জিন, যাদু, বদনজর ও রুকইয়াহ সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্ন করুন। প্রাসঙ্গিক প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে— ইনশাআল্লাহ।
আত-তাক্বওয়া রুকাইয়াহ & হিজামাহ সেন্টার
কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ অনুযায়ী রুকইয়াহ চিকিৎসা কেন্দ্র
জিন, জাদু, বদনজর ও আধ্যাত্মিক সমস্যার ইসলামিক সমাধান
বিশ্বাসযোগ্য ও শরয়ী পদ্ধতিতে সেবা প্রদান
জিন ও শয়তান থেকে আত্মরক্ষায় সহায়ক কিছু উপায়
জ্বিনের আছর
জিন শয়তানের ক্ষতি থেকে নিরাপদে থাকতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের সবার খেয়াল রাখা উচিত।
** এই লেখাটায় জীন – শয়তান থেকে নিরাপদ থাকার সব উপায়ই আনা হয়েছে তা নয়। আরো পয়েন্ট থাকতে পারে। কারো সাজেশন থাকলে কমেন্টে জানাতে পারেন। এছাড়া আমাদের মাসনুন আমলের যে পোস্ট আছে সেখানের আমলগুলো করতে হবে নিয়মিত। আমলগুলি দেখুন এখানে – মাসনুন আমল: যাদু, জ্বিন এবং অন্যান্য ক্ষতি থেকে বাচার উপায়
বিসমিল্লাহ বলে খাবার খেতে শুরু করা। কেননা যখন আল্লাহর নাম ব্যতিত কেউ খেতে শুরু করে সে খাবারে শয়তান শরিক হয় এবং এই খাবার খেয়ে মানুষের সাথে থাকা শয়তান হৃষ্টপুষ্ট হয়। সুতরাং এই শয়তানকে দূর্বল করতে শুরুতে বিসমিল্লাহ বলতে হবে। [১]
যদি কেউ বিসমিল্লাহ বলতে ভুলে যায় তবে যখনই মনে পড়বে তখনই পড়বে এই দুয়াটা পড়বে بِسْمِ اللهِ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ. (বিসমিল্লাহি আওয়ালাহু ওয়া আ’খিরাহু) [২]
বিসমিল্লাহ বলে বাসায় ঢুকবে। কেননা যদি বিসমিল্লাহ বলা ব্যতিত বাসায় প্রবেশ করে তবে সেই বাসায় শয়তানও একইসাথে প্রবেশ করতে পারে এবং থাকতে পারে। [১]
বাসা থেকে বের হতে এই দুয়া পড়া “بِسْمِ اللَّهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللَّهِ لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ” বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি, লা-হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ। এতে সে আল্লাহর পক্ষ থেকে হিদায়াতের উপর থাকবে, হেফাজতে থাকবে, তার উপর আক্রমণ প্রতিহত করা হবে [৩]
পোশাক পাল্টাবার আগে বিসমিল্লাহ বলা। কারণ বিসমিল্লাহ বলার দ্বারা মানুষের সতর ও জীনদের দৃষ্টির সামনে পর্দা সৃষ্টি হয়ে যায়। [৪]
যদি বিসমিল্লাহ না বলা হয় তবে জ্বিন মানুষদের দিকে দৃষ্টি দিতে পারে এবং সহজেই আকৃষ্ট হয়ে যেতে পারে।
ওয়াশরুমে ও টয়লেটে প্রবেশ করতে বিসমিল্লাহ এবং এই দুয়া পড়া, কারণ এসব নোংরা জায়গায় সাধারনত জীন থাকে।
“اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ”
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিনাল খুবুসি ওয়াল কাবাইস [৪]
ওয়াশরুম থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসা। বেশিক্ষণ না থাকা।
ওয়াশরুমে একা একা কথা না বলা। অনেক সময় এই কথা বলার মধ্যে জ্বিন শরিক হয়।
দরজা, জানালা বিসমিল্লাহ বলে খোলা ও বন্ধ করা, কেননা যে দরজা বা জানালা বন্ধ করার সময় আল্লাহর নাম নেয়া হয় সে দরজা শয়তান খুলতে পারে না [৫]
খাবার বিসমিল্লাহ বলে ঢেকে রাখা, এমনকি একটি কাঠি দিয়ে হলেও ঢেকে রাখবে এবং এর উপর আল্লাহর নাম নিবে। একইভাবে পানির পাত্রের মুখও বন্ধ করে দিবে আল্লাহর নাম নিয়ে। কারণ যে পাত্রের মুখ এভাবে আল্লাহর নাম নিয়ে ঢাকা থাকে তা শয়তান উন্মুক্ত করতে পারে না। [৫]
রাতে ঘরের বাতি নেভানোর সময় বিসমিল্লাহ বলে নিভাবে। গ্যাসের চুলা, সিলিন্ডার থাকলে সতর্কতার সাথে বন্ধ করে দিবে এগুলো। [৫]
যথাযথভাবে পর্দা করা। কারণ জীনরাও মানুষের প্রতি আকৃষ্ট হয়। বাসার নিরাপত্তা তো হলো, কিন্তু বাহিরে যেতে পর্দাসহকারে বের না হলেও জীন দ্বারা আক্রান্তের সম্ভাবনা থাকে।
মুশরিক/কাফিরদের উপসনালয় থেকে দূরে থাকা। কারণ এসব শির্কের আস্তানায় শয়তানের আনাগোনা হয় খুব বেশি। গ্রপে বেশ কিছু পোস্ট ছিল যাতে দেখা যায় এরকম কোন উপসনালয়ে যাওয়ার/পাশ দিয়ে গমণের পর জীন দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। [৬]
বাসায় সুরা বাকারাহ তিলাওয়াত করা। [৭] বিশেষ করে সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত পড়া। এটা পড়ার দ্বারা বাসা থেকে শয়তান দূর হয় । [৮]
বাসায় প্রানীর ছবি না রাখা। দরকারে যেহেতু ছবি তুলতে হয় সেহেতু ছবি উন্মুক্ত জায়গায় রাখবে না। কারণ এমন ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না। [৯]
বাসায় কুকুর না রাখা। [৯]
বাসায় পর্দাহীনতা যেন না হয় তা খেয়াল রাখা। যেমন টিভিতে, পত্রিকায়, ম্যাগাজিনে এরকম কিছু থাকলে তা বন্ধ করা, ঢেকে রাখতে হবে। ভাল হয় এসবের উৎস বন্ধ করতে পারলে।
প্রানীর মূর্তি বা মূর্তিজাতীয় কিছু না রাখা। [১০]
গোসল ফরজ হলে দ্রুত গোসল করে নেয়া। কারণ জুনুব ব্যক্তি যে ঘরে থাকে তাতেও ফেরেশতা প্রবেশ করে না মর্মে হাদীসে উল্লেখিত হয়েছে। [১১] আবার অপবিত্রতাবস্থার জন্য জীনদের আক্রমন করাও সহজ হয়ে যায়।
অধিক রাগ, শোক ও খুশির অবস্থায় আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল না হওয়া। বিশেষ করে রাগের সময়। এই সময় মানুষ জীনের দ্বারা আক্রমনের শিকার হবার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তাই রাগ উঠলেই আউযুবিল্লাহি মিনাশ শায়তনির রজিম পড়বে বার বার।
বাচ্চাদের মাগরিবের সময়ের খানিক আগে ও পরে বাইরে বিচরণ করতে না দেয়া (কেননা এই সময়ে জীনরা খুব বেশি বিচরণ করে থাকে)। [এটা অভিজ্ঞতা থেকে প্রাপ্ত]
এরকম আরো সুন্দর সুন্দর পরামর্শ পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন 01733652203
রুকইয়াহ সাপ্লিমেন্ট প্যাকেজ
কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ করে বানানো সাপ্লিমেন্ট বদনজর,হাসাদ,জিন,যাদূর,গিট,বাধন রুগিদের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সাপোর্ট প্যাকেজ।
প্যাকেজে যা থাকছে
১.রুকইয়াহ পানি
২.রুকইয়াহ অলিভ অয়েল
৩.কস্টাস লিকুইড
৪.রুকইয়াহ মধু
৫.রুকইয়াহ ডিটক্স পাউডার
৬.রুকইয়াহ আতর
৭.রুকইয়াহ কালোজিরা
৮.রুকইয়াহ সাবান
উপকারিতা
আল্লাহর ইচ্ছায় যে কোন
নজর, হাসাদ, জিন, যাদুর, সব সমস্যার জন্য
কার্যকারি রুকইয়াহ সাপ্লিমেন্ট
✔️ নিচে বিষয় বিক্তিক সমস্যা কথা তুলে ধরলাম সব গুলোর জন্য ব্যবহার করতে পারবেন উপকার পাবেন ইনশাআল্লাহ।
🌿 বদনজর ও হাসাদের ক্ষেত্রে
✅ নজর (বদনজর)
✅ হাসাদ (হিংসার প্রভাব)
✅ অকারণ বারবার ক্ষতি হওয়া
✅ বারবার ভালো কাজ নষ্ট হয়ে যাওয়া
✅ অকারণ সংসারে অশান্তি
✅ অকারণ ব্যবসায় ক্ষতি
✅ অকারণ রিজিকে সংকীর্ণতা অনুভব করা
✅ অকারণ অসুস্থতা বারবার ফিরে আসা
✅ অকারণ ক্লান্তি ও অবসাদ
✅ পরিবারে একের পর এক সমস্যা দেখা দেওয়া
✅ অকারণ মন খারাপ ও অস্থিরতা
✅ ছোট শিশুদের উপর নজরের আশঙ্কায় রুকইয়াহর সহায়ক।
🌿 জিন সংক্রান্ত সমস্যায়
✅ জিনের সমস্যা
✅চালান জিন সমস্যা
✅ আশিক জিনের সমস্যা
✅ঘুমে বোবা ধরার সমস্যা
✅ দীর্ঘদিনের জিনের সমস্যা
✅ ঘুমের মধ্যে ভয় পাওয়া, চিৎকার করা বা দুঃস্বপ্ন দেখা
✅ ঘুমের মধ্যে চাপ অনুভব করা
✅ ঘুম না আসা বা অস্থির ঘুম
✅ একা থাকতে অস্বাভাবিক ভয় পাওয়া
✅ অন্ধকারে অকারণ ভয় পাওয়া
✅ নির্জন স্থানে অস্বস্তি অনুভব করা
✅ কুরআন শুনলে অস্বস্তি অনুভব করা
✅ ইবাদতে অকারণ অনীহা
✅ বারবার একই ধরনের দুঃস্বপ্ন দেখা
✅ অকারণ ভয় ও আতঙ্ক অনুভব করা।
🌿 যাদু (সিহর) সংক্রান্ত
✅ যাদু (সিহর)
✅ চালান যাদু
✅ গিঁটের যাদু
✅ বাধন বা বান
✅ খাওয়ানো যাদু
✅ স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদের উদ্দেশ্যে করা যাদু
✅ বিয়েতে অকারণ বাধা
✅ রিজিকে অকারণ বাধা
✅ ব্যবসায় অস্বাভাবিক ক্ষতি
✅ চাকরিতে বারবার সমস্যা
✅ গুরুত্বপূর্ণ কাজ শেষ হওয়ার আগে ভেঙে যাওয়া
✅ ঘরে অকারণ অশান্তি ও ঝগড়া।
🌿 ওয়াসওয়াসা (অতিরিক্ত কুমন্ত্রণা) সংক্রান্ত
✅ অতিরিক্ত ওয়াসওয়াসা বা কুমন্ত্রণা
✅ অযথা সন্দেহ ও নেতিবাচক চিন্তা
✅ ইবাদত নিয়ে অতিরিক্ত সন্দেহ
✅ বারবার একই কাজ পুনরাবৃত্তি করার প্রবণতা
✅ ওজু বা নামাজ নিয়ে অতিরিক্ত সংশয়
✅ অকারণ ভয় ও দুশ্চিন্তা
✅ সবসময় খারাপ চিন্তা আসা
✅ মনোযোগ ধরে রাখতে কষ্ট হওয়া
🌿 ব্যক্তিগত জীবনের সমস্যায়
✅ রিজিকে বাধা অনুভব করা
✅ ব্যবসায় অস্বাভাবিক বাধা
✅ চাকরিতে বারবার সমস্যা
✅ পড়াশোনায় অমনোযোগ
✅ পরীক্ষার আগে অতিরিক্ত ভয়
✅ গুরুত্বপূর্ণ কাজে বারবার ব্যর্থতা
✅ অকারণ হতাশা ও মানসিক ভার
✅ ভয়, অস্থিরতা ও দুশ্চিন্তা
✅ আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া
✅ জীবনের প্রতি অনাগ্রহ অনুভব করা।
🌿 শারীরিক অস্বস্তিতে (চিকিৎসার পাশাপাশি)
✅ সবসময় দুর্বল লাগা
✅ অকারণ শরীর ব্যথা অনুভব করা
✅ মাথা ভার লাগা
✅ অলসতা ও ক্লান্তি
✅ ঘুমের সমস্যা
✅ ক্ষুধামন্দা অনুভব করা
✅ শরীর ভারী লাগা
✅ অকারণ অবসাদ
✅ চিকিৎসার পাশাপাশি রুকইয়াহর সহায়ক হিসেবে ব্যবহারযোগ্য।
🌿 শিশুদের জন্য
✅ বারবার অসুস্থ হয়ে পড়া
✅ অস্বাভাবিক কান্না বা অস্থিরতা
✅ দুধ বা খাবারে অরুচি
✅ শরীর শুকিয়ে যাওয়া
✅ ঘুমের মধ্যে ভয় পাওয়া
✅ রাতে বারবার কান্না করা
✅ হঠাৎ চমকে ওঠা
✅ অকারণ বিরক্তি
✅ বয়স অনুযায়ী স্বাভাবিক বিকাশে দেরি হলে চিকিৎসার পাশাপাশি রুকইয়াহর সহায়ক
✅ শিশুদের বিভিন্ন আধ্যাত্মিক সমস্যায় রুকইয়াহর সহায়ক।
🌿 আরও যেসব ক্ষেত্রে
✅ অকারণ ভয় ও আতঙ্ক
✅ অকারণ রাগ ও বিরক্তি
✅ পরিবারে অশান্তি
✅ বারবার দুঃস্বপ্ন
✅ ইবাদতে অনীহা
✅ কুরআন তিলাওয়াত বা যিকিরে অস্বস্তি অনুভব করা
✅ মনোযোগের ঘাটতি
✅ মানসিক প্রশান্তি অর্জনে সহায়ক
✅ নিয়মিত রুকইয়াহ প্রোগ্রামের সহায়ক
✅ আল্লাহর ইচ্ছায় আত্মিক প্রশান্তি ও সুন্নাহভিত্তিক জীবনযাপনে সহায়ক।
ব্যবহারবিধি
প্যাকেজের সাথে ব্যবহার বিধির কাগজ থাকবে।
অর্ডার করতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন
01733652203
একবার পড়ুন: "حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ"
উচ্চারণ: হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল
অর্থ: "আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, আর তিনিই সর্বোত্তম কর্মবিধায়ক (অভিভাবক ও ভরসাস্থল)।"
কঠিন সময়ে, বিপদ-আপদে, দুশ্চিন্তা ও শত্রুর ভয়ে এই দোয়াটি মুমিনের হৃদয়ে সাহস, ধৈর্য ও আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল (ভরসা) সৃষ্টি করে।
✅ কুরআনের আলোকে
🌿 আল্লাহ তাআলা বলেন:
"যাদেরকে লোকেরা বলেছিল, 'মানুষ তোমাদের বিরুদ্ধে সমবেত হয়েছে, সুতরাং তাদেরকে ভয় কর।' তখন এতে তাদের ঈমান আরও বৃদ্ধি পেল এবং তারা বলল, 'হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল।'"
— সূরা আলে ইমরান, ৩:১৭৩
এই আয়াত উহুদের যুদ্ধের পরের ঘটনার বর্ণনা করে। শত্রুর ভয় দেখানো সত্ত্বেও সাহাবায়ে কেরাম আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে এই বাক্য উচ্চারণ করেছিলেন।
✅ হাদিসের আলোকে
🌿 রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
"ইবরাহীম (আ.)-কে যখন আগুনে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন: 'হাসবিয়াল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল'। আর মুহাম্মাদ ﷺ ও তাঁর সাহাবীগণও এটি বলেছিলেন যখন লোকেরা তাদেরকে ভয় দেখিয়েছিল।"
— সহীহ বুখারী
এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, আল্লাহর প্রিয় বান্দারা কঠিন পরীক্ষার মুহূর্তে এই দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতেন।
✅ এই দোয়ার শিক্ষাগুলো
১. আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা সৃষ্টি করে
মুমিন জানে, সব ক্ষমতার মালিক একমাত্র আল্লাহ। তাই মানুষের সাহায্যের আগে সে আল্লাহর সাহায্য চায়।
২. ভয় ও দুশ্চিন্তা দূর করে
যখন সব পথ বন্ধ মনে হয়, তখন এই দোয়া হৃদয়ে প্রশান্তি এনে দেয়।
৩. ঈমানকে শক্তিশালী করে
বিপদের সময় আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়া ঈমান বৃদ্ধির অন্যতম মাধ্যম।
৪. ধৈর্য ও সাহস বৃদ্ধি করে
এই দোয়া মানুষকে হতাশ না হয়ে আল্লাহর উপর নির্ভর করতে শেখায়।
✅ কতবার পড়তে হবে?
কুরআন ও সহীহ হাদিসে এই দোয়া নির্দিষ্টভাবে ৪১ বার, ১০০ বার বা অন্য কোনো সংখ্যা পড়ার নির্দেশ নেই। তবে যে কোনো সময়, বিশেষ করে বিপদ, দুশ্চিন্তা, ভয় বা সংকটের মুহূর্তে বেশি বেশি পড়া যেতে পারে।
✅ আমল
সকালে ও সন্ধ্যায়, অথবা যখনই মন অস্থির হয়, আন্তরিকতার সাথে পড়ুন:
"حَسْبُنَا اللّٰهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ"
"হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল"
আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন, হালাল উপায়ে চেষ্টা চালিয়ে যান এবং দোয়া করতে থাকুন। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তাআলা আপনার জন্য উত্তম ফয়সালা করবেন।
আল্লাহ আমাদের সকলকে তাঁর উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
যেহেতু পুরাটা পড়ছেন আশাকরি ভালো লাগছে
সম্ভব হলে
ফলো কইরেন
জ্বিনগ্রস্থ পেশেন্টদের দৈনন্দিন গোসলের প্রতি অনীহা কাজ করে,কার কার সাথে এমন হয় জানাতে পারেন।
জ্বিন যাদু থেকে বাঁচতে হলে অবশ্যই আপনাকে " মাসনুন আমল " জোরদারের সাথে করতে হবে৷ মাসনুন আমল আপনার নিরাপত্তার ঢাল।
হোমপেজ » রুকইয়াহ বেসিক » কুফরি কাটাতে কুফরি করা লাগবে?
কুফরি কাটাতে কুফরি করা লাগবে?
রুকইয়াহ বেসিক যাদুটোনা - ব্ল্যাক ম্যাজিক প্রচলিত ভুল নির্বাচিত প্রশ্নোত্তর
বহুল প্রচলিত জঘন্য আকিদাগুলোর মাঝে এটা একটা। নিঃসন্দেহে এটা কোরআন বিরোধী আকিদা, বাস্তবতা পরিপন্থী আকিদা, মুর্খতাসুলভ কুফরি আকিদা। আমি কাউকে তাকফির করছি না, কিন্তু বাস্তবেই এটা ইসলাম বিরোধী বাতিল আকিদা।
কোরআন এর কথা হচ্ছে – “মন্দ প্রতিরোধ সেটা দিয়েই করুন, যা উত্তম। তারা যা বলে, আমি সে বিষয়ে সবিশেষ অবগত। আর বলুনঃ হে আমার পালনকর্তা! আমি শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর হে আমার রব! তাদের উপস্থিতি থেকেও আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।” [মুমিনুন, ৯৬-৯৮]
সুতরাং আপনি যদি শয়তানি যাদুতে আক্রান্ত হন, তবে আপনার কাজ হবে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া। রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবায়ে কিরামও যাদুতে আক্রান্ত হয়েছে। তাঁরা তো আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়েছেন, শয়তানের কাছে না। সুরা ফালাকের মাঝে আল্লাহ আমাদের সেটাই শিখিয়েছেন।
“আর (আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি) গিরায় ফুঁ দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে” [আয়াত ৪]
আর বাস্তবতা এটাই, ঈমান আসবে; কুফর চলে যাবে। হক আসবে; বাতিল চলে যাবে। কোরআনের এই আয়াতটা তো সবার মুখস্ত –
وَقُلْ جَاءَ الْحَقُّ وَزَهَقَ الْبَاطِلُ ۚ إِنَّ الْبَاطِلَ كَانَ زَهُوقًا
“বলুন, সত্য এসেছে; মিথ্যা বিলুপ্ত হয়েছে। নিশ্চয় মিথ্যা বিলুপ্ত হওয়ারই ছিল।”
এর পরের আয়াতটা কি জানেন?
وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ ۙ وَلَا يَزِيدُ الظَّالِمِينَ إِلَّا خَسَارًا
“আমি কোরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা রোগের সুচিকিৎসা এবং মুমিনের জন্য রহমত, গোনাহগারদের তো এতে শুধু ক্ষতিই বৃদ্ধি পায়..। [বানি ইসরাইল, ৮১-৮২]
সুতরাং যদি ক্ষতি থেকে বাঁচতে চান আর আল্লাহর রহমত আশা করেন, তবে কুফর থেকে দূরে থাকেন, এবং কোরআন দিয়ে রুকইয়াহ করেন।
আল্লাহ আমাদেরকে জানার, বুঝার এবং মানার তাওফিক দিক, আমিন!
সব রিপোর্ট স্বাভাবিক। ডাক্তার বলছেন কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু জীবনটা কেন যেন থমকে আছে...
এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি কখনও হয়েছেন?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
1630
