শ্যামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, মেহেরপুর

শ্যামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, মেহেরপুর

Share

শ্যামপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রচারণার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ।

13/04/2025

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতা, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সদস্য, মেহেরপুর জেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান সৃজনশীল ও সুস্থ্য ধারার রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব, আমার রাজনৈতিক নীতি ও আদর্শ শিক্ষার বিজ্ঞ আইনজীবী মো: আব্দুস সালামকে কোন মামলা ছাড়াই মেহেরপুর পুলিশ রাত দুইটার সময় বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করেছে ।
ইতিপূর্বে এড. আব্দুস সালামের বাড়ি ৫ই আগষ্ট সন্ধায় দূরবত্বরা আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয় এবং ধনমন্ডি ৩২ নম্বর ভাংচুরের দিন আবারো হামলা ও অগ্নি সংযোগ করে।
তার অপরাধ তিনি একজন মুজিব আদর্শের শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পরীক্ষিত সৈনিক।
তিনি আইনজীবী হিসেবে মেহেরপুরে যেসকল আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীকে কোন প্রকার এজহারভুক্ত আসামী ও অজ্ঞাতনামাসহ সকল প্রকার আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের মামলা বিনা পারিশ্রমিকে ৫ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে আইনি সহয়তা দিয়ে আসছেন।

গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরন করেন।

বিনা মামলায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

09/11/2024

⁨১০ নভেম্বর শহিদ নূর হোসেনের স্মরণে ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল

বিকাল ৩টা,
শহিদ নূর হোসেন চত্বর,
জিরো পয়েন্ট, ঢাকা
------------------------------
আগামী ১০ নভেম্বর শহিদ নূর হোসেন দিবস। অবরুদ্ধ গণতন্ত্র মুক্তি ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় শহিদ নূর হোসেনের আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয়। গণতন্ত্রের জন্য এই ভূ-খণ্ডের মানুষের লড়াই-সংগ্রামের ইতিহাস দীর্ঘ। ১৯৪৭ সালে ভ্রান্ত নীতি দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে গঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রের যাত্রাটা গণতান্ত্রিক ছিল। তৎকালীন পশ্চাৎপদ সামন্তবাদী সমাজ ও অগণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় বাঙালির গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে জন্ম হয়েছিল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পথ-পরিক্রমায় ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য বাঙালির রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও আর্থ-সামাজিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। পৃথিবীর মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের।

সদ্য স্বাধীন দেশে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ছিল একটি সংবিধান। এ রকম পরিস্থিতিতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকা সরকার সংবিধান প্রণয়নের দোহাই দিয়ে ক্ষমতাকে প্রলম্বিত করে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তার নজির রয়েছে। যেমন- পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রথম শাসনতন্ত্র প্রণীত হয়েছিল পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ৯ বছর পর। অথচ গণতান্ত্রিক আদর্শ ও মূল্যবোধের প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা ছিল বলেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মাত্র ৯ মাসের মধ্যে দেশের মানুষকে সর্বোৎকৃষ্ট একটি সংবিধান উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে একটি গভীর খাদে ফেলে দেয়।

বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূ-লুণ্ঠিত হয়। দীর্ঘসময় সামরিক স্বৈরশাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট হয় বাংলার জনগণ। এ রকম অন্ধকারাচ্ছন্ন সময়ে এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আপসহীন মনোভাব নিয়ে বিরামবিহীনভাবে নেতৃত্ব দিয়ে যান জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ এই লড়াইয়ে অনেক মানুষ জীবন উৎসর্গ করেছে। তবে আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে যুবলীগ নেতা নূর হোসেনের আত্মত্যাগ বিশেষভাবে স্মরণীয়। 'স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক'- স্লোগান বুকে-পিঠে ধারণ করে নূর হোসেন ছিলেন মিছিলের অগ্রসেনানী, গণতান্ত্রিক চেতনায় প্রত্যয় দীপ্ত যুবক। মিছিলে স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর ঘাতক বুলেট কেড়ে নেয় নূর হোসেনের প্রাণ। গণতন্ত্রের জন্য নূর হোসেনের এই আত্মত্যাগ ব গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় পুনঃপ্রবেশে বাংলাদেশের জন্য নতুন পথরেখা নির্মাণ করে।

শহিদ নূর হোসেন দিবস এমন সময়ে সমাগত যখন বাংলাদেশে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই। অগণতান্ত্রিকভাবে একটি অবৈধ ও অসাংবিধানিক সরকার রাষ্ট্রক্ষমতা কুক্ষিগত করেছে। দেশের জনগণের ইচ্ছা-অভিলাষের প্রতি তোয়াক্কা না করে তারা জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসেছে। একটি আন্দোলনকে হস্তগত করে তার দোহাই দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে ভূ-লুণ্ঠিত করছে। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এই অবৈধ ও অসাংবিধানিক সরকার পক্ষপাতদুষ্টুভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধেকে নির্বাসিত করছে। ক্ষমতা কুক্ষিগতকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রনোদিতভাবে আওয়ামী লীগসহ গণতান্ত্রিক চেতনায় বিশ্বাসী প্রগতিশীল মানুষদের উপর অত্যাচার নির্যাতন চালাচ্ছে। এই অবৈধ সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নির্বিচারে গণহত্যা ও বাছ-বিচারহীনভাবে গণগ্রেফতার চালানো হচ্ছে। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীসহ অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে তা গণহত্যার শামিল। সরকারের প্রত্যক্ষ সারা দেশে মব সন্ত্রাস চালিয়ে ভিন্নমত দমনের নিকৃষ্ট অপকৌশল গ্রহণ করা হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক, মানুষের জানমালের কোনো নিরাপত্তা নেই।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠলেও সরকারের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। খাদ্য মূল্যস্ফীতি স্মরণকালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। যেহেতু সরকারের কোনো আইনগত, রাজনৈতিক ও সামাজিক বৈধতা নেই সেহেতু জনসাধারণের প্রতি তারা কোনো দায়বদ্ধতা প্রদর্শন করছে না। বরং কেউ কোনো নাগরিক দাবিতে সোচ্চার হলে সরকার বেআইনিভাবে ক্ষমতা প্রদর্শনের একটা অভিনব পন্থা আবিষ্কার করেছে। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী অগণতান্ত্রিক এই গোষ্ঠীর মতিভ্রম হয়েছে। ফলে তারা রাষ্ট্রে ও সমাজে বিদ্যমান গণতান্ত্রিক শক্তিকে ধ্বংস করে গোষ্ঠীতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায়ে রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে দ্বন্দ্বে লিপ্ত হচ্ছে এবং অভূতপূর্ব নৈরাজ্যবাদ কায়েম করেছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে সঠিক পন্থায় আনতে হলে গণতান্ত্রিক চেতনায় বিশ্বাসী জনগণকে ভেদাভেদ ভুলে ঐক্য গড়ে তুলতে হবে এবং এই অগণতান্ত্রিক অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই চলমান রাখতে হবে। এই লড়াইয়ে শহিদ নূর হোসেনের আত্মত্যাগ আমাদের সীমাহীন প্রেরণা জোগাবে।

আগামী ১০ নভেম্বর ২০২৪, রবিবার, বিকাল ৩টায় শহিদ নূর হোসেন চত্বরে অগণতান্ত্রিক শক্তির অপসারণ এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত মিছিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসমূহের নেতাকর্মীসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে। একই সাথে দেশব্যাপী সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানানো যাচ্ছে।

জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।⁩

27/09/2024

তাঁর চোখে আজও স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ
--------

বাংলাদেশকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তিনি। তাঁকে নিয়েও স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। তাঁর চোখে স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। যে স্বপ্ন নিয়ে ১৯৭১ সালে স্বাধীন হয়েছিল বাংলাদেশ, সপরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্য দিয়ে সেই স্বপ্নের সমাধি গড়তে চেয়েছিল প্রতিক্রিয়াশীল অপশক্তি। যাঁর নেতৃত্বে এই অপশক্তিকে রুখে দিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ, তিনি শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের রাজনীতিতে চার যুগেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় তিনি। তাঁর হাত ধরে বাংলাদেশের ইতিবাচক সব অর্জন। ১৯৮১ সালে, যখন জান্তার বুটের তলায় পিষ্ট প্রিয় স্বদেশ, তিনি এসেছিলেন অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে মুক্ত করতে। সেই থেকে জনকল্যাণের কঠোর ব্রত সাধনায় তাঁর দীর্ঘ পথচলা। বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়েছেন তিনি। পায়ে পায়ে পাথর সরিয়ে দেশের মানুষের জন্য তৈরি করেছিলেন গণতন্ত্রের এক শক্ত ভূমি। সেই পবিত্র ভ‚মি আজ আবার অপশক্তির দখলে। আজ তিনি আবার পরবাসে।
১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার অপপ্রয়াস কম হয়নি। সেই অবস্থা থেকে আজকের উত্তরণে যিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তিনি শেখ হাসিনা। তাঁর সাহসী নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুনর্গঠিত হয়েছে। সেই অবস্থা থেকে আজকের উত্তরণে যিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তিনি শেখ হাসিনা। তাঁর সাহসী নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুনর্গঠিত হয়েছে। নেতিবাচক অবস্থান থেকে বিশ্বে ইতিবাচক দেশ হিসেবে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে।
১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার অপপ্রয়াস কম হয়নি। যেমনটি এখন আবার নতুন করে চলছে। অভ্যন্তরীণ প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে একটি ’চেপে বসা অপশক্তি’ আজ আবার বাংলা ও বাঙালির স্বাধীনতা বিপন্ন করে তুলেছে।

১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসার পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি যে প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়ে চলেছেন, এককথায় তা তুলনাহীন। তিনি দেশের ভবিষ্যতের জন্য উৎসর্গ করেছেন নিজের বর্তমান। ব্যক্তিগতভাবে বর্তমানকে ভোগ করেন না তিনি। তিনি যেমন চেনেন বাংলার শ্যামল প্রকৃতি। তেমনি বাংলার মানুষ চেনে তাঁকে। বাঙালির সঙ্গে নিবিড় যোগসূত্র তাঁর জন্মান্তরের। দেশের মানুষের আস্থা ও অস্তিত্বে তাঁর স্থায়ী আসন। মানুষের পাশে থাকেন সবসময়। তাঁর চিন্তা ও চেতনায় কেবলই বাংলাদেশ ও দেশের মানুষ। তাঁর স্বপ্নের আঙিনায় যে সবুজ মানচিত্রটি আঁকা, সেটি বাংলাদেশের।

এদেশের মানুষের আস্থার প্রতীক তিনি। বাংলাদেশ আজকের রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। বাংলাদেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের অগ্রনায়ক তিনি। স্বাভাবিকভাবেই, বলার অপেক্ষা রাখে না, তাঁকে ঘিরেই সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ। আজ পেছন ফিরে তাকালে দেখতে পাই, তিন যুগ আগে জনক্যলাণের ব্রত সাধনার মন্ত্রে নতুন দীক্ষা নিয়ে তিনি পিতৃভ‚মিতে পা রেখেছিলেন। তাঁর আত্মার আত্মীয় বাংলার মানুষ হার্দিক উষ্ণতায় তাঁকে বরণ করে নিয়েছিল। আকাশ ভাঙা বৃষ্টির মধ্যে তিনিও তো সেদিন ভেসে গিয়েছিলেন আবেগের অশ্রæতে। নিজেকে উজাড় করে দিয়ে তিনি আজ মুক্তিকামী মানুষের মুক্তির মূর্ত প্রতীক। নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে দেশে পা রাখার পর দুর্গম পথ পাড়ি দিতে হয়েছে তাঁকে। কিন্তু ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে দেশের মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিবেদন করে তিনি পায়ে পায়ে মাড়িয়েছেন পথের পাথর। পাথেয় করেছেন আজীবনের দীক্ষা কল্যাণব্রত। ফলে কোনোকিছুই তাঁর চলার পথ রুদ্ধ করতে পারেনি। ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে আসার পর ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে তিনি সংসদে প্রথমবারের মত নির্বাচিত হন। বসেন বিরোধীদলীয় নেত্রীর আসনে। ১৯৮৮ সালে পদত্যাগ করেন, জনস্বার্থে। তারপর যুগপৎ আন্দোলন-সংগ্রাম। তাঁকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে কয়েকবারÑচট্টগ্রামে, কোটালিপাড়ায়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে গ্রেনেড হামলা করা হয়েছে। প্রতিবারই বাংলার মানুষের ভালোবাসার কাছে পরাজিত হয়েছে শত্রæ। তারপরও ষড়যন্ত্র কম হয়নি তাঁকে নিয়ে। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই তাঁকে গ্রেপ্তার করাটাও ছিল গভীর এক ষড়যন্ত্র । ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হয়ে দেশে ফিরে আসার পর থেকে ১৯৮৩, ১৯৮৫, ১৯৯০ ও ২০০৭ সালে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে। তাঁর ক্লান্তিহীন পথরেখায় কোনো ছেদচিহ্ন পড়েনি। তিনি শেখ হাসিনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা তিনি। বাংলাদেশের মানুষের আশা, ভরসা ও বিশ্বাসের কেন্দ্রে তিনি।

কল্যাণমন্ত্রে যাঁর দীক্ষা, রবীন্দ্রনাথের ভাষায় ‘মানুষের ধর্ম’ যিনি ধারণ করেন হৃদয়ে, জনগণের সেবা যাঁর ব্রত, তিনিই তো অমৃতের সন্তান। সামরিকতন্ত্র ও ‘কার্ফিউ গণতন্ত্রে’র দেড় দশকের দুঃশাসন এবং গণতন্ত্রের নামে দুই দফায় এক দশকের অপশাসনের মূলোৎপাটন করে যিনি বাংলাদেশকে আজ নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। আজকের বাংলাদেশকে নিয়ে তাই উ”ছ¡সিত সারা বিশ্ব। একটা সময় ছিল, যখন বাংলাদেশকে নিয়ে সংশয় ছিল সারা বিশ্বের। সেই অবস্থা থেকে আজকের উত্তরণে যিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, তিনি শেখ হাসিনা। তাঁর সাহসী নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুনর্গঠিত হয়েছে। নেতিবাচক অবস্থান থেকে বিশ্বে ইতিবাচক দেশ হিসেবে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছে।
নিষ্পিষ্ট গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য সব রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে তিনি বিদেশের নিশ্চিত জীবন ছেড়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাল ধরেছিলেন। পঁচাত্তর পরবর্তীকালে অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগের ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু পারিবারিক ঐতিহ্য থেকে পাওয়া দুর্জয় সাহস ও অনমনীয় মানসিক শক্তি নিয়ে তিনি এগিয়ে গেছেন।

যে অসা¤প্রদায়িক গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক চেতনা তিনি ধারণ করেন, তা বাস্তবায়নে তাঁর দার্ঢ্য আমাদের বিস্মিত করে। তাঁর এই দৃঢ়তার পরিচয় আমরা পেয়েছি ওয়ান-ইলেভেন নামের চেপে বসা শাসনামলেও। রাজনীতি থেকে তাঁকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। মিথ্যা মামলা, দীর্ঘদিনের কারাবাস তাঁকে তাঁর লক্ষ্য থেকে বিচ্যূত করতে পারেনি। তিনি সিদ্ধান্তে অটল থেকেছেন। তাঁর এই অনমনীয় মনোভাব দেশের মানুষকে সাহস জুগিয়েছে।

১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যখন দেশ পরিচালনার ভার নেয়, তখন দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় অনেক জঞ্জাল জমেছে। আগের বিএনপি সরকারের দুঃশাসন প্রশাসন থেকে আর্থসামাজিকÑসর্বক্ষেত্রে বিস্তার লাভ করেছিল। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেই সেই জঞ্জাল দূর করতে সচেষ্ট হন। অনেকাংশে সফলও হয়েছিলেন। কিন্তু ২১ বছরের জমে থাকা জঞ্জাল তো মাত্র পাঁচ বছরে দূর করা সম্ভব নয়। ২০০৯ সালে জনগণের রায়ে দেশ পরিচালনার ভার নিয়েই নতুন উদ্যোগে যাত্রা শুরু করেন তিনি। বাংলাদেশের আজকের রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় শেখ হাসিনার অবদান অনস্বীকার্য। এই অর্জন ধরে রাখতে ও উন্নত দেশ হিসেবে নিজেদের তুল ধরতে তাঁর গতিশীল নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই।

‘মানুষের দায় মহামানবের দায়, কোথাও সীমা নেই। অন্তহীন সাধনার ক্ষেত্রে তার বাস।...দেশ কেবল ভৌমিক নয়, দেশ মানসিক। মানুষে মানুষে মিলিয়ে এই দেশ জ্ঞানে জ্ঞানে, কর্মে কর্মে।...আমরাও দেশের ভবিষ্যতের জন্য বর্তমানকে উৎসর্গ করেছি। সেই ভবিষ্যেক ব্যক্তিগতরূপে আমরা ভোগ করব না।...ভবিষ্যতে যাঁদের আনন্দ, যাঁদের আশা, যাঁদের গৌরব, মানুষের সভ্যতা তাঁদেরই রচনা। তাঁদেরই স্মরণ করে মানুষ জেনেছে অমৃতের সন্তান, বুঝেছে যে তার সৃষ্টি, তার চরিত্র মৃত্যুকে পেরিয়ে।’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই কথাগুলো শেখ হাসিনার জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য। তিনি দেশের ভবিষ্যতের জন্য উৎসর্গ করেছেন নিজের বর্তমান। ব্যক্তিগতভাবে বর্তমানকে ভোগ করেন না তিনি। আর সে কারণেই তিনি যেমন চেনেন বাংলার শ্যামল প্রকৃতি, তেমনি বাংলার মানুষ চেনে তাঁকে। বাঙালির সঙ্গে নিবিড় যোগসূত্র তাঁর জন্মান্তরের। দেশের মানুষের আস্থা ও অস্তিত্বে তাঁর স্থায়ী আসন। মানুষের পাশে থাকেন সব সময়।

শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই ‘মানুষের ধর্ম’ তাঁর ব্রত। তাঁর বাবা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘সর্বজনীন ও সর্বকালীন মানব’ হিসেবে বাঙালি জাতির হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গকারী এই মহামানবের কন্যা শেখ হাসিনাও নিজেকে উৎসর্গ করেছেন মানুষের কল্যাণে। রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম, পারিবারিকভাবেই তাই ‘কল্যাণমন্ত্রে দীক্ষা’ হয়েছে শৈশবে। রবীন্দ্রনাথের কথা ধার করেই তাঁর সম্পর্কে বলা যেতে পারে, তিনি ‘সদা জনানাং হৃদয়ে সন্নিবিষ্টঃ’।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, ‘মানুষ আছে তার দুই ভাবকে নিয়ে একটা তার জীবভাব, আর-একটা বিশ্বভাব। জীব আছে আপন উপস্থিতিকে আঁকড়ে, জীব চলছে আশু প্রয়োজনের কেন্দ্র প্রদক্ষিণ করে। মানুষের মধ্যে সেই জীবকে পেরিয়ে গেছে যে সত্তা সে আছে আদর্শ নিয়ে। এই আদর্শ অন্নের মতো নয়, বস্ত্রের মতো নয়। এ আদর্শ আন্তরিক আহŸান, এ আদর্শ একটা নিগূঢ় নির্দেশ।’ পিতৃআদর্শের সেই আন্তরিক আহŸান কিংবা নিগূঢ় নির্দেশেই সামরিক জান্তার রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ফিরে এসেছিলেন পিতৃভূমিতে। তিনি ছিলেন নিতান্তই একাÑএমনটি উপলব্ধি হতে পারে অনেকেরই। কিন্তু নিজ বাসভূমে মাটির সন্তানকে যে একাকীত্ববোধ গ্রাস করবে না, তা প্রমাণ হয়ে গিয়েছিল ১৯৮১ সালে। মানুষকে মুক্তির দিশা দিতে পারেন, এমন একজন মানুষের বড় প্রয়োজন ছিল তখন। ঐ সময়ের একমাত্র দাবি ছিল সেটাই। শুধু সময়ের দাবি মেটাতেই নয়, মুক্তিকামী মানুষকে নতুন করে মুক্তির দিশা দিতেই তিনি ফিরে এসেছিলেন এই বিরান বাংলায়। মানুষের স্বতঃস্ফ‚র্ত আহŸান উপেক্ষা করতে পারেননি তিনি। মানুষের আকুল আহŸান উপেক্ষা করবেন, এমন রক্তধারা তাঁর শরীরে প্রবহমান নয়। মাটির টান আর মানুষের প্রবল ভালোবাসা সেদিন তাঁকে জুগিয়েছিল অদম্য সাহস ও শক্তি। শক্তির বলেই তিনি সেদিন নিতে পেরেছিলেন সামরিকতন্ত্রকে উপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত। পেছনে ফেলে এসেছিলেন নারীর নিশ্চিত সংসার। ফেলে এলেন প্রিয়তম স্বামী ও দুই সন্তান। সেদিন বাংলার মানুষ তাঁকে বরণ করে নিয়েছিল অশ্রæবৃষ্টির ভেতর দিয়ে। সেদিনের বিশাল জনসমুদ্র তাঁকে জানিয়ে দিয়েছিল, তিনি একা নন। এই জাতি তাঁর সঙ্গে। জাতির সেই ভালোবাসা ও আস্থার জবাবে তিনিও জানিয়েছিলেন, বাংলার মানুষের দৈন্য দূর করতে তাঁর জীবন উৎসর্গীকৃত। সেদিন নিজেকে জাতির কাছে উজাড় করে দিয়েছিলেন তিনি। ‘কার্ফিউ’ গণতন্ত্রের ভিত্তি নাড়িয়ে দিয়ে মানুষের নতুন মুক্তির ভিত্তি রচনা হলো সেই দিন।

১৯৮৬ সালের নির্বাচনে তিনি সংসদে প্রথমবারের মত নির্বাচিত হন। বসেন বিরোধীদলীয় নেত্রীর আসনে। জনস্বার্থে ১৯৮৮ সালে পদত্যাগ করলেন। তারপর যুগপৎ আন্দোলন-সংগ্রাম। তাঁকে হত্যার চেষ্টা হয়েছে কয়েকবারÑচট্টগ্রামে, কোটালিপাড়ায়। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে গ্রেনেড হামলা করা হয়েছে। বাংলার মানুষের ভালোবাসার কাছে পরাজিত হয়েছে শক্র। তারপরও ষড়যন্ত্র কম হয়নি তাঁকে নিয়ে। ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই তাঁকে গ্রেপ্তার করাটাও ছিল গভীর এক ষড়যন্ত্র । ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হয়ে দেশে ফিরে আসার পর থেকে ১৯৮৩, ১৯৮৫, ১৯৯০ ও ২০০৭ সালে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁকে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির আন্তর্জাতিক গুরুত্ব ও স্বীকৃতির চিহ্ন হিসাবে শেখ হাসিনা ১৯৯৯ সালে ২২ সেপ্টেম্বর ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কার পান। কৃষিতে অসামান্য অবদানের জন্য শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক সেরেস পুরস্কারে ভূষিত হন। ইউনেস্কো এবার শান্তিবৃক্ষ পদকে ভূষিত করেছে তাঁকে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক অর্জন তাঁর। কিন্তু সবচেয়ে বড় অর্জন দেশের মানুষর আস্থা ও ভালবাসা। তিনি মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। মানুষ তার প্রতিদানে আবারও তাঁর দলকে ভোটের মাধ্যমে নিয়ে এসেছে ক্ষমতায়।
পরিবির্তিত পরিস্থিতিতে আজ আবার পরবাসী তিনি। কিন্তু আমরা জানি তাঁর চিন্তা ও চেতনা জুড়ে বাংলার মানুষ। মানুষের স্বপ্নের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে শিগগিরই তিনি ফিরে আসবেন পিতৃভ‚মিতে, সে অপেক্ষায় দেশের সর্বস্তরের মানুষ।
তাঁর দৃঢ়তার পরিচয় আমরা পেয়েছি ওয়ান-ইলেভেন নামের চেপে বসা শাসনামলেও। রাজনীতি থেকে তাঁকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে।
বাংলাদেশের ইতিবাচক পরিবর্তনের অগ্রনায়ক তিনি। তাঁকে ঘিরেই সুন্দর আগামীর স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ। এ দেশের মানুষের আস্থার প্রতীক তিনি। আজ তাঁর জন্মদিনে আমাদের সশ্রদ্ধ প্রণতি। দীর্ঘজীবী হোন তিনি। মানুষের ভালোবাসার সম্পদে সমৃদ্ধ হোক তাঁর আগামী দিনগুলো। অমৃতের সন্তান শেখ হাসিনাকে তাঁর জন্মদিনে সশ্রদ্ধ প্রণতি।

লেখক: এম. নজরুল ইসলাম
সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং অস্ট্রিয়াপ্রবাসী মানবাধিকারকর্মী, লেখক ও সাংবাদিক

27/09/2024

জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৮তম
জন্মদিনের শুভেচ্ছা!

#আওয়ামীলীগ_মেহেরপুর #মেহেরপুর
#আব্দুস_সালাম

09/09/2024

“মুগ্ধ” তোমার সহযোদ্ধাদের কাছে মাসুদ পানি চাইছে !

মুগ্ধ “ নাম বর্তমান সমাজে সবচেয়ে তৃষ্ণাত্ব পিপাসা মেটানোর নাম। যে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মুগ্ধ পিপাসা থাকা মানুষকে পান দিচ্ছিলো । আর বলে ছিলো “পানি লাগবে পানি”
মুগ্ধ হয়তো তার সহযোদ্ধাদের শিখিয়ে যেতে পারেনি । পিপাসা কাতর থাকা মৃত্যু পথ যাত্রীকে পানি দিতে হয়।
আব্দুল্লাহ আল মাসুদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ।মাসুদ আর এই পৃথিবীতে নেই , ০৭/০৯/২০২৪ইং শারীরিকভাবে অক্ষম মাসুদ ভাই'কে আবারও নির্মমভাবে পিটিয়েছে শিবির হাসপাতালে মারা গেছেন।মাসুদ গত ৩ সে‌প্টেম্বর কন্যা সন্তা‌নের জনক হয়েছেন, তার বড় পরিচয় ছিলো বাবা । কোন সন্তান তার বাবা মৃত্যু মানতে পারবে না। মাসুদ ফেসবুক পোস্ট করেন বলেন আলহাম্মদুলিল্লাহ আমি কন্যা সন্তানের বাবা হয়েছি ।রাতে রাজশাহীর বিনোদপুর বাজার থেকে ওষুধ আর বাচ্চা দুধ কিনে ফেরার পথে তার উপর হামলা হয় । ছাত্র সমন্বয়ক ( শিবির )সালাউদ্দিন আম্মান , সমন্বয়ক এবং শিবিরের নেতা (সাথী)
মাসুদ যদি অপরাধী হয়ে থাকে তবে আইনের হাতে তুলে দেওয়া উচিৎ ছিলো ।
বাংলাদেশ সকল মিডিয়া চুপ বাক্ স্বাধীনতা যুগে কেন চুপ আপনাদের সাংবাদিকদের কন্ঠ।
একজন স্ত্রী তার সন্তান পাঁচ দিনের সন্তানকে এ‌ই প্রজন্ম তরুন রা কি শান্তনা দেবে ? কে নেবে হত্যার দায় ? আইন কি ব্যবস্থা নেবে ?হয় কোন বিচার হবে না।
আইন শৃণ্খলা কতটা দূর্বল হলে অত্যাচারে ভিডিও করে সেটা গনমাধ্যমে ছাড়া হয় ।নৃশংসতা যাদের ভেতরে থাকে, তাদের ভেতরে থাকে না বোধ।একটা বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হবার পরে তার পাশে একজন বাবার উপস্থিতি কতটা অপরিহার্য সেটা একজন বাবাই জানেন। চিরকালের বাবার স্নেহ থেকে সদ্য পৃথিবীতে আসা নবজাতক বঞ্চিত হলো।
এই মধ্যমানবতা যুগে এসে ও নির্যাতনের মাধ্যমে নির্মম ভাবে হত্যা করা হলো । মৃত্যু আগে সে অনেক বার পানি চেয়েছিলো , কিন্ত মুগ্ধের সহ কর্মীরা তাকে পানি দেয়নি ।
আমরা জাতি হিসাবে কতটা নির্লজ্জ যে একা মৃত্যু ব্যক্তিকে পানি দেয়নি ।



Want your business to be the top-listed Government Service in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Meherpur
Khulna
7100