Bsesh Commerce freelance

Bsesh Commerce freelance

Share

successful Master Class

Photos 07/06/2017

-দফায় দফায় নির্যাতিত বাঙালি জাতির শহীদি রক্তে লেখা "বঙ্গবন্ধুর" ছয় দফা। -গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলী।।

-জাতির পিতা শেখ মুজিব, রবে তুমি চিরঞ্জীব। শাহাদৎ এর পথটি ধরে, জীবন দিলে অকাতরে।-জাতি তোমায় স্মরণ করে, শ্রদ্ধা এবং ভক্তিভরে। -পিতা তোমার রক্ত-ঋন শোধ হবে না কোন দিন।।

বঞ্চিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ এর ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস সফল ও স্বার্থক হোক।।

আজ ঐতিহাসিক ছয়-দফা দিবস । ১৯৬৬ সালের ৭ জুন জাতির জনক "বঙ্গবন্ধু" শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬-দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। এই দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গি, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআর’র গুলিতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১০ জন বাঙালি শহীদ হন।।

প্রক্ষান্তরে "বঙ্গবন্ধুর" মুজিবের নেতৃত্বে আপোষহীন সংগ্রামের ধারায় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায়, পরাধীন অবহেলিত নির্যাতিত বাঙালি জাতি। দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন সামাজিক- সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করবে।।

আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে এদিন সূর্যোদয়ে "বঙ্গবন্ধু" ভবন, কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কে জাতির পিতা "বঙ্গবন্ধু" শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ। এছাড়াও ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দুপুর আড়াইটায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী জনাব ওবায়দুল কাদের এমপি।।

"বঙ্গবন্ধু" শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ৬-দফা উত্থাপন করেন এবং পরের দিন সম্মেলনের আলোচ্যসূচিতে যাতে এটি স্থান পায় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু এই সম্মেলনে "বঙ্গবন্ধুর" এ দাবির প্রতি আয়োজক পক্ষ থেকে গুরুত্ব প্রদান করা হয়নি। তারা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে। প্রতিবাদে "বঙ্গবন্ধু" সম্মেলনে যোগ না দিয়ে লাহোরে অবস্থানকালেই ৬-দফা উত্থাপন করেন। এ নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন খবরের কাগজে "বঙ্গবন্ধুকে" বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা বলে চিহ্নিত করা হয়।।

প্রক্ষান্তরে ঢাকায় ফিরে "বঙ্গবন্ধু" ১৩ মার্চ ৬-দফা এবং এ ব্যাপারে দলের অন্যান্য বিস্তারিত কর্মসূচি আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদে পাস করিয়ে নেন। ৬-দফার মূল বক্তব্য ছিল প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সকল ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। পূর্ববাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দু’টি পৃথক ও সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। সরকারের কর ও শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে এবং পূর্ববাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা-সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দফতর স্থাপনের দাবি জানানো হয়।।

"বঙ্গবন্ধু" মুজিবের ঘোষিত ৬-দফা দাবির মুখে পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খান বিচলিত হয়ে পড়েন। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, ৬-দফা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে অস্ত্রের ভাষায় উত্তর দেয়া হবে। এদিকে ৬-দফা কর্মসূচি জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়ার জন্য "বঙ্গবন্ধু" শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সমগ্র পূর্ববাংলা সফর করেন এবং ৬-দফাকে বাঙালির বাঁচার দাবি হিসেবে অভিহিত করেন।।

"বঙ্গবন্ধুর" সাথে তাজউদ্দিন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মিজানুর রহমান চৌধুরী, জহুর আহমদ চৌধুরী ও নুরুল ইসলাম চৌধুরী গণসংযোগে অংশ নেন। প্রতিটি জনসভায় বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করে। ফলে শাসকগোষ্ঠী "বঙ্গবন্ধু" শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। যশোর, ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ অন্যান্য কয়েকটি স্থানে ৬ দফার পক্ষে প্রচারকালে "বঙ্গবন্ধুকে" গ্রেফতার করেন।।

বঙ্গবন্ধু মুজিবের বহু সাধনার তত্বের উপর ভরকরে পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক ৬-দফাভিত্তিক নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের ধাপে ধাপে বাঙালি জাতি তাঁর অধিকার আদায়ের চুড়ান্ত লক্ষ্য অর্জনে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে পরিণত হয়। এ দাবির সপক্ষে সর্বস্তরের বীর-বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয়। এবং ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বাঙালিরা বিজয়ী করেন।।

বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা "বঙ্গবন্ধুর" দলকে জনগণ বিজয়ী করলেও স্বৈরাচারী পাক শাসকরা বিজয়ী দলকে সরকার গঠন করতে না দিলে আবারো "বঙ্গবন্ধু" জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় "বঙ্গবন্ধুর" নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের।।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি এক বিবৃতিতে আজ ঐতিহাসিক ৬-দফা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্যাপন উপলক্ষে গৃহীত কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে দেশব্যাপী পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসমূহের সকল শাখাসহ সর্বস্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থক ও জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।।

Want your business to be the top-listed Government Service in Narayanganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address

Narayanganj
Narayanganj
1520