2 Armed Police Battalion, Muktagacha, Mymensingh. It's an operational Unit. In the belief of building
এপিবিএন গঠনের প্রেক্ষাপট ও পটভূমি।
১৯৭৬ সালে ৯ ব্যাটালিয়নের একটি রিজার্ভ বাহিনী গঠন করে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন নাম দেয়া হয়। বর্তমানে এই ব্যাটালিয়নের প্রধান তত্ত্ববধায়ক হিসেবে একজন এডিশনাল আইজি মহোদয় বাংলাদেশ পুলিশের সম্মানিত আইজিপি মহোদয়কে সহায়তা করেন। উক্ত ব্যাটালিয়নের একটি রিভার ব্যাটালিয়ন এবং শুধু নারী সদস্যদের নিয়ে একটি নারী ব্যাটালিয়নও আছে। তাছাড়া ভিভিআইপি প্রটেকশনের জন্য নবগঠিত দুইটি বিশেষ
ায়িত ইউনিট স্পেশাল সিকিউরিটি এন্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন (এসপিবিএন) সহ সব মিলিয়ে বর্তমানে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের মোট ১৬ টি ব্যাটালিয়ন রয়েছে । নদীপথ বা দূর্গম পার্বত্য অঞ্চলসহ সব জায়গাতেই পুলিশের এই বিশেষায়িত ব্যাটালিয়নগুলো কাজ করছে।
এপিবিএন এর দায়িত্বঃ
ক) আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা।
খ) বেআইনী অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক, চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার।
গ) সশস্ত্র অপরাধী চক্র গ্রেফতার।
ঘ) আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের অন্যান্য ইউনিটকে সহায়তা প্রদান।
ঙ) বিভিন্ন সময়ে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত কর্তব্য পালন।
এপিবিএন এর সাফল্যঃ
প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়ে আসছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বেসরকারি স্থাপনার নিরাপত্তা বিধান, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান যথা স্থানীয়, সিটি কর্পরেশন কিংবা জাতীয় নির্বাচন ডিউটি, ভিআইপি ও ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা প্রদান প্রভৃতি দায়িত্ব পালনে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছে। বিভিন্ন বিভিন্ন সরকারি বাহিনীর মধ্যে অনুষ্ঠিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতায়ও এপিবিএনের উল্লেখযোগ্য সাফল্য রয়েছে। এছাড়াও ২০১০ সালের জুন মাস থেকে ঢাকায় অবস্থিত হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সেখানকার বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ এবং যাত্রী হয়রানি রোধে বিশেষ ভূমিকা রেখে আসছে। অধিকন্তু, সারা বাংলাদেশে অবস্থানরত এপিবিএনের বিভিন্ন ইউনিট স্বীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে নানাবিধ অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি ও সুনাম বৃদ্ধি করে আসছে।