Mirpur Govt. High School

Mirpur Govt. High School

Share

Wikipedia: https://en.wikipedia.org/wiki/Mirpur_Government_High_School The school was established during the then East Pakistan period. to 05:00 post meridian).

It is involved with the history of Bangla language movement & obviously with the history of war of liberation in 1971. It was formally named as Bengali Medium School until the Ershad Government named & transferred it into a Government school named presently as Mirpur Government High School ( MGHS ) in 1983((maybe). It is the first & the only (till 2014) Government High School in the greater Mirpu

10/12/2025
10/12/2025

মুরতাদ রোকেয়ার রোকেয়ানামা...
(শুনুন, জানুন, প্রচার করুন)
🎙️ সাজিদ হাসান
#সীরাহ #রোকেয়া_নামা

10/12/2025

রোকেয়া নামা - (পর্ব : ৫)

আমাদের প্রিয় রাসূল মুহাম্মাদ ﷺ সম্পর্কে বেগম রোকেয়া মন্তব্য করেন,
_________________________
“তারপর মহাত্মা মহম্মদ আইন প্রস্তুত করিলেন যে, “রমণী সর্ব্বদাই নরের অধীনা থাকিবে, বিবাহের পূর্বে পিতা কিংবা ভ্রাতার অধীনা, বিবাহের পর স্বামীর অধীনা, স্বামী অভাবে পুত্রের অধীনা থাকিবে।” আর মূর্খ নারী নত মস্তকে ঐ বিধান মানিয়া লইল।”
_________________________
আল্লাহ মাফ করুন। এটি সবচে মারাত্মক স্পর্ধার প্রকাশ। আর এর দ্বারা সুস্পষ্ট হয়ে যায় যে, রাসূল ﷺ-এর উপর, ইসলামের বিধি-বিধানের উপর রোকেয়ার এক বিন্দু পরিমাণ ঈমান ছিল না।

রোকেয়ার এই দাবিগুলো মেনে নিলে আপনাকে বলতে হবে,

• রাসূল সাঃ আল্লাহর প্রেরিত নবী ছিলেন না।
• যেহেতু তিনি আল্লাহর প্রেরিত কেউ নন, সেহেতু তিনি ভণ্ড, মিথ্যুক।
• তাঁর বলা কথা (অর্থাৎ হাদিস, শরিয়াহর বিধান) সব বানোয়াট। (আস্তাগফিরুল্লাহ। নাউযুবিল্লাহ। আল্লাহ মাফ করুন)

ইসলামের মৌলিক ইলম থাকার পরও উপরের কথাগুলোতে কেউ সুস্থ মস্তিষ্কে, সজ্ঞানে সায় দিলে মুহূর্তের ব্যবধানে ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাবে। বুঝতে পারছেন,বেগম রোকেয়ার চিন্তার ভয়াবহতা কোন পর্যায়ের?

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে সূরা নিসায় (আয়াতঃ ৩৪) বলেন,
"পুরুষগণ নারীদের উপর কর্তৃত্বশীল এ কারণে যে, আল্লাহ তাদের এককে অন্যের উপর মর্যাদা প্রদান করেছেন, আর এজন্য যে, পুরুষেরা স্বীয় ধন-সম্পদ হতে ব্যয় করে। ফলে পুণ্যবান স্ত্রীরা (আল্লাহ ও স্বামীর প্রতি) অনুগতা থাকে এবং পুরুষের অনুপস্থিতিতে তারা তা (অর্থাৎ তাদের সতীত্ব ও স্বামীর সম্পদ) সংরক্ষণ করে যা আল্লাহ সংরক্ষণ করতে আদেশ দিয়েছেন...।"

আর বেগম রোকেয়ার মতে, নারী যে সবসময় পুরুষের—পিতা, ভাই, স্বামী অথবা সন্তান—নিরাপত্তার চাঁদরে সুরক্ষিত থাকবে, রাসূল ﷺ এই আইন নিজের মর্জি মতো বানিয়েছেন। এভাবেই রাসূল ﷺ তৎকালীন ও পরবর্তী সকল মূর্খ নারীদেরকে—খাদিজা রাঃ, আয়েশা রাঃ, ফাতিমা রাঃ—বোকা বানিয়েছেন। আর উম্মাহাতুল মুমিনীনগণসহ যেসব বিদুষী নারী সাহাবীদেরকে আজও আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি, স্বয়ং সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাআলা পর্যন্ত যাদের উপর সন্তুষ্ট বলে কুরআনে ঘোষণা করেছেন, সেসব নারী সাহাবীগণ রাসূল সাঃ-এর বানোয়াট কথাবার্তা নিজেদের মূর্খতাপ্রসূত কোন প্রতিবাদ ছাড়াই মেনে নিয়েছেন।

[রেফারেন্সঃ রোকেয়া সমগ্র, অলংকার না Badge of slavery প্রবন্ধ]

[চলবে]

লেখা : সাজিদ হাসান

#সীরাহ #রোকেয়া_নামা

10/12/2025

আমাদের এই দেশে অধিকাংশ নারী (পুরষ) মুসলিম। তারা সকলেই বিশ্বাস করে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসুল। তিনি যেই দ্বীন নিয়ে এসেছেন, তা সত্য। এমনকি জাহিলিয়াতের জু*লুম থেকে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই নারী জাতিকে মুক্তি দিয়েছেন।
সাধারণ মুসলিম বোনদের কাছে একটু নিবেদন। আপনারা একটু চিন্তা করুন। যে নারী আপনার নবীকে নারীবিদ্বেষী হিসেবে উপস্থাপন করে, আপনার নবীকে আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত হিসেবে অস্বীকার করে, যে নারী আপনার দ্বীনের স্তম্ভ কুরআনকে আল্লাহর কিতাব এবং সুন্নাহকে আপনার নবীর আদর্শ হিসেবে অস্বীকার করে, সে কিভাবে আপনাদের মুক্তির অগ্রদূত হতে পারে?

আপনাদের সামনে তার কয়েকটি মন্তব্য উল্লেখ করছি। বেশি করতে গেলে পোস্ট লম্বা হয়ে যাবে। বেগম রোকেয়া বলে:

"তারপর মহাত্মা মহম্মদ আইন প্রস্তুত করিলেন যে, ‘রমণী সর্ব্বদাই নরের অধীনা থাকিবে, বিবাহের পূর্ব্বে পিতা কিংবা ভ্রাতার অধীনা, বিবাহের পর স্বামীর অধীনা, স্বামী অভাবে পুত্রের অধীনা থাকিবে।’ আর মূর্খ নারী নত মস্তকে ঐ বিধান মানিয়া লইল।"

"ধর্মগ্রন্থসমূহ ঈশ্বরপ্রেরিত বা ঈশ্বরাদিষ্ট নহে। যদি ঈশ্বর কোন দূত রমণীশাসনের নিমিত্ত প্রেরণ করিতেন, তবে সে দূত কেবল এসিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকিতেন না। দূতগণ ইউরোপে যান নাই কেন? আমেরিকা এবং সুমেরু হইতে কুমেরু পর্যন্ত যাইয়া “রমণীজাতিকে নরের অধীন থাকিতে হইবে” ঈশ্বরের এই আদেশ শুনান নাই কেন? ঈশ্বর কি কেবল এসিয়ারই ঈশ্বর? আমেরিকার কি তাঁহার রাজত্ব ছিল না? ঈশ্বরদত্ত জল বায়ু ত সকল দেশেই আছে— কেবল দূতগণ সৰ্ব্বদেশময় ব্যাপ্ত হন নাই কেন? যে কথা পুরাকালে অসভ্য বর্ব্বরগণ বিশ্বাস করিয়াছিল, তাহা বর্ত্তমান কালের সুসভ্যগণ যদি বিশ্বাস করেন, তবে সভ্যতায় ও অসভ্যতায় প্রভেদ কি? যাহা হউক এখন আমরা আর ধর্ম্মের নামে নতমস্তকে নরের প্রভুত্ব সহিব না।"
[রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৬১০-৬১১, ৫৯৪]

পর্দার বিধানকে কটাক্ষ, অস্বীকার করেও তার বিভিন্ন বক্তব্য রয়েছে। দ্বীনের বিধিবিধানের প্রতি ঘৃণা, তিরষ্কার ও মিথ্যাচার ছিল তার মূল দর্শন। সেই নারীটাকেই আপনাদের সামনে নারীজাতির মুক্তির দূত হিসেবে উপস্থাপন করে আসছে বছরের পর বছর যাবৎ।

এই প্রকল্প ও প্রোপাগাণ্ডা ভাঙ্গার সময় এসেছে। বোনদেরকে এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। তাদেরকে বুক ফুলিয়ে সাহসের সাথে "না" বলতে হবে। "একজন মুসলিম নারী হিসেবে বেগম রোকেয়া কখনোই আমার আদর্শ হতে পারে না, তাকে আমি আমার মুক্তির অগ্রদূত মনে করি না" এই বাক্যগুলো বলিষ্ঠ কন্ঠে উচ্চারণ করতে হবে।

আপনারা চুপ থাকবেন না। আপনাদের এই চুপ থাকা আরো অনেক নারীকে অন্ধারের গভীরে নিয়ে যাবে। শিক্ষার নামে তাদেরকে ঈমান ও দ্বীন থেকে মুক্ত করবে।

লেখা : ইফতেখার সিফাত

#সীরাহ

10/12/2025

রোকেয়া নামা - (পর্ব : ৪)

আমাদের ভালোবাসার রাসূল, পবিত্র কুমারী মাতার সন্তান, মুহাম্মাদ সাঃ-এর আগমনের সুসংবাদ দানকারী ঈসা ইবনে মারইয়াম আঃ সম্পর্কে বেগম রোকেয়া বলেন,
____________________________

“ক্রমে জগতের বুদ্ধি বেশী হওয়ায় সুচতুর প্রতিভাশালী পুরুষ দেখিলেন যে, “পয়গম্বর” বলিলে আর লোকে বিশ্বাস করে না। তখন মহাত্মা ঈশা আপনাকে অবতারের অংশবিশেষ (ঈশ্বরপুত্র!) বলিয়া পরিচিত করিয়া ইঞ্জিল গ্রন্থ রচনা করিলেন। তাহাতে লেখা হইল, “নারী পুরুষের সম্পূর্ণ অধীনা—নারীর সম্পত্তিতে স্বামীর সম্পূর্ণ অধিকার।” আর বুদ্ধি-বিবেকহীনা নারী তাই মানিয়া লইল।”
__________________________________________

বেগম রোকেয়ার দাবি, পৃথিবীতে আগত সকল নবীই ভণ্ডামি করে নিজেদেরকে আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ হিসেবে দাবি করেছে। একটা সময় পর ধোঁকা খেতে খেতে তাই মানুষ আর বোকা রইলো না। ফলে, কোন নবী নিজেকে আল্লাহর প্রেরিত পুরুষ বলে দাবি করলে লোকে সে মিথ্যা দাবীতে বিশ্বাস করা বন্ধ করে দিলো।

আর তাই, সুচতুর (!) ঈসা আঃ মানুষকে প্রতারিত করতে নিজের মর্যাদা (!) আরও এক ধাপ বাড়িয়ে নিলেন। সরাসরি নিজেকে আল্লাহর অংশ বলে দাবি করলেন। এরপর নিজে নিজেই ইঞ্জিল রচনা করলেন (অর্থাৎ, ঈসা আঃ আল্লাহর প্রেরিত দূত নয়। আর, ইঞ্জিল আল্লাহর প্রেরিত ঐশী কিতাব নয়)।

ইঞ্জিল লেখার সময় তিনি সেখানে নারীদের শোষণ করতে অন্যায্য বিধান ঢুকিয়ে দিলেন। আর বুদ্ধি-বিবেকহীনা নারীরা ঈসা আঃ-এর সেসব মিথ্যাচার বিশ্বাস করে নিলেন!

[রেফারেন্সঃ রোকেয়া সমগ্র, অলংকার না Badge of slavery প্রবন্ধ]

[চলবে]

লেখা : সাজিদ হাসান

#সীরাহ #রোকেয়া_নামা

09/12/2025

রোকেয়া নামা - (পর্ব : ২)

নিজের জীবদ্দশায় ভারত-বাংলার মুসলিম নারীদের প্রথম ও সবচে বড় যে ক্ষতি বেগম রোকেয়া করেছেন, সেটি হল—তিনিই এ অঞ্চলের মানুষদের সর্বপ্রথম ইরতিদাদ বা ধর্মত্যাগের পথ দেখান। তার আগে সরাসরি এ জঘন্য কাজের আর কোন উদাহরণ সম্ভবত ভারতবাসী দেখেনি।

১৩১০ বঙ্গাব্দের বৈশাখ, ইংরেজিতে মে ১৯০৩। ওই সময় বেগম রোকেয়ার বয়স সর্বোচ্চ ২৩ অথবা ২৪। গিরিশচন্দ্র সেন সম্পাদিত ‘মহিলা’ নামের পত্রিকায় তিন ধাপে রোকেয়ার ‘অলংকার না badge of slavery’ প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়। এই প্রবন্ধতে বেগম রোকেয়া যেসব কথা লিখেছেন, সেগুলো থেকে বাছাইকৃত উদ্ধৃতিগুলো আপনাদের খেদমতে পেশ করছি—

এক. “দিদীমাদের মুখে শুনি যে, নারী নরের অধীন থাকিবে, ইহা ঈশ্বরেরই অভিপ্রেত— তিনি প্রথমে পুরুষ সৃষ্টি করিয়াছেন, পরে তাহার সেবা শুশ্রূষার নিমিত্ত রমণীর সৃষ্টি হয়। কিন্তু একথার আমার সন্দেহ আছে। কারণ দিদীমাদের এ জ্ঞান পুরুষদের নিকট হইতে গৃহীত।”
________

মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন,

"স্মরণ কর, তোমার প্রতিপালক যখন ফেরেশতাদেরকে বললেন, ‘আমি যমীনে প্রতিনিধি সৃষ্টি করছি’; তারা বলল, ‘আপনি কি সেখানে এমন কাউকেও পয়দা করবেন যে অশান্তি সৃষ্টি করবে ও রক্তপাত ঘটাবে? আমরাই তো আপনার প্রশংসামূলক তাসবীহ পাঠ ও পবিত্রতা ঘোষণা করি’। তিনি বললেন, ‘আমি যা জানি, তোমরা তা জান না’।

এবং তিনি আদাম (আ.)-কে সকল বস্তুর নাম শিক্ষা দিলেন, তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে উপস্থাপন করলেন এবং বললেন, ‘এ বস্তুগুলোর নাম আমাকে বলে দাও, যদি তোমরা সত্যবাদী হও’।"
(সূরা বাকারা ৩০-৩১)

"তিনিই তোমাদেরকে এক ব্যক্তি হতে সৃষ্টি করেছেন আর তাত্থেকে তার জোড়া সৃষ্টি করেছেন যাতে সে তার কাছে শান্তি পায়। যখন সে স্ত্রীর সাথে সঙ্গত হয় তখন সে লঘু গর্ভধারণ করে আর তা নিয়ে চলাফেরা করে। গর্ভ যখন ভারী হয়ে যায় তখন উভয়ে তাদের প্রতিপালক আল্লাহকে ডেকে বলে, ‘যদি তুমি আমাদেরকে (গঠন ও স্বভাবে) ভাল সন্তান দান কর তাহলে আমরা কৃতজ্ঞ থাকব।"
(সূরা আরাফ-১৮৯)
___________

কিন্তু বেগম রোকেয়া বলেন, তিনি এটি বিশ্বাস করেন না। অর্থাৎ, বেগম রোকেয়ার মতে, আল্লাহ যে আদম আঃ-কে প্রথমে সৃষ্টি করেছেন, তারপর আদম আঃ-এর শান্তির জন্য সৃষ্টি করেছেন হাওয়া আঃ-কে, কুরআনের এই আয়াতগুলো পুরুষদের বানানো মিথ্যা গল্প।

(চলবে)

লেখা : সাজিদ হাসান
বিস্তারিতঃ https://www.facebook.com/photo?fbid=1180247684197435&set=a.376230151265863

09/12/2025

রোকেয়া নামা - (পর্ব : ৩)

‘অলংকার না badge of slavery’ প্রবন্ধে বেগম রোকেয়া যেসব কথা লিখেছেন, সেসব থেকে বাছাইকৃত উদ্ধৃতিগুলো আপনাদের খেদমতে পেশ করছি
_______________

দুই. “আমাদিগকে প্রতারণা করিবার নিমিত্ত পুরুষগণ ঐ ধর্মগ্রন্থগুলিকে “ঈশ্বরের আদেশপত্র” বলিয়া প্রচার করিয়াছেন... পুরাকালে যে ব্যক্তি প্রতিভাবলে দশজনের মধ্যে পরিচিত হইয়াছেন, তিনিই আপনাকে ঈশ্বরপ্রেরিত দূত কিংবা দেবতা বলিয়া প্রকাশ করিয়া অসভ্য বর্বরদিগকে শাসন করিতে চেষ্টা করিয়াছেন। ক্রমে যেমন পৃথিবীর অধিবাসীদের বুদ্ধি বিবেচনা বৃদ্ধি হইয়াছে, সেইরুপ পয়গম্বরদিগকে (ঈশ্বরপ্রেরিত মহোদয়দিগকে) এবং দেবতাদিগকেও বুদ্ধিমান হইতে বুদ্ধিমত্তর দেখা যায়!”
_____________

অর্থাৎ, নারীদের প্রতারিত করতে পুরুষরা তাওরাত, ইঞ্জিল, কুরআনসহ সকল আসমানী কিতাবকে আল্লাহর নাযিলকৃত আদেশগ্রন্থ বলে প্রচার করে। আদতে সেগুলো আল্লাহর নাযিলকৃত আসমানি কিতাব নয়।

এবং, পয়গম্বর বা নবীরা মহান আল্লাহর প্রেরিত দূত নয়। বরং তারা সবাই ছিল ভণ্ড, প্রতারক, মিথ্যা নবুয়তের দাবিদার। নিজেদের সময়কার অসভ্য বর্বর মানুষদের মধ্যে সবচাইতে চতুর ও বুদ্ধিমান ছিলেন তারা। তাই কুটিল বুদ্ধি খাটিয়ে তারা নিজেদের পয়গম্বর বলে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন!

বেগম রোকেয়ার মতে, এর প্রমাণ হল—যুগে যুগে মানুষ আগের যুগের মানুষদের চাইতে বেশী জ্ঞান অর্জন করেছে। তাই সেই সময়কার সবচে চতুর পয়গম্বর বা নবীদেরকেও সময়ের পরিক্রমায় আগের যুগের নবীদের চাইতে বেশী বুদ্ধিমান দেখা গেছে (উদাহরণস্বরূপঃ তিনি বলতে চেয়েছেন, ইবরাহিম আঃ-এর সময়ের মানুষদের যে জ্ঞান ছিল, তার চাইতে পরবর্তী সময়ের ঈসা আঃ, মুহাম্মাদ সাঃ-এর আমলের মানুষদের জ্ঞান ছিল আরও বেশী। তাই, সমসাময়িক আপডেটেড জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তারা নিজেদের সময়কার অধিক জ্ঞানী মানুষদেরকেও বোকা বানাতে পেরেছেন। সেজন্যই দেখা যায়, ইবরাহিম আঃ-এর তুলনায় ঈসা আঃ, মুহাম্মাদ সাঃ অধিক জ্ঞানী )!

[চলবে]

লেখা : সাজিদ হাসান
বিস্তারিতঃ https://www.facebook.com/photo?fbid=1180295164192687&set=a.376230151265863

09/12/2025

রোকেয়ার জন্মদিন 'উদযাপন'-এ ইসলাম নিয়ে তার বিশেষ উক্তিগুলো-
“আমাদিগকে প্রতারণা করিবার নিমিত্ত পুরুষগণ ঐ ধর্মগ্রন্থগুলিকে “ঈশ্বরের আদেশপত্র” বলিয়া প্রকাশ করিয়াছেন। পুরাকালে যে ব্যক্তি প্রতিভাবলে দশজনের মধ্যে পরিচিত হইয়াছেন, তিনিই আপনাকে ঈশ্বরপ্রেরিত দূত কিংবা দেবতা বলিয়া প্রকাশ করিয়া অসভ্য বর্বরদিগকে শাসন করিতে চেষ্টা করিয়াছেন।...
ক্রমে জগতের বুদ্ধি বেশি হওয়ায় সুচতুর প্রতিভাশালী পুরুষ দেখিলেন যে, পয়গম্বর” বলিলে আর লোকে বিশ্বাস করে না। তখন মহাত্মা ঈশা আপনাকে দেবতার অংশবিশেষ (ঈশ্বরপুত্র !) বলিয়া পরিচিত করিয়া ইঞ্জিল গ্রন্থ রচনা করিলেন। তাহাতে লেখা হইল, ‘নারী পুরুষের সম্পূর্ণ অধীনা—নারীর সম্পত্তিতে স্বামী সম্পূর্ণ অধিকারা।’ আর বুদ্ধি—বিবেকহীনা নারী তাই মানিয়া লইল।
তারপর মহাত্মা মহম্মদ আইন প্রস্তুত করিলেন যে, ‘রমণী সর্ব্বদাই নরের অধীনা থাকিবে, বিবাহের পূর্ব্বে পিতা কিংবা ভ্রাতার অধীনা, বিবাহের পর স্বামীর অধীনা, স্বামী অভাবে পুত্রের অধীনা থাকিবে।’ আর মূর্খ নারী নত মস্তকে ঐ বিধান মানিয়া লইল।
ভগিনি, তোমরা দেখিতেছ এই ধর্ম্মশাস্ত্রগুলি পুরুষরচিত বিধি ব্যবস্থা ভিন্ন আর কিছুই নহে। মুনিদের বিধানে যে কথা শুনিতে পাও, কোন স্ত্রী মুনির বিধানে হয়ত তাহার বিপরীত নিয়ম দেখিতে পাইতে। ধর্মগ্রন্থসমূহ ঈশ্বরপ্রেরিত বা ঈশ্বরাদিষ্ট নহে। যদি ঈশ্বর কোন দূত রমণীশাসনের নিমিত্ত প্রেরণ করিতেন, তবে সে দূত কেবল এসিয়ায় সীমাবদ্ধ থাকিতেন না। দূতগণ ইউরোপে যান নাই কেন? আমেরিকা এবং সুমেরু হইতে কুমেরু পর্যন্ত যাইয়া “রমণীজাতিকে নরের অধীন থাকিতে হইবে” ঈশ্বরের এই আদেশ শুনান নাই কেন? ঈশ্বর কি কেবল এসিয়ারই ঈশ্বর? আমেরিকার কি তাঁহার রাজত্ব ছিল না? ঈশ্বরদত্ত জল বায়ু ত সকল দেশেই আছে—কেবল দূতগণ সৰ্ব্বদেশময় ব্যাপ্ত হন নাই কেন? যে কথা পুরাকালে অসভ্য বর্ব্বরগণ বিশ্বাস করিয়াছিল, তাহা বর্ত্তমান কালের সুসভ্যগণ যদি বিশ্বাস করেন, তবে সভ্যতায় ও অসভ্যতায় প্রভেদ কি? যাহা হউক এখন আমরা আর ধর্ম্মের নামে নতমস্তকে নরের প্রভুত্ব সহিব না।
[রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৬১০-৬১১, ৫৯৪]

দাসত্বের বিরুদ্ধে কখনও মাথা তুলিতে পারি নাই, তাহার প্রধান কারণ এই যে, যখনই কোনো ভগিনী মস্তক উত্তোলনের চেষ্টা করিয়াছেন, অমনি ধর্ম্মের দোহাই বা শাস্ত্রের বচনরূপ অস্ত্রাঘাতে তাঁহার মস্তক চূর্ণ হইয়াছে ! আমরা প্রথমতঃ যাহা সহজে মানি নাই, তাহা পরে ধর্ম্মের আদেশ ভাবিয়া শিরোধার্য্য করিয়াছি।
[রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৬১০]

“এখন মুসলমান সমাজে প্রবেশ করা যাউক। মুসলমানের মতে আমরা পুরুষের ‘অর্দ্ধেক’, অর্থাৎ দুইজন নারী একজন নরের সমতুল্যা। অথবা দুইটি ভ্রাতা ও একটি ভগিনী একত্র হইলে আমরা ‘আড়াই জন’ হই!...আপনারা ‘মুহম্মদীয় আইনে’ দেখিতে পাইবেন যে বিধান আছে, পৈতৃক সম্পত্তিতে কন্যা পুত্রের অর্দ্ধেক ভাগ পাইবে।...
[কিন্তু] আমরা ঈশ্বর ও মাতার নিকট ভ্রাতাদের ‘অর্দ্ধেক’ নই। তাহা হইলে এইরুপ স্বাভাবিক বন্দোবস্ত হইত—পুত্র যেখানে দশ মাস স্থান পাইবে, দুহিতা সেখানে পাঁচ মাস!!...আমরা জননীর স্নেহ মমতা ভ্রাতার সমানই ভোগ করি। মাতৃহৃদয়ে পক্ষপাতিতা নাই।
[রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ২৯,৩১]

যিনি যত বেশি পর্দ্দা করিয়া গৃহকোণে যত বেশি পেঁচকের মত লুকাইয়া থাকিতে পারেন, তিনিই তত বেশি শরীফ।
[রোকেয়া রচনাবলি, বাংলা একাডেমী, পৃষ্ঠা ৩৮৫]

02/05/2024

বৃষ্টি বর্ষণের পর যিকর
مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللّٰهِ وَرَحْمَتِهِ

আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ ও দয়ায় আমাদের উপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে।

মুতিরনা বিফাদলিল্লা-হি ওয়া রহমাতি-হি

29/03/2024

মাসজিদ আল-হারামের ইমাম শাইখ আব্দুর রহমান আল রমজানের শেষ দশ দিনের জন্য চমৎকার এক আমলের ফর্মুলা দিয়েছেন।

১. প্রতিদিন এক দিরহাম (এক টাকা) দান করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর বা ১০০০ মাস পর্যন্ত প্রতিদিন এক টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন।

২. প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন দুই রাকা'আত নফল সালাত আদায় করার সাওয়াব পাবেন।

৩. প্রতিদিন তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করুন, যদি দিনটি লাইলাতুল ক্বদরের মাঝে পড়ে, তবে আপনি ৮৪ বছর পর্যন্ত প্রতিদিন এক খতম ক্বুর'আন পাঠের সাওয়াব পাবেন।

তিনি আরো বলেন, এ কথাগুলো মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, যারা আপনার এ কথা শুনে আমল করবে, আপনিও তাদের আমলের সমপরিমাণ সাওয়াব পাবেন ইনশাআল্লাহ্। কারণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "ভালো কাজের পথপ্রদর্শনকারী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব পাবে, কিন্তু আমলকারীর সাওয়াবে কোনো ঘাটতি হবে না।" (মুসলিম, ২৬৭৪)

আল্লাহ্ সবাইকে বেশি বেশি আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

Photos from Mirpur Govt. High School's post 28/03/2024

আজ ১৭ রমজান। এ দিন সংঘটিত হয়েছিল বদরের যুদ্ধ। ইসলামের ইতিহাসে দিনটির গুরুত্ব বিশেষ। ২ হিজরির ১৭ রমজান মদিনার মুসলমান এবং মক্কার অমুসলমানদের মধ্যে এ যুদ্ধ হয়। যুদ্ধের আগে চলে বেশ কিছু খণ্ডযুদ্ধ। তবে বদরের যুদ্ধ ছিল দুই পক্ষের মধ্যে প্রথম বড় আকারের যুদ্ধ।

ইসলামের এই প্রথম সামরিক যুদ্ধে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর নেতৃত্বে মুসলমান বাহিনী বিজয়ী হয়। এই বিজয় অন্যদের কাছে এই বার্তা পৌঁছায় যে মুসলমানরা আরবে নতুন শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। এর ফলে নেতা হিসেবে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অবস্থান দৃঢ় হয়।

শ্বেত পাথর নাম ফলকে বদরযুদ্ধে শাহাদত বরণকারী সাহাবীদের নাম লেখা রয়েছে। বদরযুদ্ধে যাঁরা শহীদ হয়েছিলেন, তাঁদের নামের তালিকা সেখানে খোদাই করে রাখা হয়েছে। দেখা গেল, তালিকায় ১৪ জনের নাম রয়েছে। শহীদদের নামফলকের পাথরটির উল্টো দিকেই বদরের যুদ্ধক্ষেত্র। দেয়াল দিয়ে জায়গাটা ঘিরে রাখা।

শত্রুর সঙ্গেও মানবিক আচরণের শিক্ষা দেয় বদর বিজয়

বদরের যুদ্ধ হজরত মুহাম্মদ (সা.) নিজে পরিচালনা করেন। আল আরিশ পাহাড়ের পাদদেশে মুসলিম বাহিনীর শিবির স্থাপিত হলো। তাই পানির কুয়াগুলো তাদের আয়ত্তে ছিল। আর নবী করিম (সা.) সৈন্য সমাবেশের জন্য এমন একটি জায়গা বেছে নেন, যেখানে সূর্যোদয়ের পর যুদ্ধ হলে কোনো মুসলমান সৈন্যের চোখে সূর্যকিরণ পড়বে না।

প্রাচীন আরব রেওয়াজ অনুযায়ী প্রথমে মল্লযুদ্ধ হয়। অমুসলিমদের সেনাসংখ্যা ছিল এক হাজার। আর ছিল একশটি ঘোড়া, ছয়শ লৌহবর্ম এবং অসংখ্য উট। অমুসলিমদের সেনাপতি ছিলেন ওতবা বিন রবিআ। যুদ্ধে সত্তর জন অমুসলিম নিহত হন এবং বন্দীও হন সত্তর জন।

মুসলমানদের বাহিনীর সেনাসংখ্যা ছিল ৩১৩ জন। মুহাজির ছিলেন ৮২ জন, বাকি সবাই আনসার। আওস গোত্রের ৬১ জন এবং খাজরাজ গোত্রের ১৭০ জন। মুসলিমদের উট ও ঘোড়ার সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৭০টি ও ২টি। যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর ১৪ জন শহীদ হন।

এই যুদ্ধের উল্লেখযোগ্য ঘটনা ছিল নবীজি (সা.)-এর প্রধান শত্রু আবু জাহেলের নিহত হওয়া। এ প্রসঙ্গে দুই কিশোরের অসম সাহসিকতা নিয়ে একটি বীরত্বের কাহিনি প্রচলিত আছে।

Want your business to be the top-listed Government Service in Mirpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Mirpur/01 Bus Stop (Mukti Joddha Markets Opposite)
Mirpur
1216

Opening Hours

Monday 07:00 - 17:00
Tuesday 07:00 - 17:00
Wednesday 07:00 - 17:00
Thursday 07:00 - 17:00
Saturday 07:00 - 17:00
Sunday 07:00 - 17:00