13/04/2025
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র নেতা, মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মানিত সদস্য, মেহেরপুর জেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান সৃজনশীল ও সুস্থ্য ধারার রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব, আমার রাজনৈতিক নীতি ও আদর্শ শিক্ষার বিজ্ঞ আইনজীবী মো: আব্দুস সালামকে কোন মামলা ছাড়াই মেহেরপুর পুলিশ রাত দুইটার সময় বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার করেছে ।
ইতিপূর্বে এড. আব্দুস সালামের বাড়ি ৫ই আগষ্ট সন্ধায় দূরবত্বরা আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয় এবং ধনমন্ডি ৩২ নম্বর ভাংচুরের দিন আবারো হামলা ও অগ্নি সংযোগ করে।
তার অপরাধ তিনি একজন মুজিব আদর্শের শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পরীক্ষিত সৈনিক।
তিনি আইনজীবী হিসেবে মেহেরপুরে যেসকল আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীকে কোন প্রকার এজহারভুক্ত আসামী ও অজ্ঞাতনামাসহ সকল প্রকার আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের মামলা বিনা পারিশ্রমিকে ৫ই আগষ্ট পরবর্তী সময়ে আইনি সহয়তা দিয়ে আসছেন।
গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করলে বিজ্ঞ আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরন করেন।
বিনা মামলায় গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
27/09/2024
জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৮তম
জন্মদিনের শুভেচ্ছা!
#আওয়ামীলীগ_মেহেরপুর #মেহেরপুর
#আব্দুস_সালাম
09/09/2024
“মুগ্ধ” তোমার সহযোদ্ধাদের কাছে মাসুদ পানি চাইছে !
মুগ্ধ “ নাম বর্তমান সমাজে সবচেয়ে তৃষ্ণাত্ব পিপাসা মেটানোর নাম। যে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মুগ্ধ পিপাসা থাকা মানুষকে পান দিচ্ছিলো । আর বলে ছিলো “পানি লাগবে পানি”
মুগ্ধ হয়তো তার সহযোদ্ধাদের শিখিয়ে যেতে পারেনি । পিপাসা কাতর থাকা মৃত্যু পথ যাত্রীকে পানি দিতে হয়।
আব্দুল্লাহ আল মাসুদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ।মাসুদ আর এই পৃথিবীতে নেই , ০৭/০৯/২০২৪ইং শারীরিকভাবে অক্ষম মাসুদ ভাই'কে আবারও নির্মমভাবে পিটিয়েছে শিবির হাসপাতালে মারা গেছেন।মাসুদ গত ৩ সেপ্টেম্বর কন্যা সন্তানের জনক হয়েছেন, তার বড় পরিচয় ছিলো বাবা । কোন সন্তান তার বাবা মৃত্যু মানতে পারবে না। মাসুদ ফেসবুক পোস্ট করেন বলেন আলহাম্মদুলিল্লাহ আমি কন্যা সন্তানের বাবা হয়েছি ।রাতে রাজশাহীর বিনোদপুর বাজার থেকে ওষুধ আর বাচ্চা দুধ কিনে ফেরার পথে তার উপর হামলা হয় । ছাত্র সমন্বয়ক ( শিবির )সালাউদ্দিন আম্মান , সমন্বয়ক এবং শিবিরের নেতা (সাথী)
মাসুদ যদি অপরাধী হয়ে থাকে তবে আইনের হাতে তুলে দেওয়া উচিৎ ছিলো ।
বাংলাদেশ সকল মিডিয়া চুপ বাক্ স্বাধীনতা যুগে কেন চুপ আপনাদের সাংবাদিকদের কন্ঠ।
একজন স্ত্রী তার সন্তান পাঁচ দিনের সন্তানকে এই প্রজন্ম তরুন রা কি শান্তনা দেবে ? কে নেবে হত্যার দায় ? আইন কি ব্যবস্থা নেবে ?হয় কোন বিচার হবে না।
আইন শৃণ্খলা কতটা দূর্বল হলে অত্যাচারে ভিডিও করে সেটা গনমাধ্যমে ছাড়া হয় ।নৃশংসতা যাদের ভেতরে থাকে, তাদের ভেতরে থাকে না বোধ।একটা বাচ্চা ভূমিষ্ঠ হবার পরে তার পাশে একজন বাবার উপস্থিতি কতটা অপরিহার্য সেটা একজন বাবাই জানেন। চিরকালের বাবার স্নেহ থেকে সদ্য পৃথিবীতে আসা নবজাতক বঞ্চিত হলো।
এই মধ্যমানবতা যুগে এসে ও নির্যাতনের মাধ্যমে নির্মম ভাবে হত্যা করা হলো । মৃত্যু আগে সে অনেক বার পানি চেয়েছিলো , কিন্ত মুগ্ধের সহ কর্মীরা তাকে পানি দেয়নি ।
আমরা জাতি হিসাবে কতটা নির্লজ্জ যে একা মৃত্যু ব্যক্তিকে পানি দেয়নি ।