মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুবলীগ

মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুবলীগ

Share

মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুবলীগ এর অফিস?

23/02/2025

২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ইং!

13/10/2024

অস্থির হয়ো না, শুধু প্রস্তুত হও।

08/11/2022
31/10/2022

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সুর্বণজয়ন্তী
সফল হোক স্বার্থক হোক
জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু

Photos from মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুবলীগ's post 18/10/2022

হরিরামপুর উপজেলা যুবলীগ এর নেতৃবৃন্দের ভালোবাসায় মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুবলীগ এর বিপ্লবী যুগ্ম আহ্বায়ক, ঘিওর উপজেলা থেকে নব-নির্বাচিত জেলা পরিষদ সদস্য, কর্মীবান্ধব যুবনেতা মাহাবুবুর রহমান জনি! 💞

Photos 25/06/2022

বাংলাদেশের জন্য আজ এক গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক দিন- প্রমত্তা পদ্মা নদীর উপর নির্মিত দেশের সর্ববৃহৎ "পদ্মা সেতু" যান চলাচলের জন্য আজ খুলে দেওয়া হচ্ছে। চ্যালেঞ্জিং 'পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নে নিয়োজিত সর্বস্তরের দেশি-বিদেশি প্রকৌশলী, পরামর্শক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিরাপত্তা তদারকিতে নিয়োজিত সেনাবাহিনী ও নির্মাণ শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে তাদের অবদান ও অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য অভিবাদন জানাই। সেতুর দুই প্রান্তের জনগণ জমি প্রদানের মাধ্যমে এবং নানাভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করায় তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। পদ্মা সেতু উদ্বোধনের এ মাহেন্দ্রক্ষণে দেশবাসীকে আমি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন আনাচ্ছি।

বিশ্বব্যাংক পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ এনে মামলা করে। কানাডা আদালত বিশ্বব্যাংক উত্থাপিত সকল অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে রায় দেয়। সকল দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয় আমরা ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের ঋণ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিলে জনগণের কাছ থেকে বিপুল সমর্থন পাই। জনতার শক্তি হৃদয়ে ধারণ করে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে আজ আমরা স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছি। দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। দুর্নীতিমুক্ত বীরের জাতি হিসেবে বাঙালি নিজেদের বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে বজ্রকণ্ঠে উচ্চারিত- “সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না'- এই চিরপ্রেরণার বাণীতে উজ্জীবিত হয়ে আমরা প্রমাণ করেছি আমাদের নিজস্ব সক্ষমতা।

পদ্মা সেতু নির্মাণের ফলে রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার নিরবচ্ছিন্ন, সাশ্রয়ী ও দ্রুত যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হ'ল। বিপুল সম্ভাবনাময় এই অঞ্চলের বহুমুখী উন্নয়নে এই সেতুর গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে শিল্পায়ন ও পর্যটন শিল্পে অগ্রসর এ অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। টুঙ্গীপাড়াস্থ জাতির পিতার সমাধি সৌধ, সুন্দরবন এবং কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতসহ নানা প্রত্নতাত্ত্বিক ও দর্শনীয় স্থানসমূহে পর্যটকের আগমন বৃদ্ধি পাবে। নদী বিধৌত উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ও মৎস্য সম্পদ আহরণ এবং দেশব্যাপী দ্রুত বাজারজাতকরণে পদ্মা সেতু বিশেষ ভূমিকা পালন করবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ইতোমধ্যে এ অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত পায়রা সমুদ্রবন্দর, বৃহৎ নদীসমূহের উপর নির্মিত সেতু, রামপাল ও পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ মংলা সমুদ্রবন্দরের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহারে "পদ্মা সেতু" যোগাযোগ ব্যবস্থায় সুতিকাগার হিসেবে কাজ করবে। এই অঞ্চলে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেনাপোল, ভোমরা, দর্শনা প্রভৃতি স্থলবন্দরের মাধ্যমে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে। এ সেতুর মাধ্যমে দুই প্রান্তে বিদ্যুৎ, গ্যাস, অপটিক্যাল ফাইবারসহ পরিষেবাসমূহের সংযোগ স্থাপিত হবে। পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে সার্বিকভাবে দেশের উৎপাদন ১.২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এবং প্রতি বছর ০.৮৪ শতাংশ হারে দারিদ্র্য নিরসনের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এ সেতু অনন্য অবদান রাখবে।

দেশপ্রেমিক জনগণের আস্থা ও সমর্থনের ফলেই আজকে উন্নত এ নতুন অধ্যায় উন্মোচিত হয়েছে। আগামী দিনেও গণমানুষের আশা-আকাঙ্খা ও স্বপ্ন পূরণে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাব। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন লালিত স্বপ্নের 'সোনার বাংলাদেশ' গড়ে তুলতে সক্ষম হব, ইনশাআল্লাহ।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
শেখ হাসিনা

#পদ্মাসেতু #শেখহাসিনা #প্রধানমন্ত্রী #বাণী #বাংলাদেশ

Photos 24/06/2022

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, পদ্মা সেতু বাস্তবায়ন বিশ্ব দরবারে দেশ ও জনগণকে আত্মবিশ্বাসের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস এনে দিয়েছে।

স্বপ্নের ‘পদ্মা সেতু’ উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। আগামীকাল ২৫ জুন পদ্মা সেতু উদ্বোধন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের আত্মনির্ভরশীলতা ও আত্মমর্যাদার প্রতীক ‘পদ্মা সেতু’র শুভ উদ্বোধন হচ্ছে জেনে রাষ্ট্রপতি সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি এ প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম পূর্বশর্ত হলো যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন। সরকারের ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকান্ড গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ফলে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব উন্নতি সাধিত হয়েছে। বাস্তবায়িত হচ্ছে মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেলসহ অনেক মেগা প্রকল্প। স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ উত্তাল পদ্মার বুকে জাতির গৌরবের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এসব অর্জনের অগ্রভাগে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর সাহসিকতা, বলিষ্ঠ পদক্ষেপ এবং যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলেই বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এ সেতুর বাস্তবায়ন সম্পদ ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা, সক্ষমতা, জবাবদিহি ও দক্ষতার নিদর্শন হিসেবে বিশ্বদরবারে আমাদেরকে আত্মবিশ্বাসের সাথে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সাহস এনে দিয়েছে।’
আবদুল হামিদ বলেন, পদ্মা সেতুর সফল বাস্তবায়ন সরকার ও জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ফল। সব প্রতিকূলতাকে জয় করে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দেশের জনগণের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়িত হলো। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ব্যবসা-বাণিজ্য-বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও শিল্পায়নের মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এ সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি পদ্মা সেতুর মতো দেশের সকল মেগা প্রকল্পের সফল বাস্তবায়ন কামনা করেন।

#পদ্মাসেতু #শেখহাসিনা #রাষ্ট্রপতি #বাণী #বাংলাদেশ

Photos 24/06/2022

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের মাহেন্দ্রক্ষণে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ সেতু নির্মাণের ফলে রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার নিরবচ্ছিন্ন, সাশ্রয়ী ও দ্রুত যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হলো।

শনিবার (২৫ জুন) পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিপুল সম্ভাবনাময় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বহুমুখী উন্নয়নে পদ্মা সেতুর গুরুত্ব অপরিসীম। এ সেতু চালু হলে বিশেষ করে শিল্পায়ন ও পর্যটন শিল্পে অগ্রসর এ অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। টুঙ্গীপাড়াস্থ জাতির পিতার সমাধিসৌধ, সুন্দরবন ও কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতসহ নানা প্রত্নতাত্ত্বিক ও দর্শনীয় স্থানসমূহে পর্যটকের আগমন বৃদ্ধি পাবে।

নদীবিধৌত উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ও মৎস্য সম্পদ আহরণ এবং দেশব্যাপী দ্রুত বাজারজাতকরণে পদ্মা সেতু বিশেষ ভূমিকা পালন করবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য আজ (শনিবার) এক গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক দিন। প্রমত্তা পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত দেশের সর্ববৃহৎ পদ্মা সেতু যান চলাচলের জন্য আজ খুলে দেওয়া হচ্ছে। চ্যালেঞ্জিং ‘পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প’ বাস্তবায়নে নিয়োজিত সর্বস্তরের দেশি-বিদেশি প্রকৌশলী, পরামর্শক, কর্মকর্তা-কর্মচারী; নিরাপত্তা তদারকিতে নিয়োজিত সেনাবাহিনী ও নির্মাণ শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে তাদের অবদান ও অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য অভিবাদন জানাই।

সেতুর দুই প্রান্তের জনগণ জমি দিয়ে ও নানাভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তা করায় তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্ব ব্যাংক পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ এনে মামলা করে। কানাডার আদালত সেসব অভিযোগ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে রায় দেয়। সব দুর্নীতির অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয় । আমরা বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নে সেতু নির্মাণের ঘোষণা দিলে জনগণের কাছ থেকে বিপুল সমর্থন পাই।

‘জনতার শক্তি হৃদয়ে ধারণ করে সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে আজ আমরা স্বপ্নের পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছি। দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। দুর্নীতিমুক্ত বীরের জাতি হিসেবে বাঙালি নিজেদের বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে বজ্রকণ্ঠে উচ্চারিত- ‘সাত কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না’- এই চিরপ্রেরণার বাণীতে উজ্জীবিত হয়ে আমরা প্রমাণ করেছি আমাদের নিজস্ব সক্ষমতা।’

পদ্মা সেতু যোগাযোগ ব্যবস্থায় সূতিকাগার হিসেবে কাজ করবে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এরই মধ্যে এ অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত পায়রা সমুদ্রবন্দর, বৃহৎ নদীসমূহের ওপর নির্মিত সেতু, রামপাল ও পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ মংলা সমুদ্রবন্দরের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহারে এ সেতু যোগাযোগ ব্যবস্থায় সূতিকাগার হিসেবে কাজ করবে। এই অঞ্চলে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ বেনাপোল, ভোমরা ও দর্শনা প্রভৃতি স্থলবন্দরের মাধ্যমে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে।

‘এ সেতুর মাধ্যমে দুই প্রান্তে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও অপটিক্যাল ফাইবারসহ পরিষেবাসমূহের সংযোগ স্থাপিত হবে। এ সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে সার্বিকভাবে দেশের উৎপাদন ১ দশমিক ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে এবং প্রতি বছর শুন্য দশমিক ৮৪ শতাংশ হারে দারিদ্র্য নিরসনের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এ সেতু অনন্য অবদান রাখবে।’

দেশপ্রেমিক জনগণের আস্থা ও সমর্থনের ফলেই আজকে উন্নয়নের এ নতুন অধ্যায় উন্মোচিত হয়েছে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী দিনেও গণমানুষের আশা-আকাঙ্খা ও স্বপ্ন পূরণে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবো। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন লালিত স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো, ইনশাআল্লাহ।

#পদ্মাসেতু #শেখহাসিনা #প্রধানমন্ত্রী #বাণী #বাংলাদেশ

Photos 19/06/2022

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে আগামী মঙ্গলবার
সিলেট অঞ্চল পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে আগামী মঙ্গলবার সিলেট অঞ্চল পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিন সকালে হেলিকপ্টারযোগে তিনি সিলেট যাবেন বলে নিশ্চিত করেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিশ্বস্ত সূত্র। সূত্রটি জানিয়েছে, মঙ্গলবার সকালে সিলেট যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শন করবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহমর্মিতা জানাবেন। একইসঙ্গে ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

17/06/2022
08/06/2022

পদ্মা সেতু প্রকল্প ২০০১ থেকে ২০২২, জানুন আদ্যোপান্ত

২০০১ সালের ৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়া ও জাজিরা, দুই প্রান্তে পদ্মা সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য, ওই বছর ১ অক্টোবরের নির্বাচনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসার পর সেতুর কাজ পরিত্যক্ত হয়।

এরপর জাইকা ২০০৩ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে আবারও সমীক্ষা চালিয়ে মাওয়া-জাজিরা পয়েন্টকে সেতুর জন্য উপযুক্ত স্থান মনে করে। যেটা তাদের নিজেদের অর্থেই, কিন্তু তৎকালীন সরকারের উদ্যোগে নয়।
সুতরাং, পদ্মা সেতু ন্যে ক্রেডিট নিতে আশা মির্জা ফখরুল নির্জলা মিথ্যা বলেছেন আর তার সেই কথা প্রতিষ্ঠিত করতে উঠে পরে লেগেছে প্রথম আলো - নুরুল কবির গং ।

জাইকার সমীক্ষা রিপোর্টে সব ঠিক থাকলেও কোনভাবেই শেখ হাসিনার উদ্যোগ নেওয়া সেতুর কাজ শুরু করা যাবেনা বলে সেই সার্ভে-সমীক্ষা ও প্রোজেক্ট প্রপোজাল ফেলে রাখার নির্দেশ দেয় খালেদা জিয়া ও তার সরকার।

২০০৭ সালের ২০ আগস্ট (তখন ড. ফকরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্ব¡াবধায়ক সরকার ক্ষমতায়) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ সভায় ১০ হাজার ১৬১ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন করে। পরবর্তীতে নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ২০ হাজার ৫০৭ কোটি টাকা। সর্বশেষ ব্যয় প্রাক্কলন করা হয় ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।

#পদ্মাসেতু #বাংলাদেশ #শেখহাসিনা #খালেদাজিয়া #বিএনপি #জামায়াত #ফখরুদ্দিন #ইউনুস

Photos 02/06/2022

অবাক বিস্ময়ে বিশ্ববাসী আজ বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়া দেখছে। অনুকরণ করছে এদেশের সার্বিক উন্নয়নের চিত্র। এখন মানুষ স্বপ্ন দেখে না। বাস্তবতার জয়গান গায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন এবং চ্যালেঞ্জ বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন। সকল প্রতিকূলতা জয় করে বাংলার মানুষকে উপহার দিয়েছেন পদ্মা সেতু।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ নিরাপদ। তাঁর নেতৃত্বেই উন্নয়নের নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। নতুন এক উচ্চতায় সমাসীন হয়েছে আমাদের বাংলাদেশ। উন্নয়ন অগ্রগতি সম্মান আর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার রোল মডেল একদার দক্ষিণ এশিয়ার দরিদ্রতম দেশ বাংলাদেশ। আর সেই সম্মান অর্জনের চালিকাশক্তি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Want your business to be the top-listed Government Service in Manikganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Shaheed Rafique Sharak
Manikganj
1800