ভূবনকুড়া নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা

ভূবনকুড়া নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা

Share

ভূবনকুড়া নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজ।
যেকোন তথ্য জানতে কিংবা সহযোগিতা (দান) করতে চাইলে মেসেজ করুন।

06/04/2026

ভূবনকুড়া নূরাণীয়া ও হাফিজিয়া মাদরাসায় গতকাল ০৫/০৪/২০২৬ ইং রবিবারে অনুষ্ঠিত হয়েছে মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬ শে মার্চ উপলক্ষে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান। খেলাধুলায় মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের মতো এলাকার যুব সমাজ ও বয়স্ক লোকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছিল। এক আনন্দমুখর পরিবেশে
ছোটদের জন্য খেলা ছিল-
স্মৃতি পরীক্ষা,
পুকুরে পারে,
পাখি উড়ে ঘোরা উড়ে,
চেয়ার খেলা,
মোরগ লড়াই,
একেবারে ছোটদের জন্য দৌড় প্রতিযোগিতা এবং যুবক ও বয়স্কদের জন্য ছিল-
হাড়িভাঙ্গা ও গোলক নিক্ষেপ। এলাকার নারী ও পুরুষ দর্শকের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রীদের গার্ডিয়ানরাও অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেছিলেন।
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। মাদরাসা পরিচালক মাওলানা আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ আল রাকিব শিকদার। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, মুহতামিম মাওলানা জহিরুল ইসলাম এবং মাদরাসার শিক্ষক মাওলানা জুবায়ের আহমদ, হাফিজ মাসুম বিল্লাহ সহ এলাকার অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সকলের সার্বিক সহযোগিতায় খেলাধুলা অনুষ্ঠানটি সুসম্পন্ন হওয়ায় সকলেই মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন এবং আগামীতে যেন আরো সুন্দর করে আয়োজন করা যায় সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।

02/04/2026

মহান স্বাধীনতা দিবস ২৬ শে মার্চ ২০২৬ ইং উপলক্ষে ভূবনকুড়া নূরাণীয়া ও হাফিজিয়া মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান আগামী ০৫ ই এপ্রিল ২০২৬ ইং রোজ রবিবারে অনুষ্ঠিত হবে।
ইংশা-আল্লাহ্!
এতে ছোটদের পাশাপাশি যুবক এবং বয়স্কদের জন্যও বিনোদন ও খেলাধুলার আয়োজন করা হবে। উক্ত ক্রিড়া অনুষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক সহ সকলের সার্বিক সহযোগিতা ও উপস্থিতি কামনা করছি এবং বিনোদনমূলক অত্র অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে একে অন্যের মাঝে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার আহবান করছি!

21/03/2026

🌺ঈদ মুবারক 🌺
ঈদুল ফিতর।

12/03/2026

শিশুদেরকে প্রহার করার বৈধতা কতটুকু
------------------------------------------
মুফতী আবুল হাসান শামসাবাদী
------------------------------------------

বেত, লাঠি ইত্যাদি দিয়ে শিশুদেরকে প্রহার করা জায়িয নয়। হাত দিয়ে মৃদুভাবে শাসন করা যায়। কিন্তু তা-ও একসাথে তিনবারের বেশী জায়িয নয়।

এ ব্যাপারে হাদীসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে–
قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني

হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন) উদ্দেশ্য করে বলেন–“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা/ ই‘লাউস সুনান, ১০ম খণ্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা)

তেমনি ফাতওয়ার কিতাবে এরকমই বলা হয়েছে। দেখুন, হাশিয়া-ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতারের ইবারত–

قولہ: ” بید“: أي: ولا یجاوز الثلاث، وکذلک المعلم لیس لہ أن یجاوزھا، قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني، وظاھرہ أنہ لا یضرب بالعصا في غیر الصلاة أیضاً۔ قولہ: ”لا بخشبة“: أي: عصاً، ومقتضی قولہ: ”بید“ أن یراد بالخشبة ما ھو الأعم منھا ومن السوط، أفادہ ط (رد المحتار، أول کتاب الصلاة، ۲:، ط: مکتبة زکریا دیوبند)

“দুররুল মুখতারে বলা হয়েছে–” بید“ (শিষ্টাচারের জন্য মা-বাবা সন্তানদেরকে হাত দ্বারা মামুলীভাবে প্রহার করতে পারেন,) এক্ষেত্রে উল্লেখ্য হলো– সেটা তিনের বেশী হতে পারবে না। তেমনি শিক্ষকের জন্য জায়িয হবে না তিনবারকে অতিক্রম করা। কেননা, রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন ) উদ্দেশ্য করে বলেন–“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” এ হাদীসটি ইসমাঈল (রহ.) আল্লামা আস্তুরুশনী (রহ.)-এর “আহকামুস সিগার” কিতাব থেকে উদ্ধৃত করেছেন। এ হাদীসের বাহ্যত নির্দেশনা হলো–নামায ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রেও বেত বা লাঠি দ্বারা প্রহার করা যাবে না। এভাবে দুররুল মুখতারে বলা হয়েছে–”لا بخشبة“ (লাঠির দ্বারা নয়।) এখানে লাঠি বলতে ব্যাপক মাধ্যমকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। তাই লাঠি বা দোররা ইত্যাদি যে কোন জিনিস দ্বারা প্রহার করা নিষিদ্ধ হবে। (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা)

সেই সাথে এ ব্যাপারে দারুল উলূম দেওবন্দের ফাতওয়া রয়েছে। তার লিঙ্ক নিম্নে প্রদত্ত হলো–

https://darulifta-deoband.com/home/ur/others/156983
দেওবন্দের উক্ত ফাতওয়ার অনুবাদ নিম্নে প্রদত্ত হলো--

শিরোনাম : ছাত্রের শরীরের যে অংশে উস্তাযের বেত লাগে, সেই অংশের উপর কি দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়?

প্রশ্ন--১ :
----------

তালিবে ইলমীর যমানায় দেখতাম, আমাদের শিক্ষক মহোদয় ছাত্রদেরকে খুব পেটাতেন। চামড়ার বেল্ট, হিটারের তার ও বেত দ্বারা প্রহার করতেন। আর এ ব্যাপারে বলতেন--শরীরের যেখানে উস্তাযের আঘাত লাগে, সেই স্থানে দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়। এ কথা কতটুকু সঠিক?

২ :-
----
ছাত্রদেরকে এভাবে যবরদস্তি করে পিটিয়ে অথবা জিঞ্জিরে বেঁধে শাস্তি দেয়া (ঐ ইলম শেখানোর জন্য যা ফরজে কিফায়াহ)--এটা কি জায়িয হবে?

উল্লিখিত প্রশ্ন দু’টির দলীল-প্রমাণ ও বিচার-বিবেচনাভিত্তিক জবাব প্রদান করে বাধিত করে কৃতজ্ঞতার পাশে আবদ্ধ করবেন। এটা বড় ইহসান হবে।

দারুল উলূম দেওবন্দের উত্তর :--
-------------------------------
بسم الله الرحمن الرحيم

কুরআন, হাদীস ও নির্ভরযোগ্য কোনো কিতাবে আমরা এ কথা পাইনি যে, ছাত্রের শরীরের যে অংশে উস্তাযের বেত লাগে, সেই অংশের উপর কি দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়। বরংহযরত নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন ) উদ্দেশ্য করে বলেন--

إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک

“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা/ ই‘লাউস সুনান, ১০ম খণ্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা)

ফিকাশাস্ত্রবিদগণ এই হাদীসের আলোকে বলেছেন, শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়ার জন্য উস্তাদ হাত দ্বারা হালকা-মোলায়েমভাবে বাচ্চাদেরকে মারতে পারবেন। কিন্তু এক‌ সময়ে তিনবারের বেশি মারবেন না এবং বেত, লাঠি, ডান্ডা, কোড়া ও চামড়ার বেল্ট ইত্যাদি দিয়ে কখনো মারবেন না। শরীয়তে তার অনুমতি নেই। চাই সেটা ফরজে আইনের ইলম হোক বা ফরজে কিফায়াহ পর্যায়ের ইলম হোক। তেমনিভাবে মা-বাবাও শিষ্টাচারিতার জন্য সন্তানদেরকে শুধু হাত দ্বারা হালকা-পাতলা শাসন করতে পারেন। কিন্তু বেত, লাঠি ইত্যাদি দিয়ে মারতে পারবেন না।

সুতরাং মক্তব ও মাদরাসাসমূহের কিছু উস্তায যে ছাত্রদেরকে জিঞ্জিরে বেঁধে নির্দয়ভাবে মারেন, অথবা বেত, লাঠি, চামড়ার বেল্ট ইত্যাদি দিয়ে মারা কিছুতেই জায়িয হবে না। উস্তাযগণের জন্য এত্থেকে বেঁচে থাকা জরুরী। ছাত্রদেরকে শুধুমাত্র স্নেহ ও মহব্বতের মাধ্যমে তা‘লীম দেয়া কর্তব্য। অথবা হালকা-পাতলা-মামুলী প্রহার বা শাসনের উপর ক্ষান্ত করা উচিত।

قولہ: ” بید“: أي: ولا یجاوز الثلاث، وکذلک المعلم لیس لہ أن یجاوزھا، قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني، وظاھرہ أنہ لا یضرب بالعصا في غیر الصلاة أیضاً۔ قولہ: ”لا بخشبة“: أي: عصاً، ومقتضی قولہ: ”بید“ أن یراد بالخشبة ما ھو الأعم منھا ومن السوط، أفادہ ط (رد المحتار، أول کتاب الصلاة، ۲:، ط: مکتبة زکریا
دیوبند)۔

واللہ تعالیٰ اعلم

দারুল ইফতা
দারুল উলূম দেওবন্দ।
ফাতওয়া নং : 305-325/N=4/1439

07/03/2026

ভূবনকুড়া নূরাণীয়া ও হাফিজিয়া মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের যৌথ ভাবে হাদীস পাঠ।
মাশাআল্লাহ্!

26/02/2026

রমজান মাস দান-সদকার মাস। এ মাসে নেক আমলের সওয়াব বহু গুণ বৃদ্ধি করা হয়। কুরআন ও হাদীসে দান-সদকার বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে।
সূরা আল-বাকারাহ্-এর ২৬১নং আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলা বলেন-
مَثَلُ الَّذِينَ يُنْفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ أَنْبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِي كُلِّ سُنْبُلَةٍ مِائَةُ حَبَّةٍ ۗ وَاللَّهُ يُضَاعِفُ لِمَنْ يَشَاءُ ۗ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ*
“যারা আল্লাহর পথে নিজেদের সম্পদ ব্যয় করে, তাদের উপমা একটি বীজের মতো—যা থেকে সাতটি শীষ উৎপন্ন হয়, প্রতিটি শীষে একশত দানা। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।”
👉 এই আয়াত প্রমাণ করে, দানের সওয়াব বহু গুণ বৃদ্ধি পায়—রমজানে তা আরও অধিক আশা করা যায়।সূরা আল-হাদীদ-এর ১৮নং আয়াতে আল্লাহ্ তা'আলা বলেন-
إِنَّ الْمُصَّدِّقِينَ وَالْمُصَّدِّقَاتِ وَأَقْرَضُوا اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا يُضَاعَفُ لَهُمْ وَلَهُمْ أَجْرٌ كَرِيمٌ*
“নিশ্চয়ই দানশীল পুরুষ ও দানশীল নারী এবং যারা আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেয়—তাদের জন্য তা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হবে এবং তাদের জন্য রয়েছে সম্মানজনক প্রতিদান।”
🌙 দানের সর্বোত্তম সময় – রমজান মাস।
হযরত ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন—
كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ أَجْوَدَ النَّاسِ، وَكَانَ أَجْوَدُ مَا يَكُونُ فِي رَمَضَانَ*
“রাসূলুল্লাহ ﷺ ছিলেন মানুষের মধ্যে সবচেয়ে দানশীল, আর রমজান মাসে তিনি আরও বেশি দানশীল হয়ে যেতেন।”
— সহীহ্ আল-বুখারী, হাদীস নং-৬
👉 এ হাদীস দ্বারা বোঝা যায়, রমজানে দান-সদকা করা সুন্নত ও অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল।
রমজানে নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
হাদীসে এসেছে—
مَنْ تَقَرَّبَ فِيهِ بِخَصْلَةٍ مِنَ الْخَيْرِ كَانَ كَمَنْ أَدَّى فَرِيضَةً فِيمَا سِوَاهُ، وَمَنْ أَدَّى فِيهِ فَرِيضَةً كَانَ كَمَنْ أَدَّى سَبْعِينَ فَرِيضَةً فِيمَا سِوَاهُ*
“যে ব্যক্তি রমজানে একটি নফল নেক আমল করবে, সে যেন অন্য মাসে একটি ফরজ আদায় করল। আর যে রমজানে একটি ফরজ আদায় করবে, সে যেন অন্য মাসে সত্তরটি ফরজ আদায় করল।”
—সহীহ্ ইবনে খুজাইমা
👉 সুতরাং দান-সদকার সওয়াবও এ মাসে বহু গুণ বৃদ্ধি পায়।
রমজান হলো রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ মাসে দান-সদকা করলে—
গুনাহ মাফ হয়,
সম্পদে বরকত আসে,
সওয়াব বহু গুণ বৃদ্ধি পায়,
জাহান্নাম থেকে মুক্তির আশা জাগে!

প্রিয় দেশবাসী!
আল্লাহ্ তা’আলার অশেষ মেহেরবানীতে আপনাদের “ভূবনকুড়া নূরাণীয়া ও হাফিজিয়া মাদরাসা"টি আপনাদের সকলের সার্বিক সহযোগিতায় পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে অত্র প্রতিষ্ঠানে হিফজ বিভাগ পুণরায় চালু এবং পড়াশোনার মান উন্নত হওয়ায় দিন দিন ছাত্র-ছাত্রী বৃদ্ধি হওয়ার কারণে বর্তমান ভবনে ছাত্র-ছাত্রীদের বসার জায়গার সংকুলান হচ্ছে না।(আপনারা পোস্টের ভিডিও টি দেখে বুঝতে পারবেন) যার দরুণ মাদরাসার একটি টিনশেড ঘর নির্মাণ করা অতি জরুরি হয়ে পড়ে ছিল। তাই গত ১৫/০১/২০২৬ ইং তারিখে ৪৯ হাত লম্বা একটি টিনশেড ঘরের কাজ শুরু করা হয়। নির্মাণাধীন ঘরের ভিটে মাটি ভরাট,বেড়ার টিন ক্রয় ইত্যাদি সহ নির্মাণ ব্যয়ে অনেক টাকার প্রয়োজন। কিন্তু মাদরাসার সাধারণ তহবিলে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় মাদরাসা কর্তৃপক্ষের জন্য নির্মাণ কাজ এগিয়ে নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। বর্তমানে অর্থাভাবে ঘরের কাজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে। যার দরুণ আপনাদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।
অতএব, এই রমজান মাসে উপরোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনা করে, মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীদের সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ১টি টিনশেড ঘরের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার জন্য আপনাদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করতঃ সদকায়ে জারিয়ার অশেষ সওয়াব হাসিল করতে মর্জি হয়।
আল্লাহ্ তা'আলা সকলের সিয়াম সাধনা ও আমলের বিনিময়ে দুনিয়া ও আ-খিরাতের সমস্ত কল্যাণ এবং পরকালে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুক।
আ-মীন!
বিকাশ নাম্বারঃ-01921-228848 (মাওঃ জহিরুল ইসলাম, মুহতামিম)
আরজগুজারঃ
মাওলানা আব্দুস সালাম
পরিচালক, অত্র মাদরাসা
২৬/০২/২০২৬ ইং

22/02/2026
Photos from ভূবনকুড়া নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা's post 21/02/2026

আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রেলির বের হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে ভূবনকুড়া নূরাণীয়া ও হাফিজিয়া মাদরাসার ছাত্র-ছাত্রীরা।
মাশাআল্লাহ।

19/02/2026

প্রতিদিনের মতো পুরো রমজান মাসেও ভূবনকুড়া নূরাণীয়া ও হাফিজিয়া মাদরাসায় শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে ইংশা-আল্লাহ্!
আল্লাহ্ তা'আলা সকলকে কবুল করুক। আ-মীন!

19/02/2026

قال رسول الله ﷺ: "إذا جاء رمضان فُتِّحت أبواب الجنة، وغُلِّقت أبواب النار، وصُفِّدت الشياطين" (أخرجه مسلم)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যখন রমযান মাস আগমন করে, তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শৃঙ্খলিত (বাঁধা) করা হয়।”
— সহিহ মুসলিম

আল্লাহ্ তা'আলা আমাদেরকে সঠিক ভাবে রমজান মাসের রোজা রাখার তাওফীক দান করুন।

Photos from ভূবনকুড়া নূরানীয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা's post 17/02/2026

আজ ভূবনকুড়া নূরাণীয়া ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় এসেছিলেন নরসিংদী মহিলা মাদ্রাসার সম্মানিত নাজিমে তা'লীমাত ও মুহাদ্দিস,শাইখুল হাদিস হযরত মাওলানা লুৎফুর রহমান সাহেব। তিনি মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদেরকে আদব-আখলাক ও পড়াশোনার ব্যাপারে এবং শিক্ষকদের প্রতিও গুরুত্বপূর্ণ নসিহত করেছেন। শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি ও ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার ব্যাপারে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অতঃপর তিনি সকলের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দু'আ-মোনাজাত করেছেন।

মহান আল্লাহ্'র দরবারে শুকরিয়া যে, আমাদের শিক্ষকগণ খুবই যত্ন সহকারে শিক্ষাদানের ব্যাপারে আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন। আলহামদুলিল্লাহ্!

08/02/2026

ভূবনকুড়া নূরাণীয়া ও হাফিজিয়া মাদরাসা

Want your business to be the top-listed Government Service in Mymensingh?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address

আমিরখাঁ কুড়া, বাঘাইতলা, হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।
Mymensingh

Opening Hours

Monday 08:00 - 17:00
Tuesday 08:00 - 17:00
Wednesday 08:00 - 17:00
Thursday 08:00 - 17:00
Friday 08:00 - 17:00
Saturday 08:00 - 17:00
Sunday 08:00 - 17:00