Jonpur Dorbar

Jonpur Dorbar

Share

Dr. Anayet Ullah Abbasi is a renowned Islamic scholar, researcher, and thinker from Bangladesh.

01/06/2025

আজকের দিনে গরু খাওয়ার পর শেখ বুরহানুদ্দিনের জন্য অন্তর থেকে দুআ করুন। তাঁর কারণেই রাজা গৌর গোবিন্দকে সিলেটের মাটি থেকে বিতাড়িত করে গরু খাওয়ার স্বাধীনতা ফিরিয়ে এনেছিলেন শাহ জালাল ইয়েমেনী রাহ.। যারা বিস্তারিত জানেন না তাদের জন্য সংক্ষেপ ইতিহাস একটা লেখা তুলে ধরছি।

সালটি ছিলো ১৩৪৪ ইংরেজী । সিলেটে হি*ন্দু রাজা গৌর গোবিন্দের রাজ্যের এক মহল্লায় ১৩টি মুসলিম পরিবার বাস করতেন। তারই একজন ছিলেন শেখ বুরহান উদ্দিন। তিনি হি*ন্দু জা*লিম রাজা গৌর গোবিন্দের কারণে গোপনে ইবাদত-বন্দেগী করতেন। কারণ, সেখানে প্রকাশ্যে মুসলমানদের জন্য ইবাদত-বন্দেগী করা নিষিদ্ধ ছিলো। কেউই গরু জ*বাই ও কুরবানী করতে পারতো না।

শেখ বুরহান উদ্দিনের কোনো সন্তান ছিলো না। সন্তানের জন্য মহান আল্লাহ পাকের নিকট দোয়া করে তিনি নিয়ত করলেন, যদি তার একটি সন্তান হয় তাহলে তিনি শুকরিয়া স্বরূপ মহান আল্লাহর নামে একটি গরু কুরবানী করবেন। কিছুদিন অপেক্ষার পর সত্যি সত্যিই ঘরআলো করে একজন ফুটফুটে সন্তান জন্ম নিলো। খুশি হয়ে বুরহানুদ্দীন শুকরিয়া করে নিয়ত মুতাবিক একদিন গোপনে একটি গরু কুরবানী করে গোশত মুসলমানদের মধ্যে বিলি করতে লাগলেন। এমন সময় একটি কাক এসে ছোঁ মেরে এক টুকরা গোশত নিয়ে গেলো। মহান আল্লাহ পাক উনার কি কুদরত, কাক গোশতের টুকরাটি ফেললো গৌর গোবিন্দের মন্দিরের প্রধান প্রবেশ পথে।

গোবিন্দ এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সৈন্য পাঠিয়ে শেখ বুরহান উদ্দিনকে রাজার সামনে উপস্থিত করলো।

জা*লিম হি*ন্দু রাজা গৌড় গোবিন্দ বুরহান উদ্দিনের ডান হা*ত কে*টে দিলো। নিষ্পাপ সদ্য জন্ম নেয়া শিশু (গুলজার)-কে কথিত দেবতার সামনে ব*লি দিলো।

এ অবস্থা দেখে শিশুটির মা অর্থাৎ শেখ বুরহান উদ্দিনের স্ত্রী অজ্ঞান হয়ে মৃ*ত্যু বরণ করলেন। শুধু এতটুকুই নয়, জা*লিম গোবিন্দ ওই দিনই আ*ক্রমণ চালিয়ে ওই এলাকার সকল মুসলমানদেরকে নির্মমভাবে শ*হীদ করে ফেললো!

অত্যন্ত ব্যথিত অন্তরে শেখ বুরহান উদ্দিন পায়ে হেঁটে উপস্থিত হলেন সোনারগাঁয়ে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের দরবারে। ইলিয়াস শাহ সব শুনে যালিম হি*ন্দু রাজা গৌর গোবিন্দকে শাস্তি দেয়ার জন্য সৈন্য-সামন্ত পাঠালেন যু*দ্ধ করার জন্য। বেশ কিছুদিন যু*দ্ধ হলো, শত শত মুসলিম সৈন্য শ*হীদ হলো। কিন্তু জয় করা হলো না।

এরপর শেখ বুরহান উদ্দিন রওয়ানা হলেন দিল্লির পথে। দিল্লির সম্রাট আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ তুঘলকের সামনে। তিনি বুরহান উদ্দিনের নিকট হতে সব বিষয় শুনে যবন গোবিন্দকে শায়েস্তা করার জন্য সৈন্যসহ সিকান্দার গাজীকে সেনাপতি করে অভিযানে পাঠালেন। কিন্তু পথিমধ্যে অনেক প্রতিকূলতার কারণে তারা দিল্লিতে ফিরে গেলেন।

অতঃপর নতুন কিছু সৈন্যসহ আর একজন বীর সাইয়্যিদ নাসির উদ্দিনকে সেনাপতি করা হলো। সম্রাটের আদেশ পেয়ে তিনি দোয়া নিতে গেলেন তাঁর পীর শায়েখ হযরত খাজা নিজাম উদ্দিন রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবারে। তখন ওখানেই অবস্থান করছিলেন হযরত শাহ জালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি। সবকিছু শুনে হযরত শাহ জালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি সিদ্ধান্ত নিলেন তিনিও সাইয়্যিদ নাসির উদ্দিনের সাথে এই অভিযানে যাবেন।

অতঃপর হযরত শাহ জালাল রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁর ৩৬০ জন সঙ্গী নিয়ে সাইয়্যিদ নাসির উদ্দিনের সৈন্যবাহিনীর সাথে রওয়ানা দিলেন।

পথিমধ্যে গৌর গোবিন্দের সৈন্যদের সাথে তুমুল যু*দ্ধ শুরু হয়। ওলীয়ে কামিলদের দোয়া, মহান আল্লাহ পাকের গায়েবী মদদ এবং হযরত শাহজালাল রহমতুল্লাহি আলাইহির রূহানিয়তের নিকট গৌর গোবিন্দের যাদুমন্ত্র অকার্যকর হয়ে তার বাহিনীর চরম পরাজয় হলো। নি*হত হলো গোবিন্দের সেনাপতি মনা রায়। মুসলিম বাহিনী অগ্রসর হতে থাকলো গৌর গোবিন্দের রাজধানী অভিমুখে। সুরমা নদী পার হয়ে মুসলিম বাহিনী যখন প্রাসাদের নিকটবর্তী হলো, তখন হি*ন্দু রাজা গৌর গোবিন্দ প্রাসাদ ছেড়ে পালিয়ে যায়। মুসলমানের আযানের ধ্বনিতে গৌর গোবিন্দের প্রাসাদ ও ম*ন্দির ভে*ঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে ধ্বংস হয়ে যায়।

উদিত হলো নতুন সূর্য। উড়তে লাগলো ইসলামের পতাকা। গৌর গৌবিন্দের রাজ্যের নতুন নাম হলো জালালাবাদ।।

~ আব্দুল্লাহ আল-মাসউদ (হাফি.)

29/05/2025

আল্লামা ড. এনায়েত উল্লাহ আব্বাসী জৈনপুরী হুজুরের একটু লাইলু ওয়ান নাহার জেনে নিন।।
=================
পবিত্র কুরআন মাজীদ ও বিশ্বনবী (সা:)-এর একনিষ্ট খাদেম, আল্লামা ড. সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী সিদ্দিকী জৈনপুরী হুজুর একনিষ্ঠতার সাথে আল্লাহ পাক ও রাসূল (সা:), সাহাবী (রা:) এবং আউলিয়া কেরামের প্রতি জাতিকে আদব, মহব্বত, তাজীম বুদ্ধি ও সাহস শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন। আল্লাহ ও তাঁর প্রিয় হাবীবের সন্তুষ্টি, মহব্বত, ও সানিধ্য লাভ করাই হচ্ছে উনার জীবনোদ্দেশ্য। আমি অধম বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ে অনেক পীর মাশায়েখ, আলিয়া ও কওমি ঘড়ানার বড় বড় আলেমেদ্বীনের সহিত বিগত দিনে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় বাংলাদেশের আলোচিত সকল মুফাসসির ও বক্তা ভাইদের কাছ থেকে কম বেশী দেখেছি। তাছাড়া মীর হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী সাহেবের নিজের মধ্যে বক্তা হওয়ার নেশা শৈশব থেকেই কাজ করায় দেশের নামকরা সব বক্তাকেই আমি কম বেশি চিনি জানি। তবে এ কথা অনস্বীকার্য, বাজারের কতিপয় বিতর্কিত চুক্তিবাদি বক্তা ছাড়া। আজ আমি আপনাদেরকে জানাব আল্লামা আব্বাসী জৈনপুরী হুজুরের দৈনন্দিন জীবনের কর্মসুচি ও কর্মপদ্ধতির কিছু অসাধ্য সাধনের বিষয়। তিনি আমার স্ব-চোখে দেখা শ্রেষ্ঠ মুফাসসির ও প্রকৃত দ্বীনের দায়ী। দেশ-বিদেশের লক্ষ্য-কোটি তাওহীদি জনতার অনেকেই উনাকে ভালবাসেন। আবার ওহাবি, সালাফি, লা-মাজহাবী ও মুতাজেলা, নাস্ত্যিক-মুরতাদ উনার বেশ সমালোচনাও করেন। সেই সাথে কতেক বক্তা উনার বিষাদগার করেন। তবে শুনুন ও চিন্তা করুন! উনার জীবন পদ্ধতির মূলনীতিগুলোর অন্যতম নীতি হচ্ছে- তিনি ত্বাহারাত, আদব, মহব্বত, তাজীম, বুদ্ধি ও সাহসের সর্বাধিক গুরুত্ব দেন। কেননা, আল্লাহ তায়ালা সূরা হাজ্জের ৩২ নং আয়াতে ফরমান-
" ﴿ذَ ٰ⁠لِكَۖ وَمَن یُعَظِّمۡ شَعَـٰۤىِٕرَ ٱللَّهِ فَإِنَّهَا مِن تَقۡوَى ٱلۡقُلُوبِ﴾
[الحج ٣٢] "
অর্থাৎ, যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালার নিদর্শন সমূহ-কে সম্মান করল, আর এটাই হল তার অন্তরের তাকওয়া বা খোদা ভীরুতার বহি:প্রকাশ।
প্রসিদ্ধ তাফসীর গ্রন্থগুলোতে আল্লাহর ৩ প্রকার নিদর্শণের বর্ণনা পাওয়া গেছে।
১. কিছু নিদর্শণ আছে জিকিরের সাথে সম্পৃক্ত
২. কিছু নিদর্শণ রয়েছে ফিকিরের সাথে সম্পৃক্ত
৩.কিছু নিদর্শন রয়েছে তাজীম বা আদবের সাথে সম্পৃক্ত। আর হুজ্জুতুল্লাহিল বালেগায় আল্লামা শাহ ওলিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভী লেখেছেন- ৪ টি জিনিসকে তাজীম বা আদব প্রদর্শণ করা ফরজ।
১. রাসুল্লাহ সা. (সবচেয়ে বেশি তাজীম মুহাম্মদ সা.এর)
২. ইবাদাতুল্লাহ
৩. কিতাবুল্লাহ
৪. বায়তুল্লাহ
(সুবহানাল্লাহ) তাই আল্লামা আব্বাসী হুজুর ত্বাহারাত অর্জন তাজীম, মহব্বতের গুরুত্ব দেন সবচেয়ে বেশি। যেমন তিনি নতুন অযু এবং গোসল না করে দাওয়াতি কাজ করেন না বা দরস্ দেন না। দরসের পূর্বে অবশ্যই তিনি ১০০% তাহারাত অর্জনের বিষয়টি একনিষ্টতার সাথে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। যা আমরা মোটেও করছি না। তিনি নতুন অযু এবং গোছল করেও আবার তিনবার হাত ধৌত করে নতুন কাপড় পরিধানপূর্বক আতর মেখে কুরআন ও হাদীস শরীফের গায়ে অত্যন্ত তাজীম ও আদবের সাথে হাত দেন। যা বিরল, যার একমাত্র উদাহরণ আব্বাসী হুজুর নিজেই। তিনি ওয়াজের টাকা চেয়ে নেন না। কন্টাক্ট তো করেন-ই না। তিনি সদকা ভক্ষণ করা নিজের জন্য হারাম মনে করেন। যেহেতু তিনি নবীজি সা: এর চাচা হযরত আব্বাস রাঃ এর বংশের পরস্পর পরম্পরায় ৩৭তম অধ:স্থন পুরুষ। তিনি যে দিকে তাকিয়ে ও মুখ করে নবীজির দুশমন কুখ্যাত কাফের কাদিয়ানীদের প্রতিবাদ করেন। সে দিক দিয়ে তিনি নিজে আর চলাচল করেন না। দরবারে বসা অবস্থায় যদি কেউ কাদিয়ানী কাজ্জাবদের নাম আল্লাহ ও নবীজি সা: এর নামের আগে পরে উচ্চারণ করে, নবী দুশমনদের প্রতি ঘৃণার কারণেই তিনি সব আসবাব পত্র ও গায়ের জামা কাপড় নাপাক মনে করে দূরের নদীতে ফেলে দিতে ছাত্র পাঠান। আর সে ছাত্র গোছল না করে ক্লাশে বসতে পারবে না। কাদিয়ানীদেরকে তিনি অত্যন্ত ঘৃণা করেন। আব্বাসী মঞ্জিলের সদস্যরা বর্ণ বা শব্দ লিখিত কোন কাগজে লেগে যাওয়া খানা যত দামী হোক না কেন, তা কেউ গ্রহণ করেন না বা কাগজ নিচে পড়ে থাকতে দেন না। কারণ,এই বর্ণ ও শব্দ দ্বারা তাতে আল্লাহ রাসূল (সা:) এর পবিত্র বস্তুর নাম লেখা থাকতে পারে বা লেখা হয়ে থাকে। তাই উনারা সম্মান করে তাজীমের সাথে তা কুড়িয়ে নেন। তুলে নিয়ে স্বযত্নে জমা করে রাখেন। আর ভাড়া দিয়ে লোক পাঠায়ে নদীতে ফেলে দেন। অথচ আমরা মোহাম্মদ বা আ: রহমান (প্রোপাইটর) লেখা কত ব্যাগ, কাগজ ও সালার বস্তা দিয়ে পা মুছি। "মুহাম্মদ ও রহমান" নামটা তো বড় তাজীম ও আদবের বিষয় ছিল তা কি আমরা খেয়াল করি? তিনি কোন ছাত্র কেউ ময়লা কোন বস্তু হাটুর উপরে উঠাতে দেন না। আর কোন সুন্নাত সংশ্লিট বিষয় বস্তু আদবের কারণে নাভীর নিচে নামাতে দেন না। যেমন- টুপী, আতর, তাজবিহ, মেসওয়াক ইত্যাদি। এ বস্তুগুলোকে তিনি বুকের সাথে ধরে তাজীম করতে আদব শিক্ষা দেন। তাছাড়া তিনি মাহফিলে যাওয়া-আসার পথে তিলায়াত করেন বা শুনে থাকেন। ভুলেও চোখ বন্ধ করেন না। এবং তিলাওয়াতে অমনোযোগী হন না। তিনি মাহফিল শেষ করে দরবারে ফিরে নিজ বাসস্হানে না গিয়ে, অধ্যয়ন, তিলাওয়াত, তালিম তারবিয়াত, নফল ইবাদত করেন। আর বাদে ফজর অজিফা কালাম পাঠ করে সূর্যোদয় হবার ২৩ মিনিট পর দিনের ১১:০০ পর্যন্ত রেস্ট নেন। কোন দিনই সূর্যদয় হবার পূর্বে বিছানায় পিটঠ রাখেন না। যা কোন বক্তাই এ আমলটি করেন না। বরং বাসায় এসেই ঘুমিয়ে পড়েন। কোথায় নামায? কোথায় তাসবিহ-তাহলিল? খবর নেই। তিনিই কেবল ব্যতিক্রম কাজটি প্রতিদিনের রুটিন করে নিয়েছেন। উনার দরবার ও মাদ্রাসার জন্য কোন দান বাক্স নেই ও দান কালেকশন করেনও না। উনার বাবা-দাদার কবর জিয়ারত না করে মাহফিলে যান না বা এসে ঘড়ে ঢুকেন না। যদি কেউ হাদিয়া দেন তা তিনি খাদেমের নিকট জমা রাখেন। তা দিয়ে তিনি মাদ্রাসা, ছাত্র, গরিব-দূঃখী মানুষের চাহিদা পূরন করে থাকেন। মেহমানদারি করেন। উনার কোন মেহমানকে মাদ্রাসার এক চামিচ ডাল খেতে দেন না। কেননা, মেহমানদারি সুন্নাত তাই নিজের খরচে খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করে থাকেন। উনার নিকট কেউ কোন কিছু চাইলে তাকে তিনি খালি হাত দেন না। খুব গুরুত্বের সাথে অভাবির অভাব তিনি পূরন করা আবশ্যক মনে করেন।

প্রিয় শায়েখের চেহারা খানি দেখে মন ভরেনা। সুবহানাল্লাহ 💚
👉 এক আহলে বাইতের গোলাম।

20/05/2025

With Abbasi Monjil Joinpur – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

17/05/2025

জামাত ও এন.সি.পির দ্বন্দ্ব কেন? NCP ও বাংলাদেশে বহুত্ববাদ!

17/05/2025

সুদ মানব জিবনের প্রধান সমসা

17/05/2025

মানবিক করিডোর: লাভ কি? ক্ষতি কি? || আরটিভি লাইভ শো || ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী ||
゚viralfbreelsfypシ゚viral

16/05/2025

আলোচনার বিষয়: মানবিক করিডোর: কাটছে না ধোঁয়াশা

অতিথি বৃন্দ;
আল্লামা ড. এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী
আমির, তাহরিকে খাতমে নুবুওয়্যাত বাংলাদেশ

মুফতি হারুন ইজহার
যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলাম

মেহেদী হাসান পলাশ
সহকারী সম্পাদক, দৈনিক ইনকিলাব
দেখবেন: আজ ১৬মে, ২০২৫। শুক্রবার, রাত ১১টা ২৫ মিনিটে।

সঞ্চালক : ড. তৌহিদুল হক।
প্রযোজক : মো. মাইন উদ্দিন মামুন।

16/05/2025

বিএনপির বড় শত্রু, বামের ডান; যারা ঘাপটি মেরে বসে আছে, বিএনপিতে। তার মধ্যে অন্যতম এক কু/ লা/ ঙ্গা/ র হচ্ছে ফজলুর রহমান। সে বিএনপি'র চেয়ারপার্সন বেগম জিয়ার উপদেষ্টা। ইসলামী মূল্যবোধে বিশ্বাসী যে বিএনপি, সেই বিএনপির একজন নেতা দেশের সামগ্রিক আলেম-ওলামা ও পীর-মাশায়েখকে নিয়ে যে উক্তি করেছে, তাতে আমরা বিস্মিত। এ ধরনের নেতার সংখ্যা বিএনপিতে যত বাড়বে, আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও ইসলামপন্থীদের থেকে বিএনপির দূরত্ব দিন দিন তত বাড়বে। এ বিষয়টি এখনই বেগম জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে গভীরভাবে চিন্তা করা উচিৎ।

হেফাজতের একজন নেতার কোন একটি উক্তিকে কেন্দ্র করে সে গঠনমূলক সমালোচনা করবে, সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু একজন আলেমের সমালোচনা করতে গিয়ে, গোটা আলেম সমাজকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার ধৃ ষ্ট/তা দেখানোর মতো সাহস ফজলুর রহমান কোথায় পেলো?

তার যে উক্তিটি খুবই ধৃ/ ষ্ট/তা/পূর্ণ ও ক্ষমার অযোগ্য তা হলো- “এইসব আলেম-ওলামা এক হাজার টাকায় ওয়াজের সুর বদলায়, মোনাজাতের সুর বদলায়।”
সে যদি কতিপয় আলেমের কথা বলতো, তাহলে সামগ্রিকভাবে ওলামায়ে কেরামের বিপক্ষে কথাটি যেতো না। আর সে সামগ্রিকভাবে সকল ইসলামপন্থী ওয়ায়েজদেরকে এ মন্তব্য কিভাবে করলেন?

বাংলাদেশে তো এখন অনেক ইসলামী স্কলার ও আলেম-ওলামা আছে, যারা হাজার টাকা না; বরং হাজার কোটি টাকায়ও বিক্রি হবে না। সেটা কি ফজলুর রহমানের মতো অন্ধ ও বধিররা দেখে না?

তার আরেকটি ধৃ/ ষ্ট/তা/পূর্ণ কথা; যা ক্ষমার অযোগ্য, তা হলো- দেশের আলেম-ওলামারা অধিকাংশই গরিব ঘর, ছোট ঘর থেকে আসে। কিশোরগঞ্জের হাওরে বড় হওয়া ফজলুর রহমানের এ দেশের আলেম-ওলামা ও পীর-মাশায়েখদের ব্যাপারে কোন ধারণাই নেই। আসলে প/শ্চি/ মা ধারণা ও বিশ্বাসে যারা রাজনীতি করে, তারা তিনটি বিষয়ে খুব বেশি পড়াশোনা করে।
• theology বা ধর্মতত্ত্ব
• history বা ইতিহাস
• political science বা রাষ্ট্রবিজ্ঞান।

এই তিনটির একটি বিষয়েও ফজলুর রহমানের পড়াশোনা আছে বলে আমার মনে হয় না। সেজন্যই সে আলেমদের ব্যাপারে এ কথা বলেছে। অথচ ১৯৪৭ সালের আগ থেকে ব্রিটিশদের থেকে উপমহাদেশের স্বাধীনতা, পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে আলেম-ওলামা ও পীর মাশায়েখগণ।

বাংলাদেশের শতকরা ৮৮% মানুষ দরিদ্র ও গরিব। তাহলে, এ দেশে শুধু মাদ্রাসায় যারা পড়ে, তারাই গরীব ঘরের সন্তান, এটা ফজলুর রহমানের মতো মূর্খের মুখেই শোভা পায়। আমরা তো বলবো, স্কুল, কলেজে যারা পড়াশোনা করে, উকিল, ম্যাজিস্ট্রেট, ব্যারিস্টার, রাজনীতিবিদ, শিল্পপতি হচ্ছে এরাও খুব ছোট ঘরের, গরিব ঘরের সন্তান। তবে, হ্যাঁ; মাদ্রাসায় যারা পড়ে, তারা রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পায় না, আর স্কুল, কলেজ থেকে যারা পড়াশোনা করে, তারা দায়িত্ব পায় এবং দুর্নীতির মাধ্যমে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যায় এবং তারা তখন বাহ্যিক সম্মান ও ক্ষমতার দাপট দেখানোর সুযোগ পায়।

আরেকটি বিষয় স্পষ্ট, সে বাংলাদেশের ইসলামী রাজনীতিকে মোল্লাতন্ত্র বলেছে। কিন্তু ফজলুর রহমানের জানা নেই, যারা ইসলামের রাজনীতি ও রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী এ মোল্লারাই এখন মধ্য এশিয়ায় সুন্দর সমৃদ্ধ দুর্নীতিমুক্ত সুন্দর একটি রাষ্ট্র গঠন করে পৃথিবীবাসীকে দেখিয়েছে। কোরআন ও সুন্নাহর দ্বারা রাষ্ট্র পরিচালনায় একটি দেশ কত দ্রুত সমৃদ্ধ, সুখী, স্বনির্ভর ও দুর্নীতিমুক্ত হতে পারে তার উদাহরণ হচ্ছে আফগানিস্তান। মধ্য এশিয়ার যে মোল্লারা; ফজলুর রহমানের ভাষায় মোল্লাতন্ত্রে বিশ্বাসী, তারা তো সেখানে ফজলুর রহমানের মত নেতাকে জুতা পরিষ্কার করার জন্যও নিবে না। বাংলাদেশেও এরকম আলেম-ওলামা ও পীর-মাশায়েখ আছেন, যাদের স্টাফের মধ্যে ফজলুর রহমানের মতো কয়েক ডজন এম এ পাস, বি এ পাস চাকরিরত আছে।

অতএব, ইসলাম সু-মহান; এটি প্রতিটি মুসলমানের বিশ্বাস। ইসলাম সু-মহানতো এই জন্যই; কারণ ইসলাম পরিপূর্ণ। আর প্রত্যেকটা মুসলমান বিশ্বাস করে, ইসলামই পূর্ণাঙ্গ জীবন-বিধান। ইসলামিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা ও আদর্শ বিশ্বাস করা ছাড়া কোন মানুষের পক্ষেতো মুসলমান হওয়াই সম্ভব না।
এ কথাটিও ফজলুর রহমানের জেনে রাখা উচিৎ।

সে আরেকটি কথা বলেছে, তা হলো-কোন আলেম নাকি ইউনুসের প্রশংসা করে কুফর করেছে। এ কথা তো স্পষ্ট যে, কোনো আলেম বা গাইরে আলেম যদি ইউনূসের পক্ষে এমন কোনো কথা বলে, যা কুরআন ও সুন্নাহের মৌলিক আকিদার বিপক্ষে যায়; অবশ্যই এটা কুফর; এবং এর দায়ভার তাকেই নিতে হবে। অন্য আলেম উলামা সেই দায় নিবে না। উল্লেখ্য, এক উন্মাদ মৌলভী, ড. ইউনুসকে নিয়ে জ/ ঘ/ ন্য তম কুফরি করেছে। যার কারনে আব্বাসী মঞ্জিল জৈনপুর দরবার শরীফ থেকে তাকে কুফুরির ফা/তো/য়া দেয়া হয়েছে।

অতএব, আমি কান্ডারী হুশিয়ারি উচ্চারণ করছি, ফজলুর রহমান ও তার মতো ওইসব নেতা যারা, বামদের কাছ থেকে বাম রাজনীতি ছেড়ে, আওয়ামী রাজনীতি ছেড়ে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কৃপায় বিএনপিতে এসে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছে, তারা যেন ভবিষ্যতে আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ ও ইসলামপন্থীদেরকে নিয়ে ধৃ/ষ্ট/ তা/পূর্ণ বক্তব্য না দেয়। নতুবা চরম খেসারত দিতে হবে; ব্যক্তিকেও, দলকেও।

12/05/2025

নিরাশ হয়ে গেলেন, তখন বললেন, ওদের আমার কাছে ফিরিয়ে আন। তিনি বললেন, আমি একটু আগে যে কথা বলেছি, তা দিয়ে তোমরা তোমাদের দ্বীনের উপর কতটুকু অটল, কেবল তার পরীক্ষা করেছিলাম। এখন আমি তা দেখে নিলাম। একথা শুনে তারা তাঁকে সিজদা করল এবং তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট হল। এই ছিল হিরাকল এর শেষ অবস্থা।

আবূ আবদুল্লাহ [বুখারী (রহঃ)] বলেন, সালেহ ইবনু কায়সান (রহঃ), ইউনুস (রহঃ) ও মা’মার (রহঃ) এ হাদীস যুহরী (রহঃ) থেকে রিওয়ায়েত করেছেন।

12/05/2025

অনুবাদ করতেন। তিনি ছিলেন অত্যন্ত বয়োবৃদ্ধ এবং অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। খাদীজা (রাঃ) তাঁকে বললেন, হে চাচাতো ভাই! আপনার ভাতিজার কথা শুনুন। ওয়ারাকা তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, ভাতিজা! তুমি কী দেখ?’ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা দেখেছিলেন, সবই খুলে বললেন।

তখন ওয়ারাকা তাঁকে বললেন, ইনি সে দূত যাঁকে আল্লাহ্ মূসা আলাইহিস সালাম এর কাছে পাঠিয়েছিলেন। আফসোস! আমি যদি সেদিন যুবক থাকতাম। আফসোস! আমি যদি সেদিন জীবিত থাকতাম, যেদিন তোমার কাওম তোমাকে বের করে দেবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাঁরা কি আমাকে বের করে দিবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, অতীতে যিনই তোমার মত কিছু নিয়ে এসেছেন তাঁর সঙ্গেই শত্রুতা করা হয়েছে। সেদিন যদি আমি থাকি, তবে তোমাকে প্রবলভাবে সাহায্য করব। এর কিছুদিন পর ওয়ারাকা (রাঃ) ইন্তেকাল করেন। আর ওহী স্থগিত থাকে।

ইবনু শিহাব (রহঃ) ... জাবির ইবনু আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) ওহী স্থগিত হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ একদা আমি হেঁটে চলেছি, হঠাৎ আকাশ থেকে একটি আওয়াজ শুনতে পেয়ে চোখ তুলে তাকালাম। দেখলাম, সেই ফিরিশতা, যিনি হেরায় আমার কাছে এসেছিলেন, আসমান ও যমিনের মাঝখানে একটি কুরসীতে বসে আছেন। এতে আমি ভয় পেয়ে গেলাম। তৎক্ষণাৎ আমি ফিরে এসে বললাম, আমাকে বস্ত্রাবৃত কর, আমাকে বস্ত্রাবৃত কর। তারপর আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেন, হে বস্ত্রাচ্ছাদিত! উঠুন, সতর্কবানী প্রচার করুন এবং আপনার রবের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করুন। আপনার পোশাক পবিত্র রাখুন। অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকুন (৭৪: ১-৪)। এরপর ব্যাপকভাবে পর পর ওহী নাযিল হতে লাগল।

আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) ও আবূ সালেহ (রহঃ) অনুরুপ বর্ণনা করেছেন। হেলাল ইবনু রাদদাদ (রহঃ) যুহরী (রহঃ) থেকেও অনুরুপ বর্ণনা করেছেন। ইউনুস ও মা’মার فؤاده এর স্থলে بَوَادِرُهُ শব্দ উল্লেখ করেছেন।

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، أَنَّهَا قَالَتْ أَوَّلُ مَا بُدِئَ بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْوَحْىِ الرُّؤْيَا الصَّالِحَةُ فِي النَّوْمِ، فَكَانَ لاَ يَرَى رُؤْيَا إِلاَّ جَاءَتْ مِثْلَ فَلَقِ الصُّبْحِ، ثُمَّ حُبِّبَ إِلَيْهِ الْخَلاَءُ، وَكَانَ يَخْلُو بِغَارِ حِرَاءٍ فَيَتَحَنَّثُ فِيهِ ـ وَهُوَ التَّعَبُّدُ ـ اللَّيَالِيَ ذَوَاتِ الْعَدَدِ قَبْلَ أَنْ يَنْزِعَ إِلَى أَهْلِهِ، وَيَتَزَوَّدُ لِذَلِكَ، ثُمَّ يَرْجِعُ إِلَى خَدِيجَةَ، فَيَتَزَوَّدُ لِمِثْلِهَا، حَتَّى جَاءَهُ الْحَقُّ وَهُوَ فِي غَارِ حِرَاءٍ، فَجَاءَهُ الْمَلَكُ فَقَالَ اقْرَأْ‏.‏ قَالَ ‏"‏ مَا أَنَا بِقَارِئٍ ‏"‏‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَأَخَذَنِي فَغَطَّنِي حَتَّى بَلَغَ مِنِّي الْجَهْدَ، ثُمَّ أَرْسَلَنِي فَقَالَ اقْرَأْ‏.‏ قُلْتُ مَا أَنَا بِقَارِئٍ‏.‏ فَأَخَذَنِي فَغَطَّنِي الثَّانِيَةَ حَتَّى بَلَغَ مِنِّي الْجَهْدَ، ثُمَّ أَرْسَلَنِي فَقَالَ اقْرَأْ‏.‏ فَقُلْتُ مَا أَنَا بِقَارِئٍ‏.‏ فَأَخَذَنِي فَغَطَّنِي الثَّالِثَةَ، ثُمَّ أَرْسَلَنِي فَقَالَ ‏(‏اقْرَأْ بِاسْمِ رَبِّكَ الَّذِي خَلَقَ * خَلَقَ الإِنْسَانَ مِنْ عَلَقٍ * اقْرَأْ وَرَبُّكَ الأَكْرَمُ‏)‏ ‏"‏‏.‏ فَرَجَعَ بِهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَرْجُفُ فُؤَادُهُ، فَدَخَلَ عَلَى خَدِيجَةَ بِنْتِ خُوَيْلِدٍ رضى الله عنها فَقَالَ ‏"‏ زَمِّلُونِي زَمِّلُونِي ‏"‏‏.‏ فَزَمَّلُوهُ حَتَّى ذَهَبَ عَنْهُ الرَّوْعُ، فَقَالَ لِخَدِيجَةَ وَأَخْبَرَهَا الْخَبَرَ ‏"‏ لَقَدْ خَشِيتُ عَلَى نَفْسِي ‏"‏‏.‏ فَقَالَتْ خَدِيجَةُ كَلاَّ وَاللَّهِ مَا يُخْزِيكَ اللَّهُ أَبَدًا، إِنَّكَ لَتَصِلُ الرَّحِمَ، وَتَحْمِلُ الْكَلَّ، وَتَكْسِبُ الْمَعْدُومَ، وَتَقْرِي الضَّيْفَ، وَتُعِينُ عَلَى نَوَائِبِ الْحَقِّ‏.‏ فَانْطَلَقَتْ بِهِ خَدِيجَةُ حَتَّى أَتَتْ بِهِ وَرَقَةَ بْنَ نَوْفَلِ بْنِ أَسَدِ بْنِ عَبْدِ الْعُزَّى ابْنَ عَمِّ خَدِيجَةَ ـ وَكَانَ امْرَأً تَنَصَّرَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ، وَكَانَ يَكْتُبُ الْكِتَابَ الْعِبْرَانِيَّ، فَيَكْتُبُ مِنَ الإِنْجِيلِ بِالْعِبْرَانِيَّةِ مَا شَاءَ اللَّهُ أَنْ يَكْتُبَ، وَكَانَ شَيْخًا كَبِيرًا قَدْ عَمِيَ ـ فَقَالَتْ لَهُ خَدِيجَةُ يَا ابْنَ عَمِّ اسْمَعْ مِنَ ابْنِ أَخِيكَ‏.‏ فَقَالَ لَهُ وَرَقَةُ يَا ابْنَ أَخِي مَاذَا تَرَى فَأَخْبَرَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَبَرَ مَا رَأَى‏.‏ فَقَالَ لَهُ وَرَقَةُ هَذَا النَّامُوسُ الَّذِي نَزَّلَ اللَّهُ عَلَى مُوسَى صلى الله عليه وسلم يَا لَيْتَنِي فِيهَا جَذَعًا، لَيْتَنِي أَكُونُ حَيًّا إِذْ يُخْرِجُكَ قَوْمُكَ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَوَمُخْرِجِيَّ هُمْ ‏"‏‏.‏ قَالَ نَعَمْ، لَمْ يَأْتِ رَجُلٌ قَطُّ بِمِثْلِ مَا جِئْتَ بِهِ إِلاَّ عُودِيَ، وَإِنْ يُدْرِكْنِي يَوْمُكَ أَنْصُرْكَ نَصْرًا مُؤَزَّرًا‏.‏ ثُمَّ لَمْ يَنْشَبْ وَرَقَةُ أَنْ تُوُفِّيَ وَفَتَرَ الْوَحْىُ‏.‏

قَالَ ابْنُ شِهَابٍ وَأَخْبَرَنِي أَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ الأَنْصَارِيَّ، قَالَ ـ وَهُوَ يُحَدِّثُ عَنْ فَتْرَةِ الْوَحْىِ، فَقَالَ ـ فِي حَدِيثِهِ ‏"‏ بَيْنَا أَنَا أَمْشِي، إِذْ سَمِعْتُ صَوْتًا، مِنَ السَّمَاءِ، فَرَفَعْتُ بَصَرِي فَإِذَا الْمَلَكُ الَّذِي جَاءَنِي بِحِرَاءٍ جَالِسٌ عَلَى كُرْسِيٍّ بَيْنَ السَّمَاءِ وَالأَرْضِ، فَرُعِبْتُ مِنْهُ، فَرَجَعْتُ فَقُلْتُ زَمِّلُونِي‏.‏ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى ‏(‏يَا أَيُّهَا الْمُدَّثِّرُ * قُمْ فَأَنْذِرْ‏)‏ إِلَى قَوْلِهِ ‏(‏وَالرُّجْزَ فَاهْجُرْ‏)‏ فَحَمِيَ الْوَحْىُ وَتَتَابَعَ ‏"‏‏.‏ تَابَعَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ وَأَبُو صَالِحٍ‏.‏ وَتَابَعَهُ هِلاَلُ بْنُ رَدَّادٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ‏.‏ وَقَالَ يُونُسُ وَمَعْمَرٌ ‏"‏ بَوَادِرُهُ ‏"‏‏.‏

حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عاىشة ام المومنين، انها قالت اول ما بدى به رسول الله صلى الله عليه وسلم من الوحى الرويا الصالحة في النوم، فكان لا يرى رويا الا جاءت مثل فلق الصبح، ثم حبب اليه الخلاء، وكان يخلو بغار حراء فيتحنث فيه ـ وهو التعبد ـ الليالي ذوات العدد قبل ان ينزع الى اهله، ويتزود لذلك، ثم يرجع الى خديجة، فيتزود لمثلها، حتى جاءه الحق وهو في غار حراء، فجاءه الملك فقال اقرا‏.‏ قال ‏"‏ ما انا بقارى ‏"‏‏.‏ قال ‏"‏ فاخذني فغطني حتى بلغ مني الجهد، ثم ارسلني فقال اقرا‏.‏ قلت ما انا بقارى‏.‏ فاخذني فغطني الثانية حتى بلغ مني الجهد، ثم ارسلني فقال اقرا‏.‏ فقلت ما انا بقارى‏.‏ فاخذني فغطني الثالثة، ثم ارسلني فقال ‏(‏اقرا باسم ربك الذي خلق * خلق الانسان من علق * اقرا وربك الاكرم‏)‏ ‏"‏‏.‏ فرجع بها رسول الله صلى الله عليه وسلم يرجف فواده، فدخل على خديجة بنت خويلد رضى الله عنها فقال ‏"‏ زملوني زملوني ‏"‏‏.‏ فزملوه حتى ذهب عنه الروع، فقال لخديجة واخبرها الخبر ‏"‏ لقد خشيت على نفسي ‏"‏‏.‏ فقالت خديجة كلا والله ما يخزيك الله ابدا، انك لتصل الرحم، وتحمل الكل، وتكسب المعدوم، وتقري الضيف، وتعين على نواىب الحق‏.‏ فانطلقت به خديجة حتى اتت به ورقة بن نوفل بن اسد بن عبد العزى ابن عم خديجة ـ وكان امرا تنصر في الجاهلية، وكان يكتب الكتاب العبراني، فيكتب من الانجيل بالعبرانية ما شاء الله ان يكتب، وكان شيخا كبيرا قد عمي ـ فقالت له خديجة يا ابن عم اسمع من ابن اخيك‏.‏ فقال له ورقة يا ابن اخي ماذا ترى فاخبره رسول الله صلى الله عليه وسلم خبر ما راى‏.‏ فقال له ورقة هذا الناموس الذي نزل الله على موسى صلى الله عليه وسلم يا ليتني فيها جذعا، ليتني اكون حيا اذ يخرجك قومك‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اومخرجي هم ‏"‏‏.‏ قال نعم، لم يات رجل قط بمثل ما جىت به الا عودي، وان يدركني يومك انصرك نصرا موزرا‏.‏ ثم لم ينشب ورقة ان توفي وفتر الوحى‏.‏ قال ابن شهاب واخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن، ان جابر بن عبد الله الانصاري، قال ـ وهو يحدث عن فترة الوحى، فقال ـ في حديثه ‏"‏ بينا انا امشي، اذ سمعت صوتا، من السماء، فرفعت بصري فاذا الملك الذي جاءني بحراء جالس على كرسي بين السماء والارض، فرعبت منه، فرجعت فقلت زملوني‏.‏ فانزل الله تعالى ‏(‏يا ايها المدثر * قم فانذر‏)‏ الى قوله ‏(‏والرجز فاهجر‏)‏ فحمي الوحى وتتابع ‏"‏‏.‏ تابعه عبد الله بن يوسف وابو صالح‏.‏ وتابعه هلال بن رداد عن الزهري‏.‏ وقال يونس ومعمر ‏"‏ بوادره ‏"‏‏.‏
তাখরীজ: ( বুখারীঃ তা.পা ৩, ৩৩৯২, ৪৯৫৩, ৪৯৫৫, ৪৯৫৬, ৪৯৫৭, ৬৯৮২; মুসলিম ১/৭৩ হাঃ ১৬০, আহমদ ২৬০১৮ ( আ.প্রঃ ৩, ইঃফাঃ ৩)।

12/05/2025

আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) ... আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, হারিস ইবনু হিশাম (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আপনার প্রতি ওহী কিভাবে আসে? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কোন সময় তা ঘন্টাধ্বনির ন্যায় আমার নিকট আসে। আর এটি-ই আমার উপর সবচাইতে কষ্টদায়ক হয় এবং তা সমাপ্ত হতেই ফিরিশতা যা বলেন আমি তা মুখস্থ করে নিই, আবার কখনো ফিরিশতা মানুষের আকৃতিতে আমার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি যা বলেন আমি তা মুখস্থ করে ফেলি। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি প্রচন্ড শীতের দিনে ওহী নাযিলরত অবস্থায় তাঁকে দেখেছি। ওহী শেষ হলেই তাঁর কপাল থেকে ঘাম ঝরে পড়ত।

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ ـ رضى الله عنها ـ أَنَّ الْحَارِثَ بْنَ هِشَامٍ ـ رضى الله عنه ـ سَأَلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ يَأْتِيكَ الْوَحْىُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَحْيَانًا يَأْتِينِي مِثْلَ صَلْصَلَةِ الْجَرَسِ ـ وَهُوَ أَشَدُّهُ عَلَىَّ ـ فَيُفْصَمُ عَنِّي وَقَدْ وَعَيْتُ عَنْهُ مَا قَالَ، وَأَحْيَانًا يَتَمَثَّلُ لِيَ الْمَلَكُ رَجُلاً فَيُكَلِّمُنِي فَأَعِي مَا يَقُولُ ‏"‏‏.‏ قَالَتْ عَائِشَةُ رضى الله عنها وَلَقَدْ رَأَيْتُهُ يَنْزِلُ عَلَيْهِ الْوَحْىُ فِي الْيَوْمِ الشَّدِيدِ الْبَرْدِ، فَيَفْصِمُ عَنْهُ وَإِنَّ جَبِينَهُ لَيَتَفَصَّدُ عَرَقًا‏.‏

حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة ام المومنين ـ رضى الله عنها ـ ان الحارث بن هشام ـ رضى الله عنه ـ سال رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله كيف ياتيك الوحى فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ احيانا ياتيني مثل صلصلة الجرس ـ وهو اشده على ـ فيفصم عني وقد وعيت عنه ما قال، واحيانا يتمثل لي الملك رجلا فيكلمني فاعي ما يقول ‏"‏‏.‏ قالت عاىشة رضى الله عنها ولقد رايته ينزل عليه الوحى في اليوم الشديد البرد، فيفصم عنه وان جبينه ليتفصد عرقا‏.‏
তাহক্বীক: মারফু হাদিস।
তাখরীজ: ( বুখারীঃ তা.পা ২, ৩২১৫; তিরমিযীঃ ৩৯৯৪; নাসাঈঃ ৯৪২; আহমাদঃ ২৬৯৫২; মুয়াত্তাঃ ৪৭৯। মুসলিম ৪৩/২৩, হা: ২৩৩৩ , আহমাদ ২৫৩০৭ ( আধুনিক প্রকাশনী. ২ , ই.ফা. ২)

12/05/2025

আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন প্রকৃত ইলাহ নেই(১), তিনি চিরঞ্জীব, সর্বসত্তার ধারক।(২)

(১) এ আয়াতে তাওহীদের ইতিহাসভিত্তিক প্রমাণ পেশ করা হয়েছে। যেমন, মনে করুন, কোন একটি বিষয়ে বিভিন্ন দেশের অধিবাসী ও বিভিন্ন সময়ে জন্মগ্রহণকারী সব মানুষ একমত। পূর্বাপর এই জনগোষ্ঠীর মধ্যে শত শত, এমন কি হাজার হাজার বছরের ব্যবধান। একজনের উক্তি অন্য জনের কাছে পৌছারও কোন উপায় নেই। তা সত্বেও যিনিই আসেন তিনিই যদি পূর্ববর্তীদের মত একই কথা বলেন, একই কর্ম ও একই বিশ্বাসের অনুসারী হন, তবে এমন বিষয়ের সত্যতা স্বীকার করে নিতে মানব-স্বভাব বাধ্য। উদাহরনতঃ আল্লাহ্ তা'আলার তাওহীদের পরিচয় সম্পর্কিত তথ্যাদিসহ সর্বপ্রথম আদম আলাইহিস সালাম দুনিয়াতে পদার্পণ করেন। তার ওফাতের পর তার বংশধরদের মধ্যে আল্লাহর একত্ববাদ সম্পর্কিত এই তথ্যের চর্চা প্রচলিত ছিল। কিন্তু দীর্ঘকাল অতিবাহিত হওয়ার পর এবং আদম সন্তানদের প্রাথমিক কালের আচার-অভ্যাস, সভ্যতাসংস্কৃতি প্রভৃতি সর্ববিষয়ে ব্যাপক পরিবর্তন সূচীত হওয়ার পর নুহ আলাইহিস সালাম আগমন করেন।

তিনিও মানুষকে আল্লাহর একত্ববাদ সম্পর্কিত ঐসব বিষয়ের দিকে দাওয়াত দিতে থাকেন, যেসব বিষয়ের দিকে আদম 'আলাইহিস্ সালাম দাওয়াত দিতেন। অতঃপর সুদীর্ঘকাল অতীতের গর্ভে বিলীন হওয়ার পর ইবরাহীম, ইসমাঈল, ইসহাক ও ইয়াকুব আলাইহিমুস সালাম ইরাক ও সিরিয়ায় জন্মগ্রহন করেন। তারাও হুবহু একই দাওয়াত নিয়ে কর্মক্ষেত্রে অবতরন করেন। এরপর মুসা ও হারুন আলাইহিমাস সালাম এবং তাদের বংশের রাসূলগণ আগমন করেন। তারা সবাই সে একই কালেমায়ে তাওহীদের বাণী প্রচার করেন এবং এ কালেমার প্রতি মানুষজনকে দাওয়াত দিতে থাকেন। এরপরও দীর্ঘকাল অতিবাহিত হয়ে গেলে ঈসা আলাইহিস সালাম সেই একই আহবান নিয়ে আগমন করেন। সবার শেষে খাতামুল-আম্বিয়া মুহাম্মাদ মুস্তাফা সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই তাওহীদের দাওয়াত নিয়ে দুনিয়াতে আবির্ভূত হন।

মোটকথা, আদম থেকে শুরু করে শেষ নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত যত নবী ও রাসূল বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাষায় এবং বিভিন্ন দেশে জন্মগ্রহণ করেন এবং সবাই একই বাণী উচ্চারণ করেন। তাদের অধিকাংশেরই পরস্পর দেখা-সাক্ষাৎ পর্যন্ত হয়নি। তাদের আবির্ভাবকালে গ্রন্থ রচনা ও প্রকাশনার আমলও ছিল না যে, এক রাসূল অন্য রাসূলের গ্রন্থাদি ও রচনাবলী পাঠ করে তার দাওয়াতের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করবেন; বরং তাদের একজন অন্যজন থেকে বহুদিন পরে জন্মগ্রহণ করেছেন। জাগতিক উপকরণাদির মাধ্যমে পূর্ববর্তী রাসূলগণের কোন অবস্থা তাদের জানা থাকারও কথা নয়। আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহী লাভ করেই তারা পূর্বসুরীদের যাবতীয় অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞাত হন এবং আল্লাহর পক্ষ থেকেই তাদেরকে এ দাওয়াত প্রচার করার জন্য নিযুক্ত করা হয়।

এখন যে ব্যক্তি ইসলাম ও তাওহীদের দাওয়াতের প্রতি মনে মনে কোনরূপ বৈরীভাব পোষণ করে না, সে যদি খোলা মনে সরলভাবে চিন্তা করে, তবে এত বিপুল সংখ্যক নবী-রাসূল বিভিন্ন সময় এক বিষয়ে একমত হওয়াই বিষয়টির সত্যতা নিরূপণের জন্যে যথেষ্ট। কিন্তু রাসূলগণের ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্য, তাদের সততা ও সাধুতার উচ্চতম মাপকাঠির প্রতি দৃষ্টিপাত করলে কারো পক্ষে এরূপ বিশ্বাস করা ছাড়া গত্যন্তর নেই যে, তাদের বাণী ষোল আনাই সত্য এবং তাদের দাওয়াতে দুনিয়া ও আখেরাত উভয় জগতেরই মঙ্গল নিহিত। [তাফসীরে মাআরিফুল কুরআন]

(২) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দু'টি আয়াতের মধ্যে আল্লাহ তা'আলার ইসমে আযম রয়েছে, এক, (وَإِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَاحِدٌ لَّا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الرَّحْمَٰنُ الرَّحِيمُ) দুই, সূরা আলে ইমরানের প্রথম দু' আয়াত’। [তিরমিযীঃ ৩৪৭৮]

Want your business to be the top-listed Government Service in Narayanganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Address

Pathantuli
Narayanganj