খুলনা জাতীয় পার্টি - Khulna Jatiya Party

খুলনা জাতীয় পার্টি - Khulna Jatiya Party

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from খুলনা জাতীয় পার্টি - Khulna Jatiya Party, Political Party, Khulna.

01/10/2020

পল্লীবন্ধুর রুহের মাগফেরাত কামনায় একটি উচ্চতর ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর পরিকল্পনা করছি। আপনাদের মতামত আশা করছি নামটি কেমন হবে? আমাদের পছন্দের টি নিচে লিখলাম।

03/02/2019
21/04/2018

রাষ্ট্রপতি এইচ এম এরশাদ মাংসের দোকানে

পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রপতি থাকা কালিন , প্রতি মাসে ৩ থেকে ৭ দিন নিজে বাজারে যেতেন এবং মাছ মাংস তরি তরকারি সঠিক দামে বিক্রি করছেন কিনা , সাধারন জনতার কাছে বেশী দাম রাখছে কিনা তা এসে দেখতেন এবং
বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতেন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ।

এমন নেতা বাংলাদেশের রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে আরেকবার দরকার ।

20/04/2018

Hussain Muhammad Ershad
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ Tannviir Islam Syful MollaAl JubayerMd Tobarek Hosen TopuHobibur Rohman Hobib Fardaus Hawlader Babu JobMasud Rana Mollah Sowkat Hossain BabulMd Rejaul Islam Bhuiyan Sunil Shuvo RoyRuhul Amin HowladerRuhul Amin Howlader

17/04/2018

বাংলাদেশে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে আছেন... - শান্তির জন্য পরিবর্তন

09/04/2018

প্রাদেশিক সরকারের ভাবনাটি যুক্তিযুক্ত বটে
শরীফুজ্জামান আগা খান: গবেষক।
-

২৪ মার্চ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ক্ষমতা আরোহণের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতীয় পার্টি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভার আয়োজন করে। এ জনসভায় লক্ষাধিক মানুষ সমবেত হন। সাম্প্রতিককালে জাতীয় পার্টি দুটি নির্বাচনে শক্তিমত্তার পরিচয় দেয়। এর একটি রংপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এবং অপরটি গাইবান্ধায় সংসদ সদস্য পদে উপনির্বাচন। নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের পরাজিত করে।

১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের কাছ থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। এরশাদের ক্ষমতাসীন হওয়ার আগে এদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত ছিল না। এক অস্থিরতার ভেতর জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন। সে সময় সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান, পাল্টা-অভ্যুত্থান চলছিল। পাকিস্তান পর্বে ইস্কান্দার মির্জাকে হটিয়ে আইয়ুব খান যেমন ক্ষমতায় এসেছিলেন, তেমনি খালেদ মোশাররফকে ক্ষমতাচ্যুত করে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসেন। সেনা অভ্যুত্থানের পরম্পরায় চট্টগ্রামে জিয়াউর রহমান নিহত হন। বিচারপতি আবদুস সাত্তারের কাছ থেকে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণ করেন।

রক্ষণশীল বুদ্ধিজীবীরা এরশাদের ক্ষমতা আরোহণকে নেতিবাচক হিসেবে দেখেন। কিন্তু আমরা লক্ষ করেছি, এরশাদ সেনাপ্রধান থেকে ক্ষমতাসীন হলেও পরবর্তী সময়ে জাতীয় পার্টি জনগণ কর্তৃক সমাদৃত হয়। যে কারণে চরম প্রতিকূল অবস্থায় জেলে থেকেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এরশাদ একাধিকবার ৫টি করে আসনে জয়লাভ করেন।

এরশাদের আমলে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন সাধিত হয়। পরবর্তী সরকারগুলোর তুলনায় তার সরকারের ভূমিকা উজ্জ্বল হয়ে আছে। এ সময় প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেয়া হয়। আগে থানা জনপদটি পুলিশি পরিচয়ে পরিচিত ছিল। সেই পরিচয় ঘুচিয়ে এ জনপদে উপজেলা পরিষদ স্থাপন করে পরিবর্তিত নাম হয় উপজেলা। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির কারণে স্থানীয় সরকারব্যবস্থা নতুন মাত্রা পায়। এখানে নানা ধরনের জনহিতকর অফিস স্থাপিত হয়। মহকুমাকে বিলোপ করে জেলায় উন্নীত করাও ছিল ওই সময়ের যুগান্তকরী পদক্ষেপ। সাধারণ মানুষের সুবিধার জন্য উপজেলা পর্যায়ে আদালত স্থাপিত হয়। এছাড়া ৬ জেলায় হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন করা হয়। পরবর্তী সরকারের আমলে উপজেলা পর্যায় থেকে আদালত উঠিয়ে দেয়া হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাইকোর্টের বেঞ্চও পুনরায় ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এমনকি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন দীর্ঘদিন বন্ধ থাকে। এখন উপজেলার মানুষের জেলা শহরের কোর্টকাছারিতে প্রায় সারাদিন চলে যায়। অথচ বিচার কাজ উপজেলা সদরে হলে অর্থ ও সময় দুই-ই বাঁচত।

ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর দেশে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার প্রবর্তিত হয়। তখন আশা করা হয়েছিল রাজনৈতিক দলে গণতন্ত্র আসবে, সেই সুবাদে দেশে গণতন্ত্র আসবে। কিন্তু এর কোনোটিই হয়নি। সংসদে আইন প্রণয়নে সংসদ সদস্যদের প্রকৃতপক্ষে কোনো ক্ষমতাই নেই। তাদের ভূমিকা কেবল সংসদে উত্থাপিত বিলে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’ ভোটে সীমাবদ্ধ। এ আনুষ্ঠানিকতায় সংসদ সদস্যদের অনেকেরই আগ্রহ থাকে না। ফলে সংসদে কোরাম পূরণ না হওয়া সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের সংসদ সদস্যদের দাপটে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি চেয়ারম্যানরা ক্ষমতাহীন হয়ে পড়েছেন।

অবস্থাদৃষ্টে প্রতীয়মান হয়, দেশে স্থানীয় সরকারব্যবস্থা কার্যকর করতে গেলে রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার পদ্ধতিতে ফিরে যাওয়া ছাড়া গত্যন্তর নেই। এখন সংসদ সদস্যরা নিজ এলাকায় প্রতিটি ক্ষেত্রে ভীষণ রকম প্রভাব বিস্তার করে আছেন। রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার প্রবর্তিত হলে এমপিদের সে রকম প্রভাব বিস্তারের সুযোগ থাকবে না। তখন স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিরা স্বাভাবিকভাবে নিজেদের কাজ করতে পারবেন।

কোনো একটি দলের সমর্থকরা সংসদ সদস্যদের প্রতি যতটা একাত্মবোধ করেন, নিজ দলপ্রধানের প্রতি একাত্মবোধ তার চেয়েও গভীর। সংসদীয় ব্যবস্থায় কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সংসদ সদস্যরা মিলে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করেন। বাংলাদেশে কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে কে সংসদ নেতা এবং প্রধানমন্ত্রী হবেন তা আগে থেকেই কিছুটা অনুমান করা যায়। রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থায় ফিরে গেলে জনগণের ভোটেই সরকারপ্রধান নির্বাচিত হবেন।

এদেশে বড় দুই রাজনৈতিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্ব পারিবারিক সম্পর্কের বৃত্তে আবদ্ধ। বড় দল দুটোর পোস্টারে তিনটি ছবিতে তার প্রতিফলন ঘটে। ভবিষ্যতে যে বড় দল দুটিতে পারিবারিক কাঠামোর বাইরে শীর্ষ পদে যোগ্য কোনো নেতৃত্ব আসবে সে আশা দুরাশা। এরশাদ ও রওশন এরশাদ দম্পতির সন্তান রাজনীতিতে নেই। যে কারণে তাদের অবর্তমানে এ দলের ভেতর অধিকতর গণতন্ত্র চর্চার সম্ভাবনা রয়েছে।

মূল প্রসঙ্গে আসা যাক। এরশাদ তার শাসন আমলে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সাধন করেন। এখন তার একটি ভিশন হল ১৬ কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত এ দেশে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণের জন্য প্রদেশ সৃষ্টি করা। উপজেলার পর জেলা, আর জেলার পরবর্তী ধাপ বিভাগ। একজন ব্যক্তি উপজেলায় এবং জেলায় নানাবিধ কর্মকাণ্ডের জন্য চলাচল করলেও বিভাগে তার তেমন কোনো কাজ নেই। তাই জেলার পরের ধাপে রাজধানী ঢাকা তার গন্তব্য। বিভাগগুলোকে ভিন্নভাবে সক্রিয় করার পরিকল্পনা রয়েছে এরশাদের। তিনি বিভাগকে প্রদেশে রূপান্তরিত করতে চান। প্রদেশ গঠিত হলে জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে একদিকে জাতীয় পরিষদ, অন্যদিকে প্রাদেশিক পরিষদ গঠিত হবে। দ্বিস্তরের ক্ষমতার বিন্যাস গড়ে উঠলে কারও পক্ষে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ওঠা সহজ হবে না। অনেক সচেতন নাগরিক ক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়টি বিবেচনায় এনে জনপ্রতিনিধিদের ভোট দেবেন। এমনও হতে পারে- কেন্দ্রে থাকবে এক দল বা জোটের সরকার, প্রদেশে থাকবে অন্য দল বা জোটের সরকার। এতে এক ধরনের ভারসাম্য বজায় থাকবে।

প্রদেশ হলে প্রাদেশিক রাজধানীকে ঘিরে নানাবিধ উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সাধিত হবে। নতুন অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। তখন অধিকাংশ নাগরিকের সেবা পাওয়ার শেষ ধাপ হবে প্রাদেশিক রাজধানী। প্রদেশকে ঘিরে মানুষের ভেতর নতুন প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দেবে। ফলে দূরের কাউকে রাজধানী ঢাকায় ভয়াবহ যানজটের কষ্ট সহ্য করতে হবে না। আর্থিক সাশ্রয়ও হবে তাদের।

বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটির ওপর। এত বিপুল জনগোষ্ঠী নিয়ে এক স্তরের শাসন কাঠামোর কোনো গণতান্ত্রিক দেশে আছে কি? সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত- ভারতের সাত রাজ্যের জনসংখ্যা বাংলাদেশের জনসংখ্যার অর্ধেকও হবে না। সেই পাকিস্তান আমলে পশ্চিম পাকিস্তানের ৪টি প্রদেশ ছিল। ব্রিটেনের জনসংখ্যা ৭ কোটি। সেখানেও ৪টি রাজ্য রয়েছে। আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তো রাজ্য নয়- রীতিমতো ৫১টি রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। সার্থক সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একদিকে জাতীয় ও প্রাদেশিক পর্যায় থেকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন, অন্যদিকে আইনসভাও দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে। উচ্চকক্ষের বিশিষ্টজনরা আইন প্রণয়নে বিশেষজ্ঞের ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করতে হলে অগ্রসর গণতান্ত্রিক দেশগুলোর রীতিনীতি ও পদ্ধতি থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করতে হবে।

ইতিমধ্যে বাংলাদেশের নাম স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্রের তালিকায় স্থান পেয়েছে। বর্তমানে যেভাবে চলছে এভাবে চলতে থাকলে এ তালিকার র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের নাম দ্রুত আরও উঁচুতে উঠে আসতে পারে।

শরীফুজ্জামান আগা খান : শিক্ষক ও গবেষক।

Want your business to be the top-listed Government Service in Khulna?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address

Khulna
9100

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00