Law is Everything - Noakhali

Law is Everything - Noakhali

Share

কোর্ট ম্যারিজ, তালাকনামা, দেওয়ানী মামলা, ফৌজদারি মামলাসহ সকল আইনগত বিষয়ে সমাধান ও সহযোগিতা।

Photos from Law is Everything - Noakhali 's post 01/08/2025

প্রতারণা ও ধর্ষন থেকে দূরে থাকুন!!

08/03/2025

স্বামী মারা গেলে স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তির কতটুকু পাবে?

সন্তান থাকলে স্বামীর মোট সম্পত্তির ১/৮ অংশ পাবে।
সন্তান না থাকলে স্বামীর মোট সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে।

06/03/2025

আইনের ছাত্রদের ১ম স্বপ্ন সহকারী জজ হওয়া 🖤⚖️

18/02/2025

⛔ দালাল ছাড়া ঘ‌রে ব‌সেই একদম কম খর‌চে নামজা‌রি কর‌বেন যেভা‌বে : A to Z তু‌লে ধরা হ‌লো

✅ জমি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : নামজারি প্রক্রিয়া ও খরচ :

নামজারি বা মিউটেশন হলো জমির বর্তমান খতিয়ান থেকে নতুন মালিকের নাম সংযোজন করে একটি নতুন খতিয়ান তৈরি করার প্রক্রিয়া। জমি ক্রয়-বিক্রয় বা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি বৈধভাবে নিজের নামে রেকর্ড করতে এটি অপরিহার্য।

✅নামজারি করতে যা যা প্রয়োজন:

নামজারি আবেদন করার জন্য নিচের ডকুমেন্টগুলো জমা দিতে হবে :

1. জমির দলিলের সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।

2. এস এ/আর এস খতিয়ানের কপি।

3. ওয়ারিশান সনদের কপি (যদি ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত জমি হয়)।

4. ছবি (জন্মনিবন্ধনের ভিত্তিতে আবেদন করলে)।

5. বায়া দলিলের কপি (যদি প্রয়োজন হয়)।

6. মোবাইল নম্বর।

7. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

8. কর/খাজনার রশিদ।

✅ নামজারি প্রক্রিয়া:

১ম ধাপ:
mutation.land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নাগরিক বা কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করুন। আবেদন করার পর একটি কেস নম্বর পাবেন, যা মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

২য় ধাপ:
আপনার আবেদন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যাবে। তদন্তের পর সব ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে উপজেলা ভূমি অফিসে প্রস্তাব পাঠানো হবে।

৩য় ধাপ:
এসিল্যান্ড অফিস থেকে শুনানির তারিখ এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। শুনানির পর ডিসিআর ফি পরিশোধ করে অনলাইনে কিউআর কোডসহ নামজারি কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।

✅সময় ও খরচ:
নামজারি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সাধারণত ১৫-৩০ দিন সময় লাগে।

মোট খরচ: ১১৭০ টাকা।

✅ তথ্য ও সহায়তা :
নামজারি আবেদন বিষয়ক যেকোনো তথ্যের জন্য কল সেন্টার 16122-এ যোগাযোগ করুন। অথবা সমস্যার সমাধানে ভিজিট করুন:
. স্বল্পমূল্যে বাংলাদেশের যেকোনো জেলার জমিজমা সংক্রান্ত সুলভ মূল্যে নামজারি/খারিজ/মিসকেস করতে চাইলে ইনবক্সে নক দেন।।
সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।।
2.সি এস,এস এ,বি এস,আর এস, সহ সকল ধরনের পর্চা স্বল্পমুল্যে লাগলে ইনবক্সে নক দেন।।

17/02/2025

ওয়ারিশ সম্পত্তি নামজারী করতে গিয়ে সাধারণ জনগন যে কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।!!!

কারণ, এসি ল্যান্ড অফিস বন্টননামা দলিল ছাড়া ওয়ারিশ সম্পত্তি নামজারী দিচ্ছেন না।
কি কি সমস্যা দেখে নিন এক পলকেঃ

#সমস্যা নং-১ঃ ওয়ারিশদের মধ্যে রেজিষ্ট্রি বন্টননামা দলিল নাই। নামজারী হবে না।

#সমস্যা নং-২ঃ এক বা একাধিক ওয়ারিশ দেশের বাহিরে থাকেন সেকারণে বন্টননামা দলিল করা যাচ্ছে না। অতএব, অন্যদেরও নামজারী হবে না।

#সমস্যা নং-৩
একাধিক ওয়ারিশদের মধ্যে একজন দাগে দাগে হিস্যানুসারে নামজারী চাইলে নামজারী হচ্ছে না। কারণ নির্দিষ্ট কোন দাগে দখল সেটা এসি ল্যান্ড অফিস নির্ধারণ করতে পারছেন না।

#সমস্যা নং-৪
কোন একজন ওয়ারিশ কয়েকটি খতিয়ানের প্রাপ্য জমি কিন্তু সে একটি নির্দিষ্ট খতিয়ান থেকে তার প্রাপ্য অংশ বিক্রি করে ফেলেছেন। এখন তার বন্টননামা দলিল করার সুযোগ নাই। অতএব অন্য ওয়ারিশরা নামজারী করতে পারছেন না।

#সমস্যা নং-৫
দখল সূত্রে কোন ওয়ারিশ দামী জমিতে দখলে আছেন। অতএব সে এখন বন্টননামা করবেন না। একারণে অন্য ওয়ারিশরাও নামজারী করতে পারছেন না।

এসব সমস্যার কারণে আদালতে বন্টন মামলা বেড়েই চলছে। অতএব মামলা মোকদ্দমা এড়িয়ে চলুল। নিজেদের সমস্যা নিজেরাই সমাধান করুন।


#ভূমি #জমি #দলিল
#ওয়ারিশসম্পত্তি
#নামজারী
#দলিলের

17/02/2025

👉 জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে....
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================

১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================

১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================

১ শতাংশ =৪৩৫.৬ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================

১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================

১ গন্ডা = ১৬৯৯০ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================

কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।

কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা

উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ

17/02/2025

বাটোয়ারা মামলা নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগে কেন?


বাটোয়ারা মামলা (Partition Suit) নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগার প্রধান কারণগুলো হলো—

১. জটিল মালিকানা নির্ধারণ

✅সাধারণত, বাটোয়ারা মামলা পারিবারিক সম্পত্তি ভাগ-বন্টন সংক্রান্ত হয়, যেখানে একাধিক পক্ষ থাকে।

✅কাদের কতটুকু অধিকার আছে তা নির্ধারণ করতে প্রচুর দলিলপত্র যাচাই করতে হয়।

✅অনেক ক্ষেত্রে পূর্বপুরুষদের সম্পত্তি সংক্রান্ত দলিল খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়।

২. দীর্ঘসূত্রতা ও আইনি প্রক্রিয়া

✅মামলা দায়েরের পর সমন জারি, জবাব দাখিল, শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ, এবং কমিশন (জমি পরিদর্শন) ইত্যাদি নানা ধাপে যেতে হয়।

✅আদালতের ব্যস্ততা ও মামলার জট থাকায় শুনানির তারিখ দীর্ঘ বিরতিতে পড়ে।

৩. আদালতের কমিশন ও জরিপ জটিলতা

✅আদালত থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত কমিশনারকে সম্পত্তি পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দিতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ।

✅দলগুলোর আপত্তি থাকলে কমিশনের কাজ বাধাগ্রস্ত হয়, ফলে দীর্ঘ সময় লাগে।

৪. পক্ষগণের বিরোধ ও আপত্তি

✅একাধিক উত্তরাধিকারী থাকলে অনেক সময় কেউ কেউ আপস করতে চান না বা মামলা দীর্ঘ করতে চান।

✅অনেকে বাটোয়ারার পরিবর্তে দখল রাখতে চান, ফলে মামলা জটিল হয়ে যায়।

৫. আপিল ও পুনঃবিচার প্রক্রিয়া

✅নিম্ন আদালতের রায় এক পক্ষের বিপক্ষে গেলে তারা উচ্চ আদালতে আপিল করে, ফলে নিষ্পত্তি বিলম্বিত হয়।

⭐সমাধানের উপায়⭐

✅আদালতের বাইরে সমঝোতা (Alternative Dispute Resolution - ADR) গ্রহণ করলে দ্রুত নিষ্পত্তি হতে পারে।

✅প্রয়োজনীয় দলিলাদি আগেই প্রস্তুত রাখা উচিত।

✅আদালতের আদেশ অনুযায়ী কমিশনের প্রতিবেদন দ্রুত সম্পন্ন করানো উচিত।

ধন্যবাদ
Law is Everything - Noakhali

#বাটোয়ারা #মামলা #দলিল #নামজারি #রেজিষ্ট্রেশন

16/02/2025

হেবা বিল এওয়াজ দলিল বাতিল করার জন্য আদালতে মামলা করা যেতে পারে, তবে এটি নির্ভর করে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত ও পরিস্থিতির উপর। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

---

# # # **হেবা বিল এওয়াজ দলিল বাতিলের সম্ভাব্য কারণ ও শর্তাবলী**

১. **প্রতারণা বা জোরজবরদস্তি**:

যদি প্রমাণ করা যায় যে দাতাকে প্রতারণা, ভয়ভীতি বা প্রলোভনের মাধ্যমে দলিল সম্পাদনে বাধ্য করা হয়েছে, তাহলে আদালত দলিল বাতিল করতে পারেন । উদাহরণস্বরূপ, মানসিক চাপ বা শারীরিক জোর প্রয়োগ করে দলিলে স্বাক্ষর করানো হলে।

২. **দাতার মানসিক অসামর্থ্য**:

দাতা যদি নাবালক (১৮ বছরের কম), মানসিক ভারসাম্যহীন বা দেউলিয়া অবস্থায় থাকেন, তাহলে দলিলটি অবৈধ বলে গণ্য হতে পারে ।

৩. **শর্ত পূরণে ব্যর্থতা**:

হেবা বিল এওয়াজের ক্ষেত্রে প্রতীকী বিনিময় (যেমন: কুরআন, জায়নামাজ) দেওয়া বাধ্যতামূলক। যদি গ্রহীতা এই বিনিময় মূল্য প্রকৃতপক্ষে পরিশোধ না করে বা দলিলে উল্লিখিত শর্ত লঙ্ঘন করে, তবে দলিল বাতিলের আবেদন করা যেতে পারে ।

৪. **দখল হস্তান্তরের অভাব**:

হেবা বিল এওয়াজের ক্ষেত্রে দখল হস্তান্তর বাধ্যতামূলক নয় বলে কিছু উৎস উল্লেখ করেছে , তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দখল হস্তান্তর না হলে দলিলের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে । দখল হস্তান্তর না হলে আদালত দলিল বাতিলের আদেশ দিতে পারেন।

৫. **সম্পত্তির বৈধ মালিকানার অভাব**:

দাতার যদি সম্পত্তিতে বৈধ মালিকানা না থাকে বা সম্পত্তি বেদখল হয়ে থাকে, তাহলে হেবা বিল এওয়াজ দলিল বাতিলযোগ্য ।

---

# # # **মামলা করার প্রক্রিয়া**

- **আদালতে আবেদন**: সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭-এর ৩৯ ধারা অনুযায়ী, দলিল বাতিলের জন্য মামলা দায়ের করতে হবে ।

- **প্রমাণ সংগ্রহ**: প্রতারণা, জোর বা শর্ত লঙ্ঘনের প্রমাণ (যেমন: মেডিকেল রিপোর্ট, সাক্ষীর বিবৃতি) আদালতে উপস্থাপন করতে হবে ।

- **সময়সীমা**: সাধারণত দলিল সম্পাদনের ১ বছরের মধ্যে মামলা করতে হবে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত নমনীয়তা দেখাতে পারেন ।

---

# # # **যেসব ক্ষেত্রে বাতিল করা যায় না**

- **দখল হস্তান্তর হয়ে গেলে**: গ্রহীতা যদি সম্পত্তির দখল নিয়ে থাকে এবং তা বিক্রি বা হস্তান্তর করে ফেলে ।

- **স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে হেবা**: দম্পতির মধ্যে হেবা বিল এওয়াজ দলিল সাধারণত বাতিল করা যায় না ।

- **সম্পত্তির প্রকৃতি পরিবর্তন**: যদি গ্রহীতা সম্পত্তিতে স্থায়ী পরিবর্তন আনে (যেমন: বাড়ি নির্মাণ), তাহলে বাতিলের আবেদন খারিজ হতে পারে ।

---

# # # **উল্লেখযোগ্য তথ্য**

- হেবা বিল এওয়াজ দলিল রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ অনুযায়ী নিবন্ধিত হলে একে "বিক্রয় সমতুল্য" গণ্য করা হয়।

- রেজিস্ট্রেশন খরচ সম্পত্তির মূল্যের উপর নির্ভরশীল (সাধারণত ৮%) ।

- শরীয়াহ আইনে প্রতীকী বিনিময় গ্রহণ জরুরি, তবে এর আর্থিক মূল্য বিবেচ্য নয়।

---

# # # **সারসংক্ষেপ**
হেবা বিল এওয়াজ দলিল বাতিল করার জন্য আদালতে মামলা করা সম্ভব, তবে শর্ত থাকে যে দাতা বা ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষকে অবশ্যই বৈধ কারণ ও প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে। দখল হস্তান্তর, শর্ত পূরণ, এবং দাতার স্বাধীন সম্মতি এখানে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।হেবা বিল এওয়াজ দলিল বাতিল করার জন্য আদালতে মামলা করা যেতে পারে, তবে এটি নির্ভর করে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত ও পরিস্থিতির উপর। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

---
#হেবা #বিলএওয়াজ #হেবা #দলিল

16/02/2025

চাকুরী থেকে বরখাস্ত হলে কি করবেন? আইনী প্রতিকার কি?

চাকরি থেকে বরখাস্ত হলে আইনী প্রতিকার ও করণীয় বিষয়গুলি নিম্নে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হলো:

---

# # # **১. বরখাস্তের ধরন ও প্রাথমিক পদক্ষেপ**

- **সাময়িক বরখাস্ত**:

- এটি চাকরির স্থায়ী সমাপ্তি নয়, বরং তদন্ত চলাকালীন কর্মীকে দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে রাখা হয় ।

- এই সময়ে কর্মীকে অফিসে উপস্থিত থাকতে হয় এবং কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থল ত্যাগ করা যায় না ।

- তদন্ত শেষে নির্দোষ প্রমাণিত হলে পুনরায় চাকরিতে ফিরে যাওয়া যায় এবং বকেয়া বেতন-ভাতা পাওয়া সম্ভব ।

- **চূড়ান্ত বরখাস্ত**:
- অভিযোগ প্রমাণিত হলে গুরুদণ্ড হিসেবে চাকরি স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয় ।

- এ ক্ষেত্রে অবশ্যই **লিখিত অভিযোগ**, **জবাব দেওয়ার সুযোগ**, এবং **শুনানি** এর মতো প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে ।

---

# # # **২. আইনী প্রতিকারের ধাপসমূহ**

# # # # **ক. অভ্যন্তরীণ আপিল**
- প্রথমে সংশ্লিষ্ট বিভাগের **ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত আপিল** জমা দিন।

- আইন অনুযায়ী, কর্তৃপক্ষের **২ মাসের মধ্যে** সিদ্ধান্ত নেওয়া বাধ্যতামূলক ।

# # # # **খ. প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে আবেদন**

- অভ্যন্তরীণ আপিলে সন্তুষ্ট না হলে **প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে** মামলা দায়ের করুন।

- **সময়সীমা**:
- আপিল নামঞ্জুরের ৬ মাসের মধ্যে।
- সরাসরি ট্রাইব্যুনালে আবেদনের ক্ষেত্রে আদেশের ৩ মাসের মধ্যে।

- **কোথায় আবেদন করবেন**: ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল ও বগুড়ায় অবস্থিত ট্রাইব্যুনালে।

# # # # **গ. উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন**

- সংবিধানের **১১৭ অনুচ্ছেদ** অনুযায়ী, হাইকোর্টে রিট পিটিশনের মাধ্যমে বরখাস্তের আদেশ চ্যালেঞ্জ করা যায় ।
---

# # # **৩. গুরুত্বপূর্ণ আইনী দিক**
- **শ্রম আইন ২০০৬** অনুযায়ী:

- বরখাস্তের আগে **লিখিত নোটিশ**, **তদন্ত**, এবং **শুনানি** বাধ্যতামূলক ।

- অসদাচরণের অভিযোগে প্রমাণের অভাবে বরখাস্ত অবৈধ ।

- **সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে**:

- **সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮** অনুসরণ করতে হবে ।

- ফৌজদারি মামলায় খালাস পেলে বিভাগীয় মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয় ।

---

# # # **৪. বরখাস্তকালীন সুবিধা ও অধিকার**

- **সাময়িক বরখাস্তকালে প্রাপ্য**:

- মূল বেতনের অর্ধেক, পূর্ণ বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, এবং উৎসব ভাতা ।

- ভ্রমণ ভাতা, যাতায়াত ভাতার মতো কিছু সুবিধা বন্ধ থাকে ।

- **চূড়ান্ত বরখাস্তের ক্ষেত্রে**:

- আইন অনুযায়ী প্রাপ্য **পেনশন**, **জিপিএফ**, এবং অন্যান্য সুবিধা আদায়ের জন্য আবেদন করুন ।

---

# # # **৫. বিশেষ পরামর্শ**

- **দলিল সংরক্ষণ**: বরখাস্তের আদেশপত্র, তদন্ত রিপোর্ট, এবং যোগাযোগের সকল নথি সংরক্ষণ করুন।

- **আইনজীবীর সহায়তা**: জটিল মামলা পরিচালনার জন্য বিশেষজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নিন ।

- **সরকারি কর্মচারীদের জন্য**: **প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল আইন ১৯৮০**-এর অধীনে দ্রুত আইনী ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব ।

---

বরখাস্তের আদেশ অবৈধ বা অন্যায্য মনে হলে দ্রুত আইনী পদক্ষেপ নিন। অভ্যন্তরীণ আপিল থেকে শুরু করে উচ্চ আদালত পর্যন্ত সকল স্তরে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। প্রাসঙ্গিক আইন ও বিধিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করে স্বপক্ষে শক্ত প্রমাণ উপস্থাপন করুন।

ধন্যবাদ
Law is Everything - Noakhali

16/02/2025

জেনে নেওয়া ভালো!

আপনার স্ত্রীর সাথে কেউ পরকীয়া করলে সেই ছেলের নামে মামলা করে ৭ বছর পর্যন্ত জেল খাটাতে পারবেন।কিন্তু আপনার স্ত্রীর নামে মামলা করতে পারবেন না।

তবে আপনার প্রেমিকার সাথে কয়েকডজন ছেলে প্রেম করলেও আপনি কিচ্ছুই করতে পারবেন না।ইহা প্রেমিকার স্বাধীনতা।ক্লিয়ার??প্রেমিকা আপনাকেও রাখবে এবং অন্য ছেলেরাও আপনার প্রেমিকার সাথে প্রেম করবে।ওই ছেলেদের কিছুই করতে পারবেন না।

Want your business to be the top-listed Government Service in Maijdee Court?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

বহুতল আইনজীবী সমিতির নতুন ভবন ২য় তলা, রুম নং ২০১৪।, Maijdee Court
Maijdee Court
3800