিবেশ গড়ে তোলার মাধ্যমে, আমাদের ইনডোর খেলার মাঠ শিশুদের মধ্যে সুস্থ ঘুমের ধরণ প্রতিষ্ঠার জন্য বেশ সহযোগী হয়ে ওঠে।