স্মার্ট ভূমি সেবা 24/7

স্মার্ট ভূমি সেবা 24/7

Share

সততাই সর্বকৃষ্ট পন্থা

30/09/2025

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট।
★. পর্চা বা খতিয়ান।
★. দলিল।
★. ম্যাপ বা নকশা।

★★.এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি ক্রায়-বিক্রয় ও হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন নিতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হয়।
সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজ পত্র সরকারি বিভিন্ন দপ্তর রয়েছে।
★★.আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন।
জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত তিন/ চারটি অফিসে পাবেন।
১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

★★.ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

★★.উপজেলা ভূমি অফিস।
যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতে খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।

★★.জেলা ডিসি অফিস।
এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

★★.সেটেলমেন্ট অফিস।
শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।
★★. খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

★★. আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন।
দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।

**/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
**/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

★★.উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

★★.জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।
এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়।
★★.মূল অথবা সার্টিফাইড দলিল তুলতে কত টাকা লাগতে পারে।
মূলতঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।
★★ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা যেখানে পাওয়া যাবে।
সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো
১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

★★.জেলা ডিসি অফিস:
এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।

★★.ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।
সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়।

05/09/2025

জমি সংক্রান্ত সমস্যাগুলো সাধারণত কয়েকটি কারণে হয়ে থাকে। সংক্ষেপে কয়েকটা মূল বিষয় বলছি—

১️⃣ মালিকানা নিয়ে বিরোধ

জমির খতিয়ান, দলিল, নামজারি বা পর্চা একাধিক ব্যক্তির নামে থাকলে বিরোধ হয়।

উত্তরাধিকারীদের মধ্যে ভাগাভাগি ঠিকভাবে না হলে সমস্যা তৈরি হয়।

২️⃣ সীমানা বা মাপঝোকের বিরোধ

জমির সঠিক সীমানা নির্ধারণ করা হয়নি বা জরিপে ভুল থাকলে প্রতিবেশীর সাথে ঝামেলা হয়।

মাপঝোক না করে জমি কেনা- বিক্রি করাও ঝুঁকিপূর্ণ।

৩️⃣ দখল ও জবরদখল

বৈধ মালিক থাকলেও অন্য কেউ দখল করে রাখতে পারে।

আদালতে মামলা চলমান থাকলে জমির ব্যবহার নিয়ে সমস্যা হয়।

৪️⃣ নথিপত্রের অসঙ্গতি

একাধিক দলিল, ভুয়া রেজিস্ট্রি, বা নামজারি না করা জমি ভবিষ্যতে ঝুঁকিপূর্ণ।

৫️⃣ আইনগত সমস্যা

জমি কিনে হস্তান্তর না করলে বা রেজিস্ট্রি না করলে মালিকানা প্রমাণ করা কঠিন হয়।

সরকারি বা খাস জমি কিনলে পরে ঝামেলায় পড়তে হয়।

---

✅ সমাধানের কিছু পরামর্শ:

জমি কেনার আগে সব কাগজপত্র (দলিল, খতিয়ান, পর্চা, ট্যাক্স/খাজনা রসিদ) ভালোভাবে যাচাই করুন।

প্রয়োজনে স্থানীয় ভূমি অফিস, আইনজীবী বা নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে যাচাই করুন।

জরিপ অনুযায়ী জমির মাপ ও সীমানা নিশ্চিত করে নিন।

যেকোনো লেনদেন লিখিত এবং রেজিস্ট্রিকৃতভাবে করুন।

04/09/2025

দলিল আসল নাকি নকল কিভাবে বুঝবেন
জেনে নিন>

Photos from স্মার্ট ভূমি সেবা 24/7's post 02/09/2025

#আলোচ্য বিষয় -
SA রেকর্ডে একজনের নাম আছে
RS রেকর্ডে আরেকজনের নাম
এই নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হলে কে জমি পাবে!

এসএ রেকর্ডের মালিক পাবে!
নাকি আর এস রেকর্ডের মালিক পাবে!
এই নিয়ে মূলত আজকের পোস্ট ।
চলুন শুরু করা যাক......

তো প্রথমেই এক সেকেন্ডে — পোস্টটা শেয়ার করে রাখেন, কারণ এটা যখন আপনার দরকার হবে
তখন দেখা যাবে আর খুঁজে পাবেন না।

এসে রেকর্ড এবং আর এস রেকর্ডের ঝামেলা মেটাতে হলে আমাদেরকে প্রথমে জানতে হবে -

👉 এসএ রেকর্ড কাকে বলে!

এস মানে হলো State Acquisition বা Settlement Attestation। এটা কিন্তু সিএস রেকর্ডের পরে হয়েছে। প্রায় ১৯৫৬ থেকে ১৯৬২ সালের মধ্যে এই রেকর্ড তৈরি হয়েছিল (এলাকা ভেদে একটু এদিক-ওদিক হতে পারে)। এটা অনেকটা তৎকালীন মালিকদের নাম লিখে রাখা হস্তলিখিত রেকর্ড, যেখানে জমিদার বা ভূমি মালিক যা বলেছেন, তাই নথিভুক্ত করা হয়েছে। সরেজমিনে খুব বেশি যাচাই-বাছাই তখন হতো না।

👉 আরএস রেকর্ড কাকে বলে!

আরএস মানে Revisional Survey। এটা মূলত এসএ রেকর্ডের হালনাগাদ সংস্করণ।
যেমন — মোবাইল অ্যাপের আপডেট ভার্সন হয়, তেমনি।
প্রায় ৫০–৫৫ বছর পর এই রেকর্ড করা হয়, সরেজমিনে জরিপ করে। এসএ রেকর্ডে যা ভুল ছিল, বা মালিকানা, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ পরিবর্তন হয়েছে— সব ঠিকঠাক করে আরএস রেকর্ডে লেখা হয়েছে।

🩰 ঝগড়া হয় কেন!

মনে করেন এসএ রেকর্ডে মালিকের নাম রহিম উদ্দিন। কিন্তু আরএস রেকর্ডে মালিক হিসেবে এসেছে কলিমুদ্দিন।

যদি কলিমুদ্দিন রহিম উদ্দিনের ছেলে, নাতি, পুতি ইত্যাদি হন — কোনো সমস্যা নাই।

যদি ক্রয় দলিল থাকে — তাও কোনো সমস্যা নাই।

কিন্তু সমস্যা হয় যখন কলিমুদ্দিন রহিম উদ্দিনের কেউ না, আর কোনো ক্রয় দলিলও নেই। তখন রহিম উদ্দিনের বংশধরেরা বলে, "তুই আমাদের জমি জালিয়াতি করে রেকর্ড করেছিস, ফেরত দে!"

👎 কিভাবে এমন হয়-

অনেক সময় এসএ রেকর্ডধারী জমি বিক্রি করেছেন, কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রেশন না করে সরাসরি জরিপের সময় নতুন মালিকের নামে রেকর্ড করিয়ে দিয়েছেন। টাকা বাঁচাতে বা সহজভাবে কাজ সারতে গিয়ে এটা হতো। তখন নতুন মালিকের হাতে দলিল থাকত না, কিন্তু রেকর্ড থাকত।

এখন সমস্যা হলো — এসএ রেকর্ডধারীর বংশ যদি মামলা করে প্রমাণ করতে পারে যে জমি তারা বিক্রি করেনি, আরএস রেকর্ডধারীর কাছে দলিলও নেই, তাহলে আদালত আবার জমি ফেরত দিয়ে দিতে পারে।

#আইন কি বলে -

যতক্ষণ পর্যন্ত আরএস রেকর্ডের বিরুদ্ধে আদালতের রায় না হচ্ছে, ততক্ষণ আরএস রেকর্ডধারীই আইনত মালিক।

এসএ রেকর্ডধারী পক্ষ যদি মামলা করে এবং প্রমাণ দিতে পারে যে জমি বিক্রি হয়নি, আদালত তাদের পক্ষেও যেতে পারে।

👆 করণীয়

গায়ের জোরে জমি দখল না করে আদালতের দ্বারস্থ হোন।

স্থানীয় উকিল, নথি লেখক, আর অভিজ্ঞ মানুষদের পরামর্শ নিন।

আপনার দাবি প্রমাণ করার জন্য ক্রয় দলিল ও প্রমাণপত্র ঠিকঠাক রাখুন।

বিঃ দ্রঃ - নিজে জানুন এবং অন্য কে জানতে সাহায্য করুন।

লিখেছেন-
Adv subarna seema
Supreme court of Bangladesh

18/07/2025

“জমি থাকলে মানুষ নিজের জায়গায় দাঁড়ায়, নইলে অন্যের ছায়ায় বাঁচতে হয়।”

15/07/2025

🏘️ একটা নিজস্ব জায়গা… নিজের নামে—এটাই জীবনের বড় সাফল্য।

13/07/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

13/07/2025

ভূমি মন্ত্রণালয়, যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি মন্ত্রণালয়। এটি ভূমি বিষয়ক নীতি প্রণয়ন, ভূমি ব্যবস্থাপনা, এবং ভূমি বিষয়ক অন্যান্য কার্যক্রম পরিচালনা করে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রধান কার্যালয় ঢাকা সচিবালয়ে অবস্থিত।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল:
ভূমি বিষয়ক নীতি ও আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা।
ভূমি রেকর্ড ও জরিপ পরিচালনা করা।
ভূমি উন্নয়ন কর সংগ্রহ করা।
ভূমি অধিগ্রহণ ও ব্যবস্থাপনার সাথে সম্পর্কিত কার্যক্রম পরিচালনা করা।
ভূমি বিষয়ক বিরোধ নিষ্পত্তি করা।
ভূমি বিষয়ক বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা প্রদান করা।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট: minland.gov.bd তে ভূমি বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়।

Want your business to be the top-listed Government Service in Kishoreganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address

Kishoreganj