25/03/2026
অনির্বাণ চেতনার দীপ্ত আলোয় উদ্ভাসিত হোক আমাদের হৃদয় ও মনন; স্বাধীনতার অমর মহিমা ছড়িয়ে পড়ুক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে,অবিনাশী প্রেরণার উৎস হয়ে জাগ্রত রাখুক জাতির আত্মমর্যাদা।
স্বাধীনতা থাকুক চিরঅম্লান—সময়, ইতিহাস ও প্রতিকূলতার সকল বাধা অতিক্রম করে, অবিচল গৌরবে, অক্ষয় দীপ্তিতে, আমাদের চেতনা, কর্ম ও আদর্শে চিরভাস্বর হয়ে।
আঠারবাড়ী মানব কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে
দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত সকল বাঙালিকে জানাই মহান স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি রইল
গভীর শ্রদ্ধা, কৃতজ্ঞতা ও অফুরন্ত ভালোবাসা।
20/03/2026
দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত সকল প্রিয়জনকে আঠারবাড়ী মানব কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে জানাই পবিত্র ঈদুল ফিতরের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন—ঈদ মোবারক।
পবিত্র এই ঈদ আমাদের জীবনে বয়ে আনুক অফুরন্ত শান্তি, আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা। ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবিকতার চেতনায় আমরা যেন একে অপরের পাশে দাঁড়াতে পারি—এই হোক আমাদের অঙ্গীকার। সকলের জীবন ভরে উঠুক সুখ, সমৃদ্ধি ও কল্যাণে।
20/02/2026
২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সকল ভাষা শহীদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
31/12/2025
সবাইকে -২০২৬ ইং
নতুন বছরের
প্রানঢালা শুভেচ্ছা
16/12/2025
১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস - ২০২৫ ইং
স্বাধীনতার স্বপক্ষের প্রতিটি বাঙালিকে জানাই মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
যাদের তাজা রক্তের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীনতা অর্জন করেছি, সেই শহীদ বীর বাঙালিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
06/11/2025
আঠারবাড়ী জমিদার বাড়ি।
রবীন্দ্রনাথ এখানে বেড়াতে এসেছিলেন।
লোকেশন- আঠারবাড়ী,ঈশ্বরগঞ্জ,ময়মনসিংহ।
জমিদার বাড়িটি দুটি অংশে বিভক্ত যার একটি অংশ আঠারবাড়ী ডিগ্রি কলেজ ব্যবহার করে।আড়াইশো বছরের পুরাতন এই জমিদার বাড়ি। এই জমিদার বাড়িতে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এই বাড়ির জমিদার প্রমোদ রায় চৌধুরী ছিলেন শান্তি নিকেতনের ছাত্র। সেই সূত্রে ছাত্রের আমন্ত্রণে এই বাড়িতে পদার্পন করেছিলেন বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ময়মনসিংহ থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরে প্রত্যন্ত এই গ্রাম। সে প্রায় শত বৎসর পূর্বে।
উৎসব মুখর হয়ে উঠেছিল সমগ্র এলাকা কবির আগমনে। হাতির পিঠে চড়িয়ে জয়ধবনি সহকারে ঢাক ঢোল বাজিয়ে কবিকে নিয়ে আসা হয় রেলষ্টেশনে থেকে। ফটকে পৌঁছলে জমিদার কবিকে উপহার দেন সোনার চাবি। সেই চাবি দিয়ে কবি উন্মোচন করেন নুতন কাচারি ঘরের দ্বার। কবির সম্মানে আয়োজন হয় মধ্যাহ্নভোজ, বসানো হয় বাউল , জারি-সারি গানের আসর।
এর পর থেকে গৌরীপুরের জমিদার কন্যা হেমন্তবালা দেবীর সঙ্গে পত্র যোগাযোগ স্থাপিত হয় কবির সাথে।
১৯৫১ সালে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলে প্রমোদ রায় চৌধুরী স্থায়ী ভাবে পাড়ি জমান ভারতে। মোট একশ একর জায়গার বিশাল এলাকা নিয়ে স্থাপিত এই জমিদারবাড়ি। বেহাত হতে থাকে জায়গা জমি। যাক, ১৯৬৮ সালে এই বাড়ির প্রাঙ্গণে স্থাপিত হয় আঠারবাড়ী ডিগ্রি কলেজ।
কলেগজের ফটক ও অভ্যন্তরে বিস্তৃত মাঠ
জমিদার বাড়ির ছড়ানো ছিটানো প্রায় সব স্থাপনা ধ্বংসপ্রাপ্ত, যৎসামান্য আছে ধ্বংসোন্মুখ। এই অবস্থাতে নির্ণয় করা দুষ্কর কোনটা সেই কাচারি ঘর আর কোনটা অন্দর্মহল। বিশাল পুকুর, পরিখা, পুকুরে নামার সুড়ঙ্গপথ, বাড়ির দক্ষিণে পুকুরে রাজহাঁসের সাঁতার কাটার দৃশ্য অবলোকনের স্থান, চিড়িয়াখানার চিহ্ন – প্রায় সব ই অন্তর্হিত কালের গহ্বরে। নন্দিত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত ছবি ‘চন্দ্রকথা’র (২০০৩ সালে মুক্তি প্রাপ্ত) উল্লেখযোগ্য অংশ চিত্রায়িত হয় এই বাড়িতে। নীচের ছবির সিংহদরজা বার বার ই দেখা যায় ছবিতে। পনেরো বৎসরে প্রাচীন নির্মান গার্ত্রের অশ্বত্থের শেকড় এবং ডালপালা হয়েছে প্রসারিত। তবে এখনো দাঁড়িয়ে আছে ধ্বংসোন্মুখ সিংহদরজা, নাটমন্দির ও কয়েকটি ঘর। অশ্বত্থ ও বট গাছের শেকড়ে আষ্টেপৃষ্ঠে আবৃত এ সমস্ত স্থাপনা।
ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায় খাজে আরাতুন’ নামে এক আর্মেনীয় নিলামে ক্রয় করেন মহারাজ রামকৃষ্ণের জমিদারির এই পরগনা।
আঠার বাড়ী জমিদারদের পূর্ব পুরুষ দিপ রায় চৌধুরী ছিলেন যশোর জেলার পরগনায় জমিদার। যশোর থেকে এসে পুত্র শম্ভুরায চৌধরীর নামে ১৮৫৩ সালে ক্রয় করেন আর্মেনীয়র উত্তরাধিকারী বিবি এজিনার ৪ আনা অংশ। এর থেকেই শুরু আঠার বাড়ী জমিদারীর। তখন নাম ছিল শিবগঞ্জ বা গোবিন্দ বাজার। পরিবারের কাজকর্ম দেখাশুনার জন্য তিনি যশোর থেকে সঙ্গে করে নিয়ে আসেন আঠারটি হিন্দু পরিবার। তাই কালক্রমে এই জায়গা পরিচিতি পায় ‘আঠারবাড়ী’ নামে।
জমিদার বংশের উপাধি ‘রায়’ থেকে পরবর্তীতে উপজেলার অন্যতম প্রধান ব্যবসাকেন্দ্রের নামকরণ করা হয় রায় বাজার।
ঋণের দায়ে নিলামে উঠা মুক্তাগাছার জমিদার রামকিশোর চৌধুরীর জমিদারি পরে কিনে নেন শম্ভু রায় আঠারবাড়ী জমিদার বাড়ি আঠারবাড়ী জমিদার বাড়ি
চিৎকার করে বলে, ‘সাহেব চাবুক মারাবন্ধ কর’। এই দুঃসাহস দেখে ক্ষুব্ধ সাহেব তাঁকেও মারতে থাকে চাবুক। ঈশ্বরপাটনীর হাতে ছিল শাল কাঠের বৈঠা। ধৈর্য্যচ্যুত ঈশ্বরপাটনী ইংরেজ সাহেবের মাথায় সরা সরি আঘাত করে হাতের বৈঠা দিয়ে। মারা যায় নীলকুঠির সাহেব। ভেঙে যায় সন্ত্রস্ত পিতলগঞ্জের হাট। এই ঘটনার প্রভাব পড়ে সারা বাংলায়। প্রাণ হারায় ঈশ্বরপাটনীও।
পরবর্তীতে গৌরীপুরের জমিদার ব্রজেন্দ্র কিশোর চৌধুরী দত্তপাড়া চরনিখলা মৌজায় বাজার স্থাপন করার জন্যে জমি দান করেন। তিনিই ঈশ্বরপাটনীর নামের ঈশ্বরের সঙ্গে গঞ্জ যোগ করে বাজারের নাম দেন ঈশ্বরগঞ্জ। এই হলো ঈশ্বরগঞ্জ জনপদের নামকরণের গৌরবময় ইতিহাস। কিন্তু ক্রমে কালের গহ্বরে হারিয়ে যাচ্ছে একদাসমৃদ্ধ এই জনপদের গৌরব গাঁথার ঐতিহাসিক সব নিদর্শন।
এখানের ভবনগুলোর যে পরিস্থিতি যে কোন সময় তা ধ্বংসস্তুপে পরিনত হতে পারে।দখলদারদের কবলে পরে সব শেষ হয়ে যাচ্ছে।
কপি: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
#তথ্য :- Bohemian Faisal
21/10/2025
আমাদের ন্যায্য দাবি: এগারোসিন্ধুর ট্রেন অবিলম্বে আঠারবাড়ী পর্যন্ত বর্ধিত চাই!
রেল যোগাযোগে এই অঞ্চলের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর বঞ্চনা আর নয়!
আঠারবাড়ী রেলওয়ে স্টেশনটি কেবল একটি স্টেশন নয়, এটি ময়মনসিংহ বিভাগের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা— ঈশ্বরগঞ্জ, নান্দাইল, কেন্দুয়া, মদন এবং কালিয়াজুরী—এর হাজার হাজার মানুষের আঞ্চলিক সেতুবন্ধন ও যোগাযোগের প্রাণকেন্দ্র। অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটের সবকটি আন্তঃনগর ট্রেন কেবল কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি অযৌক্তিক এবং এই সুবিশাল এলাকার বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে রেল যোগাযোগের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করছে।
আমাদের প্রশ্ন: কেন এই বৈষম্য?
আঠারবাড়ী স্টেশনের গুরুত্ব এবং যাত্রীর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও কেন সব আন্তঃনগর ট্রেন শুধু কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ?
ঈশ্বরগঞ্জ থেকে শুরু করে কেন্দুয়া, মদন, ও কালিয়াজুরীর জনগণ কি তবে রেলওয়ে সেবার ক্ষেত্রে 'তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক'? এই বৈষম্য আর মেনে নেওয়া যায় না। আমাদের এই অঞ্চলের মানুষ নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকবে কেন? আমাদের দাবি স্পষ্ট ও যুক্তিসঙ্গত।
✨ কেন এই বর্ধিতকরণ সহজ ও কার্যকর:
১. সময় ও দূরত্ব ব্যবহার: ঢাকা থেকে আসা ৭৩৭/৭৫০ এগারোসিন্ধুর ট্রেনটি কিশোরগঞ্জ স্টেশনে প্রতিদিন প্রায় ২ ঘণ্টা পর্যন্ত অলসভাবে দাঁড়িয়ে থাকে। এই অতিরিক্ত সময়টুকু খুব সহজেই কাজে লাগানো সম্ভব।
২. অল্প দূরত্বে বর্ধিতকরণ: কিশোরগঞ্জ স্টেশন থেকে আঠারবাড়ী স্টেশনের দূরত্ব মাত্র প্রায় ২৫ কিলোমিটার উত্তরে। এই স্বল্প দূরত্বে ট্রেনটি বর্ধিত করলে কিশোরগঞ্জে অপেক্ষার সময়ের মধ্যেই এটি আঠারবাড়ী পৌঁছাতে পারে এবং ফিরে আসতে পারে।
৩. কারিগরি সুবিধা: আঠারবাড়ী রেলওয়ে স্টেশনে লোকোমোটিভ ঘুরিয়ে স্যান্টিং করার পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ, ট্রেন বর্ধিতকরণের জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি অবকাঠামো ইতিমধ্যেই প্রস্তুত।
আমাদের দৃঢ় দাবি:
অবিলম্বে ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটে চলাচলকারী জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেন এগারোসিন্ধুর প্রভাতী/গোধূলী (ট্রেন নং ৭৩৭/৭৫০) গৌরীপুর জংশন পর্যন্ত না হলেও, কমপক্ষে আঠারবাড়ী রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত বর্ধিত করতে হবে।
অধিকার আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হোন!
এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমাদের সকলের ঐক্যবদ্ধ হওয়া জরুরি। আর কোনো অনুনয়-বিনয় নয়, এবার প্রয়োজন জোরালো আন্দোলন। আমাদের অধিকার আদায় করতে, রেলওয়ের এই বৈষম্যের বিরুদ্ধে সকলকে এক হয়ে প্রতিবাদ জানাতে হবে।
সময় এসেছে নিজেদের অধিকার বুঝে নেওয়ার। আসুন, আমরা সকলে মিলে একসাথে দাঁড়াই।
দাবি আদায়ে আমাদের ঐক্যই শক্তি!
কপি: আমাদের আঠারবাড়ী ফেইজ।
18/10/2025
ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড।
#এয়ারপোর্ট #ঢাকা
18/10/2025
ময়মনসিংহ হতে আপ ও ডাউন ট্রেনের সময়সূচি - ২০২৫ ইং।
17/10/2025
প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
১, ২ ও ৫ টাকার প্রচলিত ধাতব মুদ্রার লেনদেন বিষয়ে।