“যে ব্যক্তি ধৈর্যধারণ করতে পারবে, সে কখনো সফলতা থেকে বঞ্চিত হবেনা।
হয়তবা সফল হবার জন্য তার একটু বেশি সময় লাগতে পারে।”
---আলী ইবনে আবু তালিব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)
শান্তির ধর্ম ইসলাম-Islam Is The Religion Of Peace
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শান্তির ধর্ম ইসলাম-Islam Is The Religion Of Peace, Kushtia, Khustia.
মৃত্যু এসে যখন মাথায় হাত রাখে,
তখন বাদশাহ ফকির উভয়েই সমান হয়ে যায়;
কাউকে পার্থক্য করা যায় না।
---(শেখ সাদী)
“কল্যাণপ্রাপ্ত তো সেই ব্যক্তি যার নিজের
পাপসমূহ তাকে অন্যদের পাপের দিকে
অঙ্গুলি নির্দেশ থেকে বিরত রাখে।”
– হযরত আলী (রা.)
উমার ইবনুল খাত্তাব (রা) একবার আহনাফ ইবন কায়েসকে বলেছিলেন – “হে আহনকাফ,
• যে খুব বেশি হাসাহাসি করে, তার মর্যাদা কমে যায়।
• যে অধিক ঠাট্টা-মশকরা করে, তার ব্যক্তিত্ব ও গাম্ভীর্য লোপ পায়।
• যার মধ্যে কোন একটি বিষয় বেশি দেখা যায়, সেটাকে ঘিরেই সমাজে তার পরিচিতি ছড়ায়।
• যে বেশি কথা বলে, সে বেশি ভুল করে।
• যে বেশি বেশি ভুল করে, তার লজ্জাশীলতা হ্রাস পায়।
• যার লজ্জাশীলতা হ্রাস পায়, তার ভিতর আল্লাহর ভয় কমে যায়।
• যার আল্লাহভীতি কমে যায়, তার ক্বালব মরে যায়।”
[সিফাতুস সাফ্বওয়াহ ১/১৪৪৯]
ঈমানের পরীক্ষা:
___________
একটি গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট, পড়ার পর শেয়ার করতে ভূলবেন না।
ঠিক যে মুহূর্ত থেকে আপনি আল্লাহর জন্য কোন কিছু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন, সেই মুহূর্ত থেকে কিছু অসাধারণ পরীক্ষার সম্মুখীন আপনাকে হতে হবে।
আপনি যদি "শুধুমাত্র" হালাল উপার্জন করতে চান, দেখবেন যে নানা "সন্দেহজনক" উপার্জনের রাস্তা আপনার সামনে খুলে যাচ্ছে!
আপনি যদি কোন দ্বীনদার মানুষকে বিয়ে করতে চান, দেখবেন যে এমন সব বিয়ের প্রস্তাব আপনার কাছে আসছে, যাঁদের কাছে ইসলাম পালন অনেক পরের একটা বিষয়!!
যদি আপনি পরিপূর্ণ হিজাব পালন করতে চান, তাহলে দেখবেন যে এমন সব জায়গায় পড়াশুনা বা চাকরির প্রস্তাব আপনি পাচ্ছেন, যার একমাত্র শর্ত হবে হিজাব ছেড়ে দেওয়া!!!
সত্যি বলতে কী, এগুলো কোন কিছুই কিন্ত কাকতালীয় না। এগুলো আসলে আমাদের জন্য এক একটি সুযোগ।
এগুলো আল্লাহর কাছে আমাদের প্রমাণ দেওয়ার জন্য সুযোগ; যে হ্যাঁ, আমরা শুধু মুখেই না, আমাদের জীবনেও ইসলামকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত।
এগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য পরীক্ষা। তিনি দেখতে চান, আমরা আমাদের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে কতটা দৃঢ়, কতটা অনমনীয়।
এই পরীক্ষাগুলোকে সাগ্রহে বরণ করে নিন। কোন দ্বিতীয় চিন্তা না করে যে কোন ক্ষেত্রে প্রতিটি সন্দেহজনক বিষয় এড়িয়ে চলুন।
যে মুহূর্ত থেকে আপনি এগুলো করতে শুরু করবেন, আল্লাহর রহমত আর সাহায্যের দুয়ার আপনার জন্য খুলে যাবে।
কখনোই "না" বলতে ভয় পাবেন না। মনে রাখবেন, এই "না" আসলে আল্লাহকে বলা একটা বিশাল বড় "হ্যাঁ"!
"তোমরা কি একথা মনে করে নিয়েছো যে, তোমাদের এমনিই ছেড়ে দেয়া হবে? অথচ আল্লাহ এখনো দেখেননি তোমাদের মধ্যে কারা তার পথে সরবাত্নক প্রচেষ্টা চালালো এবং আল্লাহ , রসুল ও মুমিনদের কে ছাড়া কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধু রুপে গ্রহণ করলো না? তোমরা যা কিছু করো, আল্লাহ তা জানেন।" (সুরা তাওবা ১৬)
সুতরাং মুমিন মাত্রই তাকে পরীক্ষার চুল্লীর মধ্য দিয়ে অতিক্রম করতে হবে, এই চুল্লিতে পুড়ে পুড়ে তাকে খাঁটি সোনায় পরিণত হতে হবে, তারপর আল্লাহ তাকে জান্নাত দিবেন।
হাসান আল-বাসরীকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো,
“বান্দার কি লজ্জা পাওয়া উচিত না যে পাপ করার পর সে অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করে, তারপর আবার পাপ করে এবং আবারো অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করে?”
তিনি বললেন, “শয়তান ঠিক সেটাই চায়, কখনো অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা করা (ইস্তিগফার) থামিয়ে দিয়ো না।”
-[জামি'উল উলুম, পৃ ২০৫]
এমন বন্ধু পরিত্যাগ করো যে তোমার শত্রুর
সাথে উঠাবসা করে......
---শেখ সাদী (রহ.)
“আমাদের জীবনের সবচাইতে স্বাস্থ্যকর উপাদান হচ্ছে সবর (ধৈর্য)।”
------উমার ইবনুল খাত্তাব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)
“তিনিই জ্ঞানবান যার মন তাকে সকল বেইজ্জতি থেকে নিয়ন্ত্রিত রাখে।”------ইমাম শাফিঈ
নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা ও তার ফেরেশতাকুল নবি সাল্লাল্লাহ্ আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরুদ পড়েন,ওহে যারা ইমান এনেছ! তোমরাও তাঁর উপর দরুদ পড় এবং সম্মানের সাথে সালাম জানাও । (সুরা আহযাব-৫৬)
"প্রতিটি নিশ্বাস প্রশ্বাস মানুষকে
এক কদম
করে মৃত্যুর নিকটবর্তী করে!!!!
....
----হযরত আলী (রাঃ)
হযরত সুলাইমান (আঃ) তিনি
একদিন নদীর তীরে বসা । এমনি চোখ
পড়লো
একটি পিপিলিকার উপর ।
একটি পিপিলকা মূখে করে একটি গমের
দানা
নিয়ে নদীর তীরে আসলো। নদীর তীরে
পৌছতেই একটি পানি ব্যাঙ হা করে
অমনি
গিলে ফেললো !!
দীর্ঘক্ষন পানিতে ডুবে থাকার পর
ব্যাঙটি
পুনরায় নদীর তীরে ভেসে উটে হা করে
পিপিলকাকে ছেড়ে
দেয় !!
হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম তিনি
তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে
তাকিয়ে রইলেন তাদের প্রতি! হযরত
সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনার
মুযিজার মধ্য থেকে একটি
ছিল সব মাখলুক্বের কথা তিনি বুঝতেন!!
পিপিলিকাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন
কি
ব্যাপার ? কোথায় গিয়ে ছিলে? কেন
গিয়ে
ছিলে ? উত্তরে পিপিলিকা বললো নদীর
নীচে একটি বিশাল পাথরে ভিন্ন রকম
কিড়া-
মাকড়ের জন্ম, তাদের অনেক অন্ধ, তারা
রিযিকের তালাশে
বাহিরে যেতে পারেনা..!!
এদের রিযিকের জিম্মাদারী মহান
আল্লাহ পাক তিনি আমায়
দিয়েছেন । ওদের পর্যন্ত রিযিক
পৌছাতে
আমি অক্ষম, তাই পানির নীচের বাহন
হিসেবে মহান আল্লাহ পাক তিনি এই
ব্যাঙকে আমার অনুগামী
করে দিয়েছেন..!!
আমি ওর মূখের ভিতরে নিরাপদ সফর করে
তাদের পর্যন্ত রিযিক পৌছে দিয়ে
পুনরায়
তারই মূখের ভিতরে করে ফিরে আসি..!!
হযরত সুলাইমন আলাইহিস সালাম তিনি
জিজ্ঞেস করলেন
সেখানকার অন্ধ কিড়া-মাকড়দের কোন
তাসবীহ পাঠ করতে কি শুনেছো...???
পিপিলিকা বললো হ্যাঁ !!
তারা রিযিক্ব পেয়ে বলতে থাকে-
পবিত্র
সত্তা মহান আল্লাহ পাক তিনি..!! যিনি
আমাদের এই
গভীর পানির নীচে ও ভুলেননি!সুবহানআ
ল্লাহ
মহান আল্লাহ পাক তিনি
আমাদের সবাইকে অপরিমিতো রিযিক
দান করুন...!!
(আমিন)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Culinary Team
Attire
Website
Address
Khustia
7000
