01/06/2026
বিস্তারিত কমেন্টসে।
শিক্ষা বিষয়ক তথ্য দিয়ে আপনাদের সহযোগিতার ক্ষুদ্র প্রয়াস।
01/06/2026
বিস্তারিত কমেন্টসে।
01/06/2026
১৯৬৯-এ ঢাকা ভার্সিটিতে আবদুল মালেকের খুনের হামলাও চালাইছিল সে; কিনতু ১৯৭১'র পরে বাংলাদেশে যে পলিটিকসের নামে ক্রিমিনালাইজেশন শুরু হয়, এর মেইন-ফিগার হইতেছে তোফায়েল আহমেদ!
30/05/2026
২৭ জুলাই, ২০১৬।
রাত ১১টা ৩০ মিনিট।
কুমিল্লা শহরে তখন নীরবতা নেমে আসছে। মানুষ ঘুমের প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই সময়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের নওবাব ফয়জুন্নেছা ছাত্রী হলেও স্বাভাবিক পরিবেশ বিরাজ করছিল। কেউ খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, কেউ ডাইনিংয়ে ব্যস্ত, আবার কেউ পড়ার টেবিলে বইয়ের পাতা উল্টাচ্ছিলেন।
হলের ২০২ নম্বর কক্ষে থাকা তিন ছাত্রীর মধ্যে একজন ঘুমিয়ে ছিলেন, একজন পড়াশোনা করছিলেন এবং আরেকজন ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। হঠাৎ করেই হলের গেটে বিপুল সংখ্যক পুলিশ,র্যাব, সিআইডি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য উপস্থিত হন। পুরো হল ঘিরে ফেলা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, কয়েকজন শিক্ষকের সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ২০২ নম্বর কক্ষে প্রবেশ করে। এর আগে সন্ধ্যার পর কয়েকবার ওই কক্ষে গিয়ে ছাত্রদের নাম-পরিচয়সহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরে কক্ষের বই, খাতা, পড়ার টেবিল ও বিছানাপত্র তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু বই জব্দ করা হয়। এর মধ্যে ছিল—
১. ড. জাকির নায়েকের লেকচার সমগ্র
২. আদর্শ পরিবার পরিবেশ
৩. পরকালের প্রস্তুতি
৪. ইসলামী আন্দোলনের পথ ও পাথেয়
রাত প্রায় ৩টা পর্যন্ত তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চলে। পরে জ*ঙ্গি*বাদের অভিযোগ এনে ২০২ নম্বর কক্ষের তিন ছাত্রীকে কোতোয়ালী থানায় নিয়ে স ন্ত্রা সবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। ঘটনাটি দেশব্যাপী আলোচনার জন্ম দেয় এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। কিছুদিন কারাভোগের পর তারা জামিনে মুক্তি পান।
দীর্ঘ ৯ বছর ৯ মাস ২৭ দিনের আইনি লড়াই শেষে তারা নির্দোষ প্রমাণিত হন। অবশেষে ২৪ মে ২০২৬ তারিখে বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আদালত তাদের খালাস প্রদান করেন। আলহামদুলিল্লাহ।
ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট, জজকোর্ট থেকে শুরু করে হাইকোর্ট পর্যন্ত জামিন প্রক্রিয়া, কারাগার থেকে পরীক্ষার ব্যবস্থা করাসহ এই মামলাকে ঘিরে জড়িয়ে আছে অনেক আবেগ, স্মৃতি ও ইতিহাস।
মামলার শুরু থেকেই আইনি সহায়তা প্রদান করেন অ্যাডভোকেট শহিদ উল্লাহ স্যার, বদিউল আলম সুজন স্যার এবং অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম মনির। মহান আল্লাহ তাদের ত্যাগ ও পরিশ্রম কবুল করুন এবং উত্তম প্রতিদান দান করুন।
এখানে ব্যবহৃত ছবিটি ২০১৬ সালের ২৭জুলাই রাত আনুমানিক ১১:৩০ ঘটিকায় সময়ের।
27/05/2026
নোয়াখালী সরকারি কলেজের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কমকর্তা-কর্মচারী, অভিভাবক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক 🌙
25/05/2026
প্রথম ছবিটা উম্মে সাহেদীনা টুনি। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় কান্নার বন্যা বয়ে দেন।
টুনি গণমাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকার দেন যে তার স্বামীকে (তারেক) নিজের কিডনি দিয়ে সুস্থ করার পর তাকে রেখে পরকীয়ায় জড়ায়।
এই সংবাদ মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়লে সোশ্যাল মিডিয়ায় টুনির জন্য কান্না আর পুরুষবিদ্বেষী পোস্টের হিড়িক পড়ে। পুরুষ কত খারাপ — যে স্ত্রী নিজের কিডনি দিয়ে তাকে বাঁচিয়েছে, তাকে রেখেই পরকীয়া।
এই ঘটনা নিয়ে দেশের প্রথম সারির কিছু গণমাধ্যমের হেডলাইন ছিল এমন:
স্ত্রীর দেওয়া কিডনিতে প্রাণে বেঁচে পরকীয়ায় জড়ালেন স্বামী
— দৈনিক যুগান্তর
স্ত্রীর কাছ থেকে কিডনি পেয়েই পরকীয়ায় জড়ালেন স্বামী!
— দৈনিক ইত্তেফাক
স্ত্রীর কিডনিতে জীবন ফিরে পেয়ে পরকীয়ায় জড়ালেন স্বামী!
— বাংলাদেশ প্রতিদিন
সাভারে স্ত্রীর কিডনিতে জীবন ফিরে পেয়ে স্বামী থাকছেন পরকীয়া প্রেমিকাকে নিয়ে!
— কালের কণ্ঠ
কিন্তু এই পুরুষবিদ্বেষী পোস্ট আর টুনির জন্য আলগা পিরিতে পানি ঢেলে দেন অভিযুক্ত তারেক নিজেই।
২০২৫ সালের জুলাইয়ের ২০ তারিখে অনলাইন গণমাধ্যম বাংলানিউজ২৪-এর এক প্রতিবেদনে উঠে আসে আসল ঘটনা।
বাংলানিউজ২৪-কে তারেক জানান, স্ত্রী তার কাছ থেকে এক শতাংশ জমিসহ তিনতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার মালিকানা লিখে নিয়েই কিডনি দিয়েছেন। কেবল তাই নয়, পরকীয়া সম্পর্ক ধরে ফেলায় স্ত্রী টুনির রোষানলে পড়ে শাস্তির শিকার হন তিনি।
মালয়েশিয়াপ্রবাসী তারেক বলেন, ২০০৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আমি টুনিকে না দেখেই বিয়ে করি। আমার বাসা তখন প্রস্তুত ছিল, ওরা কোয়ার্টারে থাকত। এখন ওদের অনেক টাকা।
প্রথমদিকে সংসার ভালোই চলছিল বলে জানান তিনি। একসময় তার শরীরে ধরা পড়ে কিডনি রোগ। ভারতে চিকিৎসা নিতে গেলে চিকিৎসক কিডনি প্রতিস্থাপনের পরামর্শ দেন। কিন্তু অর্থাভাব দেখা দেয়। তখন স্ত্রী টুনি কিডনি দিতে রাজি হন, তবে শর্ত দেন — বাড়ির দ্বিতীয় তলার মালিকানা লিখে দিতে হবে।
তারেক বলেন, সম্পর্ক তখন ভালো ছিল, তাই আমি এক শতাংশ জমিসহ বাড়ির দ্বিতীয় তলার মালিকানা টুনির নামে লিখে দিই। এরপর সে তার মা-বোনের নিষেধ সত্ত্বেও ভারতে গিয়ে কিডনি দেয় আমাকে।
তবে সফল প্রতিস্থাপনের পরও সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি তারেক। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় শারীরিক সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন বলে দাবি করেন তিনি। এ সময় থেকেই তাদের সম্পর্কে ফাটল ধরে।
এরপর টুনি টিকটক জগতে জড়িয়ে পড়ে। তার চরিত্রগত পরিবর্তন আমি খেয়াল করি, যদিও দুই-তিন মাস সহ্য করি, বলেন তারেক। তিনি অভিযোগ করেন, একদিন আমার ভাড়াটিয়ার সঙ্গে একই ঘরে হাতেনাতে ধরার পর আর সহ্য করতে পারিনি। তাকে সেখান থেকে নিয়ে আসি। সবাই দেখেছে।
ঘটনার পর থেকেই তাকে শাস্তির মুখোমুখি হতে হয় বলে দাবি করেন তিনি। নারী নির্যাতন ও যৌতুক মামলায় জেল খাটেন তারেক। এরপর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে জানতে পারেন, টুনি উল্টো তার বিরুদ্ধে পরকীয়া ও অনলাইন জুয়ার মিথ্যা গল্প সাজিয়েছে।
---
এবার আসুন দ্বিতীয় ছবিতে, যার নাম উম্মে হাবিবা মিম।
গত কয়েক দিন সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারও হাউমাউ করে কান্নার হিড়িক আর পুরুষবিদ্বেষী পোস্ট। কারণ মিম ক্যান্সারে আক্রান্ত আর এই কথা জানার পর তার স্বামী তাকে ডিভোর্স দেয়।
মিমকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক আপডেট, মিমকে বাঁচানোর জন্য এগিয়ে এসেছেন শত শত মানুষ।
বৈশাখী নিউজ ও সময়ের কণ্ঠস্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়, উম্মে হাবিবা মিমের বয়স ১৯ বছর, রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার পৌর এলাকার পুঠিপাড়া গ্রামের এক অসহায় মেয়ে। যে বয়সে স্বপ্ন দেখার কথা ছিল, বন্ধুদের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল, সেই বয়সেই ভালোবেসে সংসার শুরু করেছিলেন। ২০২১ সালের মে মাসে নবম শ্রেণিতে পড়াকালীন বিয়ে করেন মিম। ছোট্ট সংসার, হাজারো স্বপ্ন, প্রিয় মানুষকে নিয়ে নতুন জীবনের আশা — সবকিছুই যেন সুন্দরভাবে শুরু হয়েছিল।
কিন্তু সুখ যেন তার জীবনে বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। বিয়ের কয়েক মাস পর স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার পথে ঘটে ভয়াবহ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসার পর বাড়ি ফিরলেও সেই দুর্ঘটনাই হয়তো তার জীবনের সবচেয়ে ভয়ংকর অধ্যায়ের শুরু। দুর্ঘটনার প্রায় আড়াই মাস পর হঠাৎ একদিন মুখ দিয়ে প্রচুর রক্ত বমি হয় মিমের। রাজশাহী মেডিকেলের ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে ডাক্তারদের ধারণা হয়, এটি হিমোফিলিয়া বা বিরল ধরনের রক্তজনিত রোগ হতে পারে। একটি কেমোও দেওয়া হয়। কিন্তু সেই কেমোর পর রক্তক্ষরণ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
অবশেষে তাকে ঢাকার পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) স্থানান্তর করা হয়। সেখানে দীর্ঘ দুই মাস চিকিৎসা চলার পর চিকিৎসকরা পরিবারকে জানান, এই রোগের চিকিৎসা বাংলাদেশে সম্ভব নয়, যত দ্রুত সম্ভব ভারতে নিতে হবে, না হলে রক্তক্ষরণ দিন দিন আরও বাড়বে।
তবে আজও নিশ্চিতভাবে কেউ বলতে পারেনি মিম আসলে কোন রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসকদের অভিজ্ঞতা বলছে, এটি হয়তো ব্লাড ক্যান্সারের বিরল কোনো ধরন। আর সেই চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন প্রায় ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা।
এই খবর শোনার পর থেকেই যেন মিমের জীবন আরও অন্ধকার হয়ে যায়। যে মানুষটিকে ভালোবেসে নিজের পড়াশোনা, নিজের স্বপ্ন সব ছেড়ে দিয়েছিলেন, সেই মানুষটি তাকে হাসপাতালে রেখে চলে আসে। কিছুদিন পর মিমের বাবার হাতে মিমকে ফিরিয়ে দিয়ে জানায়, সে আর এই সম্পর্ক রাখবে না।
তবে মিমের এই ঘটনায়ও পানি ঢেলে দেয় Hidden Truth Unveiled নামের একটি ফেসবুক পেজ। তারা একটি অডিও কল রেকর্ড পোস্ট করে ক্যাপশনে বলে, মিম পরপর দুটো বিয়ে করেছে — কেন তার স্বামী ছেড়ে দিয়েছে, কেউ কি সেই তথ্য নিয়েছেন?
অডিও কল রেকর্ডের কথোপকথন অনুযায়ী, মিম দুটো বিয়ে করেছিল এবং প্রথম স্বামীর সঙ্গে থাকাকালীন বিবাহবহির্ভূত নানা সম্পর্কে জড়ায়। ফলে প্রথম স্বামীর সঙ্গে সংসার ভাঙে। প্রথম স্বামী নাকি দুই লাখ টাকা খরচ করে মিমের চিকিৎসাও করিয়েছিলেন। এমনকি দ্বিতীয় বিয়ের সংসার ভেঙে সেখান থেকে দেনমোহরের টাকা আদায় করে। তাছাড়া মানুষের কাছ থেকে সহায়তা পাওয়া সর্বমোট টাকার লেনদেনের সঠিক হিসাব নিয়েও মিম মিথ্যাচার করে চলছে বলে অভিযোগ। সহায়তার টাকা পেয়েই মেতেছে ভোগবিলাসে — মিম ও তার ভাই কিনেছে দামি ফোন।
এদিকে এই অডিও কল রেকর্ড ভাইরাল হওয়ার পর দৈনিক আজকের পত্রিকার ফেসবুক পেজে পোস্ট করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, মিম বলছেন তার ক্যান্সার হয়নি, বরং বিভিন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটররা বাড়িয়ে-চাড়িয়ে তার ক্যান্সারের কথা বলে টাকা কামাচ্ছেন। ভিডিওতে স্বামী-সংসার নিয়ে কথা না বললেও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হিমোফিলিয়া বা বিরল ধরনের রক্তজনিত রোগে আক্রান্ত বলে জানান তিনি।
POV: ভার্সিটি বন্ধ হয়ে গেছে!
20/05/2026
আমরা কি প্রস্তর যুগে চলে গেলাম?
18/05/2026
রাগ কইরো না, টাকা লাগবে প্রচুর 😆
*চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ম্যাচ নিয়ে তীব্র নিন্দা*
আজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ম্যাচ চলাকালে যা ঘটল, তা শুধু খেলাধুলার চেতনার অপমান নয়, পুরো শিক্ষাঙ্গনের জন্য লজ্জার।
১. *নিরাপত্তা ভেঙে দর্শক প্রবেশ*: ম্যাচ চলাকালে জোরপূর্বক দর্শক মাঠে প্রবেশ করে। এতে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে এবং পুরো খেলার শৃঙ্খলা নষ্ট হয়। আয়োজক কমিটি পরিস্থিতি সামলাতে হিমশিম খেয়েছে—এটা তাদের ব্যর্থতা।
২. *মাঠের ফলকে অস্বীকার*: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ১ গোলে এগিয়ে থাকার পরও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মিডিয়া ম্যানেজ করে জোরপূর্বক উভয় দলকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেছে। এটা খেলার ন্যূনতম নিয়ম-নীতির লঙ্ঘন। জয়-পরাজয় মাঠেই নির্ধারিত হয়, মিডিয়া রুমে নয়।
খেলাধুলা শেখায় ন্যায়বিচার, সততা আর প্রতিযোগিতার মনোভাব। কিন্তু এখানে যা হলো, তা হলো প্রভাব খাটিয়ে ফল পাল্টানোর অপচেষ্টা। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হলো খেলোয়াড়দের পরিশ্রম, দর্শকদের আস্থা আর বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়ার ভাবমূর্তি।
আমরা দাবি জানাই:
1. ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক।
2. দোষী ব্যক্তিদের বি-রুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
3. ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে কঠোর নিরাপত্তা ও নিয়ম নিশ্চিত করা হোক।
খেলাকে রাজনীতি আর প্রভাবের হাতিয়ার বানাবেন না। মাঠের ফল মাঠেই থাকুক।
| 09:00 - 17:00 |